Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – বন্ধুত্ব নিয়ে ভালো লাগার মত কিছু বিখ্যাত বানী বা উক্তি

Bipon 360

Published

on

বন্ধুত্ব নিয়ে ভালো লাগার মত কিছু বিখ্যাত লেখকমনিষী গুণীজনদের স্বরণীয় নির্বাচিত ৫০টি বানী বা উক্তি

1) একটি ভালো বই একশ জন বন্ধুর সমান । কিন্তু একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান । – ডক্টর এ.পি.জে আব্দুল কালাম ।
2) বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
3) বন্ধুত্ব তিন ধরনের (১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না। (২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
4) অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়েও ভালো।- হেলেন কিলার
5) আমার বন্ধুর জন্যে সবচেয়ে বেশি যা করতে পারি তা হোল শুধু বন্ধু হয়ে থাকা।তাকে দেয়ার মতো কোন সম্পদ আমার নেই। সে যদি জানে যে আমি তাকে ভালবেসেই সুখী, সে আর কোন পুরস্কারই চাইবে না।এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব কি স্বর্গীয় নয়?- হেনরি ডেভিড থিওরো
6) আহ্, কী ভালোই না লাগে – পুরনো বন্ধুর হাত।– মেরি এঙলেবাইট
7) একজন বিশ্বাসী বন্ধু দশ হাজার আত্মীয়ের সমান– ইউরিপিদিস [গ্রীক নাট্যকার]
8) একজন সত্যিকারের বন্ধু কখনো বন্ধুর আচরণে ক্ষুব্ধ হয়না। – চার্লস ল্যাম্ভ বন্ধুদের মধ্যে সব কিছুতেই একতা থাকে।- প্লেটো
9) কখনো কোন বন্ধুকে আঘাত করো না, এমনকি ঠাট্টা করেও না।– সিসেরো
10) কাউকে তোমার সামনে অন্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতে দেখলে তৎক্ষণাৎ তাকে বন্ধুর তালিকা থেকে দূরে সরিয়ে দিও।-মামুনুর রশীদ
11) কোন মানুষই অপ্রয়োজনীয় নয় যতোক্ষন তার একটিও বন্ধু আছে।– রবার্ট লুই স্টিভেন্স
12) কোনো বন্ধু যদি তোমার গোপন কথা প্রকাশ করে দেয়, তবে সেজন্য তাকে দোষ না দিয়ে নিজেকে শাসন করো। কেননা, নিজের গোপন কথা তুমি তার কাছে প্রকাশ করলে কেন?
13) গোপনীয়তা রক্ষা না করে চললে কোনবন্ধুত্ব টিকে না।– চার্লস হেনরি ওয়েব
14) তুমি আমার কথা মেনে মূর্খের বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকো। মূর্খের বন্ধুত্ব জ্ঞানীকে বরবাদ করে দেয়। মূর্খের সঙ্গে বন্ধুত্বের পরিণামস্বরূপ মানুষ তোমাকে মূর্খ বলে স্মরণ করবে।- হযরত আলী (রা.)
15) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে, কিন্তু আনন্দের পুরোটা উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই তোমাকে তা কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে।– মার্ক টোয়েন
16) নিয়তি তোমার আত্মীয় বেছে দেয়, আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।– জ্যাক দেলিল [১৭৩৮- ১৮১৩], ফরাসী কবি
17) পার্থিব জীবনে কোনো মানুষই বন্ধু বা সঙ্গীর সাহচর্য বা প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। তাই সঙ্গী যদি ভালো হয়, বন্ধু যদি চরিত্রবান হয়, সাথী যদি আদর্শবান হয়, তবে সহযাত্রী অপর সঙ্গীও ভালো হতে বাধ্য। অপরদিকে সঙ্গী যদি অসৎ হয়, তবে সাথীও চরিত্রহীন হয়ে যাবে।’
18) প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব।–এমারসন
19) প্রত্যেক নতুন জিনিসকেই উৎকৃষ্ট মনে হয়। কিন্তু বন্ধুত্ব যতই পুরাতন হয়,ততই উৎকৃষ্ট ও দৃঢ় হয়।–এরিস্টটল
20) লোক তার সঙ্গীর স্বভাব-চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত। অতএব সে যেন খেয়াল রাখে কার সঙ্গে সে বন্ধুত্ব করছে।- প্রিয় নবীজি (সা.)
21) বন্ধত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে।– উইড্রো উইলসন
22) বন্ধু কি? এক আÍত্মার দুইটি শরীর।– এরিস্টটল
23) বন্ধুত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে।- উইড্রো উইলসন
24) বন্ধুত্ব হলো তরমুজের মতো। ভালো একশটিকে পেতে হলে এক কোটি আগে পরীক্ষা করে দেখতে হয়। – ফরাসী প্রবাদ
25) বন্ধুদের মধ্যে সবকিছুতেই একতা থাকে– প্লেটো
26) বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো।–নিটসে
27) বীরের পরীক্ষা হয় যুদ্ধের ময়দানে, বন্ধুর পরীক্ষা হয় বিপদের সময় এবং বুদ্ধিমানের পরীক্ষা হয় ক্রোধান্বিত অবস্থায়।-(ইমাম জমখশরী (রহ.) এর বাণী)
28) যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না।– মাদার তেরেসা
29) যার ক্রোধ বেশি, এরূপ ব্যক্তির ভাগ্যে অন্যের বন্ধুত্ব কমই জুটে থাকে।-হযরত ফুজায়েল ইবনে আয়াজ (রহ.)।
30) যারা কোনো স্বার্থের বশবর্তী হয়ে তোমার কাছে আসে, পরীক্ষা না করে তাদের বন্ধুত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করো না। যাকে তুমি ঘৃণা করো, তাকে ভয় করে চলো।- বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)
31) যারা বন্ধুদের অপমান করে, বন্ধুদের অপমানিত হতে দেখে কাপুরুষের মতো নীরব থাকে তাদের সঙ্গে সংসর্গ করো না ।- সিনেকা
32) যে ইচ্ছাপূর্বক বন্ধুকে ঠকায়, সে তার খোদাকেও ঠকাতে পারে ।– লাভাটাব
33) যে ব্যক্তি কথায় কথায় রাগ ঝাড়তে থাকে, তার বন্ধু পাওয়া কঠিন।’-বুআলী সিনা
34) যে ব্যক্তি নির্দোষ বন্ধুর তালাশে থাকে চিরদিন তাকে বন্ধুহীন থাকতে হবে।-কায় সার-খসরু
35) যে ব্যক্তি প্রতিশোধ স্পৃহার আগুনে জ্বলতে থাকে, তার অন্তরের রক্তক্ষরণ কখনো বন্ধ হয় না।-বুআলী সিনা
36) শত্রুর চেয়ে বন্ধুকে হাজার গুণ বেশি ভয় করো। কেননা বন্ধু যদি কখনো শত্রুতে পরিণত হয়, তবে শত্রুতা উদ্ধার করার হাজার পথ তার সমানে খোলা থাকে।-জনৈক বুজুর্গ
37) সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।’ তাই জীবনকে সুন্দর করতে হলে অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। অসৎজনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কখনো ভালো হওয়ার আশা করা যায় না। তা ছাড়া প্রত্যেক ব্যক্তি হাশরের দিন তার বন্ধুর সাহচর্য লাভ করবে।’
38) সম্পদ বন্ধু আকর্ষণ করে। দরিদ্র মানুষ আত্মীয়ের কাছেও প্রত্যাখ্যাত হয়। গুণের আকর্ষণে যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়, এটাই সাধারণত স্থায়ী হয়ে থাকে। সঙ্গীহীন, নিঃসঙ্গ একাকী জীবনে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তাই তার জন্য চাই বিশ্বস্ত বন্ধু, সহযোগী বা সহ্যাত্রী। তবে এই বন্ধু হতে হবে সৎ মানুষ। সঙ্গী বা বন্ধু না হলে জীবন-জগৎ ও পরকালের সবই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই ইসলামও সঙ্গী নির্বাচনে, সৎসঙ্গ লাভে সৎসঙ্গের সাহচর্যে থাকার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করছে। সৎসঙ্গ মানব জীবনকে চারিত্রিক উৎকর্ষের উচ্চ শিখরে নিয়ে যায়। তেমনি অসৎ সঙ্গ ঢেকে আনে ধ্বংস।- হযরত সুলায়মান (আ.)
39) সম্পর্ক যখন জ্বরে পুড়ে তখন তার নাম হয় ভালবাসা, আর ভালবাসা যখন জ্বরে পুড়ে তার নাম হয় বন্ধুত্ব।–প্রাচিন প্রবাদ
40) সর্বোৎকৃষ্ট আয়না হলো একজন পুরনো বন্ধু।– জর্জ হার্বাট
41) সেই তোমার সত্যিকার বন্ধু, যে তোমার সঙ্গে থাকে। তোমার কল্যাণের জন্য নিজের ক্ষতি করে। হঠাৎ করে তোমার অবস্থা শোচনীয় হলে সে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে তোমাকে সুখ দান করে।- হযরত আলী (রা.)
42) হে বন্ধু তুমি যদি একশ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।–তানবীর

43) বন্ধুত্ব আমাদের নানান প্রয়োজনে, যেমন নানান প্রয়োজনের আমারা নানান পোষাক পরিধান করি। বিয়ের পাগড়ীতে, বিয়ের শাড়ীতে দ্বিতীয় বার সাজতে চাই না, বিয়ের পাগড়ী, বিয়ের শাড়ী এগুলি প্রেমের পোষাক একবারেই পরিধান করতে হয় আর বন্ধুত্বের পোশাক সারাজীবন পরা যায়
প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ।

[the_ad_group id=”299″]

[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত]
বন্ধুত্ব হল দুটি মানুষের মধ্যে আত্নিক সম্পর্ক, যেখানে থাকেনা কোন হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, পরশ্রীকাতরতা। নিখাদ বন্ধুত্ব হচ্ছে সেই সম্পর্ক যেখানে একজন আরেকজনকে নিস্বার্থভাবে সাহায্য করে, সুসময়ে, দুঃসময়ে, সবসময় তার পাশে থাকে।বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পর্ক যার মাঝে জড়িয়ে আছে ভালবাসা ও আবেগ। আপনার আনন্দ এবং দুঃখে আপনার পাশে কেউ না থাকলে আনন্দ যেমন বহুলাংশে মাটি হয়ে যায়, তেমনি দুঃখও সহজে হালকা হয় না। মানুষ যখন বেদনাভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে তখন বন্ধুর কাছ থেকে সে প্রথম সান্ত্বনা পায়, আর যখন আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠে তখন এ আনন্দের খবর সে প্রথম বন্ধুকেই জানায়। বন্ধুত্ব কখনো কারো আর্থিক ও বাহ্যিক অবস্থান দেখে হয় না …মনের অজান্তে গড়ে ওঠে এই বন্ধুত্ব। আর এই বন্ধুত্ব টিকে থাকে পারস্পরিক চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব দেওয়া,ও কম্প্রোমাইজ করার প্রবনাতার উপর ..

✮ ✮ ✮ বন্ধুত্ব মানে গোপন কথার অনেকখানি ভাগ, প্রান খোলা হাসির সাথে একটুখানি রাগ। বন্ধুত্ব মানে দুষ্টুমি আর একটু অভিমান, মনের মাঝে কোথায় যেন একটু খানি টান।”
✮ ✮ ✮ গোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্র, বন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবী। ভালো বন্ধু সে-ই যে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা।
বন্ধুত্ব দিবসঃ
——————
১৯১৯ সাল থেকে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস বন্ধুত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা “জয়েস হল” এই দিনটিকে বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উন্নীত করেন। এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড পাঠাত।
তবে, বন্ধুত্ব দিবসের ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু। ১৯৩৫ সালে আমেরিকান সরকার আগস্টের প্রথম শনিবার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। প্রতিবাদে ও শোকে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক নিকট বন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই বন্ধুদের ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য আমেরিকান কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর থেকেই প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রবিবার বিশ্বব্যাপী বন্ধু দিবস বা ফ্রেন্ডশীপ ডে পালিত হয়। সেই থেকে বন্ধুত্ব দিবস হয় জাতীয় উদযাপিত দিনগুলোর মধ্যে একটি । খুব শীঘ্রই এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবসের এর রুপ লাভ করে।
বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ধারণাটি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ডঃ Artemio Bracho দ্বারা প্রস্তাবিত হয়,যখন তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে “পুয়ের্তো
Pinasco” তে (নদীর তীরে একটি শহর যা উত্তর Asuncion,Paraguay থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত) ডিনার করছিলেন।
কিন্তু বন্ধুত্ব দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন তারিখে পালন করা হয় প্রথম বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ৩০ জুলাই করার জন্য প্রস্তাবিত হয়ে ছিল ১৯৫৮ সালে। ২৭ এপ্রিল ২০১১ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঘোষিত হয় ৩০ জুলাই official International Friendship Day ৷
এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ভারতে এই দিবসের প্রচলন শুরু হয়। তবে ভারত সহ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে৷
পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকের দিকে বাংলাদেশে বন্ধু দিবস পালন করা শুরু হয়। এর পর ইন্টারনেট ও টিভি চ্যানেল গুলোর মাধ্যমে বন্ধু দিবস পালনের প্রসার ঘটে। বর্তমানে বেশ ঘটা করেই বন্ধু দিবস পালন করা হয়।
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস,
বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস,
বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি,
বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা,
বন্ধু নিয়ে ছন্দ,
বন্ধু নিয়ে কিছু কথা,
বন্ধুত্বের ছোট কবিতা,
বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা,
বন্ধুদের নিয়ে কবিতা

লাইফস্টাইল

ভালোবাসাতে হোক না দুষ্টামি !

Shahed Ahamed

Published

on

ভালোবাসা অদ্ভূত, একটা জিনিস কেউ বাসতে চায় কেউ বাসতে চায় না।কিন্তু যারা ভালবাসতে পছন্দ করে না দেখা যায় তারা একসময় মনের অজান্তেই কাউকে ভালোবেসে ফেলে। ভালোবাসার ভিতরে লুকিয়ে থাকে অনেক অনুভূতি। প্রথমে হয় ভালোলাগা আর এই ভাললাগা থেকেই আস্তে আস্তে হয়ে ওঠে ভালোবাসা। শুধু কি ভালোবাসাই যথেষ্ট এটা একদমই ভুল। শুধু ভালবাসলে হবেনা ভালোবাসার মানুষটির সাথে আপনার আচরণ হতে হবে একটু ভিন্ন যা সবার থেকে আলাদা। আপনি যে মানুষটাকে খুব বেশি ভালোবাসবেন তার সাথে আপনার কথাবার্তা চালচলন আচার-ব্যবহার অন্য সবার থেকে একটু ভিন্ন। কারণ ভালোবাসার মানুষটা অন্য সব মানুষের থেকে একটু স্পেশাল ব্যক্তি। ভালোবাসার মানুষের সাথে মিষ্টি আলাপ, দুষ্টু আলাপ এগুলো হতেই পারে এটা একটা একদম স্বাভাবিক বিষয়।।
সময় কাটানোর জন্য সবথেকে ঘনিষ্ঠ লোক হলো বন্ধু। কারণ বন্ধুর সাথে আপনি অনায়াসেই ঘণ্টাকে ঘন্টা সময় পার করে দিতে পারেন এতে আপনার কোন কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। বন্ধু থেকেও বেশি হলো ভালোবাসার মানুষ নিজের ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে কার হাতে হাত রেখে তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে বলতে আরো বেশি সময় পার হয়ে গেল আপনার কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। ভালোবাসার মানুষই একমাত্র মানুষ তার সাথে কথা বলতে বলতে আপনার অস্বস্তি লাগলেও আপনি বলতে পারেন না যে আপনার ভালো লাগছে না। কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগছে অস্বস্তি লাগছে এমন কথা কখনোই আপনি ভালবাসার মানুষটার পাশে বসে কখনোই বলবেন না।
আসলে ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে তার সাথে মিষ্টি আলাপ, খুনসুটি একটু একটু ঝগড়া করতেই ভালো লাগে। তার পাশে বসে শুধু প্রেমের আলাপ করলেই হবে না তার সাথে ছোটখাটো ঝগড়া তার, চোখে চোখ রেখে একটু মিষ্টি হাসি, দেওয়া তাকে একটু একটু রাগিয়ে তোলা এসব করলে প্রিয় মানুষটির যদিও একটু অস্বস্তি লাগে তবে তা সব থেকে এমনটা করলেই বেশি ভালো লাগে। কারণ একঘেয়েমি প্রেমের থেকে তার সাথে ছোট ছোট ঝগড়া,খুনসুটি করাই সবথেকে বেশি বেটার। তবে সম্পর্কের ভিতরে সব সময় হাসি ঠাট্টা তামাশা করা ঠিক নয় সব সময় এরকম হাসি তামাশা খুনসুটি করতে গেলে আপনি পড়তে পারেন মহাবিপদে। অর্থাৎ আপনার প্রিয় মানুষটা এসব যদি পছন্দ না লাগে সবসময় এটা তাহলে এটা থেকে বিরত থাকুন নাহলে আপনার প্রিয় মানুষটাকে হারাতে হবে।।
প্রিয় মানুষটাকে মাঝে মাঝে ছোট খাটো উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবেন মাঝে মাঝে তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন যেমন পার্কে, অথবা সুন্দর কোন মনোরম জায়গায়, তাহলে দেখবেন প্রিয় মানুষটার আপনার প্রতি আরও বেশি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং আপনার অনেক কাছের লোক হয়ে যাবে।। ভালোবাসার মানুষটা হয়ে উঠুক বন্ধুত্বের মত তাহলে দেখবেন আপনাদের সম্পর্কের ভিতরে কোন ফাঁক থাকবে না। সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে এবং মধুময় করতে মাঝে মাঝে প্রিয় মানুষটাকে একটি হঠাৎ করেই ফুল দিয়ে দিতে পারেন হাতে গুঁজে এবং তার সাথে সাথে আই লাভ ইউ শব্দটা বলাটাও কিন্তু একদম ভুললে চলবে না। প্রতিটা মানুষের তার প্রিয় মানুষ তার মনের মতো হলে সম্পর্কে কোনো বাধা থাকে না আর আজীবন ভালোবাসাও থাকবে অমর।।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাংলাদেশের আয়কারী দশটি সিনেমা।

Utsa Kumer

Published

on

যদি আপনি বাংলাদেশি হয়ে থাকেন, তবে আজকের পোষ্ট টি আপনার জন্য। বন্ধুরা আমরা সবাই চলচিত্র বা সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। তবে বর্তমান সময়ে সিনেমা বলতে হলিওড, বলিওড অথবা তামিল বা টলিওড সিনেমা কে বুঝি।কারণ আমাদের দেশের সিনেমার যে পরিস্থিতি সেটা আমাদের দেশে নির্মিত নাটকগুলোর থেকেও বাজে মানের।আপাতদৃষ্টিতে দেখলে আমাদের দেশে নির্মিত নাটক গুলো দেখে যতটা আবেগ নাড়া দেয় সিনেমা দেখলে ততটায় হাসতে ইচ্ছে করে।কারন না আছে ভালো কোন কাহিনী আর না আছে গ্রাফিক্স এর মজা।সিনেমা গুলো টেলিফিল্ম এর মতো।
হয়তো অনেকে ভাবছেন আমি সিনেমাকে ছোট করার চেষ্টা করছি,আসলে সেটা না।আমাদের দেশের সুপারহিট সিনেমাগুলো আজ থেকে প্রায় ২৫-৩০ বছর আগের।
হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন ২৫-৩০ বছর আগের।সে সময় না এত টেকনোলজি ছিল আর না ছিল বিগ বাজেট।তখনকার সিনেমার অভিনয় ছিল বাস্তব ভিত্তিক। আজ আপনাদের সাথে বাংলাদেশের ১০ টি সুপারহিট সিনেমার কথা বলব।আর পোষ্ট টি পড়লে আপনিও আমার সাথে একমত হবেন।

১০. দশ নম্বরে আছে কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমা।যেটি আমির খানের কেয়ামত সে কেয়ামত তাক সিনেমার রিমেক। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ্‌ এবং নায়িকা মৌসুমি। ১৯৯১ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এখন থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি নয় কোটি টাকা আয় করে।

০৯.নবম স্থানে আছে ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিব খানের নবাব সিনেমাটি।সিনেমাটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ৪ কোটি টাকা এবং ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা আয় করে।তবে একটা না বললেই নয়,বাংলাদেশের যুবকসমাজ শাকিব কে নিয়ে পাগলা।কিন্তু এই সিনেমাটি ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজিত সিনেমা।আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন আমি কি বলতে চেয়েছি।

০৮.অষ্টম স্থানে আছে ২২ বছর আগের একটি সিনেমা,শান্ত কেন মাস্তান। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন মান্না।সিনেমাটি ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৭.সপ্তম স্থানে আছে বিগ বাজেটে তৈরি সিনেমা ঢাকা এটাক।৫ কোটি টাকায় নির্মিত এই সিনেমা টি ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৬.ষষ্ট স্থানে যেই সিনেমাটি আছে এটি আমি ৩০ বারের বেশি দেখেছি।আর সিনেমা টি হল আম্মাজান। ১৯৯৯ সালে মুক্তপ্রান্ত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মহানায়ক মান্না।এই সিনেমাটি ১১ কোটি টাকা আয় করে।

০৫.পাঁচ নম্বরে আছে পাসওয়ার্ড সিনেমা।১১ কোটি টাকা আয় করে।

০৪.চতুর্থ স্থানে আছে ২৫ বছর আগের সিনেমা সত্যের মৃত্যু নেই। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন সালমান শাহ্।তৎকালীন সময়ে এই সিনেনা টি ছিল মাস্টারপিস সিনেমা।সিনেমা টি ১১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৩. অবিশ্বাস্য ভাবে তৃতীয় স্থানে আছে আয়নাবাজী সিনেমাটি।সিনেমাটি ১২ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা আয় করে।

০২.দ্বিতীয় স্থানে আছে সালমানশাহ্ এবং শাবনুর অভিনিত সিনেমা স্বপ্নের ঠিকানা।২৬ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৫ সালে এই সিনেমাটি ছিল ব্লকবাস্টার সিনেমা।সেই সময়ে বলিউডের সুপারস্টার সালমানের সিনেমা ভীর গতি মাত্র নয় কোটি টাকা আয় করে এবং শাহরুখ খানের সিনেমা মাত্র ৫ কোটি টাকা আয় করেছিল।আর স্বপ্নের ঠিকিনা সিনেমাটি ১৯ কোটি টাকা আয় করে।ভাবতে পারেন অতীতে আমাদের দেশের সিমেমা ইন্ডাস্ট্রি কতটা নামকরা ছিল ।

০১. এবার জানিয়ে দেওয়ার পালা বাংলাদেশের সবচেয়ে আয়কারী সিনেমার নাম।আপনি কি অনুমান করতে পারেন এই সিনেমা টি? ১৯৮৯ সালে অর্থাৎ প্রায় ৩২ বছর আগে নির্মিত সিনেমা বেদের মেয়ে জোসনা যেখানে অভিনয় করেছিল ইলিয়াস কাঞ্চন এবং অন্জু ঘোষ। এই সিনেমাটি এত সুপারহিট সিনেমা ছিল, যার কারনে কলকাতায় এই সিনেমার রিমেক করা হয়েছিল।

আপনি কি জানেন ১৯৮৯ সালে এই সিনেমাটি কত কোটি টাকা আয় করেছিল,,, ২২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
আপনার কাছে হয়তো এটা ছোট মনে হতে পারে কিন্তু দাদা সিনেমাটি কত পুরানো সেটা একটু বিবেচনা করুন।

ধন্যবাদ আপনাকে।দয়া করে একটি কমেন্ট করলে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

সন্তানকে দেয়া একজন আদর্শ বাবার সেরা উপদেশ।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আমরা সবাই জানি যে, পিতা মাতা সব সময় তাদের মঙ্গল কামনায় ব্যাস্ত থাকেন। তাদের অবর্তমানে সন্তান যাতে কোনোও সমস্যায় না পড়ে সেই চিন্তাও তাদের মাথায় সব সময় কাজ করে। তাই সকল পিতা মাতাই তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ চলার পথ মসৃণ করার জন্য যা যা করনীয় সব করার চেষ্টা করেন। সেই সাথে তাদের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা মূলক উপদেশও দিয়ে থাকেন।

আজ আমি এমনই একজন পিতার তার সন্তানের প্রতি দেয়া কিছু উপদেশ আপনাদের জন্য সংকলন করার চেষ্টা করলাম। ভাল লাগলে মতামত জানানোর অনুরোধ রইলো।

একজন বাবা তার সন্তানকে সাধারণত যে উপদেশগুলো দেনঃ-

১। কখনো কাউকে ছোট করে দেখবে না, নইলে তুমি নিজেই ছোট হয়ে যাবে।

২। কাউকে কখনো কামলা, কাজের লোক, বুয়া এসব বলে ডেকো না। মনে রেখো, তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদের ভাই, আপা, চাচা, চাচী বলে ডেকো।

৩। জীবন উন্নত করতে হলে পড়াশুনা ও পরিশ্রম করতে হবে। কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।

৪। কখনো কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেয়ো না, এতে সে লজ্জা পেতে পারে।

৫। সবসময় শুধু দেওয়ার চেষ্টা করবে। মনে রাখবে দান কারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।

৬। এমন কোনোও কাজ করো না যার জন্য তোমার কিংবা তোমার পরিবারের কারো উপর আঙুল উঠে।

৭। ছেলে হয়ে জন্মেছো তাই কখনো দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করো না।

৮। তোমার কি আছে বা কি নেই তা তোমার গায়ে লিখা নেই, কিন্তু তোমার ব্যবহারে তা প্রকাশ পাবে।

৯। কখনো মায়ের কথা শুনে স্ত্রীকে কিংবা স্ত্রীর কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। মনে রেখো তুমি কাউকেই ফেলতে পারবে না।

১০। যখন রাস্তায় হাটবে দেখে হাটবে, তোমার কারনে কেউ ব্যাথা পায় কিনা।

১১। কারো বাসায় নিমন্ত্রণে গেলেও বাসা থেকে এক মুঠো ভাত খেয়ে যাবে। কারো বাড়ির ভাতের অপেক্ষায় যেন তোমাকে না থাকতে হয়।

১২। কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করবে না। কেউই চায় না তার বাড়ির খাবার বিস্বাদ হোক।

১৩। মজলিশে বড়দের মাঝে তোমার জন্য চেয়ার বরাদ্দ নেই, আছে ছোটদের মাঝে।

১৪। বড় নয়, মানুষ হবার চেষ্টা করবে, তবেই তুমি বড় হতে পারবে।

১৫। শ্বশুড় কিংবা শাশুড়িকে এই পরিমাণ সম্মান দিয়ো যাতে তারা তার মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।

১৬। জুতো ছিঁড়ে গেলে, সেলাইয়ের জন্য মুচির সামনে পা বাড়িয়ে দিয়ো না, বরং জুতোটা নিজে একবার মুছে দিয়ো। জুতো কিনতে গেলে নিজেই ট্রায়েল দিয়ো।

১৭। বাইক কখনো জোড়ে চালিও না। তাতে তোমার কলিজার কাপুনি বেড়ে না গেলেও রাস্তার পাশে থাকা মানুষদের কাপুনি বেড়ে যেতে পারে।

আপনাদের জানা মতে আরোও অনেক উপদেশ থাকতে পারে। কমেন্টে জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ্‌ হাফিজ।

Continue Reading