Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – বন্ধুত্ব নিয়ে ভালো লাগার মত কিছু বিখ্যাত বানী বা উক্তি

Bipon 360

Published

on

বন্ধুত্ব নিয়ে ভালো লাগার মত কিছু বিখ্যাত লেখকমনিষী গুণীজনদের স্বরণীয় নির্বাচিত ৫০টি বানী বা উক্তি

1) একটি ভালো বই একশ জন বন্ধুর সমান । কিন্তু একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান । – ডক্টর এ.পি.জে আব্দুল কালাম ।
2) বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
3) বন্ধুত্ব তিন ধরনের (১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না। (২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
4) অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়েও ভালো।- হেলেন কিলার
5) আমার বন্ধুর জন্যে সবচেয়ে বেশি যা করতে পারি তা হোল শুধু বন্ধু হয়ে থাকা।তাকে দেয়ার মতো কোন সম্পদ আমার নেই। সে যদি জানে যে আমি তাকে ভালবেসেই সুখী, সে আর কোন পুরস্কারই চাইবে না।এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব কি স্বর্গীয় নয়?- হেনরি ডেভিড থিওরো
6) আহ্, কী ভালোই না লাগে – পুরনো বন্ধুর হাত।– মেরি এঙলেবাইট
7) একজন বিশ্বাসী বন্ধু দশ হাজার আত্মীয়ের সমান– ইউরিপিদিস [গ্রীক নাট্যকার]
8) একজন সত্যিকারের বন্ধু কখনো বন্ধুর আচরণে ক্ষুব্ধ হয়না। – চার্লস ল্যাম্ভ বন্ধুদের মধ্যে সব কিছুতেই একতা থাকে।- প্লেটো
9) কখনো কোন বন্ধুকে আঘাত করো না, এমনকি ঠাট্টা করেও না।– সিসেরো
10) কাউকে তোমার সামনে অন্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতে দেখলে তৎক্ষণাৎ তাকে বন্ধুর তালিকা থেকে দূরে সরিয়ে দিও।-মামুনুর রশীদ
11) কোন মানুষই অপ্রয়োজনীয় নয় যতোক্ষন তার একটিও বন্ধু আছে।– রবার্ট লুই স্টিভেন্স
12) কোনো বন্ধু যদি তোমার গোপন কথা প্রকাশ করে দেয়, তবে সেজন্য তাকে দোষ না দিয়ে নিজেকে শাসন করো। কেননা, নিজের গোপন কথা তুমি তার কাছে প্রকাশ করলে কেন?
13) গোপনীয়তা রক্ষা না করে চললে কোনবন্ধুত্ব টিকে না।– চার্লস হেনরি ওয়েব
14) তুমি আমার কথা মেনে মূর্খের বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকো। মূর্খের বন্ধুত্ব জ্ঞানীকে বরবাদ করে দেয়। মূর্খের সঙ্গে বন্ধুত্বের পরিণামস্বরূপ মানুষ তোমাকে মূর্খ বলে স্মরণ করবে।- হযরত আলী (রা.)
15) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে, কিন্তু আনন্দের পুরোটা উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই তোমাকে তা কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে।– মার্ক টোয়েন
16) নিয়তি তোমার আত্মীয় বেছে দেয়, আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।– জ্যাক দেলিল [১৭৩৮- ১৮১৩], ফরাসী কবি
17) পার্থিব জীবনে কোনো মানুষই বন্ধু বা সঙ্গীর সাহচর্য বা প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। তাই সঙ্গী যদি ভালো হয়, বন্ধু যদি চরিত্রবান হয়, সাথী যদি আদর্শবান হয়, তবে সহযাত্রী অপর সঙ্গীও ভালো হতে বাধ্য। অপরদিকে সঙ্গী যদি অসৎ হয়, তবে সাথীও চরিত্রহীন হয়ে যাবে।’
18) প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব।–এমারসন
19) প্রত্যেক নতুন জিনিসকেই উৎকৃষ্ট মনে হয়। কিন্তু বন্ধুত্ব যতই পুরাতন হয়,ততই উৎকৃষ্ট ও দৃঢ় হয়।–এরিস্টটল
20) লোক তার সঙ্গীর স্বভাব-চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত। অতএব সে যেন খেয়াল রাখে কার সঙ্গে সে বন্ধুত্ব করছে।- প্রিয় নবীজি (সা.)
21) বন্ধত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে।– উইড্রো উইলসন
22) বন্ধু কি? এক আÍত্মার দুইটি শরীর।– এরিস্টটল
23) বন্ধুত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে।- উইড্রো উইলসন
24) বন্ধুত্ব হলো তরমুজের মতো। ভালো একশটিকে পেতে হলে এক কোটি আগে পরীক্ষা করে দেখতে হয়। – ফরাসী প্রবাদ
25) বন্ধুদের মধ্যে সবকিছুতেই একতা থাকে– প্লেটো
26) বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো।–নিটসে
27) বীরের পরীক্ষা হয় যুদ্ধের ময়দানে, বন্ধুর পরীক্ষা হয় বিপদের সময় এবং বুদ্ধিমানের পরীক্ষা হয় ক্রোধান্বিত অবস্থায়।-(ইমাম জমখশরী (রহ.) এর বাণী)
28) যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না।– মাদার তেরেসা
29) যার ক্রোধ বেশি, এরূপ ব্যক্তির ভাগ্যে অন্যের বন্ধুত্ব কমই জুটে থাকে।-হযরত ফুজায়েল ইবনে আয়াজ (রহ.)।
30) যারা কোনো স্বার্থের বশবর্তী হয়ে তোমার কাছে আসে, পরীক্ষা না করে তাদের বন্ধুত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করো না। যাকে তুমি ঘৃণা করো, তাকে ভয় করে চলো।- বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)
31) যারা বন্ধুদের অপমান করে, বন্ধুদের অপমানিত হতে দেখে কাপুরুষের মতো নীরব থাকে তাদের সঙ্গে সংসর্গ করো না ।- সিনেকা
32) যে ইচ্ছাপূর্বক বন্ধুকে ঠকায়, সে তার খোদাকেও ঠকাতে পারে ।– লাভাটাব
33) যে ব্যক্তি কথায় কথায় রাগ ঝাড়তে থাকে, তার বন্ধু পাওয়া কঠিন।’-বুআলী সিনা
34) যে ব্যক্তি নির্দোষ বন্ধুর তালাশে থাকে চিরদিন তাকে বন্ধুহীন থাকতে হবে।-কায় সার-খসরু
35) যে ব্যক্তি প্রতিশোধ স্পৃহার আগুনে জ্বলতে থাকে, তার অন্তরের রক্তক্ষরণ কখনো বন্ধ হয় না।-বুআলী সিনা
36) শত্রুর চেয়ে বন্ধুকে হাজার গুণ বেশি ভয় করো। কেননা বন্ধু যদি কখনো শত্রুতে পরিণত হয়, তবে শত্রুতা উদ্ধার করার হাজার পথ তার সমানে খোলা থাকে।-জনৈক বুজুর্গ
37) সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।’ তাই জীবনকে সুন্দর করতে হলে অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। অসৎজনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কখনো ভালো হওয়ার আশা করা যায় না। তা ছাড়া প্রত্যেক ব্যক্তি হাশরের দিন তার বন্ধুর সাহচর্য লাভ করবে।’
38) সম্পদ বন্ধু আকর্ষণ করে। দরিদ্র মানুষ আত্মীয়ের কাছেও প্রত্যাখ্যাত হয়। গুণের আকর্ষণে যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়, এটাই সাধারণত স্থায়ী হয়ে থাকে। সঙ্গীহীন, নিঃসঙ্গ একাকী জীবনে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তাই তার জন্য চাই বিশ্বস্ত বন্ধু, সহযোগী বা সহ্যাত্রী। তবে এই বন্ধু হতে হবে সৎ মানুষ। সঙ্গী বা বন্ধু না হলে জীবন-জগৎ ও পরকালের সবই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই ইসলামও সঙ্গী নির্বাচনে, সৎসঙ্গ লাভে সৎসঙ্গের সাহচর্যে থাকার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করছে। সৎসঙ্গ মানব জীবনকে চারিত্রিক উৎকর্ষের উচ্চ শিখরে নিয়ে যায়। তেমনি অসৎ সঙ্গ ঢেকে আনে ধ্বংস।- হযরত সুলায়মান (আ.)
39) সম্পর্ক যখন জ্বরে পুড়ে তখন তার নাম হয় ভালবাসা, আর ভালবাসা যখন জ্বরে পুড়ে তার নাম হয় বন্ধুত্ব।–প্রাচিন প্রবাদ
40) সর্বোৎকৃষ্ট আয়না হলো একজন পুরনো বন্ধু।– জর্জ হার্বাট
41) সেই তোমার সত্যিকার বন্ধু, যে তোমার সঙ্গে থাকে। তোমার কল্যাণের জন্য নিজের ক্ষতি করে। হঠাৎ করে তোমার অবস্থা শোচনীয় হলে সে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে তোমাকে সুখ দান করে।- হযরত আলী (রা.)
42) হে বন্ধু তুমি যদি একশ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।–তানবীর

43) বন্ধুত্ব আমাদের নানান প্রয়োজনে, যেমন নানান প্রয়োজনের আমারা নানান পোষাক পরিধান করি। বিয়ের পাগড়ীতে, বিয়ের শাড়ীতে দ্বিতীয় বার সাজতে চাই না, বিয়ের পাগড়ী, বিয়ের শাড়ী এগুলি প্রেমের পোষাক একবারেই পরিধান করতে হয় আর বন্ধুত্বের পোশাক সারাজীবন পরা যায়
প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ।

[the_ad_group id=”299″]

[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত]
বন্ধুত্ব হল দুটি মানুষের মধ্যে আত্নিক সম্পর্ক, যেখানে থাকেনা কোন হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, পরশ্রীকাতরতা। নিখাদ বন্ধুত্ব হচ্ছে সেই সম্পর্ক যেখানে একজন আরেকজনকে নিস্বার্থভাবে সাহায্য করে, সুসময়ে, দুঃসময়ে, সবসময় তার পাশে থাকে।বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পর্ক যার মাঝে জড়িয়ে আছে ভালবাসা ও আবেগ। আপনার আনন্দ এবং দুঃখে আপনার পাশে কেউ না থাকলে আনন্দ যেমন বহুলাংশে মাটি হয়ে যায়, তেমনি দুঃখও সহজে হালকা হয় না। মানুষ যখন বেদনাভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে তখন বন্ধুর কাছ থেকে সে প্রথম সান্ত্বনা পায়, আর যখন আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠে তখন এ আনন্দের খবর সে প্রথম বন্ধুকেই জানায়। বন্ধুত্ব কখনো কারো আর্থিক ও বাহ্যিক অবস্থান দেখে হয় না …মনের অজান্তে গড়ে ওঠে এই বন্ধুত্ব। আর এই বন্ধুত্ব টিকে থাকে পারস্পরিক চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব দেওয়া,ও কম্প্রোমাইজ করার প্রবনাতার উপর ..

✮ ✮ ✮ বন্ধুত্ব মানে গোপন কথার অনেকখানি ভাগ, প্রান খোলা হাসির সাথে একটুখানি রাগ। বন্ধুত্ব মানে দুষ্টুমি আর একটু অভিমান, মনের মাঝে কোথায় যেন একটু খানি টান।”
✮ ✮ ✮ গোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্র, বন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবী। ভালো বন্ধু সে-ই যে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা।
বন্ধুত্ব দিবসঃ
——————
১৯১৯ সাল থেকে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস বন্ধুত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা “জয়েস হল” এই দিনটিকে বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উন্নীত করেন। এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড পাঠাত।
তবে, বন্ধুত্ব দিবসের ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু। ১৯৩৫ সালে আমেরিকান সরকার আগস্টের প্রথম শনিবার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। প্রতিবাদে ও শোকে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক নিকট বন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই বন্ধুদের ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য আমেরিকান কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর থেকেই প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রবিবার বিশ্বব্যাপী বন্ধু দিবস বা ফ্রেন্ডশীপ ডে পালিত হয়। সেই থেকে বন্ধুত্ব দিবস হয় জাতীয় উদযাপিত দিনগুলোর মধ্যে একটি । খুব শীঘ্রই এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবসের এর রুপ লাভ করে।
বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ধারণাটি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ডঃ Artemio Bracho দ্বারা প্রস্তাবিত হয়,যখন তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে “পুয়ের্তো
Pinasco” তে (নদীর তীরে একটি শহর যা উত্তর Asuncion,Paraguay থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত) ডিনার করছিলেন।
কিন্তু বন্ধুত্ব দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন তারিখে পালন করা হয় প্রথম বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ৩০ জুলাই করার জন্য প্রস্তাবিত হয়ে ছিল ১৯৫৮ সালে। ২৭ এপ্রিল ২০১১ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঘোষিত হয় ৩০ জুলাই official International Friendship Day ৷
এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ভারতে এই দিবসের প্রচলন শুরু হয়। তবে ভারত সহ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে৷
পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকের দিকে বাংলাদেশে বন্ধু দিবস পালন করা শুরু হয়। এর পর ইন্টারনেট ও টিভি চ্যানেল গুলোর মাধ্যমে বন্ধু দিবস পালনের প্রসার ঘটে। বর্তমানে বেশ ঘটা করেই বন্ধু দিবস পালন করা হয়।
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস,
বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস,
বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি,
বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা,
বন্ধু নিয়ে ছন্দ,
বন্ধু নিয়ে কিছু কথা,
বন্ধুত্বের ছোট কবিতা,
বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা,
বন্ধুদের নিয়ে কবিতা

Advertisement
34 Comments

34 Comments

  1. jahid hossain

    jahid hossain

    June 3, 2018 at 7:02 am

    অসাধারন

  2. Tamim Ahmed SAKIB

    Tamim Ahmed SAKIB

    February 2, 2020 at 10:28 am

    Wow

  3. Tamim Ahmed SAKIB

    Tamim Ahmed SAKIB

    February 3, 2020 at 4:48 pm

    😍😍

  4. jubair hossain

    jubair hossain

    February 3, 2020 at 6:06 pm

    khob sondor

  5. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    February 15, 2020 at 12:40 am

    nice

  6. Sanjida Afrin

    Sanjida Afrin

    February 17, 2020 at 1:08 pm

    Nice

  7. abu bakkar

    abu bakkar

    March 3, 2020 at 8:20 pm

    good post

  8. ramal chakma

    ramal chakma

    March 9, 2020 at 7:27 am

    nc

  9. Shadhin Ali

    Shadhin Ali

    March 13, 2020 at 8:05 pm

    সুন্দর পোস্ট

  10. Ratul Foysal

    Ratul Foysal

    March 18, 2020 at 12:14 am

    Gd

  11. Mohammad Ariful Islam

    Mohammad Ariful Islam

    April 6, 2020 at 4:45 pm

    👍

  12. Trina Sarkar

    Trina Sarkar

    April 17, 2020 at 11:24 am

    Gd

  13. Farhana Siddiqui

    Farhana Siddiqui

    April 20, 2020 at 4:20 pm

    Wow

  14. Liyana Rasa

    Liyana Rasa

    April 21, 2020 at 6:58 am

    Osm

  15. Angel Ratri

    Angel Ratri

    April 21, 2020 at 2:04 pm

    Nice

  16. Partha Kumar

    Partha Kumar

    April 22, 2020 at 6:35 am

    Nice

  17. jakariya jakariya

    jakariya jakariya

    April 23, 2020 at 8:21 pm

    Nice

  18. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    April 26, 2020 at 12:27 am

    গুড

  19. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 2, 2020 at 1:17 pm

    Life is impossible without friend.

  20. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    May 2, 2020 at 5:27 pm

    Hmm

  21. Al Shahria Atik

    Al Shahria Atik

    May 3, 2020 at 3:54 pm

    Nice

  22. Habib Adnan

    Habib Adnan

    May 4, 2020 at 1:57 pm

    Joss

  23. Parvej Abir

    Parvej Abir

    May 6, 2020 at 7:07 pm

    খুবই ভালো লাগলো

  24. Aysha Binte

    Aysha Binte

    May 8, 2020 at 9:08 pm

    nice

  25. Md Imamul Hasan Ishad

    Md Imamul Hasan Ishad

    May 11, 2020 at 10:03 pm

    wow

  26. Md Mehedi Hasan

    Md Mehedi Hasan

    May 13, 2020 at 7:59 am

    thanks

  27. Abir Hasan

    Abir Hasan

    May 14, 2020 at 12:26 am

    friendship…..an immortal bound

  28. Rafi t

    Rafi t

    May 15, 2020 at 10:56 am

    Nice

  29. Md Rumi

    Md Rumi

    May 20, 2020 at 8:00 am

    Valo kotha bolecen

  30. MD Rahul

    MD Rahul

    May 22, 2020 at 3:58 pm

    n

  31. Zillur Rahman

    Zillur Rahman

    May 22, 2020 at 8:38 pm

    পরিপক্ব লেখক!

  32. Zillur Rahman

    Zillur Rahman

    May 22, 2020 at 8:40 pm

    খুব সুন্দর হইছে।

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের শীর্ষ ৭ টি সুবিধা

MD Rahul

Published

on

সবাই কেমন আছেন।আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আজ জেনে নিন ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশন ব্যাবহারের সেরা সুবিধা সম্পর্কে।

ফিটনেস অ্যাপ কী?

ফিটনেস অ্যাপস হলো সংস্থাগুলি আপনাকে ফিট এবং সুস্থ রাখতে ডিজাইন করা অ্যাপ্লিকেশন। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলি খুব সহজেই মোবাইল ফোনে ডাউনলোড করা যায়। এই অ্যাপ্লিকেশনের উদ্দেশ্য হলো আপনার খাবার গ্রহণ, জলের গ্রহণ এবং ওয়ার্কআউট প্যাটার্ন ট্র্যাক করে আপনার জীবনযাত্রাকে স্বাস্থ্যকর করে তোলা। কিছু অ্যাপ্লিকেশন এমনকি আপনার হার্টের হার এবং রক্তচাপের উপর নজর রাখে যা উচ্চ রক্তচাপের ব্যক্তিদের জন্য উপকারী।কিছু স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশন এমনকি স্বাস্থ্য কোচ আছে, যারা তাদের ক্লায়েন্টদের তাদের স্বাস্থ্য লক্ষ্যগুলি কার্যকরভাবে অর্জন করতে সহায়তা করে।

ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলির সুবিধা

১.আপনার ডায়েট সহজে পর্যবেক্ষণ করুন

ওজন পর্যবেক্ষক বা যারা ওজন বাড়াতে চান তারা প্রতিটি খাবারে খাওয়ার খাবারের ধরণ এবং পরিমাণ উল্লেখ করতে পারেন। এই তথ্য থেকে, স্বাস্থ্য অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপনার খাবারের ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট সামগ্রী গণনা করে। এইভাবে, আপনি এমন খাবারগুলি এড়াতে পারেন যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সঠিক নাও হতে পারে। আপনি সহজেই আপনার সমস্ত খাবারের পরিমাণ গ্রহণ করতে পারেন এবং কেবলমাত্র একটি ক্লিকে একটি ডিজিটাল খাবার ডায়েরি বজায় রাখতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে খাদ্য ডায়েরি বা খাবারের লগ বজায় রাখা ব্যক্তিদের আরও সচেতনভাবে খাবার খেতে সহায়তা করে।

২.আপনার অগ্রগতি নিরীক্ষণ

এখন আপনি কেবলমাত্র এক ক্লিকে আপনার সমস্ত ওয়ার্কআউট এবং স্বাস্থ্যের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপনার সমস্ত স্বাস্থ্য বিবরণ এবং আপডেট পূরণ করতে সক্ষম করে। উদাহরণস্বরূপ – প্রতিবার আপনি যখন পরীক্ষা করেছেন তখন আপনি রক্তে গ্লুকোজ স্তর এবং রক্তচাপের মাত্রা রেকর্ড করতে পারেন। এটি আপনাকে একসাথে আপনার স্বাস্থ্যের বিশদটি ট্র্যাক করতে সহায়তা করে। এমনকি আপনার বর্তমানের রক্তের পরামিতিগুলি আপনার পূর্ববর্তীগুলির সাথে তুলনা করতে পারেন, যা আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়েছে কি না তা আপনাকে ধারণা দেবে।

৩.বিনামূল্যে স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস টিপস দিন

অনেক স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলি স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস সম্পর্কিত পরামর্শ এবং নির্দেশিকা সরবরাহ করে, যা ব্যক্তিদের তাদের স্বাস্থ্য লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করে। আপনি নিখরচায় ওয়ার্কআউট বা অনুশীলন ধারণা পেতে পারেন যা আপনাকে আপনার ওয়ার্কআউটের রুটিন সহজেই পরিকল্পনা করতে সহায়তা করে।

৪. আপনার পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন

পেডোমিটার অ্যাপ্লিকেশনগুলি এখন মোবাইল ফোনে উপলভ্য, যেখানে আপনি কয়েকটি পদক্ষেপ রাখতে পারেন এবং আপনি যে দূরত্বটি দিয়েছিলেন সেগুলি ট্র্যাক করতে পারে। এই জাতীয় অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপনাকে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য দিয়ে আপনার পদক্ষেপের গণনা লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করে। আপনার পদক্ষেপগুলি পর্যবেক্ষণ করা আপনার দৈনিক পদক্ষেপের সংখ্যা উন্নতি করতে পারে এবং আপনার লক্ষ্য অর্জনের দিকে আরও কাজ করতে পারে।

৫. ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য কোচ সরবরাহ করুন

স্মার্টফোন প্রযুক্তিগুলি এখন জীবনকে আরও সহজ করে তুলেছে। আপনার আর প্রশিক্ষক বা স্বাস্থ্য কোচ বা ফিটনেস ক্লাসের খোঁজ করতে হবে না। ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপনাকে ফিট এবং সুস্থ রাখতে দুর্দান্ত সুযোগগুলি সরবরাহ করে। কিছু অ্যাপের সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য কোচ রয়েছে।কোচ আপনাকে আপনার ফিটনেস লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে এবং আপনাকে ফিটনেস ক্রিয়াকলাপ এবং আপনার ডায়েট সম্পর্কেও শিক্ষিত করে। সর্বোত্তম অংশটি হলো এই সুবিধাটি পেতে আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে ভ্রমণ করার দরকার নেই। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো অ্যাপটি ডাউনলোড করে একটি ফিটনেস প্রোগ্রাম শুরু করা

৬.এক স্বাস্থ্য সরঞ্জামে সমস্ত

ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলি হলো ওয়ান স্টপ স্টেশনের মতো যেখানে আপনি আপনার সমস্ত লাইফস্টাইল পরামিতি যেমন স্টেপ কাউন্ট, ডায়েট, জলের গ্রহণ, রক্তের পরামিতি এবং ওয়ার্ক আউট রুটিনগুলি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এই সমস্ত কিছুর রেকর্ড রাখতে আপনার বিভিন্ন ডায়েরি বা বই বজায় রাখতে হবে না। ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপনার জীবনযাত্রার অভ্যাসগুলি উন্নত করতে সহায়তা করে, কারণ এগুলি আপনার স্বাস্থ্যের উপর একটি বিশাল ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৭.আপনাকে অনুপ্রাণিত রাখুন

ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো ‘মোটিভেশন’। ফিটনেস অ্যাপ্লিকেশনগুলি থেকে বিজ্ঞপ্তি এবং অনুস্মারকগুলি আপনার স্বাস্থ্য লক্ষ্যগুলি সম্পর্কে আপনাকে স্মরণ করিয়ে রাখে, এভাবে আপনাকে প্রেরণা জোগায়। আপনার স্মার্টফোনটি ব্যবহার করার সময় আপনি একদিনে আপনার ফিটনেস অ্যাপটি বিভিন্ন সময়ে আসতে পারেন। ফিটনেস
অ্যাপ্লিকেশনগুলি আমাদের জীবনকে আরও সহজ করে তুলেছে এবং আপনাকে প্রতিদিন আপনার ক্রিয়াকলাপগুলি ট্র্যাক করতে সক্ষম করে। এইভাবে, আপনাকে আপনার ক্রিয়াকলাপ এবং সামগ্রিক ফিটনেসের দিকে মনোনিবেশ করে তোলে।

পোষ্টটি কেমন লাগলো প্রিয় পাঠকবৃন্দ। আপনাদের উত্তরের অপেক্ষায়। পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

আপনার শিশুর জন্য সঠিক জুতো কীভাবে নির্বাচন করবেন

MD Rahul

Published

on

সবাই কেমন আছেন।আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আজ নিয়ে আসলাম আপনার শিশুর জন্য কোন ধরনের জুতা নির্বাচন করবেন।
আপনার বাচ্চা তার পায়ে পড়ার আগেই আপনি স্বাভাবিকভাবেই এই শিশুর জুতো কিনতে আগ্রহী। আপনার ক্ষুদ্র টোটস তাদের সেরা পা এগিয়ে রাখার আগে এটি কেবল সময়ের বিষয়। সর্বদা একটু প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তবে চুলচেরা কিছুই হয় না! অনেক পিতা-মাতা সিদ্ধান্ত নেন যে তাদের বাচ্চা তাদের প্রথম বুটিগুলি কাটিয়ে উঠতে আরও বেশি সময় কাটবে, অন্যরা খুব শীঘ্রই এটির জন্য যায়। যেভাবেই হোক, শীঘ্রই বা পরে আপনার শিশুর পক্ষে সঠিক জুতা খেলাধুলা করা এবং অতিরিক্ত পরিধানের অনুভূতির সাথে পরিচিত হওয়া প্রয়োজন
বাচ্চাদের জন্য বাজারটি আরাধ্য এবং সুন্দর জুতা দিয়ে প্লাবিত হয়েছে, তবে বাবা-মায়ের পক্ষে আপনার শিশুর ঠিক ঠিক ফিট হওয়া জুতো বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পছন্দের দোকানে জুতার তাকগুলিতে মনোমুগ্ধকর ফ্যাশনে সজ্জিত এই তলগুলির চেহারা দিয়ে দূরে সরে যাবেন না। প্রলোভন এড়াতে এবং আপনার শিশুর জন্য কী আরামদায়ক হবে তা বেছে নিতে।

আপনি কয়েকটি সহজ পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:

জুতোর সঠিক আকার বেছে নেওয়ার সময় বাচ্চাদের প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একই পরিমাণ মনোযোগ প্রয়োজন। অতএব, জুতোর আরাম এবং নমনীয়তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং এটি নির্বাচনের মূল মানদণ্ড হওয়া উচিত।একটি শিশুর জন্য জুতো যথাযথ উপযুক্ত হওয়া উচিত – খুব আলগা হলে আপনার শিশুটি পড়ে যেতে পারে বা হাঁটতে একেবারে অসুবিধাগ্রস্থ হতে পারে। খুব বেশি টাইট হলে আপনার বাচ্চার ফোস্কা বা জুতোয়ের কামড় পড়তে পারে, যার ফলে পায়ে জ্বালা বা ব্যথা হতে পারে যা খুব ঘা হয়ে যেতে পারে এবং আরও খারাপ হতে পারে।
আবহাওয়ার পরিস্থিতিও মনে রাখা উচিত। গ্রীষ্মের জন্য স্যান্ডেল, -অন বা খোলা টুড জুতো উপযুক্ত হবে, যা আপনার শিশুর পায়ে শ্বাস নিতে সহায়তা করে। জুতার তলগুলি পিচ্ছিল হওয়া উচিত এবং অবিচ্ছিন্নভাবে পুরু হওয়া উচিত না কারণ তারা নিবিড় হাঁটাচলা না করে।আপনি নিজের প্রবেশ করতে সক্ষম হবেন আপনার বাচ্চাটি ফিটটি পরীক্ষা করতে জুতোটি স্পোর্ট করে এবং জুতার আঙুল এবং শেষের মধ্যে কমপক্ষে আধা ইঞ্চি ফাঁক করে আঙ্গুলটি স্বাচ্ছন্দ্যে আঁচড়ান। চিকিত্সকের সাথে চেক করুন, আপনার সাধারণ পাতায় আপনার শিশুর পায়ের আকার আপ।

সাবধানতা অবলম্বন করা:

গন্ধযুক্ত পা এবং জুতা। কিছু বাচ্চাদের গন্ধ খারাপ হতে পারে, বড় হওয়ার চেয়ে খারাপ। সুতরাং, স্বাস্থ্যকর উদ্দেশ্যে ধুয়ে যাওয়া জোড়া জুতাতে বিনিয়োগ করা ভাল। বালির কামড় এবং পায়ের আঙ্গুলের সংক্রমণ এড়াতে জুতা বা এমনকি স্যান্ডেলগুলির অভ্যন্তর থেকে বালু বা কাদা পরিষ্কার করুন। জুতো গোড়ালি যদি উঁচু বা বুট হয় তবে শিশুর হাঁটাচলা সীমাবদ্ধতা এড়াতে পায়ের গোড়ালিগুলির চারদিকে চলাচল অবাধ এবং নমনীয় কিনা তা পরীক্ষা করুন। বাচ্চাদের ধীরে ধীরে মনোযোগ দেওয়া উচিত দ্বিতীয় বিভাজনে তারা পড়ে যেতে পারে এবং আপনার বিশ্বকে উপরের দিকে ডাউন করতে পারে। অতএব, জরিযুক্ত জুতা সঙ্গে তাদের অনেক পুনরায় টাই করতে প্রস্তুত থাকুন। সামান্যতম অবহেলা আপনার শিশুকে তার পায়ে কাঁপিয়ে তুলতে পারে। কিছু শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য, ভেলক্রো দিয়ে জুতো বেছে নেওয়া ভাল। বাবার পা এক রকম নয় এক পা সবসময় অন্যটির চেয়ে কিছুটা বড় থাকে তাই বড় ফুট আরও ভাল ফিট করা জুতো বাছাই করা ভাল।

অনুপযুক্ত ফিটিং জুতো এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বাচ্চা হিসাবে, আপনার শিশুর হাড়গুলি নমনীয় এবং যদি একটি ছোট আকারের জুতো পরানো হয় তবে নিজেকে সংকোচিত পরিবেশে উপযুক্ত করে তুলতে পারে। আপনার বাচ্চা অভিযোগ করতে বা কানা দিতে পারবে না, কারণ প্রভাবগুলি তাত্ক্ষণিকভাবে হবে না, তবে সময়ের সাথে সাথে, একটি বিধ্বংসী প্রভাব ফেলতে পারে। আপনার শিশুর জন্য বিবেচিত ভুল আকারের জুতাগুলির খারাপ প্রভাবগুলি বোঝার জন্য গবেষকরা এবং চিকিৎসকরা এখানে যা রেখেছেন তা এখানে।খুব সংক্ষিপ্ত এবং শক্ত জুতো পায়ের আঙ্গুলের প্রাকৃতিক অবস্থানকে বিকৃত করে যার ফলে পায়ের পায়ের জোড়গুলির অবস্থান পরিবর্তন হয়। টাইট বা ছোট জুতোতে পায়ের আঙ্গুলগুলি টানটান হয়ে যায় ফলে টেন্ডার ব্যথা, প্রদাহ এবং পায়ের পেশী সংক্ষিপ্ত হয়। স্বাভাবিকভাবেই, শর্ট জুতাগুলিতে রক্ত ​​সঞ্চালনের সমস্যা সৃষ্টি করে, ঠান্ডা এবং অসাড়তা অনুভূতি, ভেরিকোজ শিরাগুলির মতো শিরাজনিত সমস্যা দেখা দিলে পা তার প্রাকৃতিক অবস্থান হারাতে থাকে। সমস্ত মাননীয় জুতো খারাপ অঙ্গবিন্যাসের কারণ হতে পারে, কারণ আপনার শিশুটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্ধান করতে পারে আরামদায়ক অঞ্চলটি স্লুইচিং করে বা পোঁদ নিয়ে পুরোপুরি বাইরে দাঁড়িয়ে বা তার শরীরের ওজন একাকীভাবে পা দুটির উপর দিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার মাধ্যমে লড়াই করার জন্য আরাম জোন।অসুস্থতাযুক্ত জুতোজনিত কারণে সবচেয়ে সাধারণ এবং অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা হ’ল ব্যান। সংক্ষিপ্ত বা আঁট জুতো পায়ের আঙ্গুলের গভীর বাঁক নিতে সময়সীমার কারণে যথাযথভাবে পায়ের প্রান্তরেখা নষ্ট করতে পারে, ফলে চরম ব্যথা হয় এবং কখনও কখনও অপারেশনেরও প্রয়োজন হয়।

কেনার উপযুক্ত সময়:

দিনের শেষে, আপনি আপনার শিশুর জুতা বাছাই করার সঠিক সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে সেরা বিচারক। কেবলমাত্র আপনি সেই সময়টি জানেন যখন আপনার শিশু প্রচুর মজাদার মেজাজে থাকে, এটি জুতার কেনাকাটার উপযুক্ত সময়। সর্বোপরি, আপনার বাচ্চাকে সেই জুতা খেলাধুলা করতে এবং সঠিক জোড় বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করার জন্য আপনার চারপাশে হাঁটতে হবে। এখন, যদি আপনার কান্নার বাচ্চা আপনাকে পাগল করে তোলে তবে তা সম্ভব হবে না। আপনার যদি আপনার প্রবাসে খুব বেশি চালাতে হয় তবে আপনার শিশুর জুতো চেক সেশনগুলি প্রথমে শেষ করার চেষ্টা করুন এবং আপনার বাচ্চা যখন সমস্ত ক্লান্ত এবং ছাদটি নীচে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে তখন উভয়ই মলত্যাগের কারণ হয়ে থাকে।

জুতো পরিবর্তনের ফ্রিকোয়েন্সি:

আপনি যখন আপনার শিশুর জুতো বাছাই করেন তখন আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে শিশুর পায়ের আঙ্গুল এবং জুতার শেষের মধ্যে কমপক্ষে আধা আঙ্গুলের দূরত্ব রয়েছে। কিছু বাবা-মা বাচ্চার হাঁটার ব্যয় সর্বাধিক পরিধানের চেষ্টা করে বড় আকারের জুতোয় বিনিয়োগ করে। প্রতিটি শিশুর জন্য বৃদ্ধির ফ্যাক্টর পরিবর্তিত হয়, সুতরাং, বড় আকারের জুতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া আপনার শিশুর দ্রুত বৃদ্ধির উপরও নির্ভর করে। তিন সপ্তাহ থেকে এক মাস পর্যন্ত যে কোনও জায়গায় আপনার বাচ্চার জন্য নতুন জোড়া জুতা লাগতে পারে। জুতোর পরিবর্তন বিবেচনা করার জন্য আপনাকে একা এবং উপরের কভারটি পরিধান এবং টিয়ার করতে হবে।
এই শব্দগুলি মনে রাখবেন, সমস্ত পদক্ষেপগুলি আপনার পায়ের ভিত্তিতে পৌঁছানোর পরে এবং আপনার টটগুলি তাদের চতুর ছোট শক্ত পায়ে যাত্রা শুরু করার চেয়ে ভাল আর কিছু নেই।

পোষ্টটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানাবেন। এই রকম আরো আপডেট আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথে থাকুন।পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

চুল পড়া রোধের শীর্ষ টিপস।চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

MD Rahul

Published

on

সবাই কেমন আছেন। আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আমাদের সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে। কারন আমরা নিয়ে আসি নতুন নতুন পোষ্ট। যা আপনার জানার পরিধি আরো বৃদ্ধি করে।তো চলুন জেনে নিন আপনার চুল পড়া কিভাবে রোধ করবেন।

চুল ক্ষতি রোধ করবেন কীভাবে?

বেশিরভাগ লোক চুলের ক্ষতি রোধ করার বিষয়ে চিন্তা করে তবেই তারা এটির অনেকগুলি ক্ষতি হারাবে। তবে আপনি যদি তাড়াতাড়ি শুরু করেন (যেমন আপনার চুলের চুল এখনও পূর্ণ থাকে) এটি আবেগগত এবং আর্থিকভাবে অনেক সহজ কাজ করে। আসলে, সত্যটি হল – চুল পড়া রোধ করা চুল পড়া চিকিৎসার চেয়ে সহজ প্রক্রিয়া। সাধারণভাবে বলতে গেলে, এটি কিছুটা বুদ্ধিমান চুলের যত্নে ফোটে – আপনি যে চুলগুলি পেয়েছেন তা যদি রাখার যত্ন নেন তবে আপনাকে আরও ভাল চেহারা এবং স্বাস্থ্যকর চুল দিয়ে আশীর্বাদ করা হবে।

আপনার চুলের যত্ন নিন

নোংরা চুল আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং ঝরে পড়ার সম্ভাবনা বেশি – তাই চুল পরিষ্কার রাখুন। ভাল মানের শ্যাম্পু এবং চুলের পণ্য কিনুন। আপনি যখন চুলটি শ্যাম্পু করবেন তখন মাথার ত্বকে এবং চুলের শিকড়গুলিতে মনোনিবেশ করুন। কন্ডিশনার বা চুলের লোশন প্রয়োগ করার সময়, আপনার চুলের প্রান্তগুলিতে মনোনিবেশ করা ভাল (যা দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং এক্সপোজার থেকে আগত ক্ষতির জন্য আরও ঝুঁকির মধ্যে থাকে)। নিয়মিত আপনার চুল ছাঁটাই আপনার চুল চেহারা এবং আরও ভাল বোধ করতে সহায়তা করে। তদ্ব্যতীত, বিরক্তিকর বিভাজনের সমাপ্তিগুলিতে এটি একটি দীর্ঘ “বাই-বাই”।

স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করুন

আপনার ত্বক এবং নখের মতো চুলও প্রায়শই সাধারণ স্বাস্থ্যের ব্যারোমিটার হয়। আপনি যদি সুস্থ থাকেন তবে আপনার চুল সম্ভবত ভাল দেখাবে। এবং যদি আপনার চুল পড়ছে তবে এটি সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে
সুতরাং সুস্বাস্থ্যের জন্য আপনি যা কিছু করেন তা চুলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য: ফলমূল এবং শাকসবজি খান (ভিটামিন বি, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দস্তা বিশেষত স্বাস্থ্যকর চুলের সাথে যুক্ত হয়েছে); সর্বদা এপ্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করুন (চুল প্রোটিন দিয়ে তৈরি) এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করুন।

আপনার চুলের জন্য খারাপ জিনিসগুলি এড়িয়ে চলুন

এটি এতটা সুস্পষ্ট বলে মনে হচ্ছে যে এটি বলার দরকার নেই। তবে এটিকে স্পষ্টতই আবার বলা দরকার কারণ আমরা অনেকে অজান্তেই বেশ কয়েকটি অস্বাস্থ্যকর চুলের অভ্যাস গ্রহণ করি।স্টাইল পরেন যা চুলকে টানটান করে তোলে (সাধারণত ব্রেড বা পোনি লেজের মধ্যে থাকে)। অনেক মহিলা তাদের চুল এত টানেন যে এটি এর শিকড় থেকে বেরিয়ে আসে। আপনি যদি শীঘ্রই আপনার চুলের স্টাইল পরিবর্তন করেন তবে আপনার চুলগুলি সুস্থ হয়ে উঠবে। অন্যথায়, আপনার চুলগুলি সেখান থেকে স্থায়ীভাবে বেড়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে যেখানে এটি সবচেয়ে বেশি টানা থাকে। আপনার চুলের চেহারা (স্টাইলিং, পারমিং, স্ট্রেইটিং, হট-অয়েল চিকিত্সার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার জন্য ডিজাইন করা কোনও রাসায়নিক চিকিত্সা (এমনকি তথাকথিত ‘ভেষজ’গুলিও রয়েছে) , গরম ইস্ত্রি করা)। আপনার চুল ধীরে ধীরে শুকানো – এটি মাথার ত্বক শুকিয়ে যায় এবং চুলের ফলিকগুলিকে ক্ষতি করে। আপনার চুলকে কমপক্ষে কিছু সময় শুকিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিন বা আপনার ব্লোয়ারের উপর তাপের সেটিংটি সর্বনিম্নে পরিবর্তন করুন। চুল পড়া বা রুক্ষ তোয়ালে ভেজা হয়ে গেলে – এটি শিকড় থেকে চুলের স্ট্র্যান্ড বের করে দেবে এবং অন্যকে ভেঙে ফেলবে ।

স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য হোম চিকিৎসা

এখানে কয়েকটি ঘরোয়া চিকিত্সা রয়েছে যা ভারতীয় মহিলারা প্রজন্মের উপর নির্ভর করে। এই প্রাচীন রহস্য একটি শট নিজেকে দিন!
মেহেদি, দই, ভিজিয়ে রাখা এবং আস্তে আস্তে মেথি, গ্রাউন্ড হিবিস্কাস ফুল, গ্রাউন্ড গসবেরি এবং ডিম (এঁরা বা যে কোনও একটি) এর পেস্ট তৈরি করে শ্যাম্পু করার আগে প্রায় এক ঘন্টা চুল এবং মাথার ত্বকে লাগান। নিয়মিত সম্পন্ন হয়ে গেছে, এটি আপনার চুলকে আরও। এবং দেখতে আরও সুন্দর করবে। তবে মনে রাখবেন যে মেহেদী কেবল।রঙের চুলের জন্য উপযুক্ত কারণ এটি চুল লাল করে দেয়। চুলের ধোয়ার সাথে চা পান করুন বা কিছুটা লেবু পানিতে ডুবিয়ে নিন যাতে আপনি খুশকি থেকে মুক্তি পেতে স্নান করতে পারেন। নারকেল বা বাদাম প্রয়োগ করুন তেল. যদি প্রতিদিন এটি করা আপনার কাছে আকর্ষণীয় না হয়, শ্যাম্পু করার আগে মাথার ত্বকে রাতারাতি তেল প্রয়োগ করুন, বা চুল আঁচড়ানোর আগে আপনার মাথার শীর্ষে একটি ফোঁটা লাগান।
আপনার চুলকে কখনই সম্মানজনক মনে করবেন না। “নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধই ভাল” এর প্রবন্ধটি আপনার চুলের ক্ষেত্রেও পুরোপুরি প্রযোজ্য। মনে রাখবেন, আপনি সুন্দর সুন্দর ট্রেসগুলি দূরে রাখলে আপনি খুব মিস করবেন!

আর্টিকেলটি কেমন লাগলো। তা কমেন্ট করে আমাদেরকে জানাবেন।আর আর্টিকেলটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।এই রকম আরো আপডেট আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথে থাকুন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Continue Reading