Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস – বন্ধুত্ব নিয়ে ভালো লাগার মত কিছু বিখ্যাত বানী বা উক্তি

Published

on

বন্ধুত্ব নিয়ে ভালো লাগার মত কিছু বিখ্যাত লেখকমনিষী গুণীজনদের স্বরণীয় নির্বাচিত ৫০টি বানী বা উক্তি

1) একটি ভালো বই একশ জন বন্ধুর সমান । কিন্তু একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান । – ডক্টর এ.পি.জে আব্দুল কালাম ।
2) বন্ধুত্ব হচ্ছে চুইংগামের মতো হৃদয়ের কাছাকাছি, যা একবার মনে স্থান করে নিলেই হলো, ছাড়তে চাইলেও তা সম্ভব হয় না।
3) বন্ধুত্ব তিন ধরনের (১) খাবারের মত, যাদের ছাড়া চলে না। (২) ঔষধের মত, যাদের মাঝে মাঝে দরকার হয়।(৩) অসুখের মত, যাদের কেউ চায় না।
4) অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়েও ভালো।- হেলেন কিলার
5) আমার বন্ধুর জন্যে সবচেয়ে বেশি যা করতে পারি তা হোল শুধু বন্ধু হয়ে থাকা।তাকে দেয়ার মতো কোন সম্পদ আমার নেই। সে যদি জানে যে আমি তাকে ভালবেসেই সুখী, সে আর কোন পুরস্কারই চাইবে না।এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব কি স্বর্গীয় নয়?- হেনরি ডেভিড থিওরো
6) আহ্, কী ভালোই না লাগে – পুরনো বন্ধুর হাত।– মেরি এঙলেবাইট
7) একজন বিশ্বাসী বন্ধু দশ হাজার আত্মীয়ের সমান– ইউরিপিদিস [গ্রীক নাট্যকার]
8) একজন সত্যিকারের বন্ধু কখনো বন্ধুর আচরণে ক্ষুব্ধ হয়না। – চার্লস ল্যাম্ভ বন্ধুদের মধ্যে সব কিছুতেই একতা থাকে।- প্লেটো
9) কখনো কোন বন্ধুকে আঘাত করো না, এমনকি ঠাট্টা করেও না।– সিসেরো
10) কাউকে তোমার সামনে অন্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতে দেখলে তৎক্ষণাৎ তাকে বন্ধুর তালিকা থেকে দূরে সরিয়ে দিও।-মামুনুর রশীদ
11) কোন মানুষই অপ্রয়োজনীয় নয় যতোক্ষন তার একটিও বন্ধু আছে।– রবার্ট লুই স্টিভেন্স
12) কোনো বন্ধু যদি তোমার গোপন কথা প্রকাশ করে দেয়, তবে সেজন্য তাকে দোষ না দিয়ে নিজেকে শাসন করো। কেননা, নিজের গোপন কথা তুমি তার কাছে প্রকাশ করলে কেন?
13) গোপনীয়তা রক্ষা না করে চললে কোনবন্ধুত্ব টিকে না।– চার্লস হেনরি ওয়েব
14) তুমি আমার কথা মেনে মূর্খের বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাকো। মূর্খের বন্ধুত্ব জ্ঞানীকে বরবাদ করে দেয়। মূর্খের সঙ্গে বন্ধুত্বের পরিণামস্বরূপ মানুষ তোমাকে মূর্খ বলে স্মরণ করবে।- হযরত আলী (রা.)
15) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে, কিন্তু আনন্দের পুরোটা উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই তোমাকে তা কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে।– মার্ক টোয়েন
16) নিয়তি তোমার আত্মীয় বেছে দেয়, আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু।– জ্যাক দেলিল [১৭৩৮- ১৮১৩], ফরাসী কবি
17) পার্থিব জীবনে কোনো মানুষই বন্ধু বা সঙ্গীর সাহচর্য বা প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। তাই সঙ্গী যদি ভালো হয়, বন্ধু যদি চরিত্রবান হয়, সাথী যদি আদর্শবান হয়, তবে সহযাত্রী অপর সঙ্গীও ভালো হতে বাধ্য। অপরদিকে সঙ্গী যদি অসৎ হয়, তবে সাথীও চরিত্রহীন হয়ে যাবে।’
18) প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব।–এমারসন
19) প্রত্যেক নতুন জিনিসকেই উৎকৃষ্ট মনে হয়। কিন্তু বন্ধুত্ব যতই পুরাতন হয়,ততই উৎকৃষ্ট ও দৃঢ় হয়।–এরিস্টটল
20) লোক তার সঙ্গীর স্বভাব-চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত। অতএব সে যেন খেয়াল রাখে কার সঙ্গে সে বন্ধুত্ব করছে।- প্রিয় নবীজি (সা.)
21) বন্ধত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে।– উইড্রো উইলসন
22) বন্ধু কি? এক আÍত্মার দুইটি শরীর।– এরিস্টটল
23) বন্ধুত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে।- উইড্রো উইলসন
24) বন্ধুত্ব হলো তরমুজের মতো। ভালো একশটিকে পেতে হলে এক কোটি আগে পরীক্ষা করে দেখতে হয়। – ফরাসী প্রবাদ
25) বন্ধুদের মধ্যে সবকিছুতেই একতা থাকে– প্লেটো
26) বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো।–নিটসে
27) বীরের পরীক্ষা হয় যুদ্ধের ময়দানে, বন্ধুর পরীক্ষা হয় বিপদের সময় এবং বুদ্ধিমানের পরীক্ষা হয় ক্রোধান্বিত অবস্থায়।-(ইমাম জমখশরী (রহ.) এর বাণী)
28) যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না।– মাদার তেরেসা
29) যার ক্রোধ বেশি, এরূপ ব্যক্তির ভাগ্যে অন্যের বন্ধুত্ব কমই জুটে থাকে।-হযরত ফুজায়েল ইবনে আয়াজ (রহ.)।
30) যারা কোনো স্বার্থের বশবর্তী হয়ে তোমার কাছে আসে, পরীক্ষা না করে তাদের বন্ধুত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করো না। যাকে তুমি ঘৃণা করো, তাকে ভয় করে চলো।- বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)
31) যারা বন্ধুদের অপমান করে, বন্ধুদের অপমানিত হতে দেখে কাপুরুষের মতো নীরব থাকে তাদের সঙ্গে সংসর্গ করো না ।- সিনেকা
32) যে ইচ্ছাপূর্বক বন্ধুকে ঠকায়, সে তার খোদাকেও ঠকাতে পারে ।– লাভাটাব
33) যে ব্যক্তি কথায় কথায় রাগ ঝাড়তে থাকে, তার বন্ধু পাওয়া কঠিন।’-বুআলী সিনা
34) যে ব্যক্তি নির্দোষ বন্ধুর তালাশে থাকে চিরদিন তাকে বন্ধুহীন থাকতে হবে।-কায় সার-খসরু
35) যে ব্যক্তি প্রতিশোধ স্পৃহার আগুনে জ্বলতে থাকে, তার অন্তরের রক্তক্ষরণ কখনো বন্ধ হয় না।-বুআলী সিনা
36) শত্রুর চেয়ে বন্ধুকে হাজার গুণ বেশি ভয় করো। কেননা বন্ধু যদি কখনো শত্রুতে পরিণত হয়, তবে শত্রুতা উদ্ধার করার হাজার পথ তার সমানে খোলা থাকে।-জনৈক বুজুর্গ
37) সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।’ তাই জীবনকে সুন্দর করতে হলে অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। অসৎজনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কখনো ভালো হওয়ার আশা করা যায় না। তা ছাড়া প্রত্যেক ব্যক্তি হাশরের দিন তার বন্ধুর সাহচর্য লাভ করবে।’
38) সম্পদ বন্ধু আকর্ষণ করে। দরিদ্র মানুষ আত্মীয়ের কাছেও প্রত্যাখ্যাত হয়। গুণের আকর্ষণে যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়, এটাই সাধারণত স্থায়ী হয়ে থাকে। সঙ্গীহীন, নিঃসঙ্গ একাকী জীবনে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তাই তার জন্য চাই বিশ্বস্ত বন্ধু, সহযোগী বা সহ্যাত্রী। তবে এই বন্ধু হতে হবে সৎ মানুষ। সঙ্গী বা বন্ধু না হলে জীবন-জগৎ ও পরকালের সবই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই ইসলামও সঙ্গী নির্বাচনে, সৎসঙ্গ লাভে সৎসঙ্গের সাহচর্যে থাকার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করছে। সৎসঙ্গ মানব জীবনকে চারিত্রিক উৎকর্ষের উচ্চ শিখরে নিয়ে যায়। তেমনি অসৎ সঙ্গ ঢেকে আনে ধ্বংস।- হযরত সুলায়মান (আ.)
39) সম্পর্ক যখন জ্বরে পুড়ে তখন তার নাম হয় ভালবাসা, আর ভালবাসা যখন জ্বরে পুড়ে তার নাম হয় বন্ধুত্ব।–প্রাচিন প্রবাদ
40) সর্বোৎকৃষ্ট আয়না হলো একজন পুরনো বন্ধু।– জর্জ হার্বাট
41) সেই তোমার সত্যিকার বন্ধু, যে তোমার সঙ্গে থাকে। তোমার কল্যাণের জন্য নিজের ক্ষতি করে। হঠাৎ করে তোমার অবস্থা শোচনীয় হলে সে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে তোমাকে সুখ দান করে।- হযরত আলী (রা.)
42) হে বন্ধু তুমি যদি একশ বছর বেঁচে থাকো, আমি যেনো একদিন কম বাঁচি, যাতে তোমায় একদিনের জন্যেও মিস না করি।–তানবীর

43) বন্ধুত্ব আমাদের নানান প্রয়োজনে, যেমন নানান প্রয়োজনের আমারা নানান পোষাক পরিধান করি। বিয়ের পাগড়ীতে, বিয়ের শাড়ীতে দ্বিতীয় বার সাজতে চাই না, বিয়ের পাগড়ী, বিয়ের শাড়ী এগুলি প্রেমের পোষাক একবারেই পরিধান করতে হয় আর বন্ধুত্বের পোশাক সারাজীবন পরা যায়
প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের বন্ধুর অভাব হয় না। অভাব হয় প্রকৃত বন্ধুর। যতোই আমরা প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছি, ততোই আমাদের মাঝে রোবটিকতা কাজ করছে। আর কমে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু। সঙ্কুচিত হচ্ছে আমাদের আবেগ।

[the_ad_group id=”299″]

[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত]
বন্ধুত্ব হল দুটি মানুষের মধ্যে আত্নিক সম্পর্ক, যেখানে থাকেনা কোন হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, পরশ্রীকাতরতা। নিখাদ বন্ধুত্ব হচ্ছে সেই সম্পর্ক যেখানে একজন আরেকজনকে নিস্বার্থভাবে সাহায্য করে, সুসময়ে, দুঃসময়ে, সবসময় তার পাশে থাকে।বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পর্ক যার মাঝে জড়িয়ে আছে ভালবাসা ও আবেগ। আপনার আনন্দ এবং দুঃখে আপনার পাশে কেউ না থাকলে আনন্দ যেমন বহুলাংশে মাটি হয়ে যায়, তেমনি দুঃখও সহজে হালকা হয় না। মানুষ যখন বেদনাভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে তখন বন্ধুর কাছ থেকে সে প্রথম সান্ত্বনা পায়, আর যখন আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠে তখন এ আনন্দের খবর সে প্রথম বন্ধুকেই জানায়। বন্ধুত্ব কখনো কারো আর্থিক ও বাহ্যিক অবস্থান দেখে হয় না …মনের অজান্তে গড়ে ওঠে এই বন্ধুত্ব। আর এই বন্ধুত্ব টিকে থাকে পারস্পরিক চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব দেওয়া,ও কম্প্রোমাইজ করার প্রবনাতার উপর ..

✮ ✮ ✮ বন্ধুত্ব মানে গোপন কথার অনেকখানি ভাগ, প্রান খোলা হাসির সাথে একটুখানি রাগ। বন্ধুত্ব মানে দুষ্টুমি আর একটু অভিমান, মনের মাঝে কোথায় যেন একটু খানি টান।”
✮ ✮ ✮ গোটা পৃথিবীর কাছে তুমি একজন মানুষ মাত্র, বন্ধুর কাছে তুমি গোটা পৃথিবী। ভালো বন্ধু সে-ই যে মনে করে, তুমি একটা ভালো ডিম, যদিও সে জানে ডিমটা খানিকটা ফাটা।
বন্ধুত্ব দিবসঃ
——————
১৯১৯ সাল থেকে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস বন্ধুত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা “জয়েস হল” এই দিনটিকে বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উন্নীত করেন। এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড পাঠাত।
তবে, বন্ধুত্ব দিবসের ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু। ১৯৩৫ সালে আমেরিকান সরকার আগস্টের প্রথম শনিবার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। প্রতিবাদে ও শোকে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক নিকট বন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই বন্ধুদের ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য আমেরিকান কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর থেকেই প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রবিবার বিশ্বব্যাপী বন্ধু দিবস বা ফ্রেন্ডশীপ ডে পালিত হয়। সেই থেকে বন্ধুত্ব দিবস হয় জাতীয় উদযাপিত দিনগুলোর মধ্যে একটি । খুব শীঘ্রই এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবসের এর রুপ লাভ করে।
বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ধারণাটি ১৯৫৮ সালের ২০ জুলাই ডঃ Artemio Bracho দ্বারা প্রস্তাবিত হয়,যখন তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে “পুয়ের্তো
Pinasco” তে (নদীর তীরে একটি শহর যা উত্তর Asuncion,Paraguay থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত) ডিনার করছিলেন।
কিন্তু বন্ধুত্ব দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন তারিখে পালন করা হয় প্রথম বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ৩০ জুলাই করার জন্য প্রস্তাবিত হয়ে ছিল ১৯৫৮ সালে। ২৭ এপ্রিল ২০১১ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঘোষিত হয় ৩০ জুলাই official International Friendship Day ৷
এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ভারতে এই দিবসের প্রচলন শুরু হয়। তবে ভারত সহ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধুত্ব দিবস উদযাপন করে৷
পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকের দিকে বাংলাদেশে বন্ধু দিবস পালন করা শুরু হয়। এর পর ইন্টারনেট ও টিভি চ্যানেল গুলোর মাধ্যমে বন্ধু দিবস পালনের প্রসার ঘটে। বর্তমানে বেশ ঘটা করেই বন্ধু দিবস পালন করা হয়।
Keyword:
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস,
বন্ধু নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস,
বন্ধু নিয়ে কিছু উক্তি,
বন্ধুত্ব নিয়ে কবিতা,
বন্ধু নিয়ে ছন্দ,
বন্ধু নিয়ে কিছু কথা,
বন্ধুত্বের ছোট কবিতা,
বন্ধুদের নিয়ে কিছু কথা,
বন্ধুদের নিয়ে কবিতা

Advertisement
1 Comment

1 Comment

  1. jahid hossain

    June 3, 2018 at 7:02 am

    অসাধারন

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

বৃদ্ধি করুন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা

Published

on

By

প্রতিটি মানুষ আলাদা তেমনি প্রতিটি মানুষের কার্যক্ষমতা ও আলাদা।আজকাল প্রায়ই সকলের মাঝে একটা কথা খুবই শোনা যায়।

তা হল অনেকে সব কিছু ভুলে যায়। কোন সাধারণ ব্যাপার মনে থাকে না। আগে যাদের সব মনে থাকতো তাদের ও এই সমস্যা খুব বেশি হচ্ছে।

এই সমস্যা অনেকে খামখেয়ালি করে। কিন্তু এই সামান্য সমস্যা থেকে হতে পারে অনেক বিরাট কিছু। তাই সময় থাকতে এখনি সতর্ক হওয়া খুবই বেশি জরুরি।

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ যেমন আলাদা ঠিক তেমনি এদের  অসুখ ও আলাদা। ঠিক তেমনি অসুখ সাড়ানোর ঔষধ ও আলাদা। আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা আমাদের খাবারের এর উপর নির্ভর করে। আমরা কি খাই,

কেমন ধরনের খাবার খাচ্ছি তা যেমন আমাদের শরীরের উপর প্রভাব ফেলে, তেমনি আমাদের মস্তিষ্কের উপর ও প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের মস্তিস্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমাদের কিছু ডায়েট অনুসরণ করা উচিত।

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ডায়েটসমূহ:

১. মাইন্ড ডায়েট : এই ডায়েট সাধারণত  ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বার্ধক্য জনিত কারনে মস্তিষ্কের  কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। এই ডায়েট ডায়বেটিক,  রক্তচাপ, হার্ট এর বিভিন্ন রোগের আক্রমণ এর ঝুঁকি কমায়।

২.মেডিটেরিয়ান ডায়েট :  মেডিটেরিয়ান ডায়েট মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নিচে মেডিটেরিয়ান ডায়েট এর কিছু দিক তুলে ধরা হল :

  •  প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সবজি এবং শর্করা জাতীয় খাবার খেতে হবে।
  • এছাড়া খাবারে আমিষ জাতীয় খাবার রাখতে হবে।
  • রেড মিট বা লাল মাংশ পরিহার করতে হবে।
  • মিষ্টি, জাংক ফুড  এবং তেলে ভাজা জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে।

৩. ড্যাশ ডায়েটঃ ড্যাশ ডায়েট এমন একটি ডায়েট প্রক্রিয়া যা শুধু  সুস্থ মানুষের রক্তচাপ কমায় না বরং উচ্চ রক্তচাপ এ আক্রান্ত রোগীর ও রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

নিচে এই ডায়েটের উপকারী দিক তুলে ধরা হল :

  • ১.এই ডায়েট উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট এর রোগ কমাতে সাহায্য করে থাকে।
  • এই ডায়েট অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • এই ডায়েট ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা পালন করে।

এখন জেনে নেওয়া  যাক  এসকল ডায়েট এর মূল উদ্দেশ্য কি কি :

  • প্রচুর পরিমানে  ফলমূল  এবং সবুজ শাকসবজি খেতে হবে।
  • প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেড যুক্ত খাবার খেতে হবে।
  • অতিরিক্ত লবন এবং চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।
  • চর্বিহীন মাছ মাংস খেতে হবে।

তাছাড়া মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে বাদাম খুবই উপকারী একটি জিনিস। বাদাম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  প্রতিটি মানুষের উচিত বাদাম খাওয়া। তাছাড়া আপনি সকালে  ঘুম থেকে উঠেই নিয়মিত ৭ টি বাদাম খাবেন। এটি মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে খুবই উপকারী একটি জিনিস।

এসকল ডায়েট অনুসরণ করার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। ব্যায়াম আপনাকে শারিরীক এবং মানুষিক ভাবে সুস্থ রাখবে।

এছাড়াও আপনি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত দাবা খেলতে পারেন।                      মস্তিষ্ক মানব শরীরের  খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। তাই মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে উপরের ডায়েট অনুসরণ করতে হবে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

রুক্ষ শীতে চুলের যত্ন

Published

on

By

শীতকাল সকলের অতি প্রিয় একটি ঋতু। কিন্তু এই শীতকালে ঝামেলা পোহাতে হয় অনেক বেশি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় চুল।                                                                                                                                         শীতকালে বাতাসের আদ্রতা কমে যায়। আবহাওয়া হয়ে যায় শুষ্ক ও রুক্ষ। তাই আমাদের চুল হয়ে যায় রুক্ষ। পাশাপাশি বাইরের ধুলাবালির প্রভাব আমাদের চুলের উপর পরে সবচেয়ে বেশি। যার ফলে খুশি থেকে শুরু করে নানা ধরণের চুলের সমস্যা দেখা যায়।                                                                                                         তাই চুলের যত্নের জন্য কিছু করণীয় তুলে ধরা হলো:                                                                                          ১.শীতকালে চুলকে রুক্ষতার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে সপ্তাহে তিন দিন চুলকে গরম তেল দিয়ে মালিশ করতে হবে। ২ এছাড়া চুলের যত্নে তেলের সাথে কেস্টার অয়েল একসঙ্গে গৰম করে দিতে পারেন। ভিটামিন এ কেপসুল ভেঙে বা ডিমের কুসুম মিশিয়ে লাগাতে পারেন।                                                                             ৩.শীতকালে চুলের আগা ফেটে গেলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় এবং যা চুল বৃদ্ধিতে সমস্যা করে থাকে।তাই ওই ভঙ্গুর আগা যতসম্ভব কেটে ফেললে চুলের বৃদ্ধি তে আর কোনো ধরণের সমস্যা থাকবেনা।                            ৪.রাতে ঘুমানোর আগে যথাসম্ভব চুল আঁচড়িয়ে হালকা করে চুল বেশে ঘুমাবেন। এতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। ঘুমানোর জন্য যথাসম্ভব সিল্কের বালিশের কাভার ব্যবহার করবেন।                                                          ৫.শীতকালে খুশকির সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই চুলের যত্নে এক মুঠো জবা পাতা এবং সমপরিমাণ মেহেদী পেস্ট জোরে সাথে ১ টেবিল চামুচ লেবুর রস ভালোভাবে লাগাতে পারেন।                                                          ৬.চুলে শীতকালে উন্নত ৩ দিন মাথায় তেল ব্যবহার করুন।                                                                            ৭.চুলে ধুলোবালি হাত থেকে বাঁচাতে বাইরে বের হবার আগে ছাতা অথবা স্কার্ফ ব্যবহার করুন।                      ৮.শীতকালে মেহেদী পরিহার করুন। আপনার চুলের সাথে মানানসই কোনো শ্যাম্পো কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।                                                                                                                                                                 ৯.চুলের যত্নে প্রচুর পরিমানে পানি ,সুষম খাবার খান।                                                                                             ১০ তাছাড়া মানুসিক চিন্তা চুল পড়ার কারণ হতে পারে। তাই যথাসম্ভব মানুষিক চিন্তা মুক্ত থাকবার চেষ্টা করুন।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

যে অভ্যাস গুলো বদলে দিবে জীবন

Published

on

 

মানুষ অভ্যাসের দাস । প্রতিনিয়ত আমরা নানা বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি  । কিছু ভালো অভ্যাস আর কিছু বদ অভ্যাস এর মিশেলে আমাদের জীবন  । প্রতিদিন রাত জেগে চ্যাটিং করা আমাদের অনেকের ই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে । আর এ অভ্যাস টি অত্যন্ত ভয়ংকর ! আমরা চাইলেই কিছু ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি যা আমাদের জীবন কে বদলে দিতে পারে । এমন ই কিছু অভ্যাস নিয়ে এই আর্টিকেল টি । আমাদের জীবন বদলাতে যে অভ্যাস গুলো গড়ে তোলা প্রয়োজন ……….

১. নামাজ পড়া : দুনিয়ার মধ্যে নামাজ পড়া ছাড়া উত্তম কাজ কি হতে পারে ? নামাজ মানুষ কে শান্তির পথে পরিচালনা করে । নামাজ মানুষ এর মনকে কলুষিতমুক্ত রাখে । শ্রেনী ভেদ  থাকে না । তাছাড়া গবেষণা ও বলছে নামাজ স্বাস্থ্যের পক্ষে অতি উত্তম ।

২. বই পড়া : একটি ভালো বই ই পারে একজন মানুষ কে বদলে দিতে । বই ই হচ্ছে মনন গঠনের অন্যতম মাধ্যম । বই পড়া অনেকের কাছে বিরক্তির কারণ ও বটে । কিন্তু  আসল কথা হচ্ছে জীবন কে বদলাতে জ্ঞানের বিকল্প নেই । আর জ্ঞান অর্জন এর জন্য বই অপরিহার্য । একবার  বিল গেটস কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, আপনি যদি সুপার পাওয়ার পান তাহলে কি করবেন ? উত্তরে বিল গেটস বলেছেন “তাহলে আমি পৃথিবীর সব বই পড়ে শেষ করে ফেলতাম” । বই পড়া তার একটা প্রিয় অভ্যাস ও বটে । বই পড়ার মাধ্যমে নিজেকে নতুন রুপে আবিষ্কার করা যায় ।

৩. সোশ্যাইল মিডিয়ায় সময় কমানো : আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ( ফেসবুক, টুইটার, ইনস্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব ইত্যাদি ) এ প্রচুর সময় ব্যয় করি ।  সোশ্যাইল মিডিয়ায় সময় কমিয়ে অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যয় করতে হবে ।  এই যুগে আমরা মাঠে গিয়ে খেলা ধুলা ভুলেই গেছি, কারন এখন এসব স্মার্ট ফোন এ সম্ভব ।

৪. প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসুন : বর্তমান পৃথিবী টা ই হয়ে উঠেছে যান্ত্রিক । যেখানে আমরা যন্ত্র মানব এর মতো, এখন আর আমাদের সকলের সূর্যদোয় দেখা হয় না, কারন আমরা ঘুম থেকে ই উঠি সকাল ৮-৯ টাই । এখন আমরা স্মার্ট ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকি, বিকেল হলে ব্যাট, বল নিয়ে মাঠে যাওয়া কিংবা প্রকৃতির মাঝে থাকা অনেক টা রুপকথার মতো শোনায় । আমরা ইট, ধুলো – কনার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়েছি । আমাদের উচিত প্রকৃতির মাঝে হাঁটা । সময় পেলে প্রকৃতির মাঝে বেড়াতে যাওয়া ।

৩. নিজের ভূল নিজে ধরার চেষ্টা : আমরা নিজেদের ভূল গুলো সবসময়  এড়িয়ে চলি । নিজেদের ভূল স্বীকার করতে চাই না । আমরা যদি নিজেদের ভূল নিজেরা ধরি, ও ভূলের কারন গুলো খুঁজে বের করি এবং ভূল সংশোধন করি । তাহলে পরবর্তী তে আমাদের দ্বারা ভূল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে । যা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

‌‌ ধন্যবাদ পুরো আর্টিকেল টি পড়ার জন্য ।

আরো পড়ুন :

Continue Reading



বিজ্ঞাপন