Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিনোদন

বন্ধুর বিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

বিয়ে মানুষের জীবনে একবারই হয়। বিয়ে প্রতিটা মানুষের জীবনে খুবই আবেগময় এবং অত্যন্ত স্মৃতিময় একটি দিন কেননা বিয়ের দিনের অনুভূতি অন্যান্য দিনের থেকে একদমই আলাদা। তাইতো বন্ধু-বান্ধব পাড়াপড়শি থেকে শুরু করে সবাই চারদিকে এক ধরনের হৈচৈ পড়ে যায়। নিজের পরিচিত আপনজন বন্ধুবান্ধব বিয়ে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করে বসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে তারা শখের বশে হোক কিংবা কিছুটা দুষ্টামি করে নানা রকম মজার মজার স্ট্যাটাস দেন তো বন্ধুরা আসুন তাহলে জেনে নেই সেরকম বন্ধুর বিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস।

* বন্ধু তাহলে কী বিয়ে করে ফেললা, এবার নিশ্চয়ই তোর আপন বন্ধুদেরকে ভুলে যাবে তাই না?

* বন্ধু আমারও মন চায় তোর মতো আমিও বিয়ে করে ফেলি কিন্তু মনের মত মেয়ে যে পাইলাম না রে…

*বন্ধু বিয়ে তো করতে যাচ্ছিস, জেল থেকে আমি বলছি ই।

*খাট টা বদ্ধ বেশি শব্দ করে কালকেই নাটগুলোকে খাঁটি সরিষার তেল দিতে হবে

*আহারে বিয়ে করে বেচারার জীবনটা পানসে হয়ে গেল সব রুটিনমাফিক এখন।

*যাক বন্ধু অবশেষে তো একজন ঘর গোছানোর মানুষ পেয়ে গেলি

*বন্ধু, তুই ঘুমানোর সময় যে নাক ডাকিস, আমার মনে হয় বাসর রাতে মেঝেতে ঘুমাতে হবে তোর

*বন্ধু বিয়ের প্রথম রাতেই ঠিকভাবে বিড়াল মারতে শেখো তা না হলে কিন্তু পরে পস্তাতে হবে।

*বন্ধু, তুমি তো কালকে থেকে বিবাহিত পুরুষ। দুঃখ রইলো মনে তোর সাথে আর কোনদিন গালগল্প হবে নারে।

* উফ্ফ্… বন্ধু তোমার বিয়ে আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।

*বন্ধু বিয়ের পর আমাদের ভুলে যাস না,আমাদের মনে রাখিস।

* বিয়ে করতে যাচ্ছিস, তোর পুরনো প্রেম সখিনার কি হবে গো?

* বন্ধু অবশেষে তো খুব সুন্দর একটা বউ ফেলি, তুমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান।

* তুই কি জানিস তুই যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছিস, তাকে নিয়ে আমি একসময় গভীর প্রেমে মগ্ন ছিলাম।

* দোয়া করি বন্ধু তোদের চিরজীবনের বন্ধন যেন অটুট থাকে।

*ভাবিকে কিন্তু দেখতে খুবই জটিল অবশ্যই তোমার সাথে মানায়নি, আমার সাথে ভালো মানাতো।

* দোস্ত, তোমার শ্যালিকাকে , আমরা দুজন বন্ধু থেকে ভাইরাভাই হবো।

Advertisement
30 Comments
Subscribe
Notify of
30 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Md Ahasan Habib

Balo ekti post likhacen…..

Ratul Foysal

Haha gd

Sabina Akter

Good post

firoz alam niloy

GD

Avijit Sharma

hahah good

Anik Saha

Valo post

Fozle Rabbi Deen

Haha

Md Shabbir

nc.

Farhan Shuaib

Nice post

Nuri Islam

I’ve seen the movie

Treasure facts

bhalo

Tntu Karmokar

Ha Ha Ha

Sujon Saikot

Apni onk valo likhchen….keep posting

Abir Hasan

jhakkas

Tawsif Apon

Osthir

Tasmiha Khatun

Nice

Humayun Kabir

Gd

.সাহেদ রীয়াদ

মজা পাইলাম

Musa Khan

Khub vlo

rabby kazi

moja pailam

Md Golam Mostàfa

Ha ha ha

ভালো লাগলো

Koli Talukder

Ok

MD Humayun

Haha gd gd

Monira Kamal

Nice

Marzia Rahman

পড়ে মজা পেলাম। সুন্দর লেখা।

Palash Sarker

hahaha

Sayem Ahmed

Haha

Ibna Mezan

good good

Mahfuzur Rahman

Gd

বিনোদন

যেই ৫টি সিনেমা বিশ্ব কাঁপিয়েছিলো হলিউডের বাইরে থেকেও

Md. Ashif

Published

on

হলিউডের মারমার কাটকাট অ্যাকশন, থ্রিলার, রোমান্টিক, কমেডি কিংবা বিশাল বাজেটের সাইফাই সিনেমার বাইরেও যে বিশাল সিনেমার জগত আছে সেটা আমরা ক’জন জানি? তবে এটা স্বিকার করতে দ্বিধা নেই যে, বিশ্বের সবথেকে মেধাবি আর প্রতিভাবান পরিচালক, অভিনেতা কিংবা টেকনিশিয়ানরা কাজ করেন হলিউডে। বিগ বাজেটের সিনেমাগুলো এখানেই নির্মিত হয়। কিন্তু বাজেট বা ভালো অভিনয় এগুলোই কি শুধু ভালো সিনেমার প্রধান শর্ত? চলুন আজ হলিউডের বাইরে এমন ৫টা মাস্টার পিস সিনেমার গল্প আপনাদের শোনাবো যার পরে আপনি নিজেই বলবেন হলিউডের লোকজন আসলে সিনেমাই বানাতে পারেনা। আর এতদিন কি বোকার স্বর্গেই না বাস করেছেন এই সিনেমাগুলো না দেখে।

৫। দক্ষিণ করিয়ার সিনেমা “ট্রেন টু বুসান” কে দিয়েই শুরু করা যাক। ট্রেন ভর্তি একদল মানুষ। সবাই যাচ্ছে বুসান শহরে। একেকজনের একেকটা উদ্দেশ্য। বাচ্চা একটা মেয়ে বাবার সঙ্গে যাচ্ছে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। গর্ভবতী একজন মহিলা তার স্বামীর সাথে ভ্রমণ করছেন। হাইস্কুলের একটা বেসবল টিম ও আছে সাথে। আছে ঘরছাড়া একজন আধপাগল মানুষ। সেই ট্রেনেই হলো জম্বি অ্যাটাক। যাকেই কামড় দিচ্ছে সেই পরিণত হচ্ছে জম্বিতে। জীবন বাঁচাতে হলে পৌঁছাতে হবে বুসানে। কিন্তু বুসানে কি যেতে পারবে ট্রেনের আরোহিরা? নাকি তার আগেই খতম হয়ে যাবে? এমন চমৎকার একটি গণ্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে “ট্রেন টু বুসান” নামের সিনেমাটি। এক কথায় বলতে গেলে মাস্টারপিস। থ্রিলার সিনেমা বানানোর দিক থেকে হলিউড যে কোরিয়ানদের কাছে শিশু সেটা যেন প্রমাণ করে দিয়েছে সিনেমাটি। অসাধারণ নির্মাণ আর দুর্দান্ত অ্যাকশন আর থ্রিলার মিলে অন্যন্য হয়ে উঠেছে “ট্রেন টু বুসান”।

৪। এবার এক ভারতীয় সিনেমার গল্প। ভারতীয় মানেই কিন্তু বলিউড নয়। “বাহুবালী” হচ্ছে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা। একটা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা হয়েও পুরো ভারত কাঁপিয়েছে বাহুবালীর ২টা খণ্ড। ২য় টা তো পুরো ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমাই হয়ে গেছে। বিগ বাজেট, বড়-সড় স্টারকাস্ট আর কোটি কোটি রুপি খরচ করে দারুন সব লোকেশনে চমৎকার সেট বানিয়ে শুটিং করা হয়েছে সিনেমায়। বাহুবালি সিরিজ ভারতীয় সিনেমাকে অন্যরকম একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়েছে। যেসব ভিএফএক্স এর কাজ বাহুবালীতে দেখানো হয়েছে সেগুলো হলিউডেই দেখা যায়। বলিউডের জন্য লোকে একটাসময় ভারতীয় সিনেমাকে চিনত। এখন বাহুবালীর জন্য সেই যায়গাটা দখল করেছে দক্ষিণি সিনেমা।

৩। এবার এক বিখ্যাত বায়োপিকের কথা বলা যাক। অ্যাকশনের ভক্ত হলে ‘ইপম্যানের’ নাম শোনার কথা। চীনা এই ভদ্রলোক ছিলেন বিখ্যাত সুপারস্টার ব্রুস-লীর গুরু। ব্রুসলীকে মার্সাল আর্ট শিখিয়েছিলেন তিনি। সেই ইপম্যানের জীবনের গল্প নিয়েই তৈরী হয়েছে এই সিনেমা। সফলতার মুখ দেখায় একে একে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি সিকুয়্যাল। শুধু অ্যাকশন সিনেমা ভাবলেই ভুল করবেন, “ইপম্যান” আসলে একটা অন্যরকম জীবনসংগ্রামের গল্প। তুখার অ্যাকশন আর চাইনিজ মার্শাল আর্টের পাশাপাশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পাকে পড়ে সবকিছু হারিয়ে ফেলা একটা মানুষ কিভাবে ঘুরে দাড়ায় সেই গল্প বলা হয়েছে “ইপম্যানে”। সমাচলকরা দারুন প্রশাংসা করেছেন সিনেমাটার। চীনের নিয়ন্ত্রণে থেকেও হংকং এর সিনেমা যে কতদুর এগিয়ে গেছে সেটা বোঝার জন্য এক ‘ইপম্যান’ই যথেষ্ট।

২। এবার বলব এক ইন্দোনেশিয়ান অ্যাকশন ফিল্মের কথা। সন্ত্রাসী আর মাফিয়াদের ডেরায় হানা দিয়ে বেড়ানো সোয়াটের একটা দল আচমকায় এক মাফিয়া লিডারের আস্তানায় গিয়ে ফাঁদে পড়ল। সন্ত্রাসী আর মাফিয়াসের সেই আড্ডা থেকে প্রাণ নিয়ে ফেরার অসাধারণ এক গণ্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটা। অনেকের চোখেই মার্শাল আর্ট আর ফিজিক্যাল ভায়োলেট নিয়ে এযাবৎকালের সেরা সিনেমা হচ্ছে “দি রেইড”। এই সিনেমা মুক্তির পরে এতই জনপ্রিয় হয়েছিল যে হলিউডের বিখ্যাত সনি পিকচারস নেটওয়ার্ক চড়া দামে সিনেমাটার শর্ত কিনে নিয়েছিল। পরের কিস্তিটার প্রযোজনাও করেছিল তারা। ভাবুন সিনেমার শক্তি থাকলে স্বয়ং হলিউড ই এসে ধরা দেবে আপনার কাছে।

১। প্রিয় পাঠক, কোটি কোটি টাকা তো দিতে পারবোনা আপনাকে, তবে ক্রাইম থ্রিলালের ভক্ত হয়ে থাকলে “এলিট স্কোয়াড” সিরিজের সিনেমাটা যে কারো জন্য দেখা অনস্বিকার্য। বিশেষ করে “এলিট স্কোয়াড” দ্যা এনিমি উথিন সিনেমাটা তো দেখতেই হবে। তবে প্রথম সিনেমা “এলিট স্কোয়াড” না দেখলে গল্প বা চরিত্র বুঝতে একটু অসুবিধা হতে পারে। ব্রাজিলিয়ান এই সিনেমার গল্প এগিয়েছে রিয়োডি জিনিয়েরো শহরে। সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশেষ পুলিশ বাহিনীর মারাত্মক অসাধারণ মিশন। তবে সিনেমাটা দেখার পর অনেকক্ষণ মাথা ঘোরাবে আপনার। অবাক হয়ে ভাববেন কী দেখলাম এতক্ষণ? ২ ঘণ্টা খরচ করে সিনেমাটা দেখলে সময়টা নষ্ট হবেনা সেই গ্যারান্টি দিচ্ছি। টানটান উত্তেজনা সিনেমার সাথে রয়েছে খুবই শক্তিশালি সিনেমার গল্প। ব্রাজিলের শুধু নেইমার, রোনালদোকে তো চিনলেই হবেনা? তাদের সিনেমাকেও তো চিনতে হবে?

বন্ধুরা আগামি দিনে হাজির হবো আরো ৫ টি মারাত্মক সিনেমা নিয়ে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন সেই কামনা করছি।









Continue Reading

বিনোদন

ফেসবুকে যেভাবে চালু করবেন “কেয়ার ইমোজি”??

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

“কেয়ার ইমোজি”নামে একটা নতুন ইংরেজি চালু করেছে ফেসবুক। গুগল প্লে স্টোর থেকে ফেসবুক অ্যাপ নতুন করে আপডেট করে এই কেয়ার ইমোজিটি উপভোগ করতে পারবেন।

করোনা ভাইরাসের মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর হয়ে পড়েছে। আমরা যেকোনো তথ্য খবরা-খবর সবার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে পেয়ে থাকি। এই মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নতুন একটি রিএকশন ইমোজি চালু করেছে। সাধারণত মেসেঞ্জার এবং ফেসবুক অ্যাপ এর মাধ্যমে এই নতুন ইমোজি ব্যবহার করা যাচ্ছে।

ফেসবুক এই নতুন ইমোজি চালু করল কেন?

ফেসবুক মেসেঞ্জারে আরো একাধিক কেয়ার ইমোজি প্রস্তুত করা হয়েছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়,করোনায় এই কঠিন সময়ে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবার পরিজনের প্রতি আরও সহজে সহানুভূতি এবং সমর্থন জানানোর জন্যই এই নতুন ইমোজি চালু করেছে বলে জানায় ফেসবুক।

আগে ফেসবুকে মেসেঞ্জারে অনেকগুলো ইমোজি রয়েছে বিশেষ করে লাইক,লাভ,ওয়াও,হাহাহা,দুঃখ ও রাগের অনুভূতি প্রকাশ করা হতো কিন্তু এবারে মানুষের সহানুভূতি এবং সমর্থন জানানোর জন্য ফেসবুক নিয়ে এলো কেয়ার ইমোজি।

আপনারা যদি এই কেয়ার ইমোজি না পেয়ে থাকেন এখনই আপনার ফেসবুক এবং মেসেন্জার নতুন করে আপডেট করে নিন তাহলে এই ইমোজি অটোমেটিক চলে আসবে আপনার মোবাইলে।

ধন্যবাদ।

Continue Reading

বিনোদন

ঘোরাঘুরি নিয়ে স্ট্যাটাস

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

ঘোরাঘুরি কে না পছন্দ করে আমরা সবাই ঘুরতে পছন্দ করি। কিন্তু ব্যস্তজীবনে বড় ধরনের ছুটি কিংবা খন্ডকালীন ছুটি পাওয়া যেন সোনার হরিণ দেখা পাওয়ার সমান। এই ব্যস্ত জীবনে নানা কাজের ভিড়ে আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে উঠেন তখন এক কাপ চা কিংবা কপি আপনাকে যা কিছু দিতে পারে না, তা থেকেই আমরা অনেক বেশি আনন্দ পাই ছুটিকাটা তা থেকে।

এই যান্ত্রিক জীবনে কর্মময় ইট-পাথরের শহরে একটানা ছুটি পাওয়া বেশ বড়ই কঠিন। আবার ছুটি পেলেও অনেকেই চায় যে তারা যেন একটু নিরিবিলি শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ছুটি আনন্দময় ভাবে কাটানোর জন্য।এমন পরিবেশ বর্তমান সময়ে খুঁজে পাওয়া অনেকটাই কঠিন বা অনেক টাকা পয়সার ঝামেলা তো আছেই। তাই অনেক সময় নিজের মনের মতন জায়গায় ছুটি কাটানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে আপনার সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা কোন সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি দিন ঠিক করে আপনি আপনার প্রিয়জনকে বা প্রিয় মানুষকে সঙ্গে রাখতে পারেন তাহলে ছুটিটা হবে আরো বেশি রোমাঞ্চকর।

এতে করে আপনার যে অনেক দূরে ছুটি কাটাতে হবে বা অনেক দূরে যেতে হবে তা কিন্তু নয় আপনি চাইলে আপনার প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে আপনার এলাকার কিংবা আপনার শহরের কোন নিরিবিলি পরিবেশে আপনার প্রিয় মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে পারেন। এই ঘোরাঘুরি বা সাপ্তাহিক ছুটি একদিকে আপনার মনকে যেমন আনন্দ করে তুলবে, আপনি কাজের ক্ষেত্রেও আপনাকে রাখবে সতেজ এবং প্রাণবন্ত।

তাই কাজের চাপ কিংবা ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে পুরো মাস জুড়ে কতখানি রয়েছে আর তা কিভাবে সেখান থেকে নিজের জন্য কিছু সময় বের করে রাখা যায় বা কিভাবে বের করে দিতে হয় এখনই আপনি একটি খাতায় নোট করে রাখুন।

এই কর্মময় জীবনে অনেকেই অফিস থেকে সতী না পাওয়ার কারণে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারে না। সেক্ষেত্রে আপনার গ্রামের কিংবা শহরের কোন খেলার মাঠ কিংবা কোন পার্কে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য সবচেয়ে ভালো স্থান। আপনার প্রিয় মানুষটির জন্য দারুন কিছু উপহার কিংবা সে যেমন যে জিনিসটি পছন্দ করে তাকে সে জিনিসটি উপহার দেবার চেষ্টা করা, তার সঙ্গে পাশাপাশি বসে এক কাপ কফি খেতে পারেন বা হাতের তালুতে বাদাম কিনে দুজনে ভাগাভাগি করে খেতে পারেন বা একসাথে মজার কোন পুরনো স্মৃতি বা ছোটবেলার দিনগুলো নিয়ে মজার গল্প দিতে পারেন। পৃথিবীর অনেক বড় বড় ভ্রমনপিপাসু এবং জ্ঞানীগুণী সবাই ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন এবং তারা আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি দিয়ে গেছেন, তো বন্ধুরা, এরকম জ্ঞানীগুণী এবং বিখ্যাত ব্যাক্তিদের কিছু উক্তি আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি।

ভ্রমণ নিয়ে উক্তি
ভ্রমণ সবসময় সুন্দর হয় না। এটা সবসময় আরামদায়ক ও নয়! কখনও কখনও ভ্রমণ ব্যাথা এবং হৃদয় বিদারকও হতে পারে। যখন ভ্রমণে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে তখন তা আপনাকেই পরিবর্তন করতে হবে।

ভ্রমণ আপনার মন, হৃদয় এর পাশাপাশি আপনার শরীরের উপর প্রভাব ফেলে। ভ্রমণে সবসময় নিজের কথা শুনুন। এতে আশাকরি আপনি ভালো ফলাফল পাবেন। — এন্থনি বুর্দিন

মানুষ নতুন মহাসাগর আবিষ্কার করতে পারে না যতক্ষণ না তিনি তীরের দৃশ্য দেখতে পান। — আন্দ্রে গাইড

এটা শুধু মানচিত্রে নয়, সত্যিকারের জায়গাগুলোর কখনও এরিয়া থাকে না। — হারম্যান মেলভিল

জীবন একটা দুঃসাহসিক অভিযাত্রা অথবা সব কিছুই নয় । —- হেলেন কেলার

ভ্রমণ আগমনের বিষয় নয়। — টি.এস. ইলিয়ট

মনে রাখবেন সুখ ভ্রমণের একটি উপায়, একটি গন্তব্য নয়। — রয় এম. গুডম্যান

শুধুমাত্র স্মৃতি নিন, শুধুমাত্র পদচিহ্ন দিয়ে। — প্রধান সিয়াটেল

বিশ্ব একটি বই এবং যারা ভ্রমণ করে না তারা যেন এই বই এর শুধুমাত্র একটা পৃষ্ঠা পড়ল। — হিপ্পো অগস্টিন

আপনার যা জানা দরকার তা হল ‘এটি সম্ভব’। — ওল্ফ, একটি অ্যাপল্যাচিয়ান ট্রিল হাইকার

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর, অবশ্যই বিশ্ব নিজেই। — ওয়ালেস স্টিভেনস এইচ

চাকরি আপনার পকেট পূরণ করে, কিন্তু ভ্রমণ আপনার আত্মা পূরণ করে। — জ্যামি লিন বিটি, এটি আমার প্রিয় ভ্রমণ উদ্ধৃতিগুলির মধ্যে একটি।

আজ থেকে বিশ বছর পর আপনি এই ভেবে হতাশ হবেন যে,আপনার পক্ষে যা যা করা সম্ভব ছিল তা করতে পারেননি। তাই নিরাপদ আবাস ছেড়ে বেরিয়ে পড়ুন। আবিষ্কারের জন্য যাত্রা করুন, স্বপ্ন দেখুন আর শেষমেশ আবিষ্কার করুন। — মার্ক টোয়েন

ভ্রমণ আপনাকে শালীন করে তোলে। — গাস্টভ

আমি যে শহরগুলিতে কখনও ছিলাম না এবং যাদের সাথে আমি কখনও দেখা করি নি, তাদের ভালোবাসার মধ্যে আমি আছি। — জন গ্রিন

যদি আপনি মনে করেন যে এডভেন্ঞার ট্যুরিজমগুলি বিপজ্জনক, তাহলে রুটিন করে চলার চেষ্টা করুন: এটি মারাত্মক। — পল কোলেও

আপনার জীবন চলে একটি কম্পাস দিয়ে ঘড়ি দিয়ে নয়। — স্টিফেন কভিয়ে

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

Mojammal Haque
অনুরোধ
Saleh Mohammed
কমেন্ট