Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

মুক্ত মতামত

বন্ধু এবং বন্ধুত্ত

Maria Hasin

Published

on

বন্ধু শব্দটি শুধুমাত্র একটি শব্দ নয় এই শব্দটির সাথে জরিয়ে আছে আবেগ,অনুভুতি  আর ভালবাসা । বন্ধুত্ত আত্তার বন্ধন। বন্ধুত্ত কখনোই  পুরাতন হয় না।

যুগ এর পর যুগ  কালের পর কাল বন্ধুত্ত টিকে থাকে তার আপন গতিতে । তাইতো এরিস্টটল বলেছেন ” বন্ধুত্ত যতই পুরাতন হউক না কেন ততই উৎকৃষ্ট ও দৃড় হয় “।

কথায় আছে বন্ধু ছাড়া চলা যায়না। আসলে কি তাই ?আসলে প্রত্তেকটি মানুষের  জীবনে একজন সত্যিকারের কারের বন্ধুর খুবই অভাব। একজন বন্ধু শুধু একজন বন্ধু নয় কখনো কখনো  আপনার ভাই এর মত হয়ে উঠে।

বন্ধু এমন একজন মানুষ যে মানুষের  সাথে আমরা যেকোন কথা খুব অনায়াশে বলতে পারি।একজন প্রকৃত বন্ধু কখনো  তার বন্ধুকে একা রেখে যায়না। সবসময় ছায়ার মত পাশে থেকে যায় ।একজন প্রকৃত বন্ধু শুধু আপনার সুনাম করবেনা সারাদিন আপনার সকল ভুল ত্রুটি  বলে দিবে ।আপনার সকল কাজে উৎসাহিত  করবে ।

বন্ধুহীন  মানুষ পুশুর সমতুল্য।এরিস্টটল  বলেছেন”বন্ধু কি?বন্ধু হল এক আত্তার দুটি শরীর।প্রত্তেকের জীবনে  বন্ধু খুবই দরকার ।বন্ধু এমন একজন মানুষ ।অনেকসময় আমরা আমরা আমাদের কাছের বন্ধুটির কাছে অনেক কিছু শেয়ার করিনা ।

লজ্জায় নিজেকে আবদ্ধ করে রাখি । যদিও পিতা মাতা আমাদের অনেক আপন এবং কাছের মানুষ, তবুও অনেক বিষয় তাদের সাথে সবসময় শেয়ার করা যায়না । অথচ একজন বন্ধুর কাছে সকল বিষয় অকপটে বলা যায় ।সবকিছু গোপন  অতি গোপন  রাখাই একজন প্রকৃত বন্ধুর লক্ষন। একজন প্রকৃত বন্ধুকে কতগুলো  বিষয় মেনে চলতে হবে। নিচে তা তুলে ধরা হলঃ

১.কখনোই বিশ্বাস  ভেঙে দিবা না ।যদি তুমি তোমার বন্ধুকে বিশ্বাস কর আর তুমি তোমার  তাকে তাহলে কখনোই এমন কাজ করবানা যেন বন্ধুর সামনে কৈফিয়ত  এর  মুখে না দাড়াতে  হয়।

২. বন্ধুর বিপদে বন্ধুর পাশে থাকার চেস্টা কর।শুধুমাত্র সুখের দিনগুলোতে  নয় বরং কষ্টের  দিন এও বন্ধুর পাশে সবসময় থাকা।

৩. বন্ধু এমন একজন মানুষ তার সাথে সকল বিষয় খুব সহজে শেয়ার করা যায়।        ৪.স্বার্থপর হওয়া  সবচেয়ে খারাপ জিনিস।তাই কখনো  নিজের স্বার্থের জন্য  বন্ধুকে ব্যবহার  করবেনা।

৫.একজন ভালো মানুষ এবং একজন ভাল বন্ধু পাওয়া বেশ কঠিন কাজ। তাই বাকি সকল মানুষ থেকে নিজেকে ভিন্ন করে একজন ভাল মানুষে এবং একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

৬.বন্ধুকে সবসময় সৎ উপদেশ দাও এবং সবসময় সম্মান কর।

একজন প্রকৃত বন্ধু পাওয়া খুবই ভাগ্যর ব্যাপার । তাই সময় থাকতে বন্ধুর গুরুত্ত দিতে শিখুন।তাকে সময় দিন । তার কথাগুলু শুনুন।তাকে সাহায্য  করুন।

Advertisement
25 Comments

25 Comments

  1. Md Ahsan Habib

    Md Ahsan Habib

    February 1, 2020 at 8:18 am

    nice.

  2. Mizanur Rahman

    Mizanur Rahman

    February 2, 2020 at 8:05 pm

    বন্ধু ও বন্ধুত্ব উভয়টা বেচে খাকুক

  3. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    February 13, 2020 at 6:28 pm

    darun post

  4. firoz alam niloy

    firoz alam niloy

    March 23, 2020 at 9:18 am

    gd

  5. Md.Nayeem islam

    Md.Nayeem islam

    March 25, 2020 at 10:03 pm

    Good

  6. Maria Hasin

    Maria Hasin

    March 25, 2020 at 11:48 pm

    ধন্যবাদ

  7. Jowel Das Provas

    Jowel Das Provas

    March 28, 2020 at 11:20 am

    Sera likha

  8. Mohammad Ariful Islam

    Mohammad Ariful Islam

    April 2, 2020 at 3:55 pm

    ধন্যবাদ।
    🙂

  9. Md. Jahid

    Md. Jahid

    April 12, 2020 at 9:33 pm

    Well writing

  10. Ummaryhana Liya

    Ummaryhana Liya

    April 16, 2020 at 7:43 pm

    খুব সুন্দর

  11. Partha Kumar

    Partha Kumar

    April 25, 2020 at 6:42 am

    Nice

  12. Dolon Kumar

    Dolon Kumar

    April 26, 2020 at 7:18 am

    ঠিক বলছো

  13. Md Alamin

    Md Alamin

    April 28, 2020 at 5:11 am

    Good

  14. Shanjida Islam

    Shanjida Islam

    May 2, 2020 at 7:26 pm

    Good

  15. Anu Mou

    Anu Mou

    May 8, 2020 at 5:16 am

    Right

  16. Md Rafin Khan

    Md Rafin Khan

    May 11, 2020 at 10:33 am

    nice

  17. Maruf Ahmed

    Maruf Ahmed

    May 13, 2020 at 10:12 pm

    Awesome

  18. Tawsif Apon

    Tawsif Apon

    May 15, 2020 at 1:11 am

    Good script

  19. Rimi

    Rimi

    May 17, 2020 at 10:13 pm

    👍👍👍👍

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

মুক্ত মতামত

আমরা মধ্যবিত্ত! করোনা থেকে লড়াইয়ে জিতলেও,অর্থের লড়াইয়ে জিততে পারবো কি ?

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

করুনার ভাইরাসের কবলে পড়ে পুরো পৃথিবী স্তব্ধ। সারা বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান কলকারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত সবকিছুই বন্ধ। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। মাত্রই এই দুই-তিন মাসে পুরো অর্থনীতি চাকা উল্টোপথে ঘুরতে শুরু করেছে। জানিনা এর ভবিষ্যৎ কি হবে?

ইতিমধ্যেই ভয়াবহ ধ্বংসের মুখে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতির অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ বিশ্ব অর্থনীতি এখন বেহাল অবস্থা। আরেকটি সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে চাকরির বাজার। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর মতে,কোন ভাইরাসের এই মহামারীর কারণে সমগ্র বিশ্বে প্রায় ৭ কোটি মানুষ চাকরি হারাবে। যদি আমরা বাংলাদেশের দিকে তাকায় তাহলে এর করুন অবস্থা আমরা দেখতে পায় অলরেডি বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে।

বিশ্বের অর্থনীতিবিদ বিশ্লেষকেরা বলছেন, করোনা ভাইরাস এর এই মহামারি’র কারণে যত ধরনের অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি হবে তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে মধ্যবিত্তদের উপর। আপনারা নিজেরাই একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা।

এরা না পারে কারো কাছ থেকে সাহায্য চাইতে,না পারে মুখ খুলে কিছু বলতে। সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চবিত্তদের জন্য প্রণোদনা দিচ্ছে,গরীব মানুষেরা কিছুটা হলেও আর্থিক সাহায্য পাচ্ছে কিন্তু মধ্যবিত্তদের কথা ভাবার কেউ নেই?

এই করুন পরিস্থিতিতে হঠাৎ উপার্জন বন্ধ হওয়া তার ওপর আরো বাড়িওয়ালাদের বাড়তি বাসা ভাড়ার চাপ। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। অবশ্যই ঢাকা শহরের অনেক মানবিক বাড়িওয়ালা তাদের বাড়া মকুব করেছেন কিন্তু তারা কতজন? প্রয়োজনের তুলনায় তারা খুবই সামান্য। একইভাবে সব বাড়িওয়ালাদের বাড়ি ভাড়া মওকুফের জন্য কেউ অনুরোধ করছে না। আমরা অনেক পরিবারকে দেখেছি যারা বাসা ভাড়া দিতে না পেরে নির্যাতিত হয়ে বসা থেকে তাদের বের করে দেয়া হয়েছে।

আর কতদিন? হয়তো আমরা এক সময় খেতে না পেয়ে মরে যাবো। বিভিন্ন মিডিয়ায় এবং পত্র-পত্রিকায় বড় বড় করে হেডলাইন চাঁপা হবে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে বা বড় কোনো অসুখে মারা গেছে।

কারণ আমি নিজেই মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। এই মধ্যবিত্তের ব্যাস ও ব্যাসার্ধ আমি ভালো করেই বুঝি।

Continue Reading

মুক্ত মতামত

একটা বাজে মেয়ের সন্ধানে

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

শুভেচ্ছা বন্ধুরা, আজকে আমি এই লেখাটি লিখছি একটা বাজে মেয়ের সন্ধানে। আজকে আমি সমাজে সেই বাজে মেয়ে গুলো নিয়ে কথা লিখব।

আপনারা কখনো ভেবে দেখেছেন,নিজের ঘরের মেয়েকে যদি কেউ বাজে বলে, তাহলে হবে সর্বনাশ কিন্তু পাশের বাড়ির মেয়েকে বাজে কথা বলা যাবে। পাশের বাড়ির মেয়েটা যদি বাজে হয় তাহলে সেটা একটা বিনোদনের মত বিষয় তাই না?

এজন্য তো আমাদের সমাজে সেই বাজে মেয়ে গুলোকে নিয়ে বারবার কথা ওঠে,চুপি চুপি বদনাম করে,বলে সেই মেয়েটা একদম ভালো না, বাজে মেয়ে একটা।

বাজে মেয়ে কাকে বলছি আমরা?

আমাদের এই সমাজ,রাষ্ট্র মেয়েদেরকে বড় যেভাবে দেখছে,পুরুষতান্ত্রিক সমাজ যেভাবে মেয়েদেরকে বড় হতে শিখিয়েছে,তার বাহিরে গিয়ে কোন মেয়ে কি কিছু একটা করে বসলে তখন বলা হয় বাজে মেয়ে। সমাজ সেসব বাজে মেয়েকে একটা বিশাল বড় সংজ্ঞা দিয়ে দেয়।

এমন কিছু বাজে মেয়ে আছে,সমাজে যাদের নিয়ে সিনেমা হয়, যাদের নিয়ে গল্প হয়, এবং হাজার হাজার মেয়ে সেই বাজে মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হয়ে তারা নিজে বাজে মেয়ে হতে চেষ্টা করে।

 এই লেখাতে যদি কোন বাজে মেয়ে বাজে ছেলেকে চাও বা কনো বাজে ছেলে যদি বাজে মেয়েকে চাও তাহলে এই কবিতাটি তোমার জন্য…

                    “একটা বাজে মেয়ের সন্ধানে”

                     এমনই একটা বাজে মেয়ে চাই

যার গায়ে চরিত্রহীনতার তকমা লেগে আছে।

       পাড়ায় ছেলে-চোকড়াদের আড্ডায় সাইজ নিয়ে অনেক কোথায় হয়

           কিন্তু সামনে এসে দাঁড়ালে মাথা নিচু করে নেয়।

       কাকিমারা এর বাড়ি ওর বাড়ি গেলে যার চাল-চলন হয়ে যায় 

                         হট টপিক…

               অথচ কারোর তাকে বলার সাহস নেই

         বুড়ো বামগুলো যার জামা কাপড়ের দিকে হা করে

     তাকিয়ে লালা ফেলতে ফেলতে সেটাকে আলোচনার বিষয় বানিয়ে

                 দেশের ভালোর কথা বলে…

        পাড়ার অন্যান্য মেয়েরা যে মেয়েটার স্বাধীনতার প্রতি 

                      হিংসা করে।

             এমনই একটা বাজে মেয়ে চাই….

                 এমনই একটা বাজে মেয়ে চাই 

               যে মেয়েটা রাত করে বাড়ি ফেরে,কাজ থেকে..

                    ইচ্ছে মতন ঘুরে বেড়ায়,

                     বাইরে রাত কাটায়,

                 একলা চলতে ভয় করে না।

                   নিজের মতোই থাকে,

                   কারোর ধার ধারেনা।

            যে প্রতিটা কথায় সপাটে জবাব দেয়

                    খিস্তি খেউর করে

                   সব যুক্তি দিয়ে মাপে।

              হকের জিনিষ ছিনিয়ে নিতে জানে।

                পিছুু হটা যার স্বভাব নেই ।

                এমনই একটি বাজে মেয়ে চাই….

              যার চোখে কাজল না থাকলেও চলবে

                      তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকুক।

              যার হাতে চুরি না থাকলেও চলবে

                     কলম থাকুক।

              যার ঠোঁটে লিপস্টিক না থাকলেও চলবে

                    উলঙ্গ সত্যতা থাকুক।

             যে মেয়েটা ঠাকুর ঘরে পুজা দেয়না

                    যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়।

               যে মেয়েটা রান্না ঘরে রান্না করেনা 

                   মানুষ গড়ার দায়িত্ব নেয়।

               যে মেয়েটা অন্যায় হলে চেঁচায়

                   প্রতিবাদী হয়ে দাঁড়ায়,

                 লড়াই করতে জানে…।

                 এমনই একটি বাজে মেয়ে চাই….

               আমি দেখতে চাই তার বুকের ভেতর

                    দেশলাই কাঠি জ্বেলে

                কতটা লাভা ফুঁটছে তার ভেতর।

              এ জীবন সংগ্রাম,সংসার নয়,

               তাই এখানে সহধর্মিনী নয়

              এমনি এক সহ যোদ্ধা চাই

             একসাথে লড়াই করবো না হয়।

                                      – নিঃস্বার্থ পথিক

Continue Reading

মুক্ত মতামত

নীল আকাশের পরি যাকে কোন দিন ভোলা যায় না

Md Asadullah

Published

on

আমি সেদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছি এই সময় আমাকে কেউ আসাদুল আসাদুল বলে ডাকছিলো।আমি পিছনে ফিরে তাকায় দেখি একটা সুন্দর মেয়ে আমাকে ডাকছে।মেয়েটাকে দেখতে একদম নিল আকাশের পরির মতন লাগছিলো।মেয়েটি পরে ছিল একটা নীল রঙের জামা।দেখতে অনেক সুন্দরর লাগছিলো।আমি দেখেই প্রেমে পরে যায়।তার পর আমি দাঁড়িয়ে যাই। আমি মেয়েটার কাছে জিজ্ঞেস করলাম কে তুমি আর আমাকে নাম দরে ডাকছো কেনো।মেয়ে টা বললো আমি হলাম নিশি আর আমি তোমাকে চিনি তুমি আর আমি এক বয়সী।একই ক্লাসে পড়ি।এখন চলো আমি তোমাদের বাড়ি যাব। আচ্ছা নিশি তুমি কে আর আমমাকে চেনো কি ভাবে।আমি তোমার মামার স্ত্রীর বোনের মেয়ে।আর তুমি আমাকে চেনো কি ভাবে।তোমার মামার বিয়ের সময় আমি তোমাকে দেখেছি। কিন্তু তুমি আমাকে এক বার খেয়াল করো নি।এখন চলো তাহলে।আমি একবার দেখেই নিশির প্রেমে পড়ে যাই।ওকে না দেখে যেনো থাকতে পারছি না। আমি লুকিয়ে লুকিয়ে ওকে দেখছি।আর একবার দেখার সময় আমি ধরা খেয়ে যাই। ওকে দেখছি এমন সময় ও আমার দিকে তাকায়।আমাদের দুজনের চোখে চোখ পড়লে আমি একটু ভয় পাই ও যদি কিছু বলে।কিন্তু ও কিছু বললো না। কিছুক্ষন পর ও আমাকে জিজ্ঞেস করে তুমি সে সময় আমার দিকে তাকিয়ে ছিলে কেনো।

আমি বললাম আমি তোমাকেই দেখে ভাল বেসে ফেলিছি।আমি তোমাকে প্রথম দেখেই পছন্দ করছি।নিশি শুনে কিছু বললো না। আমি বাড়ি গেলাম মা আমাকে দেখে আর আমার সাথে নিশি দেখে জিজ্ঞেস করলো কে ও আর তোর সাথে কি করছে। আমি মাকে সব বুঝিয়ে বললাম।মা বললো আমার তো কোন মেয়ে আজ থেকে ও আমার মেয়ে। রাতে নিশি এসে আমাকে ডেকে ছাদে নিয়ে গেলো।তুমি আজ স্কুল থেকে আসার সময় যে কথা টা বলেছো।আমার ব্যাপারে কিছু না জেনেই এটা বলা তোমার ঠিক হয় নি।তাহলে তুমি বলো তুমি কে।আমার কোন মা নেই। আমি বললাম আমি জানি সেটা। আমি আমার বাড়ি থেকে নেমে এসেছি।আমি জানি সেটা মামা আমাকে সব বলেছে।আমি জানতাম তুমি আসলেই এখানে আসবে।এখন আমার উত্তর দেও।আমি তোমাকে ভালবাসি।এবার নিশি তোমার উত্তর দেও।নিশি বললো আজ না কাল রাতে। পরের দিন আমি স্কুল থেকে এসে কোথাও দেখলাম না। আমি সারা বাড়ি খুজে দেখলাম।ও কোথাও নেই।এর পর আমি আর কিছু খেলাম না আমি সোজা গিয়ে শুয়ে পড়লাম।আমি ঘুমিয়ে পড়ি।আমাকে কেউ ঘুম থেকে ডেকে উঠাল।আমন  চেয়ে দেখি নিশি।আমাকে বললো ছাদের উপর চলো।তোমার উত্তরটা দিবো।আচ্ছা চলো বলে ওর সাথে ছাদে গেলাম।ও বললো আমি তোমাকে ভালবাসি। আমি তোমাকে প্রথম যেদিন দেখে ছিলাম সেদিনই আমি তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি।আমি বললাম আমি আজ খুব খুশি।






Continue Reading