বাংলাদেশে ধর্ষণ যে কারণে হয়।

সাম্প্রতিক বিশ্ব যখন কোভিড-১৯ নিয়ে মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছে তখন বাংলাদেশ পরিচিত  হচ্ছে নতুন এক মহামারি, ধর্ষণের  সাথে। যেদিকে দুচোখ  যায় শুধু  ধর্ষণের চিত্র  এসে পড়ে। এই ধর্ষণের শিকার হচ্ছে নারী, শিশু সকলে। বিশ্ব মহল যখন করোনার ভ্যাকসিন এর মাধ্যমে বাঁচার স্বপ্ন  দেখছে করোনাভাইরাস থেকে  তখন  কিনা বাংলাদেশের নারী মহল আক্রান্ত হচ্ছে রেপ-২০ এর সাথে। কোভিড-১৯ এর কবলে পড়ে  বিশ্ব অর্থনীত ধসে পড়েছে। অপরদিকে  রেপ-২০ তে আক্রান্ত নারীদের জলাঞ্জলি দিতে হচ্ছে তাদের সতীত্ব  ও নারীত্বকে। এ থেকে বাচার উপায়???? নাকি বাংলাদেশও আবিস্কার করবে রেইপ ভ্যাকসিন!!!

বলছিলাম রেপ কেন হয়। মূলত পুরুষদের দ্বারায় রেপ সংগঠিত হয়ে থাকে। শুধু কি পুরুষের জন্যেই ধর্ষণ হয়ে থাকে??গ্রাম্য প্রবাদে আছে বিনা বাতাসে নদীর পানিও লড়েনা। বেহায়াপনা আর অশ্লীলতা হচ্ছে রেপের মূলমন্ত্র। কি, চমকে গেলেন!!

হ্যাঁ, এর জন্যে সংগঠিত হচ্ছে অহরহ রেপ। পশ্চিমাদের মতো আমাদের দেশেও এখন দেহ প্রদর্শন চর্চা লক্ষণীয়। আধুনিকতার নামে নারীরা এখন তাদের দেহকে বানিয়ে ফেলছে  বাজারের প্রডাক্ট। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিশেষ করে ফেসবুকে নিজেদেরকে পরিচিত করতে ফলোয়ার, লাইক, কমেন্ট পাওয়ার 

আশায় আপলোড করছেন নগ্নতায় ভরা সফটকোর এবং হার্ডকোরের মতো অশ্লীল ছবি। তাদের  এসব অশ্লীল পোস্টগুলো  যুব সমাজকে  ধর্ষণের দিকে প্রভাবিত করে। মেয়েরা হয়ত বলবেন স্বাধীন দেশে বসবাস করি, যা মন চাই তাই করব। আপনারা কি ভাবছেন দেশে শুধু হিজড়ার বসবাস??? রাস্তায়  বাসি খাবার পড়ে থাকলে কুকুর আসবে  এটায় স্বাভাবিক!!!! বড় বড় ধর্ষক যাদের দ্বারা তৈরি হচ্ছে হাজারো রেইপ প্লাটফর্ম, যারা ছড়িয়ে দিচ্ছে রেইপ ভাইরাস!! সেই মড়েল তারকারাই হচ্ছে তাদের নৈতিক আদর্শের বাহক। কি, চমকে গেলেন আবারো!!!!! বলতে পারেন তাদের     এই সুকর্মের জন্যে তো সরকারিভাবে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সরকার?? কিন্তু সরকার তো ধর্ষণ নির্মূল করতে নানান প্রদেক্ষপ গ্রহণ করছেন এবং ধর্ষকের জন্যে আইন রদবদল করে সর্বোচ্ছ শাস্তি ফাঁসি কার্যকর করছেন। তাহলে আমাদের সরকারের  অবস্থা কি লেফাফাদুরস্থির মতো??

এইতো সঠিক জায়গায় ঢিল মারতে পেরেছেন। কিভাবে রক্ষা পাব এই মহামারি থেকে??? এ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের অবশ্যই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে এবং সকলে সাধ্য অনুযায়ী ইসলামী জিন্দেগী গড়ে তুলতে হবে। পরিশেষে বিদ্রহী কবির সাথে একাগ্রতা পোষণ করে বলবো:

কোন কালে হয়নিতো ধর্ষণ শুধু পুরুষের কাম্য দোষে

উৎসাহ দিয়েছে সাড়া দিয়েছে কলংক সতী নারী।

পরিশেষে বলতে পারি ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে হলে সর্ব প্রথম আমাদের মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়ে হবে। নারীদেরকে যথাযত সম্মান দেখাতে হবে। আর নারীদেরকে বলছি আপনারাও আপনাদের চাল চলন চলা ফেরা উঠা বসা বদলান। তবেই বদলে যাবে সমাজ বদলে যাবে বাংলাদেশ বদলে যাবে এ ধরণী।

Related Posts

45 Comments

  1. শেষের কথাগুলো ঠিক আছে বাট উপরে মেয়েদের চলাফেরা এবং পোশাক নিয়ে যেভাবে বলছেন তাতে মনে হচ্ছে বাহিরের দেশে মেয়েরা ছোট ছোট পোশাক পড়েনা। তাহলে তো ওসব দেশে প্রায় সবাই-ই ধর্ষিত হতো।

    1. ঘুরে ফিরে মহিলাদের দোষ দিতেই হবে কি? আর বাংলাদেশ তো পাকিস্তান না, এখানে অনেক অন্য ধর্মের মানুষ আছে। শাস্তি এর বিকল্প কিছু নাই।

      1. কথাখানি সত্যিই।নারী সকল দোষে দুষ্ট। যত দোষ নন্দ ঘোষ। এটাও ঠিকই কিছু মেয়ে আছে তাদের আচরণ দেখলে মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করে।

  2. ধর্মীয় অনুশাসন পর্যাপ্ত নয়,যতক্ষণ না মানসিক উন্নতি হয়।আর শুধু পোশাক কে প্রাধান্য দেওয়া বোকামি, ছোট ছোট শিশু ধর্ষিত হচ্ছে।আর বেশিরভাগ ধর্ষক ততাকতিথ ভদ্র সমাজপতিরা।

    একটু খোজ নিয়ে দেখেন

  3. অশ্লিলতা ধর্ষণের একটি কারন এতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু আমি মনে করি, এটাই শুধু মাত্র কারন নই। কারন অনেক পর্দানশীলা নারি সমাজে ধর্ষিত হচ্ছে, অনেক শিশু ধর্ষিত হচ্ছে। আমি মনে করি, পুরুষ হোক বা নারি, আমি স্বাধীন যা ইচ্ছে করতে পারি, জেভেবে ইচ্ছে চলতে পারি,আমরা মুক্ত ইত্যাদি মনোভব বুকে ধারন করা আর একটি অন্যতম কারন ধর্ষণের জন্য। ধর্ষণের জন্য দায়ী প্রতিটি কারন আমাদের খুজে বের করতে হবে এবং উপযুক্ত বেবস্থা নিতে হবে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে। এটা এখন সময়ের দাবি।

  4. পোষাক কখনোই নারী ধর্ষণের মূল কারণ হতে পারে না। বোরকা পরিহিতা অসংখ্য মা/বোন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এ ব্যাপারে কী বলবেন?
    এগুলো এখন বাড়াবাড়ি!!

    পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষদের মানসিকতার বদল আবশ্যক। তবে তালি তো এক হাতে বাজে না। তাই, মানসিকতা বদলানো আবশ্যক!

মন্তব্য করুন