Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

দেশের খবর

বাড়ছে নারী মাদকসেবীর সংখ্যা, মাদক গ্রহণে এগিয়ে ঢাকা

Published

on

সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে মাদকদ্রব্য গ্রহণ, মাদকব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টতা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সারা দেশের উপর একটি জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায় প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে নারী মাদকসেবীর সংখ্যা। স্কুল কলেজ ভার্সিটি পড়–য়া মেয়েরা এ মাদকের সাথে বেশি জড়িত। উচ্চবিত্ত পরিবারের স্বাধীনচেতা নারী থেকে শুরু করে বস্তির শ্রমজীবি নারীরাও আসক্ত হয়ে পড়ছে মাদকের সাথে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের একটি গবেষণা থেকে জানা যায় দেশে বর্তমানে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৭০ লাখ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ মাদকাসক্ত হলো নারী। এবং দিন দিন নারী মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ইদানিং রাজধানী ঢাকার কিছু অভিজাত এলাকার সড়কে , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে, ক্যান্টিনে, পার্কে এমনকি ফুটপাতের টঙ দোকানে দাঁড়িয়েও অনেক মেয়েকে ধুমপান করতে দেখা যায়। এছাড়া এদের মধ্যে অনেকেই গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকের সাথে জড়িত। এসব মাদক সেবীর বেশিরভাগই শিক্ষিত এবং স্মার্ট। বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি চালাতে গিয়ে একরকম ঝোঁকের মধ্যেই তারা জড়িয়ে পড়ছেন মাদকের সাথে। তাছাড়া আড্ডায় বসে অনেকের সাথে নিজে মাদক গ্রহণ না করাটা প্রেস্টিজ ইস্যু মনে করে অনেক মেয়ে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছেন। তবে বস্তি অঞ্চলের নারীরা কিংবা শ্রমজীবি অনেক নারী পাারিবারিক ও পারিপাশির্^ক অভ্যাসের কারণে অনেকটা স্বাভাবিকভাবেই মাদকাসক্ত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গবেষণায় আরও প্রকাশিত হয় যে সারাদেশের ৮টি জেলার মধ্যে মাদক সরবরাহের দিক থেকে এগিয়ে আছে সিলেট জেলার মানুষ। সবচেয়ে বেশি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বরিশাল জেলার মানুষ। আর সবচেয়ে বেশি মাদক গ্রহণ করেন রাজধানী ঢাকার মানুষ। এছাড়া মোট মাদকাসক্তের ২৫% মাদকসেবী হলো শিশু। এদের বয়স ১৫ বছরের মধ্যে। এবং এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রাজধানী ঢাকায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায় মাদকসেবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হচেছ গাঁজা ও ইয়াবা। এর মধ্যে ঢাকার মাদকসেবীরা বেশি গ্রহণ করেন ইয়াবা। বরিশালের মাদকসেবীরা সবচেয়ে বেশি গ্রহণ করেন গাঁজা। রংপুরের মাদকসেবীরা সবচেয়ে বেশি গ্রহণ করেন ফেনসিডিল ও রাজশাহীরা মাদকসেবীরা গ্রহণ করেন হেরোইন। সারা দেশে যে পরিমাণ গাঁজা ও ইয়াবা গ্রহণ করা হয় তার ৬৮.২ শতাংশ গাঁজা ও ৪৮.২ শতাংশ ইয়াবা। জরিপে দেখা যায় বেশিরভাগ মাদকসেবীদের বয়স ১৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। মাদকের পিছনে তাদের গড় খরচ মাসিক হিসেবে ১৭ হাজার টাকার উপরে। জানা যায় দেশের ভিতরে মাদক আসে সবচেয়ে বেশি পার্শ¦বর্তী দেশ ভারত থেকে। তারপর মায়ানমার থেকে। মাদকসেবীরা সাধারণত খোলা মাঠে, ভাঙ্গা ও পরিত্যাক্ত বাড়িতে, নিজের বাড়িতে কিংবা কোনো নির্জন স্থানে গিয়ে মাদকসেবন করেন। এই মাদক গ্রহণের কারণ একেক জনের কাছে একেক রকম। শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে চাকরি না পাওয়া, প্রেমে ব্যর্থতা, পারিবারিক অশান্তি ইত্যাদি কারণ চিহ্নিত করা যায়। বাংলাদেশী মাদকসেবীরা সাধারণত মাদক গ্রহণের ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত মাদক পুরোদমে চালিয়ে যান। তারপর কিছু সংখ্যাক ছেড়ে দেন এবং কিছু সংখ্যক মাঝে মাঝে এবং কিছু সংখ্যাক পুরোদমেই মাদকগ্রহণে নিয়মিত হয়ে যান। পরিবহণ শ্রমিকদের বেশিরভাগই প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ মাদকের সাথে জড়িত।

Advertisement
Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

দেশের খবর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র।

Published

on

প্রাকৃতিক গ্যাস: ভূপৃষ্ঠ হতে বিভিন্ন গভীরতায় শীলা স্তর এর মধ্যে সঞ্চিত পেট্রোলিয়াম খনিজ তেলের উপরি ভাগে যে মিশ্রণ পাওয়া যায় ,তাকে প্রাকৃতিক গ্যাস বলে।

গ্যাস ক্ষেত্রের অবস্থান: বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল যেমন – বৃহত্তর সিলেট,কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।২৪/১০/১৭ তারিখের প্রকাশিত সংবাদ মতে ভোলা জেলার শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র থেকে তিন কিলোমিটার পূর্ব দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টগরি ইউনিয়নে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।এটিতে প্রাথমিক ভাবে ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আছে জানা গেছে।সুতরাং ২০১৭ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র হলো মোট ২৭ টি।এছাড়া দেশের সমুদ্র সীমায় কিছু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।তবে এসব প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রে মজুদ গ্যাসের পরিমাণ নিশ্চিত করা যায়নি।বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের অবস্থান এবং বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাসের সম্ভাব্য মোট পরিমাণ, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এবং ২০১১ সাল পর্যন্ত উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ও অবশিষ্ট উত্তোলন যোগ্য গ্যাসের পরিমাণ বিলিয়ন কিউবিক ফিট, বি.সি.এফ এককে দেখানো আছে।তবে এরপর প্রায় প্রতি বছর কোনো না কোনো নতুন গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে।ফলে উল্লেখযোগ্য রিজার্ভ গ্যাসের পরিমাণ এবং উত্তোলনের পরিমাণ প্রতি বছর বাড়ছে।গ্যাস উৎপাদন এর জন্য বাংলাদেশকে মোট ২৩ টি ব্লকে বিভক্ত করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান :- প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিভিন্ন হাইড্রোকার্বন।এছাড়া উচ্চতর কিছু হাইড্রোকার্বন বাষ্প এতে থাকে।পৃথিবীর কোনো কোনো গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাসে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস থাকে।এটি খুবই দুর্গন্ধ যুক্ত এবং এর উপস্থিতি গ্যাসের মান নিম্নমুখী করে।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় শতকরা (আয়তনে) ৯৩.৬৮% – ৯৮% মিথেন থাকে;এবং এতে হাইড্রোজেন সালফাইড প্রায় অনুপস্থিত।সুতরাং বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস অত্যন্ত উচ্চমানের।

প্রাকৃতিক গ্যাসের শ্রেণীবিভাগ : প্রাকৃতিক গ্যাসের তরল হাইড্রোকার্বন বা উচ্চতর হাইড্রোকার্বনের { সি৫ – সি১৬ } বাষ্পের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাকৃতিক গ্যাস ২ প্রকার।যেমন :-
(১) শুষ্ক প্রাকৃতিক গ্যাস ও
(২) আদ্র প্রাকৃতিক গ্যাস।

*শুষ্ক প্রকৃতি গ্যাস : শুষ্ক প্রকৃতি গ্যাসের নলকূপে তরল পেট্রোলিয়াম থাকেনা । এতে সবচেয়ে বেশি মিথেন গ্যাস থাকে।সিলেটের রশিদপুর এর প্রাকৃতিক গ্যাসের ৯৮%
“সি-এইচ ৪” আছে ।

*আদ্র প্রাকৃতিক গ্যাস : আদ্র প্রকৃতি গ্যাসের নলকূপে তরল পেট্রোলিয়াম থাকে।তাই আদ্র প্রাকৃতিক গ্যাসের তরল উচ্চতর হাইড্রোকার্বন ।যেমন :- পেন্টেন্,হেক্সেন,
হেপ্টেন ইত্যাদির বাস্প মিথেনের সাথে থাকে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যাবহার : প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রোকার্বন হাওয়ায় একে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাবহার করে রসায়নিক শিল্পে অনেক অজৈব যৌগ উৎপাদন করা হয়। উন্নত দেশ সমূহে পেট্রো কেমিক্যাল একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত,যেখানে প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেল হতে অনেক যৌগ উৎপাদন করা হয়।তবে বাংলাদেশে এধরনের শিল্প এখনো গোড়ে উঠে নি।

∆(১) শিল্পক্ষেত্রে শুধু ইউরিয়া সার তৈরিতে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। চট্টগ্রামে এবং সিলেট এর ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত মোট ৭ টি কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস হতে ইউরিয়া সার উৎপদিত হয়।বাংলাদেশে কৃষি ক্ষেত্রে এ ইউরিয়া ব্যবহার অধিক ফসল উৎপাদনে প্রচুর সাফল্য এনে দিয়েছে।
২০১৬ সালের জানয়ারিতে ১৩.৬০ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ আছে।

∆(২) জ্বালানিদ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন ২৭৩৩.৬ মিলিয়ন ঘনফুট [এম .সি .এফ ] গ্যাস উত্তোলন এবং ৪৯ টি স্থান থেকে এ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।দেশের গ্যাস চাহিদা ৩১% পূরণ করছে তিতাস গ্যাস ফিল্ড।

∆(২) বর্তমানে প্রতিদিন ১২৪৯.১ বি.বি.এল
তরল কনডেন্সেট উৎপাদন করা হচ্ছে। এ কনডেন্সেট পরিশোধন করে পেট্রোল,কেরোসিন,ফার্নেস অয়েল,লুব্রিকেন্ট অয়েল ইত্যাদি উৎপন্ন করা হয়।বিভিন্ন শিল্প খাতে এসব জ্বালানি রূপে ও মেশিনের লুব্রিকেন্ট রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে।

Continue Reading

দেশের খবর

ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া যৌক্তিক কি না-

Published

on

কিছুদিন আগে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার হত্যাকাণ্ডের পর থেকে একটি দাবি এবং প্রশ্ন বার বার শোনা যাচ্ছে। প্রশ্নটি হলো ‘ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া যৌক্তিক কি না’,, সে প্রশ্নের জবাবে নিঃসন্দেহে বলবো ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তবে কিছু কিছু জায়গায় ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল কলেজ পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত। মেডিকেল এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে দেশ গড়ার, মানুষের সেবা করার কারিগর তৈরী হয়। সেখানে রাজনীতি করলে তাদের লেখাপড়া বাধাগ্রস্ত হবে। কারণ একসাথে দুটো কাজ কখনোই ভালো ফল নিয়ে আসে না। আর স্কুল কলেজ গুলোতে আজকাল ছোট ছোট ছেলেরা রাজনীতির সাথে জড়িয়ে খারাপ কাজ করছে। তারা রাজনীতিটাকে ক্ষমতা হিসেবে ব্যবহার করে তৈরী করছে বিভিন্ন গ্যাং! যা যুবসম্প্রদায় ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। একারণে আমি বলবো ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি এবং স্কুল কলেজ পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা হোক। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্ররাজনীতি বহাল থাকুক। অবশ্যই ছাত্র রাজনীতির দরকার আছে। ছাত্র রাজনীতি না থাকলে ছাত্রছাত্রীরা জিম্মি হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বলার কেউ থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল শিক্ষকরা নিজের ক্ষমতা খাটাতো ছাত্রছাত্রীদের উপর। একারণে আমি মনে করি ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন আছে তবে শুধুমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে।

আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এত বড় নেতা হয়েছেন ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে, তারই সুযোগ্য কন্যা আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এসেছেন ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ সম্পর্কে তিনি বলেন ” একটি ঘটনার জন্য পুরো ছাত্ররাজনীতি বন্ধ কোন সমাধান নয়, বুয়েট প্রশাসন চাইল সেখানে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে পারে, তবে সারাদেশে বন্ধ করা অযৌক্তিক”। তিনি ছাড়াও আরো অনেক বড় বড় নেতা আজ সফল রাজনৈতিক নেতা হয়েছেন শুধুমাত্র ছাত্ররাজনীতির কারণে এবং তারা সফলভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, তাদের সময় ছাত্ররাজনীতি হতো শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য। বর্তমান সময়ে ছাত্ররাজনীতি করা হয় আধিপত্য বিস্তারের জন্য। আমি আহ্বান করব যারা ছাত্ররাজনীতির সাথে যুক্ত তারা যেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে আদর্শ মানে। কেননা তিনি রাজনীতি করেছেন মানুষের অধিকার আদায়ে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বেশকিছু ছাত্র সংগঠন সক্রিয়। তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে তারা যেন সবসময় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ে কথা বলেন। আর যেহেতু বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতি রয়েছে তাই ছাত্র সংগঠনদের নিয়ে একটি ছাত্র সংসদ গঠিত হোক তাহলে প্রতিযোগিতামূলক ভাবে সব সংগঠন ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ে কাজ করবে। ছাত্রছাত্রীরা কখনোই কোন অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।

Continue Reading

দেশের খবর

বিবিএফ ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ সামিট ২০১৯

Published

on

বিবিএফ ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ সামিট ২০১৯ এবং বিবিএফ-এর ১০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ৩০/৯/২০১৯ ইং তারিখে হোটেল লা মেরিডিইয়ানে এক সামিট অনুষ্ঠিত হয় ।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রথান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি, মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডঃ এনামুর রহমান, এমপি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, এনডিসি মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।
যুক্তরাজ্যের মান্যবর রাষ্ট্রদূত রবার্ট ডিকসন, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা ডি অলিভিয়ারা, জুনিয়র, ডেমোক্র্যাটিকাল পিপলস রিপাবলিক কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত, রি সান হায়ন, ব্রুনাই-এর রাষ্ট্রদূত হাজী হারিস, মার্কিন দূতাবাসের মিস অ্যালিসন, রাশিয়ার দূতাবাসের কর্নেল ইয়ুরি, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ফেরদৌস, চলচ্চিত্র অভিনেতা রিয়াজ, প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী হায়দার হুসেন, এবং আরও অনেক শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবীরা গ্র্যান্ড সম্মেলন এবং প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অংশ নিয়েছিলেন।

বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) চেয়ারম্যান মাসুদ এ খান বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের উজ্জ্বল ক্রিয়াকলাপের সাথে একত্রিত হয়ে তাদের সদয় সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন!

বিবিএফ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য কিছু ব্যক্তিত্ব এবং সংস্থাকে সম্মানিত করেছে। সেই পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসাবে অভিনেতা ফেরদৌস, সেরা গায়ক হিসাবে বরেন্য সংগীত শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ, মহিলা উদ্যোক্তা হিসাবে রুবাবা দৌলা, সেরা রিয়েল এস্টেট সংস্থা হিসাবে কনকর্ড, এভিয়েশন ব্যবসায়ের জন্য গ্যালাক্সি ট্র্যাভেলস, গবেষণার জন্য ডঃ সাজ্জাদ হায়দার, আরএমজি ব্যবসায় রবিউল আলম ।

বক্তারা বলেছিলেন, ন্যাশন ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি উল্লেখযোগ্য যে, দ্রুত ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছে ।

উন্নয়নের সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকে মুগ্ধ করতে পেরেছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে এমন সেক্টরগুলি হল রেডি মেড গার্মেন্টস (আরএমজি), বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই), দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি বিপ্লব, পাশাপাশি রেকর্ড ব্রেকিং বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স এবং মহিলা ক্ষমতায়নের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে । এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে এ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জনটি তুলে ধরতে দারিদ্র্য নাটকীয়ভাবে ২০ শতাংশ কমেছে।

এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে বাংলাদেশ মিলিটারি অনেক দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অসমান্য অবদান রেখেছে ।

বাংলাদেশ যেহেতু সম্মিলিতভাবে এই খাতগুলিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছে, তাই বিশ্বব্যাপী আরও পরিচিতি এবং সুনামের সাথে বাংলাদেশকে নতুনভাবে উপস্থাপন ও ব্র্যান্ড করার সুযোগ এটি । আপনারা যেমন অবগত আছেন যে এই অর্জনগুলি উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশকে আরও বেশি করে স্বীকৃতি দেয় ।
প্রকৃতপক্ষে, বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নারীর ও যুবকদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি একটি সামাজিক ভারসাম্য তৈরির লক্ষ্যে গ্রামাঞ্চল এবং গ্রামীণ অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচনে, নিরক্ষরতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত বিস্তৃত জনহিতকর প্রকল্পে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির প্রচারের লক্ষ্যে কাজ করছে।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন