Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

দেশের খবর

বেকারত্বের অভিশাপ হতে মুক্তির উপায় কি?

Published

on

সারাবিশ্বে মত বাংলাদেশেও বেকারত্বের সমস্যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা। যেখানে বেকারত্বকে অভিশাপ হিসেবে ধরা হচ্ছে সেখানে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে জনগণের কাজের চাহিদার তুলনায় কর্মসংস্থান খুবই কম। বাংলাদেশের হিসেব অনুযায়ী একজন ছাত্র বা ছাত্রীকে প্রায় ১৭-১৮ বছর পড়াশোনা করতে হয়। ১৮ বছরের পড়াশোনার জীবন শেষ করে যখন সে চাকরির জন্য আবেদন করে তখন তার আবেদন পত্রের গুরুত্ব ই থাকে না। কেননা তার অভিজ্ঞতা নেই। তাহলে একটা মানুষ ক্যারিয়ারের ১৮ বছর পড়াশোনার পেছনে খরচ না করে নির্দিষ্ট বিষয়ে কোথাও কোর্স করলেই তো হয়! এত কষ্ট করে লেখাপড়া করার কোন প্রয়োজন ই পরে না সেক্ষেত্রে।

বেকারত্বের হার

বাংলাদেশের প্রায় ৪৪ লাখ তরুণ-তরুণী বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেকারত্বের হার ৪.৩০%। সবাই উচ্চশিক্ষিত হচ্ছে ভালো একটি চাকরির জন্য কিন্তু যখনি পড়াশোনা শেষে চাকরি পান না। তখনি হতাশায় পরে যান সকলে। কিন্তু কিছু তরুণ-তরুণী আছে যারা কৃষি খাতকে আরো আধুনিক করে দিচ্ছে ভালো চাকরি না পেয়ে। চাকরির অভাবে তারা নিজেরাই কর্মসংস্থান করে নিচ্ছে। কেউ ডেইরি ফার্ম দিয়ে সাবলম্বি হচ্ছে আবার কেউ কোনো কিছু চাষ করে। আমি তাদেরকেই বুদ্ধিমান বলবো। আর যারা চাকরি না পেয়ে হতাশায় ডুবে থাকে তারাই আসল বোকা।

বেকারত্ব বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিপুল বিপর্যয় বয়ে এনেছে। শিক্ষিত অনেক জনশক্তিও আজ দেশের বোঝা হয়ে আছে। যুবশক্তির অপচয় হচ্ছে বেকারত্বের মধ্য দিয়ে। বাড়ছে আত্মহত্যা সহ নানান সামাজিক অপকর্ম। এর প্রভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে খুব দ্রুত। মাথাপিছু আয় এবং জাতীয় আয় হ্রাসের মূল কারণ হলো বেকারত্ব।

বেকারত্বের অভিশাপ হতে দেশকে মুক্ত করতে কোনো সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বা পথ নেই। তবে দীর্যস্থায়ী পরিকল্পনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। বেকারত্বের সমস্যার সমাধান পেতে হলে আমাদেরকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন,কুটিরশিল্প ইত্যাদি দিকে নজর দিতে হবে।শুধু বড় বড় চাকরিবাকরির দিকে নজর থাকলে বেকারত্বের সমস্যা কখনোই সমাধান হবে না এদেশে।বাংলাদেশ সরকারের এদিকে নজর দেয়া উচিৎ। যাতে করে বাংলাদেশে বেকারত্বের সংখ্যা কমে যায় এবং দেশের মাথাপিছু এবং জাতীয় আয়ের পরিমাণ বেড়ে; দেশ আরো উন্নত হয়।

বেকারত্বের সমস্যা সমাধান সম্পূর্ণই নির্ভর করে রাজনৈতিক নেতৃত্ব আর সরকারের সদিচ্ছার উপর। সৎ এবং উদ্দ্যোগী নেতৃত্বই পারে একটা দেশের বেকারত্বের সংখ্যা অনেক আংশে কমিয়ে দিতে। উদ্দ্যোগী নেতৃত্বের কারণেই আমরা সল্প আয়াসে বিপুল পরিমাণ বেকারত্বের বোঝা থেকে মুক্ত হতে পারবো।

দেশের খবর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র।

Published

on

প্রাকৃতিক গ্যাস: ভূপৃষ্ঠ হতে বিভিন্ন গভীরতায় শীলা স্তর এর মধ্যে সঞ্চিত পেট্রোলিয়াম খনিজ তেলের উপরি ভাগে যে মিশ্রণ পাওয়া যায় ,তাকে প্রাকৃতিক গ্যাস বলে।

গ্যাস ক্ষেত্রের অবস্থান: বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল যেমন – বৃহত্তর সিলেট,কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।২৪/১০/১৭ তারিখের প্রকাশিত সংবাদ মতে ভোলা জেলার শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র থেকে তিন কিলোমিটার পূর্ব দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টগরি ইউনিয়নে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।এটিতে প্রাথমিক ভাবে ৭০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আছে জানা গেছে।সুতরাং ২০১৭ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র হলো মোট ২৭ টি।এছাড়া দেশের সমুদ্র সীমায় কিছু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।তবে এসব প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রে মজুদ গ্যাসের পরিমাণ নিশ্চিত করা যায়নি।বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের অবস্থান এবং বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাসের সম্ভাব্য মোট পরিমাণ, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এবং ২০১১ সাল পর্যন্ত উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ও অবশিষ্ট উত্তোলন যোগ্য গ্যাসের পরিমাণ বিলিয়ন কিউবিক ফিট, বি.সি.এফ এককে দেখানো আছে।তবে এরপর প্রায় প্রতি বছর কোনো না কোনো নতুন গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে।ফলে উল্লেখযোগ্য রিজার্ভ গ্যাসের পরিমাণ এবং উত্তোলনের পরিমাণ প্রতি বছর বাড়ছে।গ্যাস উৎপাদন এর জন্য বাংলাদেশকে মোট ২৩ টি ব্লকে বিভক্ত করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান :- প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিভিন্ন হাইড্রোকার্বন।এছাড়া উচ্চতর কিছু হাইড্রোকার্বন বাষ্প এতে থাকে।পৃথিবীর কোনো কোনো গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাসে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস থাকে।এটি খুবই দুর্গন্ধ যুক্ত এবং এর উপস্থিতি গ্যাসের মান নিম্নমুখী করে।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় শতকরা (আয়তনে) ৯৩.৬৮% – ৯৮% মিথেন থাকে;এবং এতে হাইড্রোজেন সালফাইড প্রায় অনুপস্থিত।সুতরাং বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস অত্যন্ত উচ্চমানের।

প্রাকৃতিক গ্যাসের শ্রেণীবিভাগ : প্রাকৃতিক গ্যাসের তরল হাইড্রোকার্বন বা উচ্চতর হাইড্রোকার্বনের { সি৫ – সি১৬ } বাষ্পের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাকৃতিক গ্যাস ২ প্রকার।যেমন :-
(১) শুষ্ক প্রাকৃতিক গ্যাস ও
(২) আদ্র প্রাকৃতিক গ্যাস।

*শুষ্ক প্রকৃতি গ্যাস : শুষ্ক প্রকৃতি গ্যাসের নলকূপে তরল পেট্রোলিয়াম থাকেনা । এতে সবচেয়ে বেশি মিথেন গ্যাস থাকে।সিলেটের রশিদপুর এর প্রাকৃতিক গ্যাসের ৯৮%
“সি-এইচ ৪” আছে ।

*আদ্র প্রাকৃতিক গ্যাস : আদ্র প্রকৃতি গ্যাসের নলকূপে তরল পেট্রোলিয়াম থাকে।তাই আদ্র প্রাকৃতিক গ্যাসের তরল উচ্চতর হাইড্রোকার্বন ।যেমন :- পেন্টেন্,হেক্সেন,
হেপ্টেন ইত্যাদির বাস্প মিথেনের সাথে থাকে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যাবহার : প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রোকার্বন হাওয়ায় একে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাবহার করে রসায়নিক শিল্পে অনেক অজৈব যৌগ উৎপাদন করা হয়। উন্নত দেশ সমূহে পেট্রো কেমিক্যাল একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত,যেখানে প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেল হতে অনেক যৌগ উৎপাদন করা হয়।তবে বাংলাদেশে এধরনের শিল্প এখনো গোড়ে উঠে নি।

∆(১) শিল্পক্ষেত্রে শুধু ইউরিয়া সার তৈরিতে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। চট্টগ্রামে এবং সিলেট এর ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত মোট ৭ টি কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস হতে ইউরিয়া সার উৎপদিত হয়।বাংলাদেশে কৃষি ক্ষেত্রে এ ইউরিয়া ব্যবহার অধিক ফসল উৎপাদনে প্রচুর সাফল্য এনে দিয়েছে।
২০১৬ সালের জানয়ারিতে ১৩.৬০ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ আছে।

∆(২) জ্বালানিদ ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন ২৭৩৩.৬ মিলিয়ন ঘনফুট [এম .সি .এফ ] গ্যাস উত্তোলন এবং ৪৯ টি স্থান থেকে এ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।দেশের গ্যাস চাহিদা ৩১% পূরণ করছে তিতাস গ্যাস ফিল্ড।

∆(২) বর্তমানে প্রতিদিন ১২৪৯.১ বি.বি.এল
তরল কনডেন্সেট উৎপাদন করা হচ্ছে। এ কনডেন্সেট পরিশোধন করে পেট্রোল,কেরোসিন,ফার্নেস অয়েল,লুব্রিকেন্ট অয়েল ইত্যাদি উৎপন্ন করা হয়।বিভিন্ন শিল্প খাতে এসব জ্বালানি রূপে ও মেশিনের লুব্রিকেন্ট রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে।

Continue Reading

দেশের খবর

ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া যৌক্তিক কি না-

Published

on

কিছুদিন আগে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার হত্যাকাণ্ডের পর থেকে একটি দাবি এবং প্রশ্ন বার বার শোনা যাচ্ছে। প্রশ্নটি হলো ‘ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া যৌক্তিক কি না’,, সে প্রশ্নের জবাবে নিঃসন্দেহে বলবো ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তবে কিছু কিছু জায়গায় ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল কলেজ পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত। মেডিকেল এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে দেশ গড়ার, মানুষের সেবা করার কারিগর তৈরী হয়। সেখানে রাজনীতি করলে তাদের লেখাপড়া বাধাগ্রস্ত হবে। কারণ একসাথে দুটো কাজ কখনোই ভালো ফল নিয়ে আসে না। আর স্কুল কলেজ গুলোতে আজকাল ছোট ছোট ছেলেরা রাজনীতির সাথে জড়িয়ে খারাপ কাজ করছে। তারা রাজনীতিটাকে ক্ষমতা হিসেবে ব্যবহার করে তৈরী করছে বিভিন্ন গ্যাং! যা যুবসম্প্রদায় ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। একারণে আমি বলবো ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি এবং স্কুল কলেজ পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা হোক। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্ররাজনীতি বহাল থাকুক। অবশ্যই ছাত্র রাজনীতির দরকার আছে। ছাত্র রাজনীতি না থাকলে ছাত্রছাত্রীরা জিম্মি হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বলার কেউ থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল শিক্ষকরা নিজের ক্ষমতা খাটাতো ছাত্রছাত্রীদের উপর। একারণে আমি মনে করি ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন আছে তবে শুধুমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে।

আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এত বড় নেতা হয়েছেন ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে, তারই সুযোগ্য কন্যা আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এসেছেন ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ সম্পর্কে তিনি বলেন ” একটি ঘটনার জন্য পুরো ছাত্ররাজনীতি বন্ধ কোন সমাধান নয়, বুয়েট প্রশাসন চাইল সেখানে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে পারে, তবে সারাদেশে বন্ধ করা অযৌক্তিক”। তিনি ছাড়াও আরো অনেক বড় বড় নেতা আজ সফল রাজনৈতিক নেতা হয়েছেন শুধুমাত্র ছাত্ররাজনীতির কারণে এবং তারা সফলভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, তাদের সময় ছাত্ররাজনীতি হতো শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য। বর্তমান সময়ে ছাত্ররাজনীতি করা হয় আধিপত্য বিস্তারের জন্য। আমি আহ্বান করব যারা ছাত্ররাজনীতির সাথে যুক্ত তারা যেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে আদর্শ মানে। কেননা তিনি রাজনীতি করেছেন মানুষের অধিকার আদায়ে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বেশকিছু ছাত্র সংগঠন সক্রিয়। তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে তারা যেন সবসময় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ে কথা বলেন। আর যেহেতু বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতি রয়েছে তাই ছাত্র সংগঠনদের নিয়ে একটি ছাত্র সংসদ গঠিত হোক তাহলে প্রতিযোগিতামূলক ভাবে সব সংগঠন ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ে কাজ করবে। ছাত্রছাত্রীরা কখনোই কোন অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।

Continue Reading

দেশের খবর

বিবিএফ ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ সামিট ২০১৯

Published

on

বিবিএফ ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ সামিট ২০১৯ এবং বিবিএফ-এর ১০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ৩০/৯/২০১৯ ইং তারিখে হোটেল লা মেরিডিইয়ানে এক সামিট অনুষ্ঠিত হয় ।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রথান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি, মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডঃ এনামুর রহমান, এমপি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, এনডিসি মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।
যুক্তরাজ্যের মান্যবর রাষ্ট্রদূত রবার্ট ডিকসন, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা ডি অলিভিয়ারা, জুনিয়র, ডেমোক্র্যাটিকাল পিপলস রিপাবলিক কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত, রি সান হায়ন, ব্রুনাই-এর রাষ্ট্রদূত হাজী হারিস, মার্কিন দূতাবাসের মিস অ্যালিসন, রাশিয়ার দূতাবাসের কর্নেল ইয়ুরি, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ফেরদৌস, চলচ্চিত্র অভিনেতা রিয়াজ, প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী হায়দার হুসেন, এবং আরও অনেক শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবীরা গ্র্যান্ড সম্মেলন এবং প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অংশ নিয়েছিলেন।

বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) চেয়ারম্যান মাসুদ এ খান বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের উজ্জ্বল ক্রিয়াকলাপের সাথে একত্রিত হয়ে তাদের সদয় সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন!

বিবিএফ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য কিছু ব্যক্তিত্ব এবং সংস্থাকে সম্মানিত করেছে। সেই পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসাবে অভিনেতা ফেরদৌস, সেরা গায়ক হিসাবে বরেন্য সংগীত শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ, মহিলা উদ্যোক্তা হিসাবে রুবাবা দৌলা, সেরা রিয়েল এস্টেট সংস্থা হিসাবে কনকর্ড, এভিয়েশন ব্যবসায়ের জন্য গ্যালাক্সি ট্র্যাভেলস, গবেষণার জন্য ডঃ সাজ্জাদ হায়দার, আরএমজি ব্যবসায় রবিউল আলম ।

বক্তারা বলেছিলেন, ন্যাশন ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি উল্লেখযোগ্য যে, দ্রুত ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছে ।

উন্নয়নের সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকে মুগ্ধ করতে পেরেছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে এমন সেক্টরগুলি হল রেডি মেড গার্মেন্টস (আরএমজি), বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই), দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি বিপ্লব, পাশাপাশি রেকর্ড ব্রেকিং বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স এবং মহিলা ক্ষমতায়নের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে । এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে এ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জনটি তুলে ধরতে দারিদ্র্য নাটকীয়ভাবে ২০ শতাংশ কমেছে।

এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে বাংলাদেশ মিলিটারি অনেক দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অসমান্য অবদান রেখেছে ।

বাংলাদেশ যেহেতু সম্মিলিতভাবে এই খাতগুলিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছে, তাই বিশ্বব্যাপী আরও পরিচিতি এবং সুনামের সাথে বাংলাদেশকে নতুনভাবে উপস্থাপন ও ব্র্যান্ড করার সুযোগ এটি । আপনারা যেমন অবগত আছেন যে এই অর্জনগুলি উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশকে আরও বেশি করে স্বীকৃতি দেয় ।
প্রকৃতপক্ষে, বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নারীর ও যুবকদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি একটি সামাজিক ভারসাম্য তৈরির লক্ষ্যে গ্রামাঞ্চল এবং গ্রামীণ অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচনে, নিরক্ষরতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত বিস্তৃত জনহিতকর প্রকল্পে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির প্রচারের লক্ষ্যে কাজ করছে।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন