Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

দেশের খবর

বেকারত্ব নিয়ে কিছু কথা

Md Sadman Shovik

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আজকে আমি বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। সমস্যাটি হচ্ছে বেকারত্ব সমস্যা। চলুন শুরু করা যাক।

 

 

Place your ad code here

বেকার সমস্যা বেকার ব্যক্তির উপর যেমন অভিশাপস্বরূপ তেমনি দেশ এক জাতি কিংবা দেশের অর্থনীতির উপর অভিশাপস্বরূপ‌। বাংলাদেশের যাবতীয় জটিল সমস্যাগুলোর মধ্যে বেকার সমস্যা অন্যতম। বাংলাদেশের মোট কৃষি প্রধান দেশ যেখানে শতকরা 61 জন লোক শিক্ষিত সেখানে যদি অসংখ্য কর্মক্ষম মানুষ কর্মহীন বা বেকার হয়ে পড়ে তাহলে দেশের সংকট যে কোন স্তর গিয়ে পৌঁছায় তা বলাই বাহুল্য।

 

বেকার শব্দটি “কার” শব্দের পূর্বে ফরাসি “বে” উপস্বর্গ যোগে সৃষ্টি। যার আভিধানিক অর্থ হচ্ছে কর্মহীন। সাধারণ অর্থে যার কোন কাজ নেই বা যে কোনো কাজ করে না সেই বেকার। সমাজ বিজ্ঞানের ভাষায় -বেকার হচ্ছে তারা, যারা সামাজিক অবস্থায় যথেষ্ট কর্মক্ষম হওয়ার বিপরীতে কাজ পায় না । অর্থনীতির দৃষ্টিতে- কাজ করার যোগ্যতা বা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কর্মসংস্থান বা কাজের সুযোগ না থাকার নাম বেকারত্ব । আর যে বা যারা কাজের সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকার পরেও কাজের সুযোগ পায় না তারাই বেকার। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণভাবে বেকার বলতে আমরা দুটি শ্রেণীকে বুঝি

 

১. ইচ্ছা ও সামর্থ্য থাকার পরও যারা কাজের সুযোগ বঞ্চিত

 

২. সামর্থ ও সুযোগ থাকার পরেও যারা কাজ করে না।

 

বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান এবং ঘনবসতিপূর্ণ দেশ । জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীতে সপ্তম । মাত্র 1 লাখ 47 হাজার 570 বর্গ কিলোমিটার এর দেশে প্রায় 16 কোটি লোকের বসবাস । কর্মক্ষম লোকের 27.95 শতাংশ বেকার সমস্যায় ভুগছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জরিপ অনুযায়ী 2013-14 ও 2014-2015 বছরে মাত্র ছয় লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে । অথচ এ সময়ে দেশের কর্মবাজারে প্রবেশ করেছে প্রায় 54 লক্ষ মানুষ। সে হিসেবে দেশে দুই বছরে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে 48 লাখ । ফলে বেকার সমস্যা কতটা ভয়াবহ তা সহজেই অনুমেয়। 2015 সালের শেষদিকে আইএলও প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল- বেকারত্ব বাড়ছে এমন দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। সরকারি হিসাব মতে 2015 সালে দেশে মোট বেকারের সংখ্যা ছিল ২ কোটি 60 লাখ আর বেসরকারি হিসাব মতে চার কোটি ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কারণ কৃষিনির্ভরতা। মোট শ্রমশক্তির 51.6 কৃষির উপর নির্ভরশীল। ফসল কর্তনের সময় ছাড়া অন্য কোন সময় কাজ করে না ফলে বছরের প্রায় অর্ধেক সময় তারা বেকার থাকে। তাছাড়া কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে দিন দিন শিক্ষিত বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষিত লোকের মধ্যে শতকরা 50 ভাগ তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ পায় না। ফলে অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন লোক পায়না অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতার কাজ করতে বাধ্য হয়। এটি বেকারত্বের আরেকটি বৈশিষ্ট্য।

 

আজ এপর্যন্তই। পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ 🌷

Advertisement
12 Comments
Subscribe
Notify of
12 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Azfar Mustafiz

সুন্দর

Md Golam Mostàfa

হায়রে! বেকার জীবন!!

Shanta Akter

বেকার জীবন সত্যিই কষ্টের

Maria Hasin Mim

হুম ঠিক বলেছেন

Farhana liza Farhana liza

Valo likasen

Mahmudul Karim

Nice

কৃষিকাজ বা গৃহপালিত পশু পালন ও যথেষ্ট পুজি এনে দিতে পারে।মানুষ এসবেও মনোযোগী হতে পারে।

Mahfuzur Rahman

মূল বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ

shaykhul Islam

Nice

দেশের খবর

ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস অনলাইন কুইজে অংশ নিয়ে জিতে নিন ল্যাপটপ স্মার্টফোনসহ আরো অনেক অনেক পুরস্কার

Mainul islam Robin

Published

on

আসসালামুআলাইকুম প্রিয় পাঠক বৃন্দ। কেমন আছেন । আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন । আমি আজ আপনাদের মাঝে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন টিপস শেয়ার করব। টিপস টি হল আপনারা যারা কুইজ খেলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য। পুরো ডিসেম্বর মাসজুড়ে আয়োজন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা। আপনারা যারা কুইজ্ খেতে ভালোবাসেন তারা হয়তো আমার এই পোস্টে উপকৃত হবেন। তাই আপনারা মনোযোগ দিয়ে পোস্টটি পড়তে থাকুন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কুইজ বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরি থাকবে। এই কুইজে অংশগ্রহণ করে আপনি জিতে নিতে পারেন আকর্ষণীয় অনেক রকমের পুরস্কার। আপনাদের সাথে বঙ্গবন্ধু বিষয়ে ভালো জ্ঞান রয়েছে তারা ট্রাই করে দেখুন কারণ যদি আপনার ভাগ্যে থাকে তাহলে আপনিও বিজয়ীদের একজন হয়ে যেতে পারবেন। কুইজের সময় কিন্তু সীমিত তাই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন এখনই।

https://quiz.digitalbangladesh.gov.bd/

Place your ad code here

রেজিস্ট্রেশন করতে এই লিঙ্কে ট্যাপ করুন। নিবন্ধনের শেষ সময় ৭ ই ডিসেম্বর 2020 এ রাত বারোটা পর্যন্ত। এই কুইজের পুরস্কার হিসেবে যা যা থাকছে তা হলো প্রথম পুরস্কার রয়েছে কোর আই ৭, ১০ জেনারেশন ল্যাপটপ।

দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে রয়েছে ৫, ৮ জেনারেশন ল্যাপটপ।

তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে রয়েছে ৩, ৭ জেনারেশন ল্যাপটপ।

এবং চতুর্থ থেকে 12 তম পুরস্কার হচ্ছে স্মার্ট ফোন। যা আপনারা চতুর্থ থেকে 12 তম হলে প্রত্যেকের জন্য একটা করে স্মার্টফোন থাকবে। তাই আকর্ষণীয় পুরস্কার পেতে সাইটে প্রবেশ করে এখনই রেজিস্ট্রেশন করে নিলেন কারণ সময় শেষ হয়ে গেলে আর কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। কুইজে অংশগ্রহণ করার আগে আপনারা বঙ্গবন্ধু বিষয়ক যা কিছু আছে সে সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে তারপর অংশগ্রহণ করবেন কারণ এখানে যত বেশি প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে তত বেশি আপনার বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকবে। আর ভুল হলে পয়েন্ট কাটা যাবে তাই সেটা না পারবেন সেটা না দেয়াই শ্রেয়। প্রতিযোগিতার তারিখ হচ্ছে ৮ ই ডিসেম্বর 2020 রাত 9 টা থেকে 10 টা পর্যন্ত।

এই কুইজে যে যে যে বিষয় থাকবে তা হল

শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন আদর্শ, ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস , ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশের চার স্তম্ভ, নির্বাচনী ইশতেহার এবং ই সেবা।

আপনার রেজিস্ট্রেশন এর সময় সবকিছু ঠিকঠাক মতো দিবেন কারণ ফেইক ভাবে যদি আপনি রেজিস্ট্রেশন করেন তাহলে কিন্তু আপনারা বিজয়ী হলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

আপনাদের যদি কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমি আপনাদের সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব। আজকের মতো এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকুন ধন্যবাদ।

Continue Reading

দেশের খবর

বাংলাদেশে এ প্রথম আসতে চলেছে বুলেট ট্রেন

Mahfuzur Rahman

Published

on

বর্তমানে এ আধুনিকতা যুগে প্রবেশ করতে চলেছে বুলেট ট্রেন। এটি প্রথম যাত্রা শুরু হবে ঢাকা টু চট্টগ্রাম রুটে। এ প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ। নকশা তৈরির কাজটি বর্তমানে শেষ পর্যায়ে।

বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এ ট্রাভেল করতে ৬ ঘন্টার  ও বেশি সময় লাগে।যদি এ রেল সেবা চালু হয় তাহলে ৬ ঘন্টার পথ মাত্র ৫৫ মিনিটে / ১ ঘন্টা ১৩ মিনিটে ট্রাভেল করা সম্ভব হবে। এ পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। বুলেট ট্রেনটির গতি গীমা হবে ঘন্টায় ৩০০ কিলোমিটার।

এ ট্রেনটি দিনে ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। এ ট্রেনটি তে ট্রাভেল করতে হলে আপনাকে ২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। এ ট্রেনটির রুট ম্যাপ অনুযায়ী রেলপথে ৬ টি স্টেশন রয়েছে। তা হল (ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলী)।

Place your ad code here

এ ট্রেনটি যদি এসব স্টেশনে ৩ মিনিট করে দাড়ায় তাহলে সময় ব্যয় হবে সর্বমোট ১৮ মিনিটি। আর যদি না দাড়িয়ে ননস্টপ চলতে থাকে তাহলে ট্রাভেল এর সময় সীমা হবে মাত্র ৫৫ মিনিট। তাহলে একবার চিন্তা করুন বর্তমান সময়ের কথা, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এ যাতায়াত করতে সময় ব্যয় হবে ৬ ঘন্টা বা ৩৬০ মিনিট।

কিন্তু বুলেট ট্রেন এ যাতায়াত করলে আপনি মাত্র ৫৫ মিনিট এ যাতায়াত করতে পারবেন। তাহেল আপনার সময় বাচঁলো ৩০৫ মিনিট বা ৫ ঘন্টা ৫ মিনিট। (৩৬০ মিনিটে এর পথ আপনি ট্রেন এ যাতায়াত করলে ৫৫ মিনিটে আপনি আপনার গন্তব্যে প্রথম দিকে পৌঁছতে পারবেন।)

অপরদিকে রেলসূত্রে জানায়, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে অনুমোদন পাওয়া্ এ ট্রেনের সম্ভাব্য যাচাইয়ের কাজ শেষ । এখন তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন এবং বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে কাজটি করছে। তবে ডিজাইনারা জানাচ্ছেন যে, ২০২১ জানুয়ারী মাসে এ বিশ্ল নকশার কাজটি সম্পূর্ণ্ হবে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটের দূরত্ব মাত্র ৩২১ কিলোমিটার। তবে উচ্চ গতির রেলপথের চাইতে আগের রেলপখের চেয়ে ৯৪ কিলোমিটার কম। তাহলে  উচ্চগতির রেলপথের  ক্ষেত্রে দাড়াবে মাত্র ২২৭ কিলোমিটার। এ বুলেট ট্রেনটি চালু হলে চট্টগ্রাম-ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা চিত্রই পাল্টে যাবে।

রেলপথ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, বুলেট ট্রেনটি চালু হলে চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থ্যা,ব্যবসায়িক লেনদেন যাতায়েত সহ ওনেক সুযোগ সুবিধা পাবে বলে মনে করেন। এ প্রজেক্ট টি কিভাবে দ্রুত শেষ করা যায় তা নিয়ে এখনো পরিকল্পনা করছেন।

Continue Reading

দেশের খবর

এখন থেকে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট কেনা যাবে।

Online Desk

Published

on

এখন থেকে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট কেনা যাবে।

টিকিট কিনতে, আপনাকে অ্যাপের টিকিট আইকন থেকে ট্রেন অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। ক্লিক করার পর আসবে আসবে বাংলাদেশ রেলওয়ের ‘ই-টিকিটিং পরিষেবা’ স্ক্রিন।

এই স্ক্রিনে আপনাকে স্থান এবং গন্তব্য, তারিখ, টিকিটের সংখ্যা সহ আরও কিছু তথ্য সহ দিয়ে ট্রেন বুকিং করতে হবে। গ্রাহকের তথ্য অনুসারে সিট ‘Available’ থাকলে ‘Purchase’ অপশনে যেতে হবে।

Place your ad code here

সেখানে আপনাকে রেলওয়েতে নিবন্ধিত ‘ব্যবহারকারীর আইডি’ এবং ‘পাসওয়ার্ড’ দিতে হবে। তারপরে বিকাশ এর পেমেন্ট অপশন আসবে। গ্রাহক গেটওয়েতে বিকাশ নম্বর দিলে তিনি তার মোবাইলে একটি যাচাইকরণ কোড পাবেন।

বিকাশ যাচাইকরণ কোড এবং পিন দিলে টিকিট কেনা হয়ে যাবে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট