Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ক্রিকেট

ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া ১ম টেস্ট ম্যাচ।

MST.REKHA KHATUN

Published

on

চলছে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া মধ্যকার টেস্ট সিরিজ।এই সিরিজে 4টা টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তারমধ্যে 2টা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে। যেখানে 1-1 ব্যবধান।

 

আজ কথা বলবো,,ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া প্রথম ম্যাচ নিয়ে। যেখানে অস্ট্রেলিয়া শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে 8উইকেট এ জয়লাভ করে।

 



দেখে নেওয়া যাক, প্রথম ম্যাচ এর পরিসংখ্যান।

 

টস জিতে, বিরাট কোহলি ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। উইকেটে আসেন পৃথ্বী শাহ এবং মাইয়াং আগার‌ওল। আর বল করতে আসেন অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ এর মিচেল স্টার্ক। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে পৃথ্বী শাহ বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। পৃথ্বী শাহ ব্যাক্তিগত 0(2) করেন।

 

অন-ডাউনে ব্যাট করতে আসেন চেতেশ্বর পুজারা। তিনি নির্ভরযোগ্য একজন ব্যাসমান। পুজারা আর আগার‌ওল মিলে 32রানের একটা পার্টনারশিপ। কিন্তু তাদেরকে বেশি রান করতে দেইনি। 18.1 ওভারে প্যাট কামিস এর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। আগার‌ওল ব্যাক্তিগত 17(40) রান করেন।

 

এরপর ক্রিজে আসেন বিরাট কোহলি। ভারতের নির্ভরযোগ্য ব্যাসমান এবং অধিনায়ক।

কোহলি আর পুজারা দেখেশুনে ভালো ভাবেই খেলছিল। তাদের দুজনের মধ্যে 50রানের পার্টনারশিপ গড়েন। কিন্তু 49 ওভারে বল করতে আসেন নাথান লিউন।

 

দলীয় 100 রানের মাথায় ভারত তৃতীয় উইকেট‌ হারায়। 49.4 ওভারে নাথানের বলে মারনুস লাবুছাগনের হাতে ক্যাচ দিয়ে পুজারা সাজঘরে ফিরে যান। পুজারা ব্যাক্তিগত 43(160) রান করে আউট হন।

 

এবার ক্রিজে আসেন সহ-অধিনায়ক আজাঙ্কে রাহানি। কোহলি আর রাহানে 50 রানের জুটি গড়েন। তাদের পার্টনারশিপ 88 রান। দলীয় 188 রানের মাথায় একে-অপরের ভুল বোঝাবুঝি তে কোহলি রান আউটের ফাঁদে পড়ে।কোহলি 74(180) রান করে আউট হন।

 

এবার ক্রিজে আসেন হানুমা বিহারী। 196 রানের মাথায় ব্যাক্তিগত 42(92) করে আউট হয়ে যায় অজাঙ্কা রাহানে। এবার ক্রিজে আসেন উদ্দিমান শাহ । 206 রানে হনুমা বিহারী। তিনি রান করেন 16 । এরপর আর কেউ ক্রিজে দাঁড়াতে পারি নি। অশ্বিন‌ আউট হন 15রান করে।উমেস 6। বুমরা 4 এবং শামী 0।ভারত মোট রান করেন 244-10(93.1)

‌স্টার্ক 4উইকেট নেন।কামিস 3উইকেট।হাজেইল 1,নাথান 1উইকেট নেন

 

অস্ট্রেলিয়া 244 রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামে উড এবং বার্নস । দলীয় 16রানের মাথায় উড ব্যাক্তিগত 8(51) রান করে আউট হন। ক্রিজে আসেন লাবুছাগনে। দলীয় 29রানে বার্নস আউট হন। তিনি করেন8(41)রান। স্মিথ 1রান করে আউট হন।

এবার ক্রিজে আসেন হেড । তিনিও কিছু করতে পারলেন না।এরপর ক্রিজে আসেন গ্রিণ। তিনিও বার্থ। দলীয়79 রানের মাথায় 5উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া।এরপর ক্রিজে আসেন পেইন। তিনি দেখেশুনে খেলছে।

দলীয়111 রানে পরপর দুই উইকেট হারায়। একজন লাবুছাগনে আর একজন কামিস।আর কেউ রান করতে পারেনি।স্টার্ক, নাথান,হেজিওল একে একে করে আউট হয়ে যায়। পেইন 73রান করে অপারাজিত থাকেন।

অস্ট্রেলিয়া ‌191-10 (72.1)

আশ্বিন 4 উইকেট,বুমরা 2,উমেস3 উইকেট নেন।

2য় ইনিংস: ইন্ডিয়া

ভারত 53রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নামে। পৃথ্বী আর আগার‌ওল। দলীয় 7 রানের মাথায় কামিস এর বলে বোল্ড হয়ে যায় পৃথ্বী। পৃথ্বী করেন 4 রান। এবার ক্রিজে আসেন বুমড়া। দলীয় 15রানে বুমড়া,আগাওল, পুজারা এবং রাহানে আউট হয়ে যায়।

 

দলীয় 15রানে 5উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত।এর পর 19রানে কোহলি আউট হয়ে যায়। দলীয় 26রানে শাহা, আশ্বিন আউট হন। এরপর 31রানে বিহারী আউট হন।শামী অসুস্থ হয়ে পড়েন,অপারাজিত উমেস।

ভারত:36-9 (21.2)

হ্যাজেউড 5উইকেট আর কামিস 4উইকেট নেন।

 

2য় ইনিংস:‌ অস্ট্রেলিয়া

 

86রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে সহজেই জয়লাভ করে।

অস্ট্রেলিয়া ৮উইকেটে জয়লাভ করে।

উড 33এবং বার্নস 51 রান করেন। আশ্বিন 1উইকেট নেন।

ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ: পেইন

কেউ কখনো ভাবতে পারিনি যে ভারত এতো কম রানে অলআউট হয়ে যাবে। এটা সবার কল্পনার বাইরে ছিল।গোল বল এ কখন কি হবে কেউ বলতে পারে না। এগিয়ে যাও।পরের ম্যাচে সবার সেরাটা দেওয়ার জন্য।

ক্রিকেট

এক নজরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেটের ২০২১ সালের ব্যস্তসূচী।

Mojammal Haque

Published

on

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম চলতি ২০২১ সালে অন্তত ১৫টি ওডিআই ও ৩১টি টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে ৩ টি ওডিআই ম্যাচ। এর বাইরেও আরো বেশকিছু দ্বিপাক্ষিক সিরিজ রয়েছে যা বিসিবি আয়োজন করতে যাচ্ছে।

আসুন এবার দেখে নিই চলতি ২০২১ সালে ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচের তালিকাঃ

জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারিঃ
নিজেদের ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডে যা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি- মার্চঃ
সুদুর তাসমান পাড়ে নিউজিল্যান্ডে ৩টি ওডিআই ও ৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলতে গতকালই নিউজিল্যান্ডের ক্রাইজচার্জে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।



এপ্রিলঃ
নানা জল্পনা কল্পনা ও নাটকীয়তা শেষে অবশেষে এপ্রিলে ৩টি ওডিআই ম্যাচ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

মেঃ
এপ্রিল মাসের মধ্যে শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষ করে টিম ফিরে আসবে দেশের মাটিতে। তারপর মে মাসের মাঝামাঝি শ্রীলংকার বিপক্ষে আবারো ঘরের মাটিতে ৩টি ওডিআই ম্যাচের আয়োজন করবে বিসিবি।

জুনঃ জুন মাসে বসবে এশিয়া মহাদেশীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর এশিয়া কাপ।

জুন-জুলাইঃ
ছোট্ট একটা বিরতি শেষে জিম্বাবুয়ে সফর করবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ একটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সেখানে থাকবে ৩টি ওডিআই, ৩টি টি-২০ ও ২টি টেস্ট ম্যাচ।

সেপ্টেম্বরঃ
সেপ্টেম্বর মাসে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে আথিতেয়তা দেবে বাংলাদেশ। তাঁদের বিপক্ষে ৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরঃ
অস্ট্রেলিয়ার সাথে টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করতে না করতেই ইংল্যান্ড দল আসবে বাংলাদেশে। তাঁদের বিপক্ষে ৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টি-২০ খেলবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

অক্টোবর- নভেম্বরঃ
টি-২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা রয়েছে ভারতের মাটিতে। অন্তত ৮টি টি-২০ ম্যাচ খেলার আশা করতেই পারে বাংলাদেশ।

নভেম্বর- ডিসেম্বরঃ
টি-২০ বিশ্বকাপ শেষ করে নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে আথিতেয়তা দেবে বাংলাদেশ। তাদের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলবে ৩টি টি-২০ ও ২টি টেস্ট ম্যাচ।

শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Continue Reading

ক্রিকেট

সবথেকে আন্ডাররেটেড ক্রিকেটার – ডেমিয়েন রিচার্ড।

Jawadur Rafid

Published

on

ডেমিয়েন রিচার্ড মার্টিন

 

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের ৩৫৩তম টেস্ট ক্রিকেটার “ডেমিয়েন রিচার্ড মার্টিন”

১৯৯২ সালের নভেম্বরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে জাতীয় দলে অভিষেক, অভিষেকের দুই বছর পড়েই দল থেকে বাদ পড়া এবং ২০০০ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের বাইরে থাকা। দেখতে গেলে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুটা সুখকর ছিল না।



তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি ছিলেন অদম্য। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক মৌসুমেই ৫২ গড়ে ৮২২ রান করে নির্বাচকদের নজরে এসেছিলেন। ১৯৯৪ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সেই ওয়েস্টার্ন এর অধিনায়কত্ব পান। ঘরোয়া লীগে তার নামের পাশে রয়েছে ৩ টি শেফিল্ড শিল্ড ট্রফি এবং ৩ টি ওয়ানডে কাপ ট্রফি। ক্যারিয়ার শেষে তার সংগ্রহে ছিল ২১৪ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে প্রায় ৫০ গড়ে ১৪,৬৩০ হাজার রান। সাথে ৪৪ শতক এবং ৭৩ অর্ধশতক। সর্বোচ্চ ইনিংস ২৩৮। লিস্ট এ ক্যারিয়ারে ২৯৯ ম্যাচে করেছেন ৮,৬৪৪ রান। গড় প্রায় ৪৩। ৬১ টি ফিফটির পাশাপাশি রয়েছে ১০ টি সেঞ্চুরি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার স্বর্ণযুগটা শুরু হয় ২০০০ সালের পরে। এসময় তিনি তার ব্যাটিং টেকনিকে কিছু পরিবর্তন আনেন এবং অফসাইডে শট খেলার দিক থেকে সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানরুপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। এতেই ধরা দেয় সাফল্য। অভিষেকের প্রায় ৯ বছর পরে, অর্থাৎ ২০০১ সালে তিনি তার প্রথম টেস্ট শতকের দেখা পান। সেই বছরে উইজডেনের নির্বাচিত সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন ডেমিয়েন মার্টিন। এরপর তাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৬ সালে অবসরের আগ পর্যন্ত ছিলেন জাতীয় দলের নিয়মিত মূখ।

জাতীয় দলের হয়ে ৬৭ টেস্ট ম্যাচ খেলা এই ব্যাটসম্যানের মোট রান ৪,৪০৬। গড় ৪৬.৩৭। টেস্ট ক্যারিয়ারে মোট ১৩ টি সেঞ্চুরির সবকটিই এসেছে ক্যারিয়ারের শেষ ৫ বছরের।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০৮ ম্যাচে ৪১ গড়ে করেছেন ৫,৩৪৬ রান। যার মধ্যে ৪৭ টি ফিফটি এবং ৫ টি সেঞ্চুরি রয়েছে।
কোন আন্তর্জাতিক টি২০ না খেললেও ২০১০ আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

পুরো ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৩৩,০০০ এর বেশি রান, ৭২ সেঞ্চুরি এবং সব ফরমেটে ৪০উর্ধ গড়ের মালিক এই ক্রিকেটারের জন্ম হয় ১৯৭১ সালের ২১এ অক্টোবর। তার জন্মস্থান অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটোরির ডারবিন শহরে। তবে মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি পরিবারসহ ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করেন গিরাওহেন সিনিয়র স্কুল থেকে। সেখানেই তার ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় এবং তিনি এডিলেড ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হন। এরপর তিনি আবার পার্থে ফিরে আসেন এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার মাধ্যমে তার ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
বর্তমানে তিনি ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

Continue Reading

ক্রিকেট

সৌম্য সরকারকে কেন ৭ নাম্বারে ব্যাটিং করানো হচ্ছে?

Azaharul Islam Pulok

Published

on

বাংলাদেশ ক্রিকেটে দলের অন্যতম পাওয়ার হিটার, ক্লাসিক ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। পাওয়ার হিটার তকমাটাই হয়ত কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে সৌম্য সরকারের জন্য কারণ সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো

সৌম্যকে ইনিংসের শেষে ব্যাটিং করাতে চাইছেন বা করাচ্ছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে তিনি যুক্তি দিচ্ছেন,”সৌম্য পাওয়ার হিটার, সে যদি মাহমুদু্ল্লাহ রিয়াদের সাথে ইনিংসটা শেষ করে আসতে পারে তাহলে আমাদের জন্য এটা অনেক বড় পাওয়া হবে”।

আবার বাংলাদেশ দলের বর্তমান ওডিআই অধিনায়ক তামিম ইকবালের কাছে এই  প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন,”সৌম্যকে আমরা ৫-৬ মাস আগেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছি। এখন সবচেয়ে বড় কথা হলো সৌম্য কি সত্যি তৈরি এই পজিশনে ব্যাট করার জন্য? তার যথেষ্ট যোগ্যতা আছে এই পজিশনে ব্যাটিং করার?

যদি সৌম্য ৭ নাম্বারে ব্যাটিং করে তবে কি আমরা সৌম্য সরকারের স্কিলগুলো দেখতে পবো? এর আগে যতবার সৌম্যকে টপ অর্ডার থেকে নিচের দিকে ব্যাটিং করানো হয়েছে প্রত্যেকবার ব্যর্থ হয়েছে। তাহলে তাকে নিয়ে এতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কি ঠিক হবে? সৌম্য সরকার এমন একজন প্লেয়ার যে নিজের দিনে প্রতিপক্ষের যে কোনো বোলারের রাতের ঘুম হারাম করতে পারে।



ক্রিকেট বোর্ড হয়ত যুক্তি দিতে পারে হার্ডিক পান্ডিয়াকে ইন্ডিয়া, বেন স্টোককে ইংল্যান্ড তৈরি করেছে, তবে আমরা কেন সৌম্যকে তৈরি করতে পারব না? ইন্ডিয়া বা ইংল্যান্ড বছরে যে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ তার অর্ধেক ম্যাচ খেলে।

তার মানে ওরা এই পজিশনে ব্যাটিং করার জন্য  দুইবার সুযোগ পাবে, আর আমাদের ব্যাটসম্যানরা সুযোগ পাবে একবার। সৌম্যকে টপ অর্ডারে ব্যাট করালে সমস্যাটা কী? হয়তো ধারাবাহিক না,তবে অন্যদের থেকে অনেক ভালো।

বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা এই ব্যাপারটা নিয়ে একই কথা বলেছেন, তারা বলেন যদি সৌম্য সরকারকে একাদশে সুযোগ না দেওয়া যায় তবে তাকে দলের বাইরে রাখা হওক, তবুও ৭ নাম্বার পজিশনে ব্যাটিং নয়, এতে সৌম্যের ক্যারিয়ার ঝুকির মধ্যে পড়বে। হয়ত সৌম্য এই পজিশনে ভালো করবে  কিন্তু এই কাজটা সৌম্যের জন্য অনেক কঠিন।

ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত সিরিজে সৌম্য যদিও প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটিং করার সুযোগ পাইনি তবে সে শেষ ম্যাচে ব্যাটিং করার সুযোগ পায়। ঐ দিন ব্যাটিং এ সৌম্যকে বেশ নার্ভাস লাগছিল। আবার ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ টেষ্টে সৌম্যকে দলে ডাকা হলো।

তাকে ব্যাটিং করার সুযোগ দেওয়া হলো ওপেনিং-এ, অথচ দলে ডাক পাওয়ার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত সে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সৌম্য ওডিআইতে ৭ নাম্বার পজিশনে ব্যাটিং এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলো ঠিক এমন সময় টেস্টে ওপেনিং করার কাজটা  মনে হয় খুব কঠিন ছিলো। তবে যাই হওক ক্রিকেট বোর্ড এই বিষয়গুলো নিয়ে ভালো বুঝে, যা করার তারাই করবে ইনশাআল্লাহ।।

Continue Reading