Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

অন্যান্য

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ইসলাম কি বলে

Md Amanullah

Published

on

আজ আমরা সবাই ১৪ ফেবরুয়ারি কে ভালোবাসা দিবস হিসাবে জানি। এই দিনটি কী আসলেই ভালোবাসা দিবস? এই দিনকে যদি আমরা ভালোবাসা দিবস হিসাবে ধরি তাহলে অন্য দিন গুলা কী। অন্য ‍দিন গুলো তে কি ভালোবাসা বলতে কিছুই নাই!

আমরা সবাই ভালোবাসা ‍দিবস বলে বলে ফ্যেনা তুলে ‍দিয়, আসলে এই দিনটি আসলো কোথা থেকে এসেছে সেটা আমরা কেও দেখি না। এই দিন টি সর্ম্পকে ইসলাম কি বলে ? এই দিবসটি মুলতো এসেছে খ্রিষ্ঠানধর্ম থেকে। আর ‍একজন মুসলমান হিসাবে কখনো বির্ধম দের অনুসরণ করা আমাদের উচিত নয়। হাদিসে আছে, যে ব্যেক্তি ‍বির্ধম কে অনুসরণ করবে, সে তদের দলে অন্তভুক্ত হবে।

আর ১৪ই ফেবরুয়ারি ইসলামে জায়েয নয়। অবৈধ মেলা মেশা ইসলামে কুরআন-হাদিসে কখনই জায়েয নায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, দুই শত সত্তর সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন কর্ডিয়াস। সেই সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু, তরুণ প্রেমিকদের গোপন পরিণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত। এ অপরাধে সম্রাট কর্ডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরশ্ছেদ করেন।

তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নামকরণ করা হয়। ধীরে ধীরে এই দিনটা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। মহান আল্লাহর অশেষ নিয়ামতের মধ্যে ভালোবাসা একটি, আমাদের মুসলমানদের ভালোবাসার কোন শেষ বা কোমতি নেই। ভালোবাসার জন্য আমাদের কোন দিবসের প্রয়োজন নাই। ভালোবাসার স্রোত সবসময় বহমান।



আর যেই দিন বা ‍দিবস মানুষে তৈরি করে তাতে কিভাবে রহমত বা শান্তি থাকতে পারে। ভালোবাসার নামে এই দিনে চলে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, নগ্নতা, সবশেষে কখনও কখনও অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ও ধর্ষণ। এটিই যদি হয় ভালোবাসা দিবসের বাস্তব চিত্র! তা হলে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের মর্যাদা রইল কোথায়? এটি কোন ‍বিশ্ব ভালোবাসা ‍দিবস না এটি হলো বিশ্ব বেহায়া, অশ্লীলতা দিবস।

হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত– ‘আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পরস্পরকে ভালোবাসে, আমার রেজামন্দির আশায় পরস্পর বৈঠকে মিলিত হয়, আমার সন্তুষ্টির কামনায় পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ করে এবং আমার ভালোবাসার জন্যই নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে, তাদের ভালোবাসা আমার জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়। (মুসলিম)।

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত-‘রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন– আল্লাহতায়ালার বান্দাগণের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা নবীও নয়, আর শহীদও নয়। কিন্তু বিচার দিবসে তাদের মর্যাদা দেখে নবী ও শহীদগণ তাদের ওপর ঈর্ষা করবেন। জিজ্ঞেস করা হলো- হে আল্লাহর রাসুল! তারা কারা? উত্তরে তিনি বললেন– তারা হচ্ছে সেসব লোক, যারা শুধু আল্লাহর মহব্বতে একে অপরকে মহব্বত করেছে। তাদের মধ্যে নেই কোনো রক্তের সম্পর্ক, নেই কোনো বংশের সম্পর্ক।

তাদের মুখমণ্ডল হবে জ্যোতির্ময় এবং তারা নূরের মিম্বরের ওপর অবস্থান করবে। কিয়ামতের বিভীষিকাময় অবস্থায় মানুষ যখন ভীত-সন্ত্রস্ত থাকবে, তখন তারা ভীত হবে না। আর মানুষ যখন দুঃখে থাকবে, তখন তাদের কোনো দুঃখ থাকবে না। (তিরমিজি)।

ভালোবাসা তো সেটাই যেখানে নেই কোন শর্তপরোতা, অশ্লীলতা। বিবাহর আগে তরুণ-তরুণি দেখা করা, মেলা-মেশা,প্রেম-ভালোবাসা ইসলামে সম্পূ্র্ণ ভাবে হারাম। কল্যাণ কর হলো বিবাহর পরে স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসাই হলো পবিত্র ভালোবাসা যেখানে রয়েছে সওয়াব।

পরিশেষে সকল ইসলামি দ্বিনী ভাই-বোনদের কে বলবো এই দিনে অবৈধ মেলা-মেশা করে শয়তানকে খুশি না করি। শুধু এই ‍দিন টি নয় সব সময় অবৈধ মেলা-মেশা হতে বিরত থাকার জন্য বলবো। মহান আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সকল কে শয়তানের, নফছের ধোঁকা ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান কারুন। আমিন।।।

Advertisement
Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

অন্যান্য

প্রকৃতি নিয়ে ছোট ক্যাপশন

Bd Blogger

Published

on

প্রকৃতির কাছে গিয়ে আলতোভাবে  শ্বাস ত্যাগ করুন এবং আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস নিন। এবং যখন আপনি শ্বাস ফেলা এবং নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তখন মনে রাখবেন যে আমরা সবাই প্রকৃতির কাছ থেকে একই বাতাসে নিঃশ্বাস নিচ্ছি। সমস্ত প্রজাতি শ্বাস নিচ্ছে এবং প্রকৃতি একই বাতাস ভাগ করে।প্রকৃতি নিয়ে ছোট ক্যাপশন –

এমনকি মানবতার বাইরেও জীবন। প্রাণী এবং গাছপালা। সমস্ত জীবন একই দম নিয়ে টিকে থাকে। জীবনের সেই  একতা এবং প্রকৃতির সাথে সংযোগের অনুভূতি সহ, আমরা শ্বাস নিই ,আমরা মন ও হৃদয় দিয়ে গ্রহন করি। এবং আমরা জীবন-টেকসই শ্বাস উপভোগ করি যা ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না।

মানুষ গাছ ও প্রাণীর মতোই প্রকৃতি। মানুষ ও প্রকৃতি আলাদা নয়। মানুষ এবং প্রকৃতি এক। প্রকৃতির অধিকারকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং অবশ্যই মানবিক সংবিধান ও আইনে একীভূত করতে হবে। আমাদের এমন আইন দরকার যা প্রকৃতি রক্ষা করে, যা জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।

আমাদের গ্রহের পৃথিবী এবং মানবতার মঙ্গলকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার জন্য পুনরায় শিখতে হবে;জীবনে বাঁচতে হলে প্রকৃতিকে নিয়ে বাঁচতে হবে।



প্রকৃতি কোনও অর্থনৈতিক উপায় নয়। প্রকৃতি অর্থনীতির কোনও সংস্থান নয়। প্রকৃতি জীবনের একটি উৎস। আমাদের প্রকৃতি জীবনের পবিত্র উত্স; একটি জীবন্ত জীব যা আমাদের এবং অন্যান্য সমস্ত জীবন্ত প্রজাতির জন্য প্রকৃতি সাধারণ বাড়ি। 

প্রকৃতির অন্তর্নিহিত মূল্য রয়েছে এবং তাই আমাদের সক্রিয়ভাবে শিল্প অর্থনীতিতে আসা একচেটিয়া গণ উত্পাদন এবং ব্যাপক ব্যবহার থেকে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা উচিত।

Continue Reading

অন্যান্য

ভিটামিন এর নাম,উৎস ও অভাবজনিত রোগসমূহ জেনে রাখা অনেক ভালো কাজে লাগবে

mahirul islam

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই দোয়া করি আল্লাহর কাছে সবসময়। আজকে আপনাদের সামনে যে বিষয় টি নিয়ে হাজির হয়েছি তা হলো ভিটামিন এর নাম,উৎস ও অভাবজনিত রোগসমূহ  , সময় নষ্ট না করে শিখে নেই ভিটামিনের নাম উৎস ও অভাবজনিত রোগসমূহ ।

ভিটামিন(A) ঃ ভিটামিন (এ) এর উৎস সমূহ হচ্ছেঃপ্রাণীজ উৎসঃলিভার(যকৃত),ডিমের কুসুম,কড মাছের যকৃতের তেল, ক্রীম,মাখন,দুধ,পনির,মল-ঢেলা মাছ ইত্যাদি। উদ্ভিদ উৎসঃরঙিন ও সবুজ শাক-সবজি, গাজর,আম,পেঁপে ইত্যাদি। ভিটামিন (এ) এর অভাবজনিত রোগ সমূহ হচ্ছে: রাতকানা,ক্যারাটোমেলাশিয়া,জেরোপ্যাথলমিয়া ইত্যাদি।

ভিটামিন (D)ঃ ভিটামিন(ডি) এর  উৎস সমূহ: মাছের যকৃতের তেল, কড মাছের যকৃতের তেল, তৈলাক্ত মাছ,যকৃত,ডিমের কুসুম, মাখনও দুধ। ভিটামিন(ডি) এর অভাবজনিত রোগ সমূহ গলো হচ্ছে :বাচ্চাদের রিকেটস ,প্রাপ্ত বয়স্কদের অস্টিওম্যালাসিয়া,হাড় নরমও ভঙ্গুর হয়।

ভিটামিন(E)ঃ ভিটামিন (ই) এর উৎস সমূহ হচ্ছেঃ শাকসবজি হতে প্রাপ্ত তেল, সব শস্যদানা,বাদাম,চাল,লেটুস,তুলাবীজ তেল ইত্যাদি। ভিটামিন ই এর অভাবজনিত রোগ গুলো হলোঃস্বাভাবিক জনন ক্ষমতা হ্রাস পায়,পেশী বিনষ্ট হয়।

ভিটামিন(K)ঃ ভিটামিন(কে) এর উৎস সমূহ হচ্ছেঃ বাঁধাকপি,দূধ, সবুজ শাক-সবজি, যকৃত,ডিম,আলফলফা ইত্যাদি। ভিটামিন(কে) এর অভাবজনিত রোগ গুলো হলোঃ রক্ত জমাট বাঁধে না,প্রোথ্যাম্বপিনিয়া ইত্যাদি।

ভিটামিন(C)ঃ ভিটামিন (সি)এর উৎস সমূহ হচ্ছেঃ সাইট্রাস ফলসমূহ,আমলকী,লেবু,টম্যাটো,পেয়ারা,স্ট্রবেরী,আনারস,লেটুস এবং অত্যন্ত অল্প পরিমাপে মাংস ও দুধে থাকে। ভিটামিন(সি) এর অভাবজনিত রোগ গুলো হলোঃনাক ও মুখের মিউকাস মেমব্রেন থেকে রক্তক্ষরণ হয়,স্কার্ভি নামক রোগ।

ভিটামিন (B1):ভিটামিন(বি1)এর উৎস সমূহ হচ্ছে : সকল শস্য ,লিগিউম জাতীয় ফলসমূহ,শুকনো ঈস্ট ,তেলবীজ,বাদাম,ভিটামিন (বি1)এর অভাবজনিত রোগ সমূহ হচ্ছে :বেরিবেরি রোগ ।

ভিটামিন(B2):ভিটামিন(বি2) এর উৎস সমূহ হচ্ছে :ফলমূল,মাছ,মাংস,ডিম,দুধ,যকৃত,বৃক্ষ ইত্যাতি। ভিটামিন(বি2)এর অভাবজনিত রোগ সমূহ হচ্ছে :ঠোঁটের কিনারায় ঘা হয় ।

ভিটামিন(B3):ভিটামিন(বি3)এর উৎস সমূহ হচ্ছে :শস্যদানা,মাছ,পোলট্রি ঈস্ট ইত্যাদি। ভিটামিন(বি3) এর অভাবজনিত রোগ সমূহ হচ্ছে :পেলেগ্রা রোগ ।

ভিটামিন(B5) :ভিটামিন(বি5) এর উৎস সমূহ হচ্ছে : ঈস্ট,বাদাম,ডিমের কুসুম,দুধ এবং বৃক্ষও গমেও প্রচুর পরিমাণে থাকে । ভিটামিন(বি5)এর অভাবজনিত রোগ সমূহ হচ্ছে : বৃদ্ধি বাধা প্রাপ্ত হয়,তাড়াতাড়ি বার্ধক্য দেখায় ।

ভিটামিন(B6): ভিটামিন(বি6)এর উৎস সমূহ হচ্ছে : প্রাণীজ  উৎস :মাছ ,যকৃত,মাংস,  উদ্ভিদ উৎস : আলু শাক-সবজি । ভিটামিন(বি6)এর অভাবজনিত রোগসমূহ : পেরিফেরাল নিউরোপেথি ।

ভিটামিন(B12):ভিটামিন(বি12)এর উৎস সমূহ হচ্ছে : যকৃত,মাছ,মাংস,দুধ,ডিমের কুসুম,বৃক্ক ইত্যাদি। ভিটামিন(বি12)এর অভাবজনিত রোগ সমূহ হচ্ছে : মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া,পারনিশিয়াস অ্যানিমিয়া ।

অনেকে রে ই কাজে লাগবে আনাদের ফ্রেন্ডদের সাথে সেয়ার করে তাদের দেখার সুযোগ করে দিন । আমার লেখায় যদি কোনো ভুলক্রটি থাকে তাইলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন । কেমন লেখেছি সবাই কমেন্ট করে যানান ।

আজ এই পর্যন্তই সামনের পর্বে  অন্য কোন বিষয় নিয়ে হাজির হব ইনশাহআল্লাহ । ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন  এবং গ্রাথর ডট কমের সাথেই থাকুন। বাহিরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন ,নিজে সচেতন থাকুন অন্যকে সচেতন করুন আল্লাহ হাফেজ ।











Continue Reading

অন্যান্য

সবুজ পাহাড় নিয়ে ক্যাপশন

Bd Blogger

Published

on

‘যে জীবনে সবুজ পাহাড় দেখেনি,তার জন্মের সার্থকতা এখনও হয়নি’

সবুজ পাহাড় আমায় বারবার ডাকে। দূরের ওই নীল আকাশ তাকিয়ে থাকে এক গুচ্ছ মেঘ নিয়ে আমার অপেক্ষায়। আমাকে সবুজ পাহাড়ের ভিতর হারিয়ে নিয়ে যাবে বলে।

ভাবছি, একদিন সবুজ পাহাড়ের ভিতর হারিয়ে যাবো, ওই দুর পাহারের চুড়ায়। যেখানে কালো মেঘ অঝোরে কাঁদবে পাহাড়ের ঝরনা হয়ে।

পাহাড়ের লতা ফুলের গন্ধ শুঁকে এই যান্ত্রিক জীবনকে ছুটি দিয়ে আবার জীবনটাকে নতুন করে সাজাবো সবুজ পাহাড়ের আদিবাসী জনপদে। সবুজ পাহাড়ে কিনারে কিনারে বাঁশের ঘর বানাবো। রাতের অন্ধকারে একাকীত্ব যখন তাড়া করে বেড়াবে তখন জোনাকিরা ছুটে আসবে আমার পাহারাদার হয়ে। আঁকা বাঁকা মেঠো পথে ধরে চলতে চলতে ভুলে যাব জীবনের সমস্ত যন্ত্রণা। পাহাড়ের চূড়ায় মাচাং ঘরের উপর বসে রাতের জোছনা দেখবো।



মনের যত দুঃখ কষ্ট সবুজ পাহাড়কে খুলে বলবো। পাহাড় আমায় দুঃখ ভুলিয়ে দেবে।

পাহাড়ের মাঝে মাঝে সাদা মেঘেরা ঢেউ খেলবে। সারাটা দিন ঝিরঝির বাতাসে শুয়ে যাবে হৃদয়। যখন রাত নামবে পাহাড়ের কোলে মেঘেরাও ঘুমিয়ে পড়বে,নীরব পাহাড়ে ভেসে আসবে কলাপাতার ঝড়ঝড় শব্দ। সন্ধ্যা হলেই ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকবে। কিছুটা নিরবতা,খানিকটা অন্ধকারে চাঁদ-তারা, মেঘের সঙ্গে মায়াবী রাতটা কাটিয়ে যাবে সবুজ পাহাড়ের কোলে।

দূর পাহাড়ের প্রতিধ্বনি আবার কানে ফিরে আসবে। রাতের অন্ধকারে কুটুম পেঁচা থাকবে আমার ঘুম ভাঙাতে। পৃথিবীর সমস্ত নিরবতা পাহাড়ে এসে জমা হয়। এই যান্ত্রিক জীবনে জমে থাকা ভারি নিঃশ্বাস প্রাকৃতিক কোলে ছেড়ে দিলে মনে প্রশান্তি আসে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট