Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরির জন্য কার্যকরিি কিছু টিপস

Mojammal Haque

Published

on

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

আপনার জীবনের প্রতি মূহুর্তটাকে আরও রঙিন ও আনন্দদায়ক করার জন্য নিচের টিপসগুলো অনুসরন করুন এবং রাঙিয়ে তুলুন আপনার জীবন ও মনের আনন্দকে।

টিউটোরিয়ালে জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন

টিউটোরিয়াল ভিডিও বানাতে আপনার কম্পিউটার, স্মামার্ইটফোট মাইক্রোফোন এবং টিউটোরিয়াল ভিডিও নির্মাতা সফ্টওয়্যার দরকার হবে। আপনার যদি ওয়েবক্যাম থাকে তবে আপনি পর্দার কোণায় আপনার মুখটি যুক্ত করতে পারেন। আপনি বছরের পর বছর ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করে যাচ্ছেন বা এটি আপনার প্রথম ভিডিও যদি হয়, আপনি সামগ্রীক কাজ ও ভিডিও বানানোর জন্য পরিকল্পনা করে ফেলুন ও নিজেকে প্রস্তুত করুন। স্ক্রিপ্টটি সহজ ফাইলে রাখুন এবং আপনার ভিডিও দর্শক ও শ্রোতাদের সনাক্ত করুন এবং টিউটোরিয়ালটির জন্য সেরা একটি সুর সম্পর্কে  জানুন।

পদক্ষেপগুলি বার বার রিহার্সেল করুন

কোনও বিষয়ে একটি ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করতে আপনি গড়ে ভিডিও নির্মাতা ব্যক্তির চেয়ে এটি করাতে ভাল পারেন। তবে আপনার ভিডিওটি যতটা সম্ভব সরাসরি এবং সরাসরি থেকে বেশি পয়েন্ট ও গুনগত মানের হতে হবে। তাই প্রতি দ্বিতীয় ধাপ এটাকে হিসাবে গণনা করুন। আপনি কয়েক বার অনুসরণ করে এমন পদক্ষেপগুলি অতিক্রম করুন যাতে এটি নিজেকে রেকর্ড করতে পারেন। এবার রেকর্ডিংটি দেখুন এবং এটি দ্বিতীয় জোড়া চোখের সামনে প্রদর্শন করুন ও অন্যকে  দেখান।

ভিডিও রেকর্ড করুন

এখন পার্টি শুরু! এই গাইডের জন্য আমরা যে অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করব তা হল ব্যান্ডিক্যাম স্ক্রিন রেকর্ডার !. ব্যান্ডিক্যাম হল স্ক্রিন ডিসপ্লে রেকর্ডিং, সেগুলিকে অনলাইনে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য এবং মূলত আপনার ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সফ্টওয়্যার। এর চিত্তাকর্ষক বৈশিষ্ট্য থাকা সত্ত্বেও, ব্যান্ডিক্যামটি সহজেই ব্যবহার করা সহজ এবং একমাত্র স্ক্রিন রেকর্ডার যা আপনি এখনই ব্যবহার করতে পারবেন। এমনকি আপনি নিজের জীবনে কোনও টিউটোরিয়াল ভিডিও তৈরি না করলেও এটি করতে পারবেন বলে আশা করি।

টিপস এন্ড ট্রিকস

Stream Yard সফটওয়্যার এর সাহায্যে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করা

Chandra Bikash Chakma

Published

on

Stream Yard সফটওয়্যার ব্যবহার করে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে ফেসবুকে লাইভ করা।

সুপ্রিয় গ্রাথোর প্রেমি ভিউয়ার্স। আজকে আমি আবারও নতুন টপিক নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। বর্তমান করোনা কালীন সময়ে হার্ড টপিক অনলাইন ক্লাস পরিচালনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে শুরু করে যারা অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং করতে চায় তাদের প্রত্যেকের জন্য এই সিস্টেম টি জানা প্রয়োজন।
তাহলে আমি সেই টপিক টিই আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। অবশ্য ই সিস্টেম টি জেনে উপকৃত হতে পারেন আশা করছি।
তো শুরু করা যাক মূল আলোচনা।
বর্তমান সময়ের জন্য একটা বিশেষ এডভান্টেজ হলো Stream Yard সফটওয়্যার ব্যবহার লাইভ স্ট্রিমিং করা। আমি আজকে এই সফটওয়্যার দিয়ে কিভাবে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে ফেসবুকে লাইভ করা যায় সেই সিস্টেম টা সুন্দর করে উপস্থাপন করবো। এখনকার সময়ের একটা বড় অগ্রগতি স্ট্রিম ইয়ার্ড সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কোন কিছু লাইভ স্ট্রিমিং করা ফেসবুকে। এটার মত সহজ অন্য টাতে নেই। কারণ আমরা যদি জুম ব্যবহার করে ফেসবুকে লাইভ করি তাহলে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হই। জুমে সরাসরি ফেসবুকে লাইভ করার সময় কোন পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেখানো সম্ভব হয় না। কিন্তু যদি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে সরাসরি ফেসবুক লাইভে Streaming করাতে চায় তারজন্য স্ট্রিম ইয়ার্ড সফটওয়্যার সবচেয়ে ভালো এবং বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে এটা খুব জনপ্রিয় হিসেবে বিবেচিত। তবে স্ট্রিম ইয়ার্ড সফটওয়্যার দিয়ে ফেসবুকে লাইভ করাতে হলে আমাদের অবশ্য ই নিম্নোক্ত তিনটি কাজ পূর্বে থেকে করে রাখা প্রয়োজন। সেগুলো হলোঃ-
১। Gmail এ লগইন হয়ে থাকতে হবে। ২। Facebook এ লগইন হয়ে থাকতে হবে। ৩। যে পাওয়ার পয়েন্ট কে দেখাবেন সেটা আগে থেকে Slide show মুডে রেখে দিতে হবে।
অতঃপর আমরা এখন সরাসরি গুগলে চলে যাবো। গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবো Stream Yard তাহলে আমাদের সামনে চলে আসবে Stream Yard. এখন আমাদের সর্বপ্রথম এখানে একটি একাউন্ট করে নিতে হবে। তবে এখানে একাউন্ট করাও খুবই সহজ। শুধু ইমেইল এড্রেস এ email দিয়ে Get Started এ ক্লিক করলে স্ট্রিম ইয়ার্ড থেকে একটি মেইল পাঠাবে যেখানে ৬ ডিজিটের একটি কোড থাকবে। ঐ কোড ব্যবহার করে লগইন এ ক্লিক করলেই একাউন্ট হয়ে যাবে। এরপর আমরা স্ট্রিম ইয়ার্ড এর Welcome Page দেখতে পাবো। আর এতে আমরা স্ট্রিম ইয়ার্ড এর ইন্টারফেস এ চলে আসলাম। এখন এই পেজ থেকে আমরা কিসে লাইভ করাবো তা ঠিক করে দিতে হবে। আমরা যেহেতু লাইভ টা ফেসবুক পেজে করাবো তাই ফেসবুক পেজে ক্লিক করবো। এবার Connect Facebook Page চলে আসবে। ঐখানে ক্লিক করলে নিজের ফেসবুক পেজ এর অনেক গুলো পেজ দেখা যাবে(যদি নিজের অনেক গুলো পেজ থাকে)। সেখান থেকে যেই পেজে লাইভ করাতে চায় সেই পেজে ক্লিক করতে হবে। তাহলে ফেসবুক পেজ কানেক্টেড হবে। এবার Create a Broadcast এ ক্লিক করতে হবে। অতঃপর সেখানে টাইটেল, ডেসক্রিপশন এবং সিডিউল করার বক্স আসবে। এখন সরাসরি লাইভ বা পরের জন্য লাইভ সিডিউল করা যাবে। আমরা এখন সরাসরি লাইভ এর জন্য ক্লিক করবো। দেখা যাবে You’re entering a broadcast studio এরপরে Let’s check your camera and mic এরপর Display Name এ একটা নাম দিতে হবে। তারপরে mic সেটিং ঠিক করে নিতে হবে। এরপর ব্রডকাস্ট স্টুডিও তে চলে আসবো অর্থাৎ লাইভের পূর্বের পেজে চলে আসলাম। এরপর যদি Go Live এ ক্লিক করি তাহলে live এ চলে যাবো। তবে এমুহূর্তে লাইভে যাবো না। যেহেতু লাইভে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেখাবো, তাই এখন পাওয়ার পয়েন্ট টা ওপেন করবো।(আগে থেকে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ওপেন থাকতে হবে) এরপর আমরা লাইভ করার জন্য Screen Share করবো। এখন স্ক্রিন শেয়ার এ ক্লিক করলে দেখা যাবে বেশ কিছু স্ক্রিন শেয়ারিং টিপস চলে আসবে। এখন Share Screen এরপর আবারও Share Screen এ ক্লিক করতে হবে। এখানে ও অনেক গুলো option চলে আসবে। যদি Full Screen করতে চায় তাও পারা যায় অথবা অন্য অপশন গুলোর মধ্যে যেটা দিতে চায় সেটা করা যাবে। এখানে অডিও শেয়ার ও করা যাবে। তাহলে কথা গুলো ও শোনা যাবে। অথবা শুধু window শেয়ার ও করা যাবে। এখানে শুধু পাওয়ার পয়েন্ট টা সো করানো যাবে অথবা চাইলে পাওয়ার পয়েন্ট এবং নিজের ফেস ও সো করানো যাবে। এখন আরও অপশন গুলো থেকে বন্ধু দের অথবা সহকর্মী দের ইনভাইট করে তাদের কে এড করতে পারবো। এখন আমরা ইচ্ছে করলে ব্যানার ক্রিয়েট করে সো করাতে পারবো। এখানে স্ক্রল করানো যাবে। ব্যানার এ কিছু লেখা লিখে দেয়া যাবে।ব্যানার ইচ্ছে করলে সো অথবা হাইড করে রাখা যাবে। ব্যানার এডিট ও করা যাবে। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে তারপর আমরা Go Live এ যাবো। Go Live এ ক্লিক করলেই লাইভ শুরু হয়ে যাবে। এখানে যা সো করবো তাই লাইভে সো হবে। এখন পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড গুলো সো করানো যাবে।
ধন্যবাদ।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

মোবাইল দিয়ে প্রফেশনালভাবে ছবি এডিট করুন!

Md Ahasan Habib

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম বন্ধুরা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ্য আছেন। অনেক দিন পর আবার-ও আর একটি নতুন পোস্ট লিখে নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আশা করি এই পোষ্ট টি পড়ে আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে। কারোণ এই পোষ্ট আমি দেখাব কিভাবে খুব সহজে আপনি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ছবি এডিট করতে পারেন। তো আর বেশি কথা না বলে আজকের পোষ্ট দেখিয়ে দিই কিভাবে খুব সহজে আপনার ছবি এডিট করতে পারেন।

 

 

 

 

 

বন্ধুরা আপনারা তো নিশ্চয়ই এই পোষ্টের ছবি দেখে এখানে পড়তে এসেছেন। সেখানে আপনারা সবাই দেখতে পেয়েছেন একটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ছবি। আর কথা আপনাদের বলা দরকার এই কাজ টি সম্পুর্ন একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে করা হয়েছে।

 

 

উপরের যে ছবি টি রয়েছে যদি এ রকম এডিট করতে চান তাহলে আপনার একটি কম্পিউটার লাগবে। কিন্তু সবার তো আর কম্পিউটার থাকে না। এবং ফটোশপ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। তাই আমি আজ দেখাবো কিভাবে আপনি আপনার যেকোন ছবি মোবাইল খুব সহজ এ এডিট করতে পারেন।।

 

 

আপনি যদি মোবাইলে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ছবি এডিট করতে চান তাহলে। প্রথমে আপনাকে আপনার মোবাইলের গুগোল প্লেস্টোর থেকে Photo Lab নামে একটি এপ্লিকেশন আপনাদের মোবাইলে ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে। আপনারা এই এপ্লিকেশন এর সাথে অনেকেই পরিচিত থাকতে পারেন কারণ কিছু দিন আগে এই এপ্লিকেশন টি খুব ভাইরাল হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ সাইটে।

 

 

 

 

এই এপ্লিকেশনটি আপবার মোবাইলে ইন্সটল হয়ে গেলে ওপেন দিবেন।পারমিশন চাইলে এলাউ করে দিবেন। এবার আপনার কাছে যদি প্রমিয়ার বা টাকা নিতে চাই তাহলে আপনি উপরের দিকে তাকালে স্কিপ লেখা দেখতে পাবেন আপনি এখানে ক্লিক করে স্কিপ করে এপ্লিকেশন টি তে প্রবেশ করবেন।

 

 

 

এপ্লিকেশন টি তে প্রবেশ করার পর আপনি বিভিন্ন ধরনের প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এডিট করা ছবি দেখতে পাবেন। আপনি সেখান থেকে আপবার পছন্দমতো যে কোন একটি ছবির উপির ক্লিক করবেন৷ ক্লিক করার পর আপনার যেকোন ছবি সিলেক্ট করুন আপনার মোবাইলের গ্যালারি থেকে এবার কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। কোন এড যদি আসে তাহলে এড স্কিপ করে দিবেন।

 

 

 

ছবির প্রসেসিং কাজ শেষ হয়ে গেলে দেখবেন আপনার ছবি টি এডিট করা হয়ে গেছে। আপনার এই এডিট করা ছবিটি ডাউনলোড করার জন্য উপরের দিকে সেভ টু ডিভাইস লেখা রয়েছে আপনি এখানে একবার ক্লিক করে আপনার এডিট করা ছবিটি আপবার মোবাইলের গ্যালারি তে সেভ করে নিন। ছবি তে ওয়াটার মার্ক আসতে পারে। আপনি আপনার ছবিটি ক্রপ করে ব্যবহার করতে পারেন।

 

ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে সবাই ভালো এবং সুস্থ্য থাকবেন।

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

একটি কমপ্লিট আর্টিকেল বা নিবন্ধ লিখতে যে যে বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতেই হবে।

Mojammal Haque

Published

on

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

ক্রম হিসাবে একটি কমপ্লিট আর্টিক্যাল কীভাবে লেখা হয় তা আগে জেনে তারপর লেখা শুরু করা উচিত। একজন লেখক হিসেবে প্রথমে লেখক নিজেকে প্রশ্ন করবে। কীভাবে লেখা শুরু করতে হবে? এরপরে কী হবে? ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি কীভাবে শুরু করতে চলেছেন, আপনি কী সূচনা বিবেচনা করছেন তা থেকে শুরু করুন এবং বার বার নিজেড এই প্রশ্নের উত্তর দিন। আপনাদের সাহাযার্থে আমি একটি কমপ্লিট আর্টিকেল লেখার টিপস শেয়ার করছি।

ধাপ-১: আপনার বিষয় নির্বাচন করুন।

এমন একটি বিষয় নির্বাচন করুন যা আপনার পক্ষে কমপক্ষে এক বা দুই পৃষ্ঠার লেখায় ফোকাস করার জন্য যথেষ্ট।
তারপরে আপনি যা ভাবতে পারেন সেগুলি সহ মোটামুটি একটি খসড়া লিখুন। বেশি বিশ্লেষণাত্মক হওয়া এড়িয়ে চলুন এবং আপনি যা জানেন তা কারো সাথে শেয়ার করুন।

ধাপ-২: আপনার পাঠকদেট প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দিন।

এখন আপনার মোটিভ পরিবর্তন করুন এবং কল্পনা করুন যে আপনি নিজেই এই নিবন্ধটির পাঠক। আপনি যে শ্রোতাদের সম্বোধন করতে চান তা বর্ণনা করতে কয়েকটি শব্দ বাছুন। পাঠক হিসাবে আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর চান? আপনি হয়ত উত্তরগুলি এখনও জানেন না। তবে যেভাবেই হোক প্রশ্নগুলি তালিকাবদ্ধ করুন। আপনি পরবর্তী পদক্ষেপে উত্তর খুঁজে পাবেন।

ধাপ-৩: গবেষণা করুন।

গবেষণা আপনার নিবন্ধটি বাস্তবে গ্রাউন্ড করবে। আপনার নিবন্ধটি কীভাবে তা রয়েছে তা অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশদ এই বিষয়গুলো যুক্ত করুন। যেমনঃ পরিসংখ্যান, সুপরিচিত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি, সংজ্ঞা, উপাখ্যান (নিজের বা অন্য কারও সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত, চিত্রণমূলক গল্প), পাঠকের মতো লোকের কাছ থেকে উদ্ধৃতি এবং উদাহরণ, বা বিষয়টির জনপ্রিয় বইগুলি, অন্যান্য মিডিয়া সম্পর্কিত তথ্য (ফিল্ম, টেলিভিশন, রেডিও), স্থানীয় স্থানগুলি বা ইভেন্টগুলির উল্লেখ (যদি কোনও আঞ্চলিক / স্থানীয় প্রকাশনার জন্য থাকে), সহায়ক সরঞ্জাম, সংস্থানসমূহ বা পণ্য (যদি অনেকগুলি থাকে তবে একটি সাইডবার তৈরি করা বিবেচনা করুন) ইত্যাদি ইত্যাদি আরও অনেক কিছু যা যা আপনার পছন্দ।

আপনি জড়ো করা সমস্ত কিছু সংগ্রহ করুন এবং এটি একটি ফোল্ডারে, একটি ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট, একটি নোটবুক বা আপনার পছন্দসই কিছুতে রেখে দিন। আপনার যদি পরে কোনও সম্পাদক কর্তৃক সেগুলি যাচাইয়ের জন্য জিজ্ঞাসা করা হয় তবে সেই সূত্র ধরে রাখতে ভুলবেন না। আপনি আপনার গবেষণার মাধ্যমে এটি সংগ্রহের থেকে পৃথক বৈঠকে আলাদা করে দেখতে চাইতে পারেন। অথবা এগিয়ে যাবেন এবং যখন আপনি এটি খুঁজে পাবেন ঠিক তখনই আপনার গবেষণাটি কাজে লাগান।

ধাপ- ৪: আপনার খসড়াটি আরও পরিপক্ক করুন।

আপনার শ্রোতাদের কথা মাথায় রেখে আপনার সংগৃহীত নতুন সহায়ক তথ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি কড়া খসড়া লিখুন। কখনও কখনও আপনি দ্বিতীয় এবং ৩য় ধাপে যা শিখেছেন তা আপনাকে পুরোপুরি তাজা খসড়া শুরু করতে বাধ্য করতে পারে। বা আপনার শ্রোতাদের সরাসরি সম্বোধনের মাধ্যমে একটি দারুন কথোপকথনের স্বর ধরে রাখতে পারে। আপনি যা যা করেছেন তা আপনি কেবল পুনরায় সংশোধন করে নিতে পারেন।

এবার যখন আপনি আপনার খসড়াটি পড়বেন তখন নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন: এটি কি কাজ করছে? এটি কি খুব সাধারণ, খুব কম ওজনের, অবিবেচিত, অস্পষ্ট? ইত্যাদি। যদি তা হয় তবে নিবন্ধের জন্য আপনার প্রিয় কিছু প্রকাশনাগুলির দিকে দৃষ্টি দিন। আপনি তখন হয়তো বুঝতেও পারবেন যে লেখকরা কী কৌশল ব্যবহার করছেন।

ধাপ-৫: আপনার নিবন্ধটি স্পেসিফিক করুন।

আপনি আপনার প্রক্রিয়াটিতে প্রতিটি প্রাসঙ্গিক পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করেছেন কি না তা দেখতে ডাবল চেক করুন। কীভাবে নিবন্ধগুলি পুরোপুরি হবে তা যাচাই করুন। আপনার বিবরণটি যদি আরও বেশি দিকে থেকে চলতে থাকে তবে এর সাবহেডগুলি নির্দেশিত মূল পয়েন্টগুলিতে ভেঙে দিন। জটিল তথ্য সংশ্লেষ করা এবং এটিকে ধাপে বিভক্ত করা অনলাইন লেখার জন্য বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি মুদ্রণের একটি প্রবণতা বলেও ধরে নেয়া হয়।

ধাপ-৬: পড়ুন ও রিভিউ করুন।

আপনার সহায়ক বন্ধুকে জোরে জোরে আপনার নিবন্ধের খসড়াটি পড়ে শুনান। তারপর তাকে একাধিক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন: যেমন, তিনি কি এখন প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারেন? কোন পদক্ষেপ অনুপস্থিত আছে? তিনি এই বিষয় সম্পর্কে জানতে চান এমন অন্য কিছু আছে? তিনি কি নিজেই এই কাজটি করতে পারতেন? আপনার বন্ধুর পরামর্শগুলি মাথায় রেখে কী পরিবর্তন করা দরকার তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার সর্বোত্তম রায়টি ব্যবহার করুন।

Continue Reading