Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

রাগ নিয়ন্ত্রণের কার্যকরী কিছু উপায় | এখনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন

Md Ruhul Amin

Published

on

Angry

আপনি শেষ কবে রাগ করেছেন? আগামীকাল বা আজ কিংবা ধরুন আপনি রাগই করেন না, কি! এমনটাও কি হতে পারে! এমন বিষয় আসলেই বিরল। এমন অনেকেই আছেন যারা নিজেদের রাগ নিয়েই রাগান্বিত। বিষয়টা অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি। অনেকে চাইলে সহজে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। আজ তাদের জন্যই নিয়ে আসলাম কিছু টিপস। যেগুলোর এক বা একাধিক পদ্ধতি মেনে চলার মাধ্যমে আপনি আপনার রাগকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন।

রাগ হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে? এ বিষয়ে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা নানা ধরনের পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। রাগ সবার হয়, এটা আসবে যাবে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এটিকে সঠিকভাবে প্রকাশ করতে জানতে হবে। অনুতপ্ত হওয়ার কোন দরকার নেই, সঠিকভাবে রাগের প্রকাশ করতে হলে আগে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর নিয়ন্ত্রণ করতে হলেও রাগের প্রকাশ থাকতে হবে। প্রকাশ না করলে ওই রাগটা জমে থাকবে এবং সেটা একসময় না একসময় বেরিয়ে আসবে। গ্লাসের পানি ধারণের জন্য একটি ক্ষমতা থাকে ঠিক তেমনি একজন মানুষের রাগ ধারণেরও নির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে।

কেউ যখন রেগে যায় তখন তার ভেতর কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়, যেমন তার শরীরের পেশী গুলো শক্ত হয়ে যায়, তার হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় এমনটা হলে যা করতে হবে সেটি হচ্ছে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে। সেটা কিভাবে করবেন? ১ থেকে ৫ গুনতে গুনতে শ্বাস ধরে রাখতে হবে, আর তারপর ১ থেকে ৫ গুনতে গুনতে শ্বাসটা মুখ দিয়ে ছাড়তে হবে। এভাবে পরপর তিনবার করুন। যদি আপনার মনে হয় রেগে যাচ্ছেন তাহলে আপনি সঙ্গে সঙ্গে এক থেকে দশ পর্যন্ত গুনতে শুরু করুন, এতে মন অন্যদিকে স্থানান্তরিত হবে এবং রাগটাও ধীরে ধীরে কমে আসবে। এছাড়া যে স্থানে দাঁড়িয়ে বা বসে আছেন সেখান থেকে সরে যান, বারান্দায় চলে যান বা দরকার হলে অন্য কোনো রুমে চলে যান। যদি রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আরেকটি কার্যকরী উপায় হতে পারে বরফ চেপে ধরা। রাগের সময় হাতের নিকটে যদি বরফ পেয়ে যান তাহলে সাথে সাথে হাত দিয়ে বরফ চেপে ধরুন।

বরফ মেজাজ শীতল করতেও বেশ কার্যকরী। যদি সম্ভব হয় তাহলে যে কাপড় পড়ে আছেন সেই কাপড় পড়ে গোসল করে ফেলুন, এতে রাগের মাত্রা অনেকটাই কমে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রেই রাগ হলে কান্না পায় সেটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন? সেক্ষেত্রে কান্নাকে নিয়ন্ত্রণ না করে কেঁদে ফেলুন। কারণ এটা আপনার রাগ কমাতে অনেকটা সাহায্য করবে। অনেক সময় দেখা যায় এমন সব ব্যক্তির উপর রাগ হয় যাদের কিছু বলা সম্ভব হয় না, যেমন পরিবারের বয়োজোষ্ঠ ব্যক্তি কিংবা অফিসের বস। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে যা বলতে চান তা কাগজে লিখে ফেলুন এবং পরে তা ছিঁড়ে ফেলুন কিংবা ঐ ব্যক্তির একটি ছবি আঁকুন বা তার নামটি কাগজে লিখুন, দরকার হলে খুব জোর দিয়ে লিখুন যাতে কাগজটি ছিড়ে যায় তাতে কোনো সমস্যা নেই। এই পদ্ধতিগুলো রাগ কমাতে অনেকটা সাহায্য করে।

বল থেরাপি নামে একটি বিষয় রয়েছে যেটিও রাগ কমাতে সাহায্য করে। মানুষ রেগে গেলে তার মধ্যে এক ধরনের শক্তি তৈরি হয়, এক্ষেত্রে কিছু নরম বল আছে যেগুলোকে হাতে নিয়ে চাপ দিলে ওই শক্তি স্থানান্তরিত হয়, যার কারনে রাগ কমে যায়।

রাগ কমানোর জন্য যোগ ব্যায়াম করা যেতে পারে এটি শরীর এবং মনকে সতেজ রাখে যা ভবিষ্যতে রাগ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে ধর্মচর্চাও রাগ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত করতে ভালো লাগে এমন নানা ধরনের কাজ করার চেষ্টা করতে পারেন। কারো সাথে রাগের কারণ শেয়ার করতে পারেন কিংবা শরীরচর্চা করতে পারেন। রাগ যখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে তখন রাগের কারণটা ভেবে দেখতে হবে যে আসলেই রাগ করাটা ঠিক হয়েছে কিনা অথবা রাগ করার পেছনে আসলেই কোনো কারণ আছে কি না।

বেশিরভাগ সময় দেখা যায় যে রাগের কারণ ভেবে দেখতে গেলে তেমন কোনো কারণে পাওয়া যায় না সেক্ষেত্রে সমাধানটা হয়েই যায়। কিন্তু যদি আসলেই কোনো কারণ পাওয়া যায় তাহলে যার ওপর আপনার রাগ হয়েছিল তাকে ভাল করে বুঝিয়ে বলতে হবে। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন, পরিস্থিতি যাতে আপনার নিয়ন্ত্রনে থাকে এবং যে ব্যক্তিকে আপনি বুঝিয়ে বলছেন সে যাতে উল্টে আপনার উপর রেগে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

Advertisement
2 Comments

2 Comments

  1. Afra Anjum Nira

    Afra Anjum Nira

    December 4, 2020 at 9:37 pm

    gd

  2. Maruf Ahmed

    Maruf Ahmed

    December 6, 2020 at 2:03 am

    অযু করলেও রাগ কমে যায় ভাইয়া। কারণ, রাগ আসে শয়তানের পক্ষ থেকে, যা মানুষকে একটা ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে আসে

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

মশা কেন মানুষের রক্ত খায়

Bd Blogger

Published

on

আপনি কি জানেন মশা রক্ত খায় কেন? মানবদেহের রক্ত পান করার বিষয়টি মশার এলই বা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তবে কারণটি বেশ অবাক। বলা হচ্ছে, প্রথমদিকে মশারা রক্ত পান করতে অভ্যস্ত ছিল না। পরে এটি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
বলা হচ্ছে, মশা শুকনো অঞ্চলে বসবাস করার কারণে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের রক্ত পান শুরু করে। যখনই আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মশা তাদের পুনরুত্থানের জন্য জল পান না, তারা মানব বা পশুর রক্ত খেতে শুরু করে।নিউ জার্সির প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার অ্যাডিস এজিপ্টি-এর মশা নিয়ে গবেষণা করেন। এই মশার কারণে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণেই ডেঙ্গু এবং পীত জ্বরও হয়।
নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আফ্রিকার মশার মধ্যে নানান ধরনের এডিস এজিপ্টি মশা রয়েছে। সব মশা প্রজাতির মশা রক্ত পান করে না। তাঁরা অন্য কিছু খেয়ে বা পান করে বেঁচে থাকে।তারপরে তারা কীভাবে রক্ত পান করে তা বোঝার জন্য তাদের একটি ল্যাব বক্সে রেখে দেওয়া হয়। তারপরে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি মশার খাবার সম্পূর্ণ আলাদা।নোহ জানিয়েছেন, সমস্ত মশাই যে রক্ত খায়, এধারনা ভুল। যে অঞ্চলে বেশি খরা বা উত্তাপ রয়েছে বা জল কম রয়েছে সেখানকার মহাই রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রজননের জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন মেটাতেই তাঁরা রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ই পরিবর্তনটি কয়েক হাজার বছর ধরে মশার মধ্যে রয়েছে। শহরটি বিকাশ অব্যাহত রেখে বিপুল সংখ্যক জলের মশা কমতে শুরু করে এবং তারা মানবদেহ এবং অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ত খেতে শুরু করে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না। বরং মেনে নেয়া শিখতে হবে

Eshrad Ahmed

Published

on

ব্যর্থতা আমাদের লাইফস্টাইলেরই অন্তর্গত। আমাদের জীবনে সফলতার বিপরীতে ব্যর্থতা আছে বলেই তার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। যদি তুলনা করার জন্যে ব্যর্থতা না থাকতো, তাহলে মানুষ সফলতার পেছনে এতখানি ব্যস্ত হয়ে ছুটতো না!

 

এই ব্যর্থতাকে মেনে নিতে আমাদেরকে অনেকেই বলেছেন। বিখ্যাত মানুষেরা সফল হবার আগে ব্যর্থ হতে বলেন। কারণ ব্যর্থ না হলে কোথায় ভুল হচ্ছে বা ঘাটতি আছে সেটা শেখা যাবে না। কিন্তু এখানে একটা ব্যপার আছে। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এমনভাবে বড় করা হয় যে, আমরা শুধু সফল হতেই শিখি। মুদ্রার উল্টো পিঠে ব্যর্থতাকে চিনতে পারি না। মেনে নিতে পারি না।

 

অনেকেই বলেন- সফল হবার পূর্বশর্ত হচ্ছে ব্যর্থ হতে হবে। একবার ব্যর্থ হওয়া মানে কাজ ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং আরও বেশি পরিশ্রম আর বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে। লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। এই অসফলতা সবাইকেই ভোগ করতে হয়। এর উর্দ্ধে আমরা কেউ নই। একটা সময়ের পর মনে হবে এই ব্যর্থতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একবারেই সফল হয়ে গেলে সমস্যা বা ঝামেলাগুলোর সাথে হয়তো পরিচয় ঘটতো না।

 

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না এটা ধ্রুব সত্য। কিন্তু হতাশ হলে বা থেমে গেলে চলবে না। সবসময় মুদ্রার অপর পিঠটা দেখার বা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। জীবনধারণ করতে গিয়ে প্রতিটি জায়গায় কেউই কখনো সফল হতে পারে না! কিছু কিছু জায়গায় অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হয়। এর মানে পিছিয়ে পড়া নয় বরং নতুন করে শেখার দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।

 

কি করতে পারেন?

১। ব্যর্থ হলেও নিজেকে উৎসাহ দিন।
২। কিছুটা সময় নিয়ে আবার কাজে লেগে পড়ুন।
৩। লিপিবদ্ধ করতে পারেন ব্যর্থতার ঘটনাগুলো এবং তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন।
৪। আশাহত হবেন না। অন্ধকার কাটিয়েই ভোর হয়। তেমনি ব্যর্থ হওয়া মানে আপনি সফলতার খুব কাছাকাছি আছেন।

 

মনস্তাত্বিক এক গবেষণায় দেখা গেছে- বর্তমানে মানুষ খুব বেশি বিচার করতে চায়। বিচারের মাপকাঠিও বদলে গেছে। এখন প্রতিযোগিতা এত বেশি যে, আরেকজনকে দমানোর জন্যে তার ব্যর্থতার ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। উৎসাহ দেয়ার বদলে নিরুৎসাহিত করছে।

 

আমাদের জীবনযাত্রা অনেক জটিল হয়ে গেছে একথা সত্য। আর সেইসাথে আমাদের চিন্তাধারাও বদলে যাচ্ছে। ব্যর্থতা আর হতাশার দুঃখ কাটাতে অনেকেই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন সাময়িক প্রশান্তির জন্যে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান বের করতে পারছেন না।

 

তাহলে উপায় কি? উপায় হলো- প্রতিদিনের কাজের তালিকা রাখুন আর নিজেকে নিজেই বিচার করুন। আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করুন। আর কোনো কাজে ব্যর্থ হলে তার কারণ খুঁজতে চেষ্টা করুন। দেখবেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এরপর সফলতা অর্জন করাটা সহজ হয়ে যাবে।

 

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

শসার ৭ টি উপকারিতা

SA Bappy

Published

on

শসা আমাদের কাছে অতি পরিচিত একটি সবজি। এটি কাঁচা ও রান্না করা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়। বাংলাদেশের সব জায়গায় কমবেশি শসা পাওয়া যায়। এটি অনেক সুস্বাদু একটি সবজি। আমরা যেকোনো তৈলাক্ত খাবার খেলে তেল পরিশোষক হিসেবে শসা খেয়ে থাকি।শসা খাওয়ার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।আসুন শসা খাওয়ার কিছু উপকারী দিক সম্পর্কে জেনে নেই।

দেহের পানিশূন্যতা দূর করে

দেহের শতকরা ৯০ ভাগই পানি।যারা শসা খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য একটি সুবিধা হলো যে আপনারা কোথাও বেড়াতে গিয়ে হাতের কাছে পানি না পেলে বিকল্প হিসেবে শসা খেতে পারেন। এতে করে আপনার পিপাসার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। আপনার চেহারা হবে প্রাণবন্ত।

দেহে তাপের সমতা রক্ষা করে

অতিরিক্ত গরমের কারণে কিংবা আবহাওয়াগত কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া হয়।অস্বস্তির অনুভূতি হয়।এসময় শসা হতে পারে একটি বড় সমাধান। এসময় একটি শসা খেয়ে নিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিতে অনেক সময় ত্বকে কালচে ভাব পড়ে। এ অবস্থায় একটি শসা কেটে ত্বকে লাগিয়ে দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

দেহে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে

শসার পানি দেহের ক্ষতিকর টক্সিন এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।আমরা প্রতিদিন যে খাবারগুলো খাই এর উপকারিতার পাশাপাশি কিছু অপকারিতাও রয়েছে। উপকারী অংশ রক্তের মাধ্যমে পরিশ্রুত হয়ে দেহের কাজে লাগে এবং অপকারী অংশ টক্সিন বা বর্জ্য হিসেবে জমা হয়।শসা খেলে এই টক্সিনগুলো দূর হয়।

ভিটামিনের অভাব পূরণে

শসা নানারকম ভিটামিনের সমাহার। আমাদের দেহের জন্য যেসব ভিটামিন প্রয়োজন তার বড় একটি অংশ শসাতে বিদ্যমান।ভিটামিন এ,বি এবং সি হচ্ছে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ভিটামিন যা শসাতে সবসময়ই পাওয়া যায়। কোনো ব্যাক্তি প্রতিদিন শসা খেলে তার ভিটামিন এ,বি ও সি জনিত সমস্যা হবে না।

খনিজের যোগানদাতা

শসায় পটাশিয়াম,ক্যালশিয়াম,ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন থাকায় এটি দেহে প্রচুর পরিমাণে খনিজের যোগান দেয়। দেহে অন্যান্য ৫ টি উপাদানের পাশাপাশি খনিজও অপরিহার্য। যথার্থ খনিজের অভাবে দেহে গলগণ্ড রোগের সৃষ্টি হয়। কোনো ব্যাক্তি নিয়মিত শসা খেলে খনিজ জনিত জটিলতা দূর হবে।

হজম ও ডায়োড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

শসায় রয়েছে উচ্চমাত্রার পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরি যা স্থুল ব্যাক্তিদের স্লিম হতে সহায়তা করে। যারা ডায়োড নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান শসা তাদের জন্য একটি আদর্শ খাবার।

দৃষ্টিশক্তি সুদৃঢ় করে

এখানে একটি মজার ব্যাপার হলো শসায় ভিটামিন এ থাকায় এটি এমনিতেই চোখের জন্য উপকারী। আমরা সৌন্দর্যচর্চায় চোখে শসা কেটে লাগায় এতে করে চোখে জমাকৃত ময়লা দূর হয় এবং দৃষ্টিশক্তি সুদৃঢ় হয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে

শসাতে সিকোইসোলারিসিরেসোনোল,ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল থাকায় জরায়ু, স্তন ও মুত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে।

এসব ছাড়াও শসার আরও নানা উপকারী দিক রয়েছে। আগেই বলেছি শসার উপকারী দিক বর্নণা করে শেষ করা যাবে না।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট