Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ল্যাপটপ নাকি কম্পিউটার?

Published

on

ল্যাপটপ নাকি কম্পিউটার! নতুন ব্যাবহারকারীরা প্রায়শই এই সমস্যায় ভুগেন। তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না কি কিনবেন, ল্যাপটপ নাকি কম্পিউটার।
তবে আমি মনে করি দুটোরই একটা নিজস্বতা রয়েছে। নিজের দিক থেকে দুটোই সেরা। তবে আমি এখন আপনাদের মাঝে দুটোরই ভালো এবং খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করবো। এর পর আপনারাই বেছে নিবেন আপনাদের পছন্দ কোনটি।

আপনি যদি টুকটাক ইউজার হোন, অল্পসল্প কাজ করতে চান,বিদ্যুৎ না থাকার পরও বেকাপ পেতে চান, ট্রাভেল করে কাজ করতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ পছন্দ হবে ল্যাপটপ। ল্যাপটপে আপনি ভারি কাজও করতে পারবেন, তবে তার জন্য আপনাকে মোটা অংকের টাকা গুনতে হবে। আপনি যদি ল্যাপটপে গেইম খেলতে চান তাহলে আপনার ল্যাপটপ এর বাজেট লাখ ছাড়াতে পারে। তাই ভারি কাজের জন্য ল্যাপটপ না নেয়াই ভালো। অফিসের টুকটাক কাজ বা কলেজ – ভার্সিটির প্রেজেন্টেশন এর জন্য এবং অনলাইন ব্রাউজিং এর জন্য আপনি ল্যাপটপ ব্যাবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ হাজার এর মধ্যে ভালো একটি ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন যা দিয়ে হালকা কাজ করতে পারবেন। তবে ভারি কাজের জন্য আপনাকে বাজেট টা একটু প্রসারিত করতে হবে।

কিন্তু আপনি যদি ভারি কাজ করতে চান। আপনি গেইমিং পছন্দ করেন আর হাই কোয়ালিটির গেইম খেলতে চান অথবা ভালো মানের ভিডিও এডিটিং করতে চান কোন প্রকার বাধা ছাড়া তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে একটি কম্পিউটার ক্রয় করতে পারেন। হয়তো বিদ্যুৎ না থাকার কারণে কোন ধরণের বেকাপ পাবেন না। তবে খুজ আরামে কাজ করতে পারবেন। আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনি ভবিষ্যৎ এ ইউটিবে ভিডিও বানাতে চান অর্থাৎ ইউটিবার হতে চান তাহলে আপনার জন্য আদর্শ চয়েজ হবে একটি ভালো মানের কম্পিউটার। তবে বিদ্যুৎ না থাকলে আপনি কম্পিউটার চালাতে পারবেন না। আর আপনি এসব কাজ করার জন্য ত্রিশ হাজার টাকার মধ্যে একটি কম্পিউটার পেয়ে যাবেন। আপনি কম্পিউটারে যেকোনো ধরণের ফ্রিলান্সিং করতে পারবেন। যেমন ওয়েভ ডিজাই, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি। আপনি আপনার বাজেট বাড়ালে আপনার কম্পিউটার এর মান আরো বাড়বে কিন্তু ত্রিশ হাজার দিয়ে যদি আপনি একটি কম্পিউটার ক্রয় করেন, তাহলে খুব সহজেই যেকোন কাজ করতে পারবেন কোন প্রকার বাধা ছাড়া।

তাই আমি বলবো আপার বাজেট যদি কম থাকে আর আপনি যদি খুব বেশি কাজ করতে চান তাহলে আপনার জন্য সেরা পছন্দ হবে কম্পিউটার। তবে আপনার বাজেট যদি অনেক বেশি থাকে তাহলে একটি ল্যাপটপ নিতে পারেন যা আপনাকে বিদ্যুৎ না থাকার পরও এক্সট্রা ব্যাটারি বেকাপ পাবেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

রোবট কাহিনি

Published

on

রোবট শব্দের অর্থ হচ্ছে দাসত্ব। এই সুত্র থেকেই যন্ত্র দাস বা যন্ত্র ক্রীতদাস অর্থে রোবট শব্দটির ইংরেজিভাষায় প্রথম ব্যবহার করেন ইউরোপীয় লেখক কারেল চাপেক তার আর ইউ আর নাটকে। চাপেক এর নাটকের পর থেকেই রোবট শব্দটি ইংরেজিভাষায় পাকাপাকি ভাবে জায়গা করে নেয়।

মার্কিন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী উইলিয়াম গ্রে সর্বপ্রথম রোবট পশু তৈরি করেন। গ্রে তার রোবট পশুর নাম দিয়েছিলেন টেস্টিউডো যার অর্থ কচ্ছপ। তিনি যন্ত্রটি এমন ভাবে তৈরি করেছিলেন যাতে সেটি কোন জীবন্ত প্রানির একাধিক প্রতিক্রিয়া নকল করতে পারে। যেমন যন্ত্রটির চোখের জায়গায় ছিল আলোক তড়িৎ কোষ, স্পর্শ অনুভব করার জন্য ছিল সুবেদি ব্যবস্থা। এছারা সামনে পিছনে কিংবা বাক নেয়ার জন্য ছিল একাধিক মোটরের ব্যবস্থা। রোবটটি অন্ধকারে চলতে পারত । চলার পথে যখনি কোন বাধা পেত তখনি কিছুটা পিছিয়ে এসে সামান্য বাক নিয়ে আবার এগিয়ে যেত সাম্নের দিকে। এইভাবে বার বার বাধা পেলেও রোবটটি পাশ কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারত। আবার তার চোখ কোন আলো দেখতে পেলে সরাসরি সেই আলোর দিকে এগিয়ে যেত। কিন্তু রোবটটির ব্যাটারির ক্ষমতা কমে গেলে তার আচরন পাল্টে যেত। ব্যাটারি কমে গেলে রোবটটি নিজে নিজেই চার্জ এর জায়গায় গিয়ে নিজেকে চার্জ করতে পারত। ব্যাটারি চার্জ করা শেষ হলে সে নিজেই বের হয়ে আসত। আবার নিজের কাজে নিয়জিত হত।

আজকের দিনে টেস্টিউডের মত অনেক খেলনা হয়ত পাওয়া যাবে । কিন্তু সেই সময়ে উইলিয়ামের বুদ্ধিমান রোবট পশু যে একটি অভিনব আবিষ্কার ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই।

বিভিন্ন জিনিসের যেমন শ্রেনিবিভাগ আছে তেমনি রোবটেরও শ্রেনিবিভাগ আছে। রোবটকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। টার্টল, আর্ম, মোবাইল। টার্টল অনেকটা টেস্টিউডের মত। ছক  বাধা নিয়ম অনুসরন করে চলে। আর্ম হল বাহু সম্পন্ন রোবট। যা একই জায়গায় দারিয়ে থেকে শুধু যান্ত্রিক বাহু দ্বারা কোন জিনিশ তুলে নেয়, জোরা লাগায় বা কোন কাজ করে থাকে। আর মোবাইল হল বুদ্ধিমান চলমান মোটর রোবট। এ ধরনের রোবটের অনেক রকম নির্দেশ মেনে কাজ করার ক্ষমতা আছে। যেমন কুকুরকে বেরিয়ে নিয়ে আসা বা গ্লাসে পানি ঢেলে দেয়া । এ রকম আরও বহু কাজ করতে পারে।

রোবটের মস্তিষ্ক হচ্ছে একটি কম্পিউটার ,আর তাকে যেসব নির্দেশ দেয়া হয় তা কম্পিউটার প্রোগ্রাম বলা যেতে পারে। এই নিতি কাজে লাগিয়ে পশ্চিমের জগতে অনেক রোবট তৈরি করা হচ্ছে। আর্ম রোবট বেশিভাগ কলকারখানায় কাজে লাগান হয়। আর টার্টল রোবট বিভিন্ন গবেষণা কাজে ব্যাবহার করা হয়।

সুইডেন এ রোবট সংখ্যা সব থেকে বেশি। কারন সুইডেনে শ্রমিক এর অনেক অভাব। এর পরে আছে জাপান। সব শেষে ইতালি। ভারতেও রোবট ব্যাবহার সুরু হলেও তার সংখ্যা অনেকই কম।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

যে গাছে ধরে চল্লিশ প্রজাতির ফল

Published

on

একই গাছে চল্লিশ রকম ফল! অবাক হচ্ছেন? ঘটনাটির সূচনা ঘটিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্যাম ভেন অ্যাকেন। কিন্তু তিনি সবাইকে অবাক করার জন্য আবিষ্কার করেননি। তার মূল লক্ষ্য ছিল বিরল প্রজাতির কিছু ফলকে সংরক্ষণ করা।
শুরুটা হয় ২০০৮ সালে।

যখন ভ্যান অ্যাকেন জানতে পারেন, পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় নিউ ইয়র্কের জেনেভার একটি কৃষি গবেষণা স্টেশনের একটি ফলের বাগান বন্ধ হতে চলেছে। সেখানে অসংখ্য মিশ্র ও দেশজ প্রজাতির বিভিন্ন রকমের ফলের গাছ ছিল। সেখানকার বেশ কয়েকটি গাছের বয়স ১৫০-২০০ বছর হবে।

অথচ টাকার ঘাটতির কারণে অনেক দুর্লভ প্রজাতির ফলগাছ শেষ হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ঠিক সেই সময় ফল বাগানটি কিনে নেন ভেন অ্যাকেন।

এবং তিনি ভাবলেন দুর্লভ প্রজাতির ফলগাছগুলোকে কী করে একত্রে রাখা যায়। তার মাথায় এল কলম করার বুদ্ধি। তারপর গাছগুলো থেকে কলম নিয়ে একটি গাছে রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগলেন এবং এভাবে গাছটির বয়স দু’বছর হলে তিনি চিফ গ্রাফটিং নামক একটি নতুন পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা শুরু করলেন । অতঃপর ফলের কলিসহ অন্য একটি গাছের ফালি পরীক্ষা করা গাছটির মধ্যে কেটে সেখানে স্থাপন করেন।

সেটা সেভাবেই কয়েক মাস রেখে শীতকাল পার করা হয়। সব ঠিকঠাক থাকলে , পরীক্ষা করা গাছটির শাখা-প্রশাখা অন্য আর দশটি গাছের মতোই বেড়ে উঠবে।এরপর তিনি দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ এই এক্সপেরিমেন্ট চালানোর পর ভ্যান অ্যাকেনের প্রথম চল্লিশটি ফলের গাছটি ভাল ভাবে বেড়ে ওঠে।তার এই আবিষ্কার সবাইকে অবাক করে দেয়। তিনি জন্ম দেন নতুন এক ইতিহাসের। একটি গাছে চল্লিশ রকম ফলের উদঘাটন করে সবাইকে চমকে দেয়। এর আগে কেউ হয়তো এমন আশ্চর্যজনক ভাবে কোন কিছু আবিষ্কার করেন নি। পৃথিবীর ইতিহাসে তার এই অবদান সত্যিই অতুলনীয়।

স্যাম ভেন অ্যাকেন পেন্সিলভানিয়া ডাচের একটি কৃষক পরিবারে সন্তান তিনি। তিনি একজন সাধারণ মানুষ হয়ে অসাধারণের সূচনা করেন। ভ্যান অ্যাকেন আড়াইশ’ প্রজাতির ওপরে কাজ করেছেন।তাঁর আবিষ্কার এখানে শেষ নয়। তিনি ভবিষ্যতে তার ইচ্ছে গ্রামাঞ্চলে নয়, শহরের নানা এলাকায় এ ধরনের গাছ লাগাবেন। পোর্টল্যান্ডের কাছে দক্ষিণ মেইনে তার নিজস্ব ফল বাগান করার পরিকল্পনা করেছেন। ফল উৎপাদনের ধারায় এক নতুন ইতিহাস তৈরি করছে এই চল্লিশ ফলের গাছ।

আপনি ভাবছেন তিনি হয়তো বড় কোনো কৃষি গবেষক। কিন্তু না তিনি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন চিত্রশিল্পকে। বর্তমানে সিরাকিউজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাস্কর্যবিদ্যা বিভাগে অধ্যাপনা করছেন তিনি। তবে তার জীবনের সেরা কীর্তিটির পেছনে কৃষিবিদ্যা ও চিত্রশিল্প দুটোরই অবদান আছে। পেশাগত ভাবে চিত্রকে বেছে নিলেও তিনি কৃষি ক্ষেত্রে এমন আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটান। যা সত্যিই অবাক করার বিষয়। যে বিষয়ে তাঁর তেমন ধারণা নেই সে বিষয়ে এমন অবদান সৃষ্টি করে সবাইকে চমকে দিলেন তিনি। তাঁর এই আবিষ্কারের ফলে কৃষি কাজের অনেকটা সহায়তা হবে।

তিনি একজন অতুলনীয় মানুষ। তাঁর চিন্তা ধারায় তৈরি কৃত এই আবিষ্কার সত্যিই অতুলনীয় ও অসাধারন। তাঁর এই আবিষ্কার সাধারণ মানুষের জন্য অনেক উপকারে আসবে। তাঁর মত এমন অন্য জনের উপকার করে আবিষ্কার করা কোন সাধারণ কাজ নয়। এমন কাজের জন্ম দেয়াটা সত্যিই অবাক করার মত। হয়তো একদিন পৃথিবীর বড় বড় আবিষ্কারকদের মাঝে তাঁর এই অবদানটিও উল্লেখ্য থাকবে।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

মঙ্গল গ্রহে জীবন

Published

on

By

বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানীদের কাছে মঙ্গলগ্রহ নিয়ে আগ্রহ কম নয়। মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধানে বিজ্ঞানীদের জল্পনা কল্পনা ব্যাপক। মঙ্গলগ্রহ সম্পর্কে আমরা অনেকে তেমন ঠিকভাবে জানিনা। তাই নিচের লিখাটির মাধ্যমে বিস্তারিত জেনে আসি মঙ্গলগ্রহ সম্পর্কে। মঙ্গল গ্রহের সাথে পৃথিবীর তুলনামূলক মিল থাকার কারণে জ্যোতিজীববিজ্ঞানে অত্যন্ত আগ্রহের একটি বিষয়। এখন অব্দি অবশ্য মঙ্গল গ্রহে কোনো জীবনের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অবশ্য ক্রমবর্ধিষ্ণু একাধিক প্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে প্রাচীন কালে এই গ্রহে তরল পানির উপস্তিতি ছিল। যা গ্রহটির আণবিক জীবন থাকার সম্ভাবতাকে বাড়িয়ে দেয়। অবশ্য এতেই নিশ্চিত করে বলা যায় না যে ,বর্তমানেও গ্রহটিতে প্রাণ বা জীবন বিদ্যমান। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিজ্ঞানীরা মঙ্গলে প্রাণের সন্ধান শুরু করেছেন। আদিকালের গবেষণা মূলত কল্পনা নির্ভর হলেও বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞানের প্রভাবে মঙ্গলের মাটি ,পাথর এমনকি গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান গ্যাস ইত্যাদির গঠনশৈলীও এই প্রাণের সন্ধান গবেষণার গুরুত্তপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছে। ২০১৬ সালের ২২ শে নভেম্বর নাসা গ্রহটির প্লানিটিয়া ইউটোপিয়া অঞ্চলে ভূগৰ্ভস্থ বরফের সন্ধান পেয়েছে বলে ঘোষণা করে। এতে যে পরিমান পানি পাওয়া গিয়েছে তা প্রায় সুপিরিয়র হ্রদের পানির সমান। ২০১৭ সালে ৫ ই সেপ্টেম্বর বিজ্ঞানীরা রিপোর্ট করেন যে কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গলে রোবনের সন্ধান পেয়েছে,যা পৃথিবীর জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের মধ্যে একটি। এরপূর্বে পাওয়া পানির সন্ধান মঙ্গলে পূর্বে একদা জীবনের অস্তিত্ব ছিল বলেই সমর্থন করে। ১৮৫৪ সালে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজের সভ্য উইলিয়াম হিউয়েল মঙ্গল গ্রহে সমুদ্র ,মাটি এমনকি প্রাণের সম্ভাবনা আছে বলেও তত্ত্ব প্রদান করেনা। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে মঙ্গলে প্রাণের ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ করার হার হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। এই সময়ে একাধিক পর্যবেক্ষক মঙ্গলে খাল পর্যবেক্ষণ করেন।যা পরবর্তীতে অবশ্য দৃষ্টিভ্রম বলে প্রমাণিত হয়। এতসত্বেও মার্কিন বিজ্ঞানী পার্সিভাল লোওয়েল ১৫৯৫ সালে মঙ্গোল গ্রহ ও ১৯০৬ সালে মঙ্গোল গ্রহ ও এর খাল নামক বই প্রকাশ করেন। এই বইয়ে তিনি মঙ্গলে দীর্ঘকাল আগে বিরাজ করা সভ্যতা এই খালগুলো সৃষ্টি করেছেন বলে দাবি করেন পরিবেশে উল্লেখযোগ্য উপাদান হিসেবে তরল পানির উপস্থিতি মঙ্গল গ্রহে জীবন থাকার জন্য উল্লেখযোগ্য উপাদান। তবেই শুধুমাত্র তরল পানির অস্তিত্ব গ্রহটিতে প্রাণের অস্তিত্ব আছে বলে জানান নিশ্চিত করেনা। মঙ্গলের ভূমন্ডলে তরল পানি অবস্থান করতে পারেনা। সর্বনিম্ন উচ্চতায় ভূমিতে তরল পানি মাত্র কয়েক মিনিট অথবা ঘন্টায় থাকতে পারে। তরল পানি ভুপৃষ্ঠে উপস্থিত থাকতে পারেনা। মঙ্গলগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধানে একাধিকবার বিভিন্ন নভোযান পাঠানো হয়েছে মাভেন ,মঙ্গলযান ,ফিনিক্স ও কিউরিওসিটি রোভার। এমন দিন আর বেশি দূরে নয় যেখানে বিজ্ঞানীরা মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাবেন।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন