Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ল্যাপটপ নাকি কম্পিউটার?

Shahriar Ahmed Nafeez

Published

on

ল্যাপটপ নাকি কম্পিউটার! নতুন ব্যাবহারকারীরা প্রায়শই এই সমস্যায় ভুগেন। তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না কি কিনবেন, ল্যাপটপ নাকি কম্পিউটার।
তবে আমি মনে করি দুটোরই একটা নিজস্বতা রয়েছে। নিজের দিক থেকে দুটোই সেরা। তবে আমি এখন আপনাদের মাঝে দুটোরই ভালো এবং খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করবো। এর পর আপনারাই বেছে নিবেন আপনাদের পছন্দ কোনটি।

আপনি যদি টুকটাক ইউজার হোন, অল্পসল্প কাজ করতে চান,বিদ্যুৎ না থাকার পরও বেকাপ পেতে চান, ট্রাভেল করে কাজ করতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ পছন্দ হবে ল্যাপটপ। ল্যাপটপে আপনি ভারি কাজও করতে পারবেন, তবে তার জন্য আপনাকে মোটা অংকের টাকা গুনতে হবে। আপনি যদি ল্যাপটপে গেইম খেলতে চান তাহলে আপনার ল্যাপটপ এর বাজেট লাখ ছাড়াতে পারে। তাই ভারি কাজের জন্য ল্যাপটপ না নেয়াই ভালো। অফিসের টুকটাক কাজ বা কলেজ – ভার্সিটির প্রেজেন্টেশন এর জন্য এবং অনলাইন ব্রাউজিং এর জন্য আপনি ল্যাপটপ ব্যাবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ হাজার এর মধ্যে ভালো একটি ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন যা দিয়ে হালকা কাজ করতে পারবেন। তবে ভারি কাজের জন্য আপনাকে বাজেট টা একটু প্রসারিত করতে হবে।

কিন্তু আপনি যদি ভারি কাজ করতে চান। আপনি গেইমিং পছন্দ করেন আর হাই কোয়ালিটির গেইম খেলতে চান অথবা ভালো মানের ভিডিও এডিটিং করতে চান কোন প্রকার বাধা ছাড়া তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে একটি কম্পিউটার ক্রয় করতে পারেন। হয়তো বিদ্যুৎ না থাকার কারণে কোন ধরণের বেকাপ পাবেন না। তবে খুজ আরামে কাজ করতে পারবেন। আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনি ভবিষ্যৎ এ ইউটিবে ভিডিও বানাতে চান অর্থাৎ ইউটিবার হতে চান তাহলে আপনার জন্য আদর্শ চয়েজ হবে একটি ভালো মানের কম্পিউটার। তবে বিদ্যুৎ না থাকলে আপনি কম্পিউটার চালাতে পারবেন না। আর আপনি এসব কাজ করার জন্য ত্রিশ হাজার টাকার মধ্যে একটি কম্পিউটার পেয়ে যাবেন। আপনি কম্পিউটারে যেকোনো ধরণের ফ্রিলান্সিং করতে পারবেন। যেমন ওয়েভ ডিজাই, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি। আপনি আপনার বাজেট বাড়ালে আপনার কম্পিউটার এর মান আরো বাড়বে কিন্তু ত্রিশ হাজার দিয়ে যদি আপনি একটি কম্পিউটার ক্রয় করেন, তাহলে খুব সহজেই যেকোন কাজ করতে পারবেন কোন প্রকার বাধা ছাড়া।

তাই আমি বলবো আপার বাজেট যদি কম থাকে আর আপনি যদি খুব বেশি কাজ করতে চান তাহলে আপনার জন্য সেরা পছন্দ হবে কম্পিউটার। তবে আপনার বাজেট যদি অনেক বেশি থাকে তাহলে একটি ল্যাপটপ নিতে পারেন যা আপনাকে বিদ্যুৎ না থাকার পরও এক্সট্রা ব্যাটারি বেকাপ পাবেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

এবার স্মার্টফোন দ্বারা কন্ট্রোল করা যাবে বৈদ্যুতিক প্লাগ

Rajib Saha

Published

on

টেকনোলজি রিলেটেড যেই টপিকটি এখন আলোচনা করব সেটি হচ্ছে একটি স্মার্ট গ্যাজেট নিয়ে। গ্যাজেটির নাম হচ্ছে Wyze Smart Plug।Wayze কোম্পানি এই Smart Plug টি তৈরি করেছে।Wyze Smart Plug টি কীভাবে কাজ করে আর কী এর ব্যবহার এই নিয়ে আমরা আজ আলোচনা করব। তো চলুন শুরু করা যাক আজকের টপিক।

একদম প্রথমে আমরা যথন টেলিভিশনের চ্যানেল বদলাম এটিকে স্পর্শ করে অর্থাৎ বাটন ক্লিক করে বদলাতে হতো। সময় বদলাতে লাগল তারপর আসল রিমোট প্রযুক্তি। রিমোট প্রযুক্তি দিয়ে খুব সহজেই আমরা টেলিভিশন স্পর্শ না করেই নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে চ্যানেল চেঞ্জ করতে পারতাম।তারপর জিনিসটা আরও একটু মডার্ন আরও স্মার্ট হলো অর্থাৎ এখন আমরা রিমোট ছাড়াও আমাদের হাতের স্মার্টফোন টির সাহায্যেও সহজেই টিভির চ্যানেল বদলাতে পারি। এখন আমরা স্মার্টফোন দিয়ে টিভিই কন্ট্রেল করা নয় এমনকি এসি,হিটার ইত্যাদি ইলেকট্রনিক ডিভাইস কন্ট্রোল করতে পারি।ব্যাপারটাকে আরও স্মার্ট করা যাক, ওই এসি,টিভিও একটি প্লাগের সাথে যুক্ত থাকে যেই প্লাগটি বিদ্যুৎ সাপ্লাই করে।কিন্তু কেমন হত যদি ওই প্লাগটিকেই আপনার স্মার্টফোন দ্বারা কন্ট্রোল করা যেত?ব্যাপারটা অদ্ভুত না?এই অদ্ভুত ব্যাপারটিকেই বাস্তব করেছে Wyze কোম্পানি ।তারা একটি স্মার্ট প্লাগ যেটির নাম Wyze Smart Plug দ্বারা অদ্ভুত ব্যাপারটি বাস্তবায়ন করেছে।Wyze Smart Plug আপনি আপনার স্মার্টফোন দ্বারা সহজেই কন্ট্রোল করতে পারবেন।যেমন ধরুন আপনার ফ্যানটি Wyze Smart Plug এর সাথে যুক্ত। এখন অনেক রাত, আপনার খুব শীত করছে তাই ফ্যান বন্ধ করা জরুরী কিন্তু আপনি বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছেন না অনেক আলসে ভাব লাগছে এখন কী করবেন?এখন Smartphone দ্বারা সহজেই ঐ প্লাগটি বন্ধ করে দিতে পারেন ফলে আপনার ফ্যান বন্ধ হয়ে যাবে।আবান চালু করতে চাইলেও চালু করতে পারেন।এমন ভাবে ল্যাস্প লাইটটি যদি Wyze Smart Plug এর সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই বন্ধ পারেন।তবে এর জন্য প্রয়োজন একটি অ্যাপ,যে অ্যাপটি Wyze কোম্পানি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।এখন কীভাবে ফোনের সাথে Wyze Smart Plug কানেক্টে করা হয়?
প্রথমে ফোনের ওয়াইফাই অপশনে যেতে হবে তারপর Wyze Smart Plug ডিভাইসটির সরাসরি কোন এক প্লাগের সাথে লাগিয়ে এক্টিভ করা লাগে, এটির Blue light Indicator অাছে যেটি জ্বললে বোঝা যাবে যে ডিভাইসটি অন আছে তারপর আপার ফোনের ওয়াইফাই সেটিংসে যান।ওয়াইফাই অন করলেই ডিভাইসটি পেয়ে যাবেন তারপর ডিভাইসটির সাথে কানেক্ট করতে হবে এবং ডিভাইস টি কানেক্টেড হয়ে যাবে ফোনের সাথে।তখন ই অ্যাপের কাজ অ্যাপের ভিতর ঢুকলেই যেই Wyze Smart Plug টি কানেক্টেড সেটির ডেটা দেখতে পারবেন। তারপর সেখানেই অন অফ করার অপশন থাকবে। ফলে অ্যাপ থেকে সহজেই অন অফ করা যাবে। আবার আপনি টাইমার ও সেট করে রাখতে পারেন সেই অ্যাপে । ধরুন চাচ্ছেন আপনার ঘরের ল্যাম্প বাতিটি (যেটি ডিভাইসটির সাথে যুক্ত)আপনি ঘুমানোর পরেই বন্ধ হোক তাই নির্দিষ্ট টাইমার সেট করে দিতে পারেন।অর্থাৎ যদি টাইমার ৫ মিনিট দেয়া হয় তাহলে ৫ মিনিট পরই লাইটটি বন্ধ হয়ে যাবে।এই ডিভাইস টি স্মার্টফোন চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশী ভূমিকা রাখে।ঘুমানোর আগে দেখলেন আপনার ফোন চার্জ নেই তাই সারা রাত ফোনটা যেন চার্জ হোক এটা চাচ্ছেন কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ফোন ফুল চার্জ হওয়ার পরও চার্জে রাখলে ব্যাটারির ক্ষতি হয়।তাই টাইমার সেট করে রাখলে সময়ের মধ্যে এটি বন্ধ হয়ে যাবে।ফলে ওভারচার্জ হওয়ার বিষয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না,নিশ্চিত ভাবে ঘুমাতে পারেন।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই গ্যাজেটির গুরুত্ব কতটুকু। আশা করি পুরো আর্টিকেলটা পড়ে আপনাদের ভালো লেগেছে।
সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন,ধন্যবাদ।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর বাস্তবিক ব্যবহার

Rajib Saha

Published

on

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি রিলেটেড আজকে যেই টপিকটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর বাস্তবিক প্রয়োগ বা বাস্তবে এর ব্যবহার নিয়ে।পুরো আর্টকেলটি পড়লে  অনেক কিছুই জানতে পারবেন।তো চলুন শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর  নাম হয়তো আমরা সবাই শুনেছি। এটি বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ  শাখা।জিন জীবদেহের বংশগতি ধারণ করে।আর জিন  বহন করে DNA। সুতরাং বলা যায় DNA এর  মধ্যে প্রাণীজগৎের প্রাণীদের  বংশগতি বিষয়ক তথ্য সংরক্ষিত থাকে,যা নিয়ে আমি গত কোন এক আর্টিকেলে লিখেছি,যেটি ছিল DNA Computer নিয়ে,সেটা পাড়লে পড়ে নিতে পারেন।যাহোক আজকে আর সেদিকে গেলাম না।এখন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং আসলে কী?
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো কোন জীবকোষ থেকে কোন সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্যকোনো জীবকোষে স্থাপন ও কর্মক্ষম করা বা নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য জীবের DNA তে পরিবর্তন ঘটানোকেই  বলে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক ভাবে আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।এতদিন হয়তো ভাবতাম শুধু মেডিসিন সায়েন্স বা চিকিৎসা ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহৃত।কিন্তু আসলে তা নয়।জেনেটিক  ইঞ্জিনিয়ার যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় সেগুলো হলো মৎস উন্নয়ন,কৃষি ক্ষেত্রে,পরিবেশ সুরক্ষা,ভাইরাসনাশক বা ভ্যাকসিন তৈরিতে,ফার্মাসিউটিক্যালে,হরমোন তৈরিতে ইত্যাদি ক্ষেত্রে।

মৎস উন্নয়নেঃএখন আমরা অনেক বড় ধরনের রুই মাছ,তেলাপিয়া,কার্প ইত্যাদি দেখে থাকি, এছাড়াও আগে  বাজারে  অনেক মাছ দেখতাম  যেগুলো আগে ছোট ছিল কিন্তু ইদানীং সেই মাছগুলো আশ্চর্যজনক ভাবে একটু বড় দেখায়।আসলে এসবই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জাদু।

কৃষি ক্ষেত্রেঃকৃষিক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভূমিকা ব্যাপক।উন্নত মানের ফসল,সহনশীল জাত,বৈচিত্রতা সবই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলে হয়েছে। বর্তমানে পোমাটো নামের একটি উদ্ভিদ আছে যে  উদ্ভিদে একই সাথে টমোটো ও আলু উভয়ই উৎপন্ন হয়।

পরিবেশ সুরক্ষাঃজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।যেগুলোর  পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

ভাইরাসনাশক তৈরিঃমানুষের কোষ থেকে এক ধরণের রসকে কাজে লাগিয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিয়াররা ভাইরাসনাশক তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছেন।

হরমোন তৈরিঃজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর সুফলে গ্রোথ হরমোন তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।যার ফলে মানুষ বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।

ফার্মাসিউটিক্যালঃজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে জিনের ক্লোনিং করে তা ফার্মেসি শিল্পে ব্যবহৃত।যারা ডায়বেটিস রোগী আছেন বা  যাদের পরিবারের কেউ ডায়াবেটিস রোগী থেকে থাকলে  তারা সবাই ইনসুলিনের সাথে পরিচিত।আসলে এই ইনসুলিন কোথা থেকে আর কীভাবে অাসে?
এই ইনসুলিন মানব দেহের অগ্নাশয়ের আইলেটস্   অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স কোষ থেকে জিন ক্লোনিং এর মাধ্যমে আসে।সুতরাং বলাই যেতে পারে এই ক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর অবদান যে কতটুকু।

  1. অনেক ক্ষেত্রে সন্তান মার পেটে থাকলে সন্তানের অনেক ত্রুটি দেখা যায়।জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলে এসব ত্রুটি সন্তান পেটে থাকলেই সংশোধন করা যায়।ফলে, সন্তান কোন রকমের ত্রুটি ছাড়াই জন্মগ্রহণ করে।
    অতএব,বোঝাই যাচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভূমিকা কতটুকু।আশা করি অনেক নতুন তথ্যই জানতে পেরেছেন।
    সময় নিয়ে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

জেনে নিন টাইল গ্যাজেটের ব্যবহার

Rajib Saha

Published

on

টেকনোলজি রিলেটেড আজকে যেই টপিকটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি খুবই মজার একটি টপিক।একটি গ্যাজেট নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব।যেটির নাম হচ্ছে টাইল গ্যাজেট।তো  কীভাবে কাজ করে এই টাইল গ্যাজেট,কী জন্য ব্যবহার করা হয় এটি? এসব জানতে পারবেন আজকে।তো চলুন শুরু করা যাক।

টাইল  গ্যাজেট এমন একটি গ্যাজেট যেটি হারিয়ে যাওয়া বা ঘরের মধ্যেই কোন বস্তু খুঁজে পাচ্ছেন না,সেই বস্তুটিই খুঁজে বের করতে সক্ষম।  মূলত আমেরিকান একটি কোম্পানি এটি তৈরি করে থাকে। ডিভাইসগুলি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস সহ একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করে, যা ব্যবহারকারীদের ব্লুটুথের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া আইটেমগুলি সনাক্ত করে। 2016 সালের মধ্যে ৪.৫ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রিত হয় এই টাইল। টাইলের দুটি নতুন সংস্করণ, টাইল স্পোর্ট এবং টাইল স্টাইল।
টাইল গ্যাজেড কিভাবে কাজ করে?
এই টাইল গ্যাজেট সিস্টেমটি ডিভাইসে সংযোগ করতে BLE ব্যবহার করে – এটির জন্য প্রয়োজন ব্লুটুথ এবং  ব্যাটারি। ডিভাইসটি  রেঞ্জের মধ্যে থাকলে, আপনি কেবল আপনার ফোনে অ্যাপটি খুলতে পারেন, প্যানেলটি ট্যাপ করে এটি সন্ধান করতে পারেন – তারপর আপনি  রিংটোন বাজাতে পারেন।
টাইল গ্যাজেট কীভাবে Active করতে হয়?
আসলে প্রথমেই বলেছি টাইল মূলত বিভিন্ন ধরণের জিনিস খুঁজতে ব্যবহার করা হয়।অর্থাৎ এমনকি আপনার প্রয়োজনীয় চাবিতেও টাইল গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারেন।টাইল গ্যাজেটে Key Hole এর মতো থাকে যা সহজেই যেকোন চাবির সাথে যুক্ত করা যায়। এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ঘড়ির সাথেও এটি লাগাতে পারেন।মূল কথা বিভিন্ন জিনিসপত্র খুঁজতেই এটি ব্যবহার করা হয়।টাইল গ্যাজেট Activation এর জন্য এর কোম্পানির  দ্বারা ডিজাইন করা একটি App থাকে। এই অ্যাপটি দ্বারা টাইল গ্যাজেট ব্যবহার করার যোগ্য হয় অন্যথায় এটি ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।প্রথমে টাইল  Account খুলতে হবে।এবার ধরুন আপনার বাসায় খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি চাবি আছে।আর স্বাভাবিক ভাবেই চাবির কোন ঠিক ঠিকানা থাকে না যেখানে সেখানেই আমরা ফেলে রাখি। এখন চাবিতে আপনি একটি টাইল গ্যাজেট লাগালেন, তারপর App এ ঢুকলেন, সেখানে কিছু প্রসেস থাকবে আপনার টাইল গ্যাজেট টিতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডেটা থাকবে।সেই ডেটার সাহায্যে এবং কিছু প্রসেস কম্পলিট করলে আপনার চাবির সাথে লাগানো টাইল গ্যাজেটটি আপনার ফোনের অ্যাপের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। এখন টাইল অ্যাপ খুললেই অনেক গুলো অপশন থাকবে যে,কোন বস্তুতে আপনি টাইল গ্যাজেটটি লাগিয়েছেন,যেহেতু আপনি চাবিতে লাগিয়েছেন সেহেতু টাইল অ্যাপেও সেই গ্যাজেটের ডেটাটি থাকবে।সেই ডেটাতে ঢুকলেই আপনি কিছু অপশন দেখতে পারবেন আর টাইল গ্যাজেটে রিংটোন বাজাতে পারবেন।ধরুন আপনার চাবি খাটের তলায় পড়ে আছে, এখন টাইল অ্যাপ থেকে যদি রিংটোন বাজান তাহলে খাটের তলা হতে রিংটোনের শব্দ  আসবে এবং সহজেই যে চাবিটি খাটের তলায় পড়ে ছিলো সেটি পেতে পারবেন। চিন্তা করুন টাইল গ্যাজেটটি যদি ওই গুরুত্বপূর্ণ চাবিটির সাথে না সংযুক্ত করতেন তাহলে চাবিটি যে খাটের তলায় ছিল সে সন্ধান পেতে হয়তো অনেক সময়ের অপচয় হতে পারত।কিন্তু টাইল গ্যাজেট আর টাইল অ্যাপের মাধ্যমে সেই হারানো চাবি মুহূর্তেই খুঁজে পাচ্ছেন, ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না?এবার চলুন চাবিটিকে হারানো যাক। আপনি রাস্তায় হাটঁছেন কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখলেন সেই চাবিটি আপনি হাত থেকে কোথাও ভুলবশত ফেলে দিয়েছেন বা হাত থেকে পড়ে গেছে আর বাসা থেকেও আপনি অনেক দূরে চলে এসেছেন এবার কী করবেন?এবারও আপনাকে চিন্তা করতে হবে না টাইল গ্যাজেটে লোকেশন ফাইন্ডার সিস্টেম ও থাকে।আপনি যদি লোকেশন অপশনটি Enable করে থাকেন তাহলে চাবিটি কোথায় পড়ে আছে সেটি টাইল অ্যাপের ভিতরে গুগুল ম্যাপ দ্বারা দেখতে পারেন।  ফলে চাবিটি যেই এলাকাতে আছে সেই এলাকাতে লোকেশন অনুযায়ী যেয়ে চাবিটি সহজেই খুঁজে নিতে পারেন। অথচ টাইল গ্যাজেট যদি না থাকত তাহলে কী হতো ভাবুন তো?চাবিটি কী খুঁজে পেতেন সহজে?হয়তো নাও পেতে পারতেন।
আবার টাইল গ্যাজেটের সাহায্যে মোবাইল ও খোঁজা যায়।তবে এক্ষেত্রে প্রসেসটি উল্টো অর্থাৎ স্মার্টফোনের সাথে যুক্ত যেই টাইল গ্যাজেটটি আপনার হাতে থাকে সে টাইল গ্যাজেটের বাটনে ক্লিক করলে আপনার ফোন বেজে উঠবে এমনি কী আপনার ফোন সাইলেন্ট থাকলেও।সুতরাং বুঝতেই পারছেন টাইল গ্যাজেটটি কতটুকু উপকারী।
আশা করি পুরো আর্টিকেলটি পড়ে আপনাদের ভালো লেগেছে এবং টাইল গ্যাজেটটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন,ধন্যবাদ। (more…)

Continue Reading