Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

সুস্থ্য ও ফুরফুরে থাকতে এই শীতে আপনার ডায়েট, ঘুম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোসহ নিজের লাইফস্টাইল পরিবর্তন করুন।

Mojammal Haque

Published

on

একই সাথে সকল চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের ভাষ্য মতে, স্বাস্থ্যকর জীবনের মূলমন্ত্র তিনটি। সেগুলো হলোঃ ‘সঠিক খাদ্যাভ্যাস’, ‘পরিমিত ঘুম’ ও ‘স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন’। যেকোনো মৌসুমে এই তিনটি অভ্যাস ঠিক রাখলে সুস্থ্য থাকবেনই।

আমাদের দেশের সব জেলায় খুব বেশি শীত না পড়লেও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু জেলায় ইতিমধ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। অন্যান্য এলাকায় উত্তুরে ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়া ও সাথে হালকা শরীরে কাঁপুনি জানান দিচ্ছে হেমন্তকাল পেরিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের মাঝে শীতকালের আগমন ঘটে গেছে। বাঙালির শীতকাল মানেই হলো বিভিন্ন উৎসবের মৌসুম। এ কারনেই বাঙালির জীবনচর্চায় অনিয়ম আরও বেড়ে যায়।

শীতের এই সময়ে প্রত্যেক বয়সী নারী পুরুষ শিশু বৃদ্ধ সবারই নিয়ম মেনে পরিমাণমতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। অসচেতনতার দরুণ শীতের এ সময়ে শারীরিক অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সমস্যাগুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকমের ত্বকের সমস্যা, অ্যালার্জি, হজমের গণ্ডগোল, ক্ষত ইনেফেকশনের সমস্যা উল্লেখযোগ্য যা প্রায়জনের লেগেই থাকে।

অন্যান্য বছরের শীতের তুলনায় এ বছরের শীত অন্য রকম ও অসুখ বিসুখেট ধরণও অন্যরকম। করোনা ভাইরাস মহামারিতে এ সময় প্রত্যেকের মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে। এ বছর শীতকালিন উৎসবের আমেজ থাকলেও সাথে রয়েছে মনের মধ্যে বিষণ্ণতার এক সুর। খাবার ঘুম থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষা নিয়ে সবাই এখন চিন্তিত।

বহুকাল ধরেই রোগ নিরাময় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন সি এর ভূমিকা বিশেষ ভাবে স্বীকৃত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে ডায়েট পালন করার বিকল্প নেই। এর মধ্যে, প্রতিদিনের ডায়েট এবং ঋতু বিশেষের ডায়েটের মধ্যে কিছু ভিন্নতা থাকবে। প্রতিটি মৌসুমভেদে এই ডায়েট এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও বলিষ্ঠভাবে গড়ে তোলা যাবে। শীতকালে এমনিতেই আমাদের শরীরের কর্মক্ষমতা অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় অনেকটাই কম থাকে।

এই মৌসুমে সাধারণত টক জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করাটা শরীরের জন্য ভালো। আবার শীতকালে মানুষের ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। টক জাতীয় খাদ্য খেলে সেই খাদ্যের মধ্যে ভিটামিন সি এর উপাদানসমূহ ত্বকের যত্ন নেয় এবং ত্বক ভালো রাখে। কাঁচা আমলকি এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।

এছাড়াও রয়েছে মৌসুমি ডাল, গমের আটা, নতুন চাল, ভুট্টা, আখ, গুঁড় ইত্যাদি। এই ধরণের খাবারগুলোতে যথেষ্ট পুষ্টি উপাদান রয়েছে। অপরদিকে, প্রোটিন জাতীয় খাদ্য যেমন দুধ, ডিম ইত্যাদি নিয়ম করে খেলেও শরীর ও স্বাস্থ্য ঠিক থাকে। এই শীতে হাল্কা মশলাযুক্ত ও গরম খাবার গ্রহন করা শরীরের পক্ষে ভাল।

ত্বকের ক্ষেত্রে, আপনার ত্বক যাতে কোমল, নরম, মোলায়েম ও উজ্জ্বল থাকে সে জন্য প্রতিদিন গোসল ও হাত মুখ ধুয়ার পর তেল এবং ক্রিম ব্যবহার করবেন। যেহেতু করোনার এই সময়টাতে বাইরে এত বেশি যাওয়া ঠিক নয় সেহেতু চেস্টা করুন বাড়িতেই রূপচর্চা করতে।
এক্ষেত্রে কাঁচা হলুদ বাটা, চন্দন বাটা এবং অ্যালোভেরা জেল মিলিয়ে মিশ্রন বানিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে দু’দিন মুখে ও ত্বকে লাগান। এতেই এই শীতে আপনার ত্বক অনেক উজ্জ্বল দেখাবে।

বিশেষ করে, শীতের মৌসুমে সূর্যের মিঠা আলো ত্বকের জন্য খুবই ভাল। কারণ, এটি আপনার ত্বকে ভিটামিন ডি এর চাহিদা মেটায়। সূর্যের আলোয় থাকা ভিটামিন ডি শরীরের জন্য অপরিহার্য।

ভালো থাকুক আপনাদের শীতকাল। ঘরেই থাকার চেস্টা করুন। আর, শরীর ও ত্বকের যত্ন নিন। বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

লাইফস্টাইল

মশা কেন মানুষের রক্ত খায়

Bd Blogger

Published

on

আপনি কি জানেন মশা রক্ত খায় কেন? মানবদেহের রক্ত পান করার বিষয়টি মশার এলই বা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তবে কারণটি বেশ অবাক। বলা হচ্ছে, প্রথমদিকে মশারা রক্ত পান করতে অভ্যস্ত ছিল না। পরে এটি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
বলা হচ্ছে, মশা শুকনো অঞ্চলে বসবাস করার কারণে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের রক্ত পান শুরু করে। যখনই আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মশা তাদের পুনরুত্থানের জন্য জল পান না, তারা মানব বা পশুর রক্ত খেতে শুরু করে।নিউ জার্সির প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার অ্যাডিস এজিপ্টি-এর মশা নিয়ে গবেষণা করেন। এই মশার কারণে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণেই ডেঙ্গু এবং পীত জ্বরও হয়।
নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আফ্রিকার মশার মধ্যে নানান ধরনের এডিস এজিপ্টি মশা রয়েছে। সব মশা প্রজাতির মশা রক্ত পান করে না। তাঁরা অন্য কিছু খেয়ে বা পান করে বেঁচে থাকে।তারপরে তারা কীভাবে রক্ত পান করে তা বোঝার জন্য তাদের একটি ল্যাব বক্সে রেখে দেওয়া হয়। তারপরে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি মশার খাবার সম্পূর্ণ আলাদা।নোহ জানিয়েছেন, সমস্ত মশাই যে রক্ত খায়, এধারনা ভুল। যে অঞ্চলে বেশি খরা বা উত্তাপ রয়েছে বা জল কম রয়েছে সেখানকার মহাই রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রজননের জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন মেটাতেই তাঁরা রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ই পরিবর্তনটি কয়েক হাজার বছর ধরে মশার মধ্যে রয়েছে। শহরটি বিকাশ অব্যাহত রেখে বিপুল সংখ্যক জলের মশা কমতে শুরু করে এবং তারা মানবদেহ এবং অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ত খেতে শুরু করে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না। বরং মেনে নেয়া শিখতে হবে

Eshrad Ahmed

Published

on

ব্যর্থতা আমাদের লাইফস্টাইলেরই অন্তর্গত। আমাদের জীবনে সফলতার বিপরীতে ব্যর্থতা আছে বলেই তার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। যদি তুলনা করার জন্যে ব্যর্থতা না থাকতো, তাহলে মানুষ সফলতার পেছনে এতখানি ব্যস্ত হয়ে ছুটতো না!

 

এই ব্যর্থতাকে মেনে নিতে আমাদেরকে অনেকেই বলেছেন। বিখ্যাত মানুষেরা সফল হবার আগে ব্যর্থ হতে বলেন। কারণ ব্যর্থ না হলে কোথায় ভুল হচ্ছে বা ঘাটতি আছে সেটা শেখা যাবে না। কিন্তু এখানে একটা ব্যপার আছে। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এমনভাবে বড় করা হয় যে, আমরা শুধু সফল হতেই শিখি। মুদ্রার উল্টো পিঠে ব্যর্থতাকে চিনতে পারি না। মেনে নিতে পারি না।

 

অনেকেই বলেন- সফল হবার পূর্বশর্ত হচ্ছে ব্যর্থ হতে হবে। একবার ব্যর্থ হওয়া মানে কাজ ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং আরও বেশি পরিশ্রম আর বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে। লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। এই অসফলতা সবাইকেই ভোগ করতে হয়। এর উর্দ্ধে আমরা কেউ নই। একটা সময়ের পর মনে হবে এই ব্যর্থতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একবারেই সফল হয়ে গেলে সমস্যা বা ঝামেলাগুলোর সাথে হয়তো পরিচয় ঘটতো না।

 

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না এটা ধ্রুব সত্য। কিন্তু হতাশ হলে বা থেমে গেলে চলবে না। সবসময় মুদ্রার অপর পিঠটা দেখার বা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। জীবনধারণ করতে গিয়ে প্রতিটি জায়গায় কেউই কখনো সফল হতে পারে না! কিছু কিছু জায়গায় অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হয়। এর মানে পিছিয়ে পড়া নয় বরং নতুন করে শেখার দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।

 

কি করতে পারেন?

১। ব্যর্থ হলেও নিজেকে উৎসাহ দিন।
২। কিছুটা সময় নিয়ে আবার কাজে লেগে পড়ুন।
৩। লিপিবদ্ধ করতে পারেন ব্যর্থতার ঘটনাগুলো এবং তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন।
৪। আশাহত হবেন না। অন্ধকার কাটিয়েই ভোর হয়। তেমনি ব্যর্থ হওয়া মানে আপনি সফলতার খুব কাছাকাছি আছেন।

 

মনস্তাত্বিক এক গবেষণায় দেখা গেছে- বর্তমানে মানুষ খুব বেশি বিচার করতে চায়। বিচারের মাপকাঠিও বদলে গেছে। এখন প্রতিযোগিতা এত বেশি যে, আরেকজনকে দমানোর জন্যে তার ব্যর্থতার ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। উৎসাহ দেয়ার বদলে নিরুৎসাহিত করছে।

 

আমাদের জীবনযাত্রা অনেক জটিল হয়ে গেছে একথা সত্য। আর সেইসাথে আমাদের চিন্তাধারাও বদলে যাচ্ছে। ব্যর্থতা আর হতাশার দুঃখ কাটাতে অনেকেই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন সাময়িক প্রশান্তির জন্যে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান বের করতে পারছেন না।

 

তাহলে উপায় কি? উপায় হলো- প্রতিদিনের কাজের তালিকা রাখুন আর নিজেকে নিজেই বিচার করুন। আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করুন। আর কোনো কাজে ব্যর্থ হলে তার কারণ খুঁজতে চেষ্টা করুন। দেখবেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এরপর সফলতা অর্জন করাটা সহজ হয়ে যাবে।

 

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

শসার ৭ টি উপকারিতা

SA Bappy

Published

on

শসা আমাদের কাছে অতি পরিচিত একটি সবজি। এটি কাঁচা ও রান্না করা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়। বাংলাদেশের সব জায়গায় কমবেশি শসা পাওয়া যায়। এটি অনেক সুস্বাদু একটি সবজি। আমরা যেকোনো তৈলাক্ত খাবার খেলে তেল পরিশোষক হিসেবে শসা খেয়ে থাকি।শসা খাওয়ার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।আসুন শসা খাওয়ার কিছু উপকারী দিক সম্পর্কে জেনে নেই।

দেহের পানিশূন্যতা দূর করে

দেহের শতকরা ৯০ ভাগই পানি।যারা শসা খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য একটি সুবিধা হলো যে আপনারা কোথাও বেড়াতে গিয়ে হাতের কাছে পানি না পেলে বিকল্প হিসেবে শসা খেতে পারেন। এতে করে আপনার পিপাসার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। আপনার চেহারা হবে প্রাণবন্ত।

দেহে তাপের সমতা রক্ষা করে

অতিরিক্ত গরমের কারণে কিংবা আবহাওয়াগত কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া হয়।অস্বস্তির অনুভূতি হয়।এসময় শসা হতে পারে একটি বড় সমাধান। এসময় একটি শসা খেয়ে নিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিতে অনেক সময় ত্বকে কালচে ভাব পড়ে। এ অবস্থায় একটি শসা কেটে ত্বকে লাগিয়ে দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

দেহে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে

শসার পানি দেহের ক্ষতিকর টক্সিন এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।আমরা প্রতিদিন যে খাবারগুলো খাই এর উপকারিতার পাশাপাশি কিছু অপকারিতাও রয়েছে। উপকারী অংশ রক্তের মাধ্যমে পরিশ্রুত হয়ে দেহের কাজে লাগে এবং অপকারী অংশ টক্সিন বা বর্জ্য হিসেবে জমা হয়।শসা খেলে এই টক্সিনগুলো দূর হয়।

ভিটামিনের অভাব পূরণে

শসা নানারকম ভিটামিনের সমাহার। আমাদের দেহের জন্য যেসব ভিটামিন প্রয়োজন তার বড় একটি অংশ শসাতে বিদ্যমান।ভিটামিন এ,বি এবং সি হচ্ছে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ভিটামিন যা শসাতে সবসময়ই পাওয়া যায়। কোনো ব্যাক্তি প্রতিদিন শসা খেলে তার ভিটামিন এ,বি ও সি জনিত সমস্যা হবে না।

খনিজের যোগানদাতা

শসায় পটাশিয়াম,ক্যালশিয়াম,ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন থাকায় এটি দেহে প্রচুর পরিমাণে খনিজের যোগান দেয়। দেহে অন্যান্য ৫ টি উপাদানের পাশাপাশি খনিজও অপরিহার্য। যথার্থ খনিজের অভাবে দেহে গলগণ্ড রোগের সৃষ্টি হয়। কোনো ব্যাক্তি নিয়মিত শসা খেলে খনিজ জনিত জটিলতা দূর হবে।

হজম ও ডায়োড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

শসায় রয়েছে উচ্চমাত্রার পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরি যা স্থুল ব্যাক্তিদের স্লিম হতে সহায়তা করে। যারা ডায়োড নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান শসা তাদের জন্য একটি আদর্শ খাবার।

দৃষ্টিশক্তি সুদৃঢ় করে

এখানে একটি মজার ব্যাপার হলো শসায় ভিটামিন এ থাকায় এটি এমনিতেই চোখের জন্য উপকারী। আমরা সৌন্দর্যচর্চায় চোখে শসা কেটে লাগায় এতে করে চোখে জমাকৃত ময়লা দূর হয় এবং দৃষ্টিশক্তি সুদৃঢ় হয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে

শসাতে সিকোইসোলারিসিরেসোনোল,ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল থাকায় জরায়ু, স্তন ও মুত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে।

এসব ছাড়াও শসার আরও নানা উপকারী দিক রয়েছে। আগেই বলেছি শসার উপকারী দিক বর্নণা করে শেষ করা যাবে না।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট