Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

স্বার্থপর বন্ধু চিনার উপায়

Bipon 360

Published

on

কারো সঙ্গে ভাল বন্ধুত্ব করতে চা! তা পরিবার, স্কুল, রাজনীতি যেখানেই হোক না কেন তাদের প্রতি সেরা পরামর্শ হলোঃ স্বার্থপর বন্ধু চিনার উপায়ঃ

✮ প্রথমে সেই মানুষের মনে যা চায় সে সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এ কাজ যে করতে পারে সারা দুনিয়া তার সঙ্গে থাকবে। আর যে না পারবে তাকে একাই চলতে হবে।
✮ আপনি কোথাও নিজেকে এমনভাবে প্রকাশ করবেন না যেন কেউ বলতে না পারে আপনার মাঝে কিছু নেই। কারণ সস্তা দরের মানুষের সঙ্গে কেউ মিশতে চায় না।
✮ কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হলে তার কাজকর্মের বেশি ভুল ধরবেন না। এতে সে আপনাকে এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করবে।
✮ কারও সঙ্গে অযথা তর্কে জড়াবেন না। কারণ তর্কবাজ লোকদের সঙ্গে কেউ মিশতে চায় না। তর্কের ফলে বন্ধুত্ব হারাতে হয়। তর্ক হলো দু’টি মনের লড়াই। অতঃপর এ কাজটি করা থেকে বিরত থাকুন।
✮ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিষ্টাচার হল গর্ব বা অহমিকা পরিহার করা। অসম মানসিক অনুভূতি সুসম্পর্কের অন্তরায়। যদি এক বন্ধু অপর বন্ধু অপেক্ষা নিজেকে বড় মনে করে তাহলে তাদের মধ্যে এক অদৃশ্য অসমতা বিরাজ করে। আর এই অসমতার ফলে অপরের সম্মান যেমন নষ্ট হয় তেমনি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এতটাই হালকা হয়ে পড়ে যে তা রাখা আর না রাখা একই সমান।

[the_ad_group id=”299″]

—————————————–
স্বার্থপর বন্ধু চিনার উপায়ঃ
স্বার্থপরতা বিভিন্ন রকমের হয়। কিছু কিছু স্বার্থপরতা এতই সূক্ষ্ণ যে হুট করে বুঝা যায় না, যদিনা এ বিষয়ে পূর্ব জ্ঞান না থাকে। তাই একজন স্বার্থপর ব্যক্তির বিভিন্ন লক্ষণ সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া জরুরীঃ
✮বাস ভাড়া, ফটোকপির টাকা, খাওয়ার টাকা কিংবা এটা-ওটা বলে নানা রকম খরচ সবসময় বন্ধুর উপর চাপিয়ে দেয়াই এই ধরনের মানুষের বৈশিষ্ট্য। এঁদের আর একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, সবসময় কৃত্রিম সমস্যা দেখানো। যা আদৌ সত্য নয় কিংবা অল্প হলে বাড়িয়ে বলা। এঁরা কখনো বন্ধুর আর্থিক ও পারিপাশ্বিক অবস্থার কথা চিন্তা করেনা। স্বার্থপরতা যে সকল বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে গঠিত এটা তার মধ্যে অন্যতম।
একজন ব্যক্তি যখন বন্ধুত্ব সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং যদি এই ভালবাসাটা সত্যি হয় তখন উক্ত ব্যক্তি যুক্তি তর্কের বোধশক্তি হারিয়ে ফেলে। তখন তার কাছে ভালবাসার মানুষটিকেই অতি মূল্যবান মনে হয় এবং তার সমস্ত চিন্তা ভাবনার কেন্দবিন্দুতে ঐ ভালবাসার মানুষটিই অবস্থান করে। মোঘল সম্রাট হুমায়ুন এর একটি শের এরকম, ‘যুক্তির উপর হৃদয়ের অবস্থান।’ আর এই যুক্তি তর্কের উপর থাকা হৃদয়ের দুর্বলতার সুযোগ একতরফা ভালবাসার প্রেমিক-প্রেমিকারাই নিয়ে থাকে। এটা একতরফা ভালবাসা চিহ্নিত করার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উপায়। মনে রাখবেন এই ধরনের বন্ধু বা বান্ধবী কখনোই আপনাকে ভালবাসে না; ভালবাসে তার প্রয়োজনকে। আপনার সামনে যে উষ্ণ ভালবাসার নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে তা প্রয়োজন মেটানোর জন্য। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে নাটকীয়তারও অবসান ঘটবে। মঞ্চের পর্দা নেমে যাবে; সেই সাথে আপনার চোখের পর্দা সরে যাবে। যদিও নাটক শেষ, সময়ও নেই, সেই সাথে অভিনেতা বা অভিনেত্রী লাপাত্তা।
✮কিছু স্বার্থপর ব্যক্তি এরকম যে সবসময় তারা চেষ্টা করেন আলোচনার সব বিষয়বস্তু নিজের দিকে টেনে আনতে। এঁরা সকলের মধ্য থেকে নিজেদেরকে বড় করার জন্য নানা রকম বড় বড় কথা বলেন। তাদের কথাগুলো নিজেদের ব্যাপারে খুবই ইতিবাচক হয় যেন তার নিজের কোন ভুল থাকতেই পারে না।
✮লাজুক এবং শান্ত প্রকৃতির স্বার্থপর আগ বাড়িয়ে নিজেকে বড় করে দেখাতে আসে না এবং বেশি কথা বলে না। তবে যখন তাদের সঙ্গে কেউ কথা বলতে আসে এবং কম কথার মাঝে যে দু-চারটে কথাই তারা বলে, সে কথাগুলোর মাধ্যমে নিজেকে বড় করে জাহির করতে চেষ্টার কমতি থাকে না।
✮সফল না হলেও তারা নিজেকে সর্বদা নেতৃত্বের পর্যায়ে রাখতে তৎপরতা দেখায়। তাক লাগানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভন্ন রকম ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা এঁদের কৌশল। এমন কি এসকল লোকের সাথে তার ব্যাক্তিগত যোগাযোগের কথাও বলে থাকে বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা পাওয়ার জন্য।
✮এক ধরনের স্বার্থপর নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বকে জাহির করতে নানা রকম পছন্দের কথা বলে থাকে। বলে আমার ফেরারি গাড়ি খুব পছন্দ, ঐ দোকানের পোশাক তার পছন্দ, সে দামি দোকানের খাবার ছাড়া খায় না ইত্যাদি।
✮সব স্থানে নিজের উপস্থিতি জানান দেয়ার একটা প্রবল তৎপরতা দেখায়। তারা নিজেকে অন্যের কাছে আকর্ষণ করতে শারীরিকভাবেও তৎপরতা দেখায়। যেমন: তারা বিভিন্ন স্টাইলের চুল, নখ প্রভৃতি দিয়ে অন্যের আকর্ষণের কারণ হতে চায়। সবার মধ্য থেকে ভিন্ন কোন কথা বা কাজ করার চেষ্টা করে যাতে সবাই তার দিকে তাকিয়ে থাকে।
✮এক ধরনের স্বার্থপর এরকম যে তারা অন্যের সমালোচনা করলেও নিজেদের সমালোচনা সহ্য করতে পারেনা।
✮এরা নিজেরা কাউকে সহজে বিশ্বাস করেনা। কারণ তাদের মানসিকতায় সবসময় প্রতারণার মনোভাব বিচরণ করে।
✮নিজেকে কখনো স্বার্থপর হিসেবে মনে করেনা। বরং বলে আমি তো ঠিকই আছি, তাহলে সবাই কেন আমাকে ছেড়ে চলে যায়?
Keyword:
স্বার্থপর বন্ধু স্ট্যাটাস,
স্বার্থপর বন্ধু কবিতা,
স্বার্থপর বন্ধু sms,
বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা,
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস,
বন্ধুত্ব কি,
বেইমান বন্ধু উক্তি,
স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায়,
স্বার্থপর বন্ধু উক্তি,
প্রকৃত বন্ধু,
স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে উক্তি

Advertisement
14 Comments
Subscribe
Notify of
14 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Ratul Foysal

সব চিনে গেছি এখন

Sanjida Afrin

অসাধারণ

Mehedi Islam Noman

Khub valo

Sakib khan

Gd

Md Alamin

Good

Md Motiur

nc

Nirob Hasan

Vlo lglo

Rafi t

Nice

MD Huzayfa

nice

mis sumi aktar

অসাধারণ

Trimiti Chakma

দারুণ

Mahfuzur Rahman

wow

Farhana liza Farhana liza

Nice post

kamrum naher123

অসাধারণ

লাইফস্টাইল

খোলা চুল নিয়ে উক্তি

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় করি। খোলা চুল নিয়ে উক্তি

চুল সৌন্দর্যের  এক অলংকার স্বরূপ। রেশমি ঘন কালো চুলে মুগ্ধ হয়ে কত কবি সাহিত্যিক  যে গান ,কবিতা রচনা করেছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তাই চুল এক ধরনের সম্পদ। চুল নারীদের ক্ষেত্রে তাই অলংকার স্বরূপ। লম্বা চুলের কদর রয়েছে তাই যুগ  যুগ ধরে, কালে কালে রয়েছে।তাই চুল নিয়ে নারীদের চিন্তার শেষ নেই। কত যত্ন যে করে থাকে লম্বা চুলের জন্য তার ইয়ত্তা নেই। তাইতো এখনো মানুষ লম্বা চুলের পাগল।

তবে চুল এমন এক সৌন্দর্যের প্রতীক যা প্রতীকী অর্থে কখনোই বর্ণনা করা যাবে না।নারীর রুপ এবং সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ হলো চুল।চুলের সৌন্দর্য তাই চুল জানে। চুল তাই বাধা নয় খোলায় সুন্দর। বাধা চুলে কখনো চুলের আসল সৌন্দর্য বুঝা যায় না। চুলের আসল সৌন্দর্য রয়েছে তাই খোলা চুলে।স্নিগ্ধ বাতাসে যখন চুল ঢেউ খেলে যায় তখন সেই সৌন্দর্যের কোনো হিসাব খুঁজে পাওয়া যায় না।

নারীর খোলা চুল নিয়ে তাই কবির কাব্বিকতার কোনো শেষ নেই। খোলা চুল নিয়ে তাই গুণীজনদের উক্তির শেষ নেই। খোলা চুল এ মুগ্ধ হয়নি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।কেউ মুগ্ধ হতে রচনা করেছে কাব্য। কেউ কবিতা আর উক্তি।তাই নিচে খোলা চুল নিয়ে রচিত কিছু উক্তিসমূহ তুলে ধরা হলোঃ

উক্তি ১:
“হারানোর জন্য
তোমার খোলা চুল এবং চোখের কাজল যথেষ্ট”
উক্তি ২:

“কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে
রেশমি কালো চুলের ঢেউ মুগ্ধ করে আমাকে “।

উক্তি ৩:

“খুলে দাও তুমি এই চুলের বাঁধন
অবাধ্য হয়ে না হয় সে বাতাসেই উড়ুক “।

উক্তি :৪
“ইচ্ছে হয় হাড়িয়ে যাই
ওই খোলা চুলের গভীরতায়”।

উক্তিঃ৫

“খোলা চুল তুমি বলে দাও
কেনো মুগ্ধ না হবে কেউ তোমার মায়ায়”।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

গল্প

সাদিয়ার একটি বিড়াল ছিলো

Naeem Hassan

Published

on

সাদিয়া তার ছোট্ট বিড়ালটিকে প্রচন্ডভাবে ভালোবাসতো।
দেখা যেত দিনের বেশির ভাগ সময় বিড়ালটির সাথে সাদিয়ে খেলা করতো।সাদিয়ার বয়স মাত্র নয় বছর। দুপুরে খাওয়ার সময় বিড়ালটিকে তার পাশেই রাখতো সাদিয়া।নিজে খাওয়ার সাথে সাথে বিড়ালটিকেও মাছ খাওয়াতো,দুধভাত খাওয়াতো।যেন তার মুখে হাসি লেগেই থাকতো,ছোট বাবুটির সাথে বিড়ালটাও খুব ভালোভাবে মিশে গেছিলো।সাদিয়া বিড়ালটিকে প্রতিদিন গোসল করাতো,আর বিড়ালটিও ঘুরে ঘুরে সঠিক সময় চলে আসতো গোসলের জন্য।তারা অনেক খুশি ছিলো।
সাদিয়া তার বাবার একমাত্র মেয়ে।তো যাইহোক, এভাবেই দেখতে দেখতে ৬ মাস হয়ে গেলো।বলে রাখা ভালো সাদিয়ার পরিবার খুব দরিদ্র ছিলো যার কারনে তারা একটা বাসায় ভাড়া থাকতো।তো এভাবে চলতে থাকলো, একসময় বাসা ওয়ালা আন্টি এসে সাদিয়ার মাকে জানালো যে আপনাদের বিড়াল আমাদের বাসার মাছ চুরি করে খায়,আমাদের বাসায় রুম নোংরা করে,ইদুর খেয়ে বমি করে রাখে নানান অভিযোগ দিয়ে বললো যে বিড়ালটিকে বাসায় রাখা যাবেনা।এরপর সাদিয়া এটা শুনে কান্না শুরু করে দিলো,এই সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চার চোখে জল কিভাবে দেখতো তার বাবা মা।অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরও বাসাওয়ালা মানলো না।
বললো এমনি তো ২ মাসের ভাড়া পাওয়া যাবে,বাসা ভাড়া ঠিক সময় দেন না তারপর আবার বিড়াল রাখার এত শখ?তাহলে নিজে বাসা করে বিড়াল পোষেন।এই কথায় সাদিয়ার বাবা খুব আঘাত পেলো।তারপর সাদিয়ার বাবা ঠিক করলো রাতের অন্ধকারে বিড়ালটিকে অনেক দূর নিয়ে গিয়ে ফেলে দিয়ে আসবে।সাদিয়াকে জানাবেও না।যেমন ভাবা তেমন কাজ,ঘড়ি কাটায় কাটায় রাত ১২.০০ টা।একটা ছোট বস্তা নিয়ে বিড়ালটিকে ভরে নিলো,ঠিক সেই সময় বিড়ালটি ম্যাও ম্যাও করতে লাগলো সে কি ডাক,গম্ভির ডাক,কান্নার ডাক,সাধারণভাবে ম্যাও ম্যাও করছিলোনা বিড়ালটি,মোটা কন্ঠে,গভীর থেকে যেন বলতে চাচ্ছিলো আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?আমাকে নিয়ে যেও না,আমাকে থাকতে দাও।সাদিয়ার বাবাও বিড়ালটিকে অনেক ভালোবাসতো।
বিড়ালটির আর্তনাদে সাদিয়ার বাবার চোখ থেকে ঝর ঝর করে পানি ঝরতে লাগলো,সাদিয়ার মা বলে উঠলো,ওগো থাক না,আরেকবার বাসা ওয়ালাকে বলে দেখিনা? কিন্তু তারা ভালো করেই জানতো এরপর এ নিয়ে কিছু বলতে গেলে অপমানের সাথে সাথে বাসাটাও ছাড়তে হবে।সব কিছু বিবেচণা করে সাদিয়ার বাবা সাইকেল করে বিড়ালটিকে নিয়ে রওনা হলেন।আর চোখ মুছতে মুছতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে এক জংগলের সামনে এসে দাড়ালেন।এবং বিড়ালটিকে ছেড়ে দিলেন।কিন্তু বিড়ালটি এক পা নড়লো না।সেই করুণ সুরে কান্নার মত করে ম্যাও ম্যাও করতে লাগলো এক সময় সাদিয়ার বাবার পা ঘেসা দিতে লাগলো।সাদিয়ার বাবা কষ্টে ফেটে পড়লো বসে পড়লো বিড়ালটির পাশে আর আদর করে কান্নায় বলতে লাগলো,আমি পারলাম নারে,আমি পারলাম না তোকে রাখতে।বলে উঠে সাইকেলে করে জোরে প্যাডেল করে চলে আসতে লাগলো আর বিড়ালের গম্ভির ডাক তখনো স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিলো।
কান্না করতে করতে বাসায় ফিরে আসলো।কিন্তু সাদিয়ার বাবা সেই রাতে ঘুমাতে পারলোনা।সকালে ঘুম থেকে সাদিয়া উঠেই দেখলো বিড়ালটি তার পাশে নেই যা আগে কখনো এমন হয়নি।সাদিয়া বলতে লাগলো আম্মু আমার বিড়াল কই?তুমি কি দেখেছো?এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবে ভাবতেই তার মায়ের চোখে জল চলে আসলো।বললো তুমি আসো খেয়ে নেও বিড়াল বাইরে কোথাও গেছে চলে আসবে।এই কথা বলে সাদিয়াকে শান্ত করলো।এভাবে দুপুরেও বিড়ালটি ফিরলোনা।সাদিয়া কান্না শুরু করে দিলো আম্মু আম্মু আমার বিড়াল এনে দাও না,ও আম্মু আমি তোমার সব কথা শুনবো,আম্মু তুমি যা বলবে তাই করবো আমার বিড়াল এনে দাও আম্মু।
তার মা সাদিয়ার কান্না সহ্য করতে পারছিলোনা।তাকে বুকে টেনে নিয়ে বললো তোমার বিড়াল চলে আসবে বাবা কাদেনা।দুপুরে সাদিয়া কিচ্ছু খেলো না কোনভাবেই,দরজা বন্ধ করে শুধু কান্না করতে লাগলো,এভাবে সে শুধু তার বিড়ালের স্মৃতি গুলো মনে করে কাদছিলো।তারপর এভাবে সাদিয়া ৩ দিন পর্যন্ত ভালো মতো খেলো কিছু।পরে এই অবস্থা দেখে সাদিয়ার বাবা বাসা ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবলো।এই বাসায় থাকা চলে না।পরের দিনেই সাদিয়ার বাবা বিড়ালটি কে খুজতে বের হলো।
কিন্তু কোথাও খুজে পেলো না জংগলের আসে পাশে সব জাগায় খুজে ক্লান শরীর নিয়ে বাসায় ফিরে এলো।সাদিয়ার মুখের হাসিটা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে ঠিক মত খায় না।ঘুমোই না,টিভিও দেখে না।মাঝে মাঝে কান্না করে,বিড়ালের খাবার দেয়া বাটি টা নিয়ে বসে থাকে।ছোট্ট মেয়েটির এই কষ্ট কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলোনা তার মা। তার মা গিয়ে সাদিয়ার বাবা কে বললো দেখো যেভাবে হোক বিড়াটা খুজে আনো।আমি আর নিতে পারছি।প্লিজ নিয়ে এসো প্লিজ।সাদিয়ার বাবা প্রচন্ড কষ্ট পেলো,আর ভাবতে লাগলো সে জীবনে কি করলাম? আমার মেয়েটাতো কোটি টাকার কিছু চাই নি।এই ছোট্ট জিনিসটাও তাকে দিতে পারলাম না ভেবে নিজেকে দোষারোপ করলে লাগলো নিজেকে ঘৃণা করতে লাগলো।আর বাসা ছেড়ে দেয়ার মাত্র ২ দিন বাকি।তারপর নতুন বাসায় চলে যাবে তারা।
সময় ঘনিয়ে আসলো।কিন্তু বিড়ালটি ফিরলো না।পরের দিন সকালে সাদিয়া উঠনে বসে সেই শীতল ভেজা চোখ নিয়ে। ঠিক তখনি একটা আওয়াজ আসলো ম্যাওওও!! কি অবাক দুর্দান্ত ব্যাপার বিড়াল টি ফিরে এসেছে,কিভাবে এসেছে কেউ জানেনা কিন্তু এসেছে সাদিয়া চিতকার করে উঠলো মা মা মা আমার বিড়াল উল্লাসে আনন্দে কেদে উঠলো।বিড়ালটিকে সাথে সাথে কোলে তুলে নিয়ে বুকে জড়িয়ে বলতে লাগলো কোথাই ছিলা তুমি আমাকে ছেড়ে কেনো গেছিলা তুমি?জানোনা তোমাকে ছাড়া আমার কত কষ্ট হয়।
এভাবে তার মা এই দৃশ্য দেখে তার মা পর্যন্ত কেদে ফেললো।দৌড়ে গিয়ে তার বাবাকে ফোন করলো।তার বাবা অফিস ছেড়ে একবারে ছুটে বাসায় চলে আসলো।এবং তারপর তার মেয়েকে জড়িয়ে বললো মা তোমার বিড়াল আর কোনদিন তোমায় ছেড়ে যাবে না মা, কোনদিন তোমায় ছেড়ে যাবেনা।
ভালোবাসা শুধু দুটি মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না,অনেক সময় নিজের অজান্তে আমরা ছোট ছোট প্রানীকে এত ভালোবেসে ফেলি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ঘরে বসে পারলারের মত ফেসিয়াল

Sharmin Akter

Published

on

ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মাসে অন্তত পক্ষে ফেসিয়াল করানো উচিত । ফেসিয়াল করলে ত্বক গভীর থেকে পরিষ্কার হয়,মরা কোষ উঠে যেয়ে নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে,ব্লকহেডস, হোয়াইট হেডস দূর করে,কোলাজেন প্রডাকশন বৃদ্ধি করে (কোলাজেন মূলত বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে,বয়সের ছাপ পড়তে দেয়না),ত্বকের আদ্রর্তা ধরে রাখতে সাহায্য করে।তবে ফেসিয়াল টিনএজারদের না করানোই ভাল কারন এই বয়সে তাদের ত্বক গঠন হয় ত্বক অনেক সেনসিটিভ ও হয়।১৮ বছর হওয়ার পরই ফেসিয়াল করানো উচিত। তবে বাড়িতে বসে যদি কেউ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে করে ফেসিয়াল করে তাহলে তো কোন কথাই নেই।বর্তমান করোনার পরিস্থিতিতে পারলারে যাওয়া মোটেও নিরাপদ নয় তাই বাড়িতে বসেই করে নিতে পারেন ফেসিয়াল, তাও আবার ঘরে থাকা উপকরন দিয়ে।তিন ধাপে ফেসিয়াল করা হয়।ক্লিনজিং করা, এক্সফোলিয়েট করা ,ফেসমাস্ক লাগানো।
ক্লিনজিং যেভাবে করবেনঃ প্রথমে ত্বকে মেকআপ থাকলে তা উঠিয়ে নেবেন।তারপর আপনার পছন্দ মত ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন।এক্ষেত্রে যদি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে চান তো কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে মুখে লাগান।পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন।চাইলে বেসন,দুধ,সামান্য হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ মাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন।
এক্সফোলিয়েট যেভাবে করবেনঃ এই ধাপ টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এক্সফোলিয়েট করলে ত্বকে মরা চামড়া উঠে যায় ফলে ত্বক মসৃণ হয়,নতুন কোষ তৈরি হয়।তবে অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েশন ও ভালো নয়। শুরুতে মুখে ভাপ নিতে পারেন এতে ত্বকের লোমকূপ খুলে যায় ফলে ত্বক ভেতর থেকে পরিস্কার হয়।এজন্য হালকা গরম পানিতে টাওয়াল ভিজিয়ে সেটি মুখে ধরে ভাপ দিন তবে ভাপটা যেন সহনীয় হয়। এই পর্বে চালের গুড়া,লেবুর রস, গুড়া দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন তারপর মুখে লাগিয়ে ৫মিনিটের মত মাসাজ করুন।স্ক্রাবার হিসেবে চালের গুড়া খুবই ভালো।মূলত এর দানা সূক্ষ হওয়ার কারনে খুব সুন্দর ভাবে মরা চামড়া উঠে যায়। আবার চিনি লেবুর রস, মধু ও কিন্তু দারুন স্ক্রাবার।তবে বড় দানাদার চিনি ব্যবহার না করায় ভালো এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। মাসজ করার পর মুখ ধুয়ে ফেলুন
ফেসপ্যাক তৈরীঃএই ধাপে ত্বকের ধরন বুঝে প্যাক লাগাবেন।যদি ত্বক শুষ্ক হয় তবে ময়দা,দুধের সর,এক চিমটি হলুদ গুড়া মিশিয়ে নিতে পারেন।ত্বক তৈলাক্ত হলে মুলতানি মাটি,বেসনের গুড়া,গোলাপজল দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে পারেন।এছাড়াও বেসন,টকদই য়ের প্যাক ও লাগাতে পারেন সৃ ত্বকের জন্য ভালো।প্যাক লাগিয়ে ১৫-২০মিনিট অপেক্ষা করুন তারপর হালকা হাতে ম্যাাসাজ করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তারপর ময়সচারাইজারা লাগাতে একদম ভুলবেন না কিন্তু।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

MD LOKMAN HOSSAIEN
ব্যাক লিংক পেমেন্ট
Md Golam Mostàfa
Payment