Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

স্বার্থপর বন্ধু চিনার উপায়

Bipon 360

Published

on

কারো সঙ্গে ভাল বন্ধুত্ব করতে চা! তা পরিবার, স্কুল, রাজনীতি যেখানেই হোক না কেন তাদের প্রতি সেরা পরামর্শ হলোঃ স্বার্থপর বন্ধু চিনার উপায়ঃ

✮ প্রথমে সেই মানুষের মনে যা চায় সে সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এ কাজ যে করতে পারে সারা দুনিয়া তার সঙ্গে থাকবে। আর যে না পারবে তাকে একাই চলতে হবে।
✮ আপনি কোথাও নিজেকে এমনভাবে প্রকাশ করবেন না যেন কেউ বলতে না পারে আপনার মাঝে কিছু নেই। কারণ সস্তা দরের মানুষের সঙ্গে কেউ মিশতে চায় না।
✮ কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হলে তার কাজকর্মের বেশি ভুল ধরবেন না। এতে সে আপনাকে এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করবে।
✮ কারও সঙ্গে অযথা তর্কে জড়াবেন না। কারণ তর্কবাজ লোকদের সঙ্গে কেউ মিশতে চায় না। তর্কের ফলে বন্ধুত্ব হারাতে হয়। তর্ক হলো দু’টি মনের লড়াই। অতঃপর এ কাজটি করা থেকে বিরত থাকুন।
✮ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিষ্টাচার হল গর্ব বা অহমিকা পরিহার করা। অসম মানসিক অনুভূতি সুসম্পর্কের অন্তরায়। যদি এক বন্ধু অপর বন্ধু অপেক্ষা নিজেকে বড় মনে করে তাহলে তাদের মধ্যে এক অদৃশ্য অসমতা বিরাজ করে। আর এই অসমতার ফলে অপরের সম্মান যেমন নষ্ট হয় তেমনি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এতটাই হালকা হয়ে পড়ে যে তা রাখা আর না রাখা একই সমান।

[the_ad_group id=”299″]

—————————————–
স্বার্থপর বন্ধু চিনার উপায়ঃ
স্বার্থপরতা বিভিন্ন রকমের হয়। কিছু কিছু স্বার্থপরতা এতই সূক্ষ্ণ যে হুট করে বুঝা যায় না, যদিনা এ বিষয়ে পূর্ব জ্ঞান না থাকে। তাই একজন স্বার্থপর ব্যক্তির বিভিন্ন লক্ষণ সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া জরুরীঃ
✮বাস ভাড়া, ফটোকপির টাকা, খাওয়ার টাকা কিংবা এটা-ওটা বলে নানা রকম খরচ সবসময় বন্ধুর উপর চাপিয়ে দেয়াই এই ধরনের মানুষের বৈশিষ্ট্য। এঁদের আর একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, সবসময় কৃত্রিম সমস্যা দেখানো। যা আদৌ সত্য নয় কিংবা অল্প হলে বাড়িয়ে বলা। এঁরা কখনো বন্ধুর আর্থিক ও পারিপাশ্বিক অবস্থার কথা চিন্তা করেনা। স্বার্থপরতা যে সকল বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে গঠিত এটা তার মধ্যে অন্যতম।
একজন ব্যক্তি যখন বন্ধুত্ব সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং যদি এই ভালবাসাটা সত্যি হয় তখন উক্ত ব্যক্তি যুক্তি তর্কের বোধশক্তি হারিয়ে ফেলে। তখন তার কাছে ভালবাসার মানুষটিকেই অতি মূল্যবান মনে হয় এবং তার সমস্ত চিন্তা ভাবনার কেন্দবিন্দুতে ঐ ভালবাসার মানুষটিই অবস্থান করে। মোঘল সম্রাট হুমায়ুন এর একটি শের এরকম, ‘যুক্তির উপর হৃদয়ের অবস্থান।’ আর এই যুক্তি তর্কের উপর থাকা হৃদয়ের দুর্বলতার সুযোগ একতরফা ভালবাসার প্রেমিক-প্রেমিকারাই নিয়ে থাকে। এটা একতরফা ভালবাসা চিহ্নিত করার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উপায়। মনে রাখবেন এই ধরনের বন্ধু বা বান্ধবী কখনোই আপনাকে ভালবাসে না; ভালবাসে তার প্রয়োজনকে। আপনার সামনে যে উষ্ণ ভালবাসার নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে তা প্রয়োজন মেটানোর জন্য। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে নাটকীয়তারও অবসান ঘটবে। মঞ্চের পর্দা নেমে যাবে; সেই সাথে আপনার চোখের পর্দা সরে যাবে। যদিও নাটক শেষ, সময়ও নেই, সেই সাথে অভিনেতা বা অভিনেত্রী লাপাত্তা।
✮কিছু স্বার্থপর ব্যক্তি এরকম যে সবসময় তারা চেষ্টা করেন আলোচনার সব বিষয়বস্তু নিজের দিকে টেনে আনতে। এঁরা সকলের মধ্য থেকে নিজেদেরকে বড় করার জন্য নানা রকম বড় বড় কথা বলেন। তাদের কথাগুলো নিজেদের ব্যাপারে খুবই ইতিবাচক হয় যেন তার নিজের কোন ভুল থাকতেই পারে না।
✮লাজুক এবং শান্ত প্রকৃতির স্বার্থপর আগ বাড়িয়ে নিজেকে বড় করে দেখাতে আসে না এবং বেশি কথা বলে না। তবে যখন তাদের সঙ্গে কেউ কথা বলতে আসে এবং কম কথার মাঝে যে দু-চারটে কথাই তারা বলে, সে কথাগুলোর মাধ্যমে নিজেকে বড় করে জাহির করতে চেষ্টার কমতি থাকে না।
✮সফল না হলেও তারা নিজেকে সর্বদা নেতৃত্বের পর্যায়ে রাখতে তৎপরতা দেখায়। তাক লাগানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভন্ন রকম ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা এঁদের কৌশল। এমন কি এসকল লোকের সাথে তার ব্যাক্তিগত যোগাযোগের কথাও বলে থাকে বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা পাওয়ার জন্য।
✮এক ধরনের স্বার্থপর নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বকে জাহির করতে নানা রকম পছন্দের কথা বলে থাকে। বলে আমার ফেরারি গাড়ি খুব পছন্দ, ঐ দোকানের পোশাক তার পছন্দ, সে দামি দোকানের খাবার ছাড়া খায় না ইত্যাদি।
✮সব স্থানে নিজের উপস্থিতি জানান দেয়ার একটা প্রবল তৎপরতা দেখায়। তারা নিজেকে অন্যের কাছে আকর্ষণ করতে শারীরিকভাবেও তৎপরতা দেখায়। যেমন: তারা বিভিন্ন স্টাইলের চুল, নখ প্রভৃতি দিয়ে অন্যের আকর্ষণের কারণ হতে চায়। সবার মধ্য থেকে ভিন্ন কোন কথা বা কাজ করার চেষ্টা করে যাতে সবাই তার দিকে তাকিয়ে থাকে।
✮এক ধরনের স্বার্থপর এরকম যে তারা অন্যের সমালোচনা করলেও নিজেদের সমালোচনা সহ্য করতে পারেনা।
✮এরা নিজেরা কাউকে সহজে বিশ্বাস করেনা। কারণ তাদের মানসিকতায় সবসময় প্রতারণার মনোভাব বিচরণ করে।
✮নিজেকে কখনো স্বার্থপর হিসেবে মনে করেনা। বরং বলে আমি তো ঠিকই আছি, তাহলে সবাই কেন আমাকে ছেড়ে চলে যায়?
Keyword:
স্বার্থপর বন্ধু স্ট্যাটাস,
স্বার্থপর বন্ধু কবিতা,
স্বার্থপর বন্ধু sms,
বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা,
বন্ধুত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস,
বন্ধুত্ব কি,
বেইমান বন্ধু উক্তি,
স্বার্থপর বন্ধু চেনার উপায়,
স্বার্থপর বন্ধু উক্তি,
প্রকৃত বন্ধু,
স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে উক্তি

লাইফস্টাইল

ভালোবাসাতে হোক না দুষ্টামি !

Shahed Ahamed

Published

on

ভালোবাসা অদ্ভূত, একটা জিনিস কেউ বাসতে চায় কেউ বাসতে চায় না।কিন্তু যারা ভালবাসতে পছন্দ করে না দেখা যায় তারা একসময় মনের অজান্তেই কাউকে ভালোবেসে ফেলে। ভালোবাসার ভিতরে লুকিয়ে থাকে অনেক অনুভূতি। প্রথমে হয় ভালোলাগা আর এই ভাললাগা থেকেই আস্তে আস্তে হয়ে ওঠে ভালোবাসা। শুধু কি ভালোবাসাই যথেষ্ট এটা একদমই ভুল। শুধু ভালবাসলে হবেনা ভালোবাসার মানুষটির সাথে আপনার আচরণ হতে হবে একটু ভিন্ন যা সবার থেকে আলাদা। আপনি যে মানুষটাকে খুব বেশি ভালোবাসবেন তার সাথে আপনার কথাবার্তা চালচলন আচার-ব্যবহার অন্য সবার থেকে একটু ভিন্ন। কারণ ভালোবাসার মানুষটা অন্য সব মানুষের থেকে একটু স্পেশাল ব্যক্তি। ভালোবাসার মানুষের সাথে মিষ্টি আলাপ, দুষ্টু আলাপ এগুলো হতেই পারে এটা একটা একদম স্বাভাবিক বিষয়।।
সময় কাটানোর জন্য সবথেকে ঘনিষ্ঠ লোক হলো বন্ধু। কারণ বন্ধুর সাথে আপনি অনায়াসেই ঘণ্টাকে ঘন্টা সময় পার করে দিতে পারেন এতে আপনার কোন কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। বন্ধু থেকেও বেশি হলো ভালোবাসার মানুষ নিজের ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে কার হাতে হাত রেখে তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে বলতে আরো বেশি সময় পার হয়ে গেল আপনার কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। ভালোবাসার মানুষই একমাত্র মানুষ তার সাথে কথা বলতে বলতে আপনার অস্বস্তি লাগলেও আপনি বলতে পারেন না যে আপনার ভালো লাগছে না। কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগছে অস্বস্তি লাগছে এমন কথা কখনোই আপনি ভালবাসার মানুষটার পাশে বসে কখনোই বলবেন না।
আসলে ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে তার সাথে মিষ্টি আলাপ, খুনসুটি একটু একটু ঝগড়া করতেই ভালো লাগে। তার পাশে বসে শুধু প্রেমের আলাপ করলেই হবে না তার সাথে ছোটখাটো ঝগড়া তার, চোখে চোখ রেখে একটু মিষ্টি হাসি, দেওয়া তাকে একটু একটু রাগিয়ে তোলা এসব করলে প্রিয় মানুষটির যদিও একটু অস্বস্তি লাগে তবে তা সব থেকে এমনটা করলেই বেশি ভালো লাগে। কারণ একঘেয়েমি প্রেমের থেকে তার সাথে ছোট ছোট ঝগড়া,খুনসুটি করাই সবথেকে বেশি বেটার। তবে সম্পর্কের ভিতরে সব সময় হাসি ঠাট্টা তামাশা করা ঠিক নয় সব সময় এরকম হাসি তামাশা খুনসুটি করতে গেলে আপনি পড়তে পারেন মহাবিপদে। অর্থাৎ আপনার প্রিয় মানুষটা এসব যদি পছন্দ না লাগে সবসময় এটা তাহলে এটা থেকে বিরত থাকুন নাহলে আপনার প্রিয় মানুষটাকে হারাতে হবে।।
প্রিয় মানুষটাকে মাঝে মাঝে ছোট খাটো উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবেন মাঝে মাঝে তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন যেমন পার্কে, অথবা সুন্দর কোন মনোরম জায়গায়, তাহলে দেখবেন প্রিয় মানুষটার আপনার প্রতি আরও বেশি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং আপনার অনেক কাছের লোক হয়ে যাবে।। ভালোবাসার মানুষটা হয়ে উঠুক বন্ধুত্বের মত তাহলে দেখবেন আপনাদের সম্পর্কের ভিতরে কোন ফাঁক থাকবে না। সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে এবং মধুময় করতে মাঝে মাঝে প্রিয় মানুষটাকে একটি হঠাৎ করেই ফুল দিয়ে দিতে পারেন হাতে গুঁজে এবং তার সাথে সাথে আই লাভ ইউ শব্দটা বলাটাও কিন্তু একদম ভুললে চলবে না। প্রতিটা মানুষের তার প্রিয় মানুষ তার মনের মতো হলে সম্পর্কে কোনো বাধা থাকে না আর আজীবন ভালোবাসাও থাকবে অমর।।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

বাংলাদেশের আয়কারী দশটি সিনেমা।

Utsa Kumer

Published

on

যদি আপনি বাংলাদেশি হয়ে থাকেন, তবে আজকের পোষ্ট টি আপনার জন্য। বন্ধুরা আমরা সবাই চলচিত্র বা সিনেমা দেখতে পছন্দ করি। তবে বর্তমান সময়ে সিনেমা বলতে হলিওড, বলিওড অথবা তামিল বা টলিওড সিনেমা কে বুঝি।কারণ আমাদের দেশের সিনেমার যে পরিস্থিতি সেটা আমাদের দেশে নির্মিত নাটকগুলোর থেকেও বাজে মানের।আপাতদৃষ্টিতে দেখলে আমাদের দেশে নির্মিত নাটক গুলো দেখে যতটা আবেগ নাড়া দেয় সিনেমা দেখলে ততটায় হাসতে ইচ্ছে করে।কারন না আছে ভালো কোন কাহিনী আর না আছে গ্রাফিক্স এর মজা।সিনেমা গুলো টেলিফিল্ম এর মতো।
হয়তো অনেকে ভাবছেন আমি সিনেমাকে ছোট করার চেষ্টা করছি,আসলে সেটা না।আমাদের দেশের সুপারহিট সিনেমাগুলো আজ থেকে প্রায় ২৫-৩০ বছর আগের।
হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন ২৫-৩০ বছর আগের।সে সময় না এত টেকনোলজি ছিল আর না ছিল বিগ বাজেট।তখনকার সিনেমার অভিনয় ছিল বাস্তব ভিত্তিক। আজ আপনাদের সাথে বাংলাদেশের ১০ টি সুপারহিট সিনেমার কথা বলব।আর পোষ্ট টি পড়লে আপনিও আমার সাথে একমত হবেন।

১০. দশ নম্বরে আছে কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমা।যেটি আমির খানের কেয়ামত সে কেয়ামত তাক সিনেমার রিমেক। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ্‌ এবং নায়িকা মৌসুমি। ১৯৯১ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এখন থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি নয় কোটি টাকা আয় করে।

০৯.নবম স্থানে আছে ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিব খানের নবাব সিনেমাটি।সিনেমাটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ৪ কোটি টাকা এবং ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা আয় করে।তবে একটা না বললেই নয়,বাংলাদেশের যুবকসমাজ শাকিব কে নিয়ে পাগলা।কিন্তু এই সিনেমাটি ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজিত সিনেমা।আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন আমি কি বলতে চেয়েছি।

০৮.অষ্টম স্থানে আছে ২২ বছর আগের একটি সিনেমা,শান্ত কেন মাস্তান। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন মান্না।সিনেমাটি ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৭.সপ্তম স্থানে আছে বিগ বাজেটে তৈরি সিনেমা ঢাকা এটাক।৫ কোটি টাকায় নির্মিত এই সিনেমা টি ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৬.ষষ্ট স্থানে যেই সিনেমাটি আছে এটি আমি ৩০ বারের বেশি দেখেছি।আর সিনেমা টি হল আম্মাজান। ১৯৯৯ সালে মুক্তপ্রান্ত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মহানায়ক মান্না।এই সিনেমাটি ১১ কোটি টাকা আয় করে।

০৫.পাঁচ নম্বরে আছে পাসওয়ার্ড সিনেমা।১১ কোটি টাকা আয় করে।

০৪.চতুর্থ স্থানে আছে ২৫ বছর আগের সিনেমা সত্যের মৃত্যু নেই। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছেন সালমান শাহ্।তৎকালীন সময়ে এই সিনেনা টি ছিল মাস্টারপিস সিনেমা।সিনেমা টি ১১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আয় করে।

০৩. অবিশ্বাস্য ভাবে তৃতীয় স্থানে আছে আয়নাবাজী সিনেমাটি।সিনেমাটি ১২ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা আয় করে।

০২.দ্বিতীয় স্থানে আছে সালমানশাহ্ এবং শাবনুর অভিনিত সিনেমা স্বপ্নের ঠিকানা।২৬ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৫ সালে এই সিনেমাটি ছিল ব্লকবাস্টার সিনেমা।সেই সময়ে বলিউডের সুপারস্টার সালমানের সিনেমা ভীর গতি মাত্র নয় কোটি টাকা আয় করে এবং শাহরুখ খানের সিনেমা মাত্র ৫ কোটি টাকা আয় করেছিল।আর স্বপ্নের ঠিকিনা সিনেমাটি ১৯ কোটি টাকা আয় করে।ভাবতে পারেন অতীতে আমাদের দেশের সিমেমা ইন্ডাস্ট্রি কতটা নামকরা ছিল ।

০১. এবার জানিয়ে দেওয়ার পালা বাংলাদেশের সবচেয়ে আয়কারী সিনেমার নাম।আপনি কি অনুমান করতে পারেন এই সিনেমা টি? ১৯৮৯ সালে অর্থাৎ প্রায় ৩২ বছর আগে নির্মিত সিনেমা বেদের মেয়ে জোসনা যেখানে অভিনয় করেছিল ইলিয়াস কাঞ্চন এবং অন্জু ঘোষ। এই সিনেমাটি এত সুপারহিট সিনেমা ছিল, যার কারনে কলকাতায় এই সিনেমার রিমেক করা হয়েছিল।

আপনি কি জানেন ১৯৮৯ সালে এই সিনেমাটি কত কোটি টাকা আয় করেছিল,,, ২২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
আপনার কাছে হয়তো এটা ছোট মনে হতে পারে কিন্তু দাদা সিনেমাটি কত পুরানো সেটা একটু বিবেচনা করুন।

ধন্যবাদ আপনাকে।দয়া করে একটি কমেন্ট করলে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

সন্তানকে দেয়া একজন আদর্শ বাবার সেরা উপদেশ।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আমরা সবাই জানি যে, পিতা মাতা সব সময় তাদের মঙ্গল কামনায় ব্যাস্ত থাকেন। তাদের অবর্তমানে সন্তান যাতে কোনোও সমস্যায় না পড়ে সেই চিন্তাও তাদের মাথায় সব সময় কাজ করে। তাই সকল পিতা মাতাই তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ চলার পথ মসৃণ করার জন্য যা যা করনীয় সব করার চেষ্টা করেন। সেই সাথে তাদের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা মূলক উপদেশও দিয়ে থাকেন।

আজ আমি এমনই একজন পিতার তার সন্তানের প্রতি দেয়া কিছু উপদেশ আপনাদের জন্য সংকলন করার চেষ্টা করলাম। ভাল লাগলে মতামত জানানোর অনুরোধ রইলো।

একজন বাবা তার সন্তানকে সাধারণত যে উপদেশগুলো দেনঃ-

১। কখনো কাউকে ছোট করে দেখবে না, নইলে তুমি নিজেই ছোট হয়ে যাবে।

২। কাউকে কখনো কামলা, কাজের লোক, বুয়া এসব বলে ডেকো না। মনে রেখো, তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদের ভাই, আপা, চাচা, চাচী বলে ডেকো।

৩। জীবন উন্নত করতে হলে পড়াশুনা ও পরিশ্রম করতে হবে। কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।

৪। কখনো কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেয়ো না, এতে সে লজ্জা পেতে পারে।

৫। সবসময় শুধু দেওয়ার চেষ্টা করবে। মনে রাখবে দান কারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।

৬। এমন কোনোও কাজ করো না যার জন্য তোমার কিংবা তোমার পরিবারের কারো উপর আঙুল উঠে।

৭। ছেলে হয়ে জন্মেছো তাই কখনো দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করো না।

৮। তোমার কি আছে বা কি নেই তা তোমার গায়ে লিখা নেই, কিন্তু তোমার ব্যবহারে তা প্রকাশ পাবে।

৯। কখনো মায়ের কথা শুনে স্ত্রীকে কিংবা স্ত্রীর কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। মনে রেখো তুমি কাউকেই ফেলতে পারবে না।

১০। যখন রাস্তায় হাটবে দেখে হাটবে, তোমার কারনে কেউ ব্যাথা পায় কিনা।

১১। কারো বাসায় নিমন্ত্রণে গেলেও বাসা থেকে এক মুঠো ভাত খেয়ে যাবে। কারো বাড়ির ভাতের অপেক্ষায় যেন তোমাকে না থাকতে হয়।

১২। কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করবে না। কেউই চায় না তার বাড়ির খাবার বিস্বাদ হোক।

১৩। মজলিশে বড়দের মাঝে তোমার জন্য চেয়ার বরাদ্দ নেই, আছে ছোটদের মাঝে।

১৪। বড় নয়, মানুষ হবার চেষ্টা করবে, তবেই তুমি বড় হতে পারবে।

১৫। শ্বশুড় কিংবা শাশুড়িকে এই পরিমাণ সম্মান দিয়ো যাতে তারা তার মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।

১৬। জুতো ছিঁড়ে গেলে, সেলাইয়ের জন্য মুচির সামনে পা বাড়িয়ে দিয়ো না, বরং জুতোটা নিজে একবার মুছে দিয়ো। জুতো কিনতে গেলে নিজেই ট্রায়েল দিয়ো।

১৭। বাইক কখনো জোড়ে চালিও না। তাতে তোমার কলিজার কাপুনি বেড়ে না গেলেও রাস্তার পাশে থাকা মানুষদের কাপুনি বেড়ে যেতে পারে।

আপনাদের জানা মতে আরোও অনেক উপদেশ থাকতে পারে। কমেন্টে জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ্‌ হাফিজ।

Continue Reading