Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

হার্ট অ্যাটাক সম্পর্কে জেনে নিন।।।

Shahriar Hasan

Published

on

আসসালামু আলাইকুম দর্শকমণ্ডলী। আজকে আমি একটি  খুবই সাধারণ ও মারাত্মক সমস্যা নিয়ে কথা বলব।।এই সমস্যাটা আমাদের দেশের খুবই মারাত্মক একটা সমস্যা।।যখন কারো হৃদপিন্ডের যেকোনো অংশে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় কিংবা বাধাগ্রস্ত হয় তখন হৃদপিন্ডের কোষ বা হৃদপেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।।এর ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয় যেমন মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন, করোনারি থ্রম্বোসিস ইত্যাদি,যেসব সমস্যাকে একনামে হার্ট অ্যাটাক নামে ডাকা হয়।।আমাদের দেশে হ্রদরোগ বিশেষ করে করোনারি (coronari)হৃদরোগির সংখ্যা আস্তে আস্তে  প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যাচ্ছে।।আমাদের দেহে হৃদপিণ্ড রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন ও খাবারের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর উপাদান রক্তনালীর মধ্য দিয়ে দেহের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেয়।।নিজের কাজ সঠিকভাবে করার জন্য অর্থাৎ তার  হৃদপেশীর অক্সিজেন ও পুষ্টি অর্জনের জন্য হৃদপিন্ডের তিনটি প্রধান রক্তনালী আছে।।এসব রক্তনালীর মধ্যে অনেক সময় চর্বি জমে থাকে এবং স্বাভাবিক রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে ফলে প্রাণঘাতী রোগ হার্ট অ্যাটাক হয়।।এখন এই হার্টঅ্যাটাকে শুধু বয়স্ক লোকেরা এ আক্রান্ত হচ্ছে না অনেক সময় তরুণরাও এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।।।এই হার্টঅ্যাটাকের সাথে আমাদের দেহের ওজন বেড়ে যাওয়ার সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।।।আমাদের শরীরের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার(বার্গার,তেহারি,বিরিয়ানি, চিকেন প্যাটিস) খেলে, অলস জীবন যাপন এবং শারীরিক পরিশ্রম না করলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।।।তাছাড়া অনেক সময় হতাশা, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকায় যেকোনো বয়সে এই রোগের ঝুঁকি অনেকটা পরিমাণ বেড়ে যায়।।

এখন আসি এই রোগের লক্ষণ নিয়ে।।হার্ট অ্যাটাক হলে আমাদের শরীরে অসহ্য ব্যথা অনুভব হয় বিশেষ করে বুকের মাঝখানে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হয় প্রাথমিকভাবে এসিডিটি মনে করে এন্টাসিড ওষুধ খেলে কমবে না।।এই ব্যথা আমাদের শরীরের বাম দিকে অথবা সারা বুকে ছড়িয়ে যেতে পারে আবার অনেক সময় ব্যথা গলা এবং বাম হাতে ছড়িয়ে যায়।।ফলে রোগী প্রচণ্ড ভাবে ঘামতে থাকে এবং বুকের উপর প্রচন্ড চাপ অনুভব করতে থাকে।।রোগীর যদি আগে থেকেই রক্তে গ্লুকোজের সমস্যা থাকে তাহলে অনেক সময় বুকে চাপ অনুভব করা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।।ফলে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সর্বনাশ হয়ে যায়।। এজন্য যাদের রক্তে গ্লুকোজের সমস্যা আছে তাদের কোনো অসুবিধা বোধ না করলে নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চেকআপ করানো উচিত।।

এখন আসি প্রতিকার নিয়ে।।এমন অবস্থা দেখলে অবহেলা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব  ইসিজি করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।। করোনারি হৃদরোগে এক মারাত্মক রোগ।। এ রোগ থেকে বাঁচতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলা অবশ্যই দরকার যাতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।।।।যেমনঃধূমপান না করা, প্রতিদিন ব্যায়াম করা বা হাটা, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা, শাকসবজি বেশি বেশি করে খাওয়া এবং চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়া ইত্যাদি।।।

Advertisement
4 Comments
Subscribe
Notify of
4 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Farhana liza Farhana liza

Thanks for information

Azharul Islam Sojib

ধন্যবাদ এত সুন্দরভাবে প্রকাশ করার জন্য

Maria Hasin Mim

thanks

Md Golam Mostàfa

খুব ভাল লিখেছেন।

স্বাস্থ্য

শিশুরা কৃমি থেকে কিভাবে মুক্তি পাবে?

Farhana liza Farhana liza

Published

on

আসসালামু আলাইকুম গ্রাথোর পরিবার। সবাই নিশ্চয় অনেক ভালো আছো। আজ আমি তোমাদের কাছে একটি স্বাস্থ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এ বিষয়টি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ছোট বড় সবাই এই সমস্যার সম্মুখীন হই আমরা। তাই এটার থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় নিয়ে তোমাদেরকে কিছু টিপস দিব। আমি তোমাদের অনেক কাজে আসবে। চলো দেখি বিষয়টা কি?

বিষয়টা হচ্ছে কৃমি। বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের খুব সমস্যা হয় এটা নিয়ে। তাই এই বিষয়ে তোমাদেরকে কিছু ঘরোয়া প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে কিভাবে সমস্যা সমাধান করা যায় ,টসে বিষয়ে টিপস দিতে এসেছি।👇👇👇

টিপস নাম্বার -১-বাচ্চাদের যদি খালি পেটে নারিকেল দিয়ে চিনি মিক্স করে খাওয়ানো হয়, তাহলে কৃমির সমস্যা চলে যায়।

টিপস নাম্বার-২-খালি পেটে সকালে আনারস খাওয়ালে কৃমি সমস্যা সমাধান হয়। আনারস কৃমিনাশক ওষুধের কাজ করে।

টিপস নাম্বার-৩-কালো তুলসী পাতা নিয়ে এক গ্লাস পানিতে সিদ্ধ করে, সিদ্ধ পানি গুলো রাতে শোয়ার সময় খেয়ে ফেললে, সকালে উঠে দেখবে কৃমির সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে। তবে এক গ্লাস পানি কে সিদ্ধ করে আধা গ্লাস করতে হবে তুলসী পাতা সহ।

টিপস নাম্বার-৪-আখের গুড়ের সাথে জোয়ান মিশিয়ে ছোট ছোট বরি করে নিয়ে ,সেগুলো প্রতিদিন খালি পেটে খেলে কৃমির সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। এটা কয়েক দিন খেলে সমস্যার সমাধান হবে।

বন্ধুরা এই টিপসগুলো তোমরা ব্যবহার করে দেখতে পারো। আশাকরি ভাল ফলাফল পাবে। বাচ্চাদের কৃমির সমস্যা নিয়ে কখনো অবহেলা করবে না। কারণ এটি একটি বড় সমস্যা। কৃমি হলে বাচ্চারা অপুষ্টিতে ভোগে। আরো অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। কৃমির কারণে বাচ্চারা ঠিকমতো বড় হতে পারে না। তাই প্রাকৃতিক উপায় এ খাওয়াতে পারবে না, অবশ্যই প্রতি তিন মাস বা ছয় মাস পরপর বাচ্চাদেরকে কৃমির ওষুধ খাওয়াবে। শুধুমাত্র বাচ্চারা না বড়দের ও এ সমস্যা হয়। বন্ধুরা আরেকটি কথা, যখনই তোমরা কৃমির ওষুধ খাবে, এখন ঘরের যতজন সদস্য আছে সবাই খেতে হবে একসাথে। তা না হলে কাজ হবে না।

 

 

Continue Reading

স্বাস্থ্য

হলুদ দিয়ে চা কেন খাবেন?

Rajibul Alom

Published

on

প্রতিদিন সকালে এককাপ চা না খেলে যেন দিনের শুরুটাই সাদামাটা হয়ে যায়! আর সেই চা যদি হয় পুষ্টিগুণে ভরা তাহলে তো কথাই নেই।
আমরা সাধারণত আদা চা খেতে বেশি অভ্যস্ত। কেউ কেউ আবার আদার পাশাপাশি লবঙ্গ, গোল মরিচ অথবা লেবু মিশিয়ে খান। কেমন হতো যদি এগুলোর পাশাপাশি এক চিমটি হলুদও মিশিয়ে দিতেন। চলুন দেখে নেয়া যাক, এই এক চিমটি হলুদ আপনার চায়ের পুষ্টিগুণে আরো কী কী পরিবর্তন আনে।

১. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাবে দ্বিগুণঃ হলুদে আছে প্রচুর পরিমানে কারকিউমিন। যা আপনার রক্তে জমা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিবে। এটি স্ট্রোক ও হার্ট এট্যাকের ঝুকিও কমাতে সাহায্য করে।

২. দৃষ্টিশক্তি উন্নত করেঃ হলুদে উপস্থিত থাকা উপকারী উপাদান রেটিনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমায়। এছাড়া চোখে প্রোটিনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে এই হলুদ। এতে প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে অন্ধত্ব হওয়ার ঝুকি থাকে না।

৩. ক্যান্সারের ঝুকি কমায়ঃ যেকোনো চা’ই ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর সেই চায়ের সাথে হলুদের গুড়া মিশিয়ে নিয়মিত পান করলে ক্যান্সারের ঝুকি থাকে না বললেই চলে। কারণ হলুদে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমটরি প্রপাটিজ শরীরে যাতে ক্যান্সার সেল জন্ম নিতে না পারে সে দিকে খেয়াল রাখে।

৪. চেহারা সুন্দর করেঃ হলুদে থাকা ভিটামিন ই চেহারার সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া, ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপও কমিয়ে দেয়।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়ঃ হলুদে থাকা উপাদান পাকস্থলীর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখা বাড়িয়ে দেয়। এতে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে এবং বদহজম প্রতিরোধ হয়।

৬. ব্রেনের ক্ষমতা বাড়ায়ঃ হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন নামক উপাদান ব্রেন সেলের ক্ষতি হওয়া আটকায়। কাজেই নিয়মিত হলুদ চা (টার্মারিক টি) পান করলে ব্রেনের পাওয়ার এতোটাই বৃদ্ধি পায় যে অ্যালঝাইমার্সের মতো ভয়ঙ্কর রোগও দূরে থাকে। এছাড়া এই কারকিউমিন স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

৭. হার্টের ক্ষমতা বাড়েঃ একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত হলুদ চা পান করেন তাদের হার্ট অন্যান্য মানুষের চেয়ে বেশি সুস্থ থাকে।

৮. আর্থ্রাইটিসের কষ্ট কমেঃ হলুদে থাকা কারমিউমিন শরীরে অ্যান্টিইনফ্লেমটরির মাত্রা বাড়িয়ে জয়েন্ট ও যন্ত্রণা কমিয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

তাহলে এখন নিশ্চয়ই বুঝে গেলেন প্রতিদিন সাধারণ চা না খেয়ে সামান্য হলুদ দিয়ে তৈরি করা টার্মারিক চা খাওয়া কতটা দরকার! তবে এটা কিন্তু শুধু আপনার, আমার না, সবারই এই চা খাওয়া দরকার। তাহলে আর দেরি কেন, সবাইকে জানিয়ে দিন, শেয়ার করুন ফেসবুকে।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যই সম্পদ যদি স্বাস্থ্য চলে যায় তবে সবকিছু চলে যায়’

Mukitu Islam Nishat

Published

on

‘যদি স্বাস্থ্য চলে যায় তবে সবকিছু চলে যায়’। জীবন স্বাস্থ্য হারাবে যদি আপনি স্বাস্থ্য থেকে বঞ্চিত হন। আপনি খাবার বা জগতকে উপভোগ করেন না। এমনকি আনন্দের সাথে সময় কাটাও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি সুস্থ ব্যক্তি (ধনী বা গরিব) কোনও অসুস্থ দেহের চেয়ে ধনী ব্যক্তির চেয়ে বেশি সুখী ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে মানুষের আসল সম্পদই তার স্বাস্থ্য health স্বাস্থ্য কেবল রোগ এবং দুর্বলতার অনুপস্থিতি নয় বরং সম্পূর্ণ শারীরিক, সামাজিক এবং মানসিক সুস্থতার একটি অবস্থা। স্বাস্থ্য এইভাবে জীবের এক কার্যক্ষম দক্ষতার স্তরের এবং ব্যক্তির মন, শরীর এবং আত্মার সাধারণ অবস্থার অর্থ, এটি মুক্ত রোগা, আঘাত এবং ব্যথা। আপনি যদি শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যবান হন তবে আপনি অন্যের কাছে একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হতে পারেন এবং কীভাবে প্রাণবন্ত স্বাস্থ্য অর্জন করবেন তা তাদের শিখিয়ে দিতে পারেন। সুস্বাস্থ্যের জন্য, লোকদের একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করা উচিত। স্বাস্থ্যকর জীবনধারাতে জড়িত না এমন ব্যক্তিরা অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্থূলত্ব, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, কিডনিজনিত সমস্যা, লিভারের ব্যাধি এবং আরও অনেকের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্য ব্যাধিতে ভুগতে পারেন। অস্বাস্থ্যকর শরীর খুব সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং ক্লান্ত শরীর সহজেই অনুপ্রেরণা এবং আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। স্বাস্থ্য godশ্বরের মহান নেয়ামত। সুস্বাস্থ্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। সুস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সুশৃঙ্খল জীবন বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। আমাদের আমাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া উচিত এবং এর জন্য আমাদের সর্বদা একটি সহজ এবং ভারসাম্যযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। ব্যায়ামের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর ও রোগমুক্ত শারীরিক পরিচ্ছন্নতা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উদ্দেশ্যটি হ’ল সুস্থ থাকার জন্য আমাদের শরীরকে পরিষ্কার রাখা উচিত। আমাদেরও আমাদের ঘর এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। একটি পরিষ্কার পরিবেশ একটি পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর শরীরের দিকে পরিচালিত করে। এটি সংক্রামক রোগগুলি ধরার ঝুঁকি হ্রাস করে। এবং একটি পরিষ্কার পরিবেশ অর্জন করা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা মানুষের দায়িত্ব। প্রচুর পরিমাণে জল পান করা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার একটি ভাল উপায় কারণ এটি সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করে, আপনার ত্বককে সুস্থ রাখে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়, দেহের মেদ পোড়াবে এবং আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের আরও হাসতে হবে কারণ হাসি একটি থেরাপি এবং সুস্বাস্থ্যের একটি গোপন বিষয়। যে কোনও খারাপ অভ্যাস যেমন ধূমপান, অ্যালকোহল পান করা, খারাপ জীবনযাপন ইত্যাদি এড়ানো উচিত। একটি স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি প্রচুর অর্থোপার্জন করতে পারে তবে একটি স্বাস্থ্যকর ব্যক্তি অনুপ্রেরণা, আন্তঃসংযোগ এবং ঘনত্বের মাত্রার অভাবে পারেন না। অর্থ একটি সুস্থ জীবন যাপনের উত্স তবে সুস্বাস্থ্যই একটি সুখী ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের উত্স। সুতরাং, স্বাস্থ্য থেকে অর্থের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ matters আমাদের সকলের উচিত সত্যিকার অর্থে ধনী হওয়ার জন্য আমাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট