Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

X-ray কিভাবে কাজ করে ও কি কাজে লাগে??

Shahriar Hasan

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম সম্মানিত দর্শক মন্ডলী।।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা x-ray  নিয়ে আলোচনা করব।।

বর্তমানে এক্সরে এমন একটি প্রযুক্তি সেটি আমাদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।।

1885 সালের উইলহেলম রনজেন্ট  উচ্চগতিসম্পন্ন এক ধরনের বিশেষ রশ্মি আবিষ্কার করেন যেটি মানুষের শরীর ভেদ করে ফটোগ্রাফি প্লেটে   ছবি তুলতে পারত।।।এ রশ্মির ধর্ম সম্পর্কে তখন জানা ছিল না বলেই এর নাম দেয়া হয়েছিল এক্সরে।। কিন্তু এখন আমরা জানি এক্সরে আলোর মতোই বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ তবে তার দৈর্ঘ্য সাধারণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অপেক্ষা কয়েক হাজার গুণ ছোট তার শক্তির থেকে কয়েক হাজার গুণ বেশি।।।যেহেতু এ রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক কম তাই এ রশ্মি আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না।।এখন আসি  এক্সরে কিভাবে কাজ করে।।

একটি কাচের গোলোকের দুই পাশে দুটি ইলেকট্রড থাকে -একটি ক্যাথোড যেটি টাংস্টেনের তৈরি, আরেকটি  অ্যানোড।। তারপর ক্যাথেডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে সেটিকে উত্তপ্ত করা হয়।। তারপর তাপের কারণে ক্যাথোড ফিলামেন্ট থেকে মুক্ত হওয়া ইলেকট্রন অ্যানোডের দিকে এসে আঘাত করে।।ফলে অ্যানোডে থাকা ইলেকট্রন কক্ষচ্যুত হয়।।এবং  শক্তি বের হয়ে আসে।।ফলে এর কারণে যে শক্তিটুকু বের হয়ে আসে সেটি x-ray হিসেবে পরিচিত,বা যেটিকে আমরা x-ray হিসেবে চিনি।।এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ঠিক কত হবে সেটি নির্ভর করে এক্সরের অ্যানোডে কি ধাতু ব্যবহার করা হয়েছে।।সাধারণত আমরা যেটাকে  x-ray এর অ্যানোড ব্যবহার করি সেটি হচ্ছে তামা।।এখন আসি এক্সরে কিভাবে ব্যবহার করা হয়।। অর্থাৎ আমাদের জীবনে কি কাজে লাগে।।এক্সরে অনেক ভাবে ব্যবহার করা যায়।।নিচে তার কয়টি ব্যবহার দেয়া হলোঃ

১.স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড়  ইত্যাদি খুব সহজেই শনাক্ত করা যায় এই এক্স-রের মাধ্যমে।।

২.দাতের ক্যাভিটি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের খয় বের করার জন্য এক্সরে ব্যাবহার করা হয়।।

৩. এক্সরে ব্যাবহার করে আমাদের পেটের অন্ত্রের  বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা(Intestinal obstruction) শনাক্ত করা যায়।।

৪.এক্সরে ব্যবহার করে পিত্তথলির পাথর এবং কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব বের করা যায়।।

৫.এক্সরে ব্যাবহার করে ফুসফুসের(lung) বিভিন্ন রোগ, যেমনঃ যক্ষা(tuberculosis ,নিউমোনিয়া(pneumonia), ফুসফুসের ক্যান্সার (lung cancer) ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।।।

৬.এই এক্সরে কোষকে(cell) মেরে ফেলতে পারে, তাই এটি রেডিওথেরাপিতে (radiotherapy) ব্যাবহার করা হয়।।

এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ যেন আমাদের শরিরের কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করে সেজন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।।তাই রোগির এক্সরে নেয়ার সময় এক্সরে করা অঙ্গটি ব্যাতিত সমস্ত শরীর কার্বনের তৈরি  apron দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়।। আর উল্লেখ্য যে অত্যন্ত প্রয়োজন না হলে গর্ভবতী মেয়েদের তলপেটের অংশটুকু এক্সরে করা হয় না।।।

Advertisement
3 Comments
Subscribe
Notify of
3 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Farhana liza Farhana liza

Nice

Maria Hasin Mim

ok

Asraful Islam

দারুন হয়েছে ভাই

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

তথ্যপ্রবাহ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট

Farhana liza Farhana liza

Published

on

হাই বন্ধুরা, তোমরা কেমন আছো? আশাকরি সবাই ভাল আছো। আমিও আল্লাহর রহমতে আমি ভালো আছি। আজকে আমি তোমাদের সামনে তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করব।

আজকের দিনে তথ্যপ্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ হলো ইন্টারনেট। তথ্য প্রবাহ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট এক বিস্ময়কর বিপ্লব বয়ে এনেছে। ইন্টারনেট আসলে কম্পিউটার ডিভাইস কেন্দ্রিক বিশ্ব যোগাযোগের একটি অভিন্ন ক্ষেত্র। এটি একটি জটিল যোগাযোগ জাল। এর সাধারণ পরিচয় বিশ্ব ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্ক।

ইন্টারনেট এর যাত্রা শুরু 1969 সালে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পারমাণবিক যুদ্ধ ও হামলা সম্পর্কিত তথ্য আদান প্রদানের লক্ষ্যে আমেরিকান’ ডিফান্স নেটওয়ার্ক,’নামে এবছর একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। গত শতাব্দীর আশির দশকের শেষভাগে এই তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষ করে কম্পিউটারের উন্নতির ফলে ইন্টারনেট বিশ্বের সর্বত্র জনপ্রিয়তা লাভ করে। ইন্টারনেট মূলত মুহুর্তের মধ্যে অগণিত ব্যবহারকারীকে পরস্পর সংযুক্ত করে এবং তথ্য উপাত্ত বিনিময় সুযোগ করে দেয়। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সবার আগে প্রয়োজন হয় কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংক্রান্ত সফটওয়্যার ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ব্রডব্যান্ড লাইনের সংযোগ বা মডেম।

আজকাল মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। ইন্টারনেট কে কেন্দ্র করে ব্যবসা বাণিজ্য ,ব্যক্তিগত ,সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তবে এর মাধ্যমে মানুষ আর অনেক ক্ষতি সাধিত হয়।

পরিশেষে বলা যায়, ইন্টারনেট আমাদের জীবনের সাথে এমন ভাবে জড়িয়ে গেছে, যে এটি ছাড়া এক মুহূর্ত আমরা কল্পনা করতে পারিনা। এখন আমাদের বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির দিক দিকে অনেক উন্নতি সাধন হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। বাংলাদেশে এখন তৈরি হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। এ স্যাটেলাইট এর কারণে আমাদের দেশ এখন অনেক এগিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির দিকে। বন্ধুরা তোমরা নিশ্চয় আমার সাথে একমত। ইন্টারনেট ছাড়া আমাদের এক দিনও চলে না।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

রহস্যময় মানবদেহ নিয়ে কিছু কথা

Farhana liza Farhana liza

Published

on

হ্যালো বন্ধুরা ,কেমন আছো? আশা করি ভাল আছ। আমিও অনেক ভালো আছি। আজ আমি তোমাদের সামনে এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, এটা হয়তো আমাদের অনেকের অজানা। বন্ধুরা আসা যাক আসল কথায়….

আমি আজকে তোমাদের সাথে আলোচনা করব মানবদেহের রহস্য সম্পর্কে। আমরা হয়তো আমাদের দেহ সম্পর্কে অনেক কিছু জানি না। আমাদের এই মানবদেহে যে কতটা বৈচিত্র্যপূর্ণ তা আমরা হয়তো নিজেরাই পুরোটা জানিনা। মানব দেহের মধ্যে যেসব বৈচিত্র্যময় ঘটনা ঘটে তা রহস্যময় গল্পের থেকেও রোমাঞ্চকর।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে যে পরিমাণ কার্বন থাকে তা দিয়ে ৯,০০০টি পেন্সিল তৈরি করা যেতে পারে। প্রায় ৬৫ কেজি ওজনের একজন মানুষের দেহে যে পরিমাণ চর্বি থাকে তারা তারা ৭ টি সাবান তৈরি করা যাবে। একজন মানুষের শরীরে যে পরিমাণ আয়রন বা লোহা থাকে, তা দিয়ে দু ইঞ্চি মাপের একটি পেরেক তৈরি করা যেতে পারে। তেমনি একজন মানুষের দেহে যে পরিমাণ ফসফরাস ফসফরাস থাকে তা দিয়ে দিয়াশলাইয়ের২,২০০টি কাঠি তৈরি করা যেতে পারে। একটি মানব দেহের মাংস পেশী যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয়, তা দ্বারা ঘন্টায় ১লিটার পানি উত্তপ্ত করা যেতে পারে।

মানবদেহের একটি লিভার বাৎসরিক যে পরিমাণ রক্ত ফিল্টার করে, তার পরিমাণ ২৩ লিটার দুধের সমান। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার যে পরিমাণ খবর জমা রাখে, মানুষের মস্তিষ্ক তার চেয়ে ১ লক্ষ গুণ বেশি খবর ধারণ করতে পারে। একটি মানব দেহের হৃদপিণ্ড প্রতিদিন ৭,৫০০ লিটার রক্ত পাম্প করে। মানুষের চোয়াল এতই শক্তিশালী যে, এটি ২৭৯ কেজি ওজন বল প্রয়োগ করতে পারে। মানুষের দেহের হাছির শব্দের বেগ ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার। প্রতিটি মানুষ প্রতিরাতে গড়ে ২ঘনটা  স্বপ্ন দেখে।

জন গড় আয়ুর মানুষ যে পরিমান খাদ্য খায় তার পরিমাণ তিরিশ হাজার কেজি। একজন মানুষের নাক দিয়ে রোজ গড়ে ১৪ কিউবিক মিটার বাতাস ফুসফুসে পৌঁছে।

বন্ধুরা আজ আর নয়। এগুলো আলোচনা করতে গেলে আরো অনেক টাইম লাগবে। রহস্য এখানে উন্মোচন করা সম্ভব না। এখানে কিছুটা মাত্র তুলে ধরলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।

Continue Reading

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বাজারে আইফোনকে টেক্কা দিতে নতুন ফোন আনছে শাওমি

Naim Ali

Published

on

শাওমি মোবাইলে দেশের বাজারে অনেকটায় জায়গা দখল করে ফেলেছে মোবাইল জগতের। এবার তারা নিয়ে আসছে সব ব্রান্ড ছাপিয়ে কম দামেই এপলকে টক্কর দেওয়ার মত ফোন। তো কি থাকছে এ ফোনে? আর এর কোন ফিচারের কারনে হিড়িক পড়ে গেছে মোবাইল বিজনেসে? নাকি শুধুই বিজনেস পলিসি?

রেডমি নোট 10: নতুন তথ্য রেডমি নোট 9 প্রো এর চেয়ে 120 হার্জেডের ডিসপ্লে এবং আরও ভাল পারফরম্যান্সকে নিয়ে এটি বাজারে আসছে বলে আজকেই তারা জানিয়েছে। ১২০ হার্জ রিফ্রেস রেটের ফোন বর্তমান বাজারে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বী একটি ফোন বটে।

রেডমি নোট 10 রেডমি নোট 9 প্রোয়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে শাওমি তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে। (সূত্র: শাওমি ডট কম)।

রেডমি নোট 10 বছরের শেষের আগে লঞ্চ করা হবে এবং আসন্ন মিড-রেঞ্জ ফোনটির আরও বিস্তারিত আজকে কিছুক্ষন আগে প্রকাশিত হয়েছে।

ধারণা করা যায়, রেডমি নোট 10 একটি 120 হার্জ রিফ্রেসরেট এর ডিসপ্লে, 48 এমপি ক্যামেরা এবং দুটি শক্তিশালী এসসি এর সাথে রান করবে।

অ্যান্ড্রয়েড এআরএম চাইনিজ টেক স্মার্টফোন
রেডমি নোটটি শাওমির অত্যান্ত হাইপ সৃষ্টিকারী ফোন , রেডমি নোট 8 এবং রেডমি নোট 8 প্রো এর মতো ডিভাইসগুলি অবিশ্বাস্য বিক্রয় সংখ্যার নজির স্থাপন করেছে। 9 মাস আগে রেডমি নোটটি বাজারে আসার পরে পরে, শাওমি সরাসরি উত্তরসূরি, রেডমি নোট 10 প্রকাশ করতে চলেছে।

রেডমি নোট 10 কোয়ালকমের সর্বশেষ চিপসেট, স্ন্যাপড্রাগন 732 জি নিয়ে আসতে চলেছে। স্নাপড্রাগন 732 জি নিয়ে পোকো এক্স 3-এ এই সপ্তাহের শুরুতে লঞ্চ করেছিল, তাই এটি বোঝা যায় যে এটি শাওমির পরবর্তী জেনারাল রেডমি নোটেও তা আসবে।

মজার বিষয় হল তারা দাবি করেছে যে রেডমি নোট 10-এ 4G এবং 5G ভেরিয়েন্ট থাকতে পারে। স্ন্যাপড্রাগন 732 জি 5 জি সংযোগের অনুমোদন দেয় না, সুতরাং যুক্তি অনুসারে এটি 4G মডেলটিতে আসবে শুধু। 5 জি মডেল, সেই ক্ষেত্রে, সম্ভবত মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 820 নিয়ে আসবে।

এটি ঠিক কতটা কার্যকর তা অস্পষ্ট, কারণ শাওমি কেবল একটি রেডমি নোট 10 এবং একটি রেডমি নোট 10 প্রো লঞ্চ করার সম্ভাবনা বেশি তবে স্নাপড্রাগন 732 জি নিয়মিত রেডমি নোট 10-তে যা আশা করবে তার চেয়ে বেশি শক্তিশালী বলে মনে হচ্ছে। , এটি এটিকে রেডমি নোট 9 প্রো এবং এর স্ন্যাপড্রাগন 720 জি এর চেয়েও শক্তিশালী করে তুলবে।

রেডমি নোট 10 একটি 6.67 ইঞ্চি এফএইচডি + 120 হার্জ এলসিডি ডিসপ্লে নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এটি এবং স্ন্যাপড্রাগন 732 জি থাকায় বোঝা যায় যে এটি একটি পুনরায় ব্র্যান্ডেড পোকো এক্স 3 হতে পারে।

তবে যায় ই হোক, ওসব ফিচার নিয়ে এ ফোনটি আসলে হয়ত এটিও নোট ৮ এর মতো একটা বিশাল বাজার দখল করতে সক্ষম হবে শাওমি। দেখা যাক তবে শেষ অব্দি কি আসে আমাদের দেশে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট