Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইন্টারনেট

ইনফ্রারেড এবং পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ও ব্রডকাস্ট কি বৈশিষ্ট্য (তারবিহীন মাধ্যম) জেনে নেন

Published

on

ইনফ্রারেড –

৩০০ গিগাহার্জ হতে ৪০০ টেরাহার্জ পর্যন্ত ফ্রিকুয়েন্সিকে বলা হয় ইনফ্রারেড। ইনফ্রারেড খুবই নিকটবর্তী ডিভাইসের মধ্যে ডেটা কমিউনিকেশনকে জন্য উপযোগী।

এই প্রযুক্তিতে সিগনাল ট্রান্সমিট করার জন্য ইনফ্রারেড মানের আলো। বা আইএলডি ব্যবহার করা হয়। রিসিভিং  প্রান্তে ফটোডায়োড সিগনাল রিসিভ বা গ্রহন করে থাকে । মাঝে কোন বাধা না থাকলে এ ধরনের ট্রান্সমিশন সিগনাল সর্বোচ্চ ৩০ মিটার পর্যন্ত যেতে পারে।ইনফ্রারেড সিগনালের অসুবিধা হচ্ছে এটি ঘরের দেয়াল বা শক্ত কোন বাধা ভে করতে পারে না। এছাড়া ইনফ্রারেড সিগনাল উজ্জ্বল আলোক উৎসের সংস্পর্শ এলে এর অস্তিত্ব লোপ পায়। বিভিন্ন রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেমে এ মাধ্যম ব্যাবহারিত হয়।

ইনফ্রারেড সিগনাল ট্রান্সমিশনের আবার দুটো বহুল ব্যাবহারিত পদ্ধতি আছে । যথা –

  • পয়েন্ট-টু পয়েন্ট
  • ব্রডকাস্ট

পয়েন্ট-টু- পয়েন্ট ঃ

পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট পদ্ধতিতে ইনফ্রারেড রীম একটি নিদির্ষ্ট টার্গেটকে লক্ষ্য করে প্রক্ষেপন করা হয়। এতে শুধু ঐ নির্দিষ্ট টার্গেটিটই সিগনাল রিসিভ বা গ্রহ্ন সমর্থ্য হয়। এতে ওয়ার্ক বা সিগনাল রিসিভিং ডিভাইস কোন ক্রমেই স্থান পরিবর্তন করতে পারে না।

পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ট্রান্সমিশনের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো –

  • এ ধরনের ট্রান্সমিশন ১০০ সিগাহার্টজ থেকে ১০০০ টেরাহার্টজ ফ্রিকুয়েন্সি ব্যাবহার করতে পারে।
  • কোন ধরনের ইকুইপয়েন্ট ব্যাবহার করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে ব্যয় কত হবে। দূরপ্ললায় জন্য শক্তিশালী লেজার ডিভাইস দরকার হবে । সেক্ষেত্তে ব্যয় বেশি হবে। কিন্তু অল্প দূরত্বে সিগনাল পাঠানোর জন্য সাধারনত রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস ব্যাবহার করা যেতে পারে । এবং খরচ বেশ কম হবে।
  • ইনফ্রেরড ট্রান্সমিশন ইকুইপমেন্ট ইনস্টল করা খুব কঠিন নয়, হবে প্রতিটি ডিভাইস লাইন অব সাইট আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।
  • ইকুইপমেন্টের ওপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ ১০০ কেবিপিএস থেকে ১৬ এমবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে।
  • আশপাশের আলো এবং আবহওয়ার ওপর নির্ভর করে এটেনুয়েশন কতটুকু প্রভাব ফেলবে।
  • উজ্জ্বল আলো দ্বারা  ইনফ্রেরড ট্রান্সমিশন বিঘ্নিত হয়। তবে ইভসড্রপিঙ্গেত্র সম্ভবনা রতে থাকে না।

ব্রডকাস্ট –

ব্রডকাস্ট পদ্ধতিতে ইনফ্রেরড সিগনাল বিস্তৃত এলাকা নিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে করে একাধিক ডিভাইস একই সাথে সিগনাল রিসিভ করতে পারে। এই পদ্ধতিতে রিসিভিং ডিভাইসগুলো প্রয়োজন প্রক্ষেপতি সগনালের কভারেজের মধ্যে যেকোন জায়গায় স্থান পরিবর্তন করতে পারে।

ব্রডকাস্ট ইনফ্রেরড ট্রান্সমিশনের বৈশিষ্ট্য হলো-

  • এর ফ্রিকুয়েন্সি হতে পারে ১০০ গিগাহার্টজ থেকে ১০০০ টেরাহার্টজ ।
  • কোন ধরনের ইকুইপমেন্ট ব্যাবহার করছি তার ওপর নির্ভর করে এর ব্যয় কমবেশি হতে পারে।
  • ইনস্টেলশন বেশ সহজ।
  • পয়েন্ট টু পয়েন্ট ইনফ্রেরড ট্রান্সমিশনের মতোই এখানে এটেনুয়েশন ও ইএমআই দেখা দিতে পারে।

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট এক আলাদিন প্রদিপ এর নাম

Published

on

By

বর্তমান যুগ বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির যুগ।বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ এবং কেড়ে নিয়েছে আবেগ।প্রযুক্তির এক অন্যতম বড় কল্যাণ হল ইন্টারনেট।ইন্টারনেটের অবদান এর কথা বলে শেষ করা যাবেনা। ইন্টারনেট আমাদের জীবনযাএা কে সহজ করে দিয়েছে। করেছে আমাদের কল্যান।আমরা বহু কঠিন কাজ সহজ করে দিয়েছে এই ইন্টারনেট।যদিও তার কিছু অপকারি দিক রয়েছে। তবুও উপকারী দিকই বেশি।                          এখন সকল কথার প্রথমে আসে ইন্টারনেট কি?ইন্টারনেট বা অন্তজাল হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত পরস্পরের সাথে সংযুক্ত কতগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর সমষ্টি যেখানে  আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল এর মাধ্যমে ডাটা বা তথ্যের আদান প্রদান করা।

১৯৬০ইং সালে মার্কিন  সামরিক বাহিনীর গবেষণা সংস্থা এডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি  বা আরপা পরিক্ষামূলক ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগারের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলে।  এ সময় তথ্য আদান প্রদান বৈজ্ঞানিক এবং প্রতিরক্ষা কাজের মধ্যে ছিল। ১৯৬২ সালে এমাইটি এর জন্য গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এর প্রস্তাব করা হয়। যার ফলে DARPA গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এর জন্য কাজ শুরু করে দেয়। ১৯৬৯ সালে ডারপা গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এর আওতায় কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাগারে পরিক্ষামুলক ভাবে  যোগাযোগ ব্যবস্থা  গড়ে তুলে।ফ্যাকেট সুইচিং এর উপর তৈরি করা এই নেটওয়ার্ক আরপানেট নামে পরিচিত ছিল।এতে প্রাথমিক ভাবে যুক্ত ছিল                      স্টানফোড   ইউনিভার্সিটি                   ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া এট লস এঞ্জেলস                                           ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া এট সান্তা বারবারা                                           ইউনিভার্সিটি  ইফ ইউটাহ  পরে ১৯৮৩ সালে সারা বিশ্বর জন্য  খুলে দেয়া হয়।এভাবে ক্রমে ইন্টারনেটের উন্নতি সাধিত হয় এবং ক্রমেই ইন্টারনেট সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা যেকোনো খবর খুব দ্রুত দেখি।  আমরা ঘরে বসে খাবার অর্ডার করতে পারি।

ইন্টারনেট হল  বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে থাকা একটি নেটওয়ার্ক যা কম্পিউটার কে কিছু ভারচুয়াল কাজ করার অনুমতি দেয়।

 

 

 

Continue Reading

ইন্টারনেট

যুগে যুগে কম্পিউটার

Published

on

বিশ্ব জুড়ে কম্পিউটারের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এই যুগ কম্পিউটার ছাড়া প্রায় অচল। প্রতিদিনের কাজে প্রতেকেই কমবেশি কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। কম্পিউটারের অতীত থেকে বর্তমান অনেকেরই অনেক কিছু অজানা।

বর্তমানে প্রত্যেকেই যে কম্পিউটার ব্যবহার করছি তা কিন্তু প্রথম থেকেই এমনটা হয়ে আসেনি। এর পিছে রয়েছে অনেক বছরের সাধনা।

বর্তমানে আমরা যে কম্পিউটার ব্যবহার করি তার কোনো অস্তিত্বই ছিল না। শুরুতে কম্পিউটার বলতে অনেকগুলো যন্ত্রের সমাহার বোঝাতো যা একটি রুমের পুরোটা জুড়েই সাজানো থাকতো। এরপর হাজার মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম, গবেষণা ও অবদানের ফসল হিসেবে আমরা পাই আজকের দিনের কম্পিউটার।

১৯৪০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত কম্পিউটারের যাত্রা বা অগ্রগতির যে ইতিহাস রয়েছে, তার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা এটিকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করেছেন। চলুন তবে জেনে নিন কম্পিউটার যাত্রার এই প্রজন্মগুলো সম্পর্কে:

প্রথম প্রজন্ম: ভ্যাকুয়াম টিউব (১৯৪০-১৯৫৬)

প্রথম প্রজন্ম: বর্তমান কম্পিউটার বলতে যে যন্ত্রটি বোঝায় তা কিন্তু আজকের অবস্থায় ছিল না। তখন কম্পিউটার অর্থ ছিল বেশ কয়েকটি ছোট-বড় যন্ত্রের মত। এবং সেই কম্পিউটার রাখতে একটি বড় রুমের প্রয়োজন হত। সার্কিট হিসেবে ব্যবহার করার জন্য বড় বড় ভ্যাকুয়াম টিউবের (Vacuum Tube) প্রয়োজন পড়তো। মেমোরির জন্য ব্যবহৃত হতো বেশ কিছু ম্যাগনেটিক ড্রাম।

এই কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ করাও অত্যন্ত খরচের ছিল। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন হত যন্ত্রগুলো চালানোর জন্য। তাছাড়াও অনেক বেশি পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হওয়ার জন্যে প্রায়ই বিকল হয়ে যেত এই কম্পিউটার।

একদমই যান্ত্রিক ভাষার (Machine Language) উপর নির্ভরশীল ছিল তখনকার কম্পিউটার। প্রোগ্রামিং ভাষা এতটাই প্রাথমিক স্তরের ছিল যে একের বেশি কমান্ড বা নির্দেশনা প্রদান করা সম্ভবই ছিল না। এর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটির বেশি সমস্যার সমাধান করা যেতো না।

কম্পিউটার অপারেটরকে দিন, সপ্তাহ, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাসও পার হয়ে যেতো কোনো নতুন সমস্যার ইনপুট দিতে। পাঞ্চ কার্ড ও কাগজভিত্তিক হতো সেসব ইনপুট। প্রিন্ট করা কাগজে বেরিয়ে আসত সমস্যার সমাধান।
UNIVAC (উনিভ্যাক) ও ENIAC(এনিয়াক) ছিল প্রথম প্রজন্মের দুটি কম্পিউটার। মার্কিন দপ্তর তাদের গণনা কাজের জন্য ১৯৫১ সালে UNIVAC কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়। এটি ছিল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রিত প্রথম কম্পিউটার।

দ্বিতীয় প্রজন্ম: ট্রানজিস্টর (১৯৫৬-১৯৬৩)

দ্বিতীয় প্রজন্ম:
কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্মের পুরোটা জুড়েই রয়েছে ট্রানজিস্টরের সমাহার। প্রথম প্রজন্মের শেষের দিকে এসে ১৯৪৭ সালে বেল ল্যাবে (Bell Labs) ট্রানজিস্টার আবিষ্কৃত হয়। যা ৫০’এর দশকের শেষে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে থাকে। সেই সময় ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে বানিজ্যিক কাজে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার শুরু হয়।

ট্রানজিস্টরের ব্যবহার কম্পিউটারের জগতে এক পরিবর্তনের সূচনা গড়ে তোলে। কম্পিউটারের আকার, আয়তন, গতি, মূল্য সবদিক থেকেই সুবিধাজনক এক পরিবর্তন আসে। এরপরও অনেক পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হবার সমস্যাটি রয়ে গেছিল।

তারপর বাইনারি যান্ত্রিক ভাষার পরিবর্তে সাংকেতিক ভাষার প্রচলন শুরু হল। Assembly (অ্যাসেম্বলি) নামের এই কম্পিউটার ভাষা আসার ফলে প্রোগ্রামাররা নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধা পেতে শুরু করলেন। কম্পিউটারকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য COBOL (কবল) এবং FORTRAN (ফরট্রান) নামের প্রাথমিক পর্যায়ের প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি হয়েছিল। কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরির ক্ষেত্রে ম্যাগনেটিক ড্রামের বদলে ম্যাগনেটিক কোরের ব্যবহার ভূমিকা ঘটালো একটি স্টোরেজের মাধ্যমে।

তৃতীয় প্রজন্ম: সার্কিট (১৯৬৪-১৯৭১)

তৃতীয় প্রজন্ম:
তৃতীয় প্রজন্মে ট্রানজিস্টরের আকার এবং আয়তন ছোট থেকে ছোট হতে শুরু করে। কতগুলো ছোট ছোট ট্রানজিস্টরের সমষ্টি হিসেবে তৈরি করলো সিলিকন চিপ। যা সেমিকনডাক্টর (Semiconductor) নামে পরিচিত হয়। এই ‘সমষ্টিগত সার্কিটের ব্যবহার’ গতি ও কার্যদক্ষতার ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ধারণা একেবারেই বদলে দেয়।

পাঞ্চ কার্ড এবং কাগজে ছাপানো ব্যবস্থার পরিবর্তে কম্পিউটারের জগতে এলো কি-বোর্ড, মনিটর এবং কম্পিউটার চালানোর জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)। যার জন্য একসঙ্গে একটির বদলে কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন চালানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে অপারেটিং সিস্টেমটি একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা হিসেবে মেমোরিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। আগের তুলনায় কম্পিউটারের আকার, আয়তন অনেকটা ব্যক্তিবান্ধব হয়ে ওঠে।

চতুর্থ প্রজন্ম: মাইক্রোপ্রসেসর (১৯৭১ – বর্তমান)

চতুর্থ প্রজন্ম:
কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের ইতিহাস মানে কিছুটা আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস। প্রথম প্রজন্মে যে বড় বড় যন্ত্রগুলোর জন্য একটা ঘরের দরকার হত তার পরিবর্তে দেখা মিলল একটা ছোট মাইক্রোপ্রসেসরের (Microprocessor)। যা হাতের তালুতেই রাখা সম্ভব । কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে।

হাজার হাজার সমষ্টিগত সার্কিট একটি ছোট সিলিকন চিপের মাধ্যমে তৈরি হল এই মাইক্রোপ্রসেসরটি। ১৯৭১ সালে ‘ইন্টেল ৪০০৪ চিপ’ নামক বাজারে এলো মাইক্রোপ্রসেসর। যা শুধুমাত্র একটি চিপের মাধ্যমে সিপিইউ, মেমোরি এবং যাবতীয় সব ইনপুট আর আউটপুট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

যার জন্যে কম্পিউটার হয়ে যায় একটি টেলিভিশনের মতো। এরপর কম্পিউটারের মূল্য চলে আসে হাতের নাগালে, ব্যবহারের সুবিধা বেড়ে যায় সেই সাথে কাজের ক্ষমতা বেড়ে হয় হাজার হাজার গুণ। এটা থেকেই তৈরি কম্পিউটারই এখনকার ব্যক্তিগত কম্পিউটার (Personal Computer)।

১৯৮১ সালে আইবিএম (IBM) নামক কোম্পানি ব্যক্তিগত পর্যায়ে ব্যবহার করার জন্য প্রথম কম্পিউটার বাজারে ছাড়ল। এর দু’বছর পরেই ম্যাকিন্টশ (Macintosh) নিয়ে বাজারে আসলো অ্যাপল কোম্পানি। শুধু ডেক্সটপ কম্পিউটার নয়, মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার শুরু হল দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা প্রায় প্রতিটি যন্ত্রে। মাইক্রোপ্রসেসর আসার পর পাল্টে গেলে সারা ইলেকট্রনিক্স দুনিয়া।

তারপর ছোট আয়তনের কম্পিউটার তৈরি নিয়ে গবেষণা শুরু হল। অফিসে ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোকে একসাথে করার জন্য তৈরি হল একটি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। এরপর এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তৈরি হল ইন্টারনেট। সেটি আজ আমাদের জীবনের এক বিশেষ অংশ।

পঞ্চম প্রজন্ম: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ)

পঞ্চম প্রজন্ম:
কম্পিউটারের পঞ্চম প্রজন্ম বা বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) নিয়ে অনেক রকম গবেষণা শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিদিন জীবনে ব্যবহৃত কম্পিউটার এবং মোবাইলে কীভাবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে শুরু করা হয় অনেক গবেষণা। যার ফলে আমরা ‘ভয়েস রিকগনিশন’ এবং কণ্ঠস্বরের সাহায্যে কমান্ডিং। মাইক্রোসফট, গুগল ও অ্যাপলের মতো কোম্পানি তাদের পিসি সেই সাথে স্মার্টফোনে সার্থকতার সঙ্গে এই সুবিধা প্রদান করেন। প্যারালাল প্রসেসিং (Parallel Processing) মুহূর্তের মধ্যে অনেক কাজ একসাথে করতে সাহায্য করে থাকে।

  1. এর বাদেও ‘রোবোটিক কম্পিউটিং’ নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। মানুষের স্বাভাবিক ভাষা ও কথোপকথন পুরোপুরি শনাক্ত করে কম্পিউটারের একটি নিজস্ব শিক্ষণ ব্যবস্থা এবং একটি নিজস্ব মেরামত ক্ষমতা নিয়ে আসবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কম্পিউটার।

Continue Reading

ইন্টারনেট

সাবধান!!! হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলিও…।

Published

on

আসসালামু আলাইকুম! এবার আলোচনা করব হ্যাকিং সম্পর্কে। তার আগেই বলে রাখি হ্যাকিংটা কি! আপনার নিজস্ব কম্পিউটারে আপনি আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন, আপনি চান না যে কেউ আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুক বা আপনার কোনো ক্ষতি করুক। কিন্তু আপনার অগোচরে কেউ একজন আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কালেক্ট করে নিয়েছে, যা আপনি জানতেও পারলেন না। এইভাবে নিজের সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অতি গোপনে অন্য কেউ জেনে ফেলাকে হ্যাকিং বলা হয়। এবার আসুন আরেকটা উদাহরণ দিই। ধরুন আপনার নিজের একটা ওয়েবসাইট আছে, যেটা শুধুমাত্র আপনিই কন্ট্রোল করতে পারেন। এখন আপনি ছাড়া যদি অন্য কেউ আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি পরিবর্তন – পরিবর্ধন করে ফেলে এবং পরে আপনি নিজেই আপনার ওয়েবসাইটটি কন্ট্রোল করতে পারছেন না। তো আপনার ওয়েবসাইটের কন্ট্রোল অন্যের অধীনে চলে যাওয়ার পদ্ধতিকেই হ্যাকিং বলা হয়।

 

দুনিয়ায় স্যোশাল মিডিয়ার মধ্যে জনপ্রিয় হলো “ফেসবুক”। কমবেশি এখন সবারই একটা ফেসবুক আইডি আছে। অনেক হ্যাকাররা আশায় আছে কি করে অন্যের তথ্য হাতিয়ে নেয়া যায়! এর জন্য ওরা ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে। যেমন ফেসবুক আইডি হ্যাক করার জন্য রয়েছে অনেক ফিশিং সাইট, যার সাহায্যে ওরা আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে নিতে পারে। বড় বড় ব্যাংক একাউন্ট থেকে মালিকের নজর পেড়িয়ে হ্যাকাররা বড় অঙ্কের টাকা হ্যাক করে নিচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে। একটা পত্রিকায় অনেক আগে দেখেছিলাম, বিদেশী এক হ্যাকার বিদেশে বসে আমাদের বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্ট থেকে বড় ধরণের টাকা হ্যাক করে নিয়েছে।

 

এটা ডিজিটালের যমানা, অনলাইনের যুগ। মানুষের হাতে হাতে এখন স্মার্টফোন। ওয়াইফাই ইন্টারনেটের সাহায্যে স্মার্টফোনে এখন অনেক কিছুই করা যায়। মানুষ এখন ওয়াইফাইও হ্যাক করার জন্য নানা অপকৌশল বের করে ফেলেছে। প্লে স্টোরে খুঁজলে এমন অনেক এপ্লিকেশনই পাবেন যার সাহায্যে খুব দ্রুত কোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই ওয়াইফাই কানেক্ট করা যায়। এরকম অপকৌশল শুধু হ্যাকাররাই হ্যাকিং করার জন্য বের করে থাকে। মালিকের অনুমতি ব্যতীত ওয়েবসাইট কন্ট্রোল করা, অনুমতি ব্যতীত লোকের তথ্য চুরি করা, অনুমতি বা পাসওয়ার্ড ব্যতীত ওয়াইফাই কানেক্ট করা ইত্যাদি সব অপকৌশল হ্যাকারদের কাজ। ও আরেকটি কথা! এবার তো আপনি অন্যের ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড না জানা সত্ত্বেও জানতে পারবেন হ্যাকারদের অপকৌশল ব্যবহার করে। সবসময় সতর্ক থাকবেন যাতে, আপনার কোনো কিছুই যেনো হ্যাকাররা হ্যাক করতে না পারে। লেখাটা অনেক লম্বা হয়ে যাচ্ছে তাই পরবর্তী পোস্টে আরো নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো ইনশাআল্লাহ্‌। জাযাকাল্লাহ…।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন