Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

অন্যান্য

কনক্রিটের মত জীবন

Published

on

“কনক্রিট ঘিরে স্বপ্ন আমার
তার সাথেই করছি ঘর,
অনেক দূরের মানুষ হয়েছে আপন
নিজ স্বজনরা হয়েছে পর।
তাদের সাথে হাঁসি খেলি
তাদের শুরে গাই গান,
ব্যাচ এ ভাবে কাটছে ভালোই
আমার বর্তমান সুখের ও জীবন।
নেই কোন দূরচিন্তা এখন
সব গিয়েছে মামাবাড়ি,
বাইরে থেকে আর কোন দিন ও
ফিরার ইচ্ছে নেই বাড়ি।”

অন্যান্য

স্বাদের পরিবর্তন করুন

Published

on

আপনারা খাওয়ার পর মিষ্টি তো অনেক খেয়েছেন। আজ আপনাদের ভিন্ন ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাবার রান্না শেখাবো। স্পঞ্জি কাপ। এর জন্য আমাদের দুটি উপকরণ চাই , চিনি আর ডিম্।প্রথমে আমরা ৪ টা ডিম্ কুসুম ছাড়া শুধু সাদা অংশ একটা বাটিতে নিবো. এর পর আমরা হ্যান্ড ব্লেন্ডার দিয়ে ডিমের সাদা অংশ ব্ল্যান্ড করে ফোম তৈরী করে নিবো। এখন আপনার কাছে হ্যান্ড ব্লেন্ডার না থাকলে জগ ব্লেন্ডার ব্যাবহার করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে যেন ফোম ঘন হয়। এখন ২০০ মিলি কাপের এক কাপ চিনি ফোম এ মিশিয়ে আবার ব্ল্যান্ড করুন। ব্ল্যান্ড করার এক পর্যায়ে চিনি গোলে যাবে। এরপর আরো ব্ল্যান্ড করলে সাদা ফুলে থাকা ফোম তৈরি হবে।
এখন আমরা ১০০ মিলি পরিমান ক্যারামেল তৈরী করে নেয়ার জন্য একটি পাত্রে ৩ টেবিল চামচ চিনি আর ১৮০ মিলি পানি নিবো. পাত্র চুলায় ধীমী আঁচে বসাই। মিশ্রণ হালকা বাদামি হতেই চুলা বন্ধ করে অন্য পাত্রে ঢেলে নেই। ক্যারামেল ঘন যেন না হয় কারণ এটি ঠান্ডা হলে আরও ঘন হবে।
এখন কয়েকটা চায়ের কাপে কিছুটা ক্যারামেল ঢেলে নিয়েছি। এর উপর তৈরীকৃত ফোম ঢেলে কাপ এর ৩/৪ অংশ পূর্ণ করি। এখন একটা মাঝারি আকৃতির উঁচু প্যান এ চুলায় মাঝারি আঁচে বসে এরপর ফোম ভর্তি কাপ গুলো তার মধ্যে বসাই।প্যান এর ঢাকনা বন্ধ করি। আর ঢাকনায় কোনো ফুটো থাকলে তা কাগজ দিয়ে বন্ধ করতে হবে। এখন ২০ মিনিট এটা রান্না হবে। এরপর এটার ঢাকনা খুলে টুথপিক দিয়ে চেক করতে হবে।
কাপ তুলে ছুরি ঘুরিয়ে স্পঞ্জ বের করে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলো মজাদার স্পঞ্জ কাপ। ধন্যবাদ।

Continue Reading

অন্যান্য

আমাদের সন্তানেরা……….

Published

on

প্রকৃতির নিয়মে শিশু একটু একটু করে অভ্যস্ত হয় চারপাশের সাথে। টলমল পায়ে হাঁটতে হাঁটতে একদিন শক্ত পায়ে ছুটতে শিখে। চিনতে শিখে ভাল কিংবা মন্দ।

আমাদের এখনকার সময়ের শিশুরা অনেকটাই বঞ্চিত  আপন জনের স্নেহ ভালোবাসা থেকে। যৌথ পরিবার ভাঙ্গনের কারন এর জন্য অনেকাংশেই দায়ী। একেতো একক পরিবার, তারপর যদি হোন বাবা মা দুজনেই চাকুরীজীবী তাহলেতো শিশুটির দুর্ভাগ্যের কোন অন্ত থাকে না। গৃহকর্মীর লাঞ্ছনা, গঞ্জনায় দিনভর কাটে তার খেলনা পুতুল, গাড়ি, লগো সরঞ্জাম ছড়িয়ে ছিটিয়ে  কিংবা বারান্দার গ্রিলে মাথা ঠেকিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনে।

অথচ যৌথ পরিবারের শিশুটি দিব্যি দাদা দাদীর চোখের সামনে কিংবা চাচা ফুফুদের আদর শাসনে জীবনের সুন্দর সময়গুলো অতিবাহিত করে। এক ছাদের নীচে থাকার ফলে বুঝে মায়া মমতা আর একাত্মতার টান।

মা চাকুরীজীবী  হোন বা না হোন, সন্তান সবার মধ্যে বড় হলে যে উন্মুক্ততার, উদারতার স্বাদে বড় হয় তা একক পরিবারে কোনভাবেই সম্ভব নয়।
তাইতো একটি বা দুটি সন্তান থাকা একক পরিবারগুলির দিনমান কাটে সন্তানের খাবারের বাটি হাতে। সকালের নাস্তার বাটির চারপাশ  শুকিয়ে কড়কড়ে হবার পর যখন ফুরোয়, ঘড়ির কাঁটা তখন দুপুরের খাবারের সময় জানান দেয়।
পর্যায়ক্রমে এভাবেই চলে সকাল থেকে রাত অবধি সময় ক্ষেপনের ধারাবাহিকতা।
সন্তান শিখে খাবারের প্রতি অনীহা প্রদর্শন। কারন খাবারের মজাটা দিনে দিনে তার কাছে হয়ে ওঠে শীতল, পানসে, স্বাদহীন অনাকর্ষনীয় এবং বাধ্যতামুলক শাস্তিসম।

অন্যদিকে যে বাচ্চাটি সবার মধ্যে যৌথ পরিবারে  বেড়ে ওঠছে খাবার টেবিলে বড়দের পাশে নিজের প্লেট সামনে নিয়ে নিজেই খাবার নেবার জন্য তাগাদা দিচ্ছে, বড়দের সাথে পাল্লা দিয়ে মজা পাচ্ছে।
হয়তো ছড়িয়ে ছিটিয়ে এলোমেলো করছে, নষ্ট করতে চাইছে খাবার। কিন্তু বড়রা যখন আদরে আদরে  বুঝিয়ে বলছে, ওর কৃতিত্ব বানিয়ে উৎসাহ যোগাচ্ছে তখন সে ঠিকই চেষ্টা করছে দুষ্টুমি বিরতির। সংগে অন্য বাচ্চারা থাকলেতো এই কাজটা আরও এক ধাপ এগিয়ে থাকে।  দিনের পর দিন সে নিয়মটায় অভ্যস্ত হয়ে একসময় এভাবেই বড় হতে শিখে যায় আনন্দধারার মাঝে।

অন্য দিকে একক পরিবারের বাচ্চাটি একাকীত্বের নিয়মের বেড়াজালে বন্দীত্বকে বরণ করে। স্কুল, কোচিং প্রাইভেট এসবের বাইরের জীবনটা তার অধরা থেকে যায়। এটাতো অবশ্যই ঠিক, বর্তমানটা প্রতিযোগীতার। না ছুটলেই পিছিয়ে পড়তে হয়। তাই সমান তালে ওরা ছুটছে, এগোচ্ছে। একক কিংবা যৌথ যেখানেই থাকুক না কেন।
শুধু ক্লান্তিটা শেয়ার করার ব্যাপারে যৌথ পরিবারের সন্তানটি যে পরিবেশটা হাতের কাছে  পাচ্ছে, তা একক পরিবারের ছেলেটি ঘরের নির্দিষ্ট  কোনে মনের ভার বৃদ্ধি করে গুটিয়ে নিচ্ছে নিজেকে, নিজের বিকাশকে।

একাডেমিক ফলাফলে হয়তো  কেউ কম যায় না, এটাও ঠিক। পড়াশুনা নিজের আগ্রহের ব্যাপার।সদিচ্ছটাকে রূপায়ন করার ব্যাপার। কিন্তু মনের বিষয়টা অন্তরালে থেকেই যায়। মানসিক প্রশান্তির যে অনুভুতি তা শুধু অনুভবের। অন্তরের গভীরে এর প্রভাব বিস্তৃত।
আসলে বর্তমান সময়টাই পার করছি আমরা পুরনোকে মাড়িয়ে। ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী। ছোট হচ্ছে ঘরের কোন, তালে তাল মিলিয়ে সংসার ছোট, বাড়ি ছোট। ছোট হয়ে যাচ্ছে রান্নাঘর, ছোট হয়ে যাচ্ছে বিশাল হাড়িগুলোও। চারপাশে ছোট দেখতে দেখতে মনকেও ক্ষুদ্র করে ফেলছি আমরা।  এত ছোট যে মনগুলোতে  শান্তি স্বস্তির সংকুলান হচ্ছেনা অনেক ক্ষেত্রেই। আর তাই,  শান্তি স্বস্তিকে বাদ দিয়েই এগুচ্ছে আমাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যত। যা পরিহার করতে হবে এখনই। পরিস্হিতির কারনে পরিবেশের চাপে কিংবা পুরনোকে আঁকড়ে ধরবার প্রয়াস নয়, আমরা নতুনকে স্বাগত জানাবো আমাদের সুন্দরগুলোকে রেখেই। বিশাল মাঠ, মস্ত উঠোন বিলুপ্ত হচ্ছে হোক না, অন্তরে রাখবো মায়া মমতার বন্ধন। হাতের মুঠোয় পৃথিবীটার ভাল দিকগুলোর ব্যবহার করে টিকিয়ে রাখবো আমাদের একাত্মতা,  আমাদের ভালোবাসা। একে অপরের সুখে দুঃখের ভাগীদার। আমাদের শপথ হবে ভালোকে স্বাগত জানানোর আর মন্দকে বর্জনের।

  • আমদের সন্তানেরা বেড়ে ওঠুক আমাদেরই গড়ে দেয়া শান্তির ছায়াতলে, বাসযোগ্য পরিসরে।

Continue Reading

অন্যান্য

আইফেল টাওয়ারে গুপ্ত অ্যাপার্টমেন্ট!

Published

on

আইফেল টাওয়ারের কথা কে না জানে। ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত এই লৌহ কাঠামো পৃথিবীর ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। ১৮৮৯ সালে নির্মিত টাওয়ারটি নির্মাণের পর প্রথম ৪০ বছর পর্যন্ত ছিল পৃথিবীর সর্বোচ্চ টাওয়ার। অথচ এই টাওয়ার নিয়ে রয়েছে অজানা এক তথ্য!  

ডিজনি ওয়ার্ল্ডের ভক্তরা সিন্ডারেলা ক্যাসেলের বিলাসবহুল স্যুট সম্পর্কে নিশ্চয় অবগত আছেন। কিন্তু সমান জনপ্রিয় আইফেল টাওয়ারের এক এমন তথ্য আছে যা সম্পর্কে এর দর্শনার্থীরা অবগত নন।

অনেকে দৃষ্টিনন্দন এই টাওয়ার পরিদর্শন করেন কিন্তু খেয়াল করে দেখান না এর একটি বিশেষ দিক। টাওয়ারটির একদম উঁচুতে রয়েছে একটি অ্যাপার্টমেন্ট। আর এই অ্যাপার্টমেন্ট সম্পর্কে বেশিরভাগেরই কোন ধারণা নেই।

এই টাওয়ারটি নির্মাণের সময় গুস্তাভ আইফেল এক বিশেষ উদ্দেশ্যে এই গুপ্ত অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করেন। নির্মাণের সময় এই অ্যাপার্টমেন্টটিতে গুস্তাভ ছাড়া অন্য কারো প্রবেশ ছিল নিষেধ!  

যদি বলা হয় ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর ভিউ কোথা থেকে পাওয়া যাবে? তাহলে, চোখ বন্ধ করেই সবাই বলে দিবে আইফেল টাওয়ারের কথা। মনে করেন, এক ছিমছাম ছোট পরিসরের অ্যাপার্টমেন্ট যেখানে রয়েছে রঙিন ওয়ালপেপার, কাঠের ক্যাবিনেট আর একটি পিয়ানো।

আর আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে এক্সপ্রেসো কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে দেখছেন চিত্তহরণকারী প্যারিস নগরী।

এই মনোবাসনা নিয়েই গুস্তাভ হয়ত তৈরি করেন এই অ্যাপার্টমেন্টটি। গুস্তাভ হয়ত এই অভিলাষ নিয়েই তার কর্মীদলকে নির্দেশনা দেন এই গুপ্ত অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করার। তবে অনেক বছর পরে জানা যায়, গুস্তাভ প্যারিসের আকাশের স্থায়ী অবস্থা পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্য নিয়ে এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য এই অ্যাপার্টমেন্টটি তৈরি করেন।   

মূলত টাওয়ারটি ফ্রান্সকে ইউরোপের শিল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। আইফেল জানতেন, যে এই টাওয়ার নিয়ে কর্তৃপক্ষের ভবিষ্যৎ কোন পরিকল্পনা নেই। যেকোন সময় এটি ধ্বংসের কাজ শুরু হয়ে যেতে পারে।

আর তাই তিনি সেসময়ের বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের সাথে যোগাযোগ করে এই টাওয়ারটি রক্ষার চেষ্টা শুরু করেন এবং এটিকে গবেষণার একটি জায়গা হিসেবে ধরে রাখার প্রয়াস নেন।  

টাওয়ারটি নির্মাণের পর এর অ্যাপার্টমেন্টটিতে বায়ুমণ্ডলীয় পরিমাণ, জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ এবং পদার্থবিজ্ঞানের পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

১৯০৩ সালে ফরাসি সেনাবাহিনী ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি পরীক্ষার জন্য এই অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেন। টাওয়ার থেকে তখন উত্তর আমেরিকা পর্যন্ত ওয়্যারলেস সংকেত সম্প্রচার করা সক্ষম হয়। 

লেখক হেনরি জেরার্ড জানান, টাওয়ারের অ্যাপার্টমেন্টটি বিজ্ঞানীদের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। তাই টাওয়ারটির নির্মাণ উপকরণ থেকে অ্যাপার্টমেন্টের নির্মাণ উপকরণগুলো ছিল ভিন্ন।

অ্যাপার্টমেন্টটি ভাড়া নেওয়ার জন্য অনেক সময় অনেক আবেদন এসেছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখনো এটিকে সংরক্ষিত করেই রেখেছে এবং মাঝে মাঝে কিছু বিশেষ ব্যাক্তি বা অতিথি ছাড়া এখানে অন্য কারো প্রবেশাধিকার থাকে না।       

সাম্প্রতিক সময়ে হোমঅ্যাওয়ে নামক একটি ভেকেশন রেন্টাল কোম্পানি অ্যাপার্টমেন্টটির ভিতর একটি কনফারেন্স ঘর তৈরি করে।

অ্যাপার্টমেন্টটি আগের মতো না থাকলেও, এখনো এখানে রয়েছে ২টি বেডরুম, একটি শহুরে গ্রীনহাউস। সাথে সাথে এর সিলিং উইন্ডো থেকে দেখা যায় আরক ডি ত্রায়ফ, স্যাক্র কোওর আর সাইন নদীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।

Continue Reading