Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

অন্যান্য

কনক্রিটের মত জীবন

Manik Panday

Published

on

“কনক্রিট ঘিরে স্বপ্ন আমার
তার সাথেই করছি ঘর,
অনেক দূরের মানুষ হয়েছে আপন
নিজ স্বজনরা হয়েছে পর।
তাদের সাথে হাঁসি খেলি
তাদের শুরে গাই গান,
ব্যাচ এ ভাবে কাটছে ভালোই
আমার বর্তমান সুখের ও জীবন।
নেই কোন দূরচিন্তা এখন
সব গিয়েছে মামাবাড়ি,
বাইরে থেকে আর কোন দিন ও
ফিরার ইচ্ছে নেই বাড়ি।”

অন্যান্য

জেনে নিন ওয়ার্ল্ড ব্যংক সম্পর্কে!

Priyam Biswas

Published

on

আসুন জেনে নি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সম্পর্কে ।
কেমন আছেন সবাই ? আশা করছি ভালো আছেন সবাই।
আজকের টপিক টি নিয়োগ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । চলুন জেনে নেওয়া যাক ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সম্পর্কে :

1946 সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের অন্তর্গত ব্রেটন উডস 44 জাতির কর্তৃক দ্য ইউনাইটেড নেশন মনিটর অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল কনফারেন্সের আহ্বান করা হয় এই কনফারেন্স থেকে দুইটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান জন্মলাভ করে একটি ইন্টারন্যাশনাল মনিটারিং ফান্ড ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ।
ব্রেটন উডস কনফারেন্স থেকে এই দুটি প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি বলেই একে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনস বলা হয় ।
এ সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধারণা থেকেই জন্ম নেয় ওয়ার্ল্ড ব্যাংক । কিন্তু ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বলতে একক কোন ব্যাংক নেই। আসলে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্টার্নেশনাল দেভেলোপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এর মিলিত রূপ । আসুন জেনে নিই দুটি সংগঠনের সম্পর্কে এবং এদের কাজ উদ্দেশ্য এবং প্রতিষ্ঠা এবং এদের সদস্য সংখ্যা কত তা সম্পর্কে ।

ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর কনস্ট্রাকশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট :

ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর কনস্ট্রাকশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয় 27 ডিসেম্বর 1945 সালে। এবং কার্যকর হয় 1946 সালের জুন মাসে । এই প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি । বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা 189 প্রায়। বাংলাদেশ 17 ই আগস্ট 1972 সালে এই প্রতিষ্ঠান সদস্যপদ লাভ করে । এই প্রতিষ্ঠান কাজ হলো মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে স্বল্প সুদের হারে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করা এবং উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা হয় আইবিআরডি প্রতিবছর ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে। এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ পেতে গেলে আগে আই এম এফ অর্থাৎ ইন্টারন্যাশনাল মনিটারিং ফান্ড এর সদস্য হতে হবে । আসুন সংক্ষেপে জেনে নিই এই প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ আয় এম এফ সম্পর্কে।

ইন্টার্নেশনাল মনিটারি ফান্ড :

এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয় 27 শে ডিসেম্বর 1945 সালে । এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে । এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয় পহেলা মার্চ 1947 সাল থেকে । এখন পর্যন্ত এর বর্তমান সদস্য 189 । এ প্রতিষ্ঠানটির কাজ হল বিভিন্ন দেশের মুদ্রা দাম বৃদ্ধির হার ও কমার হার এর মধ্যে সামঞ্জস্য রাখা । অর্থাৎ আপনি দেখবেন আমেরিকার ডলারের দাম প্রতিদিন একই রকম থাকে না । প্রায় সবসময়ই এর দাম ওঠানামা করতে থাকে বাংলাদেশী মুদ্রা তুলনায় । এ সংগঠনটি মুদ্রার মান বেশি বাড়তে দেয় না আবার বেশি কমতেও দেয় না । আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিতে এ সংগঠনটি ভূমিকা অপরিসীম ।

ইন্টার্নেশনাল ডেভেলোপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন :

ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের আরেকটি প্রতিষ্ঠান হল এটি। এই হয় 1990 সালে। এই সংগঠনটি এর বর্তমান সদস্য 173 । এই সংগঠনটি সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি। এই প্রতিষ্ঠানটিৱ মূল কাজ হলো সুদবিহীন দীর্ঘমেয়াদী ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা এজন্য একে সফট লোন উইন্ডো বলে । এই প্রতিষ্ঠানটি ঋণ দেয় শুধুমাত্র দরিদ্র দেশকে এবং এবং দরিদ্র দেশের যে সকল দেশে অগ্রাধিকার বেশি এবং উন্নয়নের প্রজেক্ট দেখাতে পারে তার উপর ভিত্তি করে লোন দেয় । এই সিস্টেমটিকে 3পি বলা হয় ।
যদি এখানে কোন ভুল খুঁজে পান তবে তা অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ ।

Continue Reading

অন্যান্য

সুখ কি? প্রত্যেক মানুষ সুখ খুঁজে,আসুন সুখের সন্ধানে!

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

যদি কেউ আপনাকে সারা জীবন খুশি হওয়ার সুযোগ দেয় তবে আপনি কি তা গ্রহণ করবেন? যদি আপনাকে বলা হয় যে অন্যের কাছে সুখ আনার ক্ষমতা আপনার মধ্যে রয়েছে তবে আপনি কি বিশ্বাস করবেন? মানব অস্তিত্বের সবচেয়ে উদ্ভট বিভ্রান্তির একটি হ’ল আমরা সুখের জন্য অপেক্ষা করি, তবুও কোন স্থায়ী উপায়ে কী আমাদের সুখী বা বিষয়বস্তুতে পরিণত করবে তা চিহ্নিত করতে এ জাতীয় সমস্যা রয়েছে। সর্বোপরি, আমরা প্রায়শই সুখের সন্ধানকে ফলহীন হিসাবে দেখি, যদিও আমরা সচেতনভাবে অংশীদার, বা চাকরীর জন্য বা আমাদের চেয়ে কিছুটা বেশি সুখী হওয়া উচিত এমন বৃহত আয়ের জন্য আগ্রহী। আধ্যাত্মিক শিক্ষাগুলি স্পষ্ট: আমরা নিজেরাই বাইরের লোক বা জিনিসগুলির মাধ্যমে স্থায়ী সুখ খুঁজে পাব না। অবশ্যই যখন আমরা শেষ পর্যন্ত একটি স্মার্ট নতুন গাড়ি চালাচ্ছি বা আমরা সত্যিকার অর্থে কাউকে বিয়ে করি তখন পুরষ্কার অবশ্যই থাকবে। কিন্তু সেই আনন্দগুলি কখনই স্থায়ী হয় না। গাড়িটি বাইরে চলে যায়, বা বিবাহ দুর্দান্ত হতে পারে তবে আমাদের কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। বা আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে আমাদের সমস্যা হতে পারে, বা আমাদের সঙ্গী মারা যায় বা আমাদের প্রতি তাদের ভালবাসা হারিয়ে ফেলে। সুখের আরও স্থিতিশীল অভিজ্ঞতা, এই শিক্ষাগুলি বলুন, আমাদের অনিবার্যভাবে কীভাবে তা স্বীকৃতি দিয়েই আসতে পারে।

অন্যের জীবনকে উপচে পড়ে এবং প্রতিফলিত করে – নিজেকে অন্যের মধ্যে এবং অন্যকে নিজের মধ্যে দেখে। এই প্রত্যাবর্তন বিন্দু থেকে, এটি সকলের মঙ্গলার্থে আমরা যা পারি তা অবদানের নিখুঁত ধারণা তৈরি করে। প্রকৃতপক্ষে, আমরা স্বীকার করি যে আমাদের ব্যক্তিগত মঙ্গল বিচ্ছিন্নতার মধ্যে থাকতে পারে না। আমরা যে অহঙ্কার ও স্বার্থপরতার প্রতি বিশ্বাস করি তা এটি কী আক্রমণ, কেবলমাত্র ‘প্রাকৃতিক’ নয়, অনিবার্য। সর্বোপরি, নিজেকে বা নিজের আগ্রহকে প্রথমে রাখার বিষয়টি বিশ্বের সবচেয়ে সাধারণ জিনিস নয় কি? তবুও সেই স্বাভাবিকতা এবং ‘তাদের এবং আমাদের’ পরিস্থিতি যা এ থেকে স্পিন হয়ে আসে, তা হ’ল মানুষের দুর্ভোগের সবচেয়ে খারাপ কারণগুলির কারণ হিসাবে যুক্তিসঙ্গত হয়: যখন মানুষ মতভেদ দ্বারা আবেগগ্রস্থ হয়ে পড়ে, তখন তারা বিশ্বাস করে যে তাদের অধিকার আছে আক্রমণ। একটি তাওবাদী শ্লোক আমাদের জীবনকে প্রতিফলিত করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে:

পুষ্পের সুগন্ধ শীঘ্রই পার হয়ে যায় ফলের পাকা প্রায় একবারেই চলে যায় এই পৃথিবীতে আমাদের সময়টি এত সংক্ষেপে আফসোস এড়াতে আরও ভাল।

‘এই পৃথিবীতে আমাদের সময় এত কম’ তা স্বীকৃতি দিতে অক্ষমতা আমাদের সমষ্টিগত উন্মাদনাকে চালিত করে। আমরা যদি আমাদের নিজের মৃত্যুর সত্যকে উপলব্ধি করে থাকি তবে আমরা কী আরও বেশি মারাত্মকভাবে জীবনের উপহারকে মূল্যবান বলে বিবেচনা করব? অবশ্যই আমরা আরও আস্তে আধ্যাত্মিকভাবে ভালবাসা গড়ে তুলব, এটিকে আত্ম-শোষণ থেকে আলাদা করে এবং অন্যদের কাছে খালি স্থানের চেয়ে পূর্ণ থেকে পৌঁছাতে পারি? সমসাময়িক মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা সেই প্রাচীন শিক্ষাগুলিকে সমর্থন করে। আমাদের মধ্যে সুখী মানুষেরাও সবচেয়ে পরার্থপর। এই লোকেরা তাদের নিজস্ব অস্তিত্বকে মূল্য দেয় এবং কোনও চাপ ছাড়াই অন্যকে দিতে পারে। তারা ভাগ্যবান মানুষ, তবে আর্থিক দিক দিয়ে অগত্যা নয়। উপলব্ধি এখানে সবকিছু। যাঁরা আত্মবিশ্বাসী তারা

মুক্ত চিন্তা।

প্রচুর পরিমাণে ভাগ করে নেওয়ার ব্যাঙ্কে কিছু নাও থাকতে পারে। সমানভাবে, যারা ভাগ করে নিতে খুব দরিদ্র বোধ করেন তাদের কাছে পুড়ে যাওয়ার মতো অর্থ থাকতে পারে। সুখের দাবীতে খারাপভাবে পিছনে থাকা কেউ যদি হারিয়ে যাওয়া বা যন্ত্রণা বোধ করে তখন অন্য ব্যক্তির প্রতি আগ্রহী হওয়া কঠিন হতে পারে। এবং এটি সত্য: এটি অনুভব করার যন্ত্রণাদায়ক উপায়। তবে এটি লক্ষণীয় যে মরিটা থেরাপিতে সাইকোথেরাপি সম্ভবত বৌদ্ধধর্ম দ্বারা সর্বাধিক স্পষ্টভাবে প্রভাবিত হয়েছে, স্ব-ভালবাসা অর্জনের প্রচেষ্টার অংশটি পর্যবেক্ষণ এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে অন্যের প্রয়োজন মেটাতে জড়িত। অন্যের কাছ থেকে দূরত্বের বোধ থেকে বা নিজেকে ছাড়া কারও সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করার উদাসীনতার থেকে যখন সুখের অভাব দেখা দেয়, তখন অন্যের কাছে আপনার চোখ খোলা বাস্তবতা প্রায় অদ্যাবস্থায় আপনি যা খুঁজছেন তার অন্তত একটি ঝলক এনে দেয়। এবং আরও আনন্দের একটি প্রতিশ্রুতি আসতে হবে।

Continue Reading

অন্যান্য

রোজা রেখে নামাজ না পড়লে রোজার কোনো সাওয়াব হবে কি?

Nirob Hasan

Published

on

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক : রোজা পালনকারী কোনো ব্যক্তি নামাজ না পড়লে তার রোজা কবুল হয় না। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘সালাত (নামাজ) হচ্ছে ঈমান এবং কুফর এর পার্থক্যকারী।’ (মুসলিম)

মাহে রমজানসহ সারা বছরে আল্লাহর কাছে বান্দার আনুগত্য প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হলো নামাজ। একজন ইমানদার নারী-পুরুষের প্রধান করণীয় ইবাদত নামাজ প্রতিষ্ঠা করা। নামাজের সময় শরীরের শ্রেষ্ঠ অঙ্গ মাথা মাটিতে লুটিয়ে সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

কারণ, নামাজ হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্যের প্রধান নিদর্শন। আল্লাহ তায়ালা যেসব ইবাদত ফরজ করে দিয়েছেন তন্মধ্যে সালাত অন্যতম। পবিত্র কোরআনে ৮২ বার সালাত কায়েম করার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তোমরা সালাত কায়েম করো ও জাকাত দাও এবং যারা রুকু করে তাদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ৪৩)

রমজান মাসে সব ফরজ ইবাদতের মধ্যে নামাজই সবচেয়ে অগ্রগণ্য। নামাজ ইমানকে মজবুত করে। নামাজের মাধ্যমেই আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি: কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত। প্রথম তিনটি গরিব-ধনী প্রাপ্তবয়স্ক সব মুসলমানের ওপর ফরজ। আর শেষের দুইটি সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর ফরজ।

নামাজ ইসলামের দ্বিতীয় রুকন বা স্তম্ভ। ইমানের পরই নামাজের স্থান। নামাজ বারো মাসই আদায় করতে হয়। আর রোজা শুধু মাহে রমজানে ফরজ। একজন মুমিন মুসলমান বছরজুড়ে নামাজ আদায় করবেন এটাই স্বাভাবিক।
এর পর যখন পবিত্র মাহে রমজানের আগমন ঘটবে, তখন নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রমজানের রোজাগুলোও পালন করবেন। একজন রোজাদার শুধু রোজা রাখবেন, নামাজ পড়বেন না এমনটা কখনও কল্পনা করা যায় না। নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে প্রচুর আলোচনা রয়েছে।

এক হাদিসে এসেছে, বুরাইদা রাযি. বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আসরের নামাজ ত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়। (বুখারী  ৫২০)

ইবনুল কায়্যিম তাঁর  এ হাদিসের মর্মার্থ আলোচনা করতে গিয়ে বলেন,

“বেনামাজি ব্যক্তি দুই ধরণের-

(১) পুরোপুরিভাবে ত্যাগ করা। কোন নামাজই না পড়া। এ ব্যক্তির সমস্ত আমল বিফলে যাবে।

(২) বিশেষ কোন দিন বিশেষ কোন নামাজ ত্যাগ করা। এক্ষেত্রে তার বিশেষ দিনের আমল বিফলে যাবে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে নামাজ ত্যাগ করলে তার সার্বিক আমল বিফলে যাবে। আর বিশেষ নামাজ ত্যাগ করলে বিশেষ আমল বিফলে যাবে।

 

 

অতএব, যদি কোন ব্যক্তি রোজা রাখে; কিন্তু নামাজ না পড়ে তবে রোজার সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হবে । এজন্য আমরা এমন ব্যক্তিকে বলবো, নামাজ পড়ুন, রোজাও রাখুন।

সবাইকে ধন্যবাদ।






Continue Reading