Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

করোনার পর চাকরি পেতে যেসব দক্ষতা লাগবে।

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

করোনার এই মহামারীর কারনে পুরো বিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত । এর ফলে পুরো বিশ্বজুড়ে চাকরি হারাতে লাখো লাখো মানুষ। বর্তমানে এমন পরিস্থিতিতে চাকরির বাজারে টিকে থাকা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই যদি কনোদিন আবার এই মহামারি শেষ হয়ে পৃথিবী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে তাহলে চাকরি পেতে হলে আপনাকে কয়েকটি দক্ষতা থাকা অবশ্যক-এমনটা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ আমি আপনাদের কয়েকটি দক্ষতা তুলে ধরবো যেগুলো ক্যারিয়ারে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে। প্রিয় পাঠক,তো চলুন তেমন কয়েকটি দক্ষতার বিষয়ে জেনে নিই।

নেতৃত্বের দক্ষতা:  যখন 
কোনো বিমানে যান্ত্রিক ত্রুতির সমস্যায় পড়ে থাকে তখন কেবলমাত্র একজন পাইলট পারে সেটিকে দক্ষতার সাথে নিরাপদ জায়গায় ল্যান্ড করিয়ে সেটিকে দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে। শত শত মানুষের প্রান বাঁচাতে। ঠিক তেমনই এরকম বিপদের সময়ে সঠিক দৃঢ় নেতৃত্বের গুণাবলীর ব্যক্তিরা একদল মানুষকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। সুতরাং চাকরির বাজারে আপনাকে টিকিয়ে রাখতে হলে শক্ত নেতৃত্বের দক্ষতা সম্পন্ন হতে হবে।


পরিচ্ছন্নতা: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা দিকে যথেষ্ট নজর রাখুন। বিশেষ করে করোনার পরিস্থিতির কারনে নিজেকে ফ্রেশ রাখাটা খুবিই জরুরী।আপনি যদি চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে চান তাহলে পরিচ্ছন্নতার উপর গুরুত্ব দেয়া উচিত।


প্রযুক্তি দক্ষতা:  করোনাভাইরাসের নির্মূলের পরবর্তী সময়ে চাকরী প্রার্থীদের সবচেয়ে বেশি সহায়তা করবে তা হলো 
প্রযুক্তিবিষয়ক জ্ঞান,দক্ষতা।


বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট খুটিনাটি,সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের জ্ঞান,মাইক্রোসফট অফিসের কাজ ইত্যাদি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে। অতএব গুরুত্বপূর্ণ হলো এই লকডাউন সময়ে বসে না থেকে যতটা সম্ভব অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করা।


আপনাকে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। অপেক্ষা করুন এই করোনা ভাইরাসের মহামারী শেষ হবার পর আমাদের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসতে চলেছে। হুট করে জানতে পারবেন আপনি যে অফিসে কাজ করেন,যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন সেটা আর আগের মত নেই সেবন সবকিছু বদলে গেছে। সেসব পরিবর্তনের সঙ্গে আপনাকেও অবশ্যই মানিয়ে নিতে হবে তবেই আপনি টিকিয়ে থাকতে পারবেন।

আবেগময় বুদ্ধিমত্তা: আপনারা হয়তো অবাক হচ্ছেন আবেগময় সেটা আবার কি? আবেগময় বুদ্ধিমত্তা হলো সেই গুণ যা অন্য একজন ব্যক্তিকে তার আবেগ,দৃষ্টিভঙ্গি আরও ভালভাবে বুঝতে পারা এবং তার আবেগকে,দৃষ্টিভঙ্গিকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করা। পৃথিবীর বড় বড় গুনী নেতাদের এই গুণ রয়েছে। তারা সহানুভূতিশীল,দায়িত্বশীল, এবং যে কনো ব্যক্তিকে দেখলেই সহজেই অনুমান করতে পারে।

Advertisement
12 Comments

12 Comments

  1. Md Rakib

    Md Rakib

    May 28, 2020 at 10:10 am

    valo

  2. Sabina Akter

    Sabina Akter

    May 28, 2020 at 10:33 am

    Oh

  3. Maria Hasin Mim

    Maria Hasin Mim

    May 28, 2020 at 10:56 am

    Very good post

  4. Arshia joya

    Arshia joya

    May 28, 2020 at 11:11 am

    Logical

  5. Moni Chy

    Moni Chy

    May 28, 2020 at 12:00 pm

    স‌ঠিক ব‌লে‌ছেন

  6. Rehana Akther

    Rehana Akther

    May 28, 2020 at 5:15 pm

    good article

  7. Rafi t

    Rafi t

    May 28, 2020 at 6:13 pm

    Good

  8. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 28, 2020 at 7:47 pm

    nice

  9. Koli Talukder

    Koli Talukder

    May 28, 2020 at 9:27 pm

    Nice

  10. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 29, 2020 at 7:34 pm

    fine

  11. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    June 16, 2020 at 5:35 pm

    আমরা অনলাইন নিয়েই থাকবো, ইন শা আল্লাহ্‌

  12. Rubayet Ratin

    Rubayet Ratin

    July 12, 2020 at 4:21 pm

    Ok

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

লাভ স্টোরি, আমার নিজের জীবনের সত্য কাহিনী।আমার জীবন টা বদলে গেছে

Rakib Khan

Published

on

আমি রাকিব
আমি খুবই ভদ্র ঘরের ছেলে।আমি ছোট্ট বেলা থেকেই নরম টাইপ এর ক্লাস 1 থেকে 6 পর্যন্ত কোনো বন্ধুবান্ধব আর সাথে চলি নি।ক্লাস 7 থেকে আমি বন্ধু দের সাথেই আড্ডা দেই তাদের সাথে দিন কাটাই।আমরা সিলাম 3 বন্ধু আমি ,রাব্বি,হামজা। তিন বন্ধু মিলে এলাকার সব গাছের ফল চুরি করে খেতাম 3 জন এক সাথেই থাকতাম সব সময়। এবার আসি আসল কথায় আমার জিবনে এসে পরলো সেই দিন যার জন্য মনে হোয় অপেক্ষা করতেছিলাম।আমি তখন ক্লাস 8 এ। বছরের শুরুতেই নতুন ক্লাস নতুন বন্ধু ।আমাদের ক্লাশে নতুন ভর্তি হয়েসে লুপা নামটা অনেক আনকমন।আমি মেয়েটাকে দেখে চোখ ফিরাতে পরলাম না।আমি তাকে দেখে একটু আলগা পাট দেখতে গেলাম ।ক্লাসে সব কাজ আমি করে দেই যেনো তার চোখে পড়তে পারি। তার সাথে শুরু হয় আমার চোখাচোখি।সে তাকাতেই আমার মনটা গোলে যায়। তার চোখে আমি ডুবে যাই।তারপর দিন যেতে থাকে আর আমাদের বন্ধুত্ব হতে থাকে।আস্তে আস্তে আমরা আরো ক্লোজ হতে উঠি।আমি ওকে ফোন দিয়ে স্কুল এ অন্তাম ও আমাকে ফোন দিত।এভাবে একদিন আমার বন্ধুদের পালায় পরে ওকে বলে ফেলি i love u lupa,। তারপর আর কি পুরো 9 দিন সে আমার সাথে কথা বলেনি। 9 টা দিন গেলো তারপর সে আমাকে ফোন দিল schollra যাবি আমি তো ভোয়ে আসি কি জয় কে জানে।গেলাম স্কুল এ। স্কুল এ যাওয়ার পর ও আমার সাথে কথা বলেনা আমার এটাতে মো ন। খারাপ হতে গেলো।আমি বসে রইলাম । ছুটির পর তার পিসে হাঁটা দিলাম তাকে অনেক বললাম মাফ করে দাও ।সে বললো করবো যদি আমার একটা কাজ করো তাহলে।আমি বললাম কি কাজ।।ও আমাকে অঙ্ক গুলা কাগজ হতে ধরিয়ে দিয়ে বললো এগুলো কমপ্লিট করে দিতে ।আমি তো শেষ।আর মনে হয় এক সপ্তা বাইরে যাওয়া হলনা।আমিও খারাপ কম না আমি শয়তান বন্ধুদের কাজ গুলো করানোর আদেশ দিলাম।ওরা ফাঁসিয়েছে ওরাই করবে।আমি তো মহা খুশি যে সে আমার সাথে কথা বলতেছে।কিন্তু আগের মতন না আগের বরং একটু অন্য ভাবে।আমি বুঝতে পারলাম যে সেও আমাকে ভালোবাসে। এভাবে চলতে থাকে আমাদের বন্ধুত্ব । একদিন সে হঠাৎ করে আমাকে বলে যে আমি তোকে ভালোবাসি।আমি প্রথমে কান দিলাম না।পরে সে বলে যে ওই বয়রা আমি তোকে ভালবাসি। আমি বলি কি সত্যি নাকি মজা করতেছ। ও বললো গাধা আমি মজা করমু কেনো।যা সত্যি তাই বললাম।আমি তো মহাখুশি এ খুশি প্রকাশ করা যাবেনা।তারপর আমি রাব্বি ফোন করি বলি j akta গোলাপ ফুল নিয়ে আয় জলদি। ও কথা থেকে যেনো নিয়ে আসে ফুলটি।আমি জলদি করে নিয়ে লুপাকে বলি দারাও ও দাড়ালো আমি ওকেহাঁটু গেড়ে বসে প্রপোজ করি ও ফুল টা নিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে।আর কান্না ভাবে বলে আমাকে সেরে জেও না কোনোদিন ।আমি বললাম পাগলী আমি কোনোদিন সর্বনা তোকে। এর পর আমাদের ভালোবাসা চলতে থাকে 1 বসর পর্যন্ত জে, এস, সি এক্সাম শেষ করে আমরা 2 জন একই স্কুল a ভর্তি হই আগের স্কুল ছেড়ে। এখানে এসে লুপার মন বদলে যায় ও আমাকে আর সময় দেয়না।আমি অনেক চিন্তায় পরে যাই।ওর সাথে আমার ঝগড়া হইতো এই বিষয় নিয়ে।ও আমাকে বলত যে ভালো না লাগল আমার সাথে থাইকো না।আমি সে রাতে ঘুমাইনি শুধু ভাবতে থাকি কি হলো ওর ও আমার সাথে
এরকম কেনো করতেসে। ।এরপর হামজা আসে বলতেছে ‘ রাকিব আমি বললে তুই বিশ্বাস করবিনা আজকে লুপারে অন্য সেলের সাথে ঘুরতে দেখলাম ‘ আমি বলি ধুর ও আমাকে ধোঁকা দেবেনা।হামজা বললো আচ্ছা থাক তুই আমি দেখি কি হয়। ও চলে গেলো। যে ছেলের সাথে lupa ঘুরতে গেসিলো সেও আমার বন্ধু।আমি ওকে বললাম তুই নকী লুপর সাথে গেছিলি কই শুনলাম।ও বললো হ্যা আমি গেছিলাম ও আমার গার্লফ্রন্ড ওকে নিয়ে আমি যেতেই পরি।আমি বললাম কি লোপা তোর গার্লফ্রেন্ড।আমি দৌড়ে গিয়ে লুপকে জিজ্ঞেস করি ও যা বললো টা কি সত্যি। ও বললো হ্যা সত্যি আর তোকে আমি চিনিনা। আমি তো পুরাই অবাক এ কথা শুনে।আমি বাসায় আসে রাব্বিকে আর হামজাকেসব কিছু বলি।আর আমি কিছুদিনের ডিপ্রেশন এ চলে যাই।আমি আয় সময় প্রচুর পরিমাণে সিগারেট খাই।রাব্বি আর হামজা আমার এ দসা দেখে অনেক কষ্ট পায়। আমি তারপর থেকে বদলে যাই। লুপার কথা মনে পরলে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা। কান্না আসে পরে তখন। লাইফ এর ফার্স্ট ভালোবাসা ছিলো ও আমার। আজও ওর কথা অনেক মনে পরে।আজ আমি একজন সফল মানুষ লাইফ এ সফল হয়েছি।
ওকে হারানোর কারণে to i নিজের যে ভুল গুলো ছিল সেগুলো বদলে নিয়েছি।যার কারণে লাইফ এ আজ আমি সফল।
Thank u lupa for change me and i love u,,






Continue Reading

লাইফস্টাইল

হাসতে নাকি জানে না কেউ !

Md Golam Mostàfa

Published

on

বন্ধুরা! সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। আমার ঠিক এই মুহূর্তে একটি মজার গল্প মনে পড়ছে, ভাবছি সেটাই গ্রাথোরের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবো। জানিনা কার কেমন লাগবে। গল্পটা আমি শুনেছি মেডিকেল ভর্তি কোচিংয়ের একজন টিচারের কাছ থেকে। গল্পের প্রাথমিক প্লট আমাদের সবার পরিচিত। তারপরও একটু বলে রাখি, নয়তো মজা পাবেন না।

গল্পের পিছনের গল্পঃ

এক এলাকায় এক দরিদ্র কাঠুরিয়া বাস করত। সে দরিদ্র হলেও তার সততা ছিল সর্বজনবিদিত। তো, সে একদিন নদীর তীর সংলগ্ন বনে গেল কাঠ সংগ্রহের জন্য। গাছে উঠে যখন সে একটা ডাল কাটছিল, ওমনি তার হাত ফসকে কুঠারটা একদম নদীর মধ্যে পড়ে গেল। গাছ থেকে নেমে সে নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজি করলো, কিন্তু কুঠারটা কোথাও খুঁজে পেলো না। যেহেতু কুঠারটাই ছিল তার জীবিকা নির্বাহের একমাত্র সম্বল তাই সে প্রচণ্ড মন খারাপ করে নদীর তীরে বসে থাকল।

এমন সময় সেখানে আবির্ভূত হলো নদীর মৎস্যকুমারী। কাঠুরিয়ার মন খারাপ দেখে সে কাঠুরিয়ার কাছে তার মন খারাপের কারণ জানতে চাইলো। তখন কাঠুরিয়া তাকে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বললো। ঘটনা শুনে মৎস্যকুমারী নদীতে ডুব দিলো হারানো কুঠার খোঁজার জন্য এবং কিছুক্ষণ পর একটা স্বর্ণের কুঠার তুলে এনে কাঠুরিয়াকে জিজ্ঞেস করলে এটাই কি তোমার কুঠার? কাঠুরিয়া না সূচক মাথা নাড়ালো। তারপর মৎস্যকুমারী আবার নদীতে ডুব দিয়ে একটা রূপার কুঠার তুলে আনলো এবং জিজ্ঞেস করলো এটাই কি তোমার সেই হারানো কুঠার? এবারো কাঠুরিয়া অস্বীকৃতি জানালো। অবশেষে তৃতীয়বারের মতো ডুব দিয়ে আসল কুঠারটা তুলে এনে কাঠুরিয়াকে জিজ্ঞেস করতেই কাঠুরিয়া বলে উঠলো, “হ্যাঁ, এটাই তো আমার কুঠার!” অতঃপর মৎস্যকুমারী কাঠুরিয়ার সততায় মুগ্ধ হয়ে তাকে স্বর্ণ ও রূপার কুঠারগুলোও উপহার হিসেবে তাকে দিয়ে দিলো ।

মুল গল্পঃ

স্বর্ণ ও রূপার কুঠারগুলো উপহার পাওয়ার পর অনেকদিন পেরিয়ে গেছে। কাঠুরিয়া কুঠারগুলা বিক্রি করে বেশ অর্থ-কড়ির মালিক বনে গেছে। ইতোমধ্যে কাঠুরিয়া বিয়ে-শাদিও করে ফেলছে। তো একদিন সে তার বউকে সাথে নিয়ে ঐ নদীর পাড় ধরে কোথাও যাচ্ছিল। একপর্যায়ে, হঠাৎ করে পা পিছলে তার বউ নদীতে পড়ে গেল। কিন্তু কাঠুরিয়ার মধ্যে তার বউকে উদ্ধার করার কোন তোরজোড় দেখা গেল না। বরং সে একটা নির্লিপ্ত ভাব নিয়ে নদীর তীরে বসে রইলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার সামনে সেই মৎস্যকুমারীর আগমন ঘটলো। এসেই তাকে জিজ্ঞেস করলো

ঃ আরে তুমি সেই কাঠুরিয়া না’?

ঃ জ্বি’

ঃ কী ব্যাপার, এমন মনমরা হয়ে বসে আছো যে? কী হয়েছে?

ঃ না, তেমন কিছু না’

ঃ তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। কী হয়েছে আমাকে বলো।

ঃ আরে না। বাদ দেন তো।

কিন্তু মৎস্যকুমারীর পীড়াপীড়িতে শেষমেশ কাঠুরিয়া ঘটনা বললো ,

ঃ আসলে মৎস্যকুমারী হয়েছে কি, আমার বউ তো নদীতে পড়ে গেছে।

ঃ কী! তুমি আগে বলবা না? বলেই মৎস্যকুমারী নদীতে ডুব দিলো।

কিছুক্ষণ পর……

মৎস্যকুমারী জিতের ঝিংকু নাকুর গানের নায়িকা শুভশ্রীকে নিয়ে হাজির হলো। শুভশ্রী কোমরে একগাদা টিফিনবক্স বেঁধে ঝিংকু নাকুর গানের তালে তালে কাঠুরিয়ার দিকে কেমন কেমন করে তাকিয়ে কোমর দুলাতে থাকলো। মৎস্যকুমারী কাঠুরিয়ার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলো,

ঃ এটাই কি তোমার বউ?

প্রশ্ন শুনে কাঠুরিয়া সম্ভিত ফিরে পেয়ে জবাব দিল ঃ না, এটা না।

ঃ ঠিক আছে, সমস্যা নেই। আমি দেখছি বিষয়টা, বলেই আবার নদীতে ডুব দিল। কিছুক্ষণ পর ক্যাটরিনা কাইফকে সাথে করে উঠে এলো।

ঃ এটাই কি তোমার বউ?”

ঃ ‘না, এটাও না।

ঃ আচ্ছা, দেখতেছি। বলে আবার ডুব দিল এবং কিছুক্ষণ পর তার আসল বউকে নিয়ে আসলো এবং কাঠুরিয়াকে জিজ্ঞেস করলো,

ঃ এটাই কি তোমার বউ?

কাঠুরিয়া নির্বিকার ভঙ্গিতে উত্তর দিল

ঃ না, এটাও না

কিন্তু মৎস্যকুমারী জানতো যে এটাই তার বউ। তাই সে রাগত স্বরে বললো,

ঃ ঠিক করে বলো।

কিন্তু কাঠুরিয়া আগের মতোই নির্বিকার ভঙ্গিতে উত্তর দিলো,

ঃ না, এটা আমার বউ না।

কোনভাবেই যখন কাঠুরিয়া তার বউকে নিজের বউ বলে স্বীকার করছিল না, তখন মৎস্যকুমারী প্রচণ্ড রেগে গেল এবং বলল,

ঃ দেখো আমি তোমার সততার জন্য তোমাকে এত টাকা পয়সার মালিক বানিয়েছিলাম। কিন্তু তুমি আজকে অসৎ মিথাবাদী হয়ে গেছো। আমি চাইলে তোমাকে আগের মতো হতদরিদ্র বানিয়ে দিতে পারি। এখন তুমি সত্যিটা বলবে কি না?

অবস্থা বেগতিক দেখে কাঠুরিয়া বললো,

ঃ সত্যি বলতে এটাই আমার বউ। কিন্তু মৎস্যকুমারী, আমি চিন্তা করতেছি, আমি যদি একে আমার বউ বলে স্বীকার করে নেই তাহলে আপনি যদি আগের সেই কুঠারের ঘটনার মতো এবারো আমার সততায় মুগ্ধ হয়ে আসল বউয়ের সাথে আগে যেই দুইজন দেখিয়েছিলেন, তাদেরকেও উপহারস্বরুপ আমার বউ হিসেবে গছিয়ে দেন! আমার তো একটাকে নিয়েই জীবন একেবারে ভাজাভাজা। তিনটা হলে আমার অবস্থা কী হবে একবার ভেবে দেখেছেন?

গল্পটা কেমন লাগলো? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না যেন!

ধন্যবাদ সবাইকে।

আল্লাহ্‌ হাফিজ।






Continue Reading

লাইফস্টাইল

মানুষের জীবনে বন্ধুত্বের ভূমিকা…

Mojammal Haque

Published

on

আমি বন্ধুত্ব সম্পর্কে একটি বক্তব্য উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। বন্ধুত্ব হল একটি একাত্মা। কারণ তারা মৃত্যু পর্যন্ত চিরকাল আমাদের সাথে থাকবে।  আমাদের বাবা-মা এবং ভাইবোনরা যেমন আমাদের নিজের রক্ত ​​হিসাবে আমাদের ভালবাসে।  তেমনি বন্ধুটি এমন কেউ যে লোকটি প্রাথমিকভাবে অপরিচিত কিন্তু তারপরে তারা আমাদের জীবনে অন্য সমস্ত সম্পর্কের উর্ধ্বে জায়গা করে নেয়।  বন্ধুত্ব হলো একটি প্রত্যাশা যা সত্য এবং খাঁটি প্রেম ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

বন্ধুর ভূমিকা

 

সত্যিকারের বন্ধুরা সবসময় একে অপরকে সমর্থন করে ও শক্তি জোগায়। এমনকি খুব কঠিন সময়েও তারা পাশে থাকে।  সত্যিকারের বন্ধু হলেন তিনি, যিনি আমাদের সাফল্যের জন্য আনন্দিত হন। অন্যদিকে তারা আবার আমাদের ব্যর্থতার জন্য উদ্বেগ অনুভব করে।  সত্যিকারের বন্ধুও সমালোচনা করতে পারে যাতে আমরা আমাদের দুর্বলতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।

 

আমরা যদি কোন ভুল করি এবং বেঠিক পথে পরিচালিত হই তবে তিনি আমাদের তিরস্কারও করতে পারেন। এ কারণেই বলা হচ্ছে সত্যিকারের বন্ধু আমাদের জীবনের যে কোনও রত্নের চেয়ে মূল্যবান।  আপনার বন্ধুর কাছ থেকে ভালবাসা সর্বদা নিঃশর্ত থাকবে।  তারা আমাদের কাছ থেকে কিছুই প্রত্যাশা করতে পারেনা তবে সর্বদা তাদের ভালবাসাই বর্ষণ করে যায়।

 

বন্ধুত্ব একটি আত্মিক সম্পর্ক

 

বন্ধুত্ব একটি আত্মিক সম্পর্ক যা রক্তের ​​সম্পর্কেরও সংজ্ঞার বাইরে।  এটিই একমাত্র সম্পর্ক যা সত্যই অমূল্য।  আমরা আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে সমস্ত ধরণের আনন্দ অর্জন করতে পারি।  তবে তারপরেও কেউ কেউ সত্যিকারের বন্ধুদের সাথে আমাদের জীবন ভাগ করে নেওয়ার জন্য জীবনে নিস্তেজ থাকতে পারে।

 

এটাই স্বাভাবিক যে মানুষ সবসময় সংবেদনশীল সমর্থন এবং সামাজিক জীবন সন্ধান করে।  জীবনে সবকিছু থাকা সত্ত্বেও আমরা শূন্যতায় থাকতে পারি।  এটি তখনই ঘটে যখন আমাদের জীবনে আমাদের ছোট কষ্ট  এবং ছোট সুখ ভাগ করে নেওয়ার মতো কোনও ভাল বন্ধু নেই।  বন্ধুরা সবসময় আমাদের নিঃশর্তে সবকিছু শোনার জন্য উপস্থিত থাকে।

 

সত্যিকারের বন্ধুত্বের জন্য দ্বিতীয় সুযোগ নেই। বন্ধুত্ব আমাদের জীবনের হাজার হাজার মজাদার মুহুর্ত সরবরাহ করবে যা আমরা আমাদের বৃদ্ধ বয়সেও মনে করতে পারি।  তবে পাশাপাশি এই সম্পর্কের মুহুর্তে সংকটের মুহুর্তও থাকতে পারে।  একটি ভুল বোঝাবুঝির ফলে দা-কুমড়া সম্পর্ক হতে পারে এবং এই আশ্চর্যজনক সম্পর্কটি দুর্বল হতে শুরু করতে পারে।

 

বন্ধুত্ব বাঁচানোর জন্য সর্বদা প্রথমে আগ্রহী হন।   যদি কোনও প্রতিকূল কারণে এই সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব উত্থিত হয় তবে আমাদের অবশ্যই আমাদের বন্ধুকে যেতে দেওয়া উচিত নয়।  তার হাত ধরে এবং যে কোনও ভুলের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।  সত্যিকারের বন্ধু হারানোর চেয়ে কারও জীবনে করুণাময় কষ্ট ছাড়া আর কিছুই নেই।

 

বন্ধুত্ব একটি সম্পর্ক যা সদ্যজাত শিশুর মতো।  বন্ধুত্ব সর্বদা খাঁটি এবং আনন্দের একটি বান্ডিলের মতো যা বাড়াতে কেবল আরও বেশি বেশি আন্তরিকতা প্রয়োজন।  সত্যিকারের বন্ধুবান্ধবকে কখনও উপেক্ষা করবেন না বা তাদের মর্যাদাবোধ হানি করবেন না।  আমরা আমাদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে আসতে পারি।  অনেকে আমাদের বন্ধু হওয়ার ভান করতে পারে। তবে বাইরের চকচকে সম্পর্ক কখনও অন্তরঙ্গ বন্ধুর সাথে যায় না।

 

শেষ পর্যন্ত আমি বলতে চাই যে একটি ভাল বন্ধুত্ব নিজের পক্ষে আনা খুব কঠিন।  সুতরাং, আমাদের বোঝার এবং অনুভূতির ভিত্তিতে এই আত্মার সম্পর্কের প্রশংসা করা উচিত।  সুখী জীবনযাপন করার জন্য আমাদের কেবল বন্ধু দরকার।  স্থায়ী বন্ধুত্ব সকলের জন্য একটি আশীর্বাদ।

 

আমরা যখন আমাদের বন্ধুদের সাথে সময় কাটাই তখন আমাদের আর কারও ভান করার দরকার নেই।  আমরা বাস্তবে যাদের বন্ধু হব  তারা আমাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেবে।  আমাদের সবসময় তাদের কাছে কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত যারা আমাদের সব সময় খুশি করে। সত্যিকারের বন্ধু হল কারও জীবনের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ।






Continue Reading