Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

জেনে নিন নিম পাতার গুনাগুন

kamrum naher123

Published

on

নিম একটি পরিচিত ও সাধারণ গাছ। এর গুনাগুন বহু।

নিম পাতা যে উপকারী তা আমরা সবায় জানি। এটা

প্রায় ৪ হাজারেও বেশি সময় ধরে উপমহাদেশের

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম পাতার

গুনে মুগ্ধ হয়ে পশ্চিমারাও ঝুকে পড়ছে ভেজষ ও

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়। ভেজষ উদ্ভিদের তালিকায়

শীর্ষে আছে নিম পাতা। অনেকে বলে থাকেন সর্ব

রোগের ওষুধ হলো এই নিম পাতা। নিম পাতার বিভিন্ন

কার্যাবলী বা গুনাগুন জেনে নেওয়ার দরকার,,,,,,,

১। নিম পাতা দিয়ে তৈরি ওষুধ চুলের ও ত্বকের যত্নে

ব্যবহার করা হয়।

২। নিম পাতায় এন্ট- ব্যক্টেরিয়াল উপাদান আছে।

যা মাথার খুসকি দুর করতে কার্যকরী ভুমিকা পালন

করে।

৩। এটি চুলকানি, শুষ্কতা, মানসিক অস্থিরতা দুর

করে।

৪। চুলের বৃদ্ধি ভালো করে।

৫। নিম পাতার পেস্ট চুল ও মাথার স্ক্যাল্পের

কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করে।

৬। এই পাতা ত্বকের জ্বালা মেটাতে কার্যকরী ভুমিকা

পালন করে।

৭। ব্রন বৃদ্ধি করে যে ব্যক্টেরিয়ার তা দুর করতে সাহায্য

করে।

৮। ব্রণের পূণরাবৃত্তি রোধ করতে নিম পাতা খুব

উপকারী।

৯। নিম পাতার পেস্ট মুখে ব্যবহার করলে মুখের

উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

১০। নিমের তেল বা পাতা ব্যবহার করলে ত্বকের

লালভাব, জ্বালা মেটাতে কার্যকরী ভুমিকা পালন করে।

১১। নিম পাতা, শিকড়, ছাল, বাকল ইত্যাদি ওষুধ

হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

১২। নিমের ডি টক্সিফাইং বৈশিষ্টের জন্য ত্বকের রোগ

চিকিৎসায় সকল আয়ুর্বেদিক ফর্মুলেশন উল্লেখ করা

হয়।

১৩। আলসারের ব্যক্টেরিয়া সংক্রমন বিরোধিতা এবং

অনাক্রম্যতা উন্নতি করতে নিম পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা

পালন করে।

আমার মতে সবার বাড়িতে একটা নিমগাছ থাকা দরকার।

আসা করি আমরা এই টিপস আপনাদের খুব ভালো

লাগবে এবং কাজে আসবে।

সুস্থ থাকুন
ঘরে থাকুন
বাহিরে গেলে মাস্ক পরুন
বাহির থেকে আসলে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

Advertisement
5 Comments
Subscribe
Notify of
5 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

Nice post

Md Golam Mostàfa

সুন্দর তথ্য।

Shanta Akter

Nice

টিপস এন্ড ট্রিকস

কোর্ট ম্যারেজ এর নমুনা কপি ডাউনলোড লিংক

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।

বিবাহ একটি পবিত্র এবং সুন্দর সামাজিক বন্ধন বলে বিবেচিত হয় আমাদের এই সমাজে। প্রাপ্ত বয়ষ্ক ছেলে মেয়ে তাদের পারিবারিক আত্নীয়দের উপস্থিতিতে কাজী সাহেব এর সম্মতিতে বিয়ে হয়ে থাকে। এটি একটি সর্বজন স্বীকৃত উপায়।কিন্তু বর্তমানে যুগ পাল্টেছে। তাই আজকাল কার ছেলেমেয়েরা প্রেম ভালোবাসাত সমীকরণে জড়িয়ে যায়।আর বাবা মা যদি তাদের এই পছন্দ মেনে না নেয় তখন তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে।পালিয়ে গিয়ে বিয়ে দুইধরনের রয়েছে।
১.কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে
২. কোর্টে গিয়ে বিয়ে যা  কোর্ট ম্যারেজ নামে পরিচিত।
কাজী অফিসে বিয়ে কথা আমরা অনেকেই জানি। আজ আমি আপনাদের সামনে কোর্ট ম্যারেজ নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি আপনারা সাথেই থাকবেন।

আজকাল অনেকের মুখে একটি কথা প্রায় শুনা যায় তা হলো কোর্ট ম্যারেজ। সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে বর এবং কনের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবোধ্য হওয়াকে বলা হয় কোর্ট ম্যারেজ।হবু বড় এবং হবু কনে ২০০ টাকা সমমূল্যের একটি হলফনামা কিনে কোর্টে মেজিস্ট্রেদের উপস্থিতিতে সাক্ষর দেওয়ার মাধ্যমে মাধ্যমে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়।  একটি হলফনামায় বর্ণিত থাকে বিবাহের প্রমাণ।  যার বাস্তবিক কোনো ভিত্তি নেই। অর্থাৎ কোর্ট ম্যারেজ এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। সেই সাথে মুসলিম আইন ,হিন্দু আইন কিংবা অন্যানো যেকোনো আইনের ক্ষেত্রে কোর্ট ম্যারেজ বৈধতার কোনো ধরণের প্রমান পাওয়া যায় নি। তাই এক কোথায় বলতে গেলে কোর্ট ম্যারেজ অবৈধ।

এতসব ঝামেলার পরও তরুণ তরূনীরা আবেগের বসে এসে কোর্ট ম্যারেজ করে বসে।কোর্ট ম্যারেজ করার জন্য তাই প্রথমে প্রয়োজন হবে একটি স্ট্যাম্প কিংবা হলফনামা। যা আপনাকে কিনে নিতে হবে। পরে আপনাকে নিচের লিংকে ফরম পূরণ করলেই বিবাহ সম্পন্ন হবে।

কোর্ট মেরেজ করার জন্য একটি হলফনামার প্রয়োজন হয় ,সেই হলফনামার ডাউনলোড লিংক :

http://www.forms.gov.bd/site/view/form-page/8d3904bd-1c88-4b5a-90d6-95dcd1088d3b/%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE%20%E0%A6%A8%E0%A6%82-%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%A6%E0%A7%A7%20(%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%20%E0%A6%98)%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE

এই সাইটে ধুকলে ” ফরম নং -১৬০১( ফরম ঘ) নিকাহনামা ”
নামে একটি লিখা আসবে।সেই লিখায় আপনাকে ক্লিক করতে হবে।সেই ফরম টি ডাউনলোড করে পুরণ করলে কাজ শেষ হবে।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

ঘরে বসেই তৈরি করুন অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

Shanta Akter

Published

on

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের যাদুকরী গুণ সম্পর্কে আমরা প্রায় সবাই-ই জেনে থাকি। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয় এবং প্রয়োজনিয়। এটি ওজন কমাতে এবং চুল পরা রোধ করতে বেশ উপকারি। এগুলো ছাড়াও অনেক কাজে ব্যবহার করা হয় এই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার।

  • অ্যাপেল সিডার ভিনেগার আমাদের দেশে এখনও সব জায়গা তে সহজলভ্য নয়। তাই বিশেষ প্রয়োজনের সময় চাইলেও আমরা ব্যবহার করতে পারিনা। মুলত সুপার শপ গুলোতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এভেইলেবল থাকে। শুরু করা যাক প্রস্তুত প্রনালী।

উপকরণঃ
১. অ্যাপেল (পরিমান মতো)
২. সুগার (অর্গানিক সুগার হলে বেশি ভালো হয়)
৩. কাচের জার বা বয়াম (আবশ্যকিয়)

প্রস্তুত প্রণালীঃ আপনি যে পরিমাণ বানাতে চান তার উপর নির্ভর করে আপেল নিতে হবে। আমি এখানে দুটি আপেলের মেজারমেন্ট নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রথমে আপেল দুটো কে ভালোভাবে ধুয়ে শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে। যাতে আপেলের গায়ে পানি লেগে না থাকে।এরপর আপেল গুলো কে পাতলা স্লাইস করে কাটতে হবে। একটি কাচের বয়াম নিন। সেখানে আপেল গুলো রেখে,বয়ামের গলা অব্দি পানি ঢালুন। পানি টা অবশ্যই ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। ১ চামচ অর্গানিক সুগার ঢেলে একটি কাঠের কাঠির সাহায্য নেড়ে দিন।

মনে রাখবেন, সিলভার বা স্টিল জাতীয় কিছু দিয়ে নাড়বেন না। তাহলে পর্যাপ্ত ব্যাকটেরিয়া জন্মাবে না। তারপর একটি কাপড় বা ভারি টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে নিবেন, যাতে ভিতরে বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বয়াম টি গরম স্থানে রাখতে হবে, যাতে ফাঙ্গাস না পড়ে। চাইলে চুলার পাশেও রাখতে পারেন।

এক সপ্তাহ পর বয়ামের মুখ খুলে আরও এক টেবিল চামচ সুগার এড করে নিবেন এবং নেরে দিবেন। আবার কাপড় মুড়িয়ে রেখে দিবেন।

এভাবে এক সপ্তাহ পরপর তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সুগার এড করতে হবে। প্রায় চার সপ্তাহ পর হয়ে যাবে পারফেক্ট অ্যাপেল সিডার ভিনেগার উইথ মাদার। চতুর্থ সপ্তাহে দেখতে পারবেন আপেলর রং বদলে কমলা কালার হয়ে গেছে এবং আপেল গুলো খুবই নরম কোমল হয়ে গেছে।

বয়ামের মুখ খুলে একটি ছাকনি দিয়ে আপেল থেকে পানি টা আলাদা করে নিতে হবে। পানিটা একটি কাচের বয়ামে রেখে দিন এক মাসের জন্য। একমাস পর যখন মুখে দিবেন দেখবেন রস টা টক এবং ঝাঁঝালো মনে হচ্ছে। যদি এরকম মনে হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার রেসিপি টি পারফেক্ট ভাবে বানানো হয়েছে। একমাস পরেও যদি রস টা হালকা মিস্টি লাগে তাহলে আরও এক সপ্তাহের জন্য রেখে দিন।
ধন্যবাদ 💕

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

জিপি ওয়েলকাম টিউন বন্ধ করার নিয়ম

Maria Hasin Mim

Published

on

 

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে বিপ্লব ঘটেছে। বাংলাদেশে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর এগিয়েছে বহুদূর। গ্রাহকসংখ্যার দিক দিকে গ্রামীনফোন এগিয়ে আছে অন্য সকল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিগুলো থেকে। গ্রাহকদের জন্য নানান ধরণের অফার এবং সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবার দিক চিন্তা করে গ্রামীনফোন অনন্য এবং অদ্বিতীয়।

গ্রাহকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে সবসময় নানান ধরণের অফার নিয়ে হাজির হয় গ্রামীনফোন। গানপ্রেমী গ্রাহকদের জন্য গ্রামীনফোন নিয়ে এসেছিলো ওয়েলকাম টিউন। আপনি চাইলে আপনার পছন্দতমতো যেকোনো টিউন সেট করতে পারবেন আপনার মোবাইল ফোনে সেই কথা এখন সবার জানা। যদি আপনি আপনার মোবাইল ফোনের অয়েল টিউন সেট করে থাকেন তাহলে আপনাকে যে কল করবে সে যতক্ষণ কল বাজবে ততক্ষন গান শুনতে পারবেন।

কিন্তু অনেক সময় এই নিয়ে খানিকটা ঝামেলায় পড়তে হয়। আপনি যদি কোথায় জব করে থাকেন তখন আপনার উপরস্থ কোনো কর্মকর্তা ফোন দিলে খানিকটা বিপদে পড়তে হয়। তাই এই ক্ষেত্রে ওয়েলকাল টিউন বন্ধ রাখার কথা মাথায় আসতে পারে। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে কিভাবে ওয়েলকাম টিউন বন্ধ রাখতে হয়। আজ তাই কিভাবে গ্রামীনফোনের ওয়েলকাম টিউন বন্ধ রাখতে হয় সেই বিষয় সম্পর্কে পোস্ট নিয়ে আমি হাজির হয়েছি আপনাদের সামনে।আশা করি আপনাদের উপকার হবে।

আপনি যদি ওয়েলকাল টিউন সাময়িক বন্ধ রাখতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে :

১.প্রথমে আপনাকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে যেতে হবে।
২.মেসেজ অপশনে গিয়ে ON /OFF লিখে ২4000নাম্বারে পাঠিয়ে দিতে হবে।
৩.কিন্তু সাময়িক বন্ধ করলেও আপনাকে সাবস্ক্রিশন ফি প্রদান করতে হবে।

যেহেতু সাময়িকভাবে বন্ধ করলেও আপনাকে ফি দিতে হচ্ছে।এর থেকে আপনাকে পুরোপুরি বন্ধ করাটাই শ্রেয়।একখন আসি যদি আপনি স্থায়ী ভাবে ওয়েলকাম টিউন বন্ধ রাখতে চান  সেইজন্য আপনাকে নিচের দিকগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ

১.প্রথমে আপনার হ্যান্ডসেটে মেসেজ অপশনে যেতে হবে।
২.মেসেজ অপশনে গিয়ে STOP লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে 24000নম্বরে।
৩.এভাবেই সার্ভিসটি স্থায়ীভাবে ববন্ধ হয়ে যাবে এবং সাথে আপনি একটি কনফার্মেশন মেসেজ পেয়ে যাবেন।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে। ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট