Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ভ্রমণ ও পরিবহন

দেশের বাস রুটের সার্ভিস মাস্টারের বিস্তারিত তথ্যাবলি জানুন

Sheikh Sahin

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম পোস্ট ভিউয়ার্স আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সকলেই আলহামদুল্লিলাহ ভালো আছেন। আমার আজকের এই পোস্ট এ আমি তুলে ধরছি দেশের পরিবহন জগতে নন এসি কোচ দিয়ে সার্ভিস দিয়ে যাওয়া সার্ভিস মাষ্টার বাস কোম্পানির সকল তথ্যাবলি। মনোযোগ সহকারে পোস্ট টি পড়বেন যেনো ট্রান্সপোর্ট রিলেটেড সকল কিছু সম্বন্ধে জানতে পারেন।

শুধুমাত্র Non এসি বাস দিয়ে বাস দিয়ে সার্ভিস দিয়েই তারা বিভিন্ন এসি বাস কোম্পানির সার্ভিস কেও Beat করে ফেলে।এই সার্ভিস মাষ্টারের নাম হচ্ছে Unique Service.

সেই ১৯৮৮ সালের কোনো এক শুভক্ষণে হাজী শামসুল হুদা সাহেবের জবানে উচ্চারিত হয়েছিলো যাত্রীসেবার শপথবাক্য।সেই যে শুরু,আজও দুর্গম-সুগম পথ অতিক্রম করে এবং এখনো যাত্রীসেবায় সেবারত এই সার্ভিস।

এখন আপনাদের মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে যে –

ইউনিক কেনইবা সার্ভিস্মাষ্টার বাস কোচ কোম্পানি হিসেবে খ্যাত।-মূলত এই ইউনিকই একমাত্র বাস কোচ সার্ভিস যারা তাদের বহরে নন এসি বাসেও যাত্রীসেবাতে নিজেদের পার্ফরমেন্স অক্ষুণ্ণ রেখে তারা দেশের মধ্যে তাদের সার্ভিস Provide করে যাচ্ছে।

এই ইউনিক এর পথচলা ১৯৮৭ সালে জনাব হাজী মোঃ- শামসুল হুদার মালীকানাধীন ইউনিক সার্ভিস নামে HINO 172 বাস দিয়ে যাত্রীসেবা দিয়ে যায়।প্রথম থেকেই তাদের লক্ষ ছিলো কীভাবে যত্রীসেবার মান বাড়ানো ও উন্নয়ন করা যায়,যে ধারা এখনো তারা অব্যাহত রেখেছে।বর্তমানে তাদের বহরে সব নন এসি হিনো একে ১জে বাস থাকলেও কোনো এক সময়ে ইউনিকের বহরেও ছিল এসি বাস।সম্ভবত ১৯৯২ সালে ইউনিক প্রথম এসি সার্ভিস চালু করে এবং যেটা ছিলো হুসাইন,গ্রীনলাইন,কেকে,সোহাগের পরে দেশের মধ্যে ৫ম তম এসি বাস।যদিও মাত্র ৩ মাস চলার পর বাসগুলোকে Shohagh Paribahan এর কাছে বিক্রয় করে দেয়।তারপর থেকে তাদের ব্যানারে আর কোনো এসি বাস যুক্ত হয় নি।

বর্তমানে ইউনিক সার্ভিস একক ভাবে দেশের ৭ টি রুটেও জয়েন ভেঞ্চারে ৪ টি রুটে সার্ভিস দিয়ে থাকে।চলুন জেনে নেওয়া যাক বাসগুলো কোন রুটে এবং কত টাকা ভাড়াতে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেঃ-

ইউনিক সার্ভিসেরঃ-

  • ঢাকা-সিলেট রুটের ভাড়াঃ- ৪৭০ টাকা।
  • ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ভাড়াঃ- ৪৮০ টাকা।
  • ঢাকা-কক্সবাজার রুটের ভাড়াঃ- ৮০০ টাকা।
  • সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের ভাড়াঃ- ৭০০ টাকা।
  • ঢাকা-বান্দরবন রুটের ভাড়াঃ- ৬২০ টাকা।
  • ঢাকা-রাঙ্গামাটি রুটের ভাড়াঃ- ৬২০ টাকা।
  • ঢাকা-দর্শনা রুটের ভাড়াঃ- ৪৫০ টাকা।
  • চট্টগ্রাম-সিরাজগঞ্জ রুটের ভাড়াঃ- ৭০০ টাকা।
  • চট্টগ্রাম-বেনাপোল রুটের ভাড়াঃ- ৯০০ টাকা।
  • চট্টগ্রাম-যশোর রুটের ভাড়াঃ- ৯০০ টাকা।
  • চট্টগ্রাম-দর্শনা রুটের ভাড়াঃ- ৯০০ টাকা।

এই ইউনিক সার্ভিস এর বিশেষ দিকটি হচ্ছে তাদের বহরে কোনো প্রকার পুরাতন গারি নেই।নিয়মিত তারা তাদের বহরে নতুন গাড়ি যোগ করে থাকে।অধিকাংশ বাসের সীট লেগরেস্ট যুক্ত এবং ৩৬ সীটের হওয়ায় লেগস্পেসও অনেক যার ফলে জার্নি হয়ে থাকে আরামদায়ক।তাদের বহরে সবগুলো বাসই হিনো কে ১জে বাস।

 

তো এতক্ষনে আপনারা হয়তোবা বুঝেই গিয়েছেন এই ইউনিক পরিবহনের সার্ভিস মাষ্টার হওয়ার কারণ,আশা করি আপনারা এই বাস গুলোতে জার্নি করেছেন এবং যদি করে থাকেন তাহলে আমাকে আপনাদের জার্নি এক্সপেরিয়েন্সটি আমার সাথে শেয়ার হবেন।ট্রান্সপোর্ট রিলেটেড তথ্যাবলি জানতে হলে আমার সাথেই থাকবেন।

 

Advertisement
4 Comments
Subscribe
Notify of
4 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

okay

Md Golam Mostàfa

জানা হলো অনেক কিছুই।

Abdulhai

ধন্যবাদ

SUJON SARKER

অনেক ভালো লাগলো

ভ্রমণ ও পরিবহন

সুন্দরবনে বনজীবি ভক্ত মনে হাজার বছর জায়গা করে আছে বনদেবী

M.M.Robi Dakua

Published

on

ম.ম.রবি ডাকুয়াঃ

বিশ্বের দ্বিতীয় অশ্বর্য ও বহু গভীরতর ঘটনা অঘটন আর দূর্ঘনার আঁধার সুন্দরবনে নানান কথিত লোকজ ও কিংবদন্তি প্রচলিত আছে।যা কিনা হাজার বছরের ইতিহাসে আর লোক কাহিনীর লোক গাঁথা হয়ে আছে।

বনদেবী বা বনমা ব্যাঘ্রদেবী  হিন্দু ধর্মের দেবী ও কিছু কিছু বনবাসী মুসলমানদের পীর মা ।সুন্দরবনের বাংলাদেশ ও ভারতীয় কিছু অংশে ও এর আশেপাশের অনেকের মধ্যে মানত করার প্রবনতা দেখা যায় যেমন মুরগী ছাগল বা গরুও এরা বন দেবী বা বনমার নামে ছেড়ে আসে।স্থানীয় বনজীবিদের জনগোষ্ঠী বাঘের আক্রমণ হতে রক্ষা পাবার জন্যে বনবিবির পূজো করেন। কেউ কেউ আবার দয়াল পীর গাজি কালুর নামে শিন্নি মানত করেন।এ কথাও প্রচলিত আছে যে, নিষ্ঠুর রাজা দক্ষিণরায় (রায়মণি) হিংস্র বাঘের ছদ্মবেশে মানুষের উপর হামলা করেন।

 

সুন্দরবনে ঘুরতে গেলে হঠাৎ চোখে পড়বে আচমকা হঠাৎ কোন মন্দিরের।কোনও কোনও ভক্তরা মন্দির তৈরী করে ব্যাঘ্র-দেবদেবী বনবিবি, দক্ষিণরায় ও কালুর একসঙ্গে পূজা আর্চনা করেন।

সুন্দরবন অঞ্চলের লোকায়ত দেবী যিনি হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে উভয়ের দ্বারা পূজিত হন। মধু সংগ্রাহক, কাঠুরে, মৎসজীবীদের দেবী বনবিবি, বাঘের তথা দক্ষিণ রায়ের হাত থেকে তাদের রক্ষা করবেন এই বিশ্বাস তারা আজও লালন করে।ইতিহাসবিদদের মতে খুলনার বিভাগের ইতিহাস বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৫০০ সালের সময়ে সুন্দরবন এলাকায় দক্ষিণ রায়, বণিক ধোনাই-মোনাই এবং আলোচনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। বনবিবি ইব্রাহিম (মতান্তরে বেরাহিম) নামে এক আরবদেশি ব্যক্তির  কন্যা। ইব্রাহিমের স্ত্রী গুলাল বিবি সতিনের প্রতিহিংসার প্ররোচনায় সুন্দরবনে পরিত্যক্ত হন। সেখানে বনবিবির জন্ম লাভ হয়। দক্ষিণ রায় যশোরের ব্রাহ্মণনগরের রাজা মুকুট রায়ের অধীন ভাটির দেশের রাজা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে বনবিবির একাধিক যুদ্ধ হয়। দক্ষিণ রায় পরাজিত হয়ে সন্ধি করেন। দক্ষিণ রায়ের পরাজয় অর্থে বাঘ বা অপশক্তির পরাজয়। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবনের বহু অঞ্চলে লোকসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেন দেবী বনবিবি। দেবীর পীরমাহাত্ম্যবিষয়ক কাব্যের নাম বনবিবির জহুরানামা। এই আখ্যান মঙ্গলকাব্যের ঢঙে রচিত হলেও আল্লাহ-রসুল, মক্কা, পীর-পীরানি যুক্ত আছে। অরণ্যচারী মানুষের বিশ্বাস, ভক্তি ও জীবনধারা এতে বর্ণিত হয়েছে। কিছু গবেষক দের মতে তিনি হিন্দু দেবী বনদুর্গা‌,বন চণ্ডী,বন ষষ্ঠ‌ী বা বিশালাক্ষী।বাংলাতে ইসলামিক প্রভাবে বনবিবি হয়েছেন।

বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার সুন্দরবন অঞ্চলে বনবিবিকে নিয়ে কিছু কিংবদন্তি প্রচলিত আছে:

এক সওদাগরের দুই স্ত্রীর কাহিনী রটিত আছে। ছোটো বউয়ের কূচক্রান্তে সন্তানসম্ভবা বড়ো বউ গুলালবিবি সুন্দরবনে নির্বাসিতা হন। কয়েকদিন পর সেখানেই যমজ পুত্র-কন্যার জন্ম দিতে সক্ষম হন অতপর মৃত্যু বরন করেন। জন্মজাত শিশু দ্বয়ের  কান্না শুনে বনের বাঘ, কুমির, হরিণ, অজগর, বানর সবাই ছুটে আসে। তারাই দুই ভাইবোনকে লালনপালন করে বড়ো করে তোলে। কৌশর পেরিয়ে ছেলেটি বড়ো হয়ে বাঘের রাজা এবং মেয়েটি বনবিবি নামে পরিচিত হয়। স্থানীয় বিশ্বাসে এই বনবিবি হলেন মানুষের রক্ষাকর্ত্রী। তাঁরা মনে করেন, বনের বাওয়ালি-মৌলেরা বাঘের মুখে পড়লে বনবিবির নাম স্মরণ করে মন্ত্র পড়ে আর সঙ্গে সঙ্গে বাঘও দৌড়ে পালিয়ে যায়। অদ্যাবধি স্থানীয় মানুষ বনে কাজে যাওয়ার আগে বনবিবির পূজা করে।গুলালবিবি শাহ জংগলীর হাতে বনবিবিকে রেখে চলে যান। বনবিবি জঙ্গলে প্রকৃতির সন্তান হিসেবে লালিত পালিত ও বড় হয়। সাত বছর পর, ইব্রাহিম তার ভুল বুঝলেন এবং গুলালবিবি ও তার দুই সন্তানকে মক্কাতে নিয়ে যাওয়ার কাহিনী শোনা যায়।একবার, ইসলামের নবীর মসজিদে প্রার্থনা করার সময়, বনবিবি এবং শাহ জঙ্গলীর দুটি যাদুর টুপি পেয়েছিল বলে জানা যায়। ঐ ঐন্দ্রজালিক টুপিগুলির সাহায্যে তারা ভারতের আঠারোটি জোয়ারের দেশে চলে যায় । সেখানে পৌঁছার পর, শাহ জঙ্গলী প্রার্থনা করার আহ্বান করেন। আঠারো জোয়ারের(সুন্দরবনের) দেশ তাদের আগমনের পূর্ব থেকে দানব রাজা দক্ষিণ রায়ের নিয়ন্ত্রণে ছিল। প্রার্থনার শব্দ তার কানে যখন পৌঁছালো। তিনি তার বন্ধু সনাতন রায়কে তাদের জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠালেন। যখন সনাতন তাদের দুজনের ব্যাপারে অবহিত হলেন তখন তিনি তাদের এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে উপনিত হলেন।

বারিজহতি নামে এক গ্রামে দুইজন ‘মৌয়াল(মধু সংগ্রাহক)  ধনাই ও মানাই ছিল।এরা সম্পর্কে দু ভাই আঠারো জোয়ারের দেশের একটি জঙ্গল’মহলে’ (ঘন জঙ্গলে) মধু সংগ্রহের জন্য ধনাই সাতটি নৌকা নিয়ে একটি অভিযানের জন্য যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু তার ভাই মানাই তার বিরোধিতা করে বসেন।তিনি একটি গরীব মেষপালক ছেলে, দুখেকে তার সাথে নেন।নৌকা ছাড়ার আগে, দুখের মা তাকে কোন গুরুতর সমস্যায় বনদেবীকে স্মরণ করার আদেশ করেন।যখন তারা কেন্দুখালি চর পৌঁছেছিল ( যা তখন ডাকাত রায়ের রাজত্বের অংশ ছিল) , তখন দক্ষিণ রায়কে উপহার দিতে ভুলে গিয়েছিলেন। যার কারনে সে তিন দিবসের জন্য কোন মধু সংগ্রহ করতে সক্ষম হন নি। তৃতীয় রাতে, দখিন রায় তার স্বপ্নে হাজির হল এবং মানুষের বলিদানের জন্য বলল।দক্ষিণ রায়ের সাথে কিছু বিতর্কের পর, লোভী ধনাই মধু ও মোমের বিনিময়ে দুখেকে উৎসর্গ করার জন্য রাজি হন। তাই, যথেষ্ট পরিমাণে মোম এবং মধু সংগ্রহের পর তিনি দুখেকে ছেড়ে গ্রামে ফিরে যান। বাঘের ছদ্মবেশে দক্ষিণ রায় যখন দুখেকে হত্যা করতে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বনদেবীকে স্মরণ করেন। তাঁর প্রার্থনা শুনে বনদেবী তার ভাই জঙ্গলীর সাথে এসেছিলেন।দক্ষিণ রায়কে পরাজিত করে জংগলী। পরাজয়ের পর,দক্ষিণ রায় , খান গাজী (গাজী পীর) -এর আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা সেখানে দক্ষিণ রায়ের পিছু পিছু যান। অবশেষে, গাজী দক্ষিণ রায়ের ক্ষতি সাধন না করার জন্য বনদেবীকে রাজি করান। পরিবর্তে, গাজী দুখেকে মূল্যবান সাতটি কার্টুলি দিয়েছিলেন, আর রায় তাকে যথেষ্ট মোম এবং মধু দিয়েছিলেন। এ ও কথিত আছে পীর গাজী তার এক ধরনের বিশেষ শক্তি সম্পন্ন (আশা)নামে পরিচিত বর সম্বলিত এক পিতল বা কাঁশা ধতব দিয়ে গেছে তার একান্ত ভক্তকে যা দ্বারা তারা অলৈকিক প্রতিভা সাধন করতে পারেন ।বনবিবি তার পোষা মুরগিদের আদেশ দেন, দুখেকে তার গ্রামে রেখে আসার জন্য। গ্রামে ফিরে আসার পর, দুখে আশেপাশে বনদেবীর উপাসনাকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। পরবর্তীকালে,তিনি ধনাইয়ের মেয়ে চম্পাকে বিয়ে করেন এবং তিনি গ্রম প্রধান হন।

 

এভাবে শত শত বছর নানান ভাবে স্থানীয় হিন্দু মুসলিম বনদেবী কে স্মরণ ও পূজা আর্চনা করেন।তারা তাকে মানত করেন বিধায় তারা বিপদ আপদ থেকে মুক্ত থাকেন এবং আশির্বাদ পুষ্ট হতে এ ধরনের ভক্তি আজও প্রচলিত আছে।তাই তারা বনে জীবিকার সন্ধানে প্রবেশের আগে সেখানে বা তার উদ্দেশ্যে নানা রকম পূজা আর্চনা করে থাকেন।

 

 

 

Continue Reading

ভ্রমণ ও পরিবহন

ঢাকা হতে সিলেট রুটের ট্রেনের সকল আপডেট জেনে নিন।

Sheikh Sahin

Published

on

আসসলামুয়ালাইকুম গ্রাথর ইউজারস।আশা করি আলহামদুলিল্লাহ আপনারা সকলেই অনেক ভালো আছেন।প্রতিনিয়তই হয়তোবা বিভিন্ন ধরণের পোস্ট পড়ে নিজেদের জীবনচলার মান কে ভালোই উন্নত করতে পারছেন।অনেক ধরণের নিউজ আপডেট পেলেও, দেশের Transport related আপডেটগুলো পেয়েছেন কী??

হয়তোবা আবার হয়তোবা না।তবে চিন্তা নাই।আমি আছি তো!!দেশের ট্রান্সপোর্ট রিলেটেড তথ্যাবলী নিয়ে আবারও হাজির হলাম আপনাদের সামনে।যদিও অনেকদিন ধরেই পোস্ট করতে পারি নি।তবে ইনশাল্লাহ আজ থেকে প্রতিনিয়তই দেশের ট্রান্সপোর্ট রিলেটেড আপডেট আপনাদের কাছে তুলে ধরবো।আশা করি আপনারাও আমার সাথেই থাকবেন ইনশাল্লাহ।তো চলুন এখন মূল পোস্ট এই চলে যাওয়া যাক;

ঢাকা হতে সীলেট; দূরত্ব প্রায় ২৭০ কিলোমিটার,এই দূরের পথে জার্নি করার জন্যে সবচেয়ে সেফেস্ট,আরামদায়ক এবং জার্নি টাকে FEEL করার জন্য সবচেয়ে অন্যতম চয়েজ হচ্ছে রেল ভ্রমণ।যার জন্যে আজ আমি আপনাদের সুবিধার্থে ঢাকা হতে সীলেট রুটে চলাচল কৃত ট্রেনগুলোর সিডিউল,কখন-কোথা হতে ছেড়ে,কোথায় কোথায় থামে ও টিকেট সংক্রান্ত সকল তথ্যাবলীই তুলে ধরছি।তো কথা না বাড়িয়ে এখনই শুরু করি ট্রেনগুলোর নাম দিয়ে।

 

১.পারাবত এক্সপ্রেসঃ-

ঢাকা হতে সীলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া দিনের প্রথম ট্রেন এটি।ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর হতে সকাল ৬ টা ২০ এ  ছাড়ে এবং বিমানবন্দর হয়ে ভৈরব বাজার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,আজমপুর,নায়াপারা,শায়েস্তাগঞ্জ,শ্রীমংগল,ভানুগাছ,কুলাউড়া মাইজগাও হয়ে দুপুর ১ টায় সিলেটে পৌছায়।

টিকেট প্রাইজঃ

এসিঃ ৭৩৬ টাকা।                          F_Class: ৪২৫ টাকা।                       স্নিগ্ধাঃ ৬১০ টাকা।                       শোভন চেয়ারঃ ৩২০ টাকা।

বন্ধের দিনঃ মঙ্গলবার।

২.জয়েন্তিকা এক্সপ্রেসঃ

ঢাকা হতে ছেড়ে যাওয়া দ্বিতীয় ট্রেনটি এইটা।যা সকাল ১১ টা ১৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর থেকে ছেড়ে বিমানবন্দর হয়ে আশুগঞ্জ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,আজমপুর,মুকুন্দপুর, হোরশপুর,মনতলা,নয়াপাড়া,শাহাগীবাজার,শায়েস্তাগঞ্জ,শ্রীমংগল,ভানুগাছ,কুলাউড়া মাইজগাও হয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় সিলেটে পৌছায়।

টিকেট প্রাইজঃ

এসিঃ ৭৩৬ টাকা।                          F_Class: ৪২৫ টাকা।                       স্নিগ্ধাঃ ৬১০ টাকা।                       শোভন চেয়ারঃ ৩২০ টাকা।

বন্ধের দিনঃ বৃহস্পতিবার।

৩.কালনী এক্সপ্রেসঃ

ঢাকা থেক দুপুরের শেষভাগ সময়ে অর্থাৎ দুপুর ৩ টার দিকে ছেড়ে যায় কালনী এক্সপ্রেস। যা ঢাকার কমলাপুর স্টেশন ছাড়ে বিকেল ৩ টায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া,আজমপুর,শায়েস্তাগঞ্জ,শ্রীমংগল,ভানুগাছ,কুলাউড়া মাইজগাও হয় রাত ৯ টা ৩০ এ সিলেটে পৌছায়।

টিকেট প্রাইজঃ

এসিঃ ৭৩৬ টাকা।                                        স্নিগ্ধাঃ ৬১০ টাকা।                       শোভন চেয়ারঃ ৩২০ টাকা।

বন্ধের দিনঃ শুক্রবার।

৪.উপবন এক্সপ্রেসঃ

ঢাকা থেকে সিলেটগামী শেষ যেই এক্সপ্রেস ট্রেনটি রয়েছে তার নাম হচ্ছে উপবন এক্সপ্রেস।ট্রেনটি ঢাকা ছাড়ে রাত ৮ টা ৩০ এ এবং বিমানবন্দর,নরসীংদি,ভৈরব বাজার,শায়েস্তা গঞ্জ,শ্রীমঙ্গল,ভানুগাছ,শামসেরনগর,কুলাউড়া,বারামছাল,মাইজগাও হয়ে ভোর ৫ টায় সিলেট পৌছায়।

টিকেট প্রাইজঃ

এসি বার্থঃ ১০৯৯ টাকা।          F_BERTH:৬৪০ টাকা         F_CHAIR:৪২৫টাকা                     শোভনঃ ২৬৫ টাকা।                       শোভন চেয়ারঃ ৩২০ টাকা।

বন্ধের দিনঃ বুধবার।

 

তো এইটুকু পর্যন্তই ছিলো আমার আজকের টপিক যেখানে আমি ঢাকা হতে সিলেটগামী ট্রেনগুলোর টাইম সিডিউল এবং ভাড়া সংক্রান্ত তথ্যাবলী।

আশা করি আপনাদের কাছে ভালোই লেগেছে।যদি সত্যিই ভালো লেগে থাকে তাহলে আমায় ফলো করে আমার সাথেই থাকবেন।

Continue Reading

ভ্রমণ ও পরিবহন

কুয়াকাটায় লাল কাঁকড়ার মোড়ে একদিন

Muhammad Anwar Hossain

Published

on

sunrises in kuakata

নয়াভিরাম সৌন্দর্যে ভরপুর এ লাল কাঁকড়ার সমুদ্র সৈকত। বন্ধুদের মুখে লাল কাঁকড়ার কথা এতো শুনেছি যে, সাগরের গর্জন শোনা বাদ দিয়ে লাল কাঁকড়া খুজে বেরাচ্ছি। হা করে চোখ টানটান করে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছি। আজ লালের খবর নেই। চোখ ব্যথা করছে, ঘাড় লেগে আসছে – কম হলেও একটাতো বেরোবে। উ হু, কোন খবর নেই। চারপাশে এদের মাটি উঠানোর কারুকার্য দেখা যাচ্ছে। মনে হয় এইতো বের হবে কিন্তু বের হলো না। ভগ্ন মনে সাগরের ডাকে সারা দিলাম। এ হচ্ছে  আরেক  কর্মঠ গর্জনশীলা ঢাকি বেজে যাচ্ছে তো বেজেই যাচ্ছে। থামার নামটি মাত্র করছে না। সবসময় মনে হচ্ছে এই বুঝি ঝড় শুরু হলো। সূর্য ডুবে যাওয়ার কাছাকাছি। সব বন্ধু মিলে সূর্যাস্ত দেখবো ঠিক করলাম। কি অপূর্ব দৃশ্য একথালা সূর্য আস্তে আস্তে সাগর গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে! কিন্তু লাল কাঁকড়া কোথায়? মন থেকে এর ছবি আর সরাতে পারছিনা। আকাশে মেঘের আনাগোনা বৃষ্টি নামতে পারে। মাগরিবের আযান পড়ছে- আস্ত সূর্য হারিয়ে গেলো সমুদ্র গর্ভে। ফিরে যাচ্ছি, চলে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিতে। কে যেন বলে উঠলো এই লাল কাঁকড়া। সারা মুখ খশিতে লাল হয়ে গেল। সত্যিতো এতো দেখি লালে লাল ছোট্ট এক কাঁকড়া। ছোট হলে হবে বি বেটার ঝাঝ আছে। গর্ত থেকে বের হচ্ছে আবার দ্রুত গর্তে ঢুকে পড়ছে। এ যেন উঁকি ঝুকি খেলা শুরু করে দিয়েছে। এটাই দেখতে চেয়েছিলাম। ভারি সুন্দর দেখতে। আকারে খুবই ছোট। অনেক চেষ্টার খড়ি পোড়ালাম আমরা দেখার জন্য কিন্তু  কেউ  ধরতে পারলাম না ওটাকে। যাক মনে তো শান্তি মিলেছে। লাল কাঁকড়ার দেখা, সমুদ্রের গর্জন ও বন্ধুদের আড্ডায় মুখরিত হয়ে ছিলো সেদিন কুয়াকাটার লাল কাঁকড়ার মোড়। আনন্দে আনন্দে কখন যে বৃষ্টি এসে গেছে টেরই পাইনি। সৈকত পাড়ের বৃষ্টি -এ কি আর কিছু, মূহুর্তে কাক ভেজা হয়ে গেলাম আমরা। আশ্রয়ে দৌঁড়ে যেতে না যেতেই বৃষ্টি শেষ। মনে পড়ে গেল আমার সেই নিজের লেখা কবিতা-

“ রাখাল তরুর ছায়াতে,

যায় ভিজে তার পানিতে।

যেই বাঁচিতে দেয় ছোটা,

গাঁয়ের পথে কাক ভেজা।

নতুন কাপড় বদনে,

রোদ দেখা দেয় গগনে।।”

ভেজা কাপড়ে বসে যাই সবাই সমুদ্রের টোনা মাছের বারবিকিউ খেতে খেতে। বারবিকি্উয়ের মসলার ঘ্রাণে মুখরিত চারপাশ। ভরপেট হয়ে গেল খাওয়া সবার। খাওয়া শেষে যার যার কাপড় শুকিয়ে শরীরেই ঝড় ঝড়। এ যেন প্রাকৃতিকভাবে প্রাকৃতিক দান। অবশ্য আমদের জন্য রোদ না উঠুক, চাঁদ কিন্তু ঠিকই উঠেছিলো। ভিজে যাই আর যাই করি, আবার কবে আসবো সেই পরিকল্পনা করি মনে মনে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট