Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

অন্যান্য

ধান ক্ষেত নিয়ে ক্যাপশন

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই  ?আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় করি।
বাংলাদেশ ষঢ়ঋতুর দেশ। প্রকৃতির ওপর লীলায় সাজিয়ে উঠেছে আমাদের এই দেশকে। তাইতো যে দিকে চোখ পরে সেই দিকে শুধুমাত্র সবুজের সমারোহ। প্রকৃতির এই রূপে মুগ্ধ হয়ে কত গুণী কবি সাহিত্যিক যে নানান ধরণের কবিতা কিংবা উপন্যাস লিখেছেন তার হিসেব নেই। তাইতো কবির ভাষায় বলতে গেলে
“ধনধান্য পুষ্পেভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে এই দেশ সকল দেশের সেরা
ও সে যে স্বপ্ন দিয়ে তৈরী সে যে স্মৃতি দিয়ে ঘেরা ”
বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল শুধুমাত্র সবুজের সমারোহ। এদেশের বিরাজমান প্রকৃতির প্রেমে কেউ পড়েননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে। বাংলাদেশের গ্রানাঞ্চলে বিরাট এক অংশ জুড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত। গ্রাম বাংলায় যে দিকে চোখে পরে সেই দিকে শুধুমাত্র এই সবুজের সমারোহ ধানক্ষেত। বাংলাদেশে পাহাড় কিংবা নদীর ধরে কিংবা সমতল উর্বর মাঠে সবুজ রংগের চিকন যে শস্যের যে চাষ হয়ে থাকে সেই শস্যকে বলা হয় ধান। বাংলাদেশে আউশ ,আমন  এবং বোরো এই তিন জাতের ধানের চাষ হতে দেখা যায়। ধান যেহেতু এক বর্ষজীবি উদ্ভিদ তাই বছরে একবার আমার ধানের ক্ষেত  দেখতে পাই। কিন্তু নাতিশীতষ্ণ দেশে ধানের ফলন দুবার হতে দেখা যায়।
আমরা বছরে ধান ক্ষেতের চিত্র পাল্টাতে দেখি। প্রথমে ধান এর হা]]গাছ যখন লাগানো হয় তখন ধানের ক্ষেত সবুজ দেখা যায়। আবার সেই ধান যখন পেকে যায় তখন তা হলুদ হয়ে যায়। তবে আমাদের সবুজ ধানক্ষেত সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে থাকে। এর মায়াবী রূপ মুগ্ধ করে আমাদের সবাইকে। কিন্তু শহর অঞ্চলে এই ধানক্ষেত নাই বললে চলে। তাই প্রকৃতির এই রূপ দেখতে শহর থেকে গ্রামে ছুটে আসে অনেক মানুষ। সূর্য্যের আলোয় ধানক্ষেত মনে হয় যেনো এক অন্যরকম রূপ ধারণ করে থাকে। এক এক সময় ধানক্ষেত এক এক রকম রূপ ধারণ করে থাকে। তাই সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই দেশের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ধানক্ষেত।
সামনে নতুন কোন বিষয় নিয়ে হাজির হবো।ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Advertisement
10 Comments
Subscribe
Notify of
10 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Naimul Islam

ব্লগ সাইটে কি স্ট্যাটাসও লিখা যায়?

Md Golam Mostàfa

প্রকৃতি প্রেমী মনে হচ্ছে।

Robi Dakua

সুন্দর

Mahfujul Haque

😮

Jamil Ahmad

সবাইকে ঘরে থেকে সুস্থ থাকতে বললে, বাহিরের এমন দৃশ্য দেখার মানুষ খুজে পাবেন কিভাবে?

অন্যান্য

গ্রামের প্রকৃতি নিয়ে উক্তি

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।

গ্রাম প্রকৃতিটির এক অপার সৌন্দর্যের নাম। বিধাতার সৃষ্টি যে এত্ত সুন্দর তা গ্রাম না দেখলে আপনি বুঝবেন না!যে দিকে দুচোখ যায় খালি সবুজের সমারোহ। গ্রামের সবুজ প্রকৃতি ,আঁকাবাঁকা মেঠো পথ ,ধানক্ষেতের ওপর সমারোহ প্রতিবারই মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি প্রেমীদের। আজকের সমাজে যারা গুণী ব্যক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের শুরুটা হয়েছে কিন্তু গ্রাম থেকে। গ্রামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কত কবি ,সাহিত্যিক যে কত শত কাব্য রচনা করেছেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই। গ্রামের সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে কবিতার পাতায় পাতায়। গানের প্রতিটি লাইনে লাইনে। তাই তো কবির শুরে বলা হয়

“গ্রামছাড়া ওই রাঙামাটির পথ
আমার মন ভোলায় রে ”

সবুজের ছায়া ঘেরা গ্রামের সৌন্দর্য মুগ্ধ করে আমাদের।গ্রামের বিশাল বির্স্তীর্ণ মাঠ সেই সাথে বেয়ে চলা আঁকাবাঁকা যদি জানান দেয় প্রকৃতি বয়ে চলে তা নির্দিষ্ট নিয়মে এবং নির্দিষ্ট গতিতে।গ্রামের সৌন্দর্য কখনো শহরের ইটঁকাঠে পাওয়া যাবেনা। তাইতো শহরের মানুষ খানিকটা অবসরে নাড়ির টানে ছুটেআসে তার গ্রামে।

গ্রাম যে শুধু সৌন্দর্যে ভরপুর তা কিন্তু নয়। বরং গ্রামের সবকিছুই সুন্দর। গ্রামের প্রতিটি অনুষ্ঠান পালন করার ধরণ তা সুন্দর। গ্রামে আমাদের প্রতিটি ঋতুকে খুব  সুন্দর করে বোরন  করা হয়।

প্রতিটি ঋতুর জন্য থাকে ভিন্ন ভন্ন ধরণের আচার এবং অনুষ্ঠান। প্রতিটি ঋতু তাই আপন মহিমায় ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্যের উৎস নিয়ে হাজির হয় গ্রামে।গ্রীষ্মকালে নানা ধরণের ফলের বাহার ,শীতকালের খেজুরের রস এর হিড়িক,বর্ষাকালে নানান ধরণের মাছ ধরার হিড়িক,শরতের শুভ্র কাশফুল প্রতি দিন হয়ে উঠে উৎসব পারবেন ময়। গ্রামে হয়তো শরীরের মতো অটো সুযোগ কিংবা সুবিধা নেই কিন্তু রয়েছে অপুরূপ শান্তি এবং প্রকৃতির সমারোহ।

গ্রামের সৌন্দর্য সম্পর্কে সরোহের ছেলেমেয়েদের মধ্যে তেমন কোনো ধারণাই নেই। তাই কয়েকটা দিন যদি গ্রামে ঘুরে আশা যায় তাহলে শরীরের ছেলেমেয়েদর গ্রাম প্রীতি হতে দেখা যাবে।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হব আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

অন্যান্য

কাশফুল নিয়ে ফেইসবুক স্ট্যাটাস

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনায় ব্যক্ত করি।
বাংলাদেশ একটি ষড়ঋতুর দেশ। প্রকৃতির সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে বাড়িয়ে তুলে এই ছয় ঋতু। একের পর এক ঋতু পর্যায়ক্রমে এসে হাজির হয় আমাদের সামনে। প্রত্যেকটি ঋতুর থাকে আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশের ষড়ঋতুর মাঝে এক ঋতু হলো শরৎকাল। সাধারণত বাংলা মাস ভাদ্র এবং অশ্বিন মিলে  প্রকৃতিতে আগমন গোটা শরৎকাল। এই সময় প্রকতিটি এক নতুন রূপে হাজির হয় আমাদের সামনে। প্রকৃতি যেন তার প্রাণ ফায়ার ওয় এক নতুন রূপে। স্রোত কালে আকাশে সাদা মেঘ ভেসে যায়। প্রকৃতিতে আগমন ঘটে সাদা শুভ্র কাশফুলের। মূলত এই কাশঁফুলি শরৎকালের মূল বিশেষত্ত। প্রকৃতিতে পালা বর্তনে মানুষ ছুটে আসে কাশবনে। যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল মুক্ত আনন্দ পেতে মানুষ ছুতে আসে কাশবনে।

তখন যেন শরৎ জেগে উঠে প্রকৃটিতে। তখন সকল প্রকৃতিপ্রেমীদের  এক মিলনমেলা ঘটে কাশবনে।সাদা শুভ্র মেঘের ঝিলিকে কাশফুলের সৌন্দর্য এক কথায়  প্রকাশ করা দুষ্কর।  আগে হয়তো অনেকে এতটা কাশফুল নিয়ে মানুষের মাঝে এতো মাতামাতি ছিল না। তখন শরৎ নির্দিষ্ট নিয়মে আসতো কাশফুল নির্দিষ্ট নিয়মেই ফুটতো। কিন্তু বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে কাশফুল নিয়ে মাতামাতি বেশি হচ্ছে। শরৎ কালে সকলের তাই কাশফুলের সাথে ছবি সকলের মধ্যে এক সাধারণ ব্যাপার হয়ে উঠেছে।
কাশফুলের শুভ্রতায় নিজেকে আলিঙ্গন করে তারা ফেইসবুকে নতুন নতুন স্ট্যাটাস ও দিচ্ছে। ননিচে কয়েকটি স্ট্যাটাস তুলে ধরা হলো :

“আগমনী সুর বেজে উঠেছে
সাদা কাশফুল উড়ছে আকাশে
মনটা খুঁজে তোমার ছায়া
এই সশরৎ এর অশ্বিন মাসে ”

“ভোরের আকাশে শুনি আগমনী গান
ক্যাশ ফুলেরা করছে খেলা উচ্ছসিত প্রাণ ”

“কাশের বনে লেগেছে দোলা
শুভ্র মেঘেরা ভাসিয়েছে ভেলা ‘

“খোঁজ রেখেছো কি
কাশফুলের নেমেছে
এক আনন্দলোনের শ=শহরে ”

কাশফুলের বনে সবার মনে
আগমনী বার্তা বয়ে আনে”

ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading

অন্যান্য

আমার পিপাসু মনের জিজ্ঞাসা

Prabin bal

Published

on

আমি নামাজ পড়ি,রোজা রাখি,হজ্ব করেছি কিন্তু যাকাত দেইনা,অসহায় মানুষকে সহযোগীতা করি না।ইহাতে সৃষ্টিকর্তা আমার প্রতি কতটা সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট হবে?

  • আমি নামাজ পড়ি না,রোজা রাখি না,হজ্ব করি নাই,করার ইচ্ছা ও নাই।কিন্তু অসহায় মানুষকে সাধ্যমত সহযোগীতা করি।ইহাতে সৃষ্টিকর্তা আমার প্রতি কতটা সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট হবে?
  • যদি উল্লেখিত প্রশ্ন দুইটির প্রশ্নকর্তা আলাদা দুইজন ব্যক্তি হয় তবে সৃষ্টিকর্তা কোন ব্যক্তির প্রতি বেশি সন্তুষ্ট হবে?
  • আমি মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়নে কোনো অর্থ দেইনা।সেই অর্থ দুস্থদের মাঝে দান করি।কারন মসজিদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করার চাইতে দুস্থদের সহযোগীতা করা আমার কাছে বেশি জরুরী বলে মনে হয়।কারন মসজিদের অবকাঠামোর উন্ননয়ন না হলে নামাজ আদায় করতে এর বিশেষ কোনো প্রভাব পরবে বলে মনে হয় না।কিন্তু আমি এমন লোকদের সহযোগীতা করি যাদের সহযোগীতা করার মানুষ নাই বললেই চলে।তাই আমি তাদেরকে সহযোগীতা না করলে তারা হয়তো বিপদগ্রস্থই থাকবে। সৃষ্টিকর্তা ইহাতে আমার প্রতি কতটা সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট হবে?
  • আমি কাউকে বিপদে দেখলে ঐ ব্যক্তি ভালো না খারাপ বিবেচনা না করেই তাকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।কারন কথায় আছে পাপকে ঘৃনা করো,পাপীকে নয়।আমি এই দর্শন আমার হৃদয়ে ধারন করি।ইহাতে সৃষ্টিকর্তা আমার প্রতি কতটা সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট হবে?
  • আমি সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করি এবং প্রতিদিন অর্থ বুঝে কুরআন শরীফ পড়ি।কিন্তু কুরআন শরীফের নির্দেশনা পালন করি না।আমার এই কুরআন শরীফ পাঠের কোনো স্বার্থকতা আছে কি?
  • আমি ধর্মগ্রন্থ পাঠের চাইতে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে নিজের বিবেকের সদ্ব্যবহার করতে চাই।এটা কতটা যৌক্তিক হবে?
  • সৃষ্টি কর্তাকে বারবার স্মরন করার চাইতে তার সৃষ্টিকে স্মরন করা কতটা যৌক্তিক হবে?
  • দীর্ঘ দিন থেকেই এই প্রশ্নগুলো আমি বয়ে বেড়াচ্ছি।কিন্তু উত্তর সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছি।তাই এই প্রশ্নগুলোর পাঠকদের কাছ থেকে সুচিন্তিত উত্তর আশা করছি।কেতাবি জ্ঞান ব্যবহার না করে হৃদয় থেকে উত্তর দেওয়ার জন্য পাঠকদের উত্তর দেয়ার জন্য অনুরোধ রইলো।হোক সেটা আমার পক্ষে বা বিপক্ষে।
  • আমার পোস্টটি পড়ে অনেকেই আমার মূল বক্তব্য সম্পর্কে অবহিত হয়ে গেছেন।কিন্তু প্রশ্নগুলো নিরপেক্ষ ভাবে বিশ্লেষন করে পাঠকদেরকে উত্তর দেয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হইলো।একমাত্র নিরপেক্ষ উত্তর ই পারে আমার পোস্টটিকে স্বার্থক করে তুলতে।যেহেতু এটা আমার প্রথম লেখা তাই নিরপেক্ষ উত্তর পাওয়ার আশা করাটা আমার জন্য বোধ হয় অন্যায় হবে না।এই অভিপ্রায় ব্যাক্ত করে এখানেই ইতি টানছি,সাথে সকলের ইতিবাচক মনোভাবের প্রত্যাশা রইলো।সকলে ভালো থাকবেন।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট