Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ক্রিকেট

পঞ্চপান্ডবের বিদায়ের পরে বাংলাদেশ দলে একজন পরিণত সাব্বিরকে আমি বরাবরই দেখতে চাইবো

news update

Published

on

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ট্রলড ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। পারফরম্যান্সের জন্য যতটা না, তার চেয়ে বেশি ট্রলের শিকার তিনি হচ্ছে মাঠের বাইরের অপকর্মের জন্য। বাংলাদেশ ক্রিকেটের একনিষ্ঠ ভক্ত, যারা চরম দু;সময়েও দল ও ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ান তারাও নির্দ্বিধায় সাব্বিরকে ট্রল করছেন।
আর ক্রমাগত ব্যর্থতা আর এতোসব ট্রল আর সমালোচনা সাব্বিরকেও যে ছুঁয়েছে এটা গত ম্যাচে তার ক্যাচ মিস থেকেই বোঝা গেছে। অতীতে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও ফিল্ডার হিসেবে বরাবরই দলের অন্যতম সেরা হয়েই ছিলেন তিনি। সর্বশেষ আফগানিস্তান সফরেও যে ম্যাচে মিরাজের সাথে ‘খুনশুটি’ করে বাদ গিয়েছেন, সেদিনও তিনি বদলি ফিল্ডার হিসেবে নেমে কয়েকটি ক্যাচ নিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের একটা বিশাল সংখ্যক মানুষ সফল মানুষদের ব্যর্থতায় পুলকিত হন। তারকার পতন তাদেরকে তৃপ্তি দেয়। আমি নিজে অন্তত কখনই এই দলে ছিলাম না। সাব্বিরের বেলাতেও নেই। বরাবরই আমি সাব্বিরের ব্যাটিং আর ফিল্ডিং এর ভক্ত। সেই আমিও সাব্বিরকে নিয়ে একের পর এক ট্রল করে চলেছি অনায়াসে। কারণ, খুব সাধারণ। সাব্বির তার ভক্তদের সাথে অনায়াসে প্রতারণা করেছেন, করছেন।
মাঠের বাইরে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমি বরাবরই অনুৎসাহী। সেটা নারীঘটির বিষয় হোক আর যেটিই হোক। তাই বছর কয়েক আগে বিপিএল চলাকালীন সময়ে সে যখন হোটেল রুমে ‘ফিমেল গেস্ট’ আনার কারণে বিসিবির আর্থিক জরিমানার সম্মুখীন হয়, আমি চুপ ছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে সে যখন ফেসবুক লাইভে এসে ভক্তদের সামনে, ‘আপনাদের কি মনে হয় আমি এমন করতে পারি?’ বলে ‘মশকরা’ করেছে, তখন আমি প্রচন্ড বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হয়েছি।
এরপর নিজেকে শুধরানো তো দূরের কথা, নতুন নতুন বিতর্ক সে জন্ম দিয়েই চলেছে। মিরাজের সাথে তার গ্যাঞ্জামকেও আমি খুব বড় করে দেখতে নারাজ। একসাথে থাকলে পরিবারের মধ্যে অবশ্যই ছোট-খাটো অনেক রকম ঘটনা ঘটে। মিরাজের সাথে তার মিটমাট হয়ে গেলে আপনি-আমি বলার কেউ না।
কিন্তু চট্টগ্রামে একজন কিশোর দর্শকের উপর চড়াও হয়ে সে নিজেকে চুড়ান্তরকম ‘কাপুরুষ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যেটা কোন যুক্তিতেই সমর্থন করার মত নয়।
এছাড়া বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে ৫০০-১০০০ রান বিষয়ক হাস্যকর কথাবার্তা বলে নিজের পাশাপাশি বাংলাদেশকেও উপহাসের বিষয়বস্তুতে পরিণত করেছেন তিনি।
সর্বশেষ ফেসবুকে দুজন ‘ভক্ত'(অথবা হেটার) কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ এবং পরবর্তীতে নিজেকে ডিফেন্ড করে ইন্সটাগ্রামে দেয়া তার বক্তব্যের পর একটা বিষয় পরিষ্কার, বাড়াবাড়ির সর্বশেষ সীমা তিনি পার করে ফেলেছেন।
ফর্মে থাকা সাব্বির বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সম্পদ হতে পারতেন। তিনি তিনি নিজেই নিজের সর্বনাশ ডেকে এনেছেন। আত্মোঃপলব্ধি যদি না হয়, তবে শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা আক্ষেপ হয়েই থেকে যাবেন।
এতো কিছুর পরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি২০ দলে তিনি থাকবেন কি না সেটি নিশ্চিত নয়। তবে এতো কিছুর পরেও তার জন্য শুভকামনা থাকবে। অনুতপ্ত হয়ে, নিজেকে বদলে নিয়ে নতুন করে ফিরে আসবেন।
পঞ্চপান্ডবের বিদায়ের পরে বাংলাদেশ দলে একজন পরিণত সাব্বিরকে আমি বরাবরই দেখতে চাইবো। তবে সেই সাব্বিরকে অবশ্যই নিজেকে নতুন করে সাজাতে হবে। মাঠে ও মাঠের বাইরে।

ক্রিকেট

ইংলিশ ক্রিকেটার রুট অবশেষে সেন্ঞ্চুরির দেখা পেলেন এবং গড়লেন দলের ভিত!!

Eshrad Ahmed

Published

on

শ্রীলঙ্কা বনাম ইংল্যান্ড টেস্ট চলছে শ্রীলঙ্কার মাটিতে। সেখানে ১৬৮ রান করে দ্বিতীয় দিন শেষে অপরাজিত ছিলেন জো রুট। প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কা ১৩৫ রানে অলআউট হবার পর দ্বিতীয় দিনে বৃষ্টির কারণে খেলা আগেই শেষ হয়ে যায়। তখন ইংল্যান্ডের স্কোর ছিলো- ৯৪ ওভারে ৩২০ রান এবং চারটি উইকেট হারিয়েছে তারা।

 

স্কোরের হিসেবে বেয়ারস্ট্রো ৪৭ এবং লরেন্স ৭৩ রান করেন। কিন্তু রুটের একার রানই শ্রীলঙ্কার দলীয় সংগ্রহের চেয়ে বেশি। ইনিংসের শুরুতে শ্রীলঙ্কা হিমশিম খেলেও বেশ সাবলীলভাবেই খেলছিলেন ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়েরা। এর মধ্যে ১৩১ রান দিয়ে চারটির মধ্যে তিনটি উইকেট নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার এম্বুলদেনিয়া।

 

রুটের পারফর্মেন্স নিঃসন্দেহে ভালো ছিলো কিন্তু এটা শিরোনাম হবার আরেকটা কারণ আছে। এমনিতে টেস্টে নিয়মিত দল ইংল্যান্ড। এশিয়ার দেশগুলোর চেয়ে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলো টেস্ট বেশি খেলে এবং তুলনামূলক বেশি অভিজ্ঞ আর দক্ষ হয়। কিন্তু গতবছর একটিও সেন্ঞ্চুরি পাননি রুট!এই প্রথমবার পুরো একবছর টেস্টে একটিও সেন্ঞ্চুরির দেখা পাননি তিনি। বিষয়টি হতাশাজনক বটে। সেই হিসেবে এই বছরের প্রথমেই এরকম রানের সংগ্রহ অবশ্যই তাকে আত্মবিশ্বাস যোগাবে। এখন শ্রীলঙ্কার চেয়ে ১৮৫ রান এগিয়ে আছে রুটের দল।

 

এই দিয়ে টেস্টে ১৮ তম সেন্ঞ্চুরি পেলেন রুট এবং টেস্টেই ১৫০ ছাড়ানো ব্যক্তিগত অষ্টম ইনিংস তার। দিন শেষে তখনো উইকেটে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এছাড়া শ্রীলঙ্কার মাটিতে ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে তার ইনিংস সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড করেছে। এর আগে ২০১২ সলে কেভিন পিটারসনের ১৫১ রানের ইনিংসটি এই রেকর্ড দখল করে ছিলো। আট বছর পর রুট নতুন করে শ্রীলঙ্কার মাটিতে ইতিহাস গড়লেন।

 

এই ইনিংসে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন এই টেস্টেই অভিষেক ম্যাচ খেলা ড্যান লরেন্স। চতুর্থ উইকেটে দুজনে মিলে ৪৩.১ ওভারে করেছেন ১৭৩ রান। এছাড়া এটাই শ্রীলঙ্কার মাটিতে ইংলিশদের সর্বোচ্চ রানের জুটি হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। ২৫৪ বলের ইনিংসে রুট ১২টি চার মেরেছেন এবং ৭২ টি একক রান নিয়েছেন কিন্তু একটাও ছক্কা মারেননি। কিন্তু লরেন্স তার ৭৩ রানের ইনিংসে ৬টি চার এবং একটি ছয় মেরেছেন। অনেকেই বলছে- রুট একটি নিখুঁত ইনিংস খেলেছে। কারণ টেস্ট ক্রিকেটে স্কোর করার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকাটা বেশি জরুরী। একটা প্রচলিত কথা আছে- টেস্টের মাঠে টিকে থাকলে রান হবেই।

 

যদিও খেলাটা হচ্ছে শ্রীলঙ্কার মাঠে এবং শ্রীলঙ্কাকেই এখানে ফেভারিট মনে করা হচ্ছিলো। কিন্তু টেস্টে অভিজ্ঞ ইংল্যান্ড দলের সামনে তাদের অবস্থা বেশ শোচনীয় মনে হয়েছে। তবে রুটের পারফর্মেন্স অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আর যে ম্যাচ একাধিক ইতিহাস গড়েছে সেই ম্যাচ স্মরণীয় হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক।

 

দেখা যাক, বাকি তিন দিনে ম্যাচের কোনো মোড় ঘোরে কিনা। এছাড়া বৃষ্টির আগমনেরও সম্ভাবনা আছে। আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। লেখাটি পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Continue Reading

ক্রিকেট

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান

MST.REKHA KHATUN

Published

on

বাংলার নবাব,বাংলার অহংকার, ক্রিকেটের রাজ্য জয় করে আনা, তার নাম সাকিব আল হাসান। বিশ্বের সেরা ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে জ্যাক ক্যালিস কিংবা শচীন টেন্ডুলকারের মতো খেলোয়াড় ১০০ বছরে একবার জন্মায়। কিন্তু সাকিবের মতো খেলোয়াড় ১০০০০ বছরে একবার জন্মায়।

শুধু বাঙালিদের কাছে সাকিব বেয়াদব সার্থপর আর‌ও অনেক কিছু। কিন্তু ভিনদেশিদের কাছে ছেলেটা প্রসংশায় উচ্চমুখ।

 

ব্যাক্তিগত পরিচয়:

২৪শে মার্চ ১৯৮৭ সালে মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণ করে। পূর্ণনাম: সাকিব আল হাসান। ডাকনাম : সাকিব, ফয়সাল,ময়না।

উচ্চতা: ৫ফুট ৯ইন্চি।

 

জাতীয় দলে অভিষেক:

টেস্ট অভিষেক: ১৮ই মে ২০০৭ বনাম ভারত।

শেষ টেস্ট খেলেছেন: ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৯ বনাম আফগানিস্তান।

 

ওডিআই অভিষেক: ৬ই আগস্ট ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে।

শেষ ওডিআই ম্যাচ খেলেছেন: ১০শে অক্টোবর ২০১৯ বনাম আফগানিস্তান।

 

T20 অভিষেক: ২৮শে নভেম্বর ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে।

T20 শেষ ম্যাচ খেলেছেন: ১৮ই অক্টোবর ২০১৯ বনাম আফগানিস্তান।

 

খেলোয়াড় জীবনে ব্যাটিং পরিসংখ্যান::

 

টেস্ট:ম্যাচ:৫৫ রান:৩৮০৭ ব্যাটিং গড়:৩৯.৬৫। ১০০/৫০: ‌৫/২৩ সর্বোচ্চ রান:২১৭।

ওডিআই: ম্যাচ: ২০৬ রান:৬,৩২৩ ব্যাটিং গড়:৩৭.৮৬ ১০০/৫০:৯/৪৭ সর্বোচ্চ রান:১৩৪*।

T20: ম্যাচ:৭২ রান:১,৪৭১ ব্যাটিং গড়: ২৩.৩৪ ১০০/৫০:০/৬ সর্বোচ্চ:৮৪।

 

খেলোয়াড় জীবনে বলিং পরিসংখ্যান::

 

টেস্ট: ম্যাচ: ৫৫ উইকেট: ২০৫ বোলিং গড়:৩১.৩৯ 5উইকেট: ১৮বার ১০উইকেট: ২বার সেরা বোলিং: ৭/৩৬।

ওডিআই: ম্যাচ: 206 উইকেট:২৬০ বোলিং গড়: ৩০.২১ 5উইকেট: ২বার সেরা বোলিং: ৫/২৯।

T20: ম্যাচ:৭২ উইকেট: ৮৮ বোলিং গড়: ২১.১৭ ৫উইকেট:১ বার সেরা বোলিং: ৫/২০।

সাকিব আল হাসান একজন যোদ্ধা। তিনি প্রতিবাদি। সাকিব দূরনিতির বিপক্ষে প্রতিবাদ করলে সে খারাপ।

সাকিব যদি খেলা না করে তাহলে তার চলবে। কিন্তু সে তো সেটা করে না, সে কিন্তু খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। তার একটাই আশা,২৩ বিশ্বকাপ টা যেনো ভালোভাবে পার করতে পারে।আর একটা জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।

গত বঙ্গবন্ধু টুর্নামেন্ট এ খারাপ খেলার জন্য সবাই সাকিব কে গালিগালাজ করছে। কিরন্তু শকুনের অভিশাপে তো গরু মরে না।

সাকিব দীর্ঘ ১বছর না খেলার জন্য খারাপ খেলছে।সে তো ভালো করার চেষ্টা করছে।ব্যাটে খারাপ খেললেও বলে ভালো করেছে। উইকেটে না পেলেও বোলিং ইকোনমি ভালো।

গত বিশ্বকাপে সাকিব যেটা করেছে , সেটি কারোর মনে নেই। সাকিব বিশ্বসেরা ১নং অলরাউন্ডার। আমরা তো শোভাগ্গো, মে কিনা আমাদের দেশে একজন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

সাকিব কে নিয়ে সবাই বাজে মন্তব্য করে। সাকিব প্রতিবাদ করে এজন্য কী সাকিব বেয়াদব। সাকিব মাঠে প্রতিবাদ করে এজন্য কী সাকিব বেয়াদব। আমরা মানুষ, এজন্য অন্যের ভালো দেখতে পারি না।

সাকিব আল হাসান রাজা,সে আবার ক্রিকেটে এ ফিরছে, তার রাজ্য দখল করার জন্য। সাকিব তুমি এগিয়ে যাও, আমরা তোমার পাশে ছিলাম,আছি আর থাকবো।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

Continue Reading

ক্রিকেট

বিগ ব্যাশ ২০২০-২১ এর কিছু চমকপ্রদ নিয়ম

Tamjid Nabil

Published

on

টি-২০ ক্রিকেট মানেই চার-ছক্কার খেলা। ক্রিকেটের এই জনপ্রিয় ফরমেট এ যেমন ব্যাটসম্যানরা সুবিধা পায়, তেমন ই বোলারদের জন্য এই ফরমেটটি খুব সুবিধার নয়। বল ও ব্যাট এর মাঝে সমতা আনার জন্যই বিগ ব্যাশ কমিটি কিছু নতুন নিয়মের সূচনা করেছে যাতে বোলার ও ব্যাটসম্যান উভয় ই সমান সুযোগ পায় নিজেকে মেলে ধরার। নিয়মগুলো ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য খুব ই চমকপ্রদ। চলুন দেখা যাক নিয়মগুলো কেমন। 

এক্স-ফ্যাকটরঃ ম্যাচ এ একটি দল ১২ তম ও ১৩ তম খেলোয়াড় বাছাই করতে পারবে এবং মূল একাদশের ১১ জন এর মধ্যে যেকোন একজনকে সেই ১২ বা ১৩ তম খেলোয়াড় দ্বারা পরিবর্তন করতে পারবে। ম্যাচ চলাকালীন ১০ ওভার এর পর এই নিয়মটি কার্যকর হবে। তবে, মূল একাদশের এমন একজন খেলোয়াড় কে পরিবর্তন করতে হবে যিনি এখনো ব্যাটিং করেন নি বা ১ টি মাত্র ওভার বল করেছেন। একজন এক্স-ফ্যাক্টর অবশ্যই ম্যাচ এর মোড় ঘুড়িয়ে দিতে পারে।

পাওয়ার সার্‌জঃ সাধারণত টি-২০ ম্যাচ এ পাওয়ার প্লে থাকে প্রথম ৬ ওভার অর্থাৎ ইনিংসের প্রথম ৬ ওভার বৃত্তের বাহিরে সর্বোচ্চ ২ জন ফিল্ডার রাখার নিয়ম আছে। বিগ ব্যাশ এবার নিয়মটি পরিবর্তন করেছে। তারা পাওয়ার প্লে কে ২ ভাগে বিভক্ত করেছে। ইনিংসের প্রথম ৪ ওভার পাওয়ার প্লে বিদ্যমান রেখে বাকি ২ ওভার ইনিংসের ১০ ওভার এর পর যেকোনো সময় ব্যাটিং দল তাদের ইচ্ছানুযায়ী ব্যবহার করতে পারবে। 

ব্যাশ বুস্টঃ ব্যাশ বুস্ট নিয়মটি হলো বোনাস পয়েন্ট এর একটি সুযোগ। কোন দল প্রথম ইনিংস এর প্রথম ১০ ওভার এ যে রান করেছে, বিপক্ষ দল যদি তাদের ১০ ওভারে এর চেয়ে বেশি রান করে তাহলে তারা ১ পয়েন্ট বোনাস পাবে ম্যাচ হারলেও। যদি তারা কম রান করে তাহলে বিপক্ষ দল ১ পয়েন্ট বোনাস পাবে। এছাড়াও আগে ম্যাচ জিতলে দেয়া হত ২ পয়েন্ট, এবার দেয়া হবে ৩ পয়েন্ট। তার সাথে ব্যাশ বুস্ট এর ১ পয়েন্ট প্রতিটি দল কে প্লে অফ এ কোয়ালিফাই করার একটি সুযোগ করে দিয়েছে বটে। 

এমন অনেক কিছুই আমরা আগে দেখিনি। টি-২০ ক্রিকেট আমাদেরকে নতুন কিছু বিষয়ের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিশ্বায়নের এই যুগে ক্রিকেট এ অনেক কিছু যোগ হয়েছে, বিয়োগ হয়েছে। তবে, সব ক্ষেত্রেই বোলারদের সুবিধার কথা খুব একটা ভাবা হয়না। টি-২০ বা টি-১০ এগুলো বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ। সেই চিন্তা থেকে ব্যাট বলের মাঝে সমতা আনার জন্যই বিগ ব্যাশের এই অভিনব নিয়মগুলোর অবতারণা। তাছাড়া, খেলাটাকে আরেকটু মনোমুগ্ধকর করার একটি প্রচেষ্টা নিয়েছে বিগ ব্যাশ কমিটি। 

কৌশলগত দিক বিবেচনা করলে, নিয়মগুলো প্রতিটি দল এর জন্য চিন্তার বিষয়। কারণ, কাকে এক্স ফ্যাক্টর হিসাবে নামানো হবে, তাকে নামালেও সে কাজে আসবে কিনা অথবা ম্যাচ এর কোন সময় পাওয়ার সার্‌জ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ সুবিধা নেয়া যাবে, এই বিষয়গুলো সঠিকভাবে নির্ণয় করে কাজে লাগানো চ্যালেঞ্জ এর। তবে, বলতেই হয় ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটি রোমাঞ্চকর অবশ্যই।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট