Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

ভালোবাসাতে হোক না দুষ্টামি !

Shahed Ahamed

Published

on

ভালোবাসা অদ্ভূত, একটা জিনিস কেউ বাসতে চায় কেউ বাসতে চায় না।কিন্তু যারা ভালবাসতে পছন্দ করে না দেখা যায় তারা একসময় মনের অজান্তেই কাউকে ভালোবেসে ফেলে। ভালোবাসার ভিতরে লুকিয়ে থাকে অনেক অনুভূতি। প্রথমে হয় ভালোলাগা আর এই ভাললাগা থেকেই আস্তে আস্তে হয়ে ওঠে ভালোবাসা। শুধু কি ভালোবাসাই যথেষ্ট এটা একদমই ভুল। শুধু ভালবাসলে হবেনা ভালোবাসার মানুষটির সাথে আপনার আচরণ হতে হবে একটু ভিন্ন যা সবার থেকে আলাদা। আপনি যে মানুষটাকে খুব বেশি ভালোবাসবেন তার সাথে আপনার কথাবার্তা চালচলন আচার-ব্যবহার অন্য সবার থেকে একটু ভিন্ন। কারণ ভালোবাসার মানুষটা অন্য সব মানুষের থেকে একটু স্পেশাল ব্যক্তি। ভালোবাসার মানুষের সাথে মিষ্টি আলাপ, দুষ্টু আলাপ এগুলো হতেই পারে এটা একটা একদম স্বাভাবিক বিষয়।।
সময় কাটানোর জন্য সবথেকে ঘনিষ্ঠ লোক হলো বন্ধু। কারণ বন্ধুর সাথে আপনি অনায়াসেই ঘণ্টাকে ঘন্টা সময় পার করে দিতে পারেন এতে আপনার কোন কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। বন্ধু থেকেও বেশি হলো ভালোবাসার মানুষ নিজের ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে কার হাতে হাত রেখে তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে বলতে আরো বেশি সময় পার হয়ে গেল আপনার কিছু মনে হবে না বা অসস্তিও লাগবেনা। ভালোবাসার মানুষই একমাত্র মানুষ তার সাথে কথা বলতে বলতে আপনার অস্বস্তি লাগলেও আপনি বলতে পারেন না যে আপনার ভালো লাগছে না। কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগছে অস্বস্তি লাগছে এমন কথা কখনোই আপনি ভালবাসার মানুষটার পাশে বসে কখনোই বলবেন না।
আসলে ভালোবাসার মানুষের পাশে বসে তার সাথে মিষ্টি আলাপ, খুনসুটি একটু একটু ঝগড়া করতেই ভালো লাগে। তার পাশে বসে শুধু প্রেমের আলাপ করলেই হবে না তার সাথে ছোটখাটো ঝগড়া তার, চোখে চোখ রেখে একটু মিষ্টি হাসি, দেওয়া তাকে একটু একটু রাগিয়ে তোলা এসব করলে প্রিয় মানুষটির যদিও একটু অস্বস্তি লাগে তবে তা সব থেকে এমনটা করলেই বেশি ভালো লাগে। কারণ একঘেয়েমি প্রেমের থেকে তার সাথে ছোট ছোট ঝগড়া,খুনসুটি করাই সবথেকে বেশি বেটার। তবে সম্পর্কের ভিতরে সব সময় হাসি ঠাট্টা তামাশা করা ঠিক নয় সব সময় এরকম হাসি তামাশা খুনসুটি করতে গেলে আপনি পড়তে পারেন মহাবিপদে। অর্থাৎ আপনার প্রিয় মানুষটা এসব যদি পছন্দ না লাগে সবসময় এটা তাহলে এটা থেকে বিরত থাকুন নাহলে আপনার প্রিয় মানুষটাকে হারাতে হবে।।
প্রিয় মানুষটাকে মাঝে মাঝে ছোট খাটো উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবেন মাঝে মাঝে তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন যেমন পার্কে, অথবা সুন্দর কোন মনোরম জায়গায়, তাহলে দেখবেন প্রিয় মানুষটার আপনার প্রতি আরও বেশি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং আপনার অনেক কাছের লোক হয়ে যাবে।। ভালোবাসার মানুষটা হয়ে উঠুক বন্ধুত্বের মত তাহলে দেখবেন আপনাদের সম্পর্কের ভিতরে কোন ফাঁক থাকবে না। সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে এবং মধুময় করতে মাঝে মাঝে প্রিয় মানুষটাকে একটি হঠাৎ করেই ফুল দিয়ে দিতে পারেন হাতে গুঁজে এবং তার সাথে সাথে আই লাভ ইউ শব্দটা বলাটাও কিন্তু একদম ভুললে চলবে না। প্রতিটা মানুষের তার প্রিয় মানুষ তার মনের মতো হলে সম্পর্কে কোনো বাধা থাকে না আর আজীবন ভালোবাসাও থাকবে অমর।।

Advertisement
3 Comments
Subscribe
Notify of
3 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Mojammal Haque

হুম

Md Golam Mostàfa

দুষ্টুমি ছাড়া ভালবাসা হয় নাকি?

Maria Hasin Mim

😀

লাইফস্টাইল

এইবার ফেল করলে, তোকে রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিব – দ্বিতীয় পর্ব।

Md Golam Mostàfa

Published

on

আল্পনা তার রিক্সাওয়ালা স্বামীকে একদম সহ্য করতে পারে না। রাতে কল্পনার ঘরে এসে থাকে আর সারারাত কাঁদে আর বিলাপ করে বলে –

“কল্পনা, এ আমার কি হয়ে গেল রে! আমার বয়ফ্রেন্ড ছিল সরকারি বড় কর্মকর্তা, আর আমার বিয়ে হলো কিনা একটা রিকশা‌ওয়ালার সাথে!! আমি এখন কি করবো রে!! হায়! আমার কপাল! আমার কি সর্বনাশ হয়ে গেল রে!!”

বড় বোনকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা কল্পনার জানা নেই। সামনে তারও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার রেজাল্ট। সে নিজেই খুব আতংকে দিন কাটাচ্ছে। কি জানি কি হয়। পাশ করতে পারে কি না তা আল্লাহ্‌ই ভাল জানে। আল্লাহ্‌ না করুন, যদি ফেল করে যায়, হয়তো তার বর হবে এক অটো‌ওয়ালা। তারপর দুই ভায়রা – ভাই প্রতিদিন সকালে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একজন অটো নিয়ে বের হবে একজন রিকশা নিয়ে! এদিকে তারা দুই বোন কখনো প্রাইভেট কার ছাড়া কোথাও যায় না। কি একটা বিশ্রী অবস্থা! দুঃশ্চিন্তায় শিউরে উঠে কল্পনা। আর সেই রাতে তার একটুও ঘুম হয় না। চিন্তায় চিন্তায় তার দু’চোখের নিচে কালি পড়ে যাচ্ছে।

এদিকে কল্পনার বিদেশ থাকা ফুপী খবর পেয়ে দেশে চলে আসেন। বাসায় এসেই সে কি চিল্লাচিল্লি! বড় ভাইকে বলছেন, “এইটা তুমি কি করলে? কেউ নিজের মেয়ের এত বড় ক্ষতি করে? তারচেয়ে বরং তুমি ওকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে, আমি কি মরে গিয়েছিলাম? হায়, হায়! আমরা এখন সমাজে মিখ দেখাবো কি করে? নিজের পায়ে নিজে এভাবে কেউ কুড়াল মারে?”

এসব বলতে বলতে মেয়ের জামাইর কাছে গিয়ে রাগী গলায় ফুফু বললেন, “you scoundrel! How dare you? I will see you!!”

জবাবে মেয়ে রিক্সাওয়ালা জামাই বললেন, “You can’t do that! because she is my legal wife. And whatever, I have not made any mistake actually!!”

কল্পনার ফুফুসহ পরিবারের সবাই জামাই এর কথা শুনে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে! “এ আসলে কে? এতো খুব ভাল ঘরের এবং শিক্ষিত ছেলে মনে হচ্ছে!” এদিকে জামাই বলতে থাকে,

ঃ “আমিও ভালো ঘরেরই সন্তান। আমার বাবারও সমাজে অনেক নাম ডাক আছে। তিনিও এক কথার মানুষ। আমি পড়াশুনায় ভালই ছিলাম কিন্তু অংকে খুবই দূর্বল ছিলাম। কি সব প্যাঁচালো সূত্র টুত্র এগুলো আমার মাথায় ঢুকতো না। আমি পর পর দুই বার ইন্টারমিডিয়েট ফেল করার পর, তৃতীয়বারের সময় বাবা সোজা বলে দিলেন –

ঃ “এবার ফেল করলে আর পড়া শোনা করার দরকার নাই। আর এই মেধা নিয়ে তো কোন চাকরি বাকরী জুটবে না। তাই একটা রিক্সা কিনে তোমাকে আলাদা করে দিব। নিজের রাস্তা নিজে দেখতে হবে এই আমার শেষ কথা”।

আমার কপাল খারাপ ছিল সেই বছরও ঐ অংকেই ফেল করলাম। আমার আব্বুও তার কথা রেখে আমাকে রিকশা কিনে দিলো! তারপরের কাহিনী তো আপনাদের সকলেরই জানা …… ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

এইবার ফেল করলে, তোকে রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিব – প্রথম পর্ব।

Md Golam Mostàfa

Published

on

“এবারই শেষ চান্স, এবার যদি ফেল করিস তাহলে তোকে কোনও রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিব”।

কোন মেয়ে যদি একাধিকবার এস, এস, সি কিংবা এইচ, এস, সি পরীক্ষায় ফেল করে স্বভাবতই তার বাবা রাগ করে এমন কথা বলে থাকেন। অপর দিকে ছেলেদের বাবারাও তো কম যান না! তারাও বার বার ফেল করা ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলে থাকেন, “এবার যদি ফেল করিস তাহলে তোর পড়া – লেখা বন্ধ। একটা রিক্সা কিনে দিব, নিজের রাস্তা নিজে দেখে নিবি”।

কিন্তু কথা হলো গিয়ে, কেউ কি শুনেছেন বাবা রেগে গিয়ে পরীক্ষায় ফেল করা মেয়েকে রিক্সাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন? কিংবা ছেলেকে রিক্সা কিনে দিয়ে আলাদা করে দিয়েছেন এমন ঘটনা ঘটেছে কোথাও? মনে হয় এমন কথা কেউ শুনেন নি বা দেখেন নি। কিন্তু আজ আমি আপনাদের এমনই একটি ঘটনার কথা বলতে যাচ্ছি। আসলে এটিকে ঘটনা না বলে কাহিনী বলাটাই শ্রেয়। কারন এটি রূপকথার কল্প – কাহিনীকেও হার মানাবে!

তো কথা না বাড়িয়ে চলুন ঢুকে যাই মূল কাহিনীতে –

কল্পনার আব্বু এক কথার মানুষ। তিনি তার কথা রেখেছেন। তিন তিনবার ইন্টারমিডিয়েট ফেল করার পর কল্পনার বড় বোন আল্পনাকে এক রিকশা‌ওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। তিনি যে তার কথা এভাবেই রক্ষা করবেন তা কল্পনা, আল্পনা তো দূরের কথা তাদের মা পর্যন্ত ভাবতে পারেন নি!! সে যাই হোক ঘটনা কিন্তু যা ঘটার ঘটে গেছে।

রিকশা‌ওয়ালা দুলাভাইকে নিয়ে কল্পনা তো মহা বিরক্ত। যখন তখন লোকজনের মধ্যে এসে কল্পনার সাথে শালী শালী বলে ঢং করে, যেটা তার কাছে খুবই বিরক্ত লাগে।

এদিকে কল্পনা একটু ভয়ও পেয়ে যায়। কি জানি তার বেলায়ও যদি এমনটি ঘটে! ভয়ে ভয়ে সে ভালোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যায়। কারন, সে ফেল করতে চায় না। সে কোন রিকশা‌ওয়ালাকে বিয়ে করতে আগ্রহী ন‌য়।

কল্পনার দুলাভাইয়ের পারিবারিক ইতিহাস বা অবস্থা তারা কেউই জানতো না। তার বাবা একদিন ঐ রিক্সাওয়ালার রিকশায় বাজার থেকে ফিরছিলেন। তখন উনি কল্পনার আব্বুর সব বাজার নিজে হাতে করে বাসায় পৌছে দিয়ে যান। যা দেখে কল্পনার আব্বু মুগ্ধ হয়েছেন। যার ফলস্বরূপ ওনার সাথে তার বোনের বিয়ে। কিন্তু ওনার ফ্যামিলির সাথে কল্পনাদের এখনো দেখাই হয়নি। দুলাভাই সারাদিন রিকশা চালিয়ে এসে বাসায় এসে ঘাম মুছতে মুছতে ডাকেন,”ও ব‌উ! কই গেলা? ও শালী! এক গ্লাস পানি দেও।”

মনের দুঃখে আল্পনা কয়েকবার আত্নহত্যা করতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রতিবার‌ই বাবার হাতে জোরসে থাপ্পড় খেয়ে রণে ভঙ্গ দিয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন পরের পর্বের জন্য ……

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ভণ্ড + আমি = ভণ্ডামি কত প্রকার ও কি কি?

Md Golam Mostàfa

Published

on

ভণ্ডামি /প্রতিশব্দ/ কপটতা; ভান; মিথ্যা জাহির; দাবি; জুয়াচুরি; ধর্মধ্বজিতা; ছুতা; কাপট্য;

/noun/ hypocrisy; pretense; false pretenses; pretension; imposture; charlatanism; dissembling; pharisaism; pretence; insincerity;

এই যে কতগুলো শব্দ বাংলায় ইংরেজিতে লিখে আপনাদের জ্ঞান দিতে চেষ্টা করছি, এটাও একধরনের ভণ্ডামির বহিঃ প্রকাশ। কারন, এগুলো তো আপনাদের জানা কথা তাই না? তারপরেও নিজের জ্ঞান গরিমা প্রকাশের একটু সুযোগ পেতেই তার সদব্যবহারে উঠে পড়ে লেগে গেলাম! আপনাদের দৃষ্টিতে এটাকে কি বলা যায়?

চেহারায় এমন একটা গোবেচারা ভাব, যেন ভাজা মাছটি উলটে খেতে পারি না। অথচ, সুযোগ পেলে শুধু ভাজা মাছ নয়, মাছের বাজারসহ উধাও করে দিতে পারি!

বেস্টফ্রেন্ডের কাছে যৌন আকর্ষনটা সব সময় গোপন করে সুবোধবালক হয়ে থাকি। অথচ নিষিদ্ধ পল্লীতে নিশিকন্যাদের ছোঁয়া না পেলে আমার রাতে স্বপ্নদো* হয়। এটাকে আপনি কি বলবেন? ভন্ডামি!!

সমাজের উঁচু মহলে ভদ্র, বিনয়ী, মার্জিত রুচি সম্পন্ন আমি। সেই আমি রিক্সায় চড়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পরে বৃদ্ধ রিক্সাওয়ালা ১০ টাকা বেশী দাবী করলে তার বাপ – দাদাসহ চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করতে একটুও পিছপা হই না!

রাস্তায় একজন ভিক্ষুক দুইটা টাকা চাইলেই; কেন ভিক্ষা করছিস? কাজ করে খেতে পারিস না? এমন জোয়ান তাজা শরীর নিয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করছিস, লজ্জা করে না? ইত্যাদি ইত্যাদি সদুপদেশ দাতা আমি। যখন আমার কোন ফাইল বড় কোন অফিসার (শিক্ষিত, মার্জিত, সুদর্শন ও অবশ্যই নাদুস নুদুস) দিনের পর দিন বিনা কারনে আটকে রাখে বা রাখতে চায়, তখন তাকে সুন্দরভাবে বিনয়ের সাথে বলি, “স্যার, চিন্তা করবেন না, আপনি আমার দিকটা দেখবেন, আমি আপনার দিকটা।“

যখন কোন দিন মজুর বা খেটে খাওয়া মানুষ আমার রেস্টুরেন্টে খাওয়া শেষে বিল পরিশোধের সময় পকেটে টাকা কম আছে বলে দুই চার টাকা কম দেয়ার বাহানা করে, তখন “বেটা! পকেটে টাকা নাই তো রেস্টুরেন্টে খেতে এসেছিস কেন?” বলা আমি। সেই আমি, এলাকার বড় ভাই, নামকরা লোক কিংবা বড় ব্যবসায়ী আমার রেস্টুরেন্টে মোরগ পোলাও, রোষ্ট, বিরিয়ানী, সফট ড্রিংক পান শেষে বিল দিতে গেলে, “স্যার, কি করেন কি করেন? এটা তো আপনারই প্রতিষ্ঠান। টাকা দিয়ে আমাকে পর করে দিবেন না স্যার!”

চুড়ান্ত ভন্ড আমি।

কয়েক বছর আগে, আমার এলাকায় সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহারের দাবীতে একটি সংগঠন তৈরী হয়। আর আমাকে করা হয় তার সভাপতি।

পায়জামা পাঞ্জাবী পড়ে, কাঁধে সাইড-ব্যাগ ঝুলিয়ে, এখানে ওখানে বাংলা ভাষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে, সভা-সমিতি, মিছিল মিটিং পরিচালনা করি। এলাকায় কেউ ইংরেজীতে কথা বলছেন, শুনলেই রে, রে, করে উঠি। তার ইংরেজির বঙ্গানুবাদ করে, তাকে বাংলায় সেটা বলতে বাধ্য করি। আন্দোলনের তীব্রতা এতটাই উচ্চতায় পৌঁছে যায় যে, ইংরেজি হঠাও, বাংলা বাঁচাও অভিযানের কার্য-সূচী হিসেবে, ইংরেজিতে লেখা সাইনবোর্ড আলকাতরা দিয়ে মুছে দিয়ে, বাংলাভাষায় সাইনবোর্ড বানাতে বাধ্য করি।

আর, আর … …

রোজ কাক ডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে, মেয়েকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বাসে উঠিয়ে দিয়ে আসি, আমি … !!!

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট