Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

আউটসোর্সিং

মাইক্রোওয়ার্কারস থেকে কিভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করবেন? প্রমান সহ দেখুন

Bipon Tech

Published

on

হ্যালো বন্ধুরা,  সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টিউটোরিয়াল।  

আজকে আমি যে বিষয়টি দেখাব সেটি অবশ্যই আপনারা টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন-

মাইক্রোওয়ার্কার্স ডটকম-  এই সাইট থেকে কি আদৌ ইনকাম করা যায়?

যারা অনলাইনে আগের থেকেই ঘাটাঘাটি করেন তারা অবশ্যই জানেন যে microworkers.com খুবই বিশ্বস্ত একটা সাইট অনলাইনে ফ্রীলান্সিং করার জন্য।

যারা নতুন অনলাইনে ফ্রীলান্সিং করার জন্য দৌড়াদৌড়ি করতেছেন কিছু একটা শিখবেন বলে-  আমার মনে হয় আজকের এই টিউটোরিয়ালটি আপনার জন্য বেস্ট যদি আপনি নতুন হন।

তো চলুন শুরু করা যাক:

প্রথমে আপনার ব্রাউজারের  বারে লিখুন microworkers.com ।

তারপর কম্পিউটার হলে এন্টার বাটন চাপুন আর মোবাইল হলে গো বাটনে চাপুন।  দেখবেন নিচের ছবির মত একটা স্ক্রিন আপনার সামনে এসছে।

তারপর ছবির উপরের ডান পাশে দেখুন রেজিস্টার নামে একটা লেখা রয়েছে।

রেজিস্টার বাটনে ক্লিক  করলে একটা ফর্ম আসবে, তারপর সেই ফরমটি ভালোভাবে সঠিক তথ্য দিয়ে পুরণ করুন।

এড্রেস বা ঠিকানা এবং নাম দেওয়ার সময়  আপনাকে অবশ্যই আপনার বর্তমান ঠিকানা দিয়ে ইউজ করতে হবে কারণ টাকা উইথড্রো দেওয়ার সময় আপনাকে একটা পিন নাম্বার পাঠাবে বর্তমান ঠিকানায়।

তাই খুব সাবধানতার সাথে ফরমটি পূরণ করে  ফেলুন।

Clearly পূরণ করা হয়ে গেলে নিচের থেকে সাবমিট করুন।

তারপর আপনার মেইলে একটি কনফার্মেশন মেসেজ চলে যাবে সেখান থেকে কনফার্মেশন লিংকটি ক্লিক করে ভেরিফাইড করে নিন।

তারপর লগইন করুন।

লগইন করার পরে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন।

ছবির নিচের দিকে একটু লক্ষ্য করে দেখুন জব লিস্ট গুলো দেখতে হবে।

এখানে খুব ছোট ছোট কাজ পাওয়া যায় এবং 23 মিনিটের ভিতরে সেই কাজগুলো শেষ করে আরো একটি নতুন কাজ করা যায়।

আর একটা কথা এখানে কোন freelancer.com এর মত কাজের বিড করতে হয় না এখানে আপনার সামনে যে কাজটা পড়বে সেটা যদি আপনি পারেন তাহলে করতে পারেন আপনাকে কোন প্রকার বিড করতে হবে না।

মাইক্রোওয়ার্কারস এডমিশন টেস্ট / Microworkers Admission Test

 এখানে খুব সহজ সহজ কাজ দেওয়া হয় যেগুলো আপনিও করতে পারবেন আর যদি করতে না পারেন তাহলে এই পোষ্টের নিচে কমেন্ট করুন আমি আপনাদের কে ভিডিও তৈরি করে দেখাবো আমার চ্যানেলে যদি চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে  রাখেন। 

আমার ইউটিউব চ্যানেল লিংক: https://www.youtube.com/c/bipontech

আমার ফেসবুক পেইজ লিংক: https://www.facebook.com/bipontech

অনলাইনে আয় এর গ্রুপ: https://www.facebook.com/groups/earnmoneyfrombangladesh

আউটসোর্সিং

বাচঁতে হলে জানতে হবে। অনলাইন আরনিং এর ভুল ধারণা আর নয়!

আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন।আশা করি স্রষ্ঠার কৃপায় সবাই ভালই আছেন।অনেকেই মনে করেন অনলাইন থেকে আর্ন করা যায় না বা আর্ন করা সম্ভব না। এটা একটা ভুল ধারণা।আমি ব্যক্তি গত ভাবে মনে করি এবং আমি নিজেও অনলাইন থেকে মাসে দশ থেকে পনেরো হাজার টাকা ইনকাম করি।কারণ অনলাইন থেকে আর্ন করা সম্ভব। আমি কিন্তু প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার নয়। তবুও দেখুন আমার আয় কিন্তু মোটামুটি খারাপ না।তবে অনলাইন থেকে আয় করতে সামান্য মেধা ও ধ্যর্য লাগে।মেধা না থাকলেও তেমন সমস্যা নাই।তবে ধর্য্য না থাকলে রিয়েল অনলাইন  আর্নিং আপনার জন্য নয়।আপনি এখন আসতে পারেন।আর যদি ধর্য্যশীল হন তাহলে আমি বলব আপনি এখান থেকে ভাল একটা কারেন্সি আর্ন করতে পারবেন।আপনি যদি অনলাইন জগতে নতুন হয়ে থাকেন বা এই ব্যপারে একেবারেই অনভিজ্ঞ হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য আয় করা একটু বেশি কঠিন হতে পারে।তবে সময়ে ব্যবধানে আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি পূর্ণ হয়ে যাবে।আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে, কি ভাবে বেশি বেশি আর্ন করা যায়। আপনি যদি কোন এপ্স বা সাইডে অর্থাৎ যে কোন আর্নিং প্লাটফর্মে কাজ করতে চান তহলে  প্রথমে ঐ প্লাটফর্ম এর রিভিউ ও রেটিং দেখ নিবেন।রিভিউ দেখলে মোটামুটি বুঝতে পারবেন সাইড বা এপ্সটি কতটা ট্রান্সটেড।আর যদি রিভিউ দেখে নেন তহলে আর পরে পস্তাতে হবে না।যদি এমন  কোন প্লাটফর্ম পান যেখানে ইনভেস্ট করতে হয়, তহলে ইনভেস্ট করার আগে সতর্ক হয়ে নিন।কারণ আমি দেখেছি এমন অনেক সাইড আছে যে গুলো টাকা নেয়ার পর মানে আপনি ইনভেস্ট করার পর সাইডটাকে আর খুজে পাবেন না। একেবারে যেন উধাও হয়ে যায়।আপনি যত সার্চ করুন বা খুজুন না কেন এই সাইডটা কে  আর পাবেন না।আমাদের দেশীয় সাইড গুলোতে আয় খুব কম।সারা দিন কাজ করলে পাঁচ থেকে  সাত টাকা আয় করতে পারবেন।আমি আপনাদের কাজ করতে নিষেধ করছি না! আপনারা অবশ্যই কজ করবেন।তবে খেয়াল রাখবেন যেন কাজের তুলনায় পারিশ্রমিক কম না হয়।বিদেশি সাইড গুলোতেও ভাল মন্দ দেখে শুনে কাজ করবেন।আমি আরো অনেক সাইডে কাজ করি। এবং সব গুলোই ট্রাসটেড সাইড। সামনে আপনাদের মাঝেও শেয়ার করব যাতে আপনারা লভবান হন। আপনাদের করো যদি অনলাইন বিষয়ক কোন সমস্য থাকে বা কিছু জানতে আগ্রহী হন তাহলে কমেন্টে জানাবেন।আমি যথাসাধ্য হেল্প করার চেষ্টা করব।পোস্টটি পড়ার জন্য আবার ও অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।মানুষ মাত্রই ভুল হওয়া সাভাবিক। আশা করি ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন

Continue Reading

আউটসোর্সিং

ব্লগিং করে আয় ও প্রফেশন তৈরি বিস্তারিত টিউটোরিয়াল ।পর্ব ১ঃ (ব্লগ সাইট তৈরি, পোস্ট সাবমিট ও কি করবেন)

Naimul Islam

Published

on

মানুষ বিচিত্র জীব। একেক মানুষের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা আছে।যেমনঃ কেউ হয়তো খেলাধুলা বেশি পারে, কেউ পড়াশোনা তে এগিয়ে, আবার কারো লেখালেখির প্রতিভা আছে। কেউ কবিতা লিখতে জানে, কেউ গল্প লিখতে জানে।যদি আপনার লেখালেখির প্রতিভা থাকে তাহলে আমি আপনাকে সুন্দর একটি পরামর্শ দিতে পারি। সেটি হলো আপনি আপনার লেখালেখি কে ব্লগিং এ রূপান্তর করুন আর কাজ করুন নিজ ব্লগ স্পটে।

এতে দুটি সুবিধাঃ

১) আপনি আপনার লেখাগুলো অনলাইনে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। যেমনটা ডায়েরীতে লিখে করেন।

২)ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনি তৈরি করতে পারেন নিজস্ব ইনকাম সোর্স। যেমনটা আপনি এড প্রদর্শনীর মাধ্যমে করতে পারবেন। যেমনঃGoogle Adsense, Adnow, RocketClick ইত্যাদি।

আজকের এই ব্লগে আমি পর্যায়ক্রমিক ডেসক্রিপশন দিব এই ব্লগিং করা নিয়ে।ব্লগিং ও আপনার প্রফেশন।অবশ্যই লেখাগুলোর সাথে থাকবেন। নিশ্চয়ই অনেক কিছু শিখতে পারবেন। যেমনঃ কিভাবে ব্লগিং করবেন,কিভাবে ব্লগ সাইট খুলবেন সবকিছু আমি ডিটেলস এ বলছি।

কিভাবে ব্লগ সাইট খুলবেনঃ

 আপনি যদি ব্লগিং করতে চান এবং ব্লগ সাইট খুলতে চান তাহলে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রি তে খুলতে পারবেন। গুগোল ব্লগার আপনাকে সেই সুযোগ করে দিচ্ছে। প্রথমত আপনার ব্রাউজারে যেতে হবে। ব্রাউজার এ গিয়ে Google blogger লিখে গুগোল এ সার্চ দিতে হবে। অথবা এই লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে সরাসরি চলে যান। সেখানে আপনি আপনার জিমেইল একাউন্ট সাইন ইন করতে পারেন।

 সাইন ইন করার পর আপনাকে নতুন একটি ব্লগ সাইট খুলতে বলবে। প্রথমত আপনাকে ব্লগারএ ব্লগের নামটি লিখতে বলবে। আপনি আপনার পছন্দের নামটি দিতে পারেন। তারপর আপনাকে আপনার ব্লগের         URL দিতে বলবে।যেমনঃhttps://earningtutorialbdt.blogspor.com।  সেখানে ব্লগের একটি URL এড্রেস দিতে পারেন। আপনি চাইলে আপনার ব্লগের নামের সাথে অ্যাডজাস্ট করে URL দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই যাতে URL টি এভেইলেবল থাকে সেটি দেখবেন। যদি এভেইলেবেল না থাকে তাহলে  আপনার ইউ আর এল গ্রহণযোগ্য হবে না। আর যদি অ্যাভেলেবল থাকে তাহলে নিচে লেখা থাকবে যে ইউ আর এল টি এভেইলেবেল।তখন আপনি সেই URL টি দিতে পারবেন। তারপর Create Blog অপশনটিতে ক্লিক করে আপনি আপনার নতুন ব্লগ খুলে ফেলুন।

ব্লগ খোলার পর কি করবেনঃ

ব্লগ খুলে ফেলার পর আপনি এই ব্লগে আপনার গল্পকবিতা, আপনার লেখালেখি দিতে পারেন। একটি সুন্দর ব্লগ সাইটে ফটোগ্রাফি, মুভি ডাউনলোড, ওয়েবসাইট রিভিউ, অনলাইন শপিং এ সব কিছু থাকে।ভালো ব্লগিং সেন্স কে কাজে লাগিয়ে আপনার ব্লগ সাইট কে সাজাতে পারেন। অথবা লেখালেখির মাধ্যমে নতুন নতুন কন্টেন্ট ব্লগে পাব্লিস করতে পারেন।

 বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ তবে মনে রাখবেন যখন আপনি ব্লগ লেখালেখি শুরু করবেন তখন SEO ব্যবস্থাপনাকে কাজে লাগিয়ে ব্লগিং করুন। 

কিভাবে পোস্ট সাবমিট করবেনঃ

প্রথমে আপনাকে ব্লগার ওয়েবসাইট অবশ্যই যেতে হবে। সেখানে আপনি আপনার জিমেইল সাইন ইন করে আপনার ব্লগে ঢুকবেন। আপনার ব্লগে ঢোকার পরে ব্লগে থাকা এরো বাটনে ক্লিক করে, Posts অপশনে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর আপনাকে নিচের চিত্রের মত একটি পেজ আসবে। সেখানে প্লাস বাটনে ক্লিক করলে পোস্ট তৈরি করার একটি অপশন বা ইন্টারফেস চলে আসবে।

বশ্যই পড়বেনঃ#ফ্রী মোবাইল রিচার্জ সাইট।রেজিষ্ট্রার করলেই ২০ টাকা ফ্রী রিচার্জ।Grathor

#ইমেইল পড়ে, এড দেখে আয় করুন হাজার হাজার টাকা।পেমেন্ট বিকাশে।গ্রাথর

তারপর আপনাকে পোষ্টের টাইটেল দিতে হবে।নিচের চিত্রে লাল দাগাঙ্কিত জায়গায় টাইটেলএবং পোষ্টের সম্পূর্ণ ডেস্ক্রিপশন দিতে হবে নীল দাগাঙ্কিত জায়গায়। তারপর একদম ডান পাশে থাকা এরো বাটনে ক্লিক করে পাবলিশ অপশনে ক্লিক করলে সাথে সাথে আপনার পোস্ট পাবলিশ হয়ে যাবে। পোস্ট পাবলিশ হয়ে গেলে আপনি সেখান থেকে দেখতে পারবেন আপনার পোস্টটি।

Google Blogger App:তাছাড়া আপনি চাইলে গুগোল ব্লগার ইন্সটল করতে পারেন।এপটি ইন্সটল করতে এখানে ক্লিক করেন।

 এই অ্যাপটি ইন্সটল করার সুবিধা হলঃ

১)আপনি অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করে পোস্ট পাবলিশ, এডিটিং সবকিছু করতে পারবেন।

২)যেকোনো পোস্টের লেভেল অ্যাড করতে পারবেন। 

৩)ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি করার দরকার পড়ে না।এপে ক্লিক করলেই চলে।

৪)কাজে গুগোল ব্লগার অ্যাপ্লিকেশনটি ইন্সটল করে সেখান থেকে যেভাবে বলেছে সেভাবে সহজেই কোন পরিশ্রম ছাড়াই ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি না করে আপনি আপনার পোস্টটি তৈরি করতে পারেন।

৫)যখন ভালো লাগে ঠিক তখনই পাবলিশ করতে পারবেন, চাইলে অনেক গুলো পোস্ট তৈরি করে একসাথে পাবলিশ করতে পারবেন।

৬)পোস্টে সরাসরি  গিয়ে ইমেজ অ্যাড করতে পারবেন। সেই অপশন সেখানে আছে।

যদি গল্প, কবিতা, নাটক  ছোট গল্প অথবা একজন ক্ষুদ্র সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে চান, বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত গুলোকে মানুষের মাঝে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে চান তাহলে আপনি ব্লগিং করা শুরু করতে পারেন। আপনার নিজস্ব ব্লগ থেকে আপনি নিজেকে তুলে ধরতে পারেন। অথবা যদি আপনার শখ হয়ে থাকে হয়ে থাকে তাহলে সেই ইচ্ছাকে পূরণ করতে পারবেন।এবং আপনার লেখা গুলোকে ব্লগিংয়ে রূপান্তর করে প্রফেশনাল ব্লগার হতে পারবেন।

ভালো লাগলে লাভ অপশনে ক্লিক করবেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি। ভালো থাকবেন।

চলবে…..

Continue Reading

আউটসোর্সিং

ইউটিউব থেকে ইনকাম এর সম্পূর্ণ গাইডলাইন পর্ব-০১

miraz raj

Published

on

হ্যালো বন্ধুরা আসসালামুআলাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন।বন্ধুরা আমি আপনাদের সামনে আজকে আমি একটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি যে আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন এবং খুব সহজে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন। বন্ধুরা বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম এবং জনপ্রিয় ইনকাম পদ্ধতি হলো ইউটিউব। ইউটিউব থেকে আপনি চাইলে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন অনায়াসে।বসে বসে একটি ভিডিও এডিটিং এবং ইউটিউবে আপলোড করার মাধ্যমে ইউটিউব থেকে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করা আসলেই একটি রাজকীয় বিষয়।

যারা ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চান তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি উপস্থাপন করা হলো। ইউটিউব থেকে ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য আপনার অবশ্যই একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে।যারা জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন না তারা ইউটিউবে সার্চ করে হাজার হাজার ভিডিও পাবেন একটি ভিডিও দেখে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলে নিবেন।

যখন একটি জিমেইল একাউন্ট খোলা হয়ে যাবে তখন সেই জিমেইল একাউন্ট ইউটিউব এ গিয়ে লগ ইন করার সাথে সাথে আপনার একাউন্টে ওপেন হয়ে যাবে এবং বিভিন্ন ধরনের সেটিংস তৈরি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এই ভিডিওটি ক্লিক করতে হবে।

সেটিংস গুলো ক্লিয়ার করার পর আপনি অবশ্যই একটি ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার জন্য জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আপনাকে অবশ্যই যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরি করতে হবে সে বিষয়টি অবশ্যই আপনাকে মনোযোগ সহকারে এবং গুরুত্বসহকারে আয়ত্ত করতে হবে।

আপনি যদি টেকনিক্যাল রিলেটেড কোন ভিডিও তৈরি করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে টেকনিক্যাল রিলেটেড বিভিন্ন ধরনের জ্ঞান অর্জন করতে হবে তারপর এখানে ভিডিও তৈরি করতে হবে।

এরপরে আপনাকে অবশ্যই সেই ভিডিওটি কে খুব সুন্দর ভাবে এডিট করতে হবে। আপনার বেটি ভিডিও যতটা এডিটিং ভালো হবে আপনার ভিডিওর গুণগতমান ততটাই ভালো হবে।

তাই ভিডিও এডিটিং এর উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। ভিডিও এডিট করার পর অবশ্যই আপনাকে ভিডিও আপলোড করার জন্য জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং কিভাবে আপলোড করতে হয় টাইটেল কিভাবে দিতে হয় শিরোনামঃ কিভাবে দিতে হয় ভিডিওতে কিভাবে তৈরি করতে হয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো থাম্বেল।

কিভাবে থাম্বেল তৈরি করতে হয় সেই বিষয়ে খুব ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং একটি মানসম্মত থাম্বেল তৈরি করে আপনার ইউটিউব ভিডিওর উপরে বসাতে হবে।

এরপরে যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলে 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং 1000 সাবস্ক্রাইব পূর্ণ হবে তখন ইউটিউব কর্তৃপক্ষ আপনার একাউন্ট থেকে মনিটাইজেশন এড করে দিবে এবং আপনার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।

তাই এখনই একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলে ইউটিউব একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন ।

YouTube settings a to z https://youtu.be/AqBOWC5RwpA

Gmail account open a to z video linkhttps://youtu.be/6GbEYF04iYE

Continue Reading