Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

দেশের খবর

রহস্যময় পিরামিড নিয়ে আলোচনা

Farhana liza Farhana liza

Published

on

জ্ঞান বিজ্ঞানের বদৌলতে এখন আমরা আধুনিক। কিন্তু প্রাচীন যুগের কিছু নিদর্শন আধুনিক বিজ্ঞানকেও ভাবিয়ে তোলে। যেমন সপ্তাশ্চর্য। বিশেষত: মিশরের পিরামিড।হা হাজার হাজার বছর আগেকার রহস্য ঘেরা জ্ঞান থেকে সৃষ্ট। আধুনিক যুগের আবিষ্কারগুলো প্রাচীন সভ্যতা সমূহের কাছে অকল্পনীয় হলেও প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সময়কালে নির্মিত বিশাল আয়তনের পিরামিডগুলো তখন কিভাবে নির্মাণ সম্ভব হয়েছিল আজকের মানুষকেও হতবাক করে তোলে। শুধু সমতল মরু প্রান্তর এ কোথা থেকে কিভাবে আনা হয়েছিল পিরামিডের ভারী পাথরের খণ্ডগুলো। আর কিভাবেই বা বিদ্যুৎ ও আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার ছাড়া পেটে পেটে অত উঁচুতে তুলে, স্তরে স্তরে সাজিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল তা আধুনিক সভ্যতার কাছেও বিস্ময়ের সৃষ্টি করে। সবচেয়ে বড় ‘সিজার পিরামিড’এর উচ্চতা ৪৮১ ফুট। কারো ধারণা মতে, এটা তৈরি করতে এক লাখ লোকের বিশ বছর সময় দরকার। পিরামিড তৈরিতে যে বিশাল বিশাল পাথর খন্ড ব্যবহৃত হয়েছে সাধারণত যার প্রতিস্থাপন আধুনিক প্রযুক্তি ছাড়া সম্ভব নয়। এসব তৈরি হয়েছে খ্রিস্টপূর্ব ২৬১৩-২৪৯৪সময়কালে।

মিশরের রাজধানী কায়রোর পশ্চিমে অবস্থিত শি অফসের পিরামিড সব দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। এই পিরামিড টা শত শত অদ্ভুত সিদ্ধান্তের জন্ম দিয়েছে।শি অফসের পিরামিড এর উচ্চতা ৪৯০ফুট।এই উচ্চতা কে১০০ কোটি দিয়ে গুণ করলে পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব পাওয়া যাবে-৯,৩০,০০,০০০ মাইল। পিরামিডটার মাঝখান দিয়ে একটা মধ্যরাতে কল্পনা করলে দেখা যাবে মহাদেশ এবং মহাসাগর গুলো সমান দুইভাগ হবে। পিরামিডকে মহাদেশ গুলোর ভারকেন্দ্র স্থাপিত করা হয়েছে।

২৬ লাখ পাথর দিয়ে তৈরি এই পিরামিড যদি পৃথিবীর মানুষ তৈরি করে থাকে তাহলে অবশ্যই অনেক মানুষ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই পিরামিড এর আশেপাশে মাটির উপরে বা মাটির নিচে তার কোনরকম চিহ্ন বা নিদর্শন পাওয়া যায়নি। সেখানে বর্তমানে কোটি কোটি বছর আগের ফসিল মাটির নিচে থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে। এরপরে অ্যাডমিরাল পিরি বইয়ের ওয়ার্ল্ড ম্যাপ টা অত্তাদিক রহস্যাবৃত, যেটি আধুনিক মানচিত্রকরদের বিষমিত করে, সে যুগে এরোপ্লেন আবিষ্কার হয়নি। ছিলনা কোন উন্নত যান। সেখানে কিভাবে ওরা করতে পারে উপর থেকে না দেখে এমন নির্ভুল ম্যাপ আঁকলেন তা সত্যিই আশ্চর্যের। তখনকার মানুষের কারিগরি ও প্রযুক্তি জ্ঞান যদি এতই উন্নত থাকতো এবং সে জ্ঞান ও প্রযুক্তি যদি আজকের আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে মিলানো যেত তাহলে আজকের বিজ্ঞান জগত আরো কত উন্নত হতো, তা বলা যায় না।

Advertisement
2 Comments
Subscribe
Notify of
2 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Md Golam Mostàfa

Its true and fact.

Md Jihan

মিশর

দেশের খবর

দেশের রেলরুটে একই দিনে চার চারটে এক্সিডেন্ট।

Sheikh Sahin

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম পাঠক পাঠিকাগণ।

আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন।আমার আজকের এই পোষ্ট এর টাইটেল দেখে হয়তোবা অনেকেই বুঝতে পেরেছেন যে আজ কী নিয়ে কথা হবে।

জ্বী হ্যা আজ কথা বলবো একই দিনে অর্থাৎ গত ১৯-০৯-২০২০ ইং তারিখে হঠাৎ করেই বেড়ে গেলো।কোথাও হচ্ছে মুখোমুখি সংঘর্ষ অথবা হচ্ছে ট্রেন লাইনচ্যুত।

 

প্রথমে পাহাড়তলী হতে ঢাকাগামী সোনারবাংলা এক্সপ্রেস এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে।যার ফলে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে ঢাকা-পাহাড়তলী রুটের রেলচলাচল। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।তাছাড়াও ক্ষতি হয় ট্রেনটির লোকোমোটিভ টির।

 

আবার সেইদিন সকালেই বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি- মোচাক সেকশনে মালবাহী ওয়াগন ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে ডিরেইল হয়ে পড়ে।যার ফলে পশ্চিমাঞ্চলের সাথে সকল ধরণের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে।

 

আবার সেইদিন বিকেল বেলাতেই হিরণপুর মহুয়া কমিউটার এর সাথে হ্যাম্ভ ট্রলির সংঘর্ষে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়।এতে কোনোরূপ হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি তবে ট্রেন ও ট্রলিটির ক্ষতি হয়েছে অনেক।

 

আবার সেইদিন বিকেল বেলাতেই ফুলবাড়ি- বিরামপুর সেকশন এ পঞ্চগড় এক্সপ্রেস এর তিনটি কোচ লাইনচ্যুত হয়ে ডিরেইল হয়ে পুরো ট্রেন লাইন ট্র্যাক বন্ধ হয়ে পড়ে।ট্রেনের লাইন ট্র্যাক এ লোহার পাত ব্যাবহার না করে  বাশ দিয়ে দাড় করিয়ে রাখার ফলেই এই দুর্ঘটনাটি সংগঠিত হয়।

 

এখন অনেকের কাছেই প্রশ্ন থাকে যে ট্রেইন কেনই বা লাইনচ্যুত হয়??

এর কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে রেলট্র্যাক এর অবস্থা অত্যন্ত দূর্বল ও নাজুক হওা বা বগী/চাকার স্প্রিং ও সাসপেনশন দূর্বল থাকা্‌শিডিউল অনুযায়ী চেকিং না করা সহ ইত্যাদি কিছু।

 

যদিও এসকল ট্রেন দূর্ঘটনায় কোনোরূপ হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি তবে ক্ষতি হয়েছে ট্রেনের।এসকলের প্রতি যদি রেল মন্ত্রনালয় সতর্ক না হয় তাহলে অতি শীঘ্রহই বড় কোনো দূর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে বাংলাদেশ রেলরুটের ট্রেনগুলো।

আশা করা যায় এ বিষয়টি নিয়ে রেল মন্ত্রনালয় যথেষ্টভাবে অবগত রয়েছে।

 

তো আজ এই পর্যন্তই ছিলো দেশের রেল রুট সংক্রান্ত কিছু তথ্যাবলি।আশা করি যে আপনার কাছে ভালো লেগেছে আমার লেখা এই পোষ্ট টি ভালো লেগেছে।ভালো লাগলে আমার সাথেই থাকবেন।।

 

 

ধন্যবাদ।।

Continue Reading

দেশের খবর

মা ছেলের ক্রিকেট খেলার ছবি ভাইরাল;কি বললেন মা ঝর্না আক্তার

Sadia Binte Aslam

Published

on

সম্প্রতি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে যার মধ্যে দেখা যায় একজন নারী এবং এক কিশোরের ক্রিকেট খেলার কিছু মুহূর্ত।রাজধানীর পল্টন এলাকায় ছেলের সাথে মায়ের ক্রিকেট খেলার এই দৃশ্য ব্যাপক ভাইরাল হয়।ছবিতে দেখা যায়,মা-ছেলের ক্রিকেটের এক পর্যায়ে মাকে আউট করতে পেরে ছেলে আনন্দে আত্মহারা।কিন্তু মা-ছেলের  সেই আনন্দদায়ক মুহূর্ত ছাপিয়ে মুখ্য হয়ে উঠে মায়ের পোশাক নিয়ে সমালোচনা।উল্লেখ্য, এইসব ছবিতে মায়ের পরনে ছিল একজাতীয় বোরকা(“খিমার”)।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।এক পক্ষ ওই নারীর বোরকা পরিহিত হওয়ার কারণে সমালোচনা করে বলছেন,ওই নারীকে কোনভাবেই একজন বাংলাদেশি মায়ের প্রতিচ্ছবি বলা যায়না।সমাজ পরিবর্তনের জন্য ক্রিকেট খেলতে নামলে তিনি কখনোই বোরকা পরতেন না।তাকে দেখে আফগানী কিংবা পাকিস্তানি মায়ের মত মনে হচ্ছে বলে সমালোচনা করেন তারা।

আবার অনেকে এই মায়ের প্রতি সাধুবাদ জানিয়েছেন এই বলে যে,ভদ্রমহিলাটির পোশাক মুখ্য নয়।সন্তানকে আনন্দ দিতে এক মায়ের ব্যাট হাতে নামা একজন প্রফেশনালকে ও হার মানায়।পোশাক যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করেন তারা।তাদের মতে,বাঙালিদের ক্রীড়াপ্রেম এই ছবির মাধ্যমে প্রমানিত হয়।পর্দা করা মানেই রক্ষণশীলতা,প্রতিবন্ধকতার বেড়াজালে নিজেকে বন্দী করা নয়,এই ছবি তাই প্রমান করে বলে জানান তারা।

অনেক ব্যাবহারকারী সামাজিক মাধ্যমে এইসব সমালোচনাকারীদের নারীর পোশাক বিবেচনা না করে মা-ছেলের স্বতঃস্ফূর্ত ও সাবলীল ভালবাসা দেখার আহ্বান জানান।বিষয়টিকে তির্যক মন্তব্যের মাধ্যমে বিকৃত না করে সহজভাবে নেয়ার কথা বলেন তারা।

 

জানা গেছে,ছবির মহিলাটির নাম ঝর্না আক্তার এবং সাথে কিশোরটি তার ছেলে।ছেলের নাম ইয়ামিন।সন্তানের আবদার রাখতে তিনি প্রায় সময়ই ব্যাট হাতে নেমে পরেন।তিনি জানান তাদের বাসার নিচেও ক্রিকেট খেলায় মেতে ওঠেন মা-ছেলে।যেমনটা হয়েছিল সেদিন পল্টন ময়দানে।

গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,ছবি ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় তিনি মোটেও ক্ষুব্ধ নন।বরং এতে তিনি খুশি হয়েছেন।তিনি একসময় এথলেট ছিলেন এবং তার স্বপ্ন ছেলে ও খেলাধুলায় একদিন অনেক এগিয়ে যাবে।তিনি জানান তার ভাই একজন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় ছিলেন।

 

পোশাক নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষিতে ঝর্না আক্তার বলেন,যারা সমালোচনা করছেন তারা ভুল করছেন।তারা মুল বিষয়টি বুঝতেই পারেননি।কিন্তু এতে তার কোন সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।মা হয়ে সন্তানের আবদার রাখতে বোরকা পরে ক্রিকেট খেলাতে তিনি কোন দোষ দেখেন না।সন্তানের আনন্দের জন্য মায়েরা যেকোনো কাজ করতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।ছেলের মন রক্ষার্থে পর্দা করে মাঠে নামতেও কোন ভ্রূক্ষেপ নেই এই মায়ের।

Continue Reading

দেশের খবর

বাংলাদেশের লোকশিল্প আমাদের ঐতিহ্য

Farhana liza Farhana liza

Published

on

বন্ধুরা তোমরা কেমন আছো? আশা করি সবাই ভাল আছো। আমি আজকে তোমাদের কাছে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। তোমরা হয়তো জানো আমাদের দেশের লোকশিল্পের কথা। এই লোকশিল্প কে আমরা অনেকে অবহেলা করি। আসলে এটি আমাদের দেশের ঐতিহ্য। তাই এই ঐতিহ্যকে আমাদের ধরে রাখা দরকার।

এটি আমাদের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় এর উপাদান। লোকশিল্প বলতে আমরা বুঝি কুটির শিল্প সামগ্রী কে। বহুদিন যাবৎ বাংলার মানুষ নিজেদের কুটির বা ঘরে বসে প্রচলিত উপকরণ নিয়ে প্রয়োজনীয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র তৈরি করেও আসছে।প্রয়োজনীয় উপকরণ ছাড়াও তারা বিভিন্ন শখের জিনিস তৈরি করে থাকে। এগুলোর মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের রুচি, সৌন্দর্যবোধ ও শিল্পচেতনা প্রকাশিত হয়। তাই কুটির শিল্পকে লোকশিল্প বলা হয়।

এসময় এদেশের লোকশিল্পের সামগ্রী দেশে-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছিল। বিশেষ করে মসলিন নামক অতি সূক্ষ্ম কাপড়ের কদর ছিল মোগল সম্রাটের আমলে। নানা কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন লোকশিল্প এর শিল্পের বিকাশ ঘটে।

ঢাকার জামদানি ,টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের তাঁত শাড়ি খুবই বিখ্যাত। কুমিল্লার খাদি ছাড়া ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের উপজাতীয়দের হাতে বোনা কাপড় অন্যতম আকর্ষণ। উত্তরবঙ্গের মেয়েদের তৈরি নকশিখাতা, সিলেটের শীতলপাটির ও খুলনার মাদুর এখনও সবার পছন্দ। বাঁশ ও বেতের নানা সামগ্রী দেশের প্রতিটি ঘরে প্রয়োজন। কাঁসা ও মৃৎশিল্পের প্রচলন বহুকাল আগে থেকে।

আজকাল নাগরিক মানুষেরাও লোকশিল্পের বিভিন্ন উপকরণের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। লোকশিল্প যাতে হারিয়ে না যায় সেজন্য সবার আন্তরিক প্রয়াস একান্তভাবে কাম্য।

সবাই কে অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি আমার আজকের আলোচনা। আশা করি তোমাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লাগে থাকে তাহলে আমাকে অবশ্যই সাপোর্ট করবে। অবশ্যই লাইক কমেন্ট দিবে সবাই।

ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই মাক্স পড়ে যাবেন।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট