Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার ৭টি উপায়

abdullah al minhaj

Published

on

আমাদের আশেপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ধরনের  রোগ জীবানু।   এসব রোগজীবাণু থেকে বাচার জন্য আমাদেরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা    বৃদ্ধি করতে হবে।কিছু নিয়মের মাধ্যমে আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারি।সেরকমেই রোগ প্রতিরোধ ৭টি টিপস নিয়ে আলোচনা করব-

১.খাদ্যভ্যাস

সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমানে শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। ফলের রসে পরিবর্তে গোটা ফল চিবিয়ে খেলে ভালো হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে, দিনে 8 থেকে 10 গ্লাস। ফাস্টফুড, তেল -চর্বি ইত্যাদি জাঙ্ক জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।

২/ ভিটামিনস ও মিনারেল 



ভিটামিন ও মিনারেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন সি এর প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে টক জাতীয় ফল। যেমন – লেবু, কমলা, মাল্টা ইত্যাদি ।এ ছাড়াও বাজারে ট্যাবলেট আকারের বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন সি ট্যাবলেট পাওয়া যায়। তবে  প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া ভিটামিন সি এর কার্যকারিতা বেশি।

ভিটামিন ডি এর প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে সূর্য রশ্মি। সকাল 10 টা থেকে বিকাল 4 টা পর্যন্ত শরীরের কিছু অংশ করে যেমন মুখমন্ডলে সূর্য তাপ লাগাতে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ  খাবার আছে যেমন, ডিমের কুসুম, মাছের তেল, গরুর কলিজা ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি রয়েছে।

জিংক- সর্দি কাশি নিরাময়ে জিংক এর বেশ উপকারিতা রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার আছে সেগুলো খেয়ে আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারি।

               ৩/শরীরচর্চা 

শরীরকে সুস্থ রাখতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শরীরচর্চা র বিকল্প নেই। প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রতিদিন 30 মিনিট শরীরচর্চা করা এবং বাচ্চাদের একঘন্টা শরীরচর্চা করা উচিত। ঘরে থেকেও আমরা বিভিন্ন ধরনের শরীরচর্চা করতে পারি। যেমন-হাটাহাটি,ইয়োগা,সিড়ি দিয়ে ওঠা নামা ইত্যাদি।

        ৪/ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখতে অটুট রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ভূমিকা অপরিহার্য। খাবার পরিমিত খেতে হবে এবংমাসে একবার ওজন মাপতে হবে।

            ৫/পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমানো

ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। প্রতিদিন 8 ঘন্টা ঘুমানো উচিত। পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম আমাদেরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

৬/পরিস্কারর পরিচ্ছন্ন থাকা

পরিচ্ছন্নতা আশেপাশের আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা খুবই জরুরি। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমক  রোগ মুক্ত থাকা যায় নির্দিষ্ট সময় পর পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, প্রতিদিন গোসল করা, ব্যবহার্য জিনিসপত্র জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা। বাসাবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা দরজার হাতল, লিফটের বাটন জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার রাখা।

৭/মানসিক চাপ মুক্ত থাকা

অতিরিক্ত মানসিক চাপে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে, নতুন কিছু শিখতে মনোনিবেশ করতে হবে। মেডিটেশন একটি ভালো উপায় মনকে শান্ত রাখার।

★ধুমপান পরিহারর করতে হবে।ধূমপান সরাসরি শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করে তাই ধুমপান বাদ দিতে হবে এছাড়াও ক্যান্সারহতে পারে।

স্বাস্থ্য

চিরতরে ব্রণ মুছে ফেলার সেরা কয়েকটি উপায়। ব্রণ সমস্যার ১০০% সমাধান

Shuvo Bhattacharjee

Published

on

আসসালামুআলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক/পাঠিকগণ। আসা করি সবাই অনেক ভালোই আছেন। বরাবরের মতই আরো একটি নতুন আর্টিকেল নিয়ে চলে আসলাম আপনাদের মাঝে। চিরতরে ব্রণ মুছে ফেলার সেরা কয়েকটি উপায়। ব্রণ সমস্যার ১০০% সমাধান –

আপনি যত সুন্দর হোন না কেনো ব্রণের জন্য আপনার সুন্দর্যের মূল্য কিন্তু নেই। আর তাই ব্রণ এমন একটি সমস্যা যেটি আমাদের অনেক ভাবে ভোগাতে পারে। এই ব্রণের সমস্যা অল্প থেকে অনেক বেশিতে রূপ নেয়। যেটি পরবর্তীতে বড় কোনো সমস্যা রূপে আমাদের সামনে দেখা দিয়ে থাকে। ব্রন অনেক কারণে আমাদের ত্বকে দেখা দিয়ে থাকে।

গত একটি আর্টিকেলে আমি আপনাদের বলেছিলাম যে ব্রণ সাধারণত কেনো হয় আর এটির জন্য কি করতে পারেন। কিন্তু আজকের আর্টিকেলে আপনাদের বলবো ব্রণ হওয়ার আরো প্রধান কয়েকটি কারণ এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে।আর তাই আজকের আর্টিকেলটি যাদের মুখে ব্রণ আছে তাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন।

ব্রণ হওয়ার প্রধান কয়েকটি কারণ এবং প্রতিকার

১.মুখে থাকা তৈলাক্ত পদার্থ: ব্রণ কয়েকটি প্রধান কারণের মধ্যে এটি একটি।আমাদের মুখ তৈলাক্ত থাকার কারণে আমাদের মুখে অতিরিক্ত ব্রণ হয়।এখন কথা হলো আমাদের মুখ কেনো তৈলাক্ত হয়?



মুখ তৈলাক্ত হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে থাকে আপনার শরীরের ভিতরের ময়লা আবর্জনা সঠিকভাবে বের হতে না পারা এবং লোমের ঘর মুছে যাওয়া।আমাদের শরীরের যে ছোট ছোট অংশ গুলো দিয়ে আমাদের ঘাম বের হয় সেগুলো যদি মুছে গিয়ে থাকে তাহলে আমাদের শরীরের ময়লা গুলো বের হতে পারে না।

আর যার কারণে সে ময়লা গুলো আমাদের মাথায় তৈলাক্ত হয়ে বের হয়।আর এজন্য তৈলাক্ত মুখে ব্রন বেশি হয়।এর থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই আপনাকে সবসময় মুখ ধুতে হবে।প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমানোর আগে বরফ মুখে দিয়ে রাখতে হবে।আর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

এর জন্য ফ্রেশ ওয়াশ ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই।ভালো ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নেবেন।

২. খাবার খাওয়াতে ভুল: যদি আপনার বয়স ১২ থেকে ২০ এর মধ্যে হয়ে থাকে এইক্ষেত্রে আপনার মুখে ব্রণ অবশ্যই থাকতে পারে যদি আপনার মুখ তৈলাক্ত হয়।এই বয়সকালে ব্রণ হওয়ার সম্ভবনা ৮০%।

হরমোনজনিত কারণে ব্রণ এই বয়সের লোকেদের মুখে দেখা দেই।আর তাই খাবার খাওয়াতে আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

যেমন: কম মসলাযুক্ত খাবার,আর বাহিরের খাবার খাওয়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। ময়দা অথবা তেল যুক্ত খাবার কোনো ভাবেই খাবেন না।

পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ফলমূল এবং শাকসবজি খাবেন।এতে আপনার ব্রণের পাশাপাশি শরীরে অনেক বেনিফিট পাবেন।

৩.পানি খাওয়া: পানি সঠিক নিয়মে না খাওয়াই কারণে আমাদের ব্রণ হয়।আর পানি কম খাওয়ার কারণেও আমাদের ব্রণ হয়।

এক্ষেত্রে প্রতিদিন ২-৩ লিটার জল অবশ্যই পান করুন। এতে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি আপনার ব্রণ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

৪.বালিশের ময়লা আবর্জনা: আমরা যে বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমায়, এটিতে আমাদের মাথার ময়লা ,তেল সব লেগে যায়।

ঘুমানোর সময় এই ময়লার সাথে আমাদের মুখ লেগে যায়।এটি ব্রণ হওয়ার অনেক বড় একটি কারণ। অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় নিয়ে ততটা ভাবে না কারন তারা কখনো এভাবে ভাবেনি।

তাই সপ্তাহে অন্তত ২বার আপনার বালিশের কভার টি ধুবেন।আর সবসময় পরিষ্কার গামছা কিংবা কাপড় দিয়ে মুখ মুছবেন।

৫. হাত দিয়ে ব্রণ ফাটানো:হাত দিয়ে ব্রণ ফাটানো আমাদের নিয়মিত ভুল।এটির কারণে আরো বেশি ব্রণ আমাদের মুখে দেখা দেয়। টিসু ব্যবহার করবেন আপনার ব্রণ থেকে রক্ত কিংবা কোনো জল বের হলে।নিজ থেকে ব্রণ ফাটাবেন না।নিজের হাত কোনোভাবেই মুখে দেবেন না।

এছাড়াও নিয়মিত শরীরচর্চা করুন, আর মুসলিম হয়ে থাকলে নিয়মিত নামাজ পড়ুন সবসময় মনকে পবিত্র রাখুন।এই বিষয়গুলো মেনে চললে চিরতরে আপনি ব্রণ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

আমাদের চলাফেরার ভুলের কারণে ব্রণের সমস্যা আমাদের অনেক ক্ষতি করে ।আসা করি আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।ধন্যবাদ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

MRI এর উপযোগীতা ও অসুবিধা।

Abdus Salam

Published

on

#MRI  এর উপযোগীতা ও অসুবিধা [Utility And disadvantage of MRI]:

MRI  বা ম্যাগনেটিক  রেজোন্যান্স  ইমেজিং [Magnetic Resonance Imaging] হলো চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে একটি অত্যধুনিক বিশেষ কার্যকর পরীক্ষা পদ্ধতি । এই পদ্ধতিতে  এম আর আই মেশিনে শক্তিশালী  চৌম্বক ক্ষেত্র ( magnetic field ) ও রেডিও-তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শক্তির প্রভাবে এ মেশিনে  থাকা মানব দেহের অসুস্থ  কোষে  NMR পরমানু সৃষ্টিকারি পরমানুযুক্ত  পানির ঘনোমাত্রার বিভিন্নতার ওপর নির্ভর করে  পরীক্ষাধিন দেহেংশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন তন্ত্র বা (organ)-এর ত্রিমাত্রিক  (3D) ডিজিটাল ছবি  বের হয়ে আসে। এই ত্রিমাত্রিক ছবিকেই MRI বলে।

একটি Neuclear Magnetic Resonance Imaging (MRI) পর্যবেক্ষণ  যন্ত্রে একজন রোগীকে একটি বৃহত ও শক্তিশালী চুম্বক দারা সৃস্ট চুম্বক ক্ষেত্রে রাখা হই, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ পরমানু নিউক্লিয়াস  সমুহের চৌম্বক আবেশকে সারিবদ্ধ করে এবং একটি বেতার তরঙ্গীয় চৌম্বক-ক্ষেত্রের সাহায্যে এ চৌম্বক আবেশকে পালাক্রমে আবর্তিত করা হয়। ফলে নিউক্লিয়াস সমূহ একটি আবর্তিত চৌম্বক ক্ষেত্রের তথ্য পর্যবেক্ষণ যন্তের সাহায্যে ধারন করে দেহের পর্যবেক্ষণক্রিত স্থানের চিত্ররূপে প্রকাশ করা হয়।

 MRI

MRI Machine

উপযোগিতাঃ

  • ক্যান্সার আক্রান্ত  শরীর যেকোনো  অঙ্গ যেমন – মূত্রথলি, যকৃত,  বৃক্ক, হৃদপিন্ড, হাড় প্রভৃতি শনাক্ত করতে MRI বিশেষভাবে সাহায্য  করে।
  •   MRI এর সহায়তায় কেন্দ্রীয়  স্নায়ুর সাদা ও ধুসর বস্তুর পার্থক্য শনাক্ত করা যায় বলে স্পাইনাল কডে অনেক রোগ এ পদ্ধতির সাহায্যে নির্নয় করা হয়।
  •  MRI এর সাহায্যে ধমনি ও শিরায় রক্ত প্রবাহের ধরন সম্পর্কে ধারণা  লাভ করা যায়।
  • MRI দেহ ও কোষের কঠিন এবং তরল অংশগুলো সুন্দরভাবে পৃথক করতে পারে।
  • এ পদ্ধতিতে  কোনো ধরনের  তেজস্ক্রিয় রশ্মির ব্যাবহার নেই বলে শরীর এর কোনো কলার ক্ষতির সম্ভাবনা থাকেনা।
  • দেহের প্রতিচ্ছবি  ধারণ এর জন্য X-Ray অপেক্ষা  MRI অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
  • MRI  কঠিন, নরম ও তরল অংশ সমুহ ভালোভাবেই শনাক্ত করতে পারে।
  • শরীরের যেকেনো অংশের অসুস্থ  ও আক্রান্ত কলার (tissue) পরিবর্তন এই পদ্ধতিতে  শনাক্ত করা যায়।
  • বিভিন্ন শারীর ভিত্তিক অবস্থায় দেহ কলার পরিবর্তনকে অতিসহজেই এর মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়।
  • এই পদ্ধতিতে শরীরের কোনো ক্ষতি হয না।
  • এটি একটি স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি।

তবে  MRI এর বেশ কিছু  অসুবিধাও রয়েছে:



  • রোগীর দেহে পেশ্মেকার সংযুক্ত  থাকলে এ পদ্ধতির সাহায্যে  রোগ  নির্ণয়ের  ক্ষেত্রে  অসুবিধার  সৃষ্টি  হয়।  কারণ  MRI চুম্বক ধর্মের উপর নির্ভরশীল।
  • রোগীর শরীরে হাড় বা অন্য কোনো অঙ্গে  কোনো ধরনের  ধাতব বস্তুর সংযোগ করা হলে  MRI প্রতিচ্ছবিকে প্রভাবিত  করে।
  • এটি একটি  অত্যন্ত  ব্যয়বহুল পদ্ধতি।
  • একজন ব্যক্তি ৩_৪ বার এর বেশি এই পদ্ধতি  অবলম্বন করতে পারবেন না। কারণ এই পদ্ধতি  পুরোটিই Magnetic Resonance এর সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় অনেকবার চৌম্বক ক্ষেত্রে আসলে ব্যক্তির হাড় অনেকটা লুজ হয়ে যাবে।  তাই সামান্য আঘাতেই শরীরের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভআবনা বেড়ে যায়।  বলতে পারেন আপনি জীবনে মাত্র এক অথবা দুই বার এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। 

বিঃদ্রঃ মনে রাখবেন মানব দেহের প্রতিচ্ছবি ধারণ এর  জন্য   X-ray অপেক্ষা   MRI অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য। কারণ  X-ray ব্যবহার  এর  ফলে শরীরের সজীব কোষ কলার ধংশ হয় এবং ক্যান্সার সৃষ্টির ক্ষেত্রে  সহায়ক ভূমিকা পালন করে  কিন্তু MRI শ্বস্থ্যসম্মত।  

ধন্যবাদ। 

Continue Reading

স্বাস্থ্য

প্রতিদিন সকালে বাসি মুখে পানি পান করলে কি ঘটবে আপনার শরীরে ম্যাজিক দেখুন।

Shuvo Bhattacharjee

Published

on

আসসালামুআলাইকুম ,আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। পানিকে আমাদের জীবনের অপর নাম বলা হয়। কারণ হলো এই পানি আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ বা ভালো থাকার সাথে জড়িত।

কিন্তু আপনি কি জানেন আমরা সকলে ঘুম থেকে উঠে যেটা খাই সেটার উপর নির্ভর করে আমরা কতটা সুস্থ্য থাকবো। এখন কেউ সকালে উঠে চা পান করে আবার কেউ অন্যান্য খাবার।কিন্তু এই চা পান করার ফলে আমাদের শরীরের মারাত্বক রোগ হতে পারে। সেটা হয়তো আপনি এখন বুঝতে পারছেন না কিন্তু পরবর্তীতে আপনার অনেক সমস্যা হবে।

আমরা যে ডায়াবেটিস এর সমস্যায় ভুগি সেটা হয়তো মিষ্টির কারণে হয় আমরা সকলেই এমনটা জানি।কিন্তু শুধু মিষ্টির জন্য এমনটা হয় এইটা ভাবলে ভুল।আমাদের পানি নিয়ম না মেনে খাওয়া, খাওয়া দাওয়ার সঠিক নিয়ম না মেনে খাওয়া, বাজে জীবনধারার কারণে ডায়াবেটিস সহ নানান ধরনের রোগ হয়।

কিংবা অন্যদিকে ওজন বেড়ে যাওয়া হটাৎ করে, অনেকে মনে করে এটি শুধুমাত্র বেশি বেশি খাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। কিন্তু সেটি একদমই ভুল। ঠান্ডা পানি খাওয়া, কিংবা কলেজের নিয়ম না মেনে পানি খাওয়া এসবের জন্য বড় কারন।



আর তাই আজকের এপিসোডে আমরা জানবো বাসি মুখে জল পান করলে কি হয়? আর না করলেই বা কি হয়?

আপনি হয়তো বলতে পারেন ,পানি আমরা ছোটবেলা থেকেই পান করে আসছি। এখানে নতুন করে শিখানোর কি আছে।কিন্তু না আমরা হয়তো জানি না পানি অনিয়মমত খাওয়ার কারণে আমাদের শরীরের যত সব রোগ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাসি মুখে জল পান করলে কেন ভালো?

সারা রাতের ঘুম শেষে আমরা যখন সকালে উঠি, তখন আমাদের মুখে একপ্রকার লালা জমে থাকে। আমরা যখন ব্রাশ করি অথবা মুখ ধুয়ে ফেলি, তখন সেগুলো বেরিয়ে যায়। যেটা আমরা জেনে ও না জেনে করে থাকি।আর এটাই সবচেয়ে বড় ভুল যেটা হতো আপনারা সবাই করে থাকেন।

আপনি কি জানেন? এই লালার মধ্যে এমন অনেক গুণ রয়েছে যেটি আপনার পেটে গিয়ে ডায়াবেটিস , হাই প্রেসার , ওজন বা ভুঁড়ি বৃদ্ধি, এমনকি ক্যান্সারের মতো রোগ থেকে আমাদের প্রতিকার করে।এটা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা।

আমাদের সকালে বাসি মুখে পানি খাওয়ার ফলে আমাদের লালা গুলো পানির সাথে আমাদের পেটে চলে যায়।যার ফলে আমাদের পেট ভালো ভাবে পরিস্কার হয়।আর পেট পরিষ্কার হলে সেটার বেনিফিট আমরা পুরো শরীর জুড়ে অনুভব করি।

আপনার যখন হটাৎ বমি, মাথা যন্ত্রণা অথবা পেট ব্যাথা হয় তখন আপনি হয়তো একটি ওষুধ খান।এর ফলে আপনার কিছু সময়ের জন্য সমস্যা গুলো দুর হয়।আবার দেখা যায় যে কিছুদিন পর আপনার এই সমস্যা গুলো দেখা দেয়। কিন্তু আপনি এইগুলো করে আপনার রোগটিকে এড়িয়ে যান।যার ফলে আপনার পেটে সমস্যা হয়।তাছাড়াও সে সমস্যা গুলো অন্য কোনো সমস্যা রূপে দেখা দেয়।

বাসি মুখে পানি না খাওয়ার কারণে আপনার পেটে সে লালা গুলো পৌছাতে পারেনা। যার কারণে আপনার পেট অপরিষ্কার থেকে যায়। আর পেট পরিষ্কার না থাকলে আমাদের রক্ত পরিষ্কার থাকে না। রক্ত দূষিত হয়ে যায়। আরক্ত দূষিত হলে সেগুলো আমাদের মুখে ব্রণ সহ নানান মাধ্যমে দেখা দেয়।যেগুলো হাজার ওষুধ অথবা ক্রীম লাগলেও যাবে না।সে ক্ষেত্রে আপনি বাসি মুখে ২ থেকে ৩ গ্লাস কিংবা সর্বনিম্ন ১ গ্লাস পানি পান করলে আপনার মুখের সব ব্রণ অথবা দাগ নিজে থেকেই চলে যাবে।

বাসি মুখে পানি পান করার ফলে আপনার শরীর অনেক সুস্থ থাকবে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এটি। সুতরাং প্রত্যেক এর উচিত সকালে উঠে মাত্র কম হলেও ১ গ্লাস অন্তত পানি পান করা।সেটি অবশ্যই নরমাল।কারণ ঠান্ডা পানি আমাদের সাস্থ্য এর জন্য ক্ষতিকর।

ধন্যবাদ।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট