Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

সুস্থ্য থাকতে ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত চা পান করুন , জেনে নিন চায়ের কিছু আশ্চর্যকর সুফল ।

mim hiya

Published

on

চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে না জেনেই অনেকে নাক সিটকায় , চা পানকে অনেকেই আবার বিলাসিতা বলে নামকরন করেন , কিন্তু জানেন কি ? দৈনিক চা পানে আপনার শরীর থাকতে পারে সুস্থ্য ও সতেজ ! আসুন জেনে নেই চায়ের কিছু আশ্চর্যজনক সুফলঃ-

লাল চা ☕—-

ক্লান্তি দূর করতে বা সময় পার করতে আমরা অনেকেই চা পান করি , অনেকে দুধ চা পান করতে বেশি পছন্দ করি , কিন্তু জানেন কি ? দুধ চায়ে তেমন উপকার মেলে না ! লাল চায় বা রঙ চায়ে রয়েছে অনেক বেশী গুনাগুন ।লাল চায়ে থাকা থিয়োফিলাইন শরীরকে সতেজ ও ঝরঝরে করে , এর ফলে আপনি ক্লান্তি ও একঘেয়েমি থেকে রেহাই পেতে পারেন ।ব্যস্তময় ও ক্লান্তিকর জীবনে দৈনিক চায়ের অভ্যাস অনেক বেশি ফলপ্রসু , এতে থাকা এম্যাইনো এসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধে অনেক  কার্যকর । যদি আপনার নিত্যদিনের সঙ্গি লাল চা হয়ে থাকে তাহলে সুসংবাদ আপনি পারকিনস রোগ হতে মুক্ত থাকবেন । এছাড়াও যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তাদের জন্য লাল চা অত্যন্ত উপকারী ।

Place your ad code here

সবুজ চা ☕—-

সাস্থ্য নিয়ে যারা সচেতন , সবুজ চা তাদের জন্য পরিচিত শব্দ । শরীরের মেদ নিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে অনেককেই পরতে হয় , তাছাড়া বাহ্যিক সৌন্দর্য ঠিক রাখতে  সবুজ চায়ের গুনাগুন শেষ করা যাবে না । সবুজ চা শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে , হালকা পাতলা মেদহীন শরীর যদি আপনার প্রত্যাশা হয়ে থাকে তবে দেরী না করে আজ থেকেই দু বেলা পান করা শুরু করে দিন সবুজ চা , এটি শরীরের মেদ কমানোর পাশাপাশি শরীরকে করে তুলবে সুন্দর ও ঝলমলে , বয়সের ছাপ দূর করতেও সবুজ চায়ের কার্যকর প্রভাব রয়েছে । এছাড়া মানসিক সাস্থ্য ঠিক রাখতে দিনে অন্ত্যতপক্ষে দুইবার সবুজ চা পান করুন ।

লেবু চা ☕—-লেবু চা অনেক বেশী উপকারি । যাদের বদহজমের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই লেবু চা খেয়ে দেখবেন এতে করে অনেকটা উপকার পাবেন বলে নিশ্চয়তা দেয়া যায় , লেবুতে থাকা সাইট্রিক এসিড হজমে উপকার করে । উচ্চরক্ত চাপের সমস্যা থেকে থাকলে লেবু চা আশানুরূপ ফল দেবে , কারন লেবু রক্তে কোলেস্টোরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে । ঠান্ডা অথবা কাশি হলে লেবু চায়ের সাথে আদা যোগ করে নিলে দ্রুত ফলাফল পাবেন ,  এছাড়া লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বক সুন্দর করে ।

স্বাস্থ্য

রুক্ষ ত্বকের যত্নে করণীয় ।

Khairul Basher

Published

on

                      কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাস ইতিমধ্যে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা । শীত মৌসুমে ধুলাবালু একটু বেশি থাকে । ঋতু পরিবর্তনে শুরু হয়েছে ত্বকের নানা সমস্যা । এই মৌসুমে বাইরে ধুলাবালু একটু বেশিই থাকে ।আবহাওয়া যেন একটু কেমন কেমন তা সত্বেও অবশ্য শীতকালটা অনেকের কাছেই প্রিয় । এ সময় ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ায় দরকার একটু বাড়তি যত্ন ।

সৌন্দর্য কথাটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে একটি লাবণ্যময় হাসিমাখা মুখের প্রতিচ্ছবি । সুন্দর হতে চায় না, এমন মানুষ নেই বললেই চলে । কিন্তু ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকেও কিছুটা পরিবর্তন আসে । গরমে যে রকম সমস্যা,শীতের সমস্যা অনেকটা ভিন্ন । আবার ত্বকের ধরন যখন তখন সব ঋতুতেই প্রধান সমস্যা থাকে শুষ্কতা । সারা বছরই যাদের ত্বক শুষ্ক থাকে, শীতের সময় তাদের সমস্যা বেড়ে যায় কয়েক গুণ । তবে একটু যত্ন নিলে সুস্হ থাকার পাশাপাশি আপনি হয়ে উঠবেন লাবণ্যময় শুষ্ক ত্বকের অধিকারী ।

                    আর শীত এলেই ধরে ত্বকের শুষ্কতা । এ সময় ত্বকের যত্ন নিতে স্ক্রাবিং করতে হবে । আমন্ড অয়েল এ ধরনের ত্বকের জন্য উপকারী । ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ তেল শুষ্ক ত্বকের পুষ্টি যোগায় । শুষ্ক ত্বকের ক্রিম সমৃদ্ধ ক্লিনজার ব্যবহার করা উচিত । আর টোনিং এর ক্ষেত্রে ফ্লাওয়ার সমৃদ্ধ শুষ্ক ত্বকের উপযোগী । ঘরোয়া উপায়ে যদি পরিষ্কার করতে চান তবে ফ্যাশন ভালো । ক্লিনজার সাবানের পরিবর্তে বেসন দিয়ে দিনে দু-তিনবার পরিষ্কার করুন আপনার ত্বক । এ ধরনের ত্বকের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা অত্যন্ত জরুরী ।  ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন যাতে কিছুটা হালকা ময়েশ্চারাইজিং করতে পারেন ।

Place your ad code here

এজন্য একটি ডিমের কুসুমের সঙ্গে বেশ খানিকটা দুধের সর একটু, মসুর ডাল বাটা, একটু ও মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগাতে পারেন । সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহারে ত্বকের অতিরিক্ত শুষ্ক ভাব কমে আসবে । শুষ্ক ত্বকের লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে, হারবাল ফেসিয়াল ছাড়াও বিভিন্ন বিউটি ফেসিয়াল করতে পারেন । সময় যখন শীতের, তাই এ সময় শুষ্কতা থেকে রক্ষা পেতে বেসনের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে এবং দেহের অনাবৃত অংশে ব্যবহার করতে পারেন । নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল ও মোলায়েম হবে ।স্ক্রাবিংয়ে 1 চা চামচ চিনি মিলিয়ে নিন, এরপর পুরো মুখে লাগিয়ে 15 মিনিট হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন । তারপর উষ্ণ পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । চাইলে এর সঙ্গে কয়েকটা গোলাপের পাপড়ির পেস্ট করে মিশিয়ে নিন ।

                    ত্বক তৈলাক্ত হলে শীতের সময় অনুভূত হয় । এক্ষেত্রেও চিনির পরিবর্তে তৈলাক্ত ত্বকে মধু ভালো কাজ করবে । এক্ষেত্রে মধু ও মসুর ডালের বেসন, তৈলাক্ত ত্বকের উপযোগী একটি পুষ্টির যোগান দেয়, ফলে ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ । ত্বক পরিষ্কার করার 12 মিনিটের মধ্যে করতে হবে মার্সেরাইজিং । পাকা পেঁপে ও মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন, 5 মিনিট রাখুন. এরপর ধুয়ে ফেলুন । পাকা পেঁপে ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ভালো কাজ করে । ত্বকের যত্নে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন । প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ত্বক পরিষ্কার করে, ভালো ব্র্যান্ডের একটি নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন । এটা রুক্ষতা দূর করে ত্বক আর্দ্র করে তুলবে ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

আপেল সিডার ভিনেগার কি ওজন কমিয়ে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সত্যিই সহায়তা করে?

Mojammal Haque

Published

on

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

অ্যাপল সিডার ভিনেগার দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে অনেকে ব্যবহার করছেন। এখন অ্যাপল সিডার ভিনেগারটি ওজন কমাতে সত্যিই সহায়তা করে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করব।

প্রশ্নঃ এসিভি কী?

Place your ad code here

উত্তরঃ এটি আপেল সিডার ভিনেগারের সংক্ষিপ্ত রূপ যা আজকাল শরীরের ওজন কমানো এবং ডায়াবেটিসের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি আপেল ব্লেন্ড দ্বারা গঠিত, খামির সাথে মিলিত হয়ে এসিটিক অ্যাসিড উৎপাদনের জন্য ব্যাকটিরিয়া গাঁজন করে। এতে কিছুটা ম্যালিক অ্যাসিডও রয়েছে। যাইহোক, এর প্রধান উপাদান হল পানি বা তরল।

প্রশ্নঃ আমাদের প্রতিদিন কত এসিভি দরকার এবং এটি কীভাবে নেওয়া যায়?

উত্তরঃ ওজন কমাতে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতার জন্য প্রতিদিনের প্রস্তাবিত ডোজটি ১-২ টেবিল চামচ, অর্থাৎ ১৫-৩০ মিলি / দিন হয়ে থাকে। তবে এটি কাঁচা খেলে হবে না। ১:১ বা আরও বেশি দিয়ে পাতলা করে নেয়া উচিত। এটি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ টি ছোট ডোজেও ভাগ করতে পারেন। দ্রুত ফলাফল আশা করা যাবে না। কাঙ্খিত উপকার পেতে এটি কমপক্ষে ৩ মাস চালিয়ে যাওয়া দরকার।

প্রশ্নঃ এর ক্যালোরি / কার্বস কী?

উত্তরঃ এটিতে ক্যালোরি নেই বললেই চলে।এতে কোনও কার্বস, প্রোটিন এবং চর্বি থাকে না। অ্যাসিটিক অ্যাসিড এর প্রধান উপাদান হিসাবে বিদ্যমান। এতে কিছুটা ম্যালিক অ্যাসিডও রয়েছে।

প্রশ্নঃ এটি ওজন কমাতে কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তরঃ বিভিন্ন গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে, এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে,
ইনসুলিনের মাত্রা হ্রাস করে, বিপাক বা হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি করে, ফ্যাট স্টোরেজ কমায়, চর্বি পোড়ায়, ক্ষুধা দমন করে ইত্যাদি।

আরেকটি গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে যে এসিভিতে অ্যাসিটিক অ্যাসিড, লিভার এবং পেশী রক্ত ​​থেকে আরও বেশি ইনসুলিন নিতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিনও বাড়ায়। এটি ফ্যাট পোড়াতে প্রয়োজনীয়। এটি এঞ্জাইম এএমপিকে বাড়িয়ে তোলে যা ফ্যাট পোড়াতে উন্নতি করে / চর্বি জমা কমায়।

এটি ক্ষুধা দমন করতেও সহায়তা করে। ফলে কম ক্যালোরি গ্রহণ হয়। এটি খাবারকে পেটে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে এবং পরিপূর্ণ রাখে। এটি আপনার শরীরের ফ্যাট বার্নিং জিন ও পেটের চর্বিযুক্ত অঞ্চল উন্নত করে।

প্রশ্নঃ এর অন্য কোনও স্বাস্থ্য সুবিধা আছে কি?

উত্তরঃ হ্যাঁ, অনেক আছে। এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং বিপাক সিনড্রোমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। এটি ইনসুলিনের মাত্রা হ্রাস করে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়। সুতরাং এটি রক্তের আরও ভাল গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রিডিবিটিসের অগ্রগতি কমিয়ে দেয়। একই পদ্ধতি মহিলাদের মধ্যে পিসিওএস লক্ষণগুলির উন্নতিতে সহায়তা করে।

এটি ভাল কোলেস্টেরল (এইচডিএল) উন্নতি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল), কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কম করে। অ্যাসিটিক অ্যাসিডে কিছু অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া মেরে ফেলে।

প্রশ্নঃ এর কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে কি?

উত্তরঃ কিছুটা হলেও আছে। তবে সেগুলো অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গলা বা খাদ্যনালীতে জ্বলন হয়। এমনকি এটি যদি ত্বকের সংস্পর্শে আসে তবেও জ্বলন সৃষ্টি করে। অম্লতার লক্ষণের সাথে বমি বমিভাব হয়। কারণ এটি অ্যাসিডযুক্ত। এটি কিছুটা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা তৈরি করে।

এতে থাকা পটাসিয়ামও কিছুটা ক্ষতির কারণ বলে মনে হয়। হাড় ক্ষয় বা অস্টিও পোরোসিসের ক্ষেত্রেও এর সামান্য প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এটি দাঁতের ক্ষয় হতে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রশ্নঃ ওজন হ্রাসের জন্য আপেল সিডার ভিনেগার গ্রহণের জন্য কি কোনও সতর্কতা রয়েছে?

উত্তরঃ আছে। তবে সিম্পল। কখনই কাঁচা খাবেন না। এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে ১৫-৩০ মিলি মিশ্রণ করুন। গলা জ্বলতে দেখা দিলে বিরতি দিয়ে আস্তে আস্তে পান করা যায়। ওজন কমানোর জন্য কখনই অতিরিক্ত এসিভি সেবন করবেন না। অ্যালার্জি বা গ্যাস্ট্রাইটিসের থাকলে এটি পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন।

ওজন কমানোর জন্য আরও বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে আপনি চাইলে সেগুলোও প্রয়োগ করতে পারেন। ধন্যবাদ

Continue Reading

স্বাস্থ্য

কন্যা সন্তানকে আগে থেকেই সতর্ক করছেনতো….

MEANINGLESS DREAM

Published

on

প্রথম মাসিক

                          ……মাসিক নিয়ে আর  নয় গোপনিয়তা।

 

♣সাধারণত পিরিয়ডের অ্যাভারেজ বয়স ধরা হয় ১২ বছর (আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড)। কিন্তু এই বয়সেই সবার প্রথম পিরিয়ড হবে বিষয়টা এমন না। সাধারণত ১২ বছর বয়সে বেশিরভাগ মেয়ে শিশুদের পিরিয়ড হয়ে যায়। কিন্তু অনেকের এর আগেও হয়, অনেকের পরেও হয়। ৮ বছর বয়সেও অনেকের হতে পারে, আবার অনেকের ১৫ বছর বয়সেও হতে পারে। বিভিন্ন শিশুর মেচিউরিটি বিভিন্ন সময়ে হয়ে থাকে।এতে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই।

1. শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লোম দেখা দেয়া এই সময়ে অনেক কমন একটা লক্ষণ        2.  স্তন কিছুটা দৃশ্যমান হতে শুরু করবে।
3. প্রথম পিরিয়ডের ৬-১২ মাস আগে থেকে মেয়েশিশুদের যৌনাঙ্গ দিয়ে অল্প অল্প তরল নির্গমন হবে। 

Place your ad code here

♣এটি একটা স্বাভাবিক শরীর বৃত্তিয় প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রতিটা নারীকেই যেতে পারে। সেজন্য শুরুতেই এটাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। আপনার নিজের এই সময়টাকে কল্পনা করতে পারেন। আপনি পরিবারের পক্ষ থেকে কেমন সমর্থন পেয়েছেন এই সময়ে? সেই সমর্থনটা আপনাকে কতটা নির্ভার ও সাহায্য করতে পেরেছে? সেটিই আপনার সন্তানের জন্য উপযুক্ত কী না? নাকি আপনি আরো ভালোভাবে আপনার সন্তানকে এই সময়ে সমর্থন দিতে চান! এই ভাবনাগুলোর জায়গায় আগে নিজেকে পরিষ্কার করুন।শুরুতেই তাকে তার বয়ঃসন্ধিকাল সম্পর্কে অবগত করুন। এরপর পিরিয়ড নিয়ে একটা ধারণা দিন। পিরিয়ড কী? কেন হয়? এই সময়ে সে কেমন অনুভূতির মধ্য দিয়ে যায়।

♠এইটা যে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোন বিষয় না, খুবই স্বাভাবিক ও সহজ একটা বিষয় তা তাকে আগে থেকেই জানিয়ে রাখুন। সাধারণত বাংলাদেশে সব পরিবারেই এই বিষয়গুলো পরিবারের কোন নারীরাই দেখে থাকেন। তাই বলে পুরুষদের এইসব বিষয় নিয়ে জানতে হবে না এমন কোন কথা নেই। বাবাদের/ভাইয়েদের সচেতন হওয়াও এই সময়ে অনেক জরুরী। সচেতন হোন, একটু পড়ালেখা করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে রাখুন। এরপর প্রয়োজন হলে আপনার সন্তানের সাথে কথা বলুন।  নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।

পিরিয়ড যে কোন সময় হতে পারে। শুধু বাসায় থাকাকালীনই হবে বিষয়টা এমন না। বাসার বাইরে, স্কুলে, কোন স্কুল ট্রিপে, যে কোথাও, যে কোন সময় প্রথম পিরিয়ড হতে পারে। সেক্ষেত্রে কন্যা সন্তানকে জানিয়ে রাখুন এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার সাথে সাথে সে প্রথমে কার কাছে যাবে! স্কুলে হলে স্কুলের কোন ম্যামকে আগে থেকে জানিয়ে রাখুন ও আপনার সন্তানকেও জানিয়ে রাখুন স্কুলের ম্যামের কথা। সোজা কথা তাকে কিছু মানুষের সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা দিয়ে রাখা, সে যেন কোনভাবেই আতঙ্কিত না হয়ে তাদের কাছে গিয়ে বিষয়টা অবহিত করে।স্কুলের ব্যাগে বাইরে কোথাও গেলে কয়টি প্যাড লাগতে পারে সে হিসেব করে প্যাড রেখে দিন। অতিরিক্ত প্যাড, আন্ডারওয্যার ইত্যাদি রাখতে পারেন। বেশি পেইনের জন্য পেইন কিলারও রাখা যেতে পারে। তার পছন্দের খাবার প্যাক করে রাখতে পারেন তাতে।তবে এই সময়ে বেশী পরিমান মাংস জাতীয় খাদ্য না খাওয়াই ভালো।আইরন জাতীয় খাবার ।একজন নারীর প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম আয়রন খাওয়া প্রয়োজন।

পালং শাক ,টমেটো  ,মটরশুঁটি   ,শিমের বীচি , মাছ (স্যামন, সার্ডিন, কুটেল মাছে আয়রন থাকে। এ ছাড়া স্যামনের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড,সিদ্ধ আলু (খোসা সহ একটি সিদ্ধ আলুতে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে।),কালো চকলেট,ইত্যাদি।সিদ্ধ আলুতে ভিটামিন সি, বি ভিটামিন, প্রচুর পটাশিয়াম থাকার পাশাপাশি উচ্চমাত্রার আয়রন থাকে। খোসা সহ একটি সিদ্ধ আলুতে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। শরীরে আয়রন যাতে ঠিকমত শুষিত হয় তার জন্য আয়রন জাতীয় খাবারের সাথে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- কমলা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খেতে হবে। 

পারসোনাল হাইজেন সম্পর্কে সচেতন করুন।  অসচেতনার কারণে জরায়ুতে ক্যান্সারসহ অনেক ভয়াবহ সমস্যা হতে পারে। সেজন্য এই সময়ে হাইজেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ৫-৬ ঘন্টা পর প্যাড চেঞ্জ করা, পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন ভালোভাবে গোসল করা ইত্যাদি অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচাবে। স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে একদম ভালোভাবে কথা বলতে হবে এই সময়ে। পশ্চিমের আধুনিক সমাজেও  মেয়েরা পিরিয়ডের সময় দোকানে গিয়ে স্যানেটারি প্যাড চাইতে দ্বিধাবোধ করে। প্যাড চেঞ্জ করার জন্য কারো সাহায্য নিতে দ্বিধাবোধ করে। সুতরা আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করাটা অনেক বেশি জরুরী।

পিরিয়ডের সাথে মুড সুইং, বিষণ্ণতা, হতাশা, মানসিক বিষাদ, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া এমন কিছু জড়িয়ে আছে। প্রথম পিরিয়ডে এইসব বোঝার মতো পরিণত আপনার সন্তান হয়না। তখন তার কাছে ব্লিডিং আর তলপেটে ব্যাথাই দৃশ্যমান। তাকে শুধু এই দুটো সম্পর্কে জানিয়ে রাখুন। যেগুলো তার বয়সের সাথে সম্পর্কিত না সেগুলো জানালে তার আতঙ্কই বাড়বে। তবে হ্যাঁ একটু পরিণত হওয়ার সাথে সাথে আপনি তাকে এই বিষয়গুলোও জানাতে পারেন।পিরিয়ড আপনার সন্তানের জন্য একটা মাইলফলক। পিরিয়ড প্রমাণ করে আপনার কন্যা সন্তানটি বড় হচ্ছে, ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে। এই বিষয়টি তাকে বুঝান।পিরিয়ডকে যাতে সে নরমাল একটি বিষয় হিসেবেই দেখে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট