Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

গল্প

স্বার্থপর বন্ধু নিয়ে স্ট্যাটাস

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

অনেকেই বলে বন্ধু ছাড়া নাকি চলা যায় না, একটা মানুষের জীবনে বন্ধু ছাড়া নাকি অসম্পূর্ণই থেকে যায়। এই কথাটি আমিও আগে একসময় মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু আমার এখন মনে হয় আমার বিশ্বাসটা ভুল। আমি এখন বন্ধু ছাড়া একা চলতে পারি। আমি নিজেকে নতুন করে তৈরি করে নিয়েছি। এইসব পথ অবশ্যই কঠিন কিন্তু অসম্ভব কিছু নয়। আগের তুলনায় আমি এখন অনেক সুখী, হয়তো বন্ধু থাকলে আমি এই সুখের খোঁজ পেতাম না।

আমি জীবনে অনেক মানুষ দেখেছি যারা অন্য একজনের জন্য পথ পাড়ি দিতে নিজের জীবনটা অর্থহীন করে তুলে। তারা হয়তো জানেনা, এই পৃথিবীতে ১০০% মানুষ এই স্বার্থপর। বাস্তব সত্য হচ্ছে, মানুষ জন্মগতভাবে স্বার্থপর। মাতৃগর্ভে লক্ষ লক্ষ শুক্রাণুর মধ্য থেকে মারামারি, যুদ্ধ-বিগ্রহ করে সেখান থেকে মাত্র একজনই জন্ম হয়। সেটা আমি তুমি এবং আমরা। প্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো এক সময় স্বার্থপর হতে হয়। যে স্বার্থপর হতে পারে না তার জীবনে কোনদিন সুখ আসবে না।

প্রিয় বন্ধুরা, জীবনে একটি কথা মনে রেখো, কখনো কারো মিথ্যা ভালোবাসা বুকে জড়িয়ে নিজের জীবনকে অযথা হেরে যেতে দিও না.. বিশ্বাস করো এই পৃথিবীতে যেকোনো প্রান্তে তোমার জন্য কোন একটি মানুষ সত্যি কারের ভালোবাসার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করে আছে। একটু ধৈর্য ধরো.. অন্তত সেই দিনটি দেখার জন্য হলেও তোমাকে নিজের মতো করে বেঁচে থাকতে হবে।

ভেঙে পড়ার কিছু নেই.. তাকিয়ে দেখো আমি আছি, ভাবনার কিছু নেই।

যে তোমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে দূরে যার জন্য তুমি কষ্ট পাচ্ছ তাকে আরও দূরে চলে যেতে দাও বাধা দিও না। তুমি হয়তো সামান্য কটা দিন কষ্ট পাবে, কিন্তু তুমি জীবনে এমন কাজ করো সে যেন তোমাকে আরো সারা জীবন ফিরে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে বসে থাকে, প্রতিদিন, সারাক্ষণ যেন তোমাকে মিস করে।

নিজে কষ্ট পেয়ে, কাউকে পাবার আশায় চোখের পানিতে ভাসিয়ে জীবনকে তছনছ করার নাম ভালবাসা নয়… শত বাধা-বিপত্তি দুঃখ-কষ্ট জয় করে বেঁচে থাকার নামই ভালোবাসা।

তোমার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কখনো একজন স্বার্থপর মানুষের ভালোবাসার কাছে হেরে দিয়ে মরে যাওয়ার চিন্তা করোনা-যদি এমনটা করো তাহলে তোমার মত বড্ড হতভাগা পৃথিবীতে আর কেউ নেই।

একটা কথা মনে রেখো, জীবন কখনো কারোর জন্য থেমে থাকে না। জীবন তার মত চলতে থাকবে। জীবন চলার পথে হয়তো মাঝে মাঝে দুঃখ কষ্ট আসবে,কিছুটা থমকে দাঁড়াবে কিন্তু আশাহত হওয়ার কিছু নেই। আজকের দিনে হয়তো তুমি থমকে গেলে কিন্তু আগামীতে তুমি আরো অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। সার্থপর কিছু মানুষের ধোঁকা খাওয়ার পরে সেটাকে তুমি হাসিমুখে সামলে নিয়ে জীবন চলতে পারলেই হবে তুমি একজন মানুষ।

নিজেকে নিজে ভালো থাকতে শিখুন। তুমি নিজে যদি ভালো থাকতে পারো না তাহলে তুমি অন্যকে কোনদিন ভালো রাখতে পারবে না। জীবনে কি পাওনি সেই হিসাব বাদ দিয়ে.. কি পেয়েছো জীবনে হিসাব করুন। ডেল কর্নেগী বলেছিলেন,

     “জীবনে পাওয়ার হিসাব করুন, না পাওয়ার দুঃখ থাকবে না”

Advertisement
16 Comments
Subscribe
Notify of
16 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Trina Sarkar

Valo

Md Ahasan Habib

Feiend important in our life….

Mehedi Islam Noman

Valo

firoz alam niloy

nc

Partha Kumar

Nice

Shanjida Islam

Gd post

Md Alamin

Good

Nirob Hasan

Vlo

Md Golam Mostàfa

Hmmmm ….!

Fahema Akter

Good

Albi Chy

perfact

Sharif Zindaneee

gd

ভালো

faizul rafid

bipoder bondhu e boro bondhu

reza raz

whatever

Mahfuzur Rahman

Vlo

গল্প

মজার নতুন হাসির জোকস পর্ব (১)

Shahed Ahamed

Published

on

জোকস No 1…____

তিনমাতাল :: একদিন তিন মাতাল, মদ খেয়ে মাতলামো করছে। এমন সময় তাদের ভিতর থেকে এক মাতাল বলল চল আমরা ফুর্তি করি । তখন তাদের ভিতর এক মাতাল বলল আমার বাড়িতে একটা ছাগল আছে এটাকে এনে পিকনিক করে খাই চল তখন বাকি মাতাল গুলো তার সাথে তার বাড়িতে গেল, তারপর তার বাড়ির উঠান থেকে সেই ছাগলটা ধরে এনে পিকনিক করে রান্নাবান্না করে খেলো।। পরেরদিন যেই মাতাল তার ছাগল এনে পিকনিক করে খেলো সেই মাতাল চোখ মুছতে মুছতে তার বাড়িতে গেল, যেয়ে দেখল তার ছাগল ‘উঠানে বসে আছে তখন মাতাল রাগ করে তার বউকে বলল কিরে বউ ছাগল এখানে এলো কিভাবে।।

মাতালের বউ :: মাতালের বউ বলল তুমি গতরাতে উঠান থেকে কুকুরটাকে ধরে নিয়ে গিয়ে কি করলে আগে তাই বল।।

জোকস No 2 …____

তিনমাতাল :: একদিন তিন মাতাল, একটা ঘরের ভিতরে তাস খেলা করছে এমন সময় তাদের খুব মশায় কামড়াতে থাকে তখন তারা বিরক্ত হয়ে বলল তাস খেলা বন্ধ থাক খুব খুব বেশি মশায় কামরাছিল তাই এক মাতাল ঘরের লাইট সব ও দরজা -জানালা বন্ধ করতে গেলো এমন সময় কিছু জোনাকি পোকা, ঘরে ঢুকে গেল, অন্ধকার ঘরের ভিতর তখন এক মাতাল বলে উঠল দোস্তরা দেখেছিস মশারা আমাদের না পেয়ে উপরে লাইট মেরে খুজছে।।

জোকস No 3 …____

একটা বয়স্ক,লোক প্রায় 20 বছর জেল খাটার পর জেল থেকে বেরিয়ে এলো, জেল থেকে বেরিয়ে এসেছে পাশের একটা রাস্তায় দাড়িয়ে প্রসাব করল। এমন সময় তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল একটা বৃদ্ধা লোক তখন সেই লোকটাকে বলল বেয়াদব লোক কোথাকার রাস্তায় দাড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিন্তু প্রসাব করার পর পানি ব্যবহার করলে না কেন, তখন সেই লোকটা উত্তর দিলো যার জন্য 20 বছর জেল কাটলাম তার মাথায় ঢালবো পানি।

জোকস No 4 …____

পুলিশ গোপন সূত্রে, খবর পেয়েছে মফিজ নামে একটা লোকের বাড়িতে নাকি জাল টাকা ছাপানোর মেশিন রয়েছে তাই তার পুলিশ বাড়িতে হাজির হল তার বাড়িতে তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোন জাল টাকা পেল না শুধু মেশিন থাকার দায়ে তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল এমন সময় মফিজের বন্ধু এসে বলল আর মফিজকে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন কেন মফিজের বাড়িতে কি জাল টাকা আছে পুলিশ বললো জাল, টাকা নাই কিন্তু মেশিন আছে তাই ধরে নিয়ে যাচ্ছি এমন সময় মফিজের বন্ধু পুলিশকে বলল, স্যার তাহলে আমাকেও ধরে নিয়ে যান আমি ধর্ষণ করেছি, তখন পুলিশ বলল তুমি ধর্ষণ করেছো তার প্রমাণ কি তখন সে বলল আমি ধর্ষণ না করলেও আমার কাছে ধর্ষণ করার যন্ত্র কিন্তু আছে তাই।।









Continue Reading

গল্প

ছোটবেলা ছোট্ট একটা মজার গল্প

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন?আশা করি আপনারা যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।মানুষ তার জীবনের সব থেকে মধুর অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকে ছোটবেলাতে। ছোটবেলায় কাটানো প্রত্যেকটা মূহুর্ত তার সারাজীবন মনে গেঁথে থাকে।বর্তমান প্রজন্মের ছোটবেলা মোবাইল ফোন কিংবা ট্যাবলয়েড, পিসির মধ্যে সীমাবদ্ধ।তারা কখনোই ছেলেবেলার সেই বাধাহীন আনন্দ অনুভব করতে পারবেনা।ঠিক সেই কারণে তাদের মানসিক বিকাশও ঠিকমতো বেড়ে উঠে না। ছোটবেলা ছোট্ট একটা মজার গল্প-

আমার শৈশব কেটেছে লাকসামে।তখন মোবাইল ফোন, ট্যাবলয়েড,পিসির এত প্রচলন ছিলো না। বিকাল বেলা খেলতে যাওয়া, বন্ধুরা মিলে পিকনিক করা হৈ হোল্লড় এই সকল কিছুর মধ্যে কাটতো সারাদিন।সকাল বিকাল বাইরে সকলে মিলে ঘুড়তে যাওয়া,বৃষ্টির দিনে কচু পাতাকে ছাতা বানিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা এই সকল স্নৃতির তুলনায় আর অন্যকিছুর সাথে কখনোই যায় না। দূরন্ত শৈশবে বাধাহীন আনন্দ মানুষের মানুসিক বিকাশে সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।লিখতে লিখতে ঠিক তেমনই একটা মজার স্নৃতির কথা মনে পড়লো। তাই দেরি না করে শুরু করি।
সালটা ঠিক তখন ২০০৮ তখন আমি পঞ্চম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। পড়াশোনা কি জিনিস তখনও আমি ঠিক বুঝে উঠেনি।আজ আমাদের শেষ পরীক্ষা।পরীক্ষার বন্ধে কি করব তাই নিয়ে সকলে বিচলিত হয়ে পড়ালাম।ঠিক তখনই সকলে মিলে প্ল্যান করলাম পরীক্ষার বন্ধে সকলে মিলে এক বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গেলাম।যেই প্ল্যান সেই কাজ। সকলে মিলে সকলের বাসায় বাবা মাকে অনুমতি দেওয়ার জন্য মানাতে লাগলাম।খানিকটা প্রথম দিকে ইতস্তত করলেও পরবর্তীতে ঠিকই সকলের বাবা মা অনুমতি দিয়ে দিলেন।

পরদিন সকলে মিলে সেই বান্ধবীর বাসায় ঘুরতে গেলাম।তার বাসাটা শহরের অনেকটা পাশেই তাই একটা প্রাকৃতিক পরিবেশ ঠিক ছিলো। আমরা সকালের দিকে সেই বান্ধবির বাসায় গিয়ে হাজির হলাম সকালের খাবার দাবার খেয়ে বেড়িয়ে পড়লাম ঘুড়ার জন্য।কতক্ষণ খেলাধুলা করলাম।ক্লান্তি হতে হতে দেখি দুপুর গড়িয়ে পরলো তখন আন্টি বললেন সকলে গোসল করে নিতে পুকুরে।আমি এইদিকে জীবনেও পুকুরে গোসল করিনি দ তাই খানিকটা ভয় পেলেও নেমে গেলাম সবার সাথে।এইদিকে আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আমি সাঁতার পারতাম না।কেউ জানতই না আমি সাঁতার পারতাম না।আমি পুকুরে নেমে বসে আছি।এমন সময় আমার বান্ধবীরা আমাকে টেনে নিচ্ছিলো ঠিক তখনই আমি ভর হারিয়ে ডুবে গিয়েছিলাম।আমি হাপাচ্ছি কিন্তু উঠতে পারছিনা।অপর পাড়ে এক আন্টি দেখে তারাতারি এসে আমাকে উঠালো।সেই মূহুর্তে এতটাও ভয় পেয়েছিলাম কি আর বলবো।

শুধু আমি না সকলে ভয় পেয়েছিল। যাই হোক পড়ে সকলে উঠে দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম।দুপুরের খাবার খাওয়ার পর সকলে মিলে ভর দুপুরে নদীর পারে ঘুরতে গেলাম।হঠাৎ হাটতে হাটতে দেখি একটা হাঁস গড়াগড়ি করতেছে।আমাদের সাথে এক বড় আপু হাঁসটি ধরে নিয়ে বাড়িতে চলে আসে।পরবর্তীতে এই হাঁস কেটে সকলে মিলে পিকনিক করা হয়।হাঁসটি আনবার সময় খানিকটা ভয় পেলেও সকলে মিলে এমন দৌড় দিয়েছি🤣🤣🤣🤣 কি আর বলবো! তখন বুঝতে পারিনি জিনিসটি চুরি হচ্ছিলো। কিন্তু এখন ঠিক বুঝতে পারি ঠিক হয়নি।যাই মানুষ যত বড়ই হোক না কেন ছোটবেলার সেই মজার স্নৃতি মানুষ কখনোই ভুলতে পারেনা।ধন্যবাদ সবাইকে
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন









Continue Reading

গল্প

বড় হলে আমি হব খেয়াঘাটের মাঝি।

Trimiti Chakma

Published

on

ফুলতলি আর কুলতলি সামনা সামনি দুটো শহর। এই দুই শহরকে ভাগ করে দিয়েছে মাঝখানের নদীতি। নদীতির নাম তলি। এই তলি নদীর মাঝিটিকে নিয়েই আজকে আমার গল্পটা। শুরু করি তাহলে–
আগেই বলেছিলাম কুলতলি আর ফুলতলি এক শহর ছিল আগে, নদীতির আগমনে তাদের বিভাজন হয়।এর ফলে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব রয়ে যায় কুলতলিতে। আর অফিস,আদালত বৃদ্ধাশ্রম সব ফুলতলিতে। এই কারণে লোকজনের সবসময় এক পারাপার থেকে অন্য পারাপারে আসাযাবা লেগেই তাকে। খেয়া ঘাটের মাঝিটির নাম মুক্ত। আমি ডাকতাম মুক্ত দাদু। বয়স ৫০ এর কাছাকাছি কিন্তু তবুও তার গায়ে অনেক জোর ছিল বটে। তোমরা ভাবছ হয়তো এটা আবার কী গল্প সব খেয়া ঘাটের মাঝি ই তো প্রায় বৃদ্ধ হোন!আরে পুরোটা শুনে নাও তারপর বলিও যা বলার।

দাদু পেশায় ছিলেন একজন ডাক্তার। এইটা আমিও জানতাম না। এইটা জানতে পারি যখন আমাদের পরীক্ষা শেষে বাসায় ফেরার সময় এম সি কিউ মিলাছিলাম তখন। দাদু যে আমাদের এম সি কিউ উত্তর বলেদিছে আমি বিশ্বাস ই করতে পারছিলাম না। তারপর পর আমার আর দাদুর বন্ধুতো হল। পড়া শেষ করে আমি রোজ বিকেলে নদীর পাড়ে বসে দাদুর গল্প শুনতাম। জানতে পারলাম যে দাদুর আর কেউ নেয়। তিনি বিয়ে করেনি। তার মার মৃত্যুর পর তিনি খেয়া ঘাটের মাঝি হন।এই কথা শুনে আমি অনেকটা হকচকিয়ে গেলাম। তোমারই বলো যদি কোন ডাক্তার তামা মায়ের মৃত্যুর পর মাঝি হন এইকথা শুনলে কেমন লাগবে! সেদিন দাদুকে জিজ্ঞাসা করা হয়নি উনি কেন হলেন খেয়া ঘাটের মাঝি! মার ডাকা ডাকির কারণে বাসায় চলে গেলাম। আমারও এইচ এস সি পরীক্ষা তাই কয়েকদিন ঘাটে যাওয়া আর হলোনা । অব্যশই যাওয়া আসার সময় দাদুর সাথে দেখা হত।কিন্তু এত লেকের ভিড়ে কী আর এতসব প্রশ্ন করা যায়।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আমি আমার কাকুর বাড়ি চলে যায়। একমাস পর যখন ফিরছিলাম তখন দেখি যে দাদু নেই। এখন নতুন একটা মাঝি।দাদুর কথা জিজ্ঞাসা করাতে উনি বললেন দাদু অসুস্থ। আমি বাসায় পৌঁছে ব্যাগ রেখে রওনা হলাম হাসপাতালে। গিয়ে দেখি দাদুর অবস্থা অনেক সিরিয়াস। উনি দূর্বল হয়ে গেছেন। সারা শরীর ঠান্ডা।আমার মনে হচ্ছিল দাদু এখনি হয়তো মারা যাবেন। দাদুর হাত ধরে আমি বললাম দাদু তুমি কেন মাঝি হলে? তোমার তো সব ছিল। উনি বললেন ‘মা যদি হও রাজি বড় হলে আমি হব খেয়াঘাটের মাঝি’। এইতাই দাদুর শেষ কথা। দুই শহরেরে লোকজন একত্রিত হয়ে দাদুর দাহ্য কাজ শেষ করা হয়।

আসলে দাদু হতে চেয়েছিলেন মাঝি। তিনি তার মার জন্য ডাক্তার হন। তা মার স্বপ্ন ছিল তার ছেলে ডাক্তার হবে। তাই দাদু তার মার মৃত্যুর পর খেয়াঘাটের মাঝি হন।









Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট