Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

লাইফস্টাইল

হলিউড ও হলিউড অভিনেতাদের নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য : পর্ব-১

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

আসসালামুআলাইকুম পাঠকবৃন্দ, আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো হলিউড সিনেমা ও অভিনেতাদের সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য। তো চলুন শুরু করা যাক –

• কিংবদন্তী মার্শাল আর্ট স্পেশালিষ্ট ব্রস লি’র সম্পর্কে কারোরই তেমন অজানা নয়। যিনি বাস্তব জীবনের একজন মার্শাল আর্টিস্ট  ছিলেন। আপনি জানলে অবাক হবেন যে  ব্রুস লি এতটাই দ্রুত এবং ক্ষিপ্র ছিলেন যে মুভি প্রডিউসার ও ডিকেক্টরর  তাঁর চলচ্চিত্রগুলি ধীর বা আস্তে করে চালাতে হয়েছিল যাতে আপনি তাঁর মুভির একশন দৃৃৃৃশ্যগুলো বুঝতে ও দেখতে পারেন।

• জগৎবিখ্যাত সাইলেন্ট কমেডিয়ার ও অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের কথা কে না জানে। কিন্তু আপনি কি জানেন চার্লি চ্যাপলিন যখন তার অস্কার পেয়েছিলেন, তখন তিনি একটি 12 মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছিলেন, যা অস্কার ইতিহাসের দীর্ঘতম স্ট্যান্ডিং ওভেশন।

 

• হলিউড কাঁপানো ছবি জুরাসিক পার্ক, পাল্ব বফিকশন, ফরেস্ট গাম্প এবং দ্য শশাঙ্ক রিডিম্পশন একই সময়ে থিয়েটারে রিলিজ হয়েছিল। সময়টি ছিলো ১৯৯৪ সালের অক্টোবর।

• সিন সিটি, ডাইহার্ড…..  মুভিগুলোর একশন অভিনেতা ব্রস উইলিসকে কে না চিনে। টেকো মাথা এই অভিনেতার একশন, মারমার-কাটকাট, পুলিশ বা আর্মি হিসেবে মিশন পরিচালনা, ইনভেষ্টিগেশনের সিনগুলো দেখলে এক ধরনের রোমাঞ্চকর ফিলিং আসে। অদ্ভুত কথা হলো অভিনেতা হওয়ার আগে ব্রুস উইলিস একজন প্রাইভেট ইনভেষ্টিগেটর হিসেবে কাজ করেছিলেন।

• গ্র্যাভিটি  মুভিটি ভারতের মঙ্গল মিশনের চেয়ে ব্যয়বহুল ছিল।

• ব্যাক টু  দ্য ফিউচার  মুভিটির টাইম ট্রাভেলিং মেশিনটি আসলে একটি রেফ্রিজারেটর ছিলো যেটা কিছুটা ট্রাইম ট্রাভেলিং মেশিনের মতো করে কিছুটা সংস্করণ করে ব্যবহার করা হয়েছিলো।

• চীনে ফিল্ম এবং টিভিতে টাইম ট্র্যাভেল থিউরি রিলেটেড সব চলচিত্র  নিষিদ্ধ।(নিষিদ্ধতা পরিবর্তন হতে পারে)

• হলিউড বিশ্বের সেরা ডিক্টেটরদের লিস্ট করলে জেমস ক্যামেরনের নামটা আসবেই যাকে সবাই চিনে।কিন্তু আপনি কি ভাবতে পারবেন যে জেমস ক্যামেরন “দ্য টার্মিনেটর” মুভিটির স্ক্রিপ্ট লেখার সময় গৃহহীন ছিলেন?

• জেমস ক্যামেরনের সম্পর্কে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। স্টার ওয়ার্স দেখার পরে, জেমস ক্যামেরন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশের জন্য ট্রাক ড্রাইভার হিসাবে তার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাবুন একবার। তার জীবনে কত স্ট্রাগলের কাহিনি রয়েছে তাহলে।

• আমরা ছোটবেলা থেকেই গডজিল্লা কার্টুন সিরিজ মুভি দেখে চমৎকার সময় কাটিয়েছিলাম। জেনে রাখুন ২০১৪ সালে গডজিল্লাকে  “গডজিলা(২০১৪)” ছবিতে মাত্র ৮ মিনিটের জন্য দেখা গিয়েছিল।

• ডিজনি প্রডাক্টশনে ফিল্ম ট্যাংলেড প্রযোজনার খরচ এভাটার  মুভির প্রযোজনার চাইতেও বেশি

• ১৯৭৬ সালে নির্মিত “রকি” ছবিটির শুটিং ২৮ দিনের মধ্যে হয়েছিল।

• টার্মিনেটর ২-তে বলা প্রতিটি শব্দের জন্য  শোয়ার্জনেগারকে প্রায় ২১৪২৯ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছিল।

• টাইটানিক ডুবে যাওয়ার ২৯ দিন পরে, এটি সম্পর্কিত একটি সিনেমা রিলিজ করা হয়েছিল। সিনেমাটিতে এমন এক অভিনেত্রীকে দেখানো হয়েছিল যিনি আসলে টাইটানিকে ছিলেন এবং সারভাইব করেছিলেন ছিলেন।

• মুভিপ্রেমীরা এই মুভি সিরিজ “দ্য ম্যাট্রিক্স” দেখেননি এটা বিশ্বাস করা মুশকিল। আপনি কি জানেন  উইল স্মিথ, নিকোলাস কেজ, টম ক্রুজ, জনি ডেপ, এবং লিও ডিক্যাপ্রিয়োকে আমাদের সবার প্রিয় কিয়ানু রিভসের আগে “দ্য ম্যাট্রিক্স” সিনেমায় অংশের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিলো? যদিও আমাদের মতো সিনেমা প্রেমিদের কাছে দ্য ম্যাট্রিক্স  সিনেমায় কিয়ানুকেই পারফেক্ট লেগেছিলো।

• কিয়ানু রিভস “দ্য ম্যাট্রিক্স” চলচ্চিত্রে আয়কৃত তার ১১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারই অন্যান্য স্টাফ এবং মেকআপ কর্মীদের দিয়ে দিয়েছিলেন।

 

আজ এই টুকুই। আবার আপনাদের সামনে নতুন পর্বে সব চমপ্রদ তথ্য নিয়ে হাজির হবো।  সবাইকে ধন্যবাদ।

 

Advertisement
4 Comments

4 Comments

  1. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    November 20, 2020 at 1:14 pm

    Sundor!

  2. Md. Mashum Ali

    Md. Mashum Ali

    November 25, 2020 at 3:33 pm

    GOOD

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

লাইফস্টাইল

মশা কেন মানুষের রক্ত খায়

Bd Blogger

Published

on

আপনি কি জানেন মশা রক্ত খায় কেন? মানবদেহের রক্ত পান করার বিষয়টি মশার এলই বা কোথায়? বিজ্ঞানীরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তবে কারণটি বেশ অবাক। বলা হচ্ছে, প্রথমদিকে মশারা রক্ত পান করতে অভ্যস্ত ছিল না। পরে এটি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
বলা হচ্ছে, মশা শুকনো অঞ্চলে বসবাস করার কারণে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের রক্ত পান শুরু করে। যখনই আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মশা তাদের পুনরুত্থানের জন্য জল পান না, তারা মানব বা পশুর রক্ত খেতে শুরু করে।নিউ জার্সির প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার অ্যাডিস এজিপ্টি-এর মশা নিয়ে গবেষণা করেন। এই মশার কারণে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণেই ডেঙ্গু এবং পীত জ্বরও হয়।
নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে আফ্রিকার মশার মধ্যে নানান ধরনের এডিস এজিপ্টি মশা রয়েছে। সব মশা প্রজাতির মশা রক্ত পান করে না। তাঁরা অন্য কিছু খেয়ে বা পান করে বেঁচে থাকে।তারপরে তারা কীভাবে রক্ত পান করে তা বোঝার জন্য তাদের একটি ল্যাব বক্সে রেখে দেওয়া হয়। তারপরে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি মশার খাবার সম্পূর্ণ আলাদা।নোহ জানিয়েছেন, সমস্ত মশাই যে রক্ত খায়, এধারনা ভুল। যে অঞ্চলে বেশি খরা বা উত্তাপ রয়েছে বা জল কম রয়েছে সেখানকার মহাই রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রজননের জন্য আর্দ্রতার প্রয়োজন মেটাতেই তাঁরা রক্ত পান করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ই পরিবর্তনটি কয়েক হাজার বছর ধরে মশার মধ্যে রয়েছে। শহরটি বিকাশ অব্যাহত রেখে বিপুল সংখ্যক জলের মশা কমতে শুরু করে এবং তারা মানবদেহ এবং অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ত খেতে শুরু করে।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না। বরং মেনে নেয়া শিখতে হবে

Eshrad Ahmed

Published

on

ব্যর্থতা আমাদের লাইফস্টাইলেরই অন্তর্গত। আমাদের জীবনে সফলতার বিপরীতে ব্যর্থতা আছে বলেই তার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। যদি তুলনা করার জন্যে ব্যর্থতা না থাকতো, তাহলে মানুষ সফলতার পেছনে এতখানি ব্যস্ত হয়ে ছুটতো না!

 

এই ব্যর্থতাকে মেনে নিতে আমাদেরকে অনেকেই বলেছেন। বিখ্যাত মানুষেরা সফল হবার আগে ব্যর্থ হতে বলেন। কারণ ব্যর্থ না হলে কোথায় ভুল হচ্ছে বা ঘাটতি আছে সেটা শেখা যাবে না। কিন্তু এখানে একটা ব্যপার আছে। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এমনভাবে বড় করা হয় যে, আমরা শুধু সফল হতেই শিখি। মুদ্রার উল্টো পিঠে ব্যর্থতাকে চিনতে পারি না। মেনে নিতে পারি না।

 

অনেকেই বলেন- সফল হবার পূর্বশর্ত হচ্ছে ব্যর্থ হতে হবে। একবার ব্যর্থ হওয়া মানে কাজ ছেড়ে দেয়া যাবে না। বরং আরও বেশি পরিশ্রম আর বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে। লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। এই অসফলতা সবাইকেই ভোগ করতে হয়। এর উর্দ্ধে আমরা কেউ নই। একটা সময়ের পর মনে হবে এই ব্যর্থতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি। একবারেই সফল হয়ে গেলে সমস্যা বা ঝামেলাগুলোর সাথে হয়তো পরিচয় ঘটতো না।

 

ব্যর্থতাকে এড়ানো যাবে না এটা ধ্রুব সত্য। কিন্তু হতাশ হলে বা থেমে গেলে চলবে না। সবসময় মুদ্রার অপর পিঠটা দেখার বা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। জীবনধারণ করতে গিয়ে প্রতিটি জায়গায় কেউই কখনো সফল হতে পারে না! কিছু কিছু জায়গায় অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হয়। এর মানে পিছিয়ে পড়া নয় বরং নতুন করে শেখার দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।

 

কি করতে পারেন?

১। ব্যর্থ হলেও নিজেকে উৎসাহ দিন।
২। কিছুটা সময় নিয়ে আবার কাজে লেগে পড়ুন।
৩। লিপিবদ্ধ করতে পারেন ব্যর্থতার ঘটনাগুলো এবং তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করুন।
৪। আশাহত হবেন না। অন্ধকার কাটিয়েই ভোর হয়। তেমনি ব্যর্থ হওয়া মানে আপনি সফলতার খুব কাছাকাছি আছেন।

 

মনস্তাত্বিক এক গবেষণায় দেখা গেছে- বর্তমানে মানুষ খুব বেশি বিচার করতে চায়। বিচারের মাপকাঠিও বদলে গেছে। এখন প্রতিযোগিতা এত বেশি যে, আরেকজনকে দমানোর জন্যে তার ব্যর্থতার ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। উৎসাহ দেয়ার বদলে নিরুৎসাহিত করছে।

 

আমাদের জীবনযাত্রা অনেক জটিল হয়ে গেছে একথা সত্য। আর সেইসাথে আমাদের চিন্তাধারাও বদলে যাচ্ছে। ব্যর্থতা আর হতাশার দুঃখ কাটাতে অনেকেই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন সাময়িক প্রশান্তির জন্যে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান বের করতে পারছেন না।

 

তাহলে উপায় কি? উপায় হলো- প্রতিদিনের কাজের তালিকা রাখুন আর নিজেকে নিজেই বিচার করুন। আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করুন। আর কোনো কাজে ব্যর্থ হলে তার কারণ খুঁজতে চেষ্টা করুন। দেখবেন অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এরপর সফলতা অর্জন করাটা সহজ হয়ে যাবে।

 

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

Continue Reading

লাইফস্টাইল

শসার ৭ টি উপকারিতা

SA Bappy

Published

on

শসা আমাদের কাছে অতি পরিচিত একটি সবজি। এটি কাঁচা ও রান্না করা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়। বাংলাদেশের সব জায়গায় কমবেশি শসা পাওয়া যায়। এটি অনেক সুস্বাদু একটি সবজি। আমরা যেকোনো তৈলাক্ত খাবার খেলে তেল পরিশোষক হিসেবে শসা খেয়ে থাকি।শসা খাওয়ার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।আসুন শসা খাওয়ার কিছু উপকারী দিক সম্পর্কে জেনে নেই।

দেহের পানিশূন্যতা দূর করে

দেহের শতকরা ৯০ ভাগই পানি।যারা শসা খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য একটি সুবিধা হলো যে আপনারা কোথাও বেড়াতে গিয়ে হাতের কাছে পানি না পেলে বিকল্প হিসেবে শসা খেতে পারেন। এতে করে আপনার পিপাসার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। আপনার চেহারা হবে প্রাণবন্ত।

দেহে তাপের সমতা রক্ষা করে

অতিরিক্ত গরমের কারণে কিংবা আবহাওয়াগত কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া হয়।অস্বস্তির অনুভূতি হয়।এসময় শসা হতে পারে একটি বড় সমাধান। এসময় একটি শসা খেয়ে নিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিতে অনেক সময় ত্বকে কালচে ভাব পড়ে। এ অবস্থায় একটি শসা কেটে ত্বকে লাগিয়ে দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

দেহে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে

শসার পানি দেহের ক্ষতিকর টক্সিন এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।আমরা প্রতিদিন যে খাবারগুলো খাই এর উপকারিতার পাশাপাশি কিছু অপকারিতাও রয়েছে। উপকারী অংশ রক্তের মাধ্যমে পরিশ্রুত হয়ে দেহের কাজে লাগে এবং অপকারী অংশ টক্সিন বা বর্জ্য হিসেবে জমা হয়।শসা খেলে এই টক্সিনগুলো দূর হয়।

ভিটামিনের অভাব পূরণে

শসা নানারকম ভিটামিনের সমাহার। আমাদের দেহের জন্য যেসব ভিটামিন প্রয়োজন তার বড় একটি অংশ শসাতে বিদ্যমান।ভিটামিন এ,বি এবং সি হচ্ছে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ভিটামিন যা শসাতে সবসময়ই পাওয়া যায়। কোনো ব্যাক্তি প্রতিদিন শসা খেলে তার ভিটামিন এ,বি ও সি জনিত সমস্যা হবে না।

খনিজের যোগানদাতা

শসায় পটাশিয়াম,ক্যালশিয়াম,ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন থাকায় এটি দেহে প্রচুর পরিমাণে খনিজের যোগান দেয়। দেহে অন্যান্য ৫ টি উপাদানের পাশাপাশি খনিজও অপরিহার্য। যথার্থ খনিজের অভাবে দেহে গলগণ্ড রোগের সৃষ্টি হয়। কোনো ব্যাক্তি নিয়মিত শসা খেলে খনিজ জনিত জটিলতা দূর হবে।

হজম ও ডায়োড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

শসায় রয়েছে উচ্চমাত্রার পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরি যা স্থুল ব্যাক্তিদের স্লিম হতে সহায়তা করে। যারা ডায়োড নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান শসা তাদের জন্য একটি আদর্শ খাবার।

দৃষ্টিশক্তি সুদৃঢ় করে

এখানে একটি মজার ব্যাপার হলো শসায় ভিটামিন এ থাকায় এটি এমনিতেই চোখের জন্য উপকারী। আমরা সৌন্দর্যচর্চায় চোখে শসা কেটে লাগায় এতে করে চোখে জমাকৃত ময়লা দূর হয় এবং দৃষ্টিশক্তি সুদৃঢ় হয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে

শসাতে সিকোইসোলারিসিরেসোনোল,ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল থাকায় জরায়ু, স্তন ও মুত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করে।

এসব ছাড়াও শসার আরও নানা উপকারী দিক রয়েছে। আগেই বলেছি শসার উপকারী দিক বর্নণা করে শেষ করা যাবে না।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট