Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

বিনোদন

২০২০ সালে বাংলা সিনেমাতে পর্দা কাপাবে যে সিনেমাগুলো

Md Emon

Published

on

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা। সবাই  কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলেছি বাংলা চলচ্চিত্রে পর্দা কাপাবে যে সিনেমাগুলো।               সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বাজে বছর ছিল ২০১৯ সাল। প্রায় অর্ধশত ছবি মুক্তি পেলেও বছরটাতে লব্ধি তুলে আনতে পেরেছে মাত্র একটি ছবি।                                     তবে এ পরিস্থিতি নিয়ে আশাহত হচ্ছেন না চলচ্চিত্র প্রেম মানুষেরা। বেশ কয়েকটি মানসম্মত ছবির   মুক্তির অপেক্ষা রয়েছে নতুন এই বছরে।     এ সিনেমাগুলো মুক্তি পেলে চলচ্চিত্রের প্রতিষ্ঠান আবার ঘুরে দাঁড়াবে।                                             এ এমন প্রত‍্যাশা অনেকের। চলুন তাহলে বছরের শুরুতে জেনে নেই নতুন এই বছরে কোন সিনেমাগুলো নতুনভাবে সিনেমা হল কাপিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য কিভাবে ফিরিয়ে আনতে পারে।                                                                  বিশ্বসুন্দরী ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা চর্নিকা চৌধুরী প্রথমবারের মতো নির্মান করেছেন চলচ্চিত্র। তিনি তার ছবিতে প্রথমবারের মতো  পর্দায় জুটি হিসেবে আনতে চলেছেন সিয়াম ও পরিমনিকে।                                                          ছবির নাম বিশ্বসুন্দরী। ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন রুমমান রৌশিদ খান। চলচ্চিত্রটির আবহমান সঙ্গীতের দায়িত্বে আছেন সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক ইমন শাহা। গেল বছর ডিসেম্বরে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল ছবিটি।    কিন্ত আবহ সঙ্গীত ও দুইটা দেশের ডাবিং ছাড়াই প্রথম সেন্সরে আটকে গিয়েছিল নাট‍্যনির্মাতা চর্নিকা চৌধুরীর প্রথম চলচ্চিত্র। পাপপূন‍্য, মন গড়া সিনেমার পরিচালক ইয়াস উদ্দিন সেলিমের দ্বিতীয় সিনেমা পাপপূন‍্য সিনেমার মধ্যে দিয়ে দীর্ঘ দশ বছর পর সিনেমায় অভিনয় করছেন আফসানা মিমি।                                                               আবার এই সিনেমার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো দর্শক সিনেমায় দেখবেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফারজানা চুম্বিকে। আবার দশ বছর পর ইয়াস উদ্দিন সেলিম এর বড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার প্রাপ্ত চঞ্চল চৌধুরী। আরও আছেন শক্তিমান বাবু ফজলে রহমান। যে কারণে পাপপূন‍্য হয়ে উঠেছে দর্শকদের কাছে  জনপ্রিয় একটি সিনেমা।                            ইয়াস উদ্দিন সেলিম জানিয়েছেন সবগুলো কাজ ঠিক থাকতে ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই সিনেমাটি।                                                           বীর সাকিব খান ফিল্ম পরিচালিত তৃতীয় সিনেমা বীর। নির্মানের শুরু থেকে বীর আলোচিত। এই সিনেমার মাধ্যমে কাজি হায়াত পূর্ণ করতে যাচ্ছেন তার পঞ্চাশতম সিনেমাটি। ১২ ডিসেম্বর সকালে ছবির ফাস্টলুক প্রকাশের পর ছবিটি তুমুল ভাবে আলোচিত হয়।                                                   বীরের নায়িকাতে আছেন বুবলি। সিনেমাটির শুটিং শেষের শেষের দিকে।                                 মিশন এক্সট্রিম। গেল বছর আলোচনায় ছিল সানি সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদ পরিচালিত মিশন এক্সট্রিম। ছবিটি শুটিং শেষ হয়েছে বেশ আগে। ঢাকা, গাজীপুর, ডুবাইসহ আরও অনেক জায়গায় ছবিটির সুটিং সম্পন্ন হয়েছে।                 ছবিতে অভিনয় করেছেন আরেফিন শুভ ও ঐশী  সাদিনা লাবিনা।                                                  বিউটি সার্কাস। ২০২০ সালের মুক্তির প্রতিক্ষায় থাকা সবচেয়ে আলোচিত ছবির নাম বিউটি সার্কাস। মোহাম্মদ দিদা পরিচালিত ছবিটির সুটিং শুরু হয় ২০১৬ সালে। ২০২০ সালে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। ছবিতে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান এবং এবিএন শূভন।                                                                হাওয়া। ছোট পর্দার প্রশংসনীয় নির্মাতা। কক্সবাজার সেন্ট মার্টিন  জুড়ে সুটিং হয়েছিল হাওয়া। ছবিতে অভিনয় করেছেন চঞ্ছল চৌধুরী এবং নাজিবা তুসি।                                           হাওয়া প্রযোজনা করছে সান মিউজিক। পরান, রায়হান রাফি পরিচালিত তৃতীয় ছবি এটি। অভিনয় করেছেন শরিফুল হামীম, বিদ‍্যাসী মিম।   পরান সুটিং হয়েছে ময়মনসিংহে। টানা ৩১ দিন সুটিং করা হয় ছবিটি।                                          মেড ইন বাংলাদেশ, নির্মাতা রুবাইত হাসান নির্মিত তৃতীয় চলচ্চিত্র মেড ইন বাংলাদেশ। ছবিতে অভিনয় করেছেন নিকিতি নন্দিতা, এবং নবেরা হোসেন। ক‍্যাশিনো, সাকিব খানের বাইরে বুবলির প্রথম ছবি ক‍্যাশিনো। যেখানে নায়ক হিসেবে তিনি পেয়েছেন নীরবকে। এ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন সৈকত নাসির। নির্মাতা জানিয়েছেন মার্চে মুক্তি পেতে পারে ছবিটি। এ সিনেমাটি দেখার অপেক্ষায় ডালিউড। শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২, গেল বছর দূর্গা পূজায় শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২ বলে জানিয়েছেন পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস, কিন্তু পায়নি। পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস জানান, ছবির কাজ শেষ করে প্রযোজনা সংস্থাকে দিয়েছি। তারা ভালো দিনকন থেকে মুক্তি দিবে। জানা গেছে নতুন বছরে উৎসব দেখে মুক্তি দেওয়া হবে বাপ্পী ও অপু বিশ্বাসের এ ছবিটি। ধন‍্যবাদ সবাইকে।

Advertisement
8 Comments
Subscribe
Notify of
8 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Mohammad Ali HOSSEN

সুন্দর

Utsa Kumer

nc

Avijit Sharma

nice

Liyana Rasa

Nice

Shanjida Islam

Gd

Md Golam Mostàfa

ফালতু পোষ্ট

Marzia Rahman

good post

Nuha khan

hmm

বিনোদন

যেই ৫টি সিনেমা বিশ্ব কাঁপিয়েছিলো হলিউডের বাইরে থেকেও

Md. Ashif

Published

on

হলিউডের মারমার কাটকাট অ্যাকশন, থ্রিলার, রোমান্টিক, কমেডি কিংবা বিশাল বাজেটের সাইফাই সিনেমার বাইরেও যে বিশাল সিনেমার জগত আছে সেটা আমরা ক’জন জানি? তবে এটা স্বিকার করতে দ্বিধা নেই যে, বিশ্বের সবথেকে মেধাবি আর প্রতিভাবান পরিচালক, অভিনেতা কিংবা টেকনিশিয়ানরা কাজ করেন হলিউডে। বিগ বাজেটের সিনেমাগুলো এখানেই নির্মিত হয়। কিন্তু বাজেট বা ভালো অভিনয় এগুলোই কি শুধু ভালো সিনেমার প্রধান শর্ত? চলুন আজ হলিউডের বাইরে এমন ৫টা মাস্টার পিস সিনেমার গল্প আপনাদের শোনাবো যার পরে আপনি নিজেই বলবেন হলিউডের লোকজন আসলে সিনেমাই বানাতে পারেনা। আর এতদিন কি বোকার স্বর্গেই না বাস করেছেন এই সিনেমাগুলো না দেখে।

৫। দক্ষিণ করিয়ার সিনেমা “ট্রেন টু বুসান” কে দিয়েই শুরু করা যাক। ট্রেন ভর্তি একদল মানুষ। সবাই যাচ্ছে বুসান শহরে। একেকজনের একেকটা উদ্দেশ্য। বাচ্চা একটা মেয়ে বাবার সঙ্গে যাচ্ছে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। গর্ভবতী একজন মহিলা তার স্বামীর সাথে ভ্রমণ করছেন। হাইস্কুলের একটা বেসবল টিম ও আছে সাথে। আছে ঘরছাড়া একজন আধপাগল মানুষ। সেই ট্রেনেই হলো জম্বি অ্যাটাক। যাকেই কামড় দিচ্ছে সেই পরিণত হচ্ছে জম্বিতে। জীবন বাঁচাতে হলে পৌঁছাতে হবে বুসানে। কিন্তু বুসানে কি যেতে পারবে ট্রেনের আরোহিরা? নাকি তার আগেই খতম হয়ে যাবে? এমন চমৎকার একটি গণ্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে “ট্রেন টু বুসান” নামের সিনেমাটি। এক কথায় বলতে গেলে মাস্টারপিস। থ্রিলার সিনেমা বানানোর দিক থেকে হলিউড যে কোরিয়ানদের কাছে শিশু সেটা যেন প্রমাণ করে দিয়েছে সিনেমাটি। অসাধারণ নির্মাণ আর দুর্দান্ত অ্যাকশন আর থ্রিলার মিলে অন্যন্য হয়ে উঠেছে “ট্রেন টু বুসান”।

৪। এবার এক ভারতীয় সিনেমার গল্প। ভারতীয় মানেই কিন্তু বলিউড নয়। “বাহুবালী” হচ্ছে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা। একটা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা হয়েও পুরো ভারত কাঁপিয়েছে বাহুবালীর ২টা খণ্ড। ২য় টা তো পুরো ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমাই হয়ে গেছে। বিগ বাজেট, বড়-সড় স্টারকাস্ট আর কোটি কোটি রুপি খরচ করে দারুন সব লোকেশনে চমৎকার সেট বানিয়ে শুটিং করা হয়েছে সিনেমায়। বাহুবালি সিরিজ ভারতীয় সিনেমাকে অন্যরকম একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়েছে। যেসব ভিএফএক্স এর কাজ বাহুবালীতে দেখানো হয়েছে সেগুলো হলিউডেই দেখা যায়। বলিউডের জন্য লোকে একটাসময় ভারতীয় সিনেমাকে চিনত। এখন বাহুবালীর জন্য সেই যায়গাটা দখল করেছে দক্ষিণি সিনেমা।

৩। এবার এক বিখ্যাত বায়োপিকের কথা বলা যাক। অ্যাকশনের ভক্ত হলে ‘ইপম্যানের’ নাম শোনার কথা। চীনা এই ভদ্রলোক ছিলেন বিখ্যাত সুপারস্টার ব্রুস-লীর গুরু। ব্রুসলীকে মার্সাল আর্ট শিখিয়েছিলেন তিনি। সেই ইপম্যানের জীবনের গল্প নিয়েই তৈরী হয়েছে এই সিনেমা। সফলতার মুখ দেখায় একে একে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি সিকুয়্যাল। শুধু অ্যাকশন সিনেমা ভাবলেই ভুল করবেন, “ইপম্যান” আসলে একটা অন্যরকম জীবনসংগ্রামের গল্প। তুখার অ্যাকশন আর চাইনিজ মার্শাল আর্টের পাশাপাশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পাকে পড়ে সবকিছু হারিয়ে ফেলা একটা মানুষ কিভাবে ঘুরে দাড়ায় সেই গল্প বলা হয়েছে “ইপম্যানে”। সমাচলকরা দারুন প্রশাংসা করেছেন সিনেমাটার। চীনের নিয়ন্ত্রণে থেকেও হংকং এর সিনেমা যে কতদুর এগিয়ে গেছে সেটা বোঝার জন্য এক ‘ইপম্যান’ই যথেষ্ট।

২। এবার বলব এক ইন্দোনেশিয়ান অ্যাকশন ফিল্মের কথা। সন্ত্রাসী আর মাফিয়াদের ডেরায় হানা দিয়ে বেড়ানো সোয়াটের একটা দল আচমকায় এক মাফিয়া লিডারের আস্তানায় গিয়ে ফাঁদে পড়ল। সন্ত্রাসী আর মাফিয়াসের সেই আড্ডা থেকে প্রাণ নিয়ে ফেরার অসাধারণ এক গণ্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটা। অনেকের চোখেই মার্শাল আর্ট আর ফিজিক্যাল ভায়োলেট নিয়ে এযাবৎকালের সেরা সিনেমা হচ্ছে “দি রেইড”। এই সিনেমা মুক্তির পরে এতই জনপ্রিয় হয়েছিল যে হলিউডের বিখ্যাত সনি পিকচারস নেটওয়ার্ক চড়া দামে সিনেমাটার শর্ত কিনে নিয়েছিল। পরের কিস্তিটার প্রযোজনাও করেছিল তারা। ভাবুন সিনেমার শক্তি থাকলে স্বয়ং হলিউড ই এসে ধরা দেবে আপনার কাছে।

১। প্রিয় পাঠক, কোটি কোটি টাকা তো দিতে পারবোনা আপনাকে, তবে ক্রাইম থ্রিলালের ভক্ত হয়ে থাকলে “এলিট স্কোয়াড” সিরিজের সিনেমাটা যে কারো জন্য দেখা অনস্বিকার্য। বিশেষ করে “এলিট স্কোয়াড” দ্যা এনিমি উথিন সিনেমাটা তো দেখতেই হবে। তবে প্রথম সিনেমা “এলিট স্কোয়াড” না দেখলে গল্প বা চরিত্র বুঝতে একটু অসুবিধা হতে পারে। ব্রাজিলিয়ান এই সিনেমার গল্প এগিয়েছে রিয়োডি জিনিয়েরো শহরে। সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশেষ পুলিশ বাহিনীর মারাত্মক অসাধারণ মিশন। তবে সিনেমাটা দেখার পর অনেকক্ষণ মাথা ঘোরাবে আপনার। অবাক হয়ে ভাববেন কী দেখলাম এতক্ষণ? ২ ঘণ্টা খরচ করে সিনেমাটা দেখলে সময়টা নষ্ট হবেনা সেই গ্যারান্টি দিচ্ছি। টানটান উত্তেজনা সিনেমার সাথে রয়েছে খুবই শক্তিশালি সিনেমার গল্প। ব্রাজিলের শুধু নেইমার, রোনালদোকে তো চিনলেই হবেনা? তাদের সিনেমাকেও তো চিনতে হবে?

বন্ধুরা আগামি দিনে হাজির হবো আরো ৫ টি মারাত্মক সিনেমা নিয়ে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন সেই কামনা করছি।

Continue Reading

বিনোদন

ফেসবুকে যেভাবে চালু করবেন “কেয়ার ইমোজি”??

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

“কেয়ার ইমোজি”নামে একটা নতুন ইংরেজি চালু করেছে ফেসবুক। গুগল প্লে স্টোর থেকে ফেসবুক অ্যাপ নতুন করে আপডেট করে এই কেয়ার ইমোজিটি উপভোগ করতে পারবেন।

করোনা ভাইরাসের মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর হয়ে পড়েছে। আমরা যেকোনো তথ্য খবরা-খবর সবার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে পেয়ে থাকি। এই মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নতুন একটি রিএকশন ইমোজি চালু করেছে। সাধারণত মেসেঞ্জার এবং ফেসবুক অ্যাপ এর মাধ্যমে এই নতুন ইমোজি ব্যবহার করা যাচ্ছে।

ফেসবুক এই নতুন ইমোজি চালু করল কেন?

ফেসবুক মেসেঞ্জারে আরো একাধিক কেয়ার ইমোজি প্রস্তুত করা হয়েছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়,করোনায় এই কঠিন সময়ে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবার পরিজনের প্রতি আরও সহজে সহানুভূতি এবং সমর্থন জানানোর জন্যই এই নতুন ইমোজি চালু করেছে বলে জানায় ফেসবুক।

আগে ফেসবুকে মেসেঞ্জারে অনেকগুলো ইমোজি রয়েছে বিশেষ করে লাইক,লাভ,ওয়াও,হাহাহা,দুঃখ ও রাগের অনুভূতি প্রকাশ করা হতো কিন্তু এবারে মানুষের সহানুভূতি এবং সমর্থন জানানোর জন্য ফেসবুক নিয়ে এলো কেয়ার ইমোজি।

আপনারা যদি এই কেয়ার ইমোজি না পেয়ে থাকেন এখনই আপনার ফেসবুক এবং মেসেন্জার নতুন করে আপডেট করে নিন তাহলে এই ইমোজি অটোমেটিক চলে আসবে আপনার মোবাইলে।

ধন্যবাদ।

Continue Reading

বিনোদন

বন্ধুর বিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস

নিঃস্বার্থ পথিক

Published

on

বিয়ে মানুষের জীবনে একবারই হয়। বিয়ে প্রতিটা মানুষের জীবনে খুবই আবেগময় এবং অত্যন্ত স্মৃতিময় একটি দিন কেননা বিয়ের দিনের অনুভূতি অন্যান্য দিনের থেকে একদমই আলাদা। তাইতো বন্ধু-বান্ধব পাড়াপড়শি থেকে শুরু করে সবাই চারদিকে এক ধরনের হৈচৈ পড়ে যায়। নিজের পরিচিত আপনজন বন্ধুবান্ধব বিয়ে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করে বসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে তারা শখের বশে হোক কিংবা কিছুটা দুষ্টামি করে নানা রকম মজার মজার স্ট্যাটাস দেন তো বন্ধুরা আসুন তাহলে জেনে নেই সেরকম বন্ধুর বিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস।

* বন্ধু তাহলে কী বিয়ে করে ফেললা, এবার নিশ্চয়ই তোর আপন বন্ধুদেরকে ভুলে যাবে তাই না?

* বন্ধু আমারও মন চায় তোর মতো আমিও বিয়ে করে ফেলি কিন্তু মনের মত মেয়ে যে পাইলাম না রে…

*বন্ধু বিয়ে তো করতে যাচ্ছিস, জেল থেকে আমি বলছি ই।

*খাট টা বদ্ধ বেশি শব্দ করে কালকেই নাটগুলোকে খাঁটি সরিষার তেল দিতে হবে

*আহারে বিয়ে করে বেচারার জীবনটা পানসে হয়ে গেল সব রুটিনমাফিক এখন।

*যাক বন্ধু অবশেষে তো একজন ঘর গোছানোর মানুষ পেয়ে গেলি

*বন্ধু, তুই ঘুমানোর সময় যে নাক ডাকিস, আমার মনে হয় বাসর রাতে মেঝেতে ঘুমাতে হবে তোর

*বন্ধু বিয়ের প্রথম রাতেই ঠিকভাবে বিড়াল মারতে শেখো তা না হলে কিন্তু পরে পস্তাতে হবে।

*বন্ধু, তুমি তো কালকে থেকে বিবাহিত পুরুষ। দুঃখ রইলো মনে তোর সাথে আর কোনদিন গালগল্প হবে নারে।

* উফ্ফ্… বন্ধু তোমার বিয়ে আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না।

*বন্ধু বিয়ের পর আমাদের ভুলে যাস না,আমাদের মনে রাখিস।

* বিয়ে করতে যাচ্ছিস, তোর পুরনো প্রেম সখিনার কি হবে গো?

* বন্ধু অবশেষে তো খুব সুন্দর একটা বউ ফেলি, তুমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান।

* তুই কি জানিস তুই যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছিস, তাকে নিয়ে আমি একসময় গভীর প্রেমে মগ্ন ছিলাম।

* দোয়া করি বন্ধু তোদের চিরজীবনের বন্ধন যেন অটুট থাকে।

*ভাবিকে কিন্তু দেখতে খুবই জটিল অবশ্যই তোমার সাথে মানায়নি, আমার সাথে ভালো মানাতো।

* দোস্ত, তোমার শ্যালিকাকে , আমরা দুজন বন্ধু থেকে ভাইরাভাই হবো।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

Mojammal Haque
অনুরোধ
Saleh Mohammed
কমেন্ট