Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

প্রোগ্রামিং

HTML বেসিক টিউটোরিয়াল সিরিজ। পার্ট 2

MD Zahirul Islam

Published

on

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন আল্লার রহমতে আমি অনেক ভালো আছি আজকে আপনাদের সামনে হাজির হলাম এইচটিএমএল বেসিক টিউটোরিয়াল সিরিজ পার্ট 2 নিয়ে।

 

নিচে একটা সাধারন এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেয়া হল এবং এর প্রতিটি অংশের বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে ।

1. <!DOCTYPE html>
2. <html>
3. <head>
4. <title>ekhane title thakbe</title>
5. </head>
6. <body>
7. <h1>Webcoachbd demo heading</h1>
8. <p>demo content goes here.</p>
9. </body>
10. </html>

প্রথম লাইনটি <!DOCTYPE html> হচ্ছে ডকুমেন্টটি কি ধরনের তা(ব্রাউজারকে) বোঝানোর জন্য দেয়া হয়। এইচটিএমএল এর কোন ভার্সন ব্যবহার করবেন সেটার উপর ভিত্তি করেই এই ডিক্লেয়ারেশন টি দেয়া হয়। html এর অনেকগুলো ভার্সন আছে যেহেতু আমরা html5 ব্যবহার করতেছি তাই আমরা<!DOCTYPE html> ব্যবহার করব। যেমন উপরের ডকুমেন্ট টি এইচটিএমএল ৫ এর একটি ডকুমেন্ট ।

html এর অনেক গুল ভার্সন আছে এখন HTML5 আসার পর এগুলি আর সাধারনত ব্যবহার করেনা। HTML 5 বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। যাইহোক এটা খুব গুরত্বপূর্ন কিছু নয় যাই হোক ।

আমরা যেকোন একটা এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেখি সেখানে অবশ্যই ট্যাগ থাকে। যেমন নিচের ডকুমেন্ট টি দেখুন এখানে <html>, <head>, <body> ইত্যাদি এক একটি ট্যাগ।

সোজা কথায় less than (<) চিহ্ন এবং greater than (>) চিহ্ন দিয়ে মোড়ানো একটা শব্দকে (যেটা এইচটিএমএল অনুমোদিত) ট্যাগ বলে। যেমন html শব্দটি এই দুই চিহ্ন দিয়ে মুড়িয়ে যখন HTML  ডকুমেন্টে লিখি তখন এটার নাম html ট্যাগ। এরুপ শত শত ট্যাগ আছে এইচটিএমএল এ।
যেমন:প্যারাগ্রাফ ট্যাগ <p></p>
হেডিং <h1></h1> ট্যাগ ইত্যাদি।

1. <!DOCTYPE html>
2. <html>
3. <head>
4. <title>ekhane title thakbe</title>
5. </head>
6. <body>
7. <h1>Webcoachbd demo heading</h1>
8. <p>demo content goes here.</p>
9. </body>
10. </html>

প্রায় সব ট্যাগেরই একটা সমাপ্তি ট্যাগ থাকে।
যেমন উপরে <html> ট্যাগটির সমাপ্তি ট্যাগ (closing tag ) হচ্ছে </html> আবার <h1> এর ক্লজিং ট্যাগ হল </h1> এভাবে বাকি সবগুলি।

শুরুর ট্যাগটিকে বলে opening tag বা start tag আর শেষের ট্যাগটিকে বলে closing tag  বা end tag. দুটোই একই শুধু ক্লজিং ট্যাগে একটা ব্যাকস্লাস (/) চিহ্ন বেশি থাকে।

এই ওপেনিং এবং ক্লজিং ট্যাগের ভিতর কনটেন্ট দিতে হয়। যেমন উপরে দিয়েছি।

এই ট্যাগই হচ্ছে এইচটিএমএল এর মুল জিনিস। শত শত ট্যাগ আছে, যত বেশি মনে রাখতে পারবেন ততই দ্রুত কাজ করতে পারবেন। তবে অনেকদিন ধরে কাজ করলে বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় ট্যাগগুলি মুখস্থই থাকে।

কিছু কিছু ট্যাগ আছে এগুলির ক্লজিং ট্যাগ নেই যেমন input ট্যাগ, image ট্যাগ ইত্যাদি। এই ট্যাগগুলি সামান্য একটু ভিন্ন। এগুলি সম্পর্কে আমরা পরবর্তী টিউটোরিয়ালে শিখব।

1. <!DOCTYPE html>
2. <html>
3. <head>
4. <title>ekhane title thakbe</title>
5. </head>
6. <body>
7. <h1>Webcoachbd demo heading</h1>
8. <p>demo content goes here.</p>
9. </body>
10. </html>

উপরে যে ডকুমেন্টটি দিয়েছি সেখানে <html></html> কে বলে প্যারেন্ট ট্যাগ। এবং এর ভিতরে যে ট্যাগ গুলো থাকে তাকে বলা হয় চাইল্ড ট্যাগ।
সোজা কথায় যার ভেতরে যে থাকবে তাকে বলা হয় চাইল্ড এক রং যার ভেতরে থাকবে তাকে বলা হয় প্যারেন্ট ট্যাগ। এখানে এইচটিএমএল ট্যাগ কে যদি প্যারেন্ট ট্যাগ ধরি তাহলে এর ভিতরের ব্যবহৃত ট্যাগগুলি হল এর চাইল্ড ট্যাগ। একইভাবে head ট্যাগের চাইল্ড ট্যাগ হল title ট্যাগ কিন্তু title ট্যাগের কোন চাইল্ড ট্যাগ নেই। আবার দেখুন body হল প্যারেন্ট ট্যাগ এবং এর চাইল্ড ট্যাগ এখানে p এবং  h1 আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন।

তো যাদের কাছে ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ নাই তারা কিভাবে শিখবেন তাদের জন্য এর আগে আমি একটি পোস্ট করেছি আপনারা চাইলে সে পোস্টে পড়ে আসতে পারেন এখান থেকেhttps://grathor.com/মোবাইল-দিয়ে-

ওয়েব-ডিজাই/

তো আজকের টিউটরিয়াল এই পর্যন্তই পরবর্তী টিউটোরিয়ালে আমন্ত্রণ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Advertisement
6 Comments

6 Comments

  1. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 29, 2020 at 8:58 am

    nice

  2. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 29, 2020 at 9:54 am

    Good

  3. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 29, 2020 at 10:39 am

    মাথায় ঢুকলও না কিছুই।

  4. Maria Hasin Mim

    Maria Hasin Mim

    May 29, 2020 at 12:02 pm

    Valo

  5. MD Zahirul Islam

    MD Zahirul Islam

    May 31, 2020 at 2:13 pm

    মাথায় ঢুকতে হবে না, একটু সময় নিয়ে পড়ুন কি পড়তাছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করুন এবং পরবর্তী পোস্টগুলো ফলো করুন আশাকরি বুঝতে পারবেন।

  6. Rehana Akther

    Rehana Akther

    June 12, 2020 at 7:10 pm

    gd

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

প্রোগ্রামিং

নেটওয়ার্ক টপোলজি এর সকল বর্ণনা বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো এই পোষ্টের মাধ্যমে।

Mehedi Hassan

Published

on

আসসালামু আলাইকুম

ধন্যবাদ সকলকে আমার পোস্টটি তে agree করার জন্য,,,,

আমরা জানি প্রত্যেকটি নেটওয়ার্ক কিছু কম্পিউটার বা হোস্ট এর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে যারা একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে তথ্য আদান প্রদান করে । নেটওয়ার্ক টপোলজি হল এমন একটি বিষয়, যাতে নেটওয়ার্ক প্রত্যেকটি হোস্ট বা ডিভাইস সমুহ কিভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকবে সেই সিস্টেমকে বুঝায় ।

টপোলজিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
বাস টপোলজি (Bus Topology)
স্টার টপোলজি (Star Topology)
রিং টপোলজি (Ring Topology)
মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
নিন্মে এই টপোলজি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

বাস টপোলজি (Bus Topology): বাস টপোলজিতে একটি ব্যাকবোন ক্যাবল থাকে এবং এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত থাকে । এই প্রকার নেটওয়ার্ক গঠন করা থুব সহজ এবং এত থরচ কম হয় । এই প্রকার নেটওয়ার্কএ যখন কোন কম্পিউটার ডাটা পাঠায় তখন, যে কম্পিউটার এর কাছে ডাটা পাঠানো হয়েছে, সে ডাটা গ্রহন করবে। এই সময় অন্য কোন কম্পিউটার ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে না । এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর দুই পাশে দুটি টারমিনেশন ব্যবহার করা হয় যাতে করে ডাটা কলিশন না ঘটে।
রাইহান
স্টার টপোলজি (Star Topology): স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রয়ন অংশ থাকে যাকে বলা হয় হাব বা সুইচ। এ্রর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত।স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ বা বর্ধিত করা সহজ কিন্তু কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে হয়ে গেলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে পড়ে।
রাইহান

রিং টপোলজি (Ring Topology): রিং টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একটি বৃত্তের ন্যায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে । এখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে এমন ভাবে যুক্ত থাকে যে তারা একটি রিং বা লুপের সৃষ্টি করে । এই টপোলজিতে কোন শুরু বা শেষ প্রান্ত থাকে না । এই নেটওয়ার্কএ হোস্ট সমুহ একটি বৃত্তকার পথে পরস্পর এর সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গঠন করে । এখানে কোন হোস্ট অন্য কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠালে পরের হোস্ট এর কাছে যাবে, ডাটাটি যদি তার কাছে না পাঠানে হয় তবে সে ডাটাটিকে পরের হোস্ট এর কাছে পাঠায়ে দিবে । এভাবে ডাটাটি প্রত্যেকটি হোস্ট এর কাছে যেতে খাকবে যতক্ষন না তা নির্ধারিত হোস্ট এর কাছে না যায় ।
রাইহান
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): মেষ টপোলজিতে নেটওয়ার্কএ যুক্ত প্রত্যেকটি হোস্ট একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে । যেকোন হোস্ট সরাসরি যে কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠাতে পারে ।এই ধরনের টপোলজি ইন্সটলেশন ও কনফিগারেশন বেশ জটিল। ব্যস্তবে এই ধরনের টপোলজি থাকে না বললেই চলে ।
রাইহান

ট্রি টপোলজি (Tree Topology): স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ হচ্ছে ট্রি টপোলজি। এই টপোলজিতে একাধিক কানেক্টিং ডিভাইস হিসেবে হাব বা সুইচ ব্যবহার করে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল কম্পিউটারকে একটি বিশেষ স্থানে সংযুক্ত করা হয়। একে বলা হয় সার্ভার ভা রুট। ট্রি সংগঠনে এক বা একাধিক স্তরে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো রুট এর সাথে যুক্ত থাকে।
রাইহান
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): হাইব্রিড টপোলজি হল বিভিন্ন ধরনের টপোলজির সংমিশ্রন । এই টপোলজি স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত হয় বলে একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরণের নেটওয়ার্কই সংযুক্ত আছে।
রাইহান

thanks for you….

wach my post……

thank you vary much.

 

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

সি প্রোগ্রামিং ভাষা টিউটোরিয়াল পার্ট(৫)

Arman Hossan

Published

on

আমরা সি প্রোগ্রামের মৌলিক বিষয়সমূহ জেনেছি।আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার আরেকটু গভীরে যাব।প্রোগ্রাম রচনা করার জন্য প্রথমেই একটি খসরা প্রোগ্রাম করে নিতে হয়।একে অ্যালগরিদম বলে। আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার বিভিন্ন প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম নিয়ে আলোচনা করব।প্রথমেই আমি যে প্রোগ্রামটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে তিনটি ধনাত্নক পূর্ণ সংখ্যার যোগফল নির্ণয়।তো চলুন কথা না বাড়িয়ে অ্যালগরিদমে চলে যাই।
অ্যালগরিদমঃঃ-
১।শুরু করি।
২।ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যার মান গ্রহন করি এবং তা তিনটি চলকে রাখি।
৩।তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং তা নতুন চলকে রাখি।
৪।ফলাফল হিসেবে নতুন চলকের মান প্রদর্শন করি।
৫।প্রোগ্রাম শেষ করি।
তিনটি ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যার গড় নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যা গ্রহণ করে এবং তা তিনটি চালকে রাখি।
৩। তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং আরেকটি নতুন চলকে রাখি।
৪। নতুন চলককে 3 দ্বারা ভাগ করি তা আরেকটি চালকে রাখি।
৫। ফল হিসেবে নতুন চলক এর মান প্রদর্শন করি।
৬।শেষ করি।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার আলগরিদমঃ-
১।শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ r এর মান গ্রহণ করি।
৩।Area=π*r*r ব্যবহার করেArea এর মান গ্রহণ করি।
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে ত্রিভুজের ভূমি এবং উচ্চতা এর মান গ্রহণ করে এবং তা দুইটি ভিন্ন চালক b,h এ রাখি।
৩।Area=1/2*b*h
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।

বি.দ্রঃ দয়া করে কেউ রিয়েক্ট করবেন না।আমি প্রথমে অ্যালগরিদম সম্পর্কে আলোচনা করছি পরবর্তীতে এদের সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করবো এবং ইহার ব্যাখ্যা করব।কারণ সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করার আগে অ্যালগরিদ, প্রোগ্রামের বিভিন্ন ফাংশন, কিওয়ার্ড, এক্সপ্রেশন, স্টেটমেন্ট,অপারেটর, অপারেন্ড ইত্যাদি জানা প্রয়োজন।তাই ধারাবাহিকভাবে আমরা সব গুলোই শিখবো।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

প্রোগ্রামিং শেখার দুটি জায়গা

Shahriair Lemon

Published

on

আমরা অনেকেই প্রোগ্রামিং বিষয়টা শুনলেই কেমন জানি মনে পড়ে থাকি যে এটা অনেক কঠিন, অনেক গভীর বিষয়। হে আসলেই প্রোগ্রামিং কিন্তু একটা গভীর বিষয়। আমরা যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ল্যাপটপ টা ইউজ করি সেটাও কিন্তু প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে তৈরি করা। আমরা পিসিতে যে উইন্ডোজ ব্যবহার করি ওটাও কিন্তু কোন না কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে লেখা। আসলে আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই প্রোগ্রামিং।

প্রোগ্রামিং শেখাটা অনেক ধৈর্যের একটা বিষয়। অনেকেই কিছুদূর শিখে আবার হাল ছেড়ে দেয়। আজকে কথা বলব আমরা প্রোগ্রামিং কেমন করে শিখতে পারি এবং কোন কোন জায়গায় শিখতে পারি।আসলে অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার পছন্দমত প্রোগ্রামিং ভাষা সিলেক্ট করে তারপর শিখতে পারেন। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে হল C programming, C sharp, python, java, C++, JavaScript etc.

আচ্ছা শুরু করি…

১. আমরা যারা লেখাপড়া খুব বেশি পছন্দ করি না তারা যদি প্রোগ্রামিং শিখতে চায় তাহলে তারা বিভিন্ন আইটি সেন্টারে গিয়ে শিখতে পারে বিভিন্ন কোর্স করে শিখতে পারে।

২.আর একটা মাধ্যম আছে আমাদের যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করি যেমন Duet,Buet,kuet ইত্যাদি। সেখানে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামার হতে পারি বা সেখান থেকে শিখতে পারি।

৩. আর একটা মাধ্যম আছে টিউটেরিয়াল । আসলে টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামিং শিখতে পারবো না। শুধুমাত্র কোন বিষয়ে সাহায্য নেওয়ার জন্য আমরা টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারবো। কিন্তু শুধু টিউটোরিয়াল দেখে কোনো প্রফেশনাল প্রোগ্রামার হয়ে যাব এটা চিন্তা করা আসলে আদৌ কোন ভাল মানুষের কাজ হতে পারেনা।

আসলে প্রোগ্রামিং বিষয়টা আসলেই একটা মজার বিষয় যদি আপনি ভালো করে শিখতে পারেন। আরও যদি ভালো করে শিখতে না পারেন তাহলে বুঝবেন যে আসলে খুবই কঠিন।আল্লাহ রব্বুল আলামিন পৃথিবীতে আমাদের কষ্ট হবে এবং শিখতে পারবো না এমন কোন কাজ দিয়ে পাঠান নি। তাই আমাদের উচিত সব কাজেই একেবারেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তাহলে কেবল সফলতা অর্জিত হবে। আসলে চেষ্টা ছাড়া কোন কিছুই হয় না।

আমরা যদি সত্যি কারের কোন প্রোগ্রামিং সেক্টরে কাজ বা প্রোগ্রামার হতে চাই । তাহলে উপরের দুটি সিস্টেম ছাড়া অন্য কোন সিস্টেমে আপনারা ভালো কোন প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। আর কেউ যদি বলে যে আমরা খুব তাড়াতাড়ি অল্প সময়ের মধ্যেই আপনাকে ভালো কোন প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য সাহায্য করব । আসলে যারা কিন্তু ভুল বলে থাকে। তারা কিন্তু আপনাকে ঠকাবে । তাই খুব সতর্ক থাকবেন সবদিক দিয়ে। যা কিছু করবেন কনফার্ম হয় করবেন। তবে হ্যাঁ আপনি পরামর্শ নেবেন সবার কাছ থেকেই কিন্তু সিদ্ধান্তটা হবে আপনার।

আশা করি বুঝতে পারছেন। আবারো হাজির হব অন্য কোন টিপস নিয়ে । সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন , সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading