Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

প্রোগ্রামিং

HTML বেসিক টিউটোরিয়াল সিরিজ পার্ট 1

MD Zahirul Islam

Published

on

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমি অনেক ভালো আছি।

আজকে থেকে শুরু করতে যাচ্ছি নতুন এক টিউটোরিয়াল সিরিজ এতে থাকছে HTML-5 এর বেসিক ধারণা

( A-2-Z )

এবং আজকে এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল সিরিজের পার্ট ((1))

আজকের এই টপিকে থাকছে:-
এইচটিএমএল নিয়ে অসাধারণ আলোচনা।
• ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট কি??
• সার্ভার কি??
• ডোমেইন নেম কি??
• ওয়েব হোস্টিং কি??
• এইচটিএমএল কি??
• এইচটিএমএল কি কাজে লাগে যা যা প্রয়োজন হবেঃ
• ওয়েব ডিজাইনের জন্য এইচটিএমএল কি যথেষ্ট??
তো চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল টপিকে যাওয়া যাক

সাধারণ আলোচনা:

এইচটিএমএল হলো ওয়েব ডিজাইন এর মূল ভিত্তি যা দিয়ে ওয়েব পেজ তৈরি করা হয় আপনি যদি একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই এইচটিএমএল সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এইচটিএমএল কঠিন কোন বিষয় না নিয়মিত 1 সপ্তাহ অনুশীলন করলেই ভালোভাবে আয়ত্ত করা সম্ভব স্টাইল নিয়ে আলোচনার পূর্বে মৌলিক কতগুলো বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হলো।
ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট কি: ওয়েব ডিজাইন বলতে বুঝায় ওয়েবসাইটের আউটলুক অর্থাৎ বাহ্যিক রূপ তৈরি করা। এর জন্য দরকার হবে HTML , CSS , Photoshop.
ওয়েব ডেভলপমেন্ট বলতে বুঝায় ওয়েব প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা। এর জন্য আপনাকে জানতে হবে Php,Javascript, Xml,Database, Framework.

 

ওয়েব সার্ভার কি??
ওয়েব এর যাবতীয় কনটেন্টগুলো যে শক্তিশালী ও বিশাল স্টরেজ সুবিধাসম্পন্ন কম্পিউটার রাখা হয় অর্থাৎ যেখানে ওয়েবসাইটের হোস্ট করা হয় তাকে বলা হয় ওয়েবসার্ভার বলা হয়।
ডোমেইন নেম কি??
আপনার ওয়েবসাইটকে যে নামে সারা বিশ্বের মানুষ জানবে অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের নাম হল ডোমেন নেম।

 

ওয়েব হোস্টিং কি??
ওয়েব সার্ভারে ওয়েবসাইটকে রাখার জন্য যে পরিমান জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয় তাকে ওয়েব হোস্টিং হোস্টিং হলো অনলাইন স্টোরেজ যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে টাকার বিনিময় আপলোড করতে পারেন।

 

HTML কি কি কাজে লাগে??
এইচটিএমএল লেখার জন্য আলাদা কোন এডিটর সফটওয়্যার ব্যবহার না করলেও হবে আপনার কম্পিউটারে নোটপ্যাড নামের যে টেক্সট এডিটর আছে সেখানে কোড লিখতে পারেন এবার এইচটিএমএল কোড কে রান করানোর জন্য আপনার যেকোনো একটি প্রয়োজন হলেই হবে।

ওয়েব ডিজাইনের জন্য এইচটিএমএল কি যথেষ্ট??

না ওয়েব ডিজাইনের জন্য HTML যথেষ্ট না HTML ব্যবহার করে আপনি শুধুমাত্র ওয়েব পেজের লেআউট ও কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন এরপর CSS ব্যবহার করে ওয়েব পেজে বিভিন্ন স্টাইল ব্যবহার করতে পারেন। এরপর ডাটা বহন ও সংরক্ষণের জন্য জানতে হবে XML . এরপর javascript ব্যবহার করে এপ্লিকেশন তৈরী করলে পেজটি ডায়নামিক হওয়া শুরু করবে। এরপর ওয়েব প্রোগ্রামিং হিসেবে PHP এবং যেকোন একটি ডাটাবেজ যেমন Mysql শিখলে আপনার পেজটি পুরোপুরি ডায়নামিক হবে একজন ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে উপরের বিষয়গুলো ক্রমানুসারে ভালোভাবে জানতে হবে।


এই ছিল আজকের টপিক পরবর্তী টপিকের আমন্ত্রণ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ

Advertisement
4 Comments

4 Comments

  1. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    May 29, 2020 at 9:00 am

    nice

  2. Md Ruhul Amin

    Md Ruhul Amin

    May 29, 2020 at 9:55 am

    Good

  3. Md Golam Mostàfa

    Md Golam Mostàfa

    May 29, 2020 at 10:40 am

    আশা করি পরবর্তি পোষ্ট থেকে কিছু শিখতে পারবো

  4. Maria Hasin Mim

    Maria Hasin Mim

    May 29, 2020 at 12:03 pm

    Vqlo

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

প্রোগ্রামিং

নেটওয়ার্ক টপোলজি এর সকল বর্ণনা বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো এই পোষ্টের মাধ্যমে।

Mehedi Hassan

Published

on

আসসালামু আলাইকুম

ধন্যবাদ সকলকে আমার পোস্টটি তে agree করার জন্য,,,,

আমরা জানি প্রত্যেকটি নেটওয়ার্ক কিছু কম্পিউটার বা হোস্ট এর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে যারা একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে তথ্য আদান প্রদান করে । নেটওয়ার্ক টপোলজি হল এমন একটি বিষয়, যাতে নেটওয়ার্ক প্রত্যেকটি হোস্ট বা ডিভাইস সমুহ কিভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকবে সেই সিস্টেমকে বুঝায় ।

টপোলজিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
বাস টপোলজি (Bus Topology)
স্টার টপোলজি (Star Topology)
রিং টপোলজি (Ring Topology)
মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
নিন্মে এই টপোলজি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

বাস টপোলজি (Bus Topology): বাস টপোলজিতে একটি ব্যাকবোন ক্যাবল থাকে এবং এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত থাকে । এই প্রকার নেটওয়ার্ক গঠন করা থুব সহজ এবং এত থরচ কম হয় । এই প্রকার নেটওয়ার্কএ যখন কোন কম্পিউটার ডাটা পাঠায় তখন, যে কম্পিউটার এর কাছে ডাটা পাঠানো হয়েছে, সে ডাটা গ্রহন করবে। এই সময় অন্য কোন কম্পিউটার ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে না । এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর দুই পাশে দুটি টারমিনেশন ব্যবহার করা হয় যাতে করে ডাটা কলিশন না ঘটে।
রাইহান
স্টার টপোলজি (Star Topology): স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রয়ন অংশ থাকে যাকে বলা হয় হাব বা সুইচ। এ্রর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত।স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ বা বর্ধিত করা সহজ কিন্তু কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে হয়ে গেলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে পড়ে।
রাইহান

রিং টপোলজি (Ring Topology): রিং টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একটি বৃত্তের ন্যায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে । এখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে এমন ভাবে যুক্ত থাকে যে তারা একটি রিং বা লুপের সৃষ্টি করে । এই টপোলজিতে কোন শুরু বা শেষ প্রান্ত থাকে না । এই নেটওয়ার্কএ হোস্ট সমুহ একটি বৃত্তকার পথে পরস্পর এর সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গঠন করে । এখানে কোন হোস্ট অন্য কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠালে পরের হোস্ট এর কাছে যাবে, ডাটাটি যদি তার কাছে না পাঠানে হয় তবে সে ডাটাটিকে পরের হোস্ট এর কাছে পাঠায়ে দিবে । এভাবে ডাটাটি প্রত্যেকটি হোস্ট এর কাছে যেতে খাকবে যতক্ষন না তা নির্ধারিত হোস্ট এর কাছে না যায় ।
রাইহান
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): মেষ টপোলজিতে নেটওয়ার্কএ যুক্ত প্রত্যেকটি হোস্ট একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে । যেকোন হোস্ট সরাসরি যে কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠাতে পারে ।এই ধরনের টপোলজি ইন্সটলেশন ও কনফিগারেশন বেশ জটিল। ব্যস্তবে এই ধরনের টপোলজি থাকে না বললেই চলে ।
রাইহান

ট্রি টপোলজি (Tree Topology): স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ হচ্ছে ট্রি টপোলজি। এই টপোলজিতে একাধিক কানেক্টিং ডিভাইস হিসেবে হাব বা সুইচ ব্যবহার করে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল কম্পিউটারকে একটি বিশেষ স্থানে সংযুক্ত করা হয়। একে বলা হয় সার্ভার ভা রুট। ট্রি সংগঠনে এক বা একাধিক স্তরে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো রুট এর সাথে যুক্ত থাকে।
রাইহান
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): হাইব্রিড টপোলজি হল বিভিন্ন ধরনের টপোলজির সংমিশ্রন । এই টপোলজি স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত হয় বলে একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরণের নেটওয়ার্কই সংযুক্ত আছে।
রাইহান

thanks for you….

wach my post……

thank you vary much.

 

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

সি প্রোগ্রামিং ভাষা টিউটোরিয়াল পার্ট(৫)

Arman Hossan

Published

on

আমরা সি প্রোগ্রামের মৌলিক বিষয়সমূহ জেনেছি।আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার আরেকটু গভীরে যাব।প্রোগ্রাম রচনা করার জন্য প্রথমেই একটি খসরা প্রোগ্রাম করে নিতে হয়।একে অ্যালগরিদম বলে। আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার বিভিন্ন প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম নিয়ে আলোচনা করব।প্রথমেই আমি যে প্রোগ্রামটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে তিনটি ধনাত্নক পূর্ণ সংখ্যার যোগফল নির্ণয়।তো চলুন কথা না বাড়িয়ে অ্যালগরিদমে চলে যাই।
অ্যালগরিদমঃঃ-
১।শুরু করি।
২।ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যার মান গ্রহন করি এবং তা তিনটি চলকে রাখি।
৩।তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং তা নতুন চলকে রাখি।
৪।ফলাফল হিসেবে নতুন চলকের মান প্রদর্শন করি।
৫।প্রোগ্রাম শেষ করি।
তিনটি ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যার গড় নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যা গ্রহণ করে এবং তা তিনটি চালকে রাখি।
৩। তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং আরেকটি নতুন চলকে রাখি।
৪। নতুন চলককে 3 দ্বারা ভাগ করি তা আরেকটি চালকে রাখি।
৫। ফল হিসেবে নতুন চলক এর মান প্রদর্শন করি।
৬।শেষ করি।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার আলগরিদমঃ-
১।শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ r এর মান গ্রহণ করি।
৩।Area=π*r*r ব্যবহার করেArea এর মান গ্রহণ করি।
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে ত্রিভুজের ভূমি এবং উচ্চতা এর মান গ্রহণ করে এবং তা দুইটি ভিন্ন চালক b,h এ রাখি।
৩।Area=1/2*b*h
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।

বি.দ্রঃ দয়া করে কেউ রিয়েক্ট করবেন না।আমি প্রথমে অ্যালগরিদম সম্পর্কে আলোচনা করছি পরবর্তীতে এদের সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করবো এবং ইহার ব্যাখ্যা করব।কারণ সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করার আগে অ্যালগরিদ, প্রোগ্রামের বিভিন্ন ফাংশন, কিওয়ার্ড, এক্সপ্রেশন, স্টেটমেন্ট,অপারেটর, অপারেন্ড ইত্যাদি জানা প্রয়োজন।তাই ধারাবাহিকভাবে আমরা সব গুলোই শিখবো।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

প্রোগ্রামিং শেখার দুটি জায়গা

Shahriair Lemon

Published

on

আমরা অনেকেই প্রোগ্রামিং বিষয়টা শুনলেই কেমন জানি মনে পড়ে থাকি যে এটা অনেক কঠিন, অনেক গভীর বিষয়। হে আসলেই প্রোগ্রামিং কিন্তু একটা গভীর বিষয়। আমরা যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ল্যাপটপ টা ইউজ করি সেটাও কিন্তু প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে তৈরি করা। আমরা পিসিতে যে উইন্ডোজ ব্যবহার করি ওটাও কিন্তু কোন না কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে লেখা। আসলে আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই প্রোগ্রামিং।

প্রোগ্রামিং শেখাটা অনেক ধৈর্যের একটা বিষয়। অনেকেই কিছুদূর শিখে আবার হাল ছেড়ে দেয়। আজকে কথা বলব আমরা প্রোগ্রামিং কেমন করে শিখতে পারি এবং কোন কোন জায়গায় শিখতে পারি।আসলে অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার পছন্দমত প্রোগ্রামিং ভাষা সিলেক্ট করে তারপর শিখতে পারেন। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে হল C programming, C sharp, python, java, C++, JavaScript etc.

আচ্ছা শুরু করি…

১. আমরা যারা লেখাপড়া খুব বেশি পছন্দ করি না তারা যদি প্রোগ্রামিং শিখতে চায় তাহলে তারা বিভিন্ন আইটি সেন্টারে গিয়ে শিখতে পারে বিভিন্ন কোর্স করে শিখতে পারে।

২.আর একটা মাধ্যম আছে আমাদের যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করি যেমন Duet,Buet,kuet ইত্যাদি। সেখানে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামার হতে পারি বা সেখান থেকে শিখতে পারি।

৩. আর একটা মাধ্যম আছে টিউটেরিয়াল । আসলে টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামিং শিখতে পারবো না। শুধুমাত্র কোন বিষয়ে সাহায্য নেওয়ার জন্য আমরা টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারবো। কিন্তু শুধু টিউটোরিয়াল দেখে কোনো প্রফেশনাল প্রোগ্রামার হয়ে যাব এটা চিন্তা করা আসলে আদৌ কোন ভাল মানুষের কাজ হতে পারেনা।

আসলে প্রোগ্রামিং বিষয়টা আসলেই একটা মজার বিষয় যদি আপনি ভালো করে শিখতে পারেন। আরও যদি ভালো করে শিখতে না পারেন তাহলে বুঝবেন যে আসলে খুবই কঠিন।আল্লাহ রব্বুল আলামিন পৃথিবীতে আমাদের কষ্ট হবে এবং শিখতে পারবো না এমন কোন কাজ দিয়ে পাঠান নি। তাই আমাদের উচিত সব কাজেই একেবারেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তাহলে কেবল সফলতা অর্জিত হবে। আসলে চেষ্টা ছাড়া কোন কিছুই হয় না।

আমরা যদি সত্যি কারের কোন প্রোগ্রামিং সেক্টরে কাজ বা প্রোগ্রামার হতে চাই । তাহলে উপরের দুটি সিস্টেম ছাড়া অন্য কোন সিস্টেমে আপনারা ভালো কোন প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। আর কেউ যদি বলে যে আমরা খুব তাড়াতাড়ি অল্প সময়ের মধ্যেই আপনাকে ভালো কোন প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য সাহায্য করব । আসলে যারা কিন্তু ভুল বলে থাকে। তারা কিন্তু আপনাকে ঠকাবে । তাই খুব সতর্ক থাকবেন সবদিক দিয়ে। যা কিছু করবেন কনফার্ম হয় করবেন। তবে হ্যাঁ আপনি পরামর্শ নেবেন সবার কাছ থেকেই কিন্তু সিদ্ধান্তটা হবে আপনার।

আশা করি বুঝতে পারছেন। আবারো হাজির হব অন্য কোন টিপস নিয়ে । সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন , সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading