Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

Stream Yard সফটওয়্যার এর সাহায্যে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করা

Chandra Bikash Chakma

Published

on

Stream Yard সফটওয়্যার ব্যবহার করে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে ফেসবুকে লাইভ করা।

সুপ্রিয় গ্রাথোর প্রেমি ভিউয়ার্স। আজকে আমি আবারও নতুন টপিক নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। বর্তমান করোনা কালীন সময়ে হার্ড টপিক অনলাইন ক্লাস পরিচালনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে শুরু করে যারা অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং করতে চায় তাদের প্রত্যেকের জন্য এই সিস্টেম টি জানা প্রয়োজন।
তাহলে আমি সেই টপিক টিই আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। অবশ্য ই সিস্টেম টি জেনে উপকৃত হতে পারেন আশা করছি।
তো শুরু করা যাক মূল আলোচনা।
বর্তমান সময়ের জন্য একটা বিশেষ এডভান্টেজ হলো Stream Yard সফটওয়্যার ব্যবহার লাইভ স্ট্রিমিং করা। আমি আজকে এই সফটওয়্যার দিয়ে কিভাবে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে ফেসবুকে লাইভ করা যায় সেই সিস্টেম টা সুন্দর করে উপস্থাপন করবো। এখনকার সময়ের একটা বড় অগ্রগতি স্ট্রিম ইয়ার্ড সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কোন কিছু লাইভ স্ট্রিমিং করা ফেসবুকে। এটার মত সহজ অন্য টাতে নেই। কারণ আমরা যদি জুম ব্যবহার করে ফেসবুকে লাইভ করি তাহলে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হই। জুমে সরাসরি ফেসবুকে লাইভ করার সময় কোন পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেখানো সম্ভব হয় না। কিন্তু যদি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন কে সরাসরি ফেসবুক লাইভে Streaming করাতে চায় তারজন্য স্ট্রিম ইয়ার্ড সফটওয়্যার সবচেয়ে ভালো এবং বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে এটা খুব জনপ্রিয় হিসেবে বিবেচিত। তবে স্ট্রিম ইয়ার্ড সফটওয়্যার দিয়ে ফেসবুকে লাইভ করাতে হলে আমাদের অবশ্য ই নিম্নোক্ত তিনটি কাজ পূর্বে থেকে করে রাখা প্রয়োজন। সেগুলো হলোঃ-
১। Gmail এ লগইন হয়ে থাকতে হবে। ২। Facebook এ লগইন হয়ে থাকতে হবে। ৩। যে পাওয়ার পয়েন্ট কে দেখাবেন সেটা আগে থেকে Slide show মুডে রেখে দিতে হবে।
অতঃপর আমরা এখন সরাসরি গুগলে চলে যাবো। গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবো Stream Yard তাহলে আমাদের সামনে চলে আসবে Stream Yard. এখন আমাদের সর্বপ্রথম এখানে একটি একাউন্ট করে নিতে হবে। তবে এখানে একাউন্ট করাও খুবই সহজ। শুধু ইমেইল এড্রেস এ email দিয়ে Get Started এ ক্লিক করলে স্ট্রিম ইয়ার্ড থেকে একটি মেইল পাঠাবে যেখানে ৬ ডিজিটের একটি কোড থাকবে। ঐ কোড ব্যবহার করে লগইন এ ক্লিক করলেই একাউন্ট হয়ে যাবে। এরপর আমরা স্ট্রিম ইয়ার্ড এর Welcome Page দেখতে পাবো। আর এতে আমরা স্ট্রিম ইয়ার্ড এর ইন্টারফেস এ চলে আসলাম। এখন এই পেজ থেকে আমরা কিসে লাইভ করাবো তা ঠিক করে দিতে হবে। আমরা যেহেতু লাইভ টা ফেসবুক পেজে করাবো তাই ফেসবুক পেজে ক্লিক করবো। এবার Connect Facebook Page চলে আসবে। ঐখানে ক্লিক করলে নিজের ফেসবুক পেজ এর অনেক গুলো পেজ দেখা যাবে(যদি নিজের অনেক গুলো পেজ থাকে)। সেখান থেকে যেই পেজে লাইভ করাতে চায় সেই পেজে ক্লিক করতে হবে। তাহলে ফেসবুক পেজ কানেক্টেড হবে। এবার Create a Broadcast এ ক্লিক করতে হবে। অতঃপর সেখানে টাইটেল, ডেসক্রিপশন এবং সিডিউল করার বক্স আসবে। এখন সরাসরি লাইভ বা পরের জন্য লাইভ সিডিউল করা যাবে। আমরা এখন সরাসরি লাইভ এর জন্য ক্লিক করবো। দেখা যাবে You’re entering a broadcast studio এরপরে Let’s check your camera and mic এরপর Display Name এ একটা নাম দিতে হবে। তারপরে mic সেটিং ঠিক করে নিতে হবে। এরপর ব্রডকাস্ট স্টুডিও তে চলে আসবো অর্থাৎ লাইভের পূর্বের পেজে চলে আসলাম। এরপর যদি Go Live এ ক্লিক করি তাহলে live এ চলে যাবো। তবে এমুহূর্তে লাইভে যাবো না। যেহেতু লাইভে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেখাবো, তাই এখন পাওয়ার পয়েন্ট টা ওপেন করবো।(আগে থেকে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ওপেন থাকতে হবে) এরপর আমরা লাইভ করার জন্য Screen Share করবো। এখন স্ক্রিন শেয়ার এ ক্লিক করলে দেখা যাবে বেশ কিছু স্ক্রিন শেয়ারিং টিপস চলে আসবে। এখন Share Screen এরপর আবারও Share Screen এ ক্লিক করতে হবে। এখানে ও অনেক গুলো option চলে আসবে। যদি Full Screen করতে চায় তাও পারা যায় অথবা অন্য অপশন গুলোর মধ্যে যেটা দিতে চায় সেটা করা যাবে। এখানে অডিও শেয়ার ও করা যাবে। তাহলে কথা গুলো ও শোনা যাবে। অথবা শুধু window শেয়ার ও করা যাবে। এখানে শুধু পাওয়ার পয়েন্ট টা সো করানো যাবে অথবা চাইলে পাওয়ার পয়েন্ট এবং নিজের ফেস ও সো করানো যাবে। এখন আরও অপশন গুলো থেকে বন্ধু দের অথবা সহকর্মী দের ইনভাইট করে তাদের কে এড করতে পারবো। এখন আমরা ইচ্ছে করলে ব্যানার ক্রিয়েট করে সো করাতে পারবো। এখানে স্ক্রল করানো যাবে। ব্যানার এ কিছু লেখা লিখে দেয়া যাবে।ব্যানার ইচ্ছে করলে সো অথবা হাইড করে রাখা যাবে। ব্যানার এডিট ও করা যাবে। সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে তারপর আমরা Go Live এ যাবো। Go Live এ ক্লিক করলেই লাইভ শুরু হয়ে যাবে। এখানে যা সো করবো তাই লাইভে সো হবে। এখন পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড গুলো সো করানো যাবে।
ধন্যবাদ।

Advertisement
1 Comment
Subscribe
Notify of
1 Comment
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Mojammal Haque

ওকে

টিপস এন্ড ট্রিকস

রবি থেকে অন্য অপারেটরে ব্যালেন্স ট্রান্সফার

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিম পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

বর্তমানে টেলিকমিউনিকেশন খাতে বিপ্লব ঘটেছে। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক থাকায় টেলিকমিউনিকেশন খাতে এখনো সকলে আস্থা অবিচল রয়েছে।গ্রাহক সেবা এবং দ্রুত গতির ইন্টারনেট এর দিক থেকে রবি এগিয়ে রয়েছে সবার আগে।রবিতে নিরবিচ্ছিন্ন সুপারফাস্ট ইন্টারনেট সেই সাথে বাধাহীন নেটওয়ার্ক এর ফলে গ্রাহক সেবায় রবি এগিয়ে আছে সবার আগে।

আমরা অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের মাধ্যমে ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়।আর এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয় যে ব্যালেন্স লোড করার আর উপায় থাকে না।তখন ব্যালেন্স ট্রান্সফার করাই একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায় আমাদের সামনে। একই অপারেটর থেকে ব্যালেন্স ট্রান্সফারের উপায়টি সম্পর্কে আমরা সকলে অবগত থাকলেও এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটর এর মধ্যে ব্যালেন্স ট্রান্সফারের খবরটি সম্পর্কে আমরা কয়জন ইবা জানি।

তাই আজ আমি আপনাদের সামনে আলোচনা করব কিভাবে এক অপারেটর থেকে আরেক অপারেটরে আপনি ব্যালেন্স ট্রান্সফার করবেন। আজ আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি রবি অপারেটর থেকে অন্য যেকোনো অপারেটরে আপনি ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন। তাহলে দেরি না করে শুরু করি।

কিভাবে আপনি খুব সহজ উপায়ে রবি সীম থেকে অন্য যেকোনো অপারেটরে ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন তার কিছু উপায় আমি নিচে তুলে ধরলাম।

১.প্রথমে আপনাকে আপনার ফোনে *123*4# এ ডায়াল করুন রবি অপারেটরে।
২.ডায়াল করার পর কতগুলো অপশনের পর + পরে লিখা অপশন পাবেন। সেটাই ক্লিক করবেন।
৩.সেন্ড করার পর ব্যালেন্স ট্রান্সফার অপশন পাবেন।
৪.সেই অপশনের নাম্বার লিখে এন্টারে চাপ দিন।
৪.এন্টারে চাপ দেওয়ার পর ব্যালেন্স এর পরিমান নামে একটি অপশন আসবে। আপনাকে সেই অপশনের পাশে নাম্বার লিখে পাঠিয়ে দিন।
৫.সেখানে এমাউন্ট লিখুন তারপর নাম্বার দিয়ে এবং পিন দিয়ে ব্যালেন্স ট্রান্সফার করুন।

আশা করি আজকের পোস্টটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজে রবি থেকে অন্য যেকোনো অপারেটরে ট্রান্সফার করতে পারবেন।ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

 

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

পুলিশের কাছে দরখাস্ত লেখার নিয়ম

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিম পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলেই যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই করি।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কখনো ভালো কাটে কিংবা খারাপ কাটে। নানান ধরণের দুঃখ কষ্ট এবং নানান ধরণের সমস্যা নিয়ে চলার নামই জীবন।এই সকল সমস্যার মধ্যে কিছু সমস্যা থাকে যা আমরা সহজে সমাধান করতে পারি। আবার ঠিক এমন কিছু সমস্যা থাকে যা আমরা সহজে সমাধান করতে পারি না।সেই সকল সমস্যা সমাধান করতে শুধুমাত্র তৃতীয় ব্যক্তির প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আমরা আমাদের জমি জামা সংক্রান্ত নানান ধরণের সমস্যা থাকে যার জন্য আমাদের পুলিশের কাছে দারস্থ হতে হয়।কিন্তু লিখিত কোন অভিযোগ করা ছাড়া মুখের কথায় পুলিশ কোন অভিযোগ আমলে নিবেই না।তাই আপনাকে পুলিশের কাছে কোন অভিযোগ নিতে হলে অবশ্যই আপনাকে লিখিত অভিযোগ করতে হবে।কিন্তু অনেকেই লিখিত অভিযোগ করতে পারে না।জানেই না কিভবে লিখিত অভিযোগ করতে হয়।তাই আমি আজ আপনাদের কিভাবে পুলিশের জন্য লিখিত অভিযোগ করতে হবে সেই ব্যাপারটি তুলে ধরব।আশা করি আপনারা শুনবেন।

ধরুন আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ মালামাল হারিয়ে গিয়েছে।এখন আপনি থানায় গিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ আপনাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছে।এখন আপনি লিখিত অভিযোগ কিভাবে করবেন তার একটি নমুনা কপি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলোঃ

বরাবর,
অফিস ইনচার্জ,
কুমিল্লা মডেল থানা,
কুমিল্লা জেলা

বিষয়ঃসাধারণ ডায়েরি করার আবেদন।
জনাব,
যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনিত নিবেদন এই যে আমি নিম্নসাক্ষরকারী আপনার থানায় হাজির হইয়া এই মর্মে সাধারণ ডায়েরি আবেদন করেতেছি যে গত ২০/০৯/২০২০ ইং তারিখে ৪ টার সময় আমার ব্যক্তিগত মালামাল আপনার থানাস্থ এরিয়ার পাশের এরিয়া থেকে হারিয়ে ফেলেছি।

অতএব উপরোক্ত বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিস্থ করিতে মহোদয়ের মর্জি হয়।
বিনীত নিবেদক
মারিয়া হাসিন
জেলা কুমিল্লা

এমন ভাবেই আপনি থানায় যেকোনো বিষয়ের জন্য লিখিত আবেদন করতে পারবেন।আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

 

 

 

 

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

বাচ্ছাদের একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কিছু সহায়ক টিপস।

Mojammal Haque

Published

on

যুগ পাল্টেছে। বাচ্ছারাও এখন অনলাইন থেকে যেকোনো বিষয়ে প্রচুর তথ্য পাচ্ছে। হোক সেটা ভালো কি মন্দ, তাতে কি যায় আসে। যেমনটি, আপনি অভিভাবক হয়েও সারাদিন ঘাটাঘাটি করছেন নেটে। বাচ্ছাটিও অনুকরন প্রিয়। সর্বদাই অনুকরন করে যাচ্ছে আপনাকে। আপনি মোবাইলটি হাত থেকে রাখা মাত্রই চোখের পলকে চলে যাচ্ছে তাদের হাতে।

পিতা বা মাতা বা একজন অভিভাবক হিসাবে নিজের অজান্তেই আপনি আপনার চেয়ে বেশি আপনার বাচ্চাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন আধুনিক সময়ের আধুনিকতা। বাচ্চারা খুব ছোট থেকেই আপনার নিত্য ভাল এবং খারাপ অভ্যাস উভয়ই গ্রহণ করে। শিষ্টাচারসহ বিভিন্ন সময়ের খাদ্যাভাস অনুসরণ করে এবং একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রেখে আপনি আপনার সন্তানকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। যে সকল স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোটদের ছোট থেকেই শেখানো হয় এক পর্যায়ে সেগুলোই তার জীবনযাত্রার রুটিনের অংশ হয়ে যায়। যার ফলে সে একটি সুখী, স্বাস্থ্যকর এবং রোগমুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে পারে। যেমনঃ

দিনের শুরুতে অর্থাৎ সকালের নাস্তাটি সর্বাধিক পুষ্টিকর হওয়াঃ

দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারটি হলো সকালের খাবার। অভিভাবকদের এ বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্বারুপ করতে হবে। একটি ভালো নাস্তা কেবলমাত্র শিশুর শরীরের শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেনা বরং তাকে নিয়মিত সকালের নাস্তা খেতে উৎসাহীও করে। তাই বাচ্ছাদের খাবারের একটি রুটিন থাকার গুরুত্ব অনেক। বাচ্চারা রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

পর্যাপ্ত শরীরচর্চা করাঃ

যদিও মহামারীর সময়টাতে বাচ্চারা ঘরে অবস্থান করছে তবুও যতটুকু সম্ভব তাদেরকে ঘরের ভেতরের শরীরচর্চা করার সুযোগ দেয়া উচিত। কারন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত অনুশীলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার বাচ্চাদের প্রতিদিন অন্তত এক ঘন্টার জন্য কোনও না কোনও উপায়ে অনুশীলন করার সুযোগ দিন। শিশুরা যখন অনুশীলন করে তখন তাদের একাডেমিক স্ট্রেস এবং মানসিক সঙ্কট কেটে যায়। খেলাধুলা বাচ্চাদের অল্প বয়স থেকেই জীবন কীভাবে মোকাবেলা করতে হয় তা শেখায়।

বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুনঃ

আপনার বাচ্চাকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিছু সময়ের জন্য শিক্ষনীয় কোনো বই পড়তে দিন। তারা যা পড়তে চায় তা ই দিন। একটি ভাল দক্ষ শব্দভাণ্ডার তৈরি করার জন্য তাকে বই পড়ান। শক্তিশালী পাঠ্য দক্ষতা অপরিহার্য। কারণ বইগুলি সবসময় বাচ্চাদের শিখতে এবং তাদের জ্ঞানের স্পৃহা বাড়াতে সহায়তা করে।

পারিবারিকভাবে তাকে সময় দিনঃ

আপনার সন্তানের সাথে একটি বন্ধুসুলব বন্ধন তৈরি করুন। তাকে এটা বুঝান যে যাতে আপনার মধ্যে আস্থা রাখে। পারিবারিক খাবার একসাথে খাওয়া হিসাবে রাতের খাবার নির্ধারণ করুন। সকলে মিলে পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে তা নিশ্চিত করুন। আপনার বাচ্চাদের সাথে ভালে ছায়াছবি, সাহিত্য, রাজনীতি বা যা কিছু কল্যানকর তা নিয়ে আলোচনা করুন। তাদেরকে উজ্জীবিত করে রাখুন। এটি নিশ্চিত করুন যে, তাদের যখন সাহায্যের প্রয়োজন হয় তখন তারা যেন আপনার কাছে পৌঁছাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

ভাল ঘুমঃ

আপনার বাচ্চাদের রুটিন করে দৈনিক আট ঘন্টা একটানা ঘুমের ব্যবস্থা করুন। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য এর চেয়ে ভাল আর কিছুই নেই। ঘুম কম হলে শরীরের হরমোন, কোষ এবং টিস্যুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। এমন একটি প্রতিদিনের ঘুমের রুটিন আপনার বাচ্চাকে দীর্ঘমেয়াদে ভাল করতে পারে।

স্বাস্থ্যকর অভ্যাস সুস্বাস্থ্যের দুই-তৃতীয়াংশঃ

অল্প বয়স থেকেই আপনার বাচ্চাদের বেসিক হাইজিন শেখান। দিনে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা, দাঁত ফ্লাশ করা, প্রতিবার খাবারের আগে এবং পরে হাত ধোয়ার মতো অভ্যাস করা। এসকল নিয়ম অসুস্থতা কমায়। এটি বাচ্চাদের পরিষ্কার এবং সুসজ্জিত হওয়ার গুরুত্বও শেখায়। শৈশব থেকে এই অভ্যাসগুলি থাকলে বাচ্চারা একটি স্বাস্থ্যকর জীবন পাবে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট