Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইন্টারনেট

অন্যের লেখা কপি করা মারাত্মক অপরাধ!!!

Md Rejwanul Islam Rumi

Published

on

আসসালামু আলাইকুম! আজকে আমি আলোচনা করব প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) সম্পর্কে। প্লেজিয়ারিজম কি! এইযে আমরা GRAthor এর সাইটে লেখালেখি করি, এগুলো সব ইউনিক হতে হবে। আপনি অন্য কারো সাইট থেকে কোনো টেক্সট কপি করে এখানে পোস্ট করলেন, এবং ঐ কপিকৃত টেক্সট এখানে পোস্ট করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। প্লেজিয়ারিজমকে আপনি নকলও বলতে পারেন। উদাহরণস্বরুপ, আপনি একজন স্টুডেন্ট! কলেজে স্ট্যাডি করেন। পরীক্ষার ক্ষেত্রে আপনি অন্যের লেখা হুবহু কপি করে লিখলেন এই লেখাকেই নকল বলা হয়।

 

চেষ্টা করবেন নিজে থেকে ইউনিক কিছু লিখতে। অন্যের সম্পদ চুরি করা যেমন মারাত্মক অপরাধ, ঠিক তেমনি অন্যের সাইট থেকে লেখা চুরি করে নিজের ব্লগসাইটে অথবা এই GRAthor সাইটে লেখালেখি করা মারাত্মক অপরাধ। কর্তৃপক্ষ এর জন্য আপনার বিরুদ্ধে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন। আপনি যার লেখা কপি করবেন, সে ইচ্ছা করলে আপনাকে কপিরাইট আইনের আওতায় আনতে পারেন। বন্ধ করুন অন্যের লেখা কপি করা, চেষ্টা করুন নিজে থেকে ইউনিক কিছু লিখতে।

 

এখন অনলাইনের যুগ। মানুষ এখন বলতে গেলে ২৪ ঘন্টাই অনলাইনের মধ্যে ব্যস্ত থাকে। আর এই অনলাইনের মাধ্যমে যে প্লেজিয়ারিজম ঘটে তাকে সাইবার প্লেজিয়ারিজমও বলা হয়। দুনিয়ায় সর্বপ্রথম ইংল্যান্ড “কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০” নামক একটা সাইবার আইন প্রণেতা তৈরি করে। যাতে করে কেউ অন্যের লেখা কপি করে নিজের নামে তা চালাতে না পারে। এবং ঐ ইংল্যান্ডেই ২০০৮ সালে সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে “জাতীয় ই-অপরাধ” নামে একটা ইউনিট গঠন করা হয়। ভারতে উক্ত আইন তৈরি হয় ২০০০ সালে, আর আমাদের এই বাংলাদেশে ২০০৬ সালে সাইবার অপরাধ দমনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি হয়। তাই বুঝা গেল, প্লেজিয়ারিজম বা সাইবার প্লেজিয়ারিজম মারাত্মক অপরাধ!!!

Advertisement
1 Comment
Subscribe
Notify of
1 Comment
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Md Shabbir

gd

ইন্টারনেট

সেরা কিছু কোরিয়ান ড্রামার নামসমূহ ও রিভিউ পর্ব ২

Ashrafi

Published

on

আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন।গ্রাথোর এর পক্ষ থেকে আমি আবার ফিরে এসেছি।কোরিয়ান ড্রামার ১ম পর্ব দিয়ে ছিলাম।আপনারা অনেকে চেয়ে ছিলেন ২য় পর্ব দেওয়ার জন্য।চলুন তাহলে শুরু করা যাক।

১.W-Two worlds
এটিকে ফেন্টাসি ড্রামা বলা হয়।অর্থাৎ এই ড্রামাটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক।কাল্পনিক দিক দিয়ে এই ড্রামাটি টপ ৫ এ রয়েছে।এই ড্রামাটির কাহিনি হচ্ছে কমিক বুক নিয়ে।যা আমাদের জগৎ থেকে একটু ভিন্ন।শুরুতে নায়িকার বাবা একটি কমিক বই লিখে।পরে তিনি শত চেষ্টার পরও বই লিখাটি বন্ধ করতে পারেন না।বইটি যদি না লিখে বইটি আপনা আপনি লিখে পাবলিস হয়ে যাই।পরে হঠাৎ একদিন নায়িকাটি ওই কমিক বইয়ের ভিতর ঢুকে যায়।এইখান থেকে মূলত এই ড্রামার আসল কাহিনি শুরু।অনেকের মতে তাদের দেখা এইটা ফেন্টাসি বা সেরা একটি কাল্পনিক কোরিয়ান ড্রামা।আপনাদেরো যদি কাল্পনিক ড্রামা পছন্দ হয়ে থাকে তাইলে আপনারাও এই ড্রামাটি দেখতে পারেন।

২.Melting me softly
এটি সাইন্স ফিকশন এর একটি ড্রামা।এটিতে অভিনয় করেছেন কোরিয়ানের বিখ্যাত নায়ক (ji chang wook).এই ড্রামাটিকে আবার জি চ্যাং উকের কাম ব্যাক ড্রামা ও বলা হয়ে থাকে।এই ড্রামাটি প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালে।নায়কটি যখন তার মিলিটারি সম্পুর্ন করে আসেন তখন তিনি এই ড্রামাটি করে থাকেন।নায়ক নায়িকা বরফে জমে যাওয়া থেকে এই ড্রামার আসল কাহিনি শুরু।তারা ২০বছর বরফে জমে থাকে।তারপর তারা জীবন্ত ফিরে আসে।মূলত এর থেকেই এই কাহিনি শুরু এবং নায়ক নায়িকার মিল।পরে আরও রয়েছে এই ড্রামায় নানা টুইস্ট।এই ড্রামাটি প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে।আপনারাও চাইলে এই সাইন্স ফিকশন ড্রামাটি দেখতে পারেন।

৩.What’s wrong with secretary kim
এটি খুব মজার একটি ড্রামা।এই ড্রামাটি খুব প্রচলিত এবং জনপ্রিয়।এই ড্রামার কাহিনি একজন বস এবং তার সহকর্মী নিয়ে।তার সহকর্মী যখন তার চাকরি ছেড়ে চলে যেতে চায়,কিন্তু তার বস তাকে ছাড়তে দিতে রাজি নন।এইখান থেকেই এই ড্রামার মূল কাহিনি শুরু।পরে এই ড্রামাটিতে আরো মজার মজার পর্বও রয়েছে।তাদের ছোট বেলার কাহিনি নিয়েও দেখানো হয় এই ড্রামাই।এই ড্রামাটি প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।অনেক আগের ড্রামা হলেও এই ড্রামাটি আজও খুব জনপ্রিয়।এই ড্রামাটির IMDb হচ্ছে ৮.১।এই ড্রামাটিতে অভিনয় করেছেন বিখ্যাত নায়িকা (Park min young)তিনি পুরো বিশ্বে খুব জনপ্রিয়।আপনারাও চাইলে এই রোমান্টিক ড্রামাটি দেখতে পারেন।

আমি আরো কয়েকটি কোরিয়ান ড্রামার নাম উল্লেখ করে দিচ্ছি যেগুলো আপনারা দেখতে পারেন।
১.The king Eternal Monarch
২.Mr.Sunshine
৩.Prison Playbook
৪.Lair game
৫.Doctor Stranger

ড্রামাগুলো দেখবেন এবং অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না কেমন লাগলো।সাথে কমেন্ট করে বলেন আপনার পছন্দের কোরিয়ান ড্রামা।যদি আপনারা চান আমি ৩য় পর্ব নিয়ে আবার আসবো।ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ।

Continue Reading

ইন্টারনেট

12 জিবি ইন্টারনেট একদম ফ্রি

Ahsan Habib

Published

on

আপনার সবাই ভালো আছেন ।
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন । কারণ Grathor সাথে সবাই ভালোই থাকবেন।
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে 12 জিবি ইন্টারনেট একদম ফ্রি নিবেন ।
এই আফার টি সবাই নিতে 100% ।
আপনি 12 ডাটা প্রতি নিতে পারবেন।
অনেক তো কথা বললাম এবার আসি কাজের কথায় ।
12 জিবি ডাটা ফ্রি নিতে হলে অবশ্যই একটা বাংলালিংক সিম থাকতে হবে ।
এবার এসি কিভাবে 12 জিবিডাটা ফ্রি নিবো।

∆মাই-বাংলালিংক অ্যাপ ডাইনলোড করে আপনার বাংলালিংক নাম্বার দিয়ে লগিন করলে। প্রতিদিন ২৫ এমবি করে পাবেন (মাসে প্রায় 750 এমবি সকল গ্রাহকগণ পাবেন।

মাই বাংলালিংক আপস ডাইনলোড লিঙ্ক 👇👇👇

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arena.banglalinkmela.app

∆প্রতিদিন ৩০০ এমবি করে মাসে ৯ জিবি ফ্রি ফেজবুক এমবি সকল গ্রাহক পাবে এই অফার টি।

প্রতিদিন ৩০০ এমবি করে ফেসবুক এমবি পেতে অফার টি আক্টিভ করতে ডায়াল করুন *৫০০০*১১১#

(বিঃদ্রঃ) প্রতিদিন সকাল ৬টা-১০টা পর্যন্ত ৩০০ এমবি ফেসবুক ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন।

∆ প্রতিমাসে ১ জিবি ডিভাইস বোনাস ১২ মাসে ১২জিবি পাবেন।

(বিঃদ্রঃ) এই অফারটি সকল গ্রাহকের জন্য প্রযোজ্য নয়।
আপনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন ।

অফারটি নিতে ডায়াল করুন *৫০০০*৫২১#

∆ টপি আপস ডানলোড করে আপনার বাংলালিংক সিমে নাম্বার দিয়ে একাউন্ট করলে পাবেন 1 জিবি ডাটা ফ্রি । এই আপস থেকে আপনি সকল টিভি চ্যানেল দেখতে পারবেন ।

টপি আপস ডানলোড লিঙ্ক 👇👇👇

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.banglalink.toffee

রেফার কোড । 👇👇👇

22906273

22906273

এইরকম পেজ আসবে ।
আপনার বাংলালিংক নাম্বার দিন ।
Have Referral code ক্লিক করুন এবং রেফার কোড ব্যবহার করুন ।
1 জিবি ডাটা ফ্রি নিন।

(ব্রিঃদ্র) রেফার কোড ব্যবহার না করলে 1 জিবি ডাটা ফ্রি নাওয় পেতে পারেন।

সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনা করি । এবং আমার জন্য দোয়া করবেন ।যেন আপনাদের সাথে 100% রিয়েল সাইট বা আপস শেয়ার করতে পারি ।

🕍 খোদা হাফেজ🕍

Continue Reading

ইন্টারনেট

সাবমেরিন ক্যাবল নিয়ে কিছু তথ্য

Farhana liza Farhana liza

Published

on

বন্ধুরা সবাই কেমন আছো? কয়েক দিন পার করে তোমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছি। সাবমেরিন ক্যাবলের কথা তোমরা হয়তো কেউ শুনছে হয়তো কেউ শুনানি। না শুনলেও তোমাদের এই বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আজ তোমাদের জন্য সাবমেরিন ক্যাবল কি সেটা নিয়ে আলোচনা করব।

সাবমেরিন ক্যাবল সাম্প্রতিককালের আলোচিত একটি বিষয়। এটি সম্পর্কে খুব কম মানুষের ধারণা রয়েছে। এটি মূলত তথ্য প্রযুক্তির একটি বিষয়। সাবমেরিন অর্থ সমুদ্রে ডুবো এবং কেবল অর্থ হলো তার। গভীর সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে স্থাপিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টেলিযোগাযোগের তারই হল সাবমেরিন ক্যাবল। বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাবমেরিন ক্যাবল আবিষ্কার করা হয়েছে।

বিশেষ করে ইন্টারনেট ও তথ্য পরিষেবার ব্যাপকতর এবং সাশ্রয়ী বিস্তারের ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।১৮৫০ এর দিকে টেলিগ্রাফের বার্তা বিনিময়ের জন্য সর্বপ্রথম সমুদ্রের নিচ দিয়ে তার বসানো হয়। বিশ শতকের শেষভাগে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন অপটিক্যাল ফাইবার টেকনোলজি। এর ফলে উদভাবিত হয় ফাইবার অপটিক ক্যাবল নামের কাচের তন্তুজাত এক ধরনের সূক্ষ্ম তার যার ভেতর দিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল ডাটা দ্রুতগতিতে আদান-প্রদান করা সম্ভব।

২০০৮ সালে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হয়। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি নামে সরকারি-বেসরকারি যৌথ মালিকানার একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সাবমেরিন ক্যাবল কেন্দ্রিক সেবা দিচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানিটি SMW-4 কনসোর্টিয়ামের সাথে যুক্ত। কোম্পানিটি SMW-5 কনসোর্টিয়ামের সাথে যুক্ত হবার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এর ফলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে এবং আমরা সাশ্রয় হবে।

বন্ধুরা আজ এখানে শেষ করছি। সামনে যাতে আমাদের জন্য আরো ভালো ভালো লিখা নিয়ে হাজির হতে পারি সেই দোয়া করবে এবং আমিও ভালো ভালো লিখা আনার জন্য প্রচেষ্টা করবো।

সবাই ভালো থাকবে ,সুস্থ থাকবে। ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই 😷 পড়ে যাবে।

 

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট

Mojammal Haque
অনুরোধ
Saleh Mohammed
কমেন্ট