Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইন্টারনেট

অন-লাইন অপরাধ ও আমাদের করণিয়

MD. SADAQUL ISLAM

Published

on

অন-লাইন অপরাধ ও আমাদের করণিয়

আমাদের মেয়েরা অনেক সময় বিভিন্নভাবে অনলাইনে প্রতারনা বা হয়রানির শিকার হয় । অনেক সময় মেয়েদের নামে ভুয়া একাউন্ড খুলে হয়রানি,কখন তাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে হয়রানি,আবার কখনো তাদের পাশের অবস্থান থেকেই সুযোগ নিয়ে করা হয় হয়রানি।

এমন পরিস্থিতিতে অনেক মেয়েই মনোবল হারিয়ে ফেলে, লোকলজ্জা ও পরিবারের চাপে দেখা যায় ঘর থেকেই বের হওয়া বন্ধ করে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার মতো পথটিই তারা বেছে নেয়।

বর্তমানে দেশে প্রায়ই শোনা যায়, দিনের পর দিন একটি ছেলে কোনো মেয়েকে আজেবাজে ছবি পাঠাচ্ছে বা মেয়েটির ছবি জোড়া দিয়ে নানা জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব ঘটনা প্রতিনিয়তই আমাদের আশপাশে ঘটে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অনলাইনে কার্যক্রম ও আচরণবিষয়ক ‘নিরাপদ ইন্টারনেট’ শীর্ষক গবেষণায় জানা যায়, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হওয়া ৪৯ শতাংশই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। এখন প্রতি মিনিটে পাঁচজন করে নতুন ফেসবুক আইডি খুলছেন এই শিক্ষার্থীরা।

আর এসবের শিকার হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া বা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। এর ফলে আসলে আপনি হেরে যাচ্ছেন আর অপরাধীদের জিতিয়ে দিচ্ছেন। এর থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন আমাদের সবার সচেতনতা ও সজাগ দৃষ্টি ।

এই অপরাধ বন্ধ করতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের একটি বিশেষ টিম, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি), সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেন্টার (সিআইসি) ও র‌্যাবের একটি উইং কাজ করছে।

ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীর আইডি বন্ধের জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কারো আপত্তিকর বা অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও ফেসবুক, মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটে আপলোডের মাধ্যমে হয়রানি করলে অপরাধীর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করতে পারেন।

এসব অপরাধের এ আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী অপরাধী ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন বা উভয় দণ্ড পেতে পারেন।

যখনই আপনার ওপর কোনো আক্রমণ হবে, তখনই ফোন করে সাহায্য চান এই নম্বরে—০১৭৬৬৬৭৮৮৮৮। এই হেল্পলাইন সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। আপনি চাইলে যেকোনো সময় এখানে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে প্রতিটি জেলায় ‘সাইবার ক্রাইম কন্ট্রোল কমিটি’ গঠন করা হচ্ছে।

Advertisement
5 Comments
Subscribe
Notify of
5 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

ভালো লিখেছেন

Sayem Ahmed

Good

Md Golam Mostàfa

Everyone should be alert for this reason.

kamrum naher123

Good post

farhana yeasmin

nice

ইন্টারনেট

কী ওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট লিখে ওয়েবসাইট দ্রুত র‍্যাংক করানোর পদ্ধতি

MD LOKMAN HOSSAIEN

Published

on

কী ওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট লিখে  ওয়েবসাইট দ্রুত  র‍্যাংক করানোর পদ্ধতি

কী ওয়ার্ড নিয়ে মাথাব্যাথা নেই এমন  ওয়েবসাইট মালিক খুজে পাওয়া খুব মুশকিল। ভালো এবং হাইকম্পিটিভ কী ওয়ার্ড ব্যাতিত ঐ সাইটের কনটেন্টটি গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের ১ম পেজ থেকে ১০ম পেজের মধ্যে নিয়ে আসা খুবই কষ্টকর।তাই কী ওয়ার্ড রিসার্চ করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই প্লাটফর্মে আপনি কী ওয়ার্ড কি?কেন কী ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?কী ওয়ার্ড রিসার্চের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পেইড ও ফ্রি টুলস কোন গুলো ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন।আশা করি ভালো লাগবে।

কী ওয়ার্ড কি ?

আপনি যখন কোন সার্চ ইঞ্জিন এ যে কোন কিছু লেখে সার্চ করেন ঐটাই হচ্ছে কী ওয়ার্ড।উদাহরণ স্বরুপ আপনি গুগলের সার্চ ইঞ্জিন এ আমি কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পাড়ি? এটি লিখে সার্চ করলেন। আর এটাই হচ্ছে কী ওয়ার্ড।

কী ওয়ার্ড রিসার্চ কি?

কী ওয়ার্ড রিসার্চ একটি ওয়েবসাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ যখন কোন ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিছু জানার জন্য খুঁজে থাকে। তখন সার্চ ইঞ্জিন গুলো ঐ ওয়ার্ডের
সম্ভব্য ভালো তথ্য ওয়েবসাইট গুলো তার সামনে শো করে থাকে।কারণ হচ্ছে যেন খুব সহজেই ভিজিটর তার চাহিদা পূরণ করতে পারে।এখন আপনার ওয়েবসাইট এর SEO এর জন্য কোন কোন কী ওয়ার্ড গুলা ভিজিটররা সবচেয়ে বেশি সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে এবং সেই তুলুনায় সেই কী ওয়ার্ড এর উপর প্রতিযোগী অন্যান্য সাইট গুলো কম না বেশি সেগুলা নিয়ে রিসার্চ করাকেই কী ওয়ার্ড রিসার্চ বলে।আশা করি আপনি সম্পুর্ন পরিস্কারভাবে বুঝেছেন।

কেন আপনি কী ওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

মনে করুন আপনার একটা হেল্থ বিষয়ে
ওয়েবসাইট আছে। এখন যারা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুক্তভোগী তারা কিন্তু বিউটি পার্লার লিখে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করবে না। কারণ তার দরকার স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা দুর করার পরামর্শ। তাই সে গুগলের সার্চ ইঞ্জিন এ আমি কিভাবে ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা পাব। এই ধরনের কিছু একটা লিখে সার্চ করবে। আর গুগল তখন কি করে বুঝবে যে আপনার সাইট এ বিউটি পার্লার টিপস গুলো আছে না স্বাস্থ্য সমস্যা বিষয়ক  পরামর্শ আছে।অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে
আপনার নিজের ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানাবেন সবচেয়ে হাই সার্চ করা কী ওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে ।

জনপ্রিয় ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলঃ-

www.SEMRUSH.com.কীওয়ার্ড রিসার্চের জনপ্রিয় এই ফ্রি টুলটি খুব নির্ভরযোগ্য ডাটা প্রদান করে থাকে।আপনি চায়লে ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।

জনপ্রিয় পেইড রিসার্চ টুল হলোঃ-

http://www.goodkeywords.com/good-keywords/ এটি একটি পেইড রিসার্চ টুলগুলোর মধ্যে অন্যতম রিসার্চিং টুল। আপনি চায়লে ক্রয় করে ব্যাবহার করতে পারেন।

আপনি কোন ধরনের কী-ওয়ার্ডগুলো নির্বাচন করবেন?

আমি বলবো অবশ্যই অবশ্যই লং টেইল কী ওয়ার্ড গুলো নির্বাচন করা উচিৎ। কারণ এই কীওয়ার্ড গুলোর সুবিধা অনেক বেশি থাকে। যেমনঃ-

👉এর প্রতিযোগীতা কম থাকে।

👉মাসিক সার্চ বেশি হয়ে থাকে।

👉প্রতিযোগীতা কম থাকার ফলে খুব সহজেই ১ম থেকে ১০ম পেজে রেঙ্ক করানো যায়।

👍লং টেইল কীওয়ার্ড এর সাথে শর্ট প্রেজ কীওয়ার্ড গুলো ও চলে আসে তাই ওগুলোসহ তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হউয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে।

👉লং টেইল কীওয়ার্ড টার্গেটেড ট্রাফিক সাইট এ পাঠাতে সাহাজ্য করে।

👉বেশির ভাগ সময়ই CTR অনেক বেশি হয়ে থাকে।

👉ব্যবসা এর জন্য লং টেইল কীওয়ার্ড খুবই দরকারি।

পরিশেষে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য কনটেন্ট লিখতে অবশ্যই কম প্রতিযোগী এবং মাসিক সার্চ ভলিয়ম বেশি এমন ধরনের
লং টেইল কীওয়ার্ডগুলো নির্বাচন করবেন।পরবর্তী লেখা পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে
আজ এই পযন্তই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading

ইন্টারনেট

শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার

Sakib khan

Published

on

 

বিসমিল্লাহি রহমানের রাহিম

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহতালার

আসসালামু আলাইকুম
আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ও বোনেরা

 

সবাই কেমন আছেন আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আল্লাহ তায়ালার রহমতে আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি

আজ আপনাদের মাঝে একটা গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে

 

 

শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল সম্পর্কে নিজস্ব মতামত ।

শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করলে মানুষের চিন্তা ও জ্ঞানের মিথস্ক্রিয়া ঘটবে । আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের আমূল পরিবর্তন ঘটবে , তথা তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর হবে ।
প্রতি টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকবে ডিজিটাল লাইব্রেরি যেখানে সমস্ত বই থাকবে পিডিএফ ফরম্যাটে । শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বেঞের সাথে লাগানাে থাকবে ইন্টারনেট সংযােগসহ কম্পিউটার , ফলে শিক্ষার্থীদের বইপুস্তক আনতে হবে না ।

শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে কম্পিউটার চালু করেই পড়াশােনা শুরু করবে এবং এর মাধ্যমে পৃথিবীর সকল দেশের শিক্ষার্থীরা কী শিখছে , তা ইচ্ছা করলেই দেখতে পারবে । তারা । | চাইলেই যেকোনাে দেশের যেকোনাে সিলেবাসের পরীক্ষা দিয়ে

 

সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারবে । অর্থাৎ শিক্ষা কোনাে দেশের ভৌগােলিক সীমারেখায় আবদ্ধ থাকবে না । এছাড়াও একজন শিক্ষক প্রযুক্তির কল্যাণে একই সময়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে পড়াতে সক্ষম হবেন । প্রতিটি শিক্ষকের থাকবে ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট । এই সাইটে তারা তাদের প্রতিদিনের লেকচারগুলাে আপলােড করবেন ।
কোনাে কারণে যদি কোনাে শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে ব্যর্থ হয় তবে সে । এখান থেকে ডাউনলােড করে সেই বিষয়টি শিখে নিতে পারবে । শিক্ষার্থীদের বইয়ের বােঝা কাঁধে নিয়ে স্কুলে যেতে হবে না । কারণ বইগুলাে হবে ডিজিটাল ।

মােবাইলের ছােট একটি মেমােরি কার্ডের মধ্যে তাদের সারাজীবনের পাঠ্যবইগুলাে পকেটে নিয়ে ঘুরতে পারবে ।
শিক্ষার্থীরা শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই শিখবে না , শিখবে কম্পিউটারে , ইন্টারনেট , টেলিভিশন , মােবাইল , পত্রিকা ইত্যাদি যেকোনাে উৎস থেকে । শেখার জন্য তার স্কুল , কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া । বাধ্যতামূলক হবে না ।
জ্ঞান আরােহণের জন্য বর্তমানে ইন্টারনেটে অজস্র ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে ইচ্ছামতাে শেখার সুযােগ রয়েছে ।

অর্থাৎ শিক্ষক্ষেত্রের সর্বক্ষেত্রে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষার মানকে আরও বাড়িয়ে দেবে ।

 

 

বর্তমান যুগ হলো ডিজিটাল যুগ এখন মানুষ ঘরে বসে বসে পড়ালেখা করতে পারে যেকোনো কিছু করতে পারে এখন আর আগের মত নেই তিন এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে ইচ্ছা যা ইচ্ছে তাই করতে পারছে মানুষ তথ্য প্রযুক্তির কারণে শিক্ষার ক্ষেত্র মানুষ অনেক কিছু করতে পারছে তথ্য প্রযুক্তির জন্য

 

আর হ্যাঁ আমার যদি কোন ভুল হয় তাহলে আমাকে মাফ করে দিয়েন ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখে

মানুষ বলতে তো ভুল হতেই পারে

সতর্ক হয়ে চলুন আর জীবনে এগিয়ে যান

আজকের পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

আল্লাহ হাফেজ

 

Continue Reading

ইন্টারনেট

গেম খেলে টাকা ইনকাম করার সেরা এ্যাপ

MD LOKMAN HOSSAIEN

Published

on

টাকা ইনকাম করতে কে না চায়? ছোট বড় ছেলে কিংবা মেয়ে আমরা সবাই টাকার পাগল। আর এই টাকা আয় করতে যদি কোন ধরনের ভালো উপায় থাকতো তাহলে কতই না মজা  হতো। শুনেছি অনলাইনে গেম খেলে টাকা ইনকাম করা যায় কিন্তু কিভাবে?হ্যা আপনি ঠিকই শুনেছেন এগুলো বাস্তব এবং সত্যি। এই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে শুধুমাএ অনলাইনে গেম খেলে সপ্তাহে কমপক্ষে এক হাজার টাকা ইনকাম করার উপায় জানানোর জন্য।এই এ্যাপটির নাম হচ্ছে gamee.গেম খেলে আজীবন টাকা ইনকামের জন্য এটি খুবই জনপ্রিয় এবং বিস্তৃত একটি এ্যাপ।

যেভাবে একাউন্ট তৈরি করবেন!

রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতিঃ- ১

প্রথমেই নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।Let’s play to win cash prizes! Join me on GAMEE.👇
https://www.gamee.com/get/0tllqi76
তারপর রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরণ করে দিন। জিমেইল confirm করে একাউন্টটি Active  করুন। তারপর লগইন করে গেম খেলে টাকা ইনকাম শুরু করুন।

রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতিঃ- ২

এই লিংকে ক্লিক করার সাথে সাথেই তাদের ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করবেন। তারপর তাদের App ডাউনলোড করে একাউন্ট তৈরি করুন।খুব সহজ উপায় তাই না। হু ইনকাম করার জন্য আরও সহজ পদ্ধতি রয়েছে।

যেভাবে টাকা ইনকাম করবেন!

একাউন্টটি তৈরি করার সাথে সাথেই কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ বার স্পিন করার সুযোগ পাবেন। আপনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে আপনি ১ থেকে ২ ডলার তাৎক্ষণাৎ পাবেন। আর পয়েন্ট ৫০০ + আপনার একাউন্টে যোগ হয়ে যাবে। এখন প্রতিটি রেফার করে $0.10 ডলার এবং ৫০০ পয়েন্ট ইনকাম করতে পারবেন। আর প্রতি সপ্তাহে একবার ড্র হয়ে থাকে। ভাগ্য ভালো হলে লটারিতে জয় হয়ে কমপক্ষে $2 থেকে 1111 ডলার পেতে পাড়েন। তাহলে আর দেরি কেন
এক্ষুনি শুরু করুন। ১০০% পেমেন্ট নিন।

যেভাবে পেমেন্ট নিবেন!

পেমেন্ট নেওয়ার জন্য আপনার দরকার হবে একটি পেপাল একাউন্ট। আপনার যদি তা না থাকে তাহলে আপনি আমার পেপাল একাউন্ট এ ডলার দিবেন আমি আপনার বিকাশ নম্বর এ পেমেন্ট করে দিব।আর হে কমপক্ষে $10 ডলার  মিনিমাম উইথড্র। আর এটি করা ১ সপ্তাহের কাজ মাএ।যত গেম খেলবেন তত ইনকাম করতে পারবেন।

আজ শেষ করছি পরবর্তী পোস্ট পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি ভালো থাকুন সবসময়ই। আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট