অল্প পড়ে ভালো রেজাল্ট করার সেরা ১০ টি উপায় ।

 

৯৫% এর চেয়েও বেশি স্টুডেন্টের মনের আশা থাকে যে অল্প পরবো কিন্তু রেজাল্ট করবো ভালো । অর্থাৎ অল্প পড়াশুনা করে ভালো রেজাল্ট নিয়ে পাস করবো এটা হচ্ছে সবারি আশা এটা কি সম্ভব ? হে অল্প পড়েও ভালো রেজাল্ট করে পাস করা সম্ভাব । যদি কিছু নিয়ম-কানুন মানা যায় । আমি আজকে আপনাদের কাছে কিছু নিয়ম কানের কথা বলে দিব যদি এগুলা মেনে চলতে পারেন তাহলে আশা করা যায় আপনি অল্প পড়েই খুব ভাল রেজাল্ট করতে  পারবেন ।

তাহলে চুলুন দেখি সেই নিয়ম গুলো কী ?

নাম্বার  ১ । পরিকল্পনা করুন ঃ- এই পৃথিবীতে যত মানুষ সফল হয়েছে তাঁর ৯৮ % মানুষি যে শুধু কাজ করে সফল হয়েছে তা কিন্তু না । তাদের সফলতার পেছনে প্রথম ধাপই ছিল পরিকল্পনা সুতরাং আপনাকে প্রতিদিন পরিকল্পনা করতে হবে যে আপনি প্রতিদিন কয়টা বই পড়বেন কয়টা সৃজনশীল পড়বেন । এরকম একটা পরিকল্পনা করে নিতে হবে ।

নাম্বার ২ । শুধু পড়ুন মুখস্ত করবেন না ঃ- এটি হচ্ছে সবচাইতে গুরুত্ব পূর্ন একটি বিষয় । আমাদের মাঝে অনেক স্টুডেন আছে যারা পরিক্ষা এলেই মুখুস্ত করা শুরু করে দেয় । আসলে মুখুস্ত করে আপনি কিন্তু ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন না । আর যেহেতু এখন সৃজুনশীল সেহেতু সৃজনশীলে মুখুস্ত বিদ্যার কোন ভ্যালু নেই । সুতরাং আপনি যেটা করবেন সেটা বুঝে করতে হবে । উদাহরন সুরুপ বলা যায়  যখন আপনি কোন খবরের কাগজ পড়েন তারপর যেউ যদি আপনাকে বলে যে এক নাম্বার পাতার তিন নাম্বার কলামে কী লিখেছে আপনি কিন্তু বলে দিতে পারবেন । আপনি একবার পড়েছেন খবরের কাগজ কিন্তু আপনাকে মুখস্ত করা লাগেনি । আপনি শুধু মাত্র পরেছেন মনযোগ সহকারে এই কারনেই শুধু মুখুস্ত করবেন না শুধু যা পরবেন তা বুঝে পড়বেন । তাহলে দেখবেন যেটাই আপনি পড়ছেন সেটাই আপনার মনে থাকছে । মন থেকে কখনো হারাবে না ।

নাম্বার ৩ । পড়ার সময় লিখে পড়ার চেষ্টা করুন ঃ- দেখবেন যে অনেক ক্রিটিকাল অনেক বিষয় আছে যেগুলো মুখুস্ত করার চেষ্টা করছেন বা পড়ার চেষ্টা করছেন সেগুলো এক ঘন্টা বা দু ঘন্টা পরে আপনার আর মনে থাকছে না ।ঐ গুলা লিখে প্র্যাকটিস করার চেষ্টা করবেন । কারন সেটা কিন্তু শুধু মাত্র পড়ার চাইতে অনেক বেশি ফলপ্রসু হবে ।

<

নাম্বার ৪। সময়ের কাজ সময়ে করুনঃ- আমাদের মধ্যে এরকম অনেকের ধারনা আছে যে না আজকে অ্যান আকালকে করবো । এই পড়াটা থাক কালকে পড়বো । এভাবে আকামীকাল করতে করতে আগামীকাল আপনার জীবনে আর আসে না । তো এই জন্য চেষ্টা ক্রবেন যে সময়ের কাজটা সময়ে করার জন্য ।

নাম্বার ৫। প্রতিযোগী ঠিক করে নিন ঃ- রেসের মাঠে আপনি যদি একা দৌরান তাতে কিন্তু কোন লাভ হবে না । আপনার সাথে প্রতিযোগী থাকতে হবে সুতরাং লেখাপড়ায় আরেকটু ভালো করার কৌশল হচ্ছে আপনি আপনার চাইতে যে স্টুডেন্ট ভালো থাকে টার্গেট করে নিন । এবং ট্রায় করবেন যে ওর চাইতে আম ভালো রেজাল্ট করবো ।  জে এস সি হোক এসএসসি হোক ইন্টারমিডিয়েট হোক যে কোন পরিক্ষায় হোক না কেন ওকে ওভারটেক করে আমাকে যেতে হবে এমন একটা টার্গেট নিয়ে পড়ুন । এরকম যখন নিজের মধ্যে প্রতিযোগী প্রতিযোগী ভাব নিয়ে আসবেন তখন দেখবেন যে আপনার স্পীডটা আরও বেড়ে যাবে ।

নাম্বার ৬। আড্ডা কমিয়ে দিনঃ- পরিক্ষা যখন আসে তখন চেষ্টা করবেন যে আড্ডাটা কমিয়ে দিতে । বর্তমানে ফেসবুকিং করে অনেক ছাত্র তাদের সময় নষ্ট করছে । যখন পরিক্ষা আসে তখন চেষ্টা করবেন যে এই পরিক্ষার সময় চেটিং কম করতে । মাথার মধ্যে শুধুমাত্র আপনার বয়ের টপিকগুলা বা বিষয় গুলা রাখে বাইরের বিষয় গুলা ঝেড়ে ফেলে দিন ।

নাম্বার ৭ । ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মিশুন ঃ- চেষ্টা করুন যে ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মিশা । কথায় আছে যে সৎ সঙ্গ সর্গবাস অসৎ সঙ্গ সর্বনাশ । সুতরাং চেষ্টা করবেন যে ভালো ছাত্র-ছাত্ত্রীদের সাথে মিশা কারন তাদের সাথে যদি আপনি মিশেন কিছুটা হলেও আপনি শিখতে পারবেন ।

নাম্বার ৮। ধর্মকর্মে মন দিনঃ- পরিক্ষা যখন সামনে আসে তখনী দেখা যায় যে অনেকে টুপি দিয়ে মসজিদে দৌড়ায় বা অন্যান্য ধর্মের যারা আছে তারাও তাদের ধর্মের প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠে আসলে ধর্মের প্রতি এই মনোযোগটা শুধু পরিক্ষার সময় দিলে হবে না । এটা সবসময় নিজের মনের মধ্যে রেখে দিতে হবে । কারন স্রষ্টা যদি আপনার প্রতি খুশি থাকে তাহলে তিনিও আপনাকে কখনো অখুশি তে রাখবেন  না ।

নাম্বার ৯। নিদির্ষ্ঠ সময় পড়ার অভ্যাস করুন ঃ- অর্থাৎ আপনি পড়ার জন্য নিদিষ্ঠ একটি টাইম ফিক্সট করে নিবেন যে আমি প্রতি দিন এই সময়টায় পড়ব এবং ঐ সময়টা যেন মিস্টেক না হয় । যেমন এরকমটা করতে পারেন যে আমি প্রতিদিন ৭টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত পড়বো বা রাত ৮টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত পড়বো । এরকম একটা নিদিষ্ঠ টাইম ঠিক করে নিবেন এবং ওই টাইমেই আপনি পড়তে বসবেন ।

নাম্বার ১০ । টিভি দেখা কমিয়ে দিন ঃ- আমাদের দেশের অধিকাংশ টিভি চ্যানেলই রাত ৮ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত সময়ে ভালো ভাল অনুষ্ঠাগুলো প্রচারকরে থাকে কিন্তু ঠিক এই সময়টাই কিন্তু পড়ার সময় । তাঁর অনেক স্টুডেন্ট তখন পড়া বাদ দিয়ে টিভি দেখতে বসে পরে  যার কারনে পড়ার ক্ষতি হয় । এই অভ্যাস্টাকে বাদ দিয়ে দিতে হবে । যখন পড়তে বসবেন তখন শুধু পড়ার প্রতি মনোযোগী হোন অন্য নেশা বা চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন তাহলে দেখবেন আপনার পরা অনেক সহজে মাথায় গেথে যাবে । উপরে উল্লেখেত এই নয়ম গুলো মেনে চললে দেখবেন আপনি অনেক কম পরেও ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন ধব্যবাদ ।

Related Posts