★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে ভূমিকা রাখতে পারেন এবং পাশাপাশি অর্থ আয় করতে পারেন★এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জানুন★

অ্যানজাইনা হলে যা করণীয়

হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা সবাই কেমন আছেন? ভালো আছেন তো? আশা করি শীতের এই তিক্ত সময়েও আপনারা যে যেই অবস্থানে আছেন সুস্থ দেহে সুস্থ মনে বেশ ভালো আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আপনারা যে যেই অবস্থানে আছেন সে সেই অবস্থানে থেকে সর্বদা সুস্থ দেহে সুস্থ মনে বেশ ভালো থাকুন এ প্রত্যাশাই করি সব সময়। আজ আমি স্বাস্থ্য বিষয়ক নতুন আরো একটি টপিক নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

আশা করছি grathor.com এর সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকাগণের এ পোষ্টটি পড়ে কিছুটা হলেও নিজেদের উপকার আসবে।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কিংবা বুকে ব্যাথা হয়ে মৃত্যু– এমন কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। নিজেরাই কখনো বুকে ব্যাথার মতো সমস্যার কবলে পড়ি। তবে কিছু মানুষ বুকে ব্যাথাকে অবহেলা করে থাকে। অ্যাসিডিটির সমস্যা মনে করে অ্যান্টাসিড বা অন্য কোনো ওষুধ খেয়ে সময়ক্ষেপন করে। কিন্তু তা না করে আপনার উচিত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।


এর আগের পোষ্টে আমি অ্যানজাইনা কি, অ্যানজাইনা হলে কিভাবে বুঝবেন তা নিয়ে ধারণা দিয়েছি। আজকের পোষ্টে আমি অ্যানজাইনা হলে কি করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছি। চলুন জেনে নেয়া যাক, অ্যানজাইনা হলে কি করবেন।

 অ্যানজাইনা হলে যা করণীয়

 

সাধারণত সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হওয়া এবং তা ধরে রাখাই হলো অ্যানজাইনা প্রতিরোধের প্রধান উপায়। কিন্তু আপনার যদি অ্যানজাইনা হয়ে থাকে তাহলে কিছু বিষয় বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। কিছু বিষয় আছে যেগুলো আমাদের হাতের কাছে নেই, এগুলো যেমন— বয়স, লিঙ্গভেদ, হৃদরোগ ও অ্যানজাইনার পারিবারিক ইতিহাস।


তবে যে সব বিষয় আমাদের হাতের নাগালে তার মধ্যে যেমন— হাঁটা–চলা বা ব্যায়াম করা, দৈনিক অন্তত ১–২ ঘন্টা শারীরিক পরিশ্রম বা কসরত করা, স্থুলতা প্রতিরোধ করা, সুষম ও হৃৎবান্ধব খাবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন খাওয়া, ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা বা নিয়ন্ত্রণে আনা, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপানে আসক্ত থাকলে ধীরে ধীরে তা ত্যাগ করা, মদপানের ধারে কাছে না যাওয়া এবং বছরে সম্ভব হলে দুবার নাতো একবার সম্পূর্ণ শরীরের চেকআপ করিয়ে নেয়া।

উল্লিখিত বিষয়সমূহ যদি আপনি ঠিকমতো পালন করে থাকেন, তাহলে আশা করি আপনি অ্যানজাইনা হতে মুক্তি পাবেন। কিন্তু তার পরেও যদি আপনার সুস্থ হওয়ার কোনো লক্ষণ না দেখা দেয়, তাহলে আপনার উচিত যত দ্রুত সম্ভব আপনার নিকটস্ত চিকিৎসাকেন্দ্রে  যোগাযোগ করা ও চিকিৎসা নেওয়া।

আজকে এ পর্যন্তই।

ভালো লাগলে কমেন্ট ও শেয়ার করুন। সামনে নতুন এক টপিক নিয়ে যেন আবার আপনাদের সামনে ফিরে আসতে পারি তার জন্য দোয়া রাখবেন।

সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

9 Comments

মন্তব্য করুন