Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইন্টারনেট

আপনারা কি জানেন সফটওয়্যার পাইরেসি এবং প্লেজিয়ারিজম কতটা ক্ষতিকর অনলাইন জগতের জন্য?

Mehera Mishi

Published

on

আসসালামু আলাইকুম। আমরা সবাই অনলাইন এ বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ও ওয়েবসাইট গুলোর সাথে সংযুক্ত। আমরা অনেকেই সফটওয়্যার পাইরেসি ও প্লেজিয়ারিজম সম্পর্কে জানি না। চলুন আজকে আমরা সবাই সফটওয়্যার পাইরেসি ও প্লেজিয়ারিজম সম্পর্কে জানি।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
♦সফটওয়্যার পাইরেসি:
সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে অনুমোদিত মালিক বা প্রস্তুত কারীর বিনা অনুমতিতে কোন সফটওয়্যার কপি করা, ব্যবহার করা, নিজের নামে বিতরন করা কিংবা কোন ধরনের পরিবর্তন এর মাধ্যম এ নিজের নামে বলে চালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বুঝায়। বর্তমান এ সফটওয়্যার পাইরেসি একটি অতি পরিচিত শব্দ। সফটওয়্যার একটি মেধাভিত্তিক প্রযুক্তি পন্য। এটি উন্নয়ন এর জন্য প্রোগ্রামার বা প্রস্তুতকারীকে তার মেধার যথাযথ  ব্যবহার করতে হয়। আর এর ফলে তৈরিকৃত সফটওয়্যার প্রোগ্রামার বা প্রস্তুতকারীর সাক্ষর বহন করে। এ কারনে কোন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এর স্বত্বাধিকারী ঐ প্রোগ্রামার বা প্রস্তুতকারীই হতে পারেন। কিন্তু সফটওয়্যার পাইরেসির জন্য এই স্বত্বাধিকারীত্ব খর্ব হয়। সফটওয়্যার পাইরেসির ফলে কোন সফটওয়্যার লাইসেন্স ছাড়া ব্যবহার করা যায় বলে একদিকে যেমন প্রোগামে মেধার মুল্য কমে যায়, অন্যদিক এ তার ফলে আর্থিক ক্ষতি হয়। প্রোগ্রামের স্বত্বাধিকার অক্ষুন্ন রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বত্বাধিকার আইন বা কপিরাইট ল (copyright law) প্রচলিত আছে। এই আইনের মাধ্যম এ সফটওয়্যার পন্যকে অন্যান্য পণ্যের ন্যায় বাজারজাতকরণ এবং উৎপাদনের সকল অধিকার প্রোগ্রামারকে দেওয়া হয় এবং সংরক্ষন করা হয়। তবে বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে কপিরাইট আইনটির প্রচলন ও জনসচেতনতা না থাকার কারনে অবাধে সফটওয়্যার পাইরেসি চলছে।বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া আমাদের প্রায় সকল ক্ষেত্রে পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এর ফলে কপিরাইট আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যবহারকারী নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
♦প্লেজিয়ারিজম:
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। অনেক সময় কোন লেখার গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুচ্ছও নকল করলে তা প্লেজিয়ারিজম এর মধ্যে পড়ে। প্লেজিয়ারিজম একটি বেআইনী কাজ। কাজেই প্লেজিয়ারিজম প্রতিরোধ করা উচিৎ। ইদানীং শিক্ষা ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজম অনেক বেশি দেখা যায়। শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো উচ্চতর চিন্তা করার দক্ষতা লাভ। অর্থাৎ কোন বিষয় তা যতই জটিল হোক না কেন তা বিশ্লেষণ, মুল্যায়ন, সংক্ষেপন বা নতুন ধারনার প্রবর্তন করার দক্ষতা অর্জন। এই দক্ষতা অর্জন অসম্ভব হয়ে যায় অনুলিপি বা নকলের মাধ্যম এ। লেখার ক্ষেত্রেও নকল বা অনুলিপি করাকে প্লেজিয়ারিজম বলা হয়। নীতিগত ভাবে যা এক জটিল সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। শিক্ষামূলক পরিবেশে প্লেজিয়ারিজম ঘটে তখনই যখন কোন লেখক উদ্দেশ্য মূলক ভাবে অন্যের ভাষা, চিন্তা বা লেখকের কোন নিজস্ব ধারনা বা বিষয় বস্তু সুত্র উল্লেখ বা স্বীকার  না করে ব্যবহার করে। বই পুস্তক বা জার্ণালে মুদ্রিত বা অনলাইন এ প্রকাশিত কোন লেখা বা গবেষণার ফলাফলের ক্ষেত্রেও প্লেজিয়ারিজম হতে পারে। শিক্ষক এবং প্রশাসকরা প্লেজিয়ারিজম নিয়ে বিশেষ ভাবে উদ্বিগ্ন কারন তারা চান শিক্ষার্থীরা আহরিত জ্ঞান এর উপর যে কাজ করে সে কাজে যেন শিক্ষার্থী নিজের চেষ্টা ও চিন্তাভাবনা  প্রকাশ পায়। তবে ইন্টারনেটে এই যুগ এ যখন অসংখ্য লেখা যে কোন বিষয় এর উপর অতি সহজে পাওয়া যায় তখন শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের পড়া, লেখা, নিজস্ব চিন্তা করার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বেশ বেগ পেতে হয়। অনলাইন এর মাধ্যম এ প্লেজিয়ারিজমকে সাইবার প্লেজিয়ারিজমও বলে। ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা পত্রের অংশবিশেষ বা সম্পূর্ন অনুলিপি করা বা ডাউনলোড করা বা ওয়েব হতে প্রাপ্ত কোন ধারনা প্রকৃত সূত্র উল্লেখ না করে ব্যবহার করাই সাইবার প্লেজিয়ারিজম।
** সফটওয়্যার পাইরেসি বা প্লেজিয়ারিজম অনলাইন এর একটি ক্ষতিকর দিক। যা আমদের লেখা বা অনুলিপি চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে নিতে পারে। এর থেকে বেচে থাকার জন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে এবং নিজের লেখা অনুলিপি সেইফলি নিজের কাছে সংরক্ষন করে রাখতে হবে। আশা করি পোষ্টটি সবার কাছে ভাল লাগবে।

Advertisement
12 Comments

12 Comments

  1. Mojammal Haque

    Mojammal Haque

    April 21, 2020 at 12:41 pm

    Nice

  2. Maria Hasin Mim

    Maria Hasin Mim

    April 21, 2020 at 12:50 pm

    অবশ্যই কখনোই কারো লিখা কপি করা উচিত নয়

  3. Utsa Kumer

    Utsa Kumer

    April 21, 2020 at 7:56 pm

    ঠিক

  4. Md Ahsan Habib

    Md Ahsan Habib

    April 21, 2020 at 8:20 pm

    nice

  5. Muktadir Hasan

    Muktadir Hasan

    April 21, 2020 at 9:16 pm

    oh!

  6. Antora Sharma

    Antora Sharma

    April 21, 2020 at 9:43 pm

    nice post

  7. Avijit Sharma

    Avijit Sharma

    April 21, 2020 at 9:54 pm

    অসাধারণ পোস্ট

  8. Karno Suriya Putro

    Karno Suriya Putro

    April 21, 2020 at 10:02 pm

    বাহ বাহ কি লিখছো!!

  9. Md Shabbir

    Md Shabbir

    April 23, 2020 at 12:47 pm

    gd.

  10. Jannat Priya

    Jannat Priya

    April 23, 2020 at 5:19 pm

    Good

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট কি কি কাজে ব্যবহার করা হয়?

mis sumi aktar

Published

on

“আসসালামু আলাইকুম “আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন ।আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছু আলোচনা করব।ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সমস্ত জায়গা গুলোকে সংযুক্তকারী বিশাল ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক। ডিজিটাল যুগে মনে হয় ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ছাড়া এখন সারা বিশ্বে অচল। ইন্টারনেট আমাদের সময়, অর্থ এবং কষ্ট দূর করতে সক্ষম। ইন্টারনেট তথ্য আমাদের জ্ঞানভান্ডার কে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। যেকোনো তথ্য না জানার কারণে আমাদের অনেক মুশকিল হতো। আজ সেটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিপূর্ণ হলো। আমাদের কিছু জানতে ও শিখতে এই ব্যাপারে ইন্টারনেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্টারনেট আসার পরে আমাদের কাজ এত সহজ হয়ে গেছে। যে সব মুহূর্তের মধ্যে করা যায় হাতের নাগালে।আগের যুগে দেশ বিদেশের খবরা খবর রাখার জন্য চিঠি ব্যবহার করা হতো সেখানে তাদের তথ্য পৌঁছানোর জন্য এক থেকে দুই তিন মাস লেগে যেতে। আর আজ সেখানে ইন্টারনেট এনে দিয়েছে সবার ঘরে ঘরে তত্ত্ব পৌঁছানোর সুযোগ সুবিধা।আগের যুগের কোথাও টাকা পাঠানোর জন্য ডাকযোগে টাকা পাঠানো হতো ।সেখানেও এক থেকে দুই মাস সময় লেগে যেত, টাকা সংগ্রহ করতে।আজ সেখানে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বিকাশের মাধ্যমে টাকা মিনিটের ভিতরে হাতে চলে আসে।

আমরা যেগুলো তে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি তা হল-গুগল, ক্রোম, ব্রাউজার, অপরামিনি, ইউটিউব ,ভিটমেট ,ফেসবুক , পেইজ, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইয়াহু, টুইটার, এগুলোর মাধ্যমে, মোবাইল ,মনিটর ল্যাপটপ, কম্পিউটার দিয়ে কাজ করে থাকি।
আমাদের কোন প্রশ্ন বা তথ্য জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে গুগলে সার্চ দিয়ে সব তথ্য প্রশ্ন জানতে পারি।শুধু তাই নয় এখন বর্তমান যুগে ঘরে অনলাইনে ক্লাস করানো সম্ভব কম্পিউটার, মনিটর ,ল্যাপটপ ,ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সংযোগে।

আগের যুগের মানুষ যে কোন খবরা খবর নেওয়ার জন্য টেলিভিশনে বসে থাকতাম এখন ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক দিচ্ছে সবার হাতে হাতে পৌঁছে সমস্ত সংবাদ খবরা খবর গুলো। আর এখন ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইলে ফেসবুক ভিটমেট সমস্ত ব্রাউজার থেকে খবরা-খবর মিনিটের মধ্যে নিতে পারি।
আরো রয়েছে শপিং করার সুবিধা যেখানে ফেসবুক সকল মিডিয়াতে অনলাইনে শপিং করা যায় ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সংযোগ এর মাধ্যমে। আর এখন বেকারত্ব দূর হচ্ছে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে, যেমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আমরা কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারি।

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এখন অনেকটা সামনে এগিয়ে। যেখানে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে মানুষকে গড়ে তুলেছেন সচেতন। এখন সবচেয়ে শিক্ষার মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে আমরা ঘরে বসে সকল প্রকার শিক্ষানীয় বস্তু শিখতে পারি।আর ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমাদের যেকোনো কিছু শিখার জন্য দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করতে প্রথমে আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহার করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তথ্য জানার জন্য বা বিনিময়ের জন্য মাধ্যম যেমন- ফেসবুক, ইমেইল ,গুগল, ক্রোম ব্রাউজার, অপেরা মিনি, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ,মেসেঞ্জার,এগুলো চালানো শিখতে হবে। যাই হোক আজ এখানেই শেষ করছি সবাই ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading

ইন্টারনেট

বাংলালিংক ও শাওমি ফোন ব্যবহারকারীগন বছরজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন একদম ফ্রী…….!

Mojammal Haque

Published

on

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

আশা করি সবাই অনেক অনেক ভালো আছেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে এই সময়টিতে সুরক্ষিত আছেন। আমিও এক রকম ভাল আছি, আলহামদুলিল্লাহ। আশা করি সবাই ঘরেই থাকছেেন। আমরা জানি এটা সত্য যে ঘরে থাকলে তুলনামূলক নেট খরচটা একটুু বেশি হয়।এই বেশি নেট খরচের সময়ে কোটি মানুষের প্রিয় মোবাইল ফোনঅপারেটর বাংলালিংক একটি গরম অফার নিয়ে এসেছে।

 

ইন্টারনেট  ব্যবহারকারীদের মধ্যে কম বেশি সবাই চায় ফ্রী ইন্টারনেট চালাতে। আর সেটা দ্বারা যদি ইন্টারনেটের সকল সেক্টরে ভিউ করা যায় তাহলেতো আর কোনো কথাই নেই। বাংলালিংক ও শাওমির যৌথ উদ্যোগে এমনি একটি অফার ঘোষণা করেছে।অফারটি সম্পপর্কে আমি আপনাদের বলছি।এখনি জেনে নিন।

বাংলালিংক বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী টেলিযোগাযোগ সংস্থা। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি গ্রাহকদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের পাশাপাশি কম দামে ইন্টারনেট ও অনেক সময় ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে আসছে তার গ্রাহকদেরকে।সুনামও কুড়িয়েছে বেশ। মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে এই মোবাইল ফোন অপারেটরটি।বরাবরই তারা সবার চেয়ে আলাদা কিছু অফার দিয়ে থাকে।যা খরচের বেলায়ও অনেক কম। এরই সূত্র ধরে নিয়ে এসেছে ফ্রী ইন্টারনেটের একটি গরম অফার।

দেশের আরেকটি ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত  সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান শাওমি বাংলালিংক গ্রাহকদেরকে এমআই স্টোরে শাওমি-এর সব স্মার্টফোনের সঙ্গে টেলিকম সেবার বিশেষ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ সেবা প্রদান করছে।আপনারা জানেন বিগত কয়েক বছর ধরে শাওমি ফোন তার সেবা দিয়ে মানুষের অতি নিকটে চলে এসেছে।অফারটি হলো শাওমি ফোনে বাংলালিংক ব্যবহারকারীগন সারা বছর ফ্রী ইন্টারনেট চালাতে পারবেন প্রতি মাসে ১জিবি করে। এই ফ্রী নেট দিয়ে আপনি সকল সাাাইটই কাাজ চালাতে পারবেন। সময়ের আলাদা কোনো বিষয় নেই।আপনার যখন খুশি যে সাইটে খুশি এই নেট আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।এখন আমি আপনাকে এই দুর্দান্ত বাংলালিংক ও শাওমিি ফোনের যৌথ উদ্যোগে ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানাবো।

বছরজুড়ে বাংলালিংক ফ্রী ইন্টারনেট

আপনারXiaomiমোবাইলথেকে*৫০০০*৫২১#ডায়ালকরেপাচ্ছেনপ্রতিমাসে১জিবিকরে ১২ মাসে১২জিবি  ( সম্পূর্ণ ফ্রী  )

উপরের এসএমএস টি বাংলালিংক থেকে পাঠানো। হয়তো আপনাার অনেকের মোবাইলেও মেসেজটি এসেছে। কেউ হয়তো অফারটি নিয়েও থাকতে পারেন আবার কেউ না ও নিতে পারেন। যারা অফারটি এখনো নেননি তারা এই অফারটি নিয়ে নিন। কারন এটি কোনো ফলস অফার নয়। সবাই পায় তবে আপনি কেন নন। জলদি করুন। এমন অফার সব সময় আসে না। সব নিয়ম ঠিক রেখে বা থাকলে আপনি অবশ্যই পাবেন। ইউএসডিটি কোডটি ডায়াল করে নিয়ে নিন আপনার ইন্টার নেট। আর বছর জুড়ে আপনার এবার নো টেনশন।

শর্তসমূহঃ

আপনার শাওমি ফোনটি বৈধ হতে হবে। আপনার বাংলালিংক সিমটি অবশ্যই কোনো বৈধ শাওমি ফোনে একটিভ থাকতে হবে। সিমেরও বৈধতাা থাকা জরুরি। আপনার বাংলালিংক নম্বর দিয়ে শাওমি ফোনে এমআই একাউন্ট থাকতে হবে। শর্তসমূহ ঠিক থাকলে নিয়ম অনুযায়ী কোড ডায়াল করার পর বাংলালিংক কোম্পানি ২৪ ঘন্টা সময় নিতে পারে। এই সময়ের মধ্যে তারা আপনার ফোন, ফোন নম্বর ও ফোনের আইপি, ইএমআই যাচাই করে আপনাকে তাদের অফারের আওতায় আছেন কি নাই তা এসএমএসের মাধ্যমে নিশচিত করবে।

সবাই ভালো থাকবেন। সুরক্ষিত থাকুন। করোনা মহাামারী থেকে মুক্ত থাকতে সকল বিধিি মেনে চলুুন। পরিবারের ছোট বড় সবাইকে মানতে বলুন। সবাই মিলে ভালো থাকুন।মনে রাখবেন সবাই ভালো থাকলেই কেবল আপনি ভালো থাকবেন।তাই সবার উপর নজর রাখুন।বিশেষ করে শিশুর দিকে।কারন তারা এ বিষয়ে কম জানে।সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading

ইন্টারনেট

ইউটিউব এ ভিডিও ভাইরাল করার নিয়ম

sohan mondol

Published

on

আমরা সবাই কম বেশি ইয়উটিউব সম্পর্কে জানি । ইয়উটিউব হচ্ছে একটি ইন্টারনেট এর মাধ্যম ইয়উটিউব এ সবাই চাই  কম বেসি ইনকাম করতে একটা ভাল চেনেল খুলতে এবং ওই ভিডিও ভাইরাল করতে । ভিডিও ভাল করে এডিট না হলে ভিডিও ভাইরাল হয় না । ভিডিও এডিট এর জন্য ব্যবহার করা হয় নানান ধরনের আপস এর মাধ্যমে এর মধ্যে আমি যেটা ভাল মনে করি শেটা হল কাইন মাস্টার এইটা দিয়ে ভিডিও এডিট করলে অনেক সুন্দর ভাবে ভিডিও এডিট করা যায় । ভিডিও এডিট করলেই হয় না । ভিডিও টাইটেল ও ভাল করে দিতে হয় । ভিডিও সুন্দর ও এইচডি হলে আরও মান্মত ভিডিও হয় । ভিডিও কপি করে ভিডিও ছারলে ভিডিও ভিউ হয় না । ভিডিও নিজের মত করে বানাতে হবে তাহলে ভিডিও ভাইরাল হবেই । ভিডিও ছারলে ভিডিও হয় না গুনগত ভিডিও ছারলে ভিডিও সবাই দেখবে ইনশাল্লাহ । আমি আশা করি আপনারা সবাই ভিডিও নিজের মত করে বানাবেন। এবং চ্যানেল এর নামে টা যত ভাল হবে তত ভিডিও ভাইরাল হবে । ইন্টারনেট এ সবচেয়ে ভাল হচ্ছে ইউটিউব আমি আশা করি আপনারা সবাই বুজতে পারছেন ? আমি যা বলেছি ওইভাবে কাজ করলে সবাই ইন্টারনেট এ ফেমাস হতে পারবে। আধুনিক যুগ এ পরিবর্তন এ ইন্টারনেট এ ব্যাপক ভূমিকা রাখছে । এর মাঝে ইন্টারনেট হচ্ছে ইউটিউব এর ববহার । ভিডিও এডিট করে ছাড়লেই ভিডিও কেও দেখে নাহ , এবং ভিডিও দেখতে ভাল হয় না । সুন্দর নামে এবগ সুন্দর ভিডিও বানানো এতে চ্যানেল বিকশিত হয় । এবং ভিউ মনিটাই জেশন করে টাকা ইঙ্কাম করতে পারবেন ।সবাই নিজের মনের মত করে ভিডিও কর আর ইনকাম করে নাও ইন্টারনেট জগত এ থেকে  ইউটিউব এর মাধ্যমে অনেক এ টাকা ইনকাম করছে । আমি চাই আপনি ও বসে না থেকে অনলাইন যব করতে সক্ষম হন ।

 

Continue Reading