Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিক আমাদের পেটে কিভাবে কাজ করে???

Shahriar Hasan

Published

on

  1. গ্যাস্ট্রিক আমাদের দেশে খুব সাধারন একটি সমস্যা।। আমাদের দেশের ছোট-বড় সবাই এই রোগে ভুগে থাকে।। গ্যাস্ট্রিক এ সমস্যা হলে যখন এর লক্ষ্মণ প্রকাশ পায় তখন মানুষের অনেক কষ্ট হতে থাকে।।পেটে অনেক ব্যথা, বুকের উপর বুকে ব্যথা,ঘারে ব্যাথা,পিঠে ব্যাথা  এগুলো গ্যাস্টিকের উপসর্গ হিসেবে দেখা দেয়।।। আমাদের দেশে এখন বর্তমানে বৃদ্ধ থেকে শুরু করে শিশু সবাই এই রোগে ভুগে।। আপনারা কি জানেন এ রোগটা কি?? এটা কিসের কারনে হয়???
    আজকে আমি আপনাদের এই রোগটা সম্পর্কে বলব।।আসলে পাকস্থলীর প্রদাহ ই হল গ্যাস্ট্রিক।।আমাদের খাবার হজম করার জন্য আমাদের পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl)নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে।।আর যখন আমাদের পেট খালি থাকে তখন এই পদার্থটা কাজ না পেয়ে আমাদের পাকস্থলীর প্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।। আর এই প্রদাহকে আমরা গ্যাস্টিক হিসেবে চিনি।।তারপর এটি আমাদের পেটের পাকস্থলীর সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে যার ফলে আমরা অনেক ব্যথা অনুভব করি।।।এখানে উল্লেখ্য যে এখানে যে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের কারণে আমাদের গ্যাস্ট্রিক হয় সে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মাত্রা কিন্তু অতি তীব্র।। আর এই অতি মাত্রার হাইড্রোক্লোরিক এসিড  আমাদের পেটের পাকস্থলীতে থাকে।।।এখন আসি কেন হয়।।
    যদি আমরা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাই এবং  খালি পেটে এসিডীয় ফল খাই তাহলে আমাদের দেশ আমাদের পেটে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।।এখন আসি আমরা কিভাবে এটি প্রতিরোধ করি।।  এটার জন্য আমরা কি ব্যবহার করি সেটা নিয়ে।। আমরা সাধারণত গ্যাস্টিকের জন্য বাজারে যেসব ঔষধ আছে যেমন এবং বিভিন্ন গ্যাস্টিকের ঔষধ আমরা ব্যবহার করি সেগুলো আসলে কি।।আমরা বাজার থেকে যে সব ঔষধ আনি সে সব মূলত ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড।। আর এই আমাদের পেটে থাকাম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে লবণ ও পানিতে পরিণত হয়।।আর এই তো লবণ ও পানি আমাদের পেটের মধ্যে থাকে যার ফলে আপনার কোনো ব্যথা অনুভব করিনা।।এখানে উল্লেখ্য যে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড অথবা অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ পানিতে পরিণত হয়েছে এটা রসায়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিক্রিয়া এবং এটার নাম হচ্ছে প্রশমন বিক্রিয়া।।এখন আসি এই গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ নিয়ে।। আমরা যদি এ গ্যাস্ট্রিক হতে মুক্ত থাকতে চাই তাহলে আমাদেরকে তৈলাক্ত খাবার পরিহার করতে হবে এবং খালি পেটে থাকা যাবে না আমাদের খালি পেটে পানি অথবা অন্য কোন খাবার খেতে হবে।। আরেকটা কথা উল্লেখ্য যে যদি এই গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর বাজারের ঔষধ এ এর ব্যাথা না কমে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে হবে।।।কারণ অনেক সময় এই গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ এর সাথে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ এর মিল থাকে।। অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেতে পারে এবং এই গ্যাস্টিকের এই লক্ষণগুলো প্রকাশ হয়ে যেতে পারে ঠিক তখন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।। যদি আমরা ডাক্তারের পরামর্শ না নেই তাহলে অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।।।এমনকি মৃত্যুও।।।

Advertisement
3 Comments
Subscribe
Notify of
3 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Farhana liza Farhana liza

Very big problem

Maria Hasin Mim

😀

Md Golam Mostàfa

সব ঠিক আছে। কিন্তু ডাক্তার সাহেব, আপনি জানেন কি গ্যাসট্রিক কোন রোগের নাম নয়। এটি পাকস্থলীর একটি অঙ্গ মাত্র। না জেনে ডাক্তারি করাটা আমাদের বাঙ্গালীদের একটা বদঅভ্যাস।

স্বাস্থ্য

শিশুরা কৃমি থেকে কিভাবে মুক্তি পাবে?

Farhana liza Farhana liza

Published

on

আসসালামু আলাইকুম গ্রাথোর পরিবার। সবাই নিশ্চয় অনেক ভালো আছো। আজ আমি তোমাদের কাছে একটি স্বাস্থ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এ বিষয়টি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ছোট বড় সবাই এই সমস্যার সম্মুখীন হই আমরা। তাই এটার থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় নিয়ে তোমাদেরকে কিছু টিপস দিব। আমি তোমাদের অনেক কাজে আসবে। চলো দেখি বিষয়টা কি?

বিষয়টা হচ্ছে কৃমি। বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের খুব সমস্যা হয় এটা নিয়ে। তাই এই বিষয়ে তোমাদেরকে কিছু ঘরোয়া প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে কিভাবে সমস্যা সমাধান করা যায় ,টসে বিষয়ে টিপস দিতে এসেছি।👇👇👇

টিপস নাম্বার -১-বাচ্চাদের যদি খালি পেটে নারিকেল দিয়ে চিনি মিক্স করে খাওয়ানো হয়, তাহলে কৃমির সমস্যা চলে যায়।

টিপস নাম্বার-২-খালি পেটে সকালে আনারস খাওয়ালে কৃমি সমস্যা সমাধান হয়। আনারস কৃমিনাশক ওষুধের কাজ করে।

টিপস নাম্বার-৩-কালো তুলসী পাতা নিয়ে এক গ্লাস পানিতে সিদ্ধ করে, সিদ্ধ পানি গুলো রাতে শোয়ার সময় খেয়ে ফেললে, সকালে উঠে দেখবে কৃমির সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে। তবে এক গ্লাস পানি কে সিদ্ধ করে আধা গ্লাস করতে হবে তুলসী পাতা সহ।

টিপস নাম্বার-৪-আখের গুড়ের সাথে জোয়ান মিশিয়ে ছোট ছোট বরি করে নিয়ে ,সেগুলো প্রতিদিন খালি পেটে খেলে কৃমির সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। এটা কয়েক দিন খেলে সমস্যার সমাধান হবে।

বন্ধুরা এই টিপসগুলো তোমরা ব্যবহার করে দেখতে পারো। আশাকরি ভাল ফলাফল পাবে। বাচ্চাদের কৃমির সমস্যা নিয়ে কখনো অবহেলা করবে না। কারণ এটি একটি বড় সমস্যা। কৃমি হলে বাচ্চারা অপুষ্টিতে ভোগে। আরো অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। কৃমির কারণে বাচ্চারা ঠিকমতো বড় হতে পারে না। তাই প্রাকৃতিক উপায় এ খাওয়াতে পারবে না, অবশ্যই প্রতি তিন মাস বা ছয় মাস পরপর বাচ্চাদেরকে কৃমির ওষুধ খাওয়াবে। শুধুমাত্র বাচ্চারা না বড়দের ও এ সমস্যা হয়। বন্ধুরা আরেকটি কথা, যখনই তোমরা কৃমির ওষুধ খাবে, এখন ঘরের যতজন সদস্য আছে সবাই খেতে হবে একসাথে। তা না হলে কাজ হবে না।

 

 

Continue Reading

স্বাস্থ্য

হলুদ দিয়ে চা কেন খাবেন?

Rajibul Alom

Published

on

প্রতিদিন সকালে এককাপ চা না খেলে যেন দিনের শুরুটাই সাদামাটা হয়ে যায়! আর সেই চা যদি হয় পুষ্টিগুণে ভরা তাহলে তো কথাই নেই।
আমরা সাধারণত আদা চা খেতে বেশি অভ্যস্ত। কেউ কেউ আবার আদার পাশাপাশি লবঙ্গ, গোল মরিচ অথবা লেবু মিশিয়ে খান। কেমন হতো যদি এগুলোর পাশাপাশি এক চিমটি হলুদও মিশিয়ে দিতেন। চলুন দেখে নেয়া যাক, এই এক চিমটি হলুদ আপনার চায়ের পুষ্টিগুণে আরো কী কী পরিবর্তন আনে।

১. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাবে দ্বিগুণঃ হলুদে আছে প্রচুর পরিমানে কারকিউমিন। যা আপনার রক্তে জমা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিবে। এটি স্ট্রোক ও হার্ট এট্যাকের ঝুকিও কমাতে সাহায্য করে।

২. দৃষ্টিশক্তি উন্নত করেঃ হলুদে উপস্থিত থাকা উপকারী উপাদান রেটিনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমায়। এছাড়া চোখে প্রোটিনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে এই হলুদ। এতে প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে অন্ধত্ব হওয়ার ঝুকি থাকে না।

৩. ক্যান্সারের ঝুকি কমায়ঃ যেকোনো চা’ই ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর সেই চায়ের সাথে হলুদের গুড়া মিশিয়ে নিয়মিত পান করলে ক্যান্সারের ঝুকি থাকে না বললেই চলে। কারণ হলুদে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমটরি প্রপাটিজ শরীরে যাতে ক্যান্সার সেল জন্ম নিতে না পারে সে দিকে খেয়াল রাখে।

৪. চেহারা সুন্দর করেঃ হলুদে থাকা ভিটামিন ই চেহারার সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া, ছোট-বড় সব ধরনের স্কিন ডিজিজের প্রকোপও কমিয়ে দেয়।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়ঃ হলুদে থাকা উপাদান পাকস্থলীর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখা বাড়িয়ে দেয়। এতে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে এবং বদহজম প্রতিরোধ হয়।

৬. ব্রেনের ক্ষমতা বাড়ায়ঃ হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন নামক উপাদান ব্রেন সেলের ক্ষতি হওয়া আটকায়। কাজেই নিয়মিত হলুদ চা (টার্মারিক টি) পান করলে ব্রেনের পাওয়ার এতোটাই বৃদ্ধি পায় যে অ্যালঝাইমার্সের মতো ভয়ঙ্কর রোগও দূরে থাকে। এছাড়া এই কারকিউমিন স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

৭. হার্টের ক্ষমতা বাড়েঃ একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত হলুদ চা পান করেন তাদের হার্ট অন্যান্য মানুষের চেয়ে বেশি সুস্থ থাকে।

৮. আর্থ্রাইটিসের কষ্ট কমেঃ হলুদে থাকা কারমিউমিন শরীরে অ্যান্টিইনফ্লেমটরির মাত্রা বাড়িয়ে জয়েন্ট ও যন্ত্রণা কমিয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

তাহলে এখন নিশ্চয়ই বুঝে গেলেন প্রতিদিন সাধারণ চা না খেয়ে সামান্য হলুদ দিয়ে তৈরি করা টার্মারিক চা খাওয়া কতটা দরকার! তবে এটা কিন্তু শুধু আপনার, আমার না, সবারই এই চা খাওয়া দরকার। তাহলে আর দেরি কেন, সবাইকে জানিয়ে দিন, শেয়ার করুন ফেসবুকে।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যই সম্পদ যদি স্বাস্থ্য চলে যায় তবে সবকিছু চলে যায়’

Mukitu Islam Nishat

Published

on

‘যদি স্বাস্থ্য চলে যায় তবে সবকিছু চলে যায়’। জীবন স্বাস্থ্য হারাবে যদি আপনি স্বাস্থ্য থেকে বঞ্চিত হন। আপনি খাবার বা জগতকে উপভোগ করেন না। এমনকি আনন্দের সাথে সময় কাটাও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি সুস্থ ব্যক্তি (ধনী বা গরিব) কোনও অসুস্থ দেহের চেয়ে ধনী ব্যক্তির চেয়ে বেশি সুখী ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে মানুষের আসল সম্পদই তার স্বাস্থ্য health স্বাস্থ্য কেবল রোগ এবং দুর্বলতার অনুপস্থিতি নয় বরং সম্পূর্ণ শারীরিক, সামাজিক এবং মানসিক সুস্থতার একটি অবস্থা। স্বাস্থ্য এইভাবে জীবের এক কার্যক্ষম দক্ষতার স্তরের এবং ব্যক্তির মন, শরীর এবং আত্মার সাধারণ অবস্থার অর্থ, এটি মুক্ত রোগা, আঘাত এবং ব্যথা। আপনি যদি শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যবান হন তবে আপনি অন্যের কাছে একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হতে পারেন এবং কীভাবে প্রাণবন্ত স্বাস্থ্য অর্জন করবেন তা তাদের শিখিয়ে দিতে পারেন। সুস্বাস্থ্যের জন্য, লোকদের একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করা উচিত। স্বাস্থ্যকর জীবনধারাতে জড়িত না এমন ব্যক্তিরা অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্থূলত্ব, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, কিডনিজনিত সমস্যা, লিভারের ব্যাধি এবং আরও অনেকের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্য ব্যাধিতে ভুগতে পারেন। অস্বাস্থ্যকর শরীর খুব সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং ক্লান্ত শরীর সহজেই অনুপ্রেরণা এবং আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। স্বাস্থ্য godশ্বরের মহান নেয়ামত। সুস্বাস্থ্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। সুস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সুশৃঙ্খল জীবন বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। আমাদের আমাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া উচিত এবং এর জন্য আমাদের সর্বদা একটি সহজ এবং ভারসাম্যযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। ব্যায়ামের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর ও রোগমুক্ত শারীরিক পরিচ্ছন্নতা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উদ্দেশ্যটি হ’ল সুস্থ থাকার জন্য আমাদের শরীরকে পরিষ্কার রাখা উচিত। আমাদেরও আমাদের ঘর এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। একটি পরিষ্কার পরিবেশ একটি পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর শরীরের দিকে পরিচালিত করে। এটি সংক্রামক রোগগুলি ধরার ঝুঁকি হ্রাস করে। এবং একটি পরিষ্কার পরিবেশ অর্জন করা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা মানুষের দায়িত্ব। প্রচুর পরিমাণে জল পান করা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার একটি ভাল উপায় কারণ এটি সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করে, আপনার ত্বককে সুস্থ রাখে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়, দেহের মেদ পোড়াবে এবং আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের আরও হাসতে হবে কারণ হাসি একটি থেরাপি এবং সুস্বাস্থ্যের একটি গোপন বিষয়। যে কোনও খারাপ অভ্যাস যেমন ধূমপান, অ্যালকোহল পান করা, খারাপ জীবনযাপন ইত্যাদি এড়ানো উচিত। একটি স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি প্রচুর অর্থোপার্জন করতে পারে তবে একটি স্বাস্থ্যকর ব্যক্তি অনুপ্রেরণা, আন্তঃসংযোগ এবং ঘনত্বের মাত্রার অভাবে পারেন না। অর্থ একটি সুস্থ জীবন যাপনের উত্স তবে সুস্বাস্থ্যই একটি সুখী ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের উত্স। সুতরাং, স্বাস্থ্য থেকে অর্থের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ matters আমাদের সকলের উচিত সত্যিকার অর্থে ধনী হওয়ার জন্য আমাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট