Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

টিপস এন্ড ট্রিকস

ত্বক ও চুলের যত্নে জয়তুন তেল ব্যবহারের দারুণ টিপস।

Mojammal Haque

Published

on

আজ যা নিয়ে আর্টিক্যালটি সাজিয়েছি তাকে বাংলাতে জলপাই আরবিতে জয়তুন ও ইংরেজীতে অলিভ বলা হয়। রান্নাবান্না ও ভেষজ চিকিৎসায় দারুণ কাজ করে জয়তুন বা জলপাইয়ের তেল। ত্বকের ও চুলের সৌন্দর্য বর্ধনের উপকারি সকল দিক রয়েছে এই তেলে। পবিত্র কোরআনেও এর কথা উল্লেখ রয়েছে। আসুন বিস্তারিত জানি।

প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও মেয়েদের রূপচর্চায় জয়তুন তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে। আমরা এটাকে বাংলাতে জলপাইয়েল তেল, আরবিতে জয়তুন তেল ও ইংরেজিতে অলিভ অয়েল নামে চিনি। এটির এমনি গুন যে এটি ত্বক ও চুল উভয়ের যত্নেই কাজ করে।

জয়তুন তেল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ত্বককে সতেজ রাখে ও ত্বকে বাহিরের ময়লা জমতে দেয় না।
ত্বক ফেটে গেলে বিশেষ করে গর্ভবতী মায়ের শরীরের ফাটা দাগ সারিয়ে তুলতে জয়তুন তেল বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
এই তেল ব্যবহার করলে ত্বকের বলিরেখা কম হয়। জয়তুন তেলের অ্যান্টিএইজিং নামক উপাদান ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।
ত্বকে চুলকানির সমস্যা দূর করে।
এই তেল ত্বকের শুষ্কতা কমায় ও ত্বকের ছোট ছোট ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে সাহায্য করে। যার ফলে ত্বকে কোমল এবং মসৃণ ভাব বজায় থাকে।

জয়তুন তেল শুধু ত্বকই ভালো রাখেনা, এ তেল মাথার ত্বকের খুশকি দূর করার ক্ষেত্রেও দারুন কার্যকরী। মাথার ত্বক যখন শুষ্ক হয়ে যায় তখন মাথার তালুতে এ তেল ব্যবহারে মাথা যেন প্রাণ ফিরে পায়। এটা সম্ভব শুধু জয়তুন তেলের গুণে। এটি মাথার চুল পড়া কমাতেও দারুণভাবে সাহায্য করে। চুলের গোড়া মজবুত করে চুল পড়া রোধ করা এর কাজ। শিশুর নরম ও কোমল ত্বকের জন্যও এটি নিরাপদ। সান প্রটেক্টর হিসেবে এটি দারুণ কার্যকরী। এটি রাতে ঘুমানোর আগে নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এটির ব্যবহার ত্বককে নরম করে। ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নেও সমান কার্যকরী এই তেল। শ্যাম্পু করার পর হাতের তালুতে কয়েক ফোঁটা জয়তুন তেল নিয়ে ভালোভাবে দুই হাতে ঘষে তারপর চুলে লাগাতে পারেন। এটি কন্ডিশনারের কাজ করবে। নতুন চুল গজানোর জন্য চুলে জয়তুন তেল ম্যাসাজ করুন। এরপর গরম পানিতে ডুবানো তোয়ালে দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন যাতে তোয়াল ও আপনার মাথার তাপমাত্রা সহনীয় মাত্রায় থাকে। এভাবে মাসে কয়েকবার এটি করুন। এ কাজগুলো করতে পারলে আপনার চুল হয়ে উঠবে আরও বেশি নরম ও উজ্জ্বল।

Advertisement
1 Comment
Subscribe
Notify of
1 Comment
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

okay

টিপস এন্ড ট্রিকস

রবি থেকে অন্য অপারেটরে ব্যালেন্স ট্রান্সফার

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিম পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

বর্তমানে টেলিকমিউনিকেশন খাতে বিপ্লব ঘটেছে। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সেই সাথে নিরবিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক থাকায় টেলিকমিউনিকেশন খাতে এখনো সকলে আস্থা অবিচল রয়েছে।গ্রাহক সেবা এবং দ্রুত গতির ইন্টারনেট এর দিক থেকে রবি এগিয়ে রয়েছে সবার আগে।রবিতে নিরবিচ্ছিন্ন সুপারফাস্ট ইন্টারনেট সেই সাথে বাধাহীন নেটওয়ার্ক এর ফলে গ্রাহক সেবায় রবি এগিয়ে আছে সবার আগে।

আমরা অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের মাধ্যমে ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়।আর এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয় যে ব্যালেন্স লোড করার আর উপায় থাকে না।তখন ব্যালেন্স ট্রান্সফার করাই একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায় আমাদের সামনে। একই অপারেটর থেকে ব্যালেন্স ট্রান্সফারের উপায়টি সম্পর্কে আমরা সকলে অবগত থাকলেও এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটর এর মধ্যে ব্যালেন্স ট্রান্সফারের খবরটি সম্পর্কে আমরা কয়জন ইবা জানি।

তাই আজ আমি আপনাদের সামনে আলোচনা করব কিভাবে এক অপারেটর থেকে আরেক অপারেটরে আপনি ব্যালেন্স ট্রান্সফার করবেন। আজ আমি আলোচনা করব কিভাবে আপনি রবি অপারেটর থেকে অন্য যেকোনো অপারেটরে আপনি ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন। তাহলে দেরি না করে শুরু করি।

কিভাবে আপনি খুব সহজ উপায়ে রবি সীম থেকে অন্য যেকোনো অপারেটরে ব্যালেন্স ট্রান্সফার করতে পারবেন তার কিছু উপায় আমি নিচে তুলে ধরলাম।

১.প্রথমে আপনাকে আপনার ফোনে *123*4# এ ডায়াল করুন রবি অপারেটরে।
২.ডায়াল করার পর কতগুলো অপশনের পর + পরে লিখা অপশন পাবেন। সেটাই ক্লিক করবেন।
৩.সেন্ড করার পর ব্যালেন্স ট্রান্সফার অপশন পাবেন।
৪.সেই অপশনের নাম্বার লিখে এন্টারে চাপ দিন।
৪.এন্টারে চাপ দেওয়ার পর ব্যালেন্স এর পরিমান নামে একটি অপশন আসবে। আপনাকে সেই অপশনের পাশে নাম্বার লিখে পাঠিয়ে দিন।
৫.সেখানে এমাউন্ট লিখুন তারপর নাম্বার দিয়ে এবং পিন দিয়ে ব্যালেন্স ট্রান্সফার করুন।

আশা করি আজকের পোস্টটির মাধ্যমে আপনি খুব সহজে রবি থেকে অন্য যেকোনো অপারেটরে ট্রান্সফার করতে পারবেন।ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

 

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

পুলিশের কাছে দরখাস্ত লেখার নিয়ম

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিম পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনারা সকলেই যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই করি।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কখনো ভালো কাটে কিংবা খারাপ কাটে। নানান ধরণের দুঃখ কষ্ট এবং নানান ধরণের সমস্যা নিয়ে চলার নামই জীবন।এই সকল সমস্যার মধ্যে কিছু সমস্যা থাকে যা আমরা সহজে সমাধান করতে পারি। আবার ঠিক এমন কিছু সমস্যা থাকে যা আমরা সহজে সমাধান করতে পারি না।সেই সকল সমস্যা সমাধান করতে শুধুমাত্র তৃতীয় ব্যক্তির প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আমরা আমাদের জমি জামা সংক্রান্ত নানান ধরণের সমস্যা থাকে যার জন্য আমাদের পুলিশের কাছে দারস্থ হতে হয়।কিন্তু লিখিত কোন অভিযোগ করা ছাড়া মুখের কথায় পুলিশ কোন অভিযোগ আমলে নিবেই না।তাই আপনাকে পুলিশের কাছে কোন অভিযোগ নিতে হলে অবশ্যই আপনাকে লিখিত অভিযোগ করতে হবে।কিন্তু অনেকেই লিখিত অভিযোগ করতে পারে না।জানেই না কিভবে লিখিত অভিযোগ করতে হয়।তাই আমি আজ আপনাদের কিভাবে পুলিশের জন্য লিখিত অভিযোগ করতে হবে সেই ব্যাপারটি তুলে ধরব।আশা করি আপনারা শুনবেন।

ধরুন আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ মালামাল হারিয়ে গিয়েছে।এখন আপনি থানায় গিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ আপনাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছে।এখন আপনি লিখিত অভিযোগ কিভাবে করবেন তার একটি নমুনা কপি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলোঃ

বরাবর,
অফিস ইনচার্জ,
কুমিল্লা মডেল থানা,
কুমিল্লা জেলা

বিষয়ঃসাধারণ ডায়েরি করার আবেদন।
জনাব,
যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনিত নিবেদন এই যে আমি নিম্নসাক্ষরকারী আপনার থানায় হাজির হইয়া এই মর্মে সাধারণ ডায়েরি আবেদন করেতেছি যে গত ২০/০৯/২০২০ ইং তারিখে ৪ টার সময় আমার ব্যক্তিগত মালামাল আপনার থানাস্থ এরিয়ার পাশের এরিয়া থেকে হারিয়ে ফেলেছি।

অতএব উপরোক্ত বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিস্থ করিতে মহোদয়ের মর্জি হয়।
বিনীত নিবেদক
মারিয়া হাসিন
জেলা কুমিল্লা

এমন ভাবেই আপনি থানায় যেকোনো বিষয়ের জন্য লিখিত আবেদন করতে পারবেন।আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

 

 

 

 

Continue Reading

টিপস এন্ড ট্রিকস

বাচ্ছাদের একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কিছু সহায়ক টিপস।

Mojammal Haque

Published

on

যুগ পাল্টেছে। বাচ্ছারাও এখন অনলাইন থেকে যেকোনো বিষয়ে প্রচুর তথ্য পাচ্ছে। হোক সেটা ভালো কি মন্দ, তাতে কি যায় আসে। যেমনটি, আপনি অভিভাবক হয়েও সারাদিন ঘাটাঘাটি করছেন নেটে। বাচ্ছাটিও অনুকরন প্রিয়। সর্বদাই অনুকরন করে যাচ্ছে আপনাকে। আপনি মোবাইলটি হাত থেকে রাখা মাত্রই চোখের পলকে চলে যাচ্ছে তাদের হাতে।

পিতা বা মাতা বা একজন অভিভাবক হিসাবে নিজের অজান্তেই আপনি আপনার চেয়ে বেশি আপনার বাচ্চাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন আধুনিক সময়ের আধুনিকতা। বাচ্চারা খুব ছোট থেকেই আপনার নিত্য ভাল এবং খারাপ অভ্যাস উভয়ই গ্রহণ করে। শিষ্টাচারসহ বিভিন্ন সময়ের খাদ্যাভাস অনুসরণ করে এবং একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রেখে আপনি আপনার সন্তানকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। যে সকল স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোটদের ছোট থেকেই শেখানো হয় এক পর্যায়ে সেগুলোই তার জীবনযাত্রার রুটিনের অংশ হয়ে যায়। যার ফলে সে একটি সুখী, স্বাস্থ্যকর এবং রোগমুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে পারে। যেমনঃ

দিনের শুরুতে অর্থাৎ সকালের নাস্তাটি সর্বাধিক পুষ্টিকর হওয়াঃ

দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারটি হলো সকালের খাবার। অভিভাবকদের এ বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্বারুপ করতে হবে। একটি ভালো নাস্তা কেবলমাত্র শিশুর শরীরের শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেনা বরং তাকে নিয়মিত সকালের নাস্তা খেতে উৎসাহীও করে। তাই বাচ্ছাদের খাবারের একটি রুটিন থাকার গুরুত্ব অনেক। বাচ্চারা রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

পর্যাপ্ত শরীরচর্চা করাঃ

যদিও মহামারীর সময়টাতে বাচ্চারা ঘরে অবস্থান করছে তবুও যতটুকু সম্ভব তাদেরকে ঘরের ভেতরের শরীরচর্চা করার সুযোগ দেয়া উচিত। কারন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত অনুশীলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার বাচ্চাদের প্রতিদিন অন্তত এক ঘন্টার জন্য কোনও না কোনও উপায়ে অনুশীলন করার সুযোগ দিন। শিশুরা যখন অনুশীলন করে তখন তাদের একাডেমিক স্ট্রেস এবং মানসিক সঙ্কট কেটে যায়। খেলাধুলা বাচ্চাদের অল্প বয়স থেকেই জীবন কীভাবে মোকাবেলা করতে হয় তা শেখায়।

বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুনঃ

আপনার বাচ্চাকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিছু সময়ের জন্য শিক্ষনীয় কোনো বই পড়তে দিন। তারা যা পড়তে চায় তা ই দিন। একটি ভাল দক্ষ শব্দভাণ্ডার তৈরি করার জন্য তাকে বই পড়ান। শক্তিশালী পাঠ্য দক্ষতা অপরিহার্য। কারণ বইগুলি সবসময় বাচ্চাদের শিখতে এবং তাদের জ্ঞানের স্পৃহা বাড়াতে সহায়তা করে।

পারিবারিকভাবে তাকে সময় দিনঃ

আপনার সন্তানের সাথে একটি বন্ধুসুলব বন্ধন তৈরি করুন। তাকে এটা বুঝান যে যাতে আপনার মধ্যে আস্থা রাখে। পারিবারিক খাবার একসাথে খাওয়া হিসাবে রাতের খাবার নির্ধারণ করুন। সকলে মিলে পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে তা নিশ্চিত করুন। আপনার বাচ্চাদের সাথে ভালে ছায়াছবি, সাহিত্য, রাজনীতি বা যা কিছু কল্যানকর তা নিয়ে আলোচনা করুন। তাদেরকে উজ্জীবিত করে রাখুন। এটি নিশ্চিত করুন যে, তাদের যখন সাহায্যের প্রয়োজন হয় তখন তারা যেন আপনার কাছে পৌঁছাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

ভাল ঘুমঃ

আপনার বাচ্চাদের রুটিন করে দৈনিক আট ঘন্টা একটানা ঘুমের ব্যবস্থা করুন। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য এর চেয়ে ভাল আর কিছুই নেই। ঘুম কম হলে শরীরের হরমোন, কোষ এবং টিস্যুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। এমন একটি প্রতিদিনের ঘুমের রুটিন আপনার বাচ্চাকে দীর্ঘমেয়াদে ভাল করতে পারে।

স্বাস্থ্যকর অভ্যাস সুস্বাস্থ্যের দুই-তৃতীয়াংশঃ

অল্প বয়স থেকেই আপনার বাচ্চাদের বেসিক হাইজিন শেখান। দিনে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা, দাঁত ফ্লাশ করা, প্রতিবার খাবারের আগে এবং পরে হাত ধোয়ার মতো অভ্যাস করা। এসকল নিয়ম অসুস্থতা কমায়। এটি বাচ্চাদের পরিষ্কার এবং সুসজ্জিত হওয়ার গুরুত্বও শেখায়। শৈশব থেকে এই অভ্যাসগুলি থাকলে বাচ্চারা একটি স্বাস্থ্যকর জীবন পাবে।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট