Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

প্রোগ্রামিং

নিজেই তৈরি করো নিজের ওয়েবসাইট

Sakib Rayhan

Published

on

ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি করার সময় একটা ওয়েব সাইট দেখে ভালো লাগলো । হঠাৎ মনে হলো আমার যদি এমন একটা ওয়েব সাইট থাকত তাহলে কেমন  হতো ? যে ভাবা সেই কাজ , কিভাবে ওয়েব সাইট তৈরি করতে হয় তা জানার জন্য অনেক টিউটোরিয়াল দেখলাম , এখন সিদ্ধান্ত নিলাম আমি নিজেই নিজের জন্য ওয়েব সাইট তৈরি করব ! কিন্তু এখন সমস্যা হচ্ছে আমি যে ওয়েব সাইট টি তৈরি করব , তা ভালো ভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমাকে কোন কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানতে হবে । তা যদি জানতে পারি তাহলে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো লিখে ফেলতাম এবং নিজেই নিজের জন্য পছন্দ মত ওয়েব সাইট ডেভেলপমেন্ট এর কাজ ভালো ভাবে সম্পন্ন করতে পারতাম । এই আক্ষেপ ঘুচানোর জন্য আর্টিকেল টি পড়তে থাকো শেষ পর্যন্ত ।

ওয়েব সাইট ডেভেলপমেন্ট ভালো ভাবে সম্পন্ন করার জন্য কোন কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ  জানতে হবে তা জানার আগে জেনে নেওয়া ভালো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি ? ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েব সাইট এর ডিজাইন/কাঠামো কে কোডিং এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ রুপ দেওয়া। ওয়েব সাইট টি কেমন হবে তা জানা যায় ওয়েব ডিজাইন এর মাধ্যমে । আর তার রুপান্তরিত রুপ দেখা যায় ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মাধ্যমে ।এখন বিষয় হচ্ছে আমাদের ওয়েব সাইট টির ডেভেলপমেন্ট ভালোভাবে সম্পন্ন করতে হলে কোন কোন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করতে হবে !

১. HTML : (Hyper Text Markup Language) এটি ব্যবহার করে ওয়েব সাইট এর স্ট্রাকচার(structure) তৈরি করা হয় । (বি:দ্র: HTML কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, এটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ ।

২. CSS : সিএসএস ল্যাঙ্গুয়েজ টি ব্যবহার করে প্রেজেন্টেশন করা হয় । অর্থাৎ একটি ওয়েব সাইট কেমন দেখাবে ? ওয়েব সাইট এর আকর্ষণীয়তা নির্ভর করে সিএসএস এর উপর ।

৩. JavaScript : জাভা স্ক্রিপ্ট একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ । ওয়েব সাইট কে ডায়নামিক করে তুলতে এটি ব্যবহার করা হয় ।

৪. PHP : পিএইচপি ও একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ । এটি ব্যবহার করে ওয়েব সাইট কে ইউনিক করে তোলা যায় ? বিশ্বের বড় বড় বেশির ভাগ ওয়েব সাইট পিএইচপি নির্ভর । যেমন :- ফেসবুক এর বড় একটি অংশ পিএইচপি নির্ভর ।

এই চারটি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে একটি আদর্শ ও ইউনিক ওয়েব সাইট তৈরি করা সম্ভব । বিশ্বের বেশির ভাগ ওয়েব সাইট ই এ চারটি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে । যে কেউ চাইলে অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো ব্যবহার করতে পারে । এক্ষেত্রে প্রোগ্রামার এর চিন্তা ভাবনার উপর নির্ভর করবে । ওয়েব সাইট এ ডেটাবেজ এর ব্যবহার এর  জন্য SQL আদর্শ ল্যাঙ্গুয়েজ , কেউ চাইলে এটিও ব্যবহার করতে পারে । তবে আর দেরি কেন তুমিও তোমার পছন্দ মত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ল্যাঙ্গুয়েজ শিখে তৈরি করে ফেলো তোমার স্বপ্নের ওয়েব সাইট । শুভ কামনা রইলো সবার জন্য ।

প্রোগ্রামিং

HTML বেসিক টিউটোরিয়াল সিরিজ। পার্ট 2

MD Zahirul Islam

Published

on

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন আল্লার রহমতে আমি অনেক ভালো আছি আজকে আপনাদের সামনে হাজির হলাম এইচটিএমএল বেসিক টিউটোরিয়াল সিরিজ পার্ট 2 নিয়ে।

 

নিচে একটা সাধারন এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেয়া হল এবং এর প্রতিটি অংশের বিস্তারিত বর্ননা করা হয়েছে ।

1. <!DOCTYPE html>
2. <html>
3. <head>
4. <title>ekhane title thakbe</title>
5. </head>
6. <body>
7. <h1>Webcoachbd demo heading</h1>
8. <p>demo content goes here.</p>
9. </body>
10. </html>

প্রথম লাইনটি <!DOCTYPE html> হচ্ছে ডকুমেন্টটি কি ধরনের তা(ব্রাউজারকে) বোঝানোর জন্য দেয়া হয়। এইচটিএমএল এর কোন ভার্সন ব্যবহার করবেন সেটার উপর ভিত্তি করেই এই ডিক্লেয়ারেশন টি দেয়া হয়। html এর অনেকগুলো ভার্সন আছে যেহেতু আমরা html5 ব্যবহার করতেছি তাই আমরা<!DOCTYPE html> ব্যবহার করব। যেমন উপরের ডকুমেন্ট টি এইচটিএমএল ৫ এর একটি ডকুমেন্ট ।

html এর অনেক গুল ভার্সন আছে এখন HTML5 আসার পর এগুলি আর সাধারনত ব্যবহার করেনা। HTML 5 বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। যাইহোক এটা খুব গুরত্বপূর্ন কিছু নয় যাই হোক ।

আমরা যেকোন একটা এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেখি সেখানে অবশ্যই ট্যাগ থাকে। যেমন নিচের ডকুমেন্ট টি দেখুন এখানে <html>, <head>, <body> ইত্যাদি এক একটি ট্যাগ।

সোজা কথায় less than (<) চিহ্ন এবং greater than (>) চিহ্ন দিয়ে মোড়ানো একটা শব্দকে (যেটা এইচটিএমএল অনুমোদিত) ট্যাগ বলে। যেমন html শব্দটি এই দুই চিহ্ন দিয়ে মুড়িয়ে যখন HTML  ডকুমেন্টে লিখি তখন এটার নাম html ট্যাগ। এরুপ শত শত ট্যাগ আছে এইচটিএমএল এ।
যেমন:প্যারাগ্রাফ ট্যাগ <p></p>
হেডিং <h1></h1> ট্যাগ ইত্যাদি।

1. <!DOCTYPE html>
2. <html>
3. <head>
4. <title>ekhane title thakbe</title>
5. </head>
6. <body>
7. <h1>Webcoachbd demo heading</h1>
8. <p>demo content goes here.</p>
9. </body>
10. </html>

প্রায় সব ট্যাগেরই একটা সমাপ্তি ট্যাগ থাকে।
যেমন উপরে <html> ট্যাগটির সমাপ্তি ট্যাগ (closing tag ) হচ্ছে </html> আবার <h1> এর ক্লজিং ট্যাগ হল </h1> এভাবে বাকি সবগুলি।

শুরুর ট্যাগটিকে বলে opening tag বা start tag আর শেষের ট্যাগটিকে বলে closing tag  বা end tag. দুটোই একই শুধু ক্লজিং ট্যাগে একটা ব্যাকস্লাস (/) চিহ্ন বেশি থাকে।

এই ওপেনিং এবং ক্লজিং ট্যাগের ভিতর কনটেন্ট দিতে হয়। যেমন উপরে দিয়েছি।

এই ট্যাগই হচ্ছে এইচটিএমএল এর মুল জিনিস। শত শত ট্যাগ আছে, যত বেশি মনে রাখতে পারবেন ততই দ্রুত কাজ করতে পারবেন। তবে অনেকদিন ধরে কাজ করলে বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় ট্যাগগুলি মুখস্থই থাকে।

কিছু কিছু ট্যাগ আছে এগুলির ক্লজিং ট্যাগ নেই যেমন input ট্যাগ, image ট্যাগ ইত্যাদি। এই ট্যাগগুলি সামান্য একটু ভিন্ন। এগুলি সম্পর্কে আমরা পরবর্তী টিউটোরিয়ালে শিখব।

1. <!DOCTYPE html>
2. <html>
3. <head>
4. <title>ekhane title thakbe</title>
5. </head>
6. <body>
7. <h1>Webcoachbd demo heading</h1>
8. <p>demo content goes here.</p>
9. </body>
10. </html>

উপরে যে ডকুমেন্টটি দিয়েছি সেখানে <html></html> কে বলে প্যারেন্ট ট্যাগ। এবং এর ভিতরে যে ট্যাগ গুলো থাকে তাকে বলা হয় চাইল্ড ট্যাগ।
সোজা কথায় যার ভেতরে যে থাকবে তাকে বলা হয় চাইল্ড এক রং যার ভেতরে থাকবে তাকে বলা হয় প্যারেন্ট ট্যাগ। এখানে এইচটিএমএল ট্যাগ কে যদি প্যারেন্ট ট্যাগ ধরি তাহলে এর ভিতরের ব্যবহৃত ট্যাগগুলি হল এর চাইল্ড ট্যাগ। একইভাবে head ট্যাগের চাইল্ড ট্যাগ হল title ট্যাগ কিন্তু title ট্যাগের কোন চাইল্ড ট্যাগ নেই। আবার দেখুন body হল প্যারেন্ট ট্যাগ এবং এর চাইল্ড ট্যাগ এখানে p এবং  h1 আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন।

তো যাদের কাছে ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ নাই তারা কিভাবে শিখবেন তাদের জন্য এর আগে আমি একটি পোস্ট করেছি আপনারা চাইলে সে পোস্টে পড়ে আসতে পারেন এখান থেকেhttps://grathor.com/মোবাইল-দিয়ে-

ওয়েব-ডিজাই/

তো আজকের টিউটরিয়াল এই পর্যন্তই পরবর্তী টিউটোরিয়ালে আমন্ত্রণ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

HTML বেসিক টিউটোরিয়াল সিরিজ পার্ট 1

MD Zahirul Islam

Published

on

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমি অনেক ভালো আছি।

আজকে থেকে শুরু করতে যাচ্ছি নতুন এক টিউটোরিয়াল সিরিজ এতে থাকছে HTML-5 এর বেসিক ধারণা

( A-2-Z )

এবং আজকে এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল সিরিজের পার্ট ((1))

আজকের এই টপিকে থাকছে:-
এইচটিএমএল নিয়ে অসাধারণ আলোচনা।
• ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট কি??
• সার্ভার কি??
• ডোমেইন নেম কি??
• ওয়েব হোস্টিং কি??
• এইচটিএমএল কি??
• এইচটিএমএল কি কাজে লাগে যা যা প্রয়োজন হবেঃ
• ওয়েব ডিজাইনের জন্য এইচটিএমএল কি যথেষ্ট??
তো চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল টপিকে যাওয়া যাক

সাধারণ আলোচনা:

এইচটিএমএল হলো ওয়েব ডিজাইন এর মূল ভিত্তি যা দিয়ে ওয়েব পেজ তৈরি করা হয় আপনি যদি একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই এইচটিএমএল সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এইচটিএমএল কঠিন কোন বিষয় না নিয়মিত 1 সপ্তাহ অনুশীলন করলেই ভালোভাবে আয়ত্ত করা সম্ভব স্টাইল নিয়ে আলোচনার পূর্বে মৌলিক কতগুলো বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হলো।
ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট কি: ওয়েব ডিজাইন বলতে বুঝায় ওয়েবসাইটের আউটলুক অর্থাৎ বাহ্যিক রূপ তৈরি করা। এর জন্য দরকার হবে HTML , CSS , Photoshop.
ওয়েব ডেভলপমেন্ট বলতে বুঝায় ওয়েব প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা। এর জন্য আপনাকে জানতে হবে Php,Javascript, Xml,Database, Framework.

 

ওয়েব সার্ভার কি??
ওয়েব এর যাবতীয় কনটেন্টগুলো যে শক্তিশালী ও বিশাল স্টরেজ সুবিধাসম্পন্ন কম্পিউটার রাখা হয় অর্থাৎ যেখানে ওয়েবসাইটের হোস্ট করা হয় তাকে বলা হয় ওয়েবসার্ভার বলা হয়।
ডোমেইন নেম কি??
আপনার ওয়েবসাইটকে যে নামে সারা বিশ্বের মানুষ জানবে অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের নাম হল ডোমেন নেম।

 

ওয়েব হোস্টিং কি??
ওয়েব সার্ভারে ওয়েবসাইটকে রাখার জন্য যে পরিমান জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয় তাকে ওয়েব হোস্টিং হোস্টিং হলো অনলাইন স্টোরেজ যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে টাকার বিনিময় আপলোড করতে পারেন।

 

HTML কি কি কাজে লাগে??
এইচটিএমএল লেখার জন্য আলাদা কোন এডিটর সফটওয়্যার ব্যবহার না করলেও হবে আপনার কম্পিউটারে নোটপ্যাড নামের যে টেক্সট এডিটর আছে সেখানে কোড লিখতে পারেন এবার এইচটিএমএল কোড কে রান করানোর জন্য আপনার যেকোনো একটি প্রয়োজন হলেই হবে।

ওয়েব ডিজাইনের জন্য এইচটিএমএল কি যথেষ্ট??

না ওয়েব ডিজাইনের জন্য HTML যথেষ্ট না HTML ব্যবহার করে আপনি শুধুমাত্র ওয়েব পেজের লেআউট ও কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন এরপর CSS ব্যবহার করে ওয়েব পেজে বিভিন্ন স্টাইল ব্যবহার করতে পারেন। এরপর ডাটা বহন ও সংরক্ষণের জন্য জানতে হবে XML . এরপর javascript ব্যবহার করে এপ্লিকেশন তৈরী করলে পেজটি ডায়নামিক হওয়া শুরু করবে। এরপর ওয়েব প্রোগ্রামিং হিসেবে PHP এবং যেকোন একটি ডাটাবেজ যেমন Mysql শিখলে আপনার পেজটি পুরোপুরি ডায়নামিক হবে একজন ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে উপরের বিষয়গুলো ক্রমানুসারে ভালোভাবে জানতে হবে।


এই ছিল আজকের টপিক পরবর্তী টপিকের আমন্ত্রণ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

জেনে নিন ফাইল সিস্টেম এর সম্পর্কে

Shadhin Ali

Published

on

আসসালামুয়ালাইকুম, কেমন আছেন সবাই আশা করি ভাল আছেন।আজ আমি আপনাদের মাঝে এমন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি যেখানে আপনারা জানতে পারবেন ফাইল সিস্টেম কি এবং এ সর্ম্পকিত নানা তথ্য। তো চলুন শুরু করা যাক।

কম্পিউটারের বিভিন্ন তথ্য ও ডাটা নিয়ে ফাইল তৈরি হয়। ফাইল হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ হতে পারে। অসংখ্য ফাইলসমূহ স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক এ সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্ক ফাইলসমূহ একটি নির্দিষ্ট রীতিতে নিয়ম তান্ত্রিক তালিকায় বিন্যস্ত থাকে। ইউনিয়ন তান্ত্রিক সুবিন্যাস্ত তালিকায় হচ্ছে ফাইল সিস্টেম। এ ফাইল সিস্টেম তৈরি হচ্ছে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এর দ্বারাই। একটি অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন টাইপের ফাইল সিস্টেম প্রয়োজন । একটি সদ্য কোন হার্ডডিস্কে শুরুতেই পার্টিশন করা হয়। একটি নতুন হার্ডডিস্কে যতগুলো প্রয়োজন ততগুলো পার্টিশনের বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি পার্টিশন একটি ডাটা সেটের মতো কাজ করে। উক্ত পার্টিশনকে অপারেটিং সিস্টেম ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে। একে একটি সেগমেন্ট কে ক্লাস্টার বলা হয়। প্লাস্টারে বিভক্ত করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম একটি ডিরেক্টরি স্ট্রাকচার গঠন করে যা ফাইল সমূহ ধারণ করে। যখন কোন হার্ডডিস্ক পার্টিশন ফরম্যাট করা হয় এখন উক্ত পার্টিশনকে একটি নির্দিষ্ট ফাইল সিস্টেমে ফরম্যাট করা হয়। একটি হার্ডডিস্ক বিভিন্ন পার্টিশনের ভিন্ন ভিন্ন ফাইল সিস্টেম সহ ফরম্যাট করা যায়। একাধিক ফাইল সিস্টেম সহ হার্ডডিস্ক পার্টিশন সম্ভব বিধায় একটি হার্ডডিস্ক একাধিক অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা সম্ভব হয়।

উইন্ডোজের ফাইল সিস্টেম সময় হচ্ছে:

Fat সিস্টেম.

Fat32 সিস্টেম.

NTFS সিস্টেম।

Fat সিস্টেম: fat এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ফাইল লোকেশন টেবিল (file allocation table)। এটি ১৬ বিট ফাইল সিস্টেম বাfat ১৬ নামে পরিচিত ‌। এর ফাইল সিস্টেম যখন ২ গিগাবাইটের উপরের হার্ডডিস্কে যেমন ১০ গিগাবাইট, ২০ গিগাবাইট ইত্যাদি। Fat সিস্টেমে পার্টিশন করা হয় তখন সেটি সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৫ পর্যন্ত ক্লাস্টার নাম্বার সাপোর্ট করে। হার্ডডিস্ক এর আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্লাস টেন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তাই বিভিন্ন সাইজের হার্ডডিস্কের ক্লাসটা সাইজ ওর টেবিলের দুটি ডিস্ক কপি ডিস্কের ভলিউম স্ট্রাকচারের পরে  সংরক্ষিত অবস্থায় থাকে।

Fat32 সিস্টেম: Fat সিস্টেমকে উন্নত করেFat32 তৈরি করা হয়েছে। Fat32 সিস্টেমে পূর্বেFat সিস্টেমের ২ গিগাবাইট হার্ডডিস্ক সাপোর্টের সীমাবদ্ধতা নেই। এ ফাইল সিস্টেম এক একটি পার্টিশন ২ গিগাবাইটের উপরেও হার্ডডিস্ক সাপোর্ট করতে পারে। এর ফাইল সিস্টেম ৩২বিট সম্পন্ন। একটি ২ টেরাবাইট আকারের একটি পার্টিশনের সাপোর্ট করে। Fat32 সিস্টেমে ক্লাস্টারের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বা স্ল্যাক স্পেসFat16 এর তুলনায় কম হয়। হলে হার্ডডিস্কের জায়গা অপচয় কমে যায়। Fat32 সিস্টেমেFat টেবিলের ব্যাকআপ কপি ব্যবহার করা যায় এবং এই ফাইল সিস্টেম সীমাহীন রুট ডিরেক্টরি সাপোর্ট করে।

NTFS সিস্টেম: new technology file systemবা NT file system এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে NTFS। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে NTFS একটি বহুল ব্যবহৃত ফাইল সিস্টেম। উইন্ডোজ এনটি জন্যই মূলত ntfs ফাইল সিষ্টেম তৈরি করা হয়। Fat সিস্টেমের এর দ্রুততর NTFS system। NTFS যেসব সুবিধা প্রদান করে যা fat সিস্টেম দিতে পারেনা। NTFS বিশেষ সেকুরিটি ফিচার। যেমন ফাইল লেভেল সিকিউরিটি প্রদান করে যা fat পারেনা। Fat এর মত NTFS দীর্ঘ ফাইল নেম বজায় রাখতে পারে। এটি ২৫৬ টি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে পারে। সকল বিদেশী ভাষার অক্ষর সমূহকে একটি একক ক্যারেক্টার সাথে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে ইউনিকোড বলা হয়। NTFS ডসের৮.৩ প্রোফাইল নেমও বজায় রাখতে পারে।

আজকের পোস্ট এখানে শেষ করছি কেমন হল তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

খোদা হাফেজ।

আর্নিং প্রোগ্রাম | অনলাইনে আয় করার মাধ্যম

Continue Reading