Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইন্টারনেট

নেটওয়ার্কিং এর প্রাথমিক ধারণা

Tasfia Tabassum

Published

on

নেটওয়ার্ক টপোলজি কমিউনিকেশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যে ধাপটির কনসেপ্টের উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং সিস্টেম তৈরি হয়েছে। টেলিকমিউনিকেশন আসলে কীভাবে সম্ভব হয়, বা একেকটি পৃথক নেটওয়ার্ক কীভাবে গঠন হতে পারে, তারই ব্যাখ্যা প্রদান করে এই টপোলজি। এমনকি টপোলজি বিভিন্ন রেডিও নেটওয়ার্কিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কের গাঠনিক ব্যাখ্যাও প্দান করতে পারে। সহজ ভাষায় এটি যোগাযোগের টেকনিক্যাল ব্যবস্থাপনা।

ফিজিকাল টপোলজি ও লজিক্যাল টপোলজি। নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ধাপগুলো নির্দিষ্ট স্থানে স্বয়ংক্রিয় ভাবে স্থাপন করাকে ফিজিকাল টপোলজি বলে।ডিভাইস লোকেশন কেমন হবে, বা কেমন কেবল সংযোগ করা হবে, এসব নির্দিষ্ট করা ফিজিকাল টপোলজির কাজ।অপরদিকে, লজিকাল টপোলজির কাজ হলো, ডাটা বা তথ্য, কীভাবে নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে আসা যাওয়া করবে, তার ব্যবস্থাপনা করা। লজিক্যাল পদ্ধতিতে টপোলজিকে বিভিন্নভাবে সাজানো যায়। এটি দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। যেগুলো হলোঃ nodes & links. Nodes বলতে কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত যন্ত্রকে বোঝানো হচ্ছে যারা জোড়ায় অবস্থান করে। sender & Reciever. Nodes গুলো একেকটি পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করা যায়, যাতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। nodes গুলো কানেক্ট করার জন্য বিভিন্ন link তৈরি করা হয়। এই লিংক তৈরি করার যতগুলো প্রক্রিয়া গঠিত হওয়া সম্ভব, তার প্রত্যেকটির প্যাটার্ন একেকটি টপোলজি।

কয়েকরকম টপোলজির উদাহরণ দেখা যায় যা নিত্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো হলোঃ বাস টপোলজি, রিং টপোলজি, ট্রি টপোলজি, স্টার টপোলজি, মেশ টপোলজি, হাইব্রিড টপোলজি ইত্যাদি।

বাস টপোলজিঃ বাস টপোলজিকে বাসের সাথে তুলনা করার কারণ হলোঃ
এ টপোলজিতে একটি মূল তারের সাথে সবকটি কম্পিউটারে সংযুক্ত থাকে, তাই তাকে বাস টপোলজি বলা হয়। টপোলজির প্রধান ক্যাবলটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone) বা ট্রাঙ্ক (Trunk)। সিগন্যাল যখন প্রধান ক্যাবলে চলাফেরা করে তখন শুধু প্রাপক কম্পিউটার সিগন্যাল গ্রহণ করে, বাকিরা একে অগ্রাহ্য করে।এ টপোলজি ছোট আকারের নেটওয়ার্কে ব্যবহার খুব সহজ, সাশ্রয়ী ও বিশ্বস্ত। এ সংগঠনে কোনো কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায় না। বাস টপোলজিতে একই নেটওয়ার্ক এ ভিন্ন ক্যাবল ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু, মূল ব্যাকবোন নষ্ট হলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যাবে।

রিং টপোলজিঃ রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার তার পাশের কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি কম্পিউটার ২ টি করে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকতে পারে। এভাবে রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথম কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। এ ব্যবস্থায় কোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠালে তা বৃত্তকার পথে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রাপক কম্পিউটারটি ডেটা গ্রহণ করে। এ ব্যবস্থায় কোনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার থাকে না। এতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান।

স্টার টপোলজিঃ যে টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গরে তোলে তাকে স্টার টপোলজি বলা হয়। এক্ষেত্রে একটি কম্পিউটার কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করে থাকে। এ টপোলজিতে কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট বা বিকল হলে নেটওয়ার্ক এর উপর কোনো প্রভাব পরে না। খুব সহজেই সমস্যায় আক্রান্ত কম্পিউটারটি সরিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় কম্পিউটার নষ্ট হলে, পুরো সিস্টেম বিকল হয়ে পড়বে। স্টার টপোলজি একটি বহুল ব্যবহৃত টপোলজি এবং এই টপোলজিতে একই নেটওয়ার্ক এ বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল ব্যবহৃত হতে পারে। খুব সহজে এবং তাড়াতাড়ি কোনো নেটওয়ার্ক তৈরি করতে এ টপোলজি বেশ কার্যকর।

ট্রি টপোলজি (Tree Topology): যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে তাকে ট্রি টপোলজি বলে।এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়। একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়। অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ। এ টপোলজি অনেক গুলো স্টার টপোলজি মিলে গঠিত।
*স্টার ও ট্রি টপোলজিতে সবসময় ১টি সিঙ্গেল Node থাকে।

মেশ টপোলজি (Mesh Topology): যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা কম্পিউটারগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত সংযোগ থাকে এবং সেগুলো প্রত্যেকটি প্রত্যেকটির সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে বলা হয় মেশ টপোলজি।অধিকাংশ মেশ টপোলজি নেটওয়ার্ক সত্যিকারের মেশ নেটওয়ার্ক নয়। এগুলো হলো আসলে হাইব্রিড মেশ নেটওয়ার্ক। এতে শুধু অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় লিঙ্ক থাকে। এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।এই টপোলজিতে সব নোডগুলোর সাথে পৃথক লিংকে আবদ্ধ থাকে। এমন সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক সিস্টেমে যদি n সংখ্যক Node থাকে, তাহলে লিংক থাকবে, n(n-1)/2 সংখ্যক যার মাধ্যমে সরাসরি সংযোগ করা যাবে। এই সূত্র মেনে মেশ টপোলজি তৈরি করা হয়।

হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): বাস, স্টার, রিং ইত্যাদি টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক টপোলজিকে বলা হয় হাইব্রিড টপোলজি।
উদাহরণস্বরূপ ইন্টারনেটকে এ ধরনের টপোলজি হিসেবে অভিহিত করা যায়। কেননা ইন্টারনেট হলো বৃহৎ পরিসরের একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সব ধরনের টপোলজির মিশ্রণ দেখা যায়। এ টপোলজিতে প্রয়োজন অনুযায়ী নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়। কোনো একটি অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক নষ্ট না হয়ে অংশবিশেষ নষ্ট হয়।

মেশ টপোলজিতে যেহেতু প্রতিটি কম্পিউটার প্রতিটির সাথে সংযুক্ত থাকে তাই এ অর্থে এই নেটওয়ার্কের প্রথম কম্পিউটারটি শেষ কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারকে প্রতিটির সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।

নেটওয়ার্ক টপোলজির একটি উদাহরণ হিসেবে LAN (Local Area Network) অন্যতম। LAN টপোলজিতে রিং টপোলজি, বাস টপোলজি, স্টার টপোলজি ও মেশ টপোলজি ব্যবহৃত হয়। নেটওয়ার্ক টপোলজির ক্ষেত্রে উক্ত টপোলজিগুলো ফিজিকাল টপোলজিতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু লজিকাল টপোলজিতে এসব এককভাবে কাজ করে না, বরং বিভিন্নভাবে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। অর্থাৎ, অনেকটা হাইব্রিড টপোলজির মতো কাজ করে। নেটওয়ার্কে হাব এর ব্যবহার থাকাকালীন সময়ে, এই টপোলজিগুলো এভাবে ব্যবহৃত হত। কিন্তু এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রে, হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহারের জন্য টপোলজি ব্যবহারে কিছু পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে বিভিন্ন কন্ট্রোল মিডিয়ার মাধ্যমে এসব ব্যবহৃত হচ্ছে।

Advertisement
3 Comments
Subscribe
Notify of
3 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Farhana liza Farhana liza

ধন্যবাদ

Maria Hasin Mim

good

Chandra Bikash Chakma

নেটওয়ার্কিং সংক্রান্ত অনেক কিছু জানা হলো

ইন্টারনেট

12 জিবি ইন্টারনেট একদম ফ্রি

Ahsan Habib

Published

on

আপনার সবাই ভালো আছেন ।
আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন । কারণ Grathor সাথে সবাই ভালোই থাকবেন।
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে 12 জিবি ইন্টারনেট একদম ফ্রি নিবেন ।
এই আফার টি সবাই নিতে 100% ।
আপনি 12 ডাটা প্রতি নিতে পারবেন।
অনেক তো কথা বললাম এবার আসি কাজের কথায় ।
12 জিবি ডাটা ফ্রি নিতে হলে অবশ্যই একটা বাংলালিংক সিম থাকতে হবে ।
এবার এসি কিভাবে 12 জিবিডাটা ফ্রি নিবো।

∆মাই-বাংলালিংক অ্যাপ ডাইনলোড করে আপনার বাংলালিংক নাম্বার দিয়ে লগিন করলে। প্রতিদিন ২৫ এমবি করে পাবেন (মাসে প্রায় 750 এমবি সকল গ্রাহকগণ পাবেন।

মাই বাংলালিংক আপস ডাইনলোড লিঙ্ক 👇👇👇

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arena.banglalinkmela.app

∆প্রতিদিন ৩০০ এমবি করে মাসে ৯ জিবি ফ্রি ফেজবুক এমবি সকল গ্রাহক পাবে এই অফার টি।

প্রতিদিন ৩০০ এমবি করে ফেসবুক এমবি পেতে অফার টি আক্টিভ করতে ডায়াল করুন *৫০০০*১১১#

(বিঃদ্রঃ) প্রতিদিন সকাল ৬টা-১০টা পর্যন্ত ৩০০ এমবি ফেসবুক ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন।

∆ প্রতিমাসে ১ জিবি ডিভাইস বোনাস ১২ মাসে ১২জিবি পাবেন।

(বিঃদ্রঃ) এই অফারটি সকল গ্রাহকের জন্য প্রযোজ্য নয়।
আপনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন ।

অফারটি নিতে ডায়াল করুন *৫০০০*৫২১#

∆ টপি আপস ডানলোড করে আপনার বাংলালিংক সিমে নাম্বার দিয়ে একাউন্ট করলে পাবেন 1 জিবি ডাটা ফ্রি । এই আপস থেকে আপনি সকল টিভি চ্যানেল দেখতে পারবেন ।

টপি আপস ডানলোড লিঙ্ক 👇👇👇

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.banglalink.toffee

রেফার কোড । 👇👇👇

22906273

22906273

এইরকম পেজ আসবে ।
আপনার বাংলালিংক নাম্বার দিন ।
Have Referral code ক্লিক করুন এবং রেফার কোড ব্যবহার করুন ।
1 জিবি ডাটা ফ্রি নিন।

(ব্রিঃদ্র) রেফার কোড ব্যবহার না করলে 1 জিবি ডাটা ফ্রি নাওয় পেতে পারেন।

সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনা করি । এবং আমার জন্য দোয়া করবেন ।যেন আপনাদের সাথে 100% রিয়েল সাইট বা আপস শেয়ার করতে পারি ।

🕍 খোদা হাফেজ🕍

Continue Reading

ইন্টারনেট

সাবমেরিন ক্যাবল নিয়ে কিছু তথ্য

Farhana liza Farhana liza

Published

on

বন্ধুরা সবাই কেমন আছো? কয়েক দিন পার করে তোমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছি। সাবমেরিন ক্যাবলের কথা তোমরা হয়তো কেউ শুনছে হয়তো কেউ শুনানি। না শুনলেও তোমাদের এই বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আজ তোমাদের জন্য সাবমেরিন ক্যাবল কি সেটা নিয়ে আলোচনা করব।

সাবমেরিন ক্যাবল সাম্প্রতিককালের আলোচিত একটি বিষয়। এটি সম্পর্কে খুব কম মানুষের ধারণা রয়েছে। এটি মূলত তথ্য প্রযুক্তির একটি বিষয়। সাবমেরিন অর্থ সমুদ্রে ডুবো এবং কেবল অর্থ হলো তার। গভীর সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে স্থাপিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টেলিযোগাযোগের তারই হল সাবমেরিন ক্যাবল। বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাবমেরিন ক্যাবল আবিষ্কার করা হয়েছে।

বিশেষ করে ইন্টারনেট ও তথ্য পরিষেবার ব্যাপকতর এবং সাশ্রয়ী বিস্তারের ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।১৮৫০ এর দিকে টেলিগ্রাফের বার্তা বিনিময়ের জন্য সর্বপ্রথম সমুদ্রের নিচ দিয়ে তার বসানো হয়। বিশ শতকের শেষভাগে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন অপটিক্যাল ফাইবার টেকনোলজি। এর ফলে উদভাবিত হয় ফাইবার অপটিক ক্যাবল নামের কাচের তন্তুজাত এক ধরনের সূক্ষ্ম তার যার ভেতর দিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল ডাটা দ্রুতগতিতে আদান-প্রদান করা সম্ভব।

২০০৮ সালে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হয়। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি নামে সরকারি-বেসরকারি যৌথ মালিকানার একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে সাবমেরিন ক্যাবল কেন্দ্রিক সেবা দিচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানিটি SMW-4 কনসোর্টিয়ামের সাথে যুক্ত। কোম্পানিটি SMW-5 কনসোর্টিয়ামের সাথে যুক্ত হবার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এর ফলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে এবং আমরা সাশ্রয় হবে।

বন্ধুরা আজ এখানে শেষ করছি। সামনে যাতে আমাদের জন্য আরো ভালো ভালো লিখা নিয়ে হাজির হতে পারি সেই দোয়া করবে এবং আমিও ভালো ভালো লিখা আনার জন্য প্রচেষ্টা করবো।

সবাই ভালো থাকবে ,সুস্থ থাকবে। ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই 😷 পড়ে যাবে।

 

Continue Reading

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট থেকে কিভাবে আপনার মোবাইলের কল লিস্ট চেক করবেন তা জেনে নিন

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠকগণ।কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলেই যে যার অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি সবসময়।

বর্তমান সময়ে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ব্যবহার ছেয়ে গেছে সর্বএ।বিজ্ঞানের উন্নয়নের ফলে আজ দূর হয়েছে কাছে।এখন মানুষ দূরে থেকেই তার আপন প্রিয়জন সকলের সাথে কথা বলতে পারছে বার্তা বিনিময় করতে পারছে। এখন আর দেশ বিদেশের তেমন পার্থক্য বুঝা যাচ্ছে না শুধুমাত্র প্রযুক্তির কল্যাণে৷ তাই প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা অনেক সহজ করে দিয়েছে।

অনেক সময় আমরা আমাদের মোবাইল এ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার সেইভ করিনা। পরিচিতি নাম্বার থেকে মোবাইলে কল আসলে অনেক সময় আমরা সেইভ করতে ভুলে যাই।কিন্তু যদি আমাদের মোবাইল থেকে সেই সকল নাম্বার হারিয়ে যায় কিংবা আমাদের কল লগ দেখা যায় না তখন আমাদের খানিকটা বিপত্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।চলুন তাহলে জেনে আসি ঠিক কি কি কারণে মোবাইলের কল লিস্ট হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকেঃ

১.সীম পরিবর্তন করলে।
২.অনেক সময় ক্লিয়ার ক্যাশ দিলে
৩.নিজের অজান্তে ডিলেট করে দিলে।

এমন অনেক হাজারো সমস্যা থাকতে পারে মোবাইলে কল লিস্ট ডিলেট হবার পিছনে। অনেক সময় আমরা আমাদের কাজের জিনিসই খুজে পাইনা এই সমস্যার কারণে।

তবে সমস্যা যেখানে রয়েছে সমাধানও ঠিক সেইখানেই রয়েছে।আপনি যদি একজন সচেতন মানুষ হয়ে থাকেন এবং আপনি যদি চান কোন কারণেই আপনার মোবাইল এর কল লিস্ট না মুছে যাক সেইজন্য আপনার সমস্যার একটি দারুন সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছি।আশাকরি আপনার উপকার হবে।

আজকাল সকল সমস্যার সমাধান সাধন করে দিচ্ছে ইন্টারনেট। তাহলে এই সমস্যাও নিশ্চয় ব্যতিক্রম নয়। আপনি যদি আপনার কল লিস্ট এর নাম্বারসমূহ হারাতে না চান তাহলে আপনাকে সবার আগে আপনার ব্যবহৃত সীম অনুযায়ী ইন্টারনেট এর মাধ্যমে একটা একাউন্ট খুলে নিতে হবে।একাউন্ট খোলা থাকলে আপনি অনেক কাজ একসাথে করতে পারবেন। যেমনঃ

১.আপনি আপনার ইনকামিং কিংবা আউটগোয়িং কল চেক করতে পারবেন।
২.আপনি কল ডিউরেশন চেক করতে পারবেন।
৩.কল লিস্ট ডিলেট হয়ে গেলে শুধুমাত্র এই একাউন্ট এর মাধ্যমে কল লিস্ট আবার চেক করতে পারবেন।
৪.সর্বশেষ রিচার্জ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

এখন আসি একাউন্ট কিভাবে করবেন তা নিয়ে। নিচে একাউন্ট সম্পর্কিত নিয়মাবলি তুলে ধরা হলোঃ

১.আপনাকে একাউন্ট করতে হলে আপনার ব্যবহৃত যেকোনো সীম এর অপারেটর এর ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
২. ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার ব্যবহার করে মেয়াদ সম্পন্ন সীম কার্ড নাম্বার ব্যবহার করে একাউন্ট খুলতে হবে।এ
৩.একাউন্ট খোলা আপনার শুধুমাত্র সীম কার্ড লাগবে। একাউন্ট খোলার সময় সীম কার্ডে একটি কোড আসবে।সেই কোড বসিয়ে দিলে আপনার একাউন্ট সচল হয়ে যাবে।
৪.তবে সীমটি অবশ্যই আপনার নিজের ব্যবহার করা সচল সীম হতে হবে।

আশাকরি আজকের পোস্টটি পড়ে আপনাদের খানিকটা উপকার হবে।ধন্যবাদ সবাইকে।
ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট