Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

প্রোগ্রামিং

প্রোগ্রামিং এর খুটিনাটি

Maria Hasin Mim

Published

on

প্রোগ্রামিং হচ্ছে একধরনের কৃত্তিম ভাষা যা কোনো যন্ত্রের বিশেষ করে কম্পিউটারের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। মানুষের যেমন কথা বলার জন্য যেমন ভাষা রয়েছে ঠিক তেমনি কম্পিউটারের ও ভাষা রয়েছে। আর সেই ভাষা হলো প্রোগ্রামিং ভাষা।

বর্তমানে সময়ে কম্পিউটার সাইন্স খুবই জনপ্রিয় বিষয়। বর্তমান বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির যুগে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী এই বিষয়টির দিকে ঝুকছে। কিন্তু অনেকেই এই বিষয়টি সম্পর্কে না যেনে ভর্তি হয়। যার ফলে পরবর্তীতে তাকে হিমশিম খেতে হয়।

কম্পিউটার  সাইন্স এর নাম শুনলে সবার আগে যে কথাটি আসে তা হল প্রোগ্রামিং। প্রোগ্রামিং হল কম্পিউটারকে কথা শোনানোর উপায়। কম্পিউটার যেমন মানুষের ভাষা বুঝে না তাই কম্পিউটারকে বুঝাতে হয় বিশেষ ভাষার মাধ্যমে। আর সেই বিশের ভাসাটি হল প্রোগ্রমিং ল্যাংগুয়েজ। প্রোগ্রামিং শিখে যেমন সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।ঠিক তেমনি গানিতিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।এককথায় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হল বর্তমান সময়ের সুপার পাওয়ার যা দিয়ে পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ।

কম্পিউটার এমন একটি অসম্ভব ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র যে যন্ত্র ৫০ জন মানুষের কাজ একাই করতে পারে। শুধুমাত্র প্রোগ্রামিং শিখে আপনি হয়ে উঠতে পারেন সেই মানুষ যিনি কম্পিউটারকে ইচ্ছেমত কথা শুনাতে পারবে।

যারা প্রোগ্রামিং করে তাদের সাধারনত প্রোগ্রামার বলা হয়। আর প্রোগ্রামার হল সেই মানুষ যার কথায় কম্পিউটার উঠাবসা করে। চাকরির ক্যারিয়ার হিসেবে  সবার মাঝে অনেক ধরনের টেনশান থাকে। আনন্দের জন্য প্রোগ্রামিং শিখলে এটি হয়ে উঠতে পারে ক্যারিয়ার এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি প্রোগ্রামিং শিখে থাকেন তাহলে নিশ্চিত যেনে রাখুন আপনার চাকরির অভাব হবে না। আপনি চাকরি না করলেও ফ্রীল্যান্সিং করতে পারবেন।

আপনি যদি ভালো প্রোগ্রামার হউন তাহলে একটি সফল ক্যারিয়ার এর হাতছানি আপনার সামনে। শুধুমাত্র প্রোগ্রামিং জেনেই আপনার চাকরি হতে পারে গুগল এ, মাইক্রোসফট এ, আমাজান এ।

তাই দেরি না করে আজই বসে পড়ুন প্রোগ্রামিং নিয়ে। আপনি প্রোগ্রামিং শিখতে হলে অনলাইনে অনেক ধরনের প্রোগ্রামিংয়ের উপর টিউটরিয়াল পাবেন। তাছাড়া খান একাডেমির ভিডিও গুলো শিখেও আপনি প্রোগ্রামিং এর হাতেখড়ি শুরু করে দিতে পারেন।

প্রোগ্রামিং শুরু করতে হলে আপনাকে খুবই কঠোর পরিশ্রমি হতে হবে।দিন রাত লেগে  থাকতে হবে। প্রোগ্রামিংয়ের উপর প্রচুর সময়  ব্যয় করতে হবে। প্রোগ্রামিংকে  শুধুমাত্র চাকরি পাবার মাধ্যম মনে না করে আনন্দের সহিত শিখার চেষ্টা করুন।

প্রোগ্রামিং

নেটওয়ার্ক টপোলজি এর সকল বর্ণনা বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো এই পোষ্টের মাধ্যমে।

Mehedi Hassan

Published

on

আসসালামু আলাইকুম

ধন্যবাদ সকলকে আমার পোস্টটি তে agree করার জন্য,,,,

আমরা জানি প্রত্যেকটি নেটওয়ার্ক কিছু কম্পিউটার বা হোস্ট এর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে যারা একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে তথ্য আদান প্রদান করে । নেটওয়ার্ক টপোলজি হল এমন একটি বিষয়, যাতে নেটওয়ার্ক প্রত্যেকটি হোস্ট বা ডিভাইস সমুহ কিভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকবে সেই সিস্টেমকে বুঝায় ।

টপোলজিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
বাস টপোলজি (Bus Topology)
স্টার টপোলজি (Star Topology)
রিং টপোলজি (Ring Topology)
মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
নিন্মে এই টপোলজি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

বাস টপোলজি (Bus Topology): বাস টপোলজিতে একটি ব্যাকবোন ক্যাবল থাকে এবং এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত থাকে । এই প্রকার নেটওয়ার্ক গঠন করা থুব সহজ এবং এত থরচ কম হয় । এই প্রকার নেটওয়ার্কএ যখন কোন কম্পিউটার ডাটা পাঠায় তখন, যে কম্পিউটার এর কাছে ডাটা পাঠানো হয়েছে, সে ডাটা গ্রহন করবে। এই সময় অন্য কোন কম্পিউটার ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে না । এই ব্যাকবোন ক্যাবল এর দুই পাশে দুটি টারমিনেশন ব্যবহার করা হয় যাতে করে ডাটা কলিশন না ঘটে।
রাইহান
স্টার টপোলজি (Star Topology): স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রয়ন অংশ থাকে যাকে বলা হয় হাব বা সুইচ। এ্রর সাথে সকল হোস্ট সমুহ যুক্ত।স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ বা বর্ধিত করা সহজ কিন্তু কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে হয়ে গেলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে পড়ে।
রাইহান

রিং টপোলজি (Ring Topology): রিং টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একটি বৃত্তের ন্যায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে । এখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে এমন ভাবে যুক্ত থাকে যে তারা একটি রিং বা লুপের সৃষ্টি করে । এই টপোলজিতে কোন শুরু বা শেষ প্রান্ত থাকে না । এই নেটওয়ার্কএ হোস্ট সমুহ একটি বৃত্তকার পথে পরস্পর এর সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গঠন করে । এখানে কোন হোস্ট অন্য কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠালে পরের হোস্ট এর কাছে যাবে, ডাটাটি যদি তার কাছে না পাঠানে হয় তবে সে ডাটাটিকে পরের হোস্ট এর কাছে পাঠায়ে দিবে । এভাবে ডাটাটি প্রত্যেকটি হোস্ট এর কাছে যেতে খাকবে যতক্ষন না তা নির্ধারিত হোস্ট এর কাছে না যায় ।
রাইহান
মেশ টপোলজি (Mesh Topology): মেষ টপোলজিতে নেটওয়ার্কএ যুক্ত প্রত্যেকটি হোস্ট একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে । যেকোন হোস্ট সরাসরি যে কোন হোস্ট এর কাছে ডাটা পাঠাতে পারে ।এই ধরনের টপোলজি ইন্সটলেশন ও কনফিগারেশন বেশ জটিল। ব্যস্তবে এই ধরনের টপোলজি থাকে না বললেই চলে ।
রাইহান

ট্রি টপোলজি (Tree Topology): স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ হচ্ছে ট্রি টপোলজি। এই টপোলজিতে একাধিক কানেক্টিং ডিভাইস হিসেবে হাব বা সুইচ ব্যবহার করে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল কম্পিউটারকে একটি বিশেষ স্থানে সংযুক্ত করা হয়। একে বলা হয় সার্ভার ভা রুট। ট্রি সংগঠনে এক বা একাধিক স্তরে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো রুট এর সাথে যুক্ত থাকে।
রাইহান
হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): হাইব্রিড টপোলজি হল বিভিন্ন ধরনের টপোলজির সংমিশ্রন । এই টপোলজি স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত হয় বলে একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরণের নেটওয়ার্কই সংযুক্ত আছে।
রাইহান

thanks for you….

wach my post……

thank you vary much.

 

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

সি প্রোগ্রামিং ভাষা টিউটোরিয়াল পার্ট(৫)

Arman Hossan

Published

on

আমরা সি প্রোগ্রামের মৌলিক বিষয়সমূহ জেনেছি।আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার আরেকটু গভীরে যাব।প্রোগ্রাম রচনা করার জন্য প্রথমেই একটি খসরা প্রোগ্রাম করে নিতে হয়।একে অ্যালগরিদম বলে। আজ আমরা সি প্রোগ্রামিং ভাষার বিভিন্ন প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম নিয়ে আলোচনা করব।প্রথমেই আমি যে প্রোগ্রামটি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে তিনটি ধনাত্নক পূর্ণ সংখ্যার যোগফল নির্ণয়।তো চলুন কথা না বাড়িয়ে অ্যালগরিদমে চলে যাই।
অ্যালগরিদমঃঃ-
১।শুরু করি।
২।ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যার মান গ্রহন করি এবং তা তিনটি চলকে রাখি।
৩।তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং তা নতুন চলকে রাখি।
৪।ফলাফল হিসেবে নতুন চলকের মান প্রদর্শন করি।
৫।প্রোগ্রাম শেষ করি।
তিনটি ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যার গড় নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে তিনটি সংখ্যা গ্রহণ করে এবং তা তিনটি চালকে রাখি।
৩। তিনটি চলকের মান যোগ করি এবং আরেকটি নতুন চলকে রাখি।
৪। নতুন চলককে 3 দ্বারা ভাগ করি তা আরেকটি চালকে রাখি।
৫। ফল হিসেবে নতুন চলক এর মান প্রদর্শন করি।
৬।শেষ করি।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার আলগরিদমঃ-
১।শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে বৃত্তের ব্যাসার্ধ r এর মান গ্রহণ করি।
৩।Area=π*r*r ব্যবহার করেArea এর মান গ্রহণ করি।
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার অ্যালগরিদমঃ-
১। শুরু করি।
২। ইনপুট হিসেবে ত্রিভুজের ভূমি এবং উচ্চতা এর মান গ্রহণ করে এবং তা দুইটি ভিন্ন চালক b,h এ রাখি।
৩।Area=1/2*b*h
৪। ফলাফল হিসেবে Area এর মান প্রদর্শন করি।
৫।শেষ করি।

বি.দ্রঃ দয়া করে কেউ রিয়েক্ট করবেন না।আমি প্রথমে অ্যালগরিদম সম্পর্কে আলোচনা করছি পরবর্তীতে এদের সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করবো এবং ইহার ব্যাখ্যা করব।কারণ সি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করার আগে অ্যালগরিদ, প্রোগ্রামের বিভিন্ন ফাংশন, কিওয়ার্ড, এক্সপ্রেশন, স্টেটমেন্ট,অপারেটর, অপারেন্ড ইত্যাদি জানা প্রয়োজন।তাই ধারাবাহিকভাবে আমরা সব গুলোই শিখবো।

Continue Reading

প্রোগ্রামিং

প্রোগ্রামিং শেখার দুটি জায়গা

Shahriair Lemon

Published

on

আমরা অনেকেই প্রোগ্রামিং বিষয়টা শুনলেই কেমন জানি মনে পড়ে থাকি যে এটা অনেক কঠিন, অনেক গভীর বিষয়। হে আসলেই প্রোগ্রামিং কিন্তু একটা গভীর বিষয়। আমরা যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ল্যাপটপ টা ইউজ করি সেটাও কিন্তু প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে তৈরি করা। আমরা পিসিতে যে উইন্ডোজ ব্যবহার করি ওটাও কিন্তু কোন না কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে লেখা। আসলে আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই প্রোগ্রামিং।

প্রোগ্রামিং শেখাটা অনেক ধৈর্যের একটা বিষয়। অনেকেই কিছুদূর শিখে আবার হাল ছেড়ে দেয়। আজকে কথা বলব আমরা প্রোগ্রামিং কেমন করে শিখতে পারি এবং কোন কোন জায়গায় শিখতে পারি।আসলে অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা রয়েছে আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার পছন্দমত প্রোগ্রামিং ভাষা সিলেক্ট করে তারপর শিখতে পারেন। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে হল C programming, C sharp, python, java, C++, JavaScript etc.

আচ্ছা শুরু করি…

১. আমরা যারা লেখাপড়া খুব বেশি পছন্দ করি না তারা যদি প্রোগ্রামিং শিখতে চায় তাহলে তারা বিভিন্ন আইটি সেন্টারে গিয়ে শিখতে পারে বিভিন্ন কোর্স করে শিখতে পারে।

২.আর একটা মাধ্যম আছে আমাদের যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করি যেমন Duet,Buet,kuet ইত্যাদি। সেখানে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামার হতে পারি বা সেখান থেকে শিখতে পারি।

৩. আর একটা মাধ্যম আছে টিউটেরিয়াল । আসলে টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে আমরা প্রফেশনালি কোন প্রোগ্রামিং শিখতে পারবো না। শুধুমাত্র কোন বিষয়ে সাহায্য নেওয়ার জন্য আমরা টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারবো। কিন্তু শুধু টিউটোরিয়াল দেখে কোনো প্রফেশনাল প্রোগ্রামার হয়ে যাব এটা চিন্তা করা আসলে আদৌ কোন ভাল মানুষের কাজ হতে পারেনা।

আসলে প্রোগ্রামিং বিষয়টা আসলেই একটা মজার বিষয় যদি আপনি ভালো করে শিখতে পারেন। আরও যদি ভালো করে শিখতে না পারেন তাহলে বুঝবেন যে আসলে খুবই কঠিন।আল্লাহ রব্বুল আলামিন পৃথিবীতে আমাদের কষ্ট হবে এবং শিখতে পারবো না এমন কোন কাজ দিয়ে পাঠান নি। তাই আমাদের উচিত সব কাজেই একেবারেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তাহলে কেবল সফলতা অর্জিত হবে। আসলে চেষ্টা ছাড়া কোন কিছুই হয় না।

আমরা যদি সত্যি কারের কোন প্রোগ্রামিং সেক্টরে কাজ বা প্রোগ্রামার হতে চাই । তাহলে উপরের দুটি সিস্টেম ছাড়া অন্য কোন সিস্টেমে আপনারা ভালো কোন প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। আর কেউ যদি বলে যে আমরা খুব তাড়াতাড়ি অল্প সময়ের মধ্যেই আপনাকে ভালো কোন প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য সাহায্য করব । আসলে যারা কিন্তু ভুল বলে থাকে। তারা কিন্তু আপনাকে ঠকাবে । তাই খুব সতর্ক থাকবেন সবদিক দিয়ে। যা কিছু করবেন কনফার্ম হয় করবেন। তবে হ্যাঁ আপনি পরামর্শ নেবেন সবার কাছ থেকেই কিন্তু সিদ্ধান্তটা হবে আপনার।

আশা করি বুঝতে পারছেন। আবারো হাজির হব অন্য কোন টিপস নিয়ে । সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন , সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।

Continue Reading