Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইন্টারনেট

বাংলালিংক সিমে 12 জিবি নিয়ে নিন একদম ফ্রীতে দেখে দিতে পারেন এখান থেকে

Mainul islam Robin

Published

on

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই। আজ আমি আসলাম আরেকটি নতুন টিপস আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আজকের এই টিপসটি কোন ইনকাম টিপস নয়। আজকে আমি আপনাদের মাঝে যে টিপস শেয়ার করব সেটি হল কিভাবে আপনারা বাংলালিংক সিমে 12gb একদম ফ্রিতে নিতে পারবেন।

এই অফারটি শর্ত প্রযোজ্য। আপনারা যারা এই শর্তে আওতাধীন তারা শুধু এই অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। কিভাবে নিতে হবে সেটি আপনাদেরকে এখনই বলবো। বাংলালিংক সিমে এই অফারটি আরো আগে দিয়েছিল। আপনারা হয়তো এই অফারটি সম্পর্কে অনেকেই জানেন এবং অনেকেই এ সম্পর্কে জানেন না। তাই আপনারা যারা জানেন ভালো আর যারা না জানেন তারা আমার এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

বাংলালিংক সিমে 12 জিবি ফ্রি আনার জন্য আপনার একটি নতুন 4g হ্যান্ডসেট প্রয়োজন হবে । আর প্রয়োজন একটি নতুন বাংলালিংক সিম। যাদের পুরাতন হ্যান্ডসেট তারা এই অফারের আওতাভুক্ত না হতে পারেন তাই অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আপনারা সবাই এটা ডায়াল করে দেখতে পারেন। অফারটি আনতে হলে আপনাদেরকে সর্বপ্রথম যা করতে হবে তা হল আপনারা আপনাদের মোবাইলে ডায়াল অপশনে চলে যাবেন। ডায়াল অপশনে যাওয়ার পর আপনারা ডায়াল করবেন *৫০০০*৫২১# । এটি ডায়াল করার পর আপনাদেরকে তারা একটি মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে যে আপনারা এই অফারের আওতাভুক্ত কিনা। যদি আপনি এই অফারের আওতাভুক্ত হন তাহলে সাথে সাথে আপনি ভালো জিবি ইন্টারনেট একদম ফ্রিতে পেয়ে যাবেন কোনরকম চার্জ ছাড়াই। এই অফারটি আমি একবার নিয়েছিলাম। তাই আপনাদের যাদের নতুন ফোরজি হ্যান্ডসেট এবং নতুন বাংলালিংক সিম রয়েছে তারা এই অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। আর যাদের নেই তারা অফারটি নাও পেতে পারেন। বাংলালিংক সিমের নিজের বিভিন্ন অফার জানার জন্য ডায়াল করতে পারেন *৮৮৮#।

Place your ad code here

অতএব সবশেষে এটুকুই বলতে চাই আপনাদের যদি পোস্টটি ভাল লাগে অথবা পোস্ট থেকে যদি কোন উপকৃত হন তাহলে পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন। আর আপনাদের যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে পারেন। আজকের মতো এই পর্যন্তই। সবাই ঘরে থাকুন এবং পরিবারের সাথে সুন্দর সময় উপভোগ করুন। পরবর্তীতে আবার অন্য একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ধন্যবাদ।

Advertisement
7 Comments
Subscribe
Notify of
7 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Maria Hasin Mim

okay

Mojammal Haque

Hmm

Maria Hasin Mim

nice post

Md Golam Mostàfa

ভেজাল কথাবার্তা।

Shanta Akter

Ow

Md. Mashum Ali

Okey……….

Toyobur Rahman Aiman

Ok

ইন্টারনেট

ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ভ্যানিশ মোড বার্তাগুলো অটোমেটিকলি মুছে ফেলবে

Online Desk

Published

on

স্ন্যাপচ্যাট স্টোরি ফিচারটির বিশাল জনপ্রিয়তায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে স্টোরি ফিচার যুক্ত করেছে। স্টোরি ফিচার ছাড়াও স্ন্যাপচ্যাটের আর একটি জনপ্রিয় বৈশিষ্ট্য হ’ল বিলুপ্ত বার্তা (ভ্যানিশিং মেসেজ)।

এর অর্থ হ’ল আপনি যখনই কারও সাথে চ্যাট করার সময় ইনবক্সটি ছেড়ে চলে যাবেন, চ্যাটের সমস্ত বার্তাগুলি অদৃশ্য হয়ে যাবে, যা পুরোপুরি মুছে ফেলা হবে। মেসেঞ্জারেও ফেসবুক একই জাতীয় বৈশিষ্ট্য যুক্ত করেছে।

ভ্যানিশিং মোড ফিচারটি ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কিছু কিছু দেশের ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীর একাউন্টে চলে এসেছে। অতি শীঘ্রই ইন্সটাগ্রামেও ফিচারটি আসতে যাচ্ছে।

Place your ad code here

ভ্যানিশ মোড ফিচারটি ঘোষণা করে দেওয়া ব্লগ পোস্টে মেসেঞ্জার প্রোডাক্ট ম্যানেজার, ব্রিজেট পিজলস ও ইন্সটাগ্রাম এর প্রোডাক্ট ম্যানেজার, মানিক সিং জানান যে ভ্যানিশ মোড ব্যবহার করে ব্যবহারকারীগণ অর্থহীন বা নন-সেন্স কোনোকিছু মেসেজে পাঠানোর পর তৎক্ষনাৎ ভুলে যেতে পারবেন। এর ফলে মেসেজ ইনবক্সে জমা থাকায় পত্র বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হবেনা।

ভ্যানিশ মোড চালু করার নিয়ম:

ভ্যানিশ মোড অন করা একদম সহজ। মেসেঞ্জারের কোনো চ্যাটে ভ্যানিশ মোড অন করতে চ্যাটবক্স এর নিচ থেকে উপরের দিকে সোয়াইপ করলেই ভ্যানিশ মোড অন হয়ে যাবে।

ভ্যানিশ মোডে দরকারী বা বেদরকারি আলাপ শেষ করার পর একইভাবে উপর দিকে সোয়াইপ করলে ভ্যানিশ মোড বন্ধ হয় যাবে। ভ্যানিশ মোড অফ করার পর ভ্যানিশ মোড চালু থাকা অবস্থায় শেয়ার করা সকল মেসেজ, ছবি এসব মুছে যাবে।

ভ্যানিস মোড এর সিকিউরিটি:

ভ্যানিস মোডের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যথেষ্ট সচেষ্ট ফেসবুক কতৃপক্ষ। যারা আপনার সাথে মেসেঞ্জারে কানেক্টেড শুধু তারাই আপনার সাথে চ্যাটে ভ্যানিশ মোড ব্যবহার করতে পারবেন। যার মানে মেসেঞ্জারে আপনার অপরিচিত কেউ ভ্যানিশ মোড ব্যবহার করে আপনাকে মেসেজ দিতে পারবে না।

এছাড়াও কেউ ভ্যানিশ মোড অন করার পর ব্যবহার করতে চান কি না, তার কন্ট্রোল ও আপনার উপর থাকছে।

এগুলি ছাড়াও, ভ্যানিশ মোডে একটি স্ক্রিনশট বিজ্ঞপ্তি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অন্য কথায়, আপনি যদি ভ্যানিশ মোডে প্রেরিত বার্তার স্ক্রিনশটটি নেন, তবে ফেসবুক অন্যদিকে ব্যবহারকারীকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অবহিত করবে।

ভ্যানিশ মোড চ্যাটের সময় যদি আপনি কথোপকথনের মতো মনে করেন না, তবে সেই ব্যক্তিটিকে ব্লক করার সুবিধা রয়েছে। কথোপকথনের খবরও দেওয়া যেতে পারে।

Continue Reading

ইন্টারনেট

ওয়াইফাই এর মাধ্যমে আপনার ডিভাইস হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচতে কার্যকরী যত উপায় 

Md Ruhul Amin

Published

on

Internet Security

ওয়াইফাই কিভাবে হ্যাক করা সম্ভব? ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কিভাবে বের করা যায়? গুগলের কাছে প্রতিনিয়তই এমন প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশ সহ বিশ্বের আরো অন্যান্য দেশ থেকে। হয়তোবা আমি কিংবা আপনিও কখনো এসব প্রশ্ন করেছি। কিন্তু আজকে সে বিষয়ে নয় বরং কিভাবে আপনার ওয়াইফাই হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচাবেন সে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো। তো চলুন জেনে নিই আপনি ওয়াইফাই হ্যাকিং থেকে কিভাবে নিরাপদ থাকবেন এবং সাথে ওয়াইফাই সিগন্যাল বৃদ্ধি করতে কি কি করা প্রয়োজন সে বিষয়েও আজকে আপনাদের একটি বোনাস টিপস দেবো।

কারো বাসা, শপিংমল, হোটেল-রেস্টুরেন্ট বা এয়ারপোর্টে গিয়ে আমরা অনেকেই ওয়াইফাই এর নাম এবং পাসওয়ার্ড খুঁজি। যারা এই ফ্রী বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন তাদেরকে খুব সাবধান থাকতে বলেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। কারণ এসব ফ্রী এবং পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করলে আপনার ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা জিমেইলের মত গুরুত্বপূর্ণ একাউন্টগুলোর পাসওয়ার্ডসহ লগইন ইনফরমেশন অন্যকারো কাছে চলে যেতে পারে। আপনি তো নিশ্চয়ই চাইবেন না যে আপনার অগোচরে অন্য কেউ আপনার গোপনীয়তা দেখুক। আর ফ্রি ওয়াইফাই থেকে অনলাইনে লেনদেন করলে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের পিন নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য চুরির বড় ধরনের আশঙ্কা থাকেই।

তাই ফ্রী বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার না করে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করুন। যদি ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতেই হয় তাহলে সেটা শুধুমাত্র গান শোনা, সিনেমা দেখা বা ব্লগ পড়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন। তবে আবারও বলছি ফ্রি ওয়াইফাই থেকে অনলাইন ব্যাংকিং বা কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে লগইন করতে যাবেন না। মোবাইল ডাটা না থাকলে চেষ্টা করুন আংশিক ফ্রী অর্থাৎ যেসব ওয়াইফাই এর ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কারো থেকে জিজ্ঞেস করে নিতে হয় সেটা ব্যবহার করতে। যদিও সেটা পুরোপুরি নিরাপদ নয়।

ফ্রী বা আংশিক উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সময় ঝুঁকি কমাতে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে ফিল্টারিং বা ওয়েবসাইট ব্লকিং এড়ানো যায়। অনেক সময় হ্যাকাররা পরিচিত নামের বানানের এদিক ওদিক করে নিজেদের আলাদা একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে, এক দৃষ্টিতে সেই হেরফের চোখে পরা মুশকিল। ফলে সহজেই আপনি তাদের ফাঁদে পা দেবেন। আর হ্যাকারদের তৈরি ফেক ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে অনেক সময় পাসওয়ার্ডও লাগেনা। তাই ধরেন কোনো রেস্তোরায় যদি আপনি যান তাহলে সেখানকার বিক্রেতার কাছ থেকে ওয়াইফাই এর সঠিক বানান ও পাসওয়ার্ড যাচাই করে তবেই ব্যবহার করুন।

অনেকেই আছেন রাউটার সেটআপ করার পর বছরের পর বছর রাউটারের নাম আর বদলান না, এতে যেটা হয় হ্যাকাররা সহজেই বুঝে যায় এই ব্যক্তি তার তথ্যের নিরাপত্তার ব্যাপারে উদাসীন এতে আপনি সহজেই তাদের টার্গেটে পরিণত হন। এজন্য ওয়াইফাই সেটআপ করার পর একটি ইউজার নাম এবং শক্ত একটি পাসওয়ার্ড সেট করে নিন এবং প্রতিমাসে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড বদলে নিন। আরেকটা বিষয়, বিশ্বস্ত কাউকে ছাড়া ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করতে যাবেন না।

আপনার ডিভাইসের ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড থাকলে আগে ব্যবহৃত ওয়াইফাই সিগন্যাল পাওয়া মাত্রই ডিভাইসটি সংযুক্ত হয়ে যায়। অনেক সময় হ্যাকাররা ওই একই নামে ওয়াইফাই আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইস হ্যাক করে থাকে। ওয়াইফাই অটো কানেক্টেড না রেখে কাজ শেষে সেটা বন্ধ রাখাই ভালো। এতে হ্যাকাররা আপনার তথ্য চুরির সুযোগ পাবে না।

ফ্রী ওয়াইফাই ব্যবহারের সময় ভালোভাবে প্রতিটি ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL) পর্যবেক্ষণ করুন। ইউআরএল-এ যদি এইচটিটিপিএস (HTTPS) দেখেন তাহলে বুঝবেন এই ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার নিরাপদ। যদি দেখেন এইচটিটিপি (HTTP) এর পরে কোনো এস (S) নেই তাহলে শিঘ্রই ওই ওয়েবসাইট ব্যবহার করা বন্ধ করুন। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ভালো ব্রাউজার ব্যবহার করা। কারণ একটি ভালো ব্রাউজার আপনাকে অনিরাপদ ওয়েব সাইটের ব্যাপারে সতর্ক করে দেবে। আপনি চাইলে Https Everywhere এক্সটেনশনটি ইন্সটল করে আপনার ব্রাউজারকে সুরক্ষিত করতে পারেন। জরুরি হলো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহারের সময় সন্দেহজনক কোনো ধরনের লিংকে ক্লিক বা ডাউনলোড করবেন না।

ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় নিরাপদ থাকতে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস নয়, চেষ্টা করুন ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে এটি আপনাকে অনিরাপদ ওয়াইফাই কানেকশন এর ব্যাপারে সতর্ক করবে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমচালিত কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল চালু রাখালে কিছুটা সুরক্ষিত থাকতে পারবেন। মোবাইল ব্রাউজার এক্সটেনশন অফশনে যেয়ে Do not track me চালু করে রাখুন এতে করে আপনার লোকেশন কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না। এছাড়া ইন্টারকানেক্টেদ অ্যাপ গুলোর ফাইল শেয়ারিং বন্ধ করে রাখলে আপনার ব্যক্তিগত ফাইলগুলো নিরাপদ রাখতে পারবেন।






Place your ad code here




Continue Reading

ইন্টারনেট

এবার বাড়তে চলেছে ইন্টারনেটের গতি

Md Ruhul Amin

Published

on

Internet

এবার বাড়তে চলেছে ইন্টারনেটের গতি। ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে। ২০২৪ সাল নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মিলবে বাড়তি ৬ টেরাবাইট গতির ব্যান্ডউইথ। প্রকল্পটিতে ব্যয় হবে ছয়শ তিরানব্বই কোটি টাকা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়।

ইন্টারনেট সেবায় গতি নির্দেশক হলো ব্যান্ডউইথ। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যত বাড়ছে ততোই বাড়ছে ব্যান্ডউইথের চাহিদা। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড বিএসসিসিএল এবং ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল কেবল আইটিসির হিসেব অনুযায়ী গত কয়েক বছরে দেশে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার বৃদ্ধির হার প্রায় ৭০%। বর্তমানে দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের যে সক্ষমতা রয়েছে তা আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে প্রায় শেষ হয়ে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কিন্তু ২০২১ সাল থেকে ফাইভ-জি চালু হলে বাড়বে ব্যান্ডউইথের চাহিদা। সেই বিবেচনায় তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (SEA-ME-WE 6) এ সংযুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ জন্য ব্যয় হবে ৬৯৩ কোটি টাকা।

সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্স পর্যন্ত সংযুক্ত (SEA-ME-WE 6) সাবমেরিন ক্যাবলটি ভারত মহাসাগর, আরব সাগর, লোহিতসাগর হয়ে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। যেখান থেকে ব্যান্ডউইথ পেতে ১৩ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার কোর সাবমেরিন ক্যাবল এবং ১৮৫০ কিলোমিটার ব্রাঞ্চ সাবমেরিন ক্যাবল বসানো হবে। বাংলাদেশের ল্যান্ডিং স্টেশনটি হবে কক্সবাজারে। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুমোদন দেয়া হয়েছে ডিজিটাল সংযোগের জন্য টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী। এতে ৭৪১ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩১৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে ২২ ভাগের বেশি। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে ৪ কোটি ৩১ লাখ গ্রাহককে আধুনিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সেবার আওতায় আনা হবে বলে জানা গিয়েছে। তিনটি সংশোধিত প্রকল্প সহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায়। যাতে মোট ব্যয় বরাদ্দের পরিমাণ ২১১৫ কোটি টাকা।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নতুন এ সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ থেকে বাংলাদেশ প্রতি সেকেন্ডে ৬ টেরাবাইট ব্যান্ডউইথ পেতে সক্ষম হবে। যা ফাইভ-জি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।

করোনা পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে ব্যান্ডউইথের সংকট দেখা যায়। এ পরিস্থিতিকে সামনে রেখেও এ প্রকল্পটি ভাল ফল প্রদান করবে বলে আশা করা যায়। যদিও সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে, তারপরও এটি বাংলাদেশের জন্য বেশ অগ্রগতি নিয়ে আসবে বলে আশা করা যায়।






Place your ad code here




Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট