Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

শিক্ষার কোন ক্ষয় নেই!

Published

on

জ্ঞানীগুণীদের কাছ থেকে শিক্ষার গুরুত্বের কথা আমরা বরাবরই শুনে থাকি। কিন্তু খেটে খাওয়া মানুষ, রিকশাচালক বা দিনমজুরদের থেকে শিক্ষার গুরুত্বের কথা শুনলে আসলেই মনে হয় যে শিক্ষা কত মূল্যবান।
আসলেই শিক্ষা খুবই মূল্যবান। কিন্তু মাঝে মাঝে আমরা তা উপলব্ধি করতে পারি আবার মাঝে মাঝে পারি না।
আপনাদের আজকে একটি বাস্তব ঘটনা বলবো তাহলেই আপনারা পরিস্কার হবেন যে আসলেই শিক্ষার মূল্য কত।

একদিন খুব সকালে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম, শীতের সকাল ছিল তাই রাস্তায় তেমন যানবাহন ছিল না। অনেকদূর হাঠার পর একটি ব্যাটারি চালিত রিকশা পেলাম আর উঠে পরলাম। আগেই বলে রাখি আমাদের বাসা থেকে প্রায় ৫০ টাকার মত রিকশা ভারা লাগে কলেজে যেতে। মোটামুটি দূর বলা যেতেই পারে। কিছুদূর যাওয়ার পর রিকশাচালক আমাকে বললো – মামার জন্য দূর হয়ে যায় না কলেজ?
আমি বললাম – এইতো একটু হয়, কিন্তু কি আর করার বলেন। যেতে তো হবেই।
সে আমাকে বললো – লেখাপড়ার জন্য একটু তো কষ্ট করতেই হবে।
আমি বললাম – হ্যা মামা।
কিছুদূর যেতেই আবার সে বললো – শোনেন মামা একটা কথা বলি, “শিক্ষার কোন ক্ষয় নাই” আপনি যদি একটু ভালোভাবে পড়াশোনা করেন আপনি সারাজীবন ঘরে বসে কাটাতে পারবেন। বাবা মা কষ্ট করে টাকা দেয়। ভালো মত পড়বন। দোয়া করি।
আমি তার কথায় একটু কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম – আচ্ছা আপনি কতটুকু পড়াশোনা করেছেন?
সে বললো – এস এস সি দিছিলাম ২০০১ সাল এ। পরিবার এর অভাবের কারণে আর পড়ালেখা হয় নাই মামা। আমার বাবা একজন শিক্ষক ছিলেন, তখনকার সময়ে তিন হাজার টাকা বেতন পাইতো, ওইটা দিয়া কি আর সংসার এর খরচ মিটাইয়া আমাদের পড়াশোনা করানো সম্ভব ছিল নাকি! তিনি আরো বলেন – মামা, বললে আপনি বিশ্বাস করবেন না। আমার একটা বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর। পাশাপাশি বাড়ি থাকায় আমাকে ওরা ডাকে মাঝেমধ্যে। আমি বলি আমি ব্যাটা কামলা খাটা মানুষ। তোদের সাথে গেলে তোদের প্র‍্যাসটিস নষ্ট হবে না?
তখন আমি তাকে বললাম – এসব বললে তো হবে না মামা। আপনার যতটুকু বোধবুদ্ধি, আপনি তাদের সাথে চলার যোগ্য ই। নাহলে তো শিক্ষার গুরুত্বটা আমাকে বুঝাতে পারতেন না। আপনার কথায় ই আমি বুঝে গেছি শিক্ষার গুরুত্ব কতখানি।

একজন খেটে খাওয়া মানুষ ই বুঝে শিক্ষার গুরুত্ব কতখানি। কেননা তারা এটা বুঝতে পারে যে ‘আজকে একটু শিক্ষা থাকলে আর এত কষ্ট করে খেতে হতো না। তাই আসুন শিক্ষাকে গুরুত্ব দেই। সকলে শিক্ষিত হই, বঞ্চিতদের আর্থিক সহায়তা করি যাতে তারাও শিক্ষিত হতে পারে আর যাতে করে আমাদের দেশের শিক্ষার হার বাড়ে। কেননা ” শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড”

শিক্ষা

জেনে রাখুন নোবেল পুরষ্কার ২০১৯ বিজয়ীদের তালিকা

Published

on

বিশ্বের সবচেয়ে সন্মানজনক পুরষ্কার হচ্ছে নোবেল পুরষ্কার। ১৯০১ সাল থেকে এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।

  • চিকিৎসা বিজ্ঞান
চিকিৎসা ক্ষেত্রে নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন
ক। অধ্যাপক স্যার পিটার র‍্যাটক্লিপ (যুক্তরাজ্য)
খ । উইলিয়াম ক্যালিন (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। গ্রেগ সেমেঞ্জা (যুক্তরাষ্ট্র)।
কোষ কিভাবে অক্সিজেনেব উপস্থিতি টের পায় ও স্বল্প অক্সিজেনে কিভাবে কোষ নিজেদের মানিয়ে নেয় সেসব বিষয় আবিষ্কার করে তারা এই পুরষ্কার অর্জন করেন।
  • পদার্থ বিজ্ঞান
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো পদার্থ বিজ্ঞানেও নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। এরা হলেন –
ক। জেমস পিবলস (কানাডা)
খ। মাইকেল মেয়র (সুইজারল্যান্ড)
গ। দিদিয়ের কুলোজ (সুইজারল্যান্ড)
সৌরজগতের বাইরে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়নমান গ্রহ আবিষ্কার করে এ পুরষ্কার পান।
  • রসায়ন বিজ্ঞান
ক। জন গুডেনো (যুক্তরাষ্ট্র)
খ। স্টানলি হুইটিংহ্যাম (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। আকিবা ইউশিনো (জাপান)।
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উদ্ভাবনের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার পান।
  • শান্তি
নোবেল পুরষ্কারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুরষ্কার বলা যায় শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পাওয়া। এ বছর এ পুরষ্কার পান আবি আহমেদ আলী ( ইথিওপিয়া)। পার্শ্ববর্তী দেশ ইরিত্রিয়ার সাথে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ২০ বছরের যুদ্ধাবস্থার অবসান।
  • সাহিত্য
অস্ট্রিয়ান লেখক পিটার হান্দক।
গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তাই সে পুরষ্কার এ বছর দেওয়া হয়েছে। এ বছর ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল জয়ী হচ্ছেন লেখক ওলগা তোকারজুক (পোল্যান্ডের নাগরিক)।
  • অর্থনীতি

১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঐ বছর সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় অর্থনীতিতে। অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। তারা হলেন –

ক। অভিজিৎ ব্যানার্জি (ভারতীয় বংশোদ্ভুূত বাঙালি)
খ। অ্যাস্থার ডাফলো (ফ্রান্স, ইনি অভিজিৎ ব্যানার্জীর স্ত্রী)
গ৷ মাইকেল ক্রেমার (যুক্তরাষ্ট্র)।
উন্নয়ন অর্থনীতির মধ্য দিয়ে দারিদ্র বিমোচনে অবদানে ভূমিকা রেখে এ পুরষ্কার পান।

Continue Reading

শিক্ষা

ডিমের গুনাগুন

Published

on

ডিম খায়নি এমন লোক খুজে পাওয়া বোধহয় অসম্ভব । ছোট্ট একটা বস্তু ডিম। দেখতে ছোট হলেও এর গুনাগুন কিন্তু কম নয়। ডিম সত্যিই আশ্চর্জময় বস্তু। অন্তত তমরা যারা এই ডিম থেকে বাচ্চা বের হতে দেখেছ তারা এমনটাই ভাববে।

অতি প্রাচিকাল থেকেই মানুষ ডিম খেয়ে আসছে। যখন মানুষ বনে বাস করত তখন তারা বিভিন্ন বন্য পাখির ডিম খেত। পরে মানুষ বিভিন্ন পাখি পোষ মানাতে শুরু করলো। সাধারনতো যে সব পাখি বেশি পরিমানে বাচ্চা দেয় এবং সহজেই পোষ মানে সেগুলোই মানুষ পালতে শুরু করলো এবং মানুষ সুধু মুরগি এবং হাসের ডিম খাওয়া শুরু করল। বর্তমান যুগেও মানুষের সবচেয়ে প্রিয় খাবার মুরগির ডিম। পৃথিবীর অনেক মানুষেরই প্রিয় খাবার এই মুরগির ডিম। মুরগির ডিম এর এত জনপ্রিতার কারন এই নয় যে এটা খুব সহজেই পাওয়া জায় বরং একে অনেক রকম ভাবে রান্না করে খাওয়া যায় । বরং পুস্টিমানের দিক থেকেও ডিমের অবস্থান সবার উপরে।

এবার আসি ডিমের পুষ্টিমান প্রসঙ্গে। ডিমে প্রচুর পরিমানে আমিষ এবং চর্বি আছে। ডিমের আমিষ উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত আমিষ থেকেও উত্তম। ডিমের চর্বিও অন্নান্য চর্বি থেকে সহজেই হজম হয়। ডিমে প্রায় সব ধরনের ভিতামিন পাওয়া যায়। তবে পরিমানের দিক থেকে ভিটামিন এ ও ভিটামিন ডি বেশি পরিমানে থাকে। মানুশের জন্য দরকারি খনিজ লবনও থাকে।

কাজেই সহজেই বোঝা যায় ডিমের পুস্টি মান কতই না উন্নত মানের। ক্যালরির পরিমান, আমিশ,চর্বি, ভিটামিন এ, থায়ামিন এর পরিমানের ভিত্তিতে বলা যায় একটা ডিম আট আউন্স দুধের সমান। অবশ্য আয়রন ও ভিটামিন ডি এর পরিমান ডিমেই বেশি।

শিশুদের জন্য ডিম যথেষ্ট পরিমান শক্তির উৎস। বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য ডিম যথেষ্ট না হলেও অন্নান্য খাবারের সাথে ডিম খাওয়া দরকার। একটি ২ থেকে ৬ বছরের বাচ্চাকে যদি একাধারে একুশ মাস প্রতিদিন একটা করে ডিম খাওয়ান  তবে সে সুসাস্থের অধিকারি হবে।

ডিমের পুষ্টিমান নির্ভর করে ডিমটা কি অবস্থায় খাওয়ান হচ্ছে তার উপর। যেমন কাচা নাকি সিদ্ধ, অথবা ডিমের কোন অংশ খাওয়ান হচ্ছে। শুধু কুসুম না সাদা অংশও। অনকের অভ্যেস হল কাচা ডিম খাওয়া। কিন্তু তা ঠিক নয়। কারন কাচা ডিমে অনেক জীবানু থাকতে পারে যা আমাদের শরিরের জন্য ক্ষতিকর। আবার ডিমের সাদা অংশে থাকে একটা প্রোটিন , কুসুমে থাকে বি ভিটামিন। ডিম কাচা খেলে এগুলো একে অপরের সাথে মিলে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আমরা একটা গুরুত্তপুর্ন ভিটামিন থেকে বঞ্চিত হই। কিন্তু সেদ্ধ করলে সব উপাদান পুরুপুরি পেয়ে যাই। ডিম বেশি সিদ্ধ করলে কিছু কিছু উপাদান নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। তাই আধা সিদ্ধ ডিম খাওয়াই বিজ্ঞান সম্মত।

Continue Reading

শিক্ষা

চিরস্মরণীয় আর্কিমিডিস

Published

on

খ্রিস্টজন্মের ২৮৭ বছর আগে গ্রিসদেসের অন্তর্গত সিসিলির রাজধানি সাইরাকিউস নগরে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আর্কিমিডিস। তার পিতা ফেইডিয়াস ছিলেন একজন জ্যোতির্বিদ। মিশর দেশের আলেকজান্দ্রিয়া নগরি ছিল সেকালের এক প্রসিদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র। আর্কিমিডিস সেখানেই লেখাপরা করেন। ছাত্রাবস্থায় জ্যামিতি ও গনিত পরতে অনেক ভালবাসতেন । বিখ্যাত পণ্ডিত ইউক্লিডের কানন ছিলেন তার অন্যতম শিক্ষা গুরু। আলেকজান্দ্রিয়ায় পরা শেষ করে তিনি হলেন গনিতবিদ। গনিতশাস্র পাঠ করে মানুষের ভাল হবে ভেবে তিনি চলে এলেন নিজ জন্ম ভুমি সাইরাকিউসে। সেখানে এসে গনিতবিদ্যা চর্চায় নিয়গ হন। কাগজ তখনো আবিস্কার হয়নি। তাই কখন কখন তাকে দেখা যেত বালির উপর দাগ কেটে গানিতিক সমস্যা সমাধান করতে। কখন দেখা যেত মাটিতে ছাই দিয়ে রেখা টেনে মাপজোক করতে। আবার কখন দেখা যেত যন্ত্রপাতির সামনে বসে চিন্তা করতে। কি নিয়মে এসব যন্ত্র কাজ করছে তা নিয়ে ভাবতেন। আজিবন এই নিয়ে সাধনা চালিয়ে তিনি শুধু গনিতেই নয় কারিগরি বিদ্যায়ও পারদর্শী হয়ে উঠলেন। বিশশের রহস্য বের করতে নিজুক্ত হলেন। অনেকগুলো সমস্যার সমাধানও করলেন এই প্রতিভাবান মানুষটি। যখন রোম দেশের সেনাপতি মার্সেলাস তার বিরাট সেনা নিয়ে স্থল ও জলপথে সাইরাকিউস আক্রমন করতে এসেছিলেন , তখন রাজা হিয়োরর পাশে গিয়ে দারিয়েছিলেন আর্কিমিডিস। নিত্যনতুন সমরাস্র বানিয়ে তিনি সাইরাকিউসকে রক্ষার দায়িত্ব নেন তিনি। মস্ত বর বর অবতল আয়নার সাহায্যে শত্রুপক্ষের জাহাজগুলুতে সুর্জের আলো কেদ্রিভুত করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। সমুদ্রের তিরের দিকে সাইরাকিউস নগরি প্রাচির দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। এই প্রাচিরের পিছনে আর্কিমিডিস বসিয়েছিলেন বর বর যন্ত্র। ঐসব যন্ত্রের সাহায্যে তিনি পাথর বর্শন করে শত্রু দের ছত্রভঙ্গ করে দিতেন। আর ঐ প্রাচীরের উপরে বর বর কতগুলো কপিকল বসিয়ে তিনি বর বর লোহা , পাথর ইত্যাদি ছুরে মারতেন। ফলে শত্রুর অনেক জাহাজ পানিতে ডুবে জায়। এত কষ্ট করেও সাইরাকিউসকে রক্ষা করা গেল না। রোমক সেনাপতি ৮ মাস ধরে অবরোধ করে রাখল নগরিকে। খাদ্য ফুরিয়ে গেল। অবশেষে সাইরাকিউসের বাসিন্দারা আত্মসমর্পণ করল। শত্রুপক্ষের লোক হলেও রোমক সেনাপতি মার্সেলাস আর্কিমিডিসকে শ্রদ্ধা করতেন। তিনি বুজতে পেরেছিলেন যে আর্কিমিডিস সাধারন মানুষ নন। তিনি অসাধারন প্রতিভার মানুষ। তাই রোম সৈন্যরা যখন নগরিতে প্রবেশ করল তখন মার্সেলাস তার সৈন্যদের সতর্ক করে দিলেন যেন আর্কিমিডিসের গায় কোন আঘাত না লাগে। কিন্তু সে আদেশ আদেশই রয়ে গেল। সৈন্যরা যখন নগরি লুট করছিল তখন আর্কিমিডিস বালির উপর রেখা টেনে একটা সমস্যার সমাধান করছিল। সৈন্যরা তার পরিচয় জানতে চায়। কিন্তু তিনি এতই মগ্ন ছিলেন যে অন্য কোন দিকে তার খেয়াল ছিল না। উত্তর না দেয়ায় সৈন্যরা তাকে আঘাত করে। তখন সেই বুড় মানুশটি বলল আমার রেখা যেন মুছে না জায়।

কথাও শেষ হল আর আর্কিমিডিসের ধর থেকে মাথাও আলাদা হয়ে গেল।

সেনাপতি মার্সেলাস এই খবর শুনে অনেক ব্যথিত হলেন। তিনি এই মহান ব্যাক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার একটি সুন্দর স্মিতিসওধ নির্মান করলেন। আর তার উপর খোদাই করে দিলেন একটি জ্যামিতিক চিত্র। একটি বেলুনের মধ্যে একটি গোলাকার চিত্র।

একটি শহরের নিরাপত্তা রক্ষার চেয়ে একটি বেলুনের আয়তন নির্ণয় করাকে তিনি বেশি মূল্যবান মনে করেন।একই ব্যাসবিশিস্ট একটি গোলক এবং একটি বেলুন তৈরি করে বেলুনের মধ্যে গোলোকটিকে বসিয়ে তিনি প্রমান করেছিলেন যে , এদের আয়তনের অনুপাত ২ঃ৩।

আর্কিমিডিস বলেছিলেন যে এটাই তার জীবনের সর্বশ্রেস্ট আবিষ্কার।

আমরা জানি যে আর্কিমিডিসের মত এমন মহান মানুষ এবং বিজ্ঞানী আর কখন এই পৃথিবীতে আর কখন আসবে না। তিনি তার জিবনে অনেক কিছু আবিষ্কার করেন। জা আমাদের জ্ঞানকে অনেক বারিয়ে দিয়েছে। তাই যতদিন এই পৃথিবী থাকবে , মানুষ থাকবে , বিজ্ঞান থাকবে ততদিন মানুষ তাকে ও তার আবিষ্কারকে শ্রদ্ধাভরে স্বরন করবে।

Continue Reading
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন