Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

এসইও

এসো আমরা SEO শিখি

MD LOKMAN HOSSAIEN

Published

on

বর্তমানে SEO সম্পর্কে বেশির ভাগই ব্লগাররা সক্রিয় কিন্তু তাদের অনেকের মাঝে দূর্বলতা আছে। আবার কেউ কেউ নতুন করে এস,ই,ও শিখতে চাচ্ছেন তাই আমি সম্পুর্ণভাবে A to Z SEO সমাধান গুলো পরিস্কার করে দিলাম। এখানে আপনি SEO কি? কিভাবে কাজ করে?কিভাবে করতে হবে? কেন এস,ই,ও করবেন? ভুলগুলো প্রতিরোধের উপায় ইত্যাদি শিখতে পারবেন। এই লেখাটিতে আমি SEO নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আপনার ভালো লাগবে এবং আপনি কিছু হলেও SEO সম্পর্কে শিখতে পারবেন।

SEO কি? what is SEO?

S= search E= engine O=optimization বাংলা ভাষায় এর অর্থ হলো অনুসন্ধান যন্ত্র নিখুঁতকরণ। সম্পূর্ণভাবে একটি ওয়েবসাইটের এসইও করতে পারলে খুব তাড়াতাড়ি সফলতা অর্জন করা যায়। এখানে Search Engine হচ্ছে Google,Yahoo, Ask, Bing ইত্যাদি। এদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে গুগল সার্চ ইঞ্জিন।আর এর কাজ হচ্ছে আপনি যখন গুগল ক্রম, অপেরা মিনিতে অথবা অন্য কোন Browser এ যে,কোন কিছু লিখে সার্চ করেন। তখন এরা  আপনাকে সেই অনুযায়ী সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো সাইট আপনার সামনেদেখাবে।যেইগুলাতে ভিসিট করে আপনি আপনার সেই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। মনে করুন আপনি গুগল এ “আমি কিভাবে SEO শিখতে পারি?” লিখে সার্চ করলেন এখন গুগল আপনাকে সেই সব সাইট এর একটা লিস্ট দেখাবে যেগুলার মধ্যে এস,ই,ও শিখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো রয়েছে। তার মানে হলো যা চাইবো তাই পাইবা।সার্চ ইঞ্জিন আবার ৫ ভাগে ভাগ বিভক্ত হয়ে থাকে। যেমনঃ-

১। ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন

২।ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন

৩।হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন

৪।ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন

৫।স্পেশিয়ালিটি সার্চ ইঞ্জিন

এবার O=optimization এর কাজ কি তা শিখবো?

আপনি তো এসইও কিভাবে শিখতে পারি এটা লিখে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেছিলেন তাই না? হু
লক্ষ করুন এখানে সবার আগে রয়েছে  www.graathor.com ওয়েবসাইটটি।তারপর আছে www.hoichoibangla.com ইত্যাদি।
এখন এতোগুলা সাইট এর মধ্যে থেকে যেভাবে করে গুগল এর ১ম পেজ এ ১ম ওয়েবসাইটটি যেভাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে এসেছে এইটাই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ গুগল এ আপনি যেইভাবে করে আপনার নিজের সাইটকে সবার উপরে প্রথম পেজ এ আনবেন এই কাজটাকেই এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে।এসইও কি আশা করি বুঝতে পারছেন কি বুঝলেন তো?এবার আসা যাক কেন আপনি এসইও করবেন সেই বিষয়ে ঠিক আছে।

কেন আপনি এসইও করবেন?

👉প্রথমেই আপনাকে বলবো আপনার ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর জন্য।অবশ্যই SEO করতে হবে।

👉নিজের সাইটকে সবার কাছে জনপ্রিয় সাইট হিসেবে  তৈরি করার জন্য।

👉 বিভিন্ন বিজ্ঞাপন থেকে বেশি বেশি টাকা  আয় করার জন্য।

👉 ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য।

👉আপনার উদ্দেশ্য হাসিল করতে।

👉আপনার ও ওয়েবসাইটের সুনাম অর্জন করতে অবশ্যই এসইও করতে হবে।

SEO গুরুত্ব প্রয়োজনিয়তা গুলো হলোঃ-

এস,ই,ও বা সার্চ ইঞ্জিন এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। এটি আপনাকে বলে বুঝানো যাবে না। মনে করুন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন কিন্তু কেউ জানলো না যে,আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে তাহলে তাহলে ভিজিটর আসবে কোথা থেকে? তখন আপনি ছাড়া ঐ সাইট এর ভিজিটর আর কেউ নেই।এখন আপনি ভাবতে পারেন আমি তো ফেসবুক এ ও বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট মিডিয়ার মধ্যেশেয়ার করে এবং আমার বন্ধু বান্ধবদের কে বলে সাইট এর ভিজিটর আনবো তা না? কিন্তু সাইট এর মুল ভিজিটর পেতে হলে অবশ্যই এসইও করা অনেক জরুরি ।

আমাদের বাংলাদেশের মধ্যে দৈনিক কমপক্ষে ৫০ টি নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে, কিন্তু মানুষ কয়টাই বা মনে রাখে হাতে গুনা কয়েকটি মাএ।আবার কেউ কেউ ঐ সাইটকে বুকমার্ক এ রাখে। কিন্তু তাদের যখন কোন কিছুর দরকার হয় তখন সে গুগল বা যে কোন ধরনের সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে আর তখন যদি সে,সার্চ রেসাল্ট এ আপনার সাইট দেখতে পায় এবং ভালো ভালো লেখা /কনটেন্ট /আটিকেল পেয়ে যায় সে,কিন্তু আবারও ঘুরে ফিরে আপনার ওয়েবসাইট এ আসবেই। কারণ আপনার ওয়েবসাইট এ ভালো কনটেন্ট পাওয়া যায় এবং তার চাহিদা পূরণ হয়।আর তাছাড়াও পরবর্তীতে আপনি যদি গুগল আডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা আয় করার প্লান করে থাকেন তাহলে আপনাকে এসইও করতেই হবে। এছাড়া অন্য কোন উপায় নাই। কারন গুগল কখনও আপনার এমন সাইটকে অ্যাডসেন্স দিবে না যার সাইট এর ট্রাফিক কম।এখন এস,ই,ও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানবো।

👉SEO প্রকারভেদ গুলো হলোঃ-

এসইও মূলত ৩ প্রকার বা তিন ধরনের হয়।

 (১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White Hat SEO)

(২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black Hat SEO)

(৩) গ্রে হেড এসইও (gray head SEO)

👉হোয়াইট হ্যাট এসইও (White Hat SEO)

যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মনীতি না ভেঙ্গে যে, এসইও করা হয় তাকে হোয়াইট হ্যাট এসইও বলে। আর এর সবচেয়ে বড় নিয়ম হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের এর তুলনায় ওয়বসাইট এর কন্টেন্ট এবং অন্যান্য বিষয় এর উপর বেশি কাজ করতে হয়।এটি এমন ভাবে তৈরি করুন যা ভিজিটর এর জন্য খুবই উপকারি হয়।মোটেও সার্চ ইঞ্জিনের এর জন্য নয়। হোয়াইট হ্যাট এসইও এর আরেকটা নাম আছে তা হলো এথিক্যাল এসইও।

হোয়াইট হ্যাট এসইও আবার ২ প্রকার যথাঃ-

অনপেজ SEO বা অপটিমাইজেশন

অফপেজ SEO বা অপটিমাইজেশন

👉অনপেজ SEO বা অপটিমাইজেশনঃ

যে কোন ধরনের একটা ওয়েবসাইট এর মধ্যে  যখন অপটিমাইজেশন করা হয় তখন তাকে On page SEO বা অনপেজ অপটিমাইজেশন৷ বলা হয়ে থাকে । উদাহরণ স্বরুপ নিচের কাজগুলোই সম্পুর্ন করাই On page SEO বা অনপেজ অপটিমাইজেশন।

১। টাইটেল ও কি- ওয়ার্ড রিসার্চ***

২। কনটেন্ট ও ওয়েবসাইট ডিজাইন***

৩। মেটা ট্যাগ এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন***

৪। গুগল সাইট ম্যাপ ও বিভিন্ন পেজ ***

৫। XML সাইট ম্যাপ***

৬। টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার

৭। ALT ট্যাগের ব্যবহার

৮। h1-h6 ট্যাগের ব্যবহার

৯। অডিও ভিডিও

১০। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি

কেন ওয়েবসাইটে অনপেজ SEO করতে হবে?

একটি ওয়েবসাইট এর SEO করা খুবই  গুরুত্ব পূর্ণ এবং জুরুরি কাজ।কারন এর মাধ্যমে গুগল, ইয়াহু,বিং,আসক, ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন গুলো আপনার ওয়েবসাইট খুজে পাবে। তাই একটা ওয়েবসাইট এর ভিতরে এসইও করতে হবে। আশা করি বুঝতে আপনি বুঝেছেন।

👉অফপেজ SEO বা অপটিমাইজেশন

যখন কোন একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহির থেকে অপটিমাইজেশন করা হয়। তখন তাকে
অফপেজ SEO বা অপটিমাইজেশন বলে। যেমনঃ- ↓ নিচের বিষয় গুলো সম্পুর্ন করাই অফপেজ SEO বা অপটিমাইজেশন।

১। ব্যাক লিঙ্কিং তৈরি করা

২। ফোরাম পোস্টিং করা

৩। সোশ্যাল বুকমারকিং

৪। ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং

৫। আর্টিকেল সাবমিশন কাজ গুলো

৬। আর্টিকেল রাইটিং

৭। অ্যাংকর টেক্সট

৮। ব্লগ কমেন্ট করা

৯। ভিডিও পোস্টিং

১০। ইমেজ পোস্টিং

১১। পিডিএফ সাবমিশন

১২। RSS সাবমিশন

১৩। Review Site সাবমিশন

১৪। Classified সাবমিশন

১৫। সার্চ ইঞ্জিন সাবমিশন

১৬। ডিরেক্টরি সাবমিশন

১৭। লিঙ্ক হুইল

১৮। লিঙ্ক এক্সচেন্জ

১৯। প্রোফাইল পোস্টিং

২০। CSS সাবমিশন ইত্যাদি।

কেন ওয়েবসাইটে অফপেজ SEO করতে হবে?

অফ পেজ এর গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা একটা সাইট এর ট্রাফিক জত বেশি এর মূল্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বেশি। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য যেই মার্কেটিং করা হয়।অফপেজ এসইও আপনার ওয়েবসাইটকে
সার্চ ইঞ্জিনে রাঙ্কিং এ উপরে উঠতে সাহায্য করে।তার ফলে আপনার সাইট এ প্রচুর ট্রাফিক বা ভিজিটর আসে।তাই এটি আপনাকে অবশ্যই করতে হবে এবং ভালোভাবেই করতে হবে।

👉Black head SEO ব্ল্যাক হ্যাট এসইওঃ-

যখন কোন ওয়েবসাইটের জন্য সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মনীতি ভেঙ্গে এসইও করা হয়ে থাকে তখন তাকে Black head SEO ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বলে। আর এটি সাধারমত ক্ষণিকের জন্য করা হয়।যেমনঃ- ফুটবল ও ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার কিছু কোন ওয়েবসাইট করে থাকে। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইট কখনই লং টাইম ধরে বা স্হায়ী ভাবে সার্চ ইঞ্জিনের টপ এসইও রাঙ্কিং এ থাকতে পারবে না। এটি শর্ট টাইম এর জন্য সাইটকে এসইও রাঙ্কিং এ এগিয়ে রাখে। এইজন্য ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে প্রতিনিয়ত নিজের সাইটকে নতুন নতুন এসইও করতে হয়।

কপি পোস্ট থেকে ১০০০ গজ দূরে থাকুন। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও আনএথিক্যাল উপায়। তাই এইটার আরেক নাম আনএথিক্যাল এসইও।Black head SEO ব্ল্যাক হ্যাট এসইও আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে।যেমনঃ- Direct এবং Indirect। সরাসরি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হচ্ছে কোন ওয়েবসাইট থেকে যে কোন কনটেন্ট যখন কপি করে কোন ধরনের পরিবর্তন না করে অন্য কোন ওয়েবসাইট এ প্রকাশ করা হয়।আর Indirect টা হলো কোন ওয়েবসাইট থেকে যখন কোন ধরনের কনটেন্ট App বা কোন সফটওয়্যারের মাধ্যমে কপি করে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

👉 gray head SEO গ্রে হেড এসইও

যখন কোন কনটেন্টকে ভালো করে পড়ে নিয়ে  নিজের মন মত তৈরি বা কিছু পরিবর্তন করে ওয়েবসাইট এ প্রকাশ করা হয়ে থাকে। তখন তাকে gray head SEO গ্রে হেড এসইও বলে।

একটি ওয়েবসাইটের SEO যেভাবে করতে হবে তার কিছু বিষয় তুলে ধরা হলোঃ-

একটি ওয়েবসাইট এ সঠিকভাবে এসইও করতে হলে আপনাকে অবশ্যই অনপেজ এসইও ও অফপেজ এসইও সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে।তাছাড়াও আরও কিছু বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন হতে হবে। তা না হলে আপনি সঠিকভাবে SEO করতে পারবেন না। উদাহরণ স্বরুপ নিচের বিষয় গুলো জানা জরুরি। আর তা হলোঃ-

সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা

ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভালো ধারনা

HTML এর সম্পর্কে ধারনা ইত্যাদি

ওয়েবসাইটের কনটেন্ট তৈরির কাজঃ-

কনটেন্ট শব্দের অর্থ হল আপনার লেখা, আপনার ওয়েবসাইটে আপনি যা লিখেন সেটাই হল কনটেন্ট। আর এই কনটেন্টই হল অন পেজ অপটিমাইজেশন এর মূল বিষয় বস্তুুগুলোর অন্তরভুক্ত ।সার্চ rank এর প্রথম অবস্থানে থাকার জন্য যে কয়েকটি শর্ত রয়েছে তার মধ্যে কনটেন্টের অগ্রাধিকার বেশি থাকে। তাই ভাল মানের কনটেন্ট ছাড়া এখন ওয়েব সাইট এর ranking এর কথা চিন্তাই করা যায় না। “Content is the king”।গুগল পাণ্ডা ও পেঙ্গুইন আপডেটের পর থেকে  ব্যাকলিংক বিল্ডিং অনেকটাই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভালো মানের কনটেন্ট এর মুল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ভালো ভালো কনটেন্ট লিখে তারপর আপনার ওয়েবসাইট এ প্রকাশ করুন। তারপর ১৫ দিন অপেক্ষা করুন দেখবেন আপনার লেখা কনটেন্টটি গুগল সার্চ rank এর প্রথম থেকে ১০ম অবস্থানে চলে এসেছে। অবশ্যই অবশ্যই ইনডেক্স করতে হবে।

HTML কি এবং কেন?

HTML এর সম্পুর্ণ অর্থ হলো H= high per T=Text M=Multy L= Langauge  উচ্চ ক্ষমতা সম্পুর্ণ বহুমুখী ভাষা। HTML এর মধ্যে মেটা ট্যাগ রয়েছে। যেটি এসইওর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মেটা ট্যাগ হল HTML এর এমন কিছু ট্যাগ যে গুলো আপনার ওয়েব সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোকে সার্চ ইন্জিনের কাছে প্রকাশ করে থাকে।যেমনঃ- আপনার ওয়েবসাইটি কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তৈরি করা, কোন দেশ থেকে তৈরি করা, এর ভিতরে কি কি আছে, সাইট ম্যাাপ, উদ্দেশ্য কি ইত্যাদি। ফলে
এই সকল ট্যাগের মধ্যকার লেখা গুলো কোন  ব্রাউজারে প্রকাশ পায় না (টাইটেল ট্যাগ বাদে). কিন্তু এই ট্যাগ ব্যবহারের ফলে সার্চ ইন্জিন বা অন্য ওয়েব ডেভলপাররা জানতে পারে ওয়েব সাইটের লেখক ,ওয়েব সাইট তৈরীর তারিখ, শেষ আপডেট করার সময় ইত্যাদি। তবে সকল ট্যাগ গুলোই SEO জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ ট্যাগ গুলোই হলোঃ-

(১) Description ট্যাগ

(২) টাইটেল ট্যাগ ও

(৩) কী ওয়ার্ড

এই তিনটি এসইওর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় এখন শুধুমাএ আমরা এই তিনটি বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।

মেটা ট্যাগ ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

এতক্ষণ ধরে মেটা ট্যাগ নিয়ে আমি যা বললাম তাতে হয়তো আপনার মনে আসতে পারে মেটা ট্যাগের প্রয়োজনীয়তা কি?তাহলে আসুন জেনে নিই মেটা ট্যাগ ব্যবহারের গুরুত্ব/প্রয়োজনীয়তা
সম্পর্কে।সাধারণত ওয়েবসাইটে মেটা ট্যাগ ২টি কারণে SEO তে গুরুত্বর্পর্ণ বিষয় হয়ে থাকে। আর তা হলোঃ–

১. মেটা ট্যাগ SERPs (Search Engine Result Page) সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের পেজে সাইটের তথ্য সরবারাহ করতে সাহায্যে করে।

২. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনার ওয়েব সাইটকে SEO তে ভাল স্থানে রাখার পাশাপাশি সাইটের অন্যান্য অংশ বিভিন্ন ভিজিটরদের কাছে প্রকাশ পায়।এবার আসি মেটা ট্যাগের বিস্তারিত বর্ণনায়।ওয়েবসাইট টাইটেল ব্যবহার।

টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার

টাইটেল ট্যাগ হল একটি HTML এলিমেন্টস বা ট্যাগ। এটি মুলত একটি পেজ এর টাইটেলকে ব্রাউজার এ দেখানর জন্য ব্যবহার করা হয়।
তাছাড়া এই টাইটেল প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজ এ প্রদর্শন করে থাকে ।তাই এসইও তে কনটেন্ট এর পরেই এই টাইটেল ট্যাগের এর অবস্থান।যার কারণে অনপেজ অপটিমাইজেশন বা এসইও এর ক্ষেত্রে টাইটেল এর গুরুত্ব অনেক।আর একটি সুন্দর টাইটেল অনায়াসে আপনার সাইটে অধিক পরিমাণে
ভিজিটর (CRT) বাড়তে পারে।আপনার পছন্দের কী- ওয়ার্ডের দ্বারা টাইটেল ট্যাগ লেখার সময় কিছু কিছু বিষয় মাথায় রেখে কাজ করলে এইসও তে ভালো ফলাফল দেখতে পাবেন।

১.আপনার টাইটেল ৬৫ অক্ষরের মধ্যে রাখুন।

২.যথাসম্ভব আপনি ছোট করে টাইটেল দিবেন, আবার বেশি ছোট করতে গিয়ে অদ্ভুত করে ফেলার দরকার নেই।

৩.টাইটেলে অবশ্যই আপনার দেয়া টার্গেটকৃত কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।

৪. এ ধরণের চিহ্ন যেমন- ( @, #,!,%,^,() ….) ইত্যাদি ব্যবহার করা থেকে সম্পুর্ণ বিরত থাকুন।

৫. টাইটেল ট্যাগটিকে এমন ভাবে লিখবেন যাতে করে যে কেউ আপনার টাইটেল পড়ে আপনার সাইটে প্রবেশ করতে আগ্রহী হয়।

যেমন:-আপনার ওয়েবসাইটি যদি পাবজি/PUBG কী- ওয়ার্ড দিয়ে বানানো হয় তাহলে ভিজিটররা পাবজি/PUBG কী- ওয়ার্ড দিয়ে পাবজি/PUBG সম্পর্কে জানার জন্য ভিজিট করবে।সেখানে আপনি যদি আপনার টাইটেলর সাথে শুধু মাত্র Download কথাটি মিলিয়ে দেন  তাহলে কিন্তু হবে না। এখানে অবশ্যই অবশ্যই Download PUBG game লিখতে হবে।এর ফলে আপনার সাইটি যদি সার্চ ইঞ্জিনের ২-৫ নম্বরের মধ্যেও থাকে তবে আপনি অন্যদের তুলনায় বেশি ভিজিটর পেতে পারেন।

👉ওয়েবসাইটের পেজের জন্য ইউআরএল (URL) তৈরি যেভাবে করা উচিৎ।

SEO বা অন পেজ অপটিমাইজেশনের জন্য  ইউআরএল (URL)একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।বিশেষ করে রেংকিং পাওয়ার জন্য অবশ্যই এটি করা জুরুরি। আপনার সাইট যদি অথোরিটি সাইট না হয়ে থাকে এবং ভালো ভালো ইউআরএল না থাকে তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে রেংকিং পাওয়া খুবই দুষ্কর হয়ে যাবে। তাই পেজের লিংক স্ট্রাকচার সবসময়ই এসইও বান্ধব হতে হবে।

পেজের লিংক তৈরির জন্য কিছু টিপস

(১) অবশ্যই অবশ্যই সাইটের লিংকের নামে আপনার টার্গেটকৃত কী-ওয়ার্ডটি রাখবেন।
উদাহরণ স্বরুপ আপনি “ How to learn
free seo tips for my new website” এই ধরনের কী-ওয়ার্ডকে টার্গেট করে পেজটি তৈরি করলেন। তাহলে আপনি আপনার পেজের নাম
এরূপ রাখতে পারে পারেন। “how-can-get free-  seo-tips-for-my new website.html

(২)আপনার পেজের লিংকের নাম দেয়ার সময়
ভুলেও  (), @,$&,৳,#=,<_>%\+)* এই ধরনের
অক্ষর ব্যবহার করবেন না।তবে হাইফেন ( – ) ব্যবহার করতে পারবেন। কারন সার্চ ইন্জিনে এই ধরনের অক্ষর ইনডেক্স করে না।

(৩) আপনার পেজের নাম দেয়ার সময় Skipping Word” ব্যবহার করবেন না।যেমনঃ-
a,in,of,to,এমন আকৃতির অক্ষরগুলো।

(৪) ওয়েব পেজের এক্সটেইনশন সবসময়ই
.html ,.htm .php রাখা ভালো।

(৫) আর আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করে থাকেন। তাহলে Permalinks থেকে লিংক স্ট্রাকচার ডিফল্ট থেকে Custom এ গিয়ে %category%/%postname%/ বসিয়ে দিন। তাহলে আপনার লিংক স্ট্রাকচার চেঞ্জ হয়ে যাবে।

Description ট্যাগ কেন ব্যবহার করা হয়?

এই Description ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় আপনার সাইটের বা ওয়েব পেজের একটা ছোট বর্ণনা দেবার জন্য।আমরা যেমন অনেক সময় একটা বিশদ বিষয়কে সংক্ষেপে প্রকাশ করি তেমনি Description ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে আমরা আমাদের ওয়েব পেজের একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে থাকি। আপনি আপনার ওয়েব পেজ এ  যে ড্রেস্ক্রিপশন দিবেন সেটি SERPs পেজে সার্চ ইঞ্জিন গুলো প্রকাশ করে।অবশ্যই ড্রেস্ক্রিপশন সুন্দর ও সহজ হবে।
কিছু টিপস এর মাধ্যমে আপনি সুন্দর একটা Description আপনার সাইটের জন্য লিখতে পারবেন। যেমনঃ- নিচে 👇লক্ষ্য করুন।

১.আপনার Description টি ১৬০ অক্ষরের মধ্যেই রাখুন। কেননা প্রায় সকল সার্চ ইঞ্জিন ১৬০ অক্ষরের বেশী তাদের SERPs পেজে প্রকাশ করে না।

২.কোন ক্রমেই এই ট্যাগের বানান ভুল করা যাবে না।

৩. ট্যাগটিতে আপনার বাছাইকৃত কী-ওয়ার্ড লিখুন। তবে খেয়াল রাখবেন কোন কী-ওয়ার্ড বা বিষয় যেন ৩ বারের বেশি ব্যবহার না করা হয়।

৪. সব পেজের Description ট্যাগটি যাতে একই না হয় সেইদিকে খেয়াল রাখবেন।

কী-ওয়ার্ড ট্যাগের ব্যবহার কিভাবে করবেন?

কী-ওয়ার্ড ট্যাগ হল আপনার সাইটে যেসকল কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেন তার একটা সূচিপত্র হিসাবে কাজ করে থাকে। ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি।তার মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে <meta name=”keywords”content=”some keyword,another keyword” />এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন।এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি ।এসব ট্যাগের ব্যবহার জানতে গুগল সাচ করুন। আর তাছাড়াও ছোট বড় আরও অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড রয়েছে। আর তা হলোঃ-

১. আপনি সাইটের জন্য যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।

২. আপনার সাইটে সর্বোচ্চ ১ বার মেটা কী- ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন।

৩. মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একই ধরনের  কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download PUBG game তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download PUBG game 2020 বা আরও একটু পরিবর্তন করে download PUBG game from online 2020  করে লিখতে পারেন।

৪. প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন.এতে করে ভালো হবে।

৫. অযথা বেশি কী-ওয়ার্ড দিয়ে আপনার মেটা ট্যাগ জ্যাম করে ফেলবেন না।কারণ এতে করে  হিতে বিপরীত হতে পারে।

কী-ওয়ার্ডের ট্যাগের  গুরুত্বঃ-

বেশ কিছুদিন আগেও কী-ওয়ার্ডের ট্যাগ তেমন কোন কাজে আসতো না আবার অনেকে বলেছিল যে এই ট্যাগ এখন আর কাজ করে না। কিন্তু ইদানিং গুগল নিজেও এই ট্যাগকে গুরুত্ব সহকারে দেখে। তাই এই কী-ওয়ার্ড ট্যাগ কে বাদ না দেয়াই শ্রেয়।আপনার ওয়েবসাইট এ <h >থেকে <h2>ট্যাগ ব্যবহার করুন।যেমনঃ h1,h2,h3 ,h4,h5,h6 ট্যাগ গুলোর মধ্যে ব্যবহার করুন। কারণ সার্চ ইন্জিন গুলো আপনার ওয়েব সাইটের Bold ,Italic Underine এই ট্যাগ গুলো থেকে h1,h2 তাদের এললগারিদমে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।মূলত সার্চ ইঞ্জিন এগুলকে একটি পেজ এর টাইটেল বা শিরোনাম হিসাবে ধরে। আর যদি আপনি গুগল এডেসেন্স ব্যবহার করেন তাহলে ইন্জিন <h1 >থেকে <h3 > ট্যাগ গুলোর মধ্যে যে কী ওয়ার্ড গুগল থাকে ওগুলো থেকে এড দেয়ার চেষ্টা করে। কোন সার্চ ইন্জিন যখন কোন পেজ ক্রাউলিং করে তখন সে যদি <h1 >থেকে <h3> এর মধ্যে কোন ট্যাগ খুজে পায় তাহলে সে সেটিকে ঐ কন্টেট বা পেজ এর হেডলাইন বা শিরোনাম হিসাবে গ্রহণ করে। তাই অন-পেজ অপটিমাই জেশনে এই ট্যাগ গুলো ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিনের জন্য আপনার সাইট অনেক অংশেই তৈরী হয়ে যাবে।আসুন দেখে আসি কিভাবে ব্যবহার করবেন।

১. কোন লেখা শুরু করার প্রথমেই <h1>বা  <h2>ট্যাগ ব্যবহার করুন শিরোনাম হিসাবে।

২. এই ট্যাগের মধ্যে আপনি আপনার কাংখিত কী-ওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।

৩. যথা সম্ভব ৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করুন।

৪. একই কী-ওয়ার্ড বার বার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।না হলে সার্চ ইন্জিন গুলো এটিকে স্প্যামিং হিসাবে ধরে নিবে।

৫. লেখার মাঝখানে মাঝখানে < h2>বা অন্য গুলো উপ শিরোনাম হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।এতে করে আপনার সাইটটি অনেকটা ন্যাচারেল মনে হবে।আর প্রতিটি সার্চ ইন্জিনই সাইটের নমনীয়তা বা ন্যাচারেল ভাবটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। অবশ্যই ইমেজে ALT ট্যাগ ব্যবহার করবেন।কারণ প্রায় ২০% সার্চ হয় ইমেজে। ফলে আপনার সাইটের জন্য কিছু ইমেজ থেকে ভিজিটর পাবেন। আর না বাড়িয়ে আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন সবসময়ই এই কামনাই রইল। আর হে যদি আপনার ১০০% ইউনিক কনটেন্ট দরকার হয়। তাহলে আপনি আমার সাথে যোগাযোগ করুন প্রতিটি কনটেন্ট বিক্রি মূল্য মাএ ১০০ টাকা কোন ধরনের ভেজাল নেই। লেখক মোঃ লোকমান হোসেন।

Advertisement
7 Comments
Subscribe
Notify of
7 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Md Golam Mostàfa

Well done!

Maria Hasin Mim

nice post

Mojammal Haque

Sabbas

Shanta Akter

Informative post

Anisur Rahman

well

Muntasir Nahiyan

Wow! Thanks a lot,It’ll be so helpful for me.

Naeem Hassan

wow…its great!

এসইও

গুরুত্বপূর্ণ কিছু Seo Tools সম্পর্কে জানুন ও ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করুন {Part-1}

Sayem Ahmed

Published

on

হেলো বন্ধুরা আসা করি ভালো আছেন।আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।তো আজকে আপনাদের মাঝে নিয়ে এলাম এমন একটি টিপস যা দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু Seo Tools এর ব্যাবহার সম্পর্কে জানতে পারবেনএবং এসব Seo Tools ব্যাবহার করে আপনার ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন।তো কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের এই পোস্টটি।

Seo এর পূর্ণরূপ হলো Sarch Engine Optimization।Seo ব্যাবহার করা হয় মূলত ওয়েবসাইটে ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য।মনে করেন আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন এখন আপনি অনেকগুলো আর্টিকেল বা গ্লপ লিখলেন কিন্তু দেখতে পাচ্ছেন আপনার ওয়েবসাইটে ভিউয়ার বাড়ছে না এখন আপনি এগুলো ফেসবুক, টুইটার বা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াতে দিলেন এতে আর কিছু ভিজিটর পেতে পারেন আর যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে Seo করেন তাহলে কেউ আপনার লেখাগুলো সম্পর্কে সার্চ করলে আপনার আর্টিকেল বা লেখাগুলোকে গুগল তাদের ব্যাবহারকারীদের দেখাবে ফলে আপনি পেতে পারেন অসংখ্যা ভিজিটর বা টাফ্রিক সোর্স।

তো আজকে কয়েকটি Seo Tools সম্পর্কে জেনে নিইঃ


১.Article Rewrite:
Article Rewrite এর কাজ হলো আপনি যে লেখাগুলো লিখেছেন তার মধ্যে অনেকগুলে শব্দ আছে যা Alternative Synonym এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে দিবে এই টুলসটি।


2.Plagiarism Checker:
এর কাজ হলো আপনার ওয়েবসাইটে লেখাগুলো অন্য ওয়েবসাইটে থেকে নেওয়া বা কপি পেস্ট মুক্ত কিনা তা দেখা।


৩.Meta Tag Analayser:
এটি দিয়ে অন্য ওয়েবসাইটে কী ট্যাগ ব্যাবহার করেছে তা আপনি দেখতে পারবেন


৪.Meta Tag Genarator:
আপনি দিয়ে Meta tag না বানাতে পারেন তাহলে এই টুলসটি ব্যাবহার করে অটো Tag বানাতে পারেন এবং তা আপনার ওয়েবসাইটর জন্য ব্যাবহার করতে পারেন।


৫.Keyword Position Checker:
এটি দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের Keyword গুলোর পজিসন বা ভালো কিংবা খারাপ তা দেখতে পারবেন।

আশা করছি টিউটোরিয়ালটি আপনাদের ভালো লেগেছে ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন কোথা কোন ভুল থাকলে মার্জিত ভাষায় ধরিয়ে দিবেন এবং অবশ্যই আপনাদের বন্ধু-বান্ধব এবং ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে শেয়ার করবেন যাতে তারা উপকৃত হতে পারে। আজকের মত এখানেই বিদায় ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন খোদা হাফেয ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে আবারও দেখা হচ্ছে।আর সবসময় গ্রথোরের সাথে থাকবেন।

Continue Reading

এসইও

এসইও টুলঃ UberSuggest এর ব্যবহার।

Naimul Islam

Published

on

এসইও টুল এর মধ্যেই UberSuggest সবচেয়ে জনপ্রিয়। আপনার যদি বেশি ট্রাফিক অথবা ভিজিট এর প্রয়োজন হয় তাহলে Uber suggest টুল এর সফল ব্যবহার আগে শিখতে হবে। যদি এই এসইও গেম টা কে জিততে চান তাহলে এবার সাজেস্ট করবো Ubes suggest  টুলটি ব্যবহার করার জন্য। আপনার জন্য ভালো একটি উপায়, এখানে যে কোন একটি ডোমেইন অথবা কিওয়ার্ড সার্চ করে শুরু করে দিতে পারেন এর ব্যবহার। 

 

UbesSuggest কেন ব্যবহার করবেনঃ

কন্টাক্ট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, স্ট্র্যাটেজি সবকিছুর জন্য আপনাকে ভালো এসইউ প্রয়োজন হবে। যদি করেন এসইও করিয়ে নিতে চান,  তাহলে দেখা যায় কীওয়ার্ড এর সার্চ অপশনটি অনেক বেশি জরুরী।অন্যান্য মার্কেটিং যেভাবে কাজ করে, এই টুল টি আপনাকে সেভাবে কাজ করার উপদেশ দিবে। আর সেটি যদি কাজে লাগিয়ে আরো ভালো ইম্প্রুভ মানে উন্নতি করতে পারেন তাহলে আপনার এসইও দ্রুত হবে। নিম্নোক্ত বিষয়ে এই টুল সহায়তা করবে।

১)Top SEO Pages

যদি এমন হয় যে আপনি ব্লগে লিখতে লিখতে ক্লান্ত, কিন্তু আপনার সেই লেখাগুলোতে ভিজিটর ভালো হয়নি বা কোনো রেসপন্স নেই অথবা কোন সোশ্যাল সাইটে শেয়ার হয়নি তাহলে কেমনটা লাগে? যদি এমন হয় তাহলে আপনার সেই লেখালেখি অথবা ব্লগ কনটেন্ট এসইও পেইজে নেওয়ার চেষ্টা করতে হয়। আর এর জন্য এ টুলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এসইও পেইজের রিপোর্ট গুলো দেখে আপনি ডিসকভার করতে পারেন যে কোন ধরনের পপুলার কীওয়ার্ডস। এখানে ব্যবহার করা হয়েছে কোন অর্গানিক কিওয়ার্ড, অথবা সেটাতে কি সব পঙক্তি ব্যবহারে এই পেজটি এসইও পেজে চলে এসেছে তা জানতে সহায়তা দিবে UberSuggest টুল। আর এভাবে আপনি পপুলার সকল এসইউ পেজ এর মাধ্যমে নিজের নিজস্ব দক্ষতা গড়ে তুলতে পারবেন। 

যদি এই টুলের ব্যবহার একবার শিখে যান তাহলে আপনার কনটেন্ট গুলো শুধু শুধু লিখতে হবে না, যেখানে কিনা কোনো ভিজিটই আসছে না

২)কিওয়ার্ড সাজেশনঃ

যদি লাগে আরো বেশি কিওয়ার্ড  সাজেশন তাহলে ইউবারসাজেস্ট ব্যবহার করে সাজেস্ট করা কিওয়ার্ডগুলো নিতে পারেন। সেগুলো আপনার আর্টিকেল এ ব্যবহার করতে পারেন। আর কিওয়ার্ড আইডিয়াগুলো নেওয়ার জন্য আপনাকে long-term অথবা বিভিন্ন ধরনের ফ্রেইস(Phrase) ব্যবহার করা লাগতে পারে।

এটি আরো সহজ করার জন্য আপনি কিওয়ার্ড লিস্ট নিতে পারেন, সেই লিস্ট গুলো থেকে আর্টিকেল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

৩)কন্টেন্ট আইডিয়াঃ

আপনি কি এমন সব কন্টেন্ট আইডিয়া খুঁজছেন যেগুলো খুব সহজে ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার মত সাইটে শেয়ার হতে পারে, অথবা একদিনে ভাইরাল হয়ে যেতে পারে। আপনার Niche ওয়েবসাইটে তাহলে আপনি কন্টাক্ট স্ট্যাটিজি(Contact Strategy)  দেখে ভালো জ্ঞান নিয়ে টপ পারফর্মিং কন্টেন্ট গুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেগুলো খুব ভালো পারফর্ম করে এবং লোকজন তাতে ইন্টারেস্টেড।

৪)ব্যাকলিংক ডাটাঃ

ব্যাকলিংক হলো গুগোল অ্যালগরিদম এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউবারসাজেস্ট ব্যবহার করে দেখতে পারেন যে আপনার নিজস্ব কনটেন্টের কোন স্পেইস আর ব্যাকলিংক পিপল লিনকিং করছে কিনা, এমনকি কোন সাইটে তার ব্যাকলিংক ব্যবহার করছে। তাহলে ঐ সকল সাইটে লিংক করার জন্য অ্যাপ ইউজ করতে পারেন।এ সম্পূর্ণভাবে ইউবারসাজেস্ট টুলের ব্যবহার করতে পারেন এবং আপনার পেইজ রিভিউ এসইও করাতে পারেন। 

এতক্ষণ এই টুলের গুরুত্ব আর কিভাবে কাজে আসে এসইও করানোর জন্য তা আলাপ করলাম। এবার আলাপ হবে এটির ব্যবহার সম্বন্ধে। 

 

ব্যবহার বিধিঃ

এ সাইটে যেতে এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর আপনি এখানে চলে আসবেন। তারপর টুল হিসেবে ব্যবহার করার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। যেমন এখানে কিছু ফিচার আছে। আবার আছে ড্যাশবোর্ড, এখানে একজন এসইও এনালাইজার অথবা অফিসের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ টুল আছে, যেমন এখানে আছেঃ

১)Site Audit: এটি আপনারা সরাসরি স্ক্রোল অপশনে ক্লিক করার পর অর্থাৎ অ্যারো বাটন এ ক্লিক করলে অন্যান্য অপশনের সাথে এই অপশনটিও পাবেন। এখানে আপনাকে শুধুমাত্র নিজের ওয়েবসাইটের URL লিখে সার্চ দিতে হবে। ইউ আর এল দিয়ে ফেললে আপনি ওকে বাটনে ক্লিক করবেন, অথবা সরাসরি সাইট রিভিউ করবেন। যেখানে আপনি ক্লিক করলে আপনার ওয়েব সাইট সম্পর্কিত নানা ধরনের বর্ণনার চলে আসবে। যেমনঃ

২)On Page SEO স্কোর: এখানে আপনার অনপেজ এসইও কিভাবে করেছেন এবং স্কোর কত তা দেখাবে। যত বেশি স্কোর হবে তার মানে আপনার এসইও ততবেশি করানো হয়েছে।

৩)Organic Monthly Traffic: এখানে দেখানো হবে আপনার ওয়েবসাইটের মান্থলি ট্রাফিক অর্থাৎ প্রতি মাসে মোট কত ভিজিটর আসে। আপনার ওয়েবসাইটের এর উপর নির্ভর করবে আপনার ওয়েবসাইটের প্রগ্রেস অথবা উন্নতি।

রিলেটেডঃ এসইও টুল: Google Analytics এর ব্যবহার।

৪)Organic Keyword: এখানে মানে আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা কোন কিওয়ার্ডগুলো গুগোল সচরাচর ফলো করে আপনার ওয়েবসাইটকে এসইও পেজে নিয়ে এসেছে সে সকল অর্গানিক কিওয়ার্ডগুলো এখানে রাখবে। আর অর্গান কিওয়ার্ড এর মোট কত সেটাও দেখাবে। সে হিসেবে বুঝতে পারবেন যে কোন কিওয়ার্ডগুলো ব্যবহারে আপনার সফলতা হয়েছে।

৫)Backlinks: ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই টুল ইউজ করে ব্যাকলিংক স্কোর কত অথবা ব্যাকলিংক কতটা সবকিছু জানতে পাবেন।

Healthy এছাড়া দেখাবে যে আপনার ওয়েবসাইট কতটুকু হেলদি। Redirects SEO health Warning এ  আছে এসইও এর স্বাস্থ্য  ওয়ার্নিং অর্থাৎ আপনার একাউন্ট এ কোন লিংক থাকলে সেগুলো কতটুকু মাত্রা তা এখানে দেখাবে।

৬)Load speed:একটি  ওয়েবসাইটের লোড করার স্পীড যত বেশি হবে সে ওয়েবসাইট ততই সফল। যদি লোড স্পিড অনেক বেশি হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে একটি সুপার ওয়েবসাইট। আর সুপার স্পিডো ওয়েবসাইট। কিন্তু লোড যদি নিতে অনেক সময় নেয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে টেকনিক্যাল বা প্রযুক্তিগত সমস্যা আছে। তো সেই দিক থেকে আপনার ওয়েবসাইট ডেক্সটপে কত সময় নিয়ে লোড নেয়, আর মোবাইলে কত সময় নেয় সেটা দেখাবে এখানে। সেখানে স্কোর অনুযায়ী আপনাকে বলে দিবে যে আপনার ওয়েবসাইটটি ঠিক আছে নাকি নেই। যেমন ডেক্সটপে সচরাচর যে কোনো পেইজ লোড নিতে কম সময় নেয় কম কিন্তু মোবাইল ফোনে ওয়েবসাইট লোড নিতে যথেষ্ট সময় নেয়। সেদিকে খেয়াল করলে আপনার ওয়েবসাইট লোড নিতে মোবাইলে যত সময় কম লাগে তত ভালো। 

৭)Critical error( webmaster can fixed): আপনার ওয়েবসাইটে কোনরকম ক্রিটিকাল ইরোর দেখা দিলে সেটা আপনাকে এই টুলটি বলে দিবে। এখন ক্রিটিকাল ইরোর কি ধরনের সেটা বোঝার চেষ্টা করুন! এটি হলো এক ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা যেটি ওয়েবমাস্টার টুল এর ব্যবহার করে সমাধান করতে পারেন। 

৮)কিওয়ার্ড রিসার্চঃএখানে আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন। পাশাপাশি যেকোনো কীওয়ার্ড টাইপিং করবেন তখন ঐ কিবোর্ড এর উপর ভিত্তি করে কোন সাইট গুলো সবার আগে আসে তাও আপনি দেখে ফেলতে পারবেন।  কোন ওয়েবসাইট কিওয়ার্ডের দিক থেকে এসইও করা সেগুলো বলে দিবে। এবং কোন আর্টিকেল এসই করা কিওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে তাও এখানে দেখাবে। মোটকথা এর ব্যবহার খুবই সুন্দর।

আসলে এই টুলটি অনেক ভালো ব্যবহারের জন্য। এর অনেক জটিল ব্যবহার আছে। এ সম্বন্ধে আমি নিজেই ভালো অবগত নই, কাজে আরো ভালো ব্যবহার সম্বন্ধে জানতে সরাসরি এর সাইটে গিয়ে আপনি ভিজিট করতে পারেন। সাইটটি ভিজিট করতেএখানে ক্লিক করুন। 

রিলেটেডঃ এসইও টুল: Google Search Console এর ব্যবহার।

 

Continue Reading

এসইও

ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর পদ্ধতি গুগলসহ সকল ধরনের সার্চ ইঞ্জিনে

MD LOKMAN HOSSAIEN

Published

on

ওয়েবসাইট তৈরি করা খুবই সহজ। কিন্তু তা যে কোন search engine এ rank করানো খুব জটিল বিষয়। এই প্লাটফর্মে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে rank বা জনপ্রিয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কি কি দরকার সেগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।বিশেষ করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন যে সকল বিষয় গুলো পছন্দ করে থাকে এবং ওয়েবসাইটকে Rank দিয়ে থাকে তার মত জুরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো।

পেইড মাকেটিং

এটি একটি পরিষ্কার পদ্ধতি এবং সফলতা অর্জনেও কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।আপনার ওয়েবসাইটি বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের দ্বারা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার স্মার্ট ও দুর্দান্ত উপায়।আপনি যদি আপনার সাইটে বেশি বেশি করে ট্র্যাফিক চান তাহলে আপনার লক্ষ্য অনুসারে প্রদত্ত কৌশলগুলি মেনে চলা উচিৎ।খুব তাড়াতাড়ি সফলতা অর্জন করতে পারবেন। যদি আপনার ওয়েবসাইটটি পেইড মাকেটিং করতে পারেন। তবে আপনাকে অবশ্যই আপনার উদ্দেশ্যগুলি সম্পর্কে সাবধানতার সাথে চিন্তা করতে হবে। আপনার মনে রাখা উচিৎ এটি একটি ক্ষণস্হায়ী কোন ওয়েবসাইটের প্রচার প্রচারণা।

ফ্রী ওয়েবসাইট মাকেটিং

গুগল,ইয়াহু,বিং,ask,ইত্যাদি মাধ্যম গুলোর দ্বারা আপনার ওয়েবসাইটিকে সম্পুর্ণ ফ্রীতে
মাকেটিং করে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আনতে পারেন।তবে তার জন্য অবশ্যই আপনাকে কষ্ট এবং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। কিন্তু তার ফলাফল অসাধারণ ও দারুণ আসবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

বিভিন্ন ধরনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে
ওয়েবসাইটের মাকেটিং করা দুর্দান্ত একটি পথ।কিন্তু আপনাকে প্র্যাকটিভ হতে হবে।নিশ্চয়ই এটি সর্বোত্তম উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম। যদিও বেশির ভাগই ওয়েবসাইটের মালিকরা
Google এই ধরনের প্রচার সম্পুর্ণ করে থাকে। এই ক্ষেএে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে জনপ্রিয় কিছু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। আর তা হলো ফেসবুক, টুইটারটি,পিনটারেস্ট,ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি।

যথাসম্ভব মিশ্রিত করুন

যথাসম্ভব আপনার ওয়েবসাইটি আকর্ষণীয় করে তুলতে চেষ্টা করুন। সংক্ষিপ্ত আকারে নিউজ-ভিত্তিক কনটেন্ট লেখা,এর পাশাপাশি ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক্স এবং সকল বিষয়েই
সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ মনে করি।

অপ্রতিরোধ্য শিরোনাম লিখুন

কনটেন্টের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিরোনামগুলি আপনার সামগ্রীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। একটি বাধ্যতামূলক শিরোনাম ছাড়া যে কোন ধরনের লেখা অসম্পুর্ণই থেকে যায়।তাই সব সময়ই চেষ্টা করবেন keyword research করে কনটেন্ট লিখে তা প্রকাশ করার জন্য।

কীওয়ার্ড রিসার্চ করুন

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় টি হচ্ছে কীওয়ার্ড রিসার্চ। কারণ এর মাধ্যমেই প্রতিযোগি ওয়েবসাইট গুলোকে পিছনে ফেলে আপনার ওয়েবসাইট ১ম পেজে আসবে।তাই এমন ধরনের কীওয়ার্ড রিসার্চ করা উচিৎ। যেগুলোর কমপিটিশন খুব কম কিন্তু সার্চ ভলিয়ম বেশি এরুপ কীওয়ার্ডগুলি নির্বাচন করতে হবে।এটি
এবং ব্যয়বহুল হতে পারে কিন্তু ফলাফল দুদান্ত এবং খুবই মূল্যবান হবে।আপনি খুব তাড়াতাড়ি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

অনপেজ এবং অফপেজ এসইও করুন

একটি ওয়েবসাইটকে Rank করাতে হলে অবশ্যই অনপেজ এবং অফপেজ এসইওতে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। যেমনঃ- responsible design,ভালো ভালো কনটেন্ট তৈরি,অনুশীলন করা, ব্যাক লিংক তৈরি করা,
মেটা ট্যাগের বিস্তারিত বর্ণনা,ইত্যাদি কাজগুলো করতে হবে। ফলে আপনার সাইটে ট্র্যাফিক আসবে তাড়াতাড়ি এবং আপনিও খুব কম সময়ের মধ্যে সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

Long Tail keyword বা দীর্ঘ-টেইল কীওয়ার্ড গুলি নির্বাচন করুন

আপনি কীওয়ার্ড বাছাই করার সময় অবশ্যই অবশ্যই হাই-ইন্টেন্ট কীওয়ার্ড এবং জনপ্রিয় কীওয়ার্ডগুলি নির্বাচন করবেন। আর আপনি যদি এটা না করেন তাহলে আপনি গুরুত্বপূর্ণ ভুল করছেন। কারণ SEO /এসইও দীর্ঘ-পুচ্ছ কীওয়ার্ডগুলি বেশিরভাগই অগ্রাধিকার পায়। তার ফলে গুগল সাচ ইন্জিলেও গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে।

অতিথি ব্লগিং শুরু করুন

নিশ্চয়ই অতিথি ব্লগিং বা কোন ওয়েবসাইট এ গেস্ট পোস্ট করা জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। কিন্তু আজকাল স্প্যামিংয়ের ফলে এই কৌশলগুলি কঠোর শাস্তি পেতে পারে। তাই সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং সাবধানতার সাথে এগিয়ে যান।

অ্যানালিটিক্স ডেটা পরীক্ষা করুন

গুগল অ্যানালিটিক্স আপনার ওয়েবসাইট এ কত ভিজিটর আসল, কোথায় থেকে আসল,
সর্বাধিক জনপ্রিয় ফলাফল দেয়। তাই আপনি অ্যানালিটিক্স ডেটার উপর গভীর নজর রাখুন এবং আপনার প্রচারমূলক এবং সামগ্রী কৌশল গুলি অবহিত করতে এই তথ্যটি ব্যবহার করুন। কোন পোস্ট এবং পৃষ্ঠাগুলি সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রমাণ করছে সেদিকে মনোযোগ দিন। আপনার সাইটের ট্র্যাফিক কখন, কখন এবং কখন থেকে আসছে তা দেখতে ভিজিটর ডেটা পরীক্ষা করুন।

নিশ্চিত করুন যে আপনার সাইটটি প্রতিক্রিয়াশীল

গুগল এখন তাদের সব কিছুই দিন দিন আপডেট করছে। যেমনঃ- পূর্বে ওয়েবসাইট তৈরি করা হতো কম্পিউটার উপর নির্ভর করে। কিন্তু এখন কম্পিউটার, মোবাইল, ডেস্ক টপ, ল্যাবটপ ইত্যাদির উপর নির্ভর করে তৈরি করতে হয়।তাছাড়াও গুগল পান্ডা আপডেটের পর থেকে নিয়ম নীতি কঠিন হচ্ছে।

লোডিং স্পীড দ্রুত হয়েছে তা নিশ্চিত করুন

আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড যদি ৩ সেকেন্ডের বেশি হয়। তাহলে ভিজিটর পাবেন না। আর পাইলেও তারা বেশি সময় ধরে আপনার ওয়েবসাইট এ থাকবে না।ফলে বাউন্সের হার আকাশের চেয়ে বেশি হবে।আপনার সাইটের লোডিং স্পীড যত দ্রুত হবে
তত ভাল।

কমেন্ট বিভাগে নিজেকে নিয়োগ করা উচিৎ

আপনি সম্ভবত অন্যান্য ওয়েবসাইট এ ভিজিট করেন এবং বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট করেন। ঠিক একইভাবে আপনার ওয়েবসাইট এ কেউ কমেন্ট করলে তার জবাব দিন।যার ফলস্বরূপ ফলাফল হতে পারে আপনার নিজের সাইটে আরো ট্র্যাফিক ড্রাইভিং।শুধু মনে রাখবেন যে, তারা যেন ওয়েবসাইট এ স্প্যামের লিঙ্কগুলি না ফেলে।

পরিশেষে আপনার ওয়েবসাইট এর এ টু জেট বিষয় গুলোর দিকে নজর দিন।আর কারও সাহায্য ও পরামর্শ নেওয়ার জন্য চেষ্টা করুন। যদি তা না পারেন তাহলে ইউটিউবে ভিডিও দেখে নিন এবং ওয়েব browse করুন।ধন্যবাদ

কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

(১) আমি কোন ওয়েবসাইট এ গেস্ট পোস্ট করবো?

উত্তরঃ- আপনি আপনার ওয়েবসাইট যে,বিষয়ের উপরে ঠিক সেই বিষয়ের ওয়েবসাইট এ গেস্ট পোস্ট করবেন।

(২) ওয়েবসাইট Rank করাতে কত টাকা খরচ হবে?

উত্তরঃপ্রতিদিন ১ থেকে ২ ডলার কিংবা তারও বেশি। মূলত এটি আপনার উপর নির্ভর করে।

(৩) Quora ওয়েবসাইট এ কি আমি গেস্ট পোস্ট করতে পাড়ি?

উত্তরঃ- হ্যা। অবশ্যই কিন্তু ইউনিক কনটেন্ট হতে হবে।

(৪) ভাই আমি শাওন আমাকে কয়েকটি গেস্ট পোস্ট করার ওয়েবসাইট দেওয়া যাবে কি?

উত্তরঃ- গুগলে সার্চ করুন আপনার ওয়েবসাইট যে বিষয়ের উপর।

(৫) সবচেয়ে কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো ভালো ট্রাফিক এনে দেয়?

উত্তরঃ- ফেসবুক, টুইটারটি,পিনটারেস্ট, ইনস্টাগ্রাম, লিংকদিন, ইত্যাদি।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট