Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

দ্বিতীয় সপ্তাহ নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বিজ্ঞান উত্তর পার্ট (২)

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগন। কেমন আছেন আপনাতা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি সবসময়ে।নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সাধারণ বিজ্ঞান(২)
সৃজনশীল প্রশ্নঃ

(ক)স্লাইভার কি?
উত্তরঃখুব মিহি ও মসৃণ সুতা বা কাপড়ের ক্ষেত্রে তন্তু থেকে অতিরিক্ত খাটো তন্তুগুলো বাদ দেওয়ার জন্য কার্ডিং এবং এরপর কম্বিং করা হয়।ফলে অবশিষ্ট উপযুক্ত দৈর্ঘ্যের তন্তুর অংশগুলো একটি পাতলা আস্তরণের রুপান্তরিত হয়।এই পাতলা আস্তরণকে স্লাইডার বলে।

(খ)নাইলনকে নন সেলুলোজ তন্তু বলা হয় কেন ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ
নাইলন সেলুলোজ থেকে তৈরি হয় না।এজন্য নাইলনকে নন সেলুলেজিক তন্তু বলে।কৃত্রিম নন সেলুলেজিক তন্তুর মধ্যে নাইলন সর্ব প্রথম।সাধারণত এপিডিক এসিড এবং হেক্সামেথিলিম থাই এমিন নামক রাসায়নিক পদার্থের পলিমারককরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইলন তৈরি হয়।নাইলনকে সাধারণত দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ঃ
১.নাইলন ৬৬
২.নাইলন ৬
নাইলন খুব হাল্কা ও শক্ত। ভিজলে এর স্থিতিস্থাপকতা দ্বিগুন হয়।এটি আগুনে পুড়ে না তবে গলে গিয়ে বোরাক্স বিডের মতো স্বচ্ছ বিড গঠন করে। কার্পেট, দড়ি,টায়ার, প্যারাসুটের কাপড় ইত্যাদি তৈরি করে নাইলন ব্যবহৃত হয়।

Place your ad code here

(গ)শান্তর কি ধরণের কাপড় পড়া উচিত ছিলো?
উত্তরঃ
শীত নিবারণের জন্য শান্তুর পশমি কাপড় দরকার ছিলো।
পশমি কাপড় তার কুপরিবাহী বলে শীতকালে শীত বস্ত্র হিসেবে পশমি কাপড় বেশি ব্যবহৃত হয়।
এ কাপড়ের তন্তুর মাঝে ফাকা জায়গা থাকে, যেখানে বাতাস আটকে থাকে। পশম তাপ কুপরিবাহী বিধায় শীতের দিনে শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে না।তাই গায়ে দিলে গরম বোধ হয়।শান্ত শীত নিবারণের জন্য একটি সুতি শার্ট এর উপর আর একটি সুতি শার্ট থাকে।কারণ সুতি কাপড়ের মধ্যে তাপ পরিবহন এবং পরিচলন ক্ষমতা থাকায় শীতকালে দেহের তার অধিক হারে বেড়ে যায়।আর তাই শান্তর অধিকহারে শীত লাগছিলো।

সুতরাং শান্তর সুতির শার্ট না পড়ে পশমি কাপড় পড়া দরকার ছিলো।
(ঘ)উদ্দীপকের আলোকে শান্তর ভিন্ন ধরনের অনুভূতি হবার কারন ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ
তন্তুর গঠংগত বৈশিষ্ট্যের কারণে শান্তর একই কাপড় দুই সময় দুই রকম অনূভুতি হয়।

গরমের দিনে আমরা সুতির কাপড় পড়তে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।সুতির কাপড়ের তাপ পরিবহন এবং পরিচলন ক্ষমতা বেশি।ফলে এইটি তাপ সুপরিবাহী। শরীর থেকে তাপ সহজে বের হতে পারে বলে গরমের দিনে আমরা সুতির পোশাক পড়ে আরাম বোধ করি।

আবার একই কাপড় শীতকালে পরিধান করে আমাদের আরও বেশি শীত লাগে। কারণ এটি শরীর থেকে তাপ বের করে দিয়ে আমাদের মাঝে শীতের অনুভূতি জাগায়।শীতকালে পশমের কাপড়ের মতো তাপ কুপরিবাহী পোশাকের কাপড় পরিধানে আরাম বোধ করি।

শান্ত যখন তিন মাস আগে একটি শার্ট পড়ে স্কুলে যেত তখন তারা আরাম অনুভুত হতো। এর কারণে গরমের দিনে শরীরের তাপ সুতি কাপড় দ্বারা পরিবাহিত হয়ে দেহের বাইরে বের হয়ে যেত।ফলে যে আরাম বোধ করত।

সুতরাং একই কাপড়ে দুই সময় দুই রকম লাগার কারণ হলো সুতার বৈশিষ্ট্য।
ধন্যবাদ সবাইকে।
মাস্ক পড়ুন
সুস্থ থাকুন

Keyword: দ্বিতীয় সপ্তাহ নবম শ্রেণির এসাইনমেন্ট বিজ্ঞান উত্তর পার্ট (২), দ্বিতীয় সপ্তাহ নবম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট বিজ্ঞান উত্তর

Advertisement
2 Comments
Subscribe
Notify of
2 Comments
Oldest
Newest
Inline Feedbacks
View all comments
Kahhar Siddiquee Nayeem

Systematic post

শিক্ষা

ষষ্ঠ সপ্তাহের ৮ম শ্রেণির কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলে নিজ নিন অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

এসাইনমেন্ট সিরিজের উত্তর দেওয়ার ধারাবাহিকতায় আমি আজ নিয়ে এসেছি ষষ্ঠ সপ্তাহের অষ্টম শ্রেনীর কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট। আশা করি শিক্ষার্থীদের উপকার হবে।

ষষ্ঠ সপ্তাহের ৮ম শ্রেণি কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্টঃ

(ক)মিনারা বেগম পুকুরে কি পরিমাণ ইউরিয়া প্রয়োগ করেছিলেন নির্ণয় কর।
উত্তরঃপুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য না থাকলে মাছের বৃদ্ধি ভালো ভাবে হয় না।তাই পুকুরে দৈনিক অথবা প্রতি সপ্তাহে একবার নিয়মিত করে সার দেওয়া উচিত।সার পানির সাথে গুলে পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হয়।
পুকুরে ইউরিয়া সার প্রয়োগের আদর্শ মাত্রা হলো প্রতি শতকে সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম।
সুতরাং মিনারা বেগম তার ৫ শতক পুকুরে ইউরিয়া প্রয়োগ করেছিলেন।
সুতরাং ৫০×৫=২৫০ গ্রাম( প্রতি সপ্তাহে)

(খ)মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন কর।
উত্তরঃউদ্দীপকে মিনারা বেগম ৫ শতক পুকুরে রুই, কাতলা,সিলভার কাপ এবং কার পিও জাতের মাছ চাষের উদ্যোগ নেন।এটি মূলত মাছের মিশ্র চাষ পদ্ধতি। সেসব মাছ স্বভাবে রাক্ষুসে নয়,খাবার নিতে প্রতিযোগিতা করে না,জলাশয়ের বিভিন্ন স্তরে বাস করে এবং বিভিন্ন স্তরে খাদ্য গ্রহণ করে এসব গূণের কয়েক প্রজাতির মাছ একই পুকুরে একত্রে চাষ করলে তাকে মিশ্র চাষ বলে।সিলভার কাপ,কাতলা,কাপিও,মুগেল ইত্যাদি পুকুরে মিশ্র চাষের জন্য খুব উপকারী। মিনারা বেগমের পুকুরে চাষের সুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলঃ

১.এরা জলাশয়ের বিভিন্ন স্তরের খাবার খায়। যেমনঃকাতলা পুকুরের উপরের স্তরে,রুই মাছ পুকুরের মধ্য স্তরে এবং মৃগেল নিচের স্বভাবের মাছ খায়।
২.এরা রাক্ষসী স্বভাবের নয়।
৩.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো।
৪.দ্রুত বর্ধনশীল।
৫.চাষে জন্য সহজেই হ্যাচারিতে পোনা পাওয়া যাবে।
৬.সল্প মুল্যের খাবার খেয়ে বেড়ে উঠে।
৭.খেতে সুস্বাদু ও বাজারে চাহিদা আছে।
৮.সর্বোপরি উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

১.পলিব্যাগে চারা করা সুবিধাজনক কিনা ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃপলিব্যাগে চারা তৈরি করা সুবিধাজনক কারণ পলিব্যাগের চারা সহজেই স্থানান্তর করা যায়।
পলিব্যাগ নার্সারিতে চারা উৎপাদন অনেক সহজ থাকায় বেশির ভাগ ফলজ ও বনজ চারা পলিব্যাগে উৎপাদন করা হয়।পলিব্যাগে চারা উৎপাদনের সুবিধাগুলো হলঃ
১.যেকোনো মাপের ও ঘনত্তের তৈরি করা যায়।
২.মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।
৩.সহজে বহন ও পরিবহন করা যায়।
৪.পলিব্যাগে উৎপদিত চারা পরিচর্যা করা সহজ এবং চারা মৃত্যুহার কম।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হব আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।
মাস্ক পরুন
সুস্থ থাকুন






Place your ad code here




Continue Reading

শিক্ষা

ষষ্ঠ সপ্তাহের নবম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলে নিজ নিজ অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি সব সময়।

এসাইনমেন্ট সিরিজের ধারাবাহিকতায় আমি আজ নিয়ে এসেছি ষষ্ঠ সপ্তাহের নবম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট। আশা করি শিক্ষার্থীদের উপকার হবে।

#ষষ্ঠ সপ্তাহের নবম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্টঃ

ক)ক্রান্তীয় জলবায়ু কাকে বলে?
উত্তরঃযে জলবায়ু শুকনো মৌসমে মাসিক গড় তাপমাত্রা ১৮° সেলসিয়াস থাকে তাকে ক্রান্তীয় জলবায়ু বলে।

(খ)বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কি?ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃজলবায়ুর উপাদানসমূহ হলো তাপমাত্রা,আদ্রতা,বায়ু,মেঘ,বৃষ্টিপাত,তুষারপাত,বায়ূচাপ ইত্যাদি।একটি দেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক অবস্থা সে দেশের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
বায়ুমন্ডলীয় চাপ এবং বায়ুপ্রবাহঃশীত ও গ্রীষ্মের ঋতুগত বৈপরিত্য পরিবর্তন দ্বারা বায়ুমন্ডলীয় চাপ ও বায়ুপ্রবাহ বৈশিষ্ট্যমন্ডলীয় হতে থাকে।
শীত মৌসুমে ভারতের উত্তর ও পশ্চিমঅঞ্চলে একটি উচ্চচাপ কেন্দ্র অবস্থান করে।
বায়ুপ্রবাহঃউপমহাদেশে শীতকালীন মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের একটি অংশ।
আদ্রতাঃবাংলাদেশে সারা বছর জুড়েই উচ্চ আদ্রতা বিরাজ করে।ভারি, ধূসর, ইষৎ পরিবর্তিত মধুপুর কর্দমের উপর সল্প গভীরতায় এই মৃত্তিকা অবস্থিত।মৃত্তিকার কর্ষিত স্থানের নিচে একটি ই ক্ষিতিজ বিদ্যমান।এই মাটি Eutrlc planosols শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

(গ)উদ্দীপকের”Z” অংকনের বর্ননা দাও।
উত্তরঃউদ্দীপকের Z অঞ্চল মূলত উত্তর ও পূর্বাদেশীয় পর্বত পাদদেশীয় সমভূমির উত্তর পশ্চিমেও এই মৃত্তিকা পাওয়া যায়।তারপর ধূসর শোপান মৃত্তিকা বরেন্দ্রভূমির উঁচু ও সমতল ভূমির বিস্তৃত অঞ্চলে বিদ্যমান।মিতৃকা ধূসর ও পলিময় এবং নিম্নমানের নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্ভলিত।
গভীর ধূসর সোপান মৃত্তিকা বরেন্দ্রভূমির উত্তর পূর্বাংশে এবং মধুপুর গড়ের বিস্তৃত অঞ্চলে বিদ্যমান। মিত্তৃকা নিম্ব নিষ্কাষণ ব্যবস্থা ধুসর পলিময় প্রভৃতি বৈশিষ্ঠ্য সম্বলিত এবং সচ্ছিদ্র গভীরভাবে বিচূর্ণ করে। মধুপুর অথবা পার্বত পাদদেশীয় কর্দমের উপর অবস্থিত।অন্ত মৃত্তিকার বেশিরভাগ অংশই ই ক্ষিতিজ।

(ঘ)উদ্দাইপকের “X” ও “Y” অঞ্চলের ভূমিরুপের মধ্যে কি কি সাদৃশ্য ও বৈশাদৃশ্য পরীলক্ষিত হয় ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃX অঞ্চলের ভূমির ক্ষেত্রে প্রধান নদীর আশেপাশে এবং নিকটবর্তী এলাকায় যেখানে বার্ষিক প্লাবনের সময়কালে নদীর গতি পরিবর্তন ফলে পলি সঞ্চায়ন এবং ক্ষয় সংঘটিত হয়ে থাকে,সে সমস্ত এলাকা জুড়ে সক্রিয় প্লাবন সমভূমি। এই প্লাবন সমভূমিতে নতুন নতুন সঞ্চিত পলিরাশি বিভিন্ন স্তরে স্তরে স্তরীভূত থাকে। সাধারণ সুক্ষম পানি এবং কদম সঞ্চায়ন মিহি স্তরে স্তরীভূত হয় এবং বালি ও পলিন মিশ্রণ স্তরে সজ্জিত হয়।এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে মাটি গঠনকারী প্রধান নদীখাত অন্যত্র সরে যাওয়ায় নবীন ও প্রবীন প্লাবন সমভুমিসমূহ মূলত স্তীতিশীল ভূমিতে পরিণত হয়েছে।
পক্ষান্তরে Y অঞ্চলের ভূমির ক্ষেত্রে সাধারণত ধুসর বর্ণের পৃষ্ঠমৃত্তিকা, ধূসর ম্যাট্রিক্স এবং ধূসর গ্লীন সমৃদ্ধ Cambic B অনুমুতিক স্তর বিশিষ্ট অন্তমৃত্তিকা দ্বারা গঠিত।এই মৃত্তিকা ব্যাপকভাবে তিস্তা,করোতোয়া, বাঙালি, মধ্য যমুনা প্লাবন সমজুড়ে বিস্তৃত।

ধন্যবাদ সবাইকে। সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হব আপনাদের সামনে।
মাস্ক পড়ুন
সুস্থ থাকুন






Place your ad code here




Continue Reading

শিক্ষা

বিজ্ঞানের সব আকর্ষণীয় তথ্য পর্ব-২

Kahhar Siddiquee Nayeem

Published

on

যখনই আমরা বিজ্ঞান নিয়ে ভাবি বা কোন বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে কথা বলি ; তখন আমাদের মাথায় বড় বড় বিজ্ঞানী যেমন আইনস্টাইন, নিউটনের কথা মাথায় আসে। আসলে বিজ্ঞান আমাদের চারপাশেই রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠা হতে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের বেশিরভাগ কর্মই হচ্ছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান এমন একটি বিষয় যার তথ্য-উপাত্ত কোন চমৎকার’এর চাইতে কম নয়। উদাহরণস্বরূপ যদি আমাদের দৃষ্টিশক্তিকে ক্যামেরার মত হিসেব করা হয় এবং কোন মোবাইলের ক্যামেরার জায়গায় আমাদের চোখ লাগিয়ে দেওয়া যায় তবে সেটার রেজুলেশন হবে প্রায় ৫৭৬ মেগাপিক্সেল। সাধারণত আমরা চাই দেখি তা সবই উল্টো দেখি। আমাদের মস্তিষ্ক সেটিকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সোজা করে চিত্র দেখায়। গবেষণায় জানা গেছে যে, মানুষ না খেয়ে অনেক দিন বাঁচতে পারলেও না ঘুমিয়ে ততদিন বাঁচতে পারে না। এই ধরনের অনেক তথ্য আমাদের অনেকেরই অজানা।আজকে আপনাদের “বিজ্ঞানের সব আকর্ষণীয় তথ্য পর্ব-২”এ জানাবো বিজ্ঞানের এমনই সব মজার তথ্য যা আমাদের হতভম্ব করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

 

(১) আমরা সকলেই স্টারডাস্ট বা তারার ধুলো দিয়ে তৈরি। যখন কোন তারা ধ্বংসের মুখে পৌঁছায় তখন সেটি বিরাট বিস্ফোরণের মাধ্যমে ছোট ছোট  কণায় পরিণত হয় এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিস্ফোরণকেই আমরা “সুপারনোভা” হিসেবে জানি। যে ছোট ছোট কণাগুলো বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ছড়িয়ে পড়ে; সেগুলোই হল স্টারডাস্ট বা তারার ধুলো। এই স্টারডাস্টগুলি পরবর্তীতে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে একত্রিত হয়ে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত জিনিস সৃষ্টি করে। অর্থাৎ গ্রহ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন ব্যবহারের কলম পর্যন্ত স্টারডাস্ট দিয়ে তৈরি। এবং আমাদের মানব শরীরও স্টারডাস্ট দিয়ে গঠিত। যদি এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কোটি কোটি বছর সময় লাগে।

(২) আমাদের শরীরের ৯৯ শতাংশ জায়গায়ই খালি। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সমস্ত জিনিস এই পরমাণু দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ মানব শরীর অসংখ্য পরমাণু দিয়ে গঠিত। প্রত্যেকটি পরমাণুর মাত্র ১ শতাংশ জায়গাতে প্রোটন, ইলেকট্রন ও নিউট্রন থাকে, অর্থাৎ বাকি ৯৯ শতাংশ জায়গায়ই ফাঁকা পড়ে থাকে। পৃথিবীর সমস্ত মানুষের শরীর থেকে যদি খালি জায়গা বের করে দেওয়া যায়, তাহলে মানব শরীর একটি ছোট্ট চিনির দানার সমান আকৃতিতে পরিণত হবে। তাহলে ভাবুন আমাদের শরীরকে আমরা যা ভাবি তা আসলে আমাদের ভুল মাত্র।

(৩) আমাদের মস্তিষ্ক প্রকৃতপক্ষে একটি ব্রহ্মান্ডের মতই। সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডে কোটি কোটি ছায়াপথ আছে এবং প্রত্যেকটি ছায়াপথে কোটি কোটি নক্ষত্র আছে। তাহলে ভাবতে পারছেন এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে কত নক্ষত্র রয়েছে। প্রকৃতিও মানুষকে একটি শক্তিশালী ও সক্ষম মস্তিষ্ক দ্বারা তৈরি করেছে। মানুষের মস্তিষ্কে প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন আছে‌। যেমন আকাশগঙ্গাতে কোটি কোটি তারা আছে; তেমনই মানব মস্তিষ্কেও কোটি কোটি নিউরন আছে। মস্তিষ্কে যে কোন একটি নিউরন মস্তিষ্কের সমস্ত নিউরনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম এবং তড়িৎ ক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্দীপনা গ্রহণ ও সঞ্চালনের ব্যাপারে প্রত্যেকটি নিউরনের সক্ষমতা রয়েছে। বার্তা সঞ্চারের সময় এর প্রত্যেকটি কোষ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে; যেমনভাবে রাতের আকাশে তারা চকমক করে, ঠিক সেইভাবে। এমনও হতে পারে যে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বিশাল কোন জীবের মস্তিষ্ক।

(৪) পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যত প্রাণী সৃষ্টি হয়েছে তার মধ্যে ৯৯ শতাংশ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মানুষ এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করার আগে অনেক প্রজাতির জীব পৃথিবীতে ছিল। মানুষ মাত্র কয়েক হাজার বছর আগে থেকে এই পৃথিবীর বাসিন্দা। প্রকৃতপক্ষে আগের বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী যদি বিলুপ্ত না হতো, তাহলে এই পৃথিবীতে মানুষের জীবনধারণ অসম্ভব হত। পৃথিবীতে এক প্রকারের প্রজাতির অস্তিত্বের ধ্বংস এবং নতুন এক প্রকার প্রাণী সৃষ্টি বহু বছর ধরেই হয়ে এসেছে। হয়তো এভাবেই মানব জাতির অস্তিত্ব এ পৃথিবী থেকে ধ্বংস হয়ে যাবে। 

 

বিজ্ঞানপ্রেমীদের কাছে “বিজ্ঞানের সব আকর্ষণীয় তথ্য পর্ব-২” পর্বটি কেমন লাগলো? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। পরবর্তী পর্বে আপনাদের জন্য বিজ্ঞানের আরো মজার মজার অনেক তথ্য নিয়ে হাজির হবো। ধন্যবাদ সবাইকে। 

 

আগের আর্টিকেলটি পড়তে ক্লিক করুন।

“হলিউড ও হলিউড অভিনেতাদের নিয়ে সব চমকপ্রদ তথ্য” আর্টিকেল ২ টি পড়তে ক্লিক করুন।

 






Place your ad code here




Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট