Connect with us
★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

শিক্ষা

ষষ্ঠ সপ্তাহের ৮ম শ্রেণির কৃষিশিক্ষা এসাইনমেন্ট উত্তর

Maria Hasin Mim

Published

on

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাগণ। কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি আপনারা সকলে যে যার অবস্থানে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।আপনারা সকলে নিজ নিন অবস্থানে ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন সেই কামনাই ব্যক্ত করি।

এসাইনমেন্ট সিরিজের উত্তর দেওয়ার ধারাবাহিকতায় আমি আজ নিয়ে এসেছি ষষ্ঠ সপ্তাহের অষ্টম শ্রেনীর কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট। আশা করি শিক্ষার্থীদের উপকার হবে।

ষষ্ঠ সপ্তাহের ৮ম শ্রেণি কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্টঃ

(ক)মিনারা বেগম পুকুরে কি পরিমাণ ইউরিয়া প্রয়োগ করেছিলেন নির্ণয় কর।
উত্তরঃপুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য না থাকলে মাছের বৃদ্ধি ভালো ভাবে হয় না।তাই পুকুরে দৈনিক অথবা প্রতি সপ্তাহে একবার নিয়মিত করে সার দেওয়া উচিত।সার পানির সাথে গুলে পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হয়।
পুকুরে ইউরিয়া সার প্রয়োগের আদর্শ মাত্রা হলো প্রতি শতকে সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম।
সুতরাং মিনারা বেগম তার ৫ শতক পুকুরে ইউরিয়া প্রয়োগ করেছিলেন।
সুতরাং ৫০×৫=২৫০ গ্রাম( প্রতি সপ্তাহে)

(খ)মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন কর।
উত্তরঃউদ্দীপকে মিনারা বেগম ৫ শতক পুকুরে রুই, কাতলা,সিলভার কাপ এবং কার পিও জাতের মাছ চাষের উদ্যোগ নেন।এটি মূলত মাছের মিশ্র চাষ পদ্ধতি। সেসব মাছ স্বভাবে রাক্ষুসে নয়,খাবার নিতে প্রতিযোগিতা করে না,জলাশয়ের বিভিন্ন স্তরে বাস করে এবং বিভিন্ন স্তরে খাদ্য গ্রহণ করে এসব গূণের কয়েক প্রজাতির মাছ একই পুকুরে একত্রে চাষ করলে তাকে মিশ্র চাষ বলে।সিলভার কাপ,কাতলা,কাপিও,মুগেল ইত্যাদি পুকুরে মিশ্র চাষের জন্য খুব উপকারী। মিনারা বেগমের পুকুরে চাষের সুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলঃ

১.এরা জলাশয়ের বিভিন্ন স্তরের খাবার খায়। যেমনঃকাতলা পুকুরের উপরের স্তরে,রুই মাছ পুকুরের মধ্য স্তরে এবং মৃগেল নিচের স্বভাবের মাছ খায়।
২.এরা রাক্ষসী স্বভাবের নয়।
৩.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো।
৪.দ্রুত বর্ধনশীল।
৫.চাষে জন্য সহজেই হ্যাচারিতে পোনা পাওয়া যাবে।
৬.সল্প মুল্যের খাবার খেয়ে বেড়ে উঠে।
৭.খেতে সুস্বাদু ও বাজারে চাহিদা আছে।
৮.সর্বোপরি উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

১.পলিব্যাগে চারা করা সুবিধাজনক কিনা ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃপলিব্যাগে চারা তৈরি করা সুবিধাজনক কারণ পলিব্যাগের চারা সহজেই স্থানান্তর করা যায়।
পলিব্যাগ নার্সারিতে চারা উৎপাদন অনেক সহজ থাকায় বেশির ভাগ ফলজ ও বনজ চারা পলিব্যাগে উৎপাদন করা হয়।পলিব্যাগে চারা উৎপাদনের সুবিধাগুলো হলঃ
১.যেকোনো মাপের ও ঘনত্তের তৈরি করা যায়।
২.মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।
৩.সহজে বহন ও পরিবহন করা যায়।
৪.পলিব্যাগে উৎপদিত চারা পরিচর্যা করা সহজ এবং চারা মৃত্যুহার কম।

সামনে নতুন কোন টপিক নিয়ে হাজির হব আপনাদের সামনে।ধন্যবাদ সবাইকে।
মাস্ক পরুন
সুস্থ থাকুন

শিক্ষা

বেজি যে কারণে ঝগড়ায় জড়ায় সাপ সাথে

Bd Blogger

Published

on

বেজি এবং সাপের দ্বৈরথের সম্পর্কে সকলেই জানেন। বেজি এবং সাপের লড়াইয়ে বেজি সর্বদা জয়লাভ করে। বেজি বিভিন্ন গল্পে নায়ক হিসেবে এবং সাপটিকে ভিলেন হিসাবে রাখা হয়।কোবরার মতো বিষধর সাপও বেজির কাছে প্রাণ হারায়। অনেকে সে কারণে বাড়ির পাশে বেজি থাকলে সাপের ভয় কম পান। কারণ, যেখানে বেজি থাকে, সেই এলাকায় বিষধর গোখরা সাপও থাকার সাহস করে না।অনেকে বিশ্বাস করেন যে বেজির কোবরার বিষকে ধ্বংস করার জন্য অ্যান্টিবডি রয়েছে। যাইহোক, এটি সত্য নয়। আসলে, বেজি নিজেকে কোবরা কামড় থেকে রক্ষা করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। বেজির দেহের আকার এবং তার বিভিন্ন কৌশলগুলির কারণে যে কোন ধরণের সাপ তাকে পরাস্ত করতে পারে না। অন্যদিকে কৌশল অবলম্বন করে বেজিরা কোবড়াকে কামড়ে মেরে ফেলতে পারে।বাড়ির আশেপাশে বেজি থাকার সুবিধা হলো, ইঁদুর ও সাপের উৎপাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তবে মুরগির বাচ্চা থেকে শুরু করে হাঁসের বাচ্চা এরা খেয়ে ফেলে।বেজি বছরে দুই থেকে তিনবার বাচ্চা দেয়। এক সাথে দুই থেকে পাঁচটি বাচ্চা হয়।মাটির নিচের গর্তে এসব বাচ্চার দেখভাল করে মা বেজিরা। বেজি সর্বদা সাপকে বাচ্চাদের এবং তাদের নিজের খাবারের জন্য শত্রু হিসাবে দেখেন। এই কারণে, বেজি যখনই সাপটিকে দেখবে তখন তাড়া করতে বা মেরে ফেলার উঠেপড়ে লাগে বেজি।

Continue Reading

শিক্ষা

সাপের কামড়ের পরে কী করবেন এবং কী করবেন না

Bd Blogger

Published

on

অনেক দেশে সাপের কামড় দারুণ সমস্যা তৈরি করে। ভারতে প্রতি বছর এক মিলিয়ন মানুষ সাপের কামড়ে মারা যায়। আমাদের দেশেও মাদারীপুরের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ অদৃশ্য সাপের ভয়ে জীবন যাপন করছে। আমাদের দেশে প্রচুর বিষাক্ত সাপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কামড় দিয়ে বেঁচে থাকার অনেক উপায় রয়েছে।এ সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের বিজে মেডিক্যাল কলেজের সর্প বিশেষজ্ঞ ড. ভিজে মুরালিধর।
ভারত উপমহাদেশে প্রায় ২৫০ প্রজাতির সাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রায় ৫০ টি প্রজাতি বিষাক্ত। কোবরা, ভাইপার, ক্রেট এবং রাসেলের ভাইপার কামড় মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে। অবশ্যই, অনেক আগে এই সাপগুলি আরও হিংস্র ছিল। এখন তাদের সংখ্যা অনেক কমেছে। এছাড়াও, একই প্রজাতির বিভিন্ন সাপ রয়েছে যার বিষগুলি মৃত্যুর পক্ষে যথেষ্ট নয়। যেমন হ্যাম্পনোজড পিট ভাইপার। তাদের কামড় রক্তপাত এবং কিডনি বিকল হতে পারে।আবার উজ্জ্বল বর্ণের ক্রেইট কামড়ালে লক্ষণ অন্য সাপের কামড়ের সঙ্গে মেলানো যাবে না। এর কামড়ে রক্ত ঝরে না বা ব্যথাও অনুভূত হয় না। এমনকি অনেক সময় এর কামড়ের চিহ্নও বোঝা যায় না।
তবে যে কোন সাপ কামড়েছে তা বিবেচনা না করেই প্রথমে ডাক্তারের কাছে নেওয়া উচিত। তবে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে রোগীকে দ্রুত বিপদমুক্ত করা যায়।

যা করা উচিত :
প্রথমেই সাপে কামড়ানো রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে যে তার কোনো বিপদ হবে না। উত্তেজনায় রোগীর হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। এতে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।রোগীর এমনভাবে শুয়ে থাকা উচিত যাতে কামড়ানোর জায়গাটি হৃদপিণ্ডের সাথে কিছুটা কম থাকে। আঁট পোশাক, গহনা ইত্যাদি মুছে ফেলুন একটি কামড়কে একটি ফিতা বা দড়ি দিয়ে শক্তভাবে বেঁধে রাখুন।বিষক্রিয়ায় রোগীর হৃদস্পন্দন অনেক সময় বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়।সে ক্ষেত্রে সিপিআর দিন।যদি কেউ ডুবে থাকে বা অন্য কোনও ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়, শুইয়ে বুকে দুই হাত দিয়ে চাপ দিতে থাকুন। এভাবে হার হৃদযন্ত্র সচল করে ফেলুন।
যা করবেন না :
কামড়ের জায়গাটি সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন না। কাটা এবং প্রভাবিত অঞ্চলের চারপাশে রক্তপাত করবেন না। বৈদ্যুতিক শক দেবেন না। ঠান্ডা জলে বা বরফের কামড়ে ধরে রাখবেন না।
সাপের বিষক্রিয়া দূর করতে এভিএস অ্যান্টডোট ব্যবহার করা হয়। এভিএসের আবার মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এটি অ্যানাফিল্যাক্সিস নামে মাঝারি থেকে গুরুতর অ্যালার্জির কারণ হয়ে থাকে। সুতরাং, শরীরে এভিএস প্রয়োগ করার আগে, এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলি নিষ্ক্রিয় করার অ্যান্টিডোটসহ ব্যবহার করতে হবে। আবার কেউ যদি কোনও বিষাক্ত বা সামান্য বিষাক্ত সাপের কামড় থেকে বেঁচে থাকে তবে তাদের দ্বিতীয় কামড় থেকে বাঁচাতে শক্তিশালী এভিএস ব্যবহার করা প্রয়োজন। কারণ প্রথম কামড়ানোর পরে অ্যান্টিজেন তার শরীরে থেকে যায়। দ্বিতীয় কামড় অ্যান্টিজেনের সাথে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

Continue Reading

শিক্ষা

মহাবন আমাজনের অজানা তথ্য

Bd Blogger

Published

on

আমরা যতই চাঁদ ও মহাকাশ জয় করি না কেন, পৃথিবীর অনেক রহস্য অজানা থেকে যায়। অ্যামাজন রেইনফরেস্ট এমন একটি রহস্য খুব কম লোকই আছেন যারা অ্যামাজন জঙ্গলে আগ্রহী নন। আর কেন আগ্রহী হবেন না! এই পুরো জঙ্গলটি রহস্য এবং বিস্ময়ের একটি প্যাকেট।যখন এটি অ্যামাজন বা অ্যামাজন রেইন ফরেস্টের কথা আসে, তখন একটি জিনিস বারবার বলা হয় তা হ’ল “বিশ্বের বৃহত্তম…।” উদাহরণস্বরূপ, এটি বিশ্বের বৃহত্তম বন, বিশ্বের বৃহত্তম নদী অববাহিকা, এই অঞ্চলের বৃহত্তম নদী।এই উষ্ণ আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতার কারণে বনটিতে উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিচিত্র সংমিশ্রণ রয়েছে। এখানে রয়েছে ১২০ ফুট লম্বা গাছ, ৪০০০০ প্রজাতির গাছপালা,২.৫ মিলিয়ন প্রজাতির পোকামাকড়, ১২৯৪ প্রজাতির পাখি, ৩৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২৬ প্রজাতির উভচর এবং ৪২৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী সহ হাজার হাজার প্রজাতির অজানা জীব রয়েছে। এখানকার জীববৈচিত্র্য অতুলনীয়। মজার বিষয় হ’ল কয়েক হাজার প্রজাতির প্রাণীর সংমিশ্রণ সত্তেওর বাস্তুতন্ত্র খুব শক্তিশালী যা কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে টিকে আছে।বিভিন্ন প্রাণীর পাশাপাশি অ্যামাজনে কিছু ক্ষতিকারক প্রাণীও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাইরাণাস, ভ্যাম্পায়ার, বিষাক্ত ব্যাঙ, বৈদ্যুতিক মাছ, রেবিস, ম্যালেরিয়া, হলুদ জ্বর এবং ডেঙ্গু জ্বর। তদুপরি, জাগুয়ারস এবং অ্যানাকোন্ডা প্রায়শই বিপদের কারণ হতে পারে।

আমাজন একটি বিস্তৃত এবং জটিল জায়গা যেখানে প্রকৃতি একটি অনন্য ভৌগলিক এবং জৈবিক সংমিশ্রণ তৈরি করেছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও অনুপস্থিত। আমাদের অবশ্যই একই সাথে অ্যামাজনের রহস্য এবং ভয়কে জয় করতে হবে এবং একই সাথে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। অন্যথায় বিশ্বায়নের এই যুগে আমরা আর অ্যামাজনের রহস্য নিয়ে গর্ব করতে পারব না।

Continue Reading






গ্রাথোর ফোরাম পোস্ট