★ Grathor.com এ আপনিও ✍ লেখালেখি করে আয় করুন★Click Here★

ইউটিউবের কপিরাইট ক্লেইম এবং কপিরাইট স্ট্রাইক কি? আপনার ভিডিওতে ক্লেইম ভাই স্ট্রাইক আসলে কি কোন সমস্যা হবে?

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতু। ইউটিউবের কপিরাইট স্ট্রাইক এবং কপিরাইট ক্লেইম কতটা মারাত্মক আপনি জানেন? যদি না জেনে থাকেন তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্যই। এ আর্টিকেলে আমরা কপিরাইট ক্লেইম এবং কপিরাইট স্ট্রাইক এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

আর্টিকেলটি শুরু করার আগে অবশ্যই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। তা না হলে আপনার বুঝতে অসুবিধা হতে পারে নানা জায়গায়।চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেলটি।

ইউটিউবের কপিরাইট ক্লেইম?

ইউটিউবের কপিরাইট ক্লেইম হলো: কপিরাইট হল ইউটিউব এর একটি পলিসি। তারমধ্যে কপিরাইট ক্লেইম অন্যতম। আপনি যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে অন্য কারোর কন্টেন ইউজ করেন। তাহলে আপনার ওই ভিডিওতে একটি কপিরাইট ক্লেইম দেওয়া হবে। মনে রাখবেন ইউটিউবের কপিরাইট ক্লেইম ইউটিউব নিজে থেকেই দেয়। এটা অটোমেটিক্যালি হয়ে যায় যদি আপনি অন্য কারোর কিছু একটা ব্যবহার করেন। আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে ইউটিউব কিভাবে বোঝে আমি অন্যের কন্টেন নিয়েছি? তার উত্তরটি হলো: ইউটিউব বড় একটি প্রতিষ্ঠান এবং এ প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার লোক কাজ করে।

আপনি যার কনটেন্টটি ব্যবহার করেছেন তার কনটেন্টগুলো ইউটিউব আগে থেকেই ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে রেখেছিল। এবং ইউটিউব খুবই কঠোর। কেউ যদি অন্য কারোর কনটেন্ট ব্যবহার করে তাহলে অটোমেটিকালি ইউটিউব নিজে থেকেই তার ভিডিওতে কপিরাইট ক্লেইম দেয়।

[bsa_pro_ad_space id=7]

এবার হয়তো আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে! ইউটিউবের কপিরাইট ক্লেইম আসলে কি কোন সমস্যা হবে? হ্যাঁ ভাই যেহেতু কপি করেছেন সেহেতু সমস্যা তো আছেই। প্রথমত আপনি যার কন্টেন কপি করবেন সে ইচ্ছা করলে আপনার পুরো ইনকামটা একাই নিয়ে নিতে পারে। যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি মনিটাইজ হয়ে যাবে। তখন সে চাইলে আপনার ভিডিওর পুরো রেভিনিউ নিজে নিয়ে নিতে পারবে।

ইউটিউবের কপিরাইট স্ট্রাইক?

কপিরাইট স্ট্রাইক: ইউটিউবের কপিরাইট স্ট্রাইক হল সবচেয়ে মারাত্মক অপরাধ ইউটিউব এর কাছে। আপনি অন্য কারোর ভিডিও কপি করলে বা অন্য কোনো কিছু কপি করলে, আপনার ভিডিওতে কঁপিরাইট স্ট্রাইক আসতে পারে। এবং ইউটিউব এর কাছে এটা খুবই অপরাধমূলক কাজ।

আপনি যদি অন্য কারোর ভিডিও কপি করে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেন তাহলে,যার ভিডিও নিবেন সে চাইলে স্ট্রাইক দিতে পারে আপনার চ্যানেলে। আবারো বলছি কপিরাইট স্ট্রাইক যার ভিডিও নিবেন সে নিজেই আপনার চ্যানেলে কপিরাইট স্ট্রাইক দিবে।

এখন হয়তো বা আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে! কপিরাইট স্ট্রাইক খেলে কি সমস্যা? আগেই বলেছিলাম ইউটিউব এ কপিরাইট স্ট্রাইক খুবই মারাত্মক অপরাধ। আপনি যদি সর্বপ্রথম কারোর ভিডিও আপলোড করেন এবং কপিরাইট স্ট্রাইক আসে তাহলে সেটা ফাস্ট ওয়ার্নিং হিসেবে দেখবে ইউটিউব।

দ্বিতীয়বার যদি স্ট্রাইক আসে সেটা দ্বিতীয় ওয়ার্নিং হিসেবে দেখবে ইউটিউব। কিন্তু যদি তৃতীয়বার স্ট্রাইক এর আওতায় পড়ে কোন ভিডিও তাহলে সরাসরি আপনাকে ব্লক করে দেওয়া হবে।তবে কোনো নোটিশ ব্যতীত আপনার অ্যাকাউন্ট পার্মানেন্টলি ডিলিট করে দেওয়া হবে।

এমনকি ওই জিমেইল দিয়ে আপনার যত চ্যানেল থাকবে সব একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাবে।এমনকি আপনি ওই জিমেইল ধারা আর কখনোই ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন না।তাহলে তো বুঝতেই পারছেন ইউটিউব এর কাছে কত বড় অপরাধ স্ট্রাইকটি । আশা করি ক্লিয়ার ধারণা দিতে পেরেছি আপনাদের।

আজকের আর্টিকেলটি আর বড় করবো না এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।